23/05/2026
বিদেশে স্কলারশিপের দরজা খোলা - তবুও আমাদের অনেক গ্রাজুয়েট কেন সেখানে পৌঁছাতে পারে না?
অনেকেরই আসলে শুরুটাই হয় না, কারণ তারা জানেই না কোথায় খুঁজবে, কীভাবে আবেদন করবে। আশেপাশে কেউ বিদেশে পড়েছে বা থাকে - এমন পরিবারগুলো এগিয়ে থাকে, কারণ তাদের কাছে তথ্য থাকে। এখানে “তথ্য”ই আসল শক্তি।
আরেকটা বড় ভুল ধারণা - স্কলারশিপ নাকি দয়া করে দেয়া হয়। বাস্তবে এটা পুরোপুরি যোগ্যতার লড়াই। নির্দিষ্ট স্কিল, প্রোফাইল, প্রস্তুতি—এসব ছাড়া সুযোগ পাওয়া কঠিন। কিন্তু আমাদের অনেকেই গ্রাজুয়েশন শেষ করেও এই প্রস্তুতি তৈরি করতে পারে না।
সময় নিয়েও বড় সমস্যা আছে। অনার্স বা মাস্টার্স শেষ করে তারপর হঠাৎ বিদেশে পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে দেখা যায় অনেক দেরি হয়ে গেছে। তখন জীবনের অন্য দায়িত্ব - চাকরি, পরিবার - এসবের মধ্যে পড়ে নিজের স্কিল তৈরি করা কঠিন হয়ে যায়।
মেন্টরশিপও একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। গাইডেন্স ছাড়া এই জার্নি অনেক কঠিন। একজন ভালো মেন্টর কয়েক মিনিটে যে বাস্তব পরামর্শ দিতে পারেন, সেটা একা একা শিখতে গেলে বছরের পর বছর লেগে যেতে পারে। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই ধরনের মেন্টরিং সংস্কৃতি খুব সীমিত। গবেষণার পরিবেশ দুর্বল, আর যারা নিজের চেষ্টায় কিছু করে - তাদেরও প্রাপ্য মূল্যায়ন অনেক সময় হয় না।
সংক্ষেপে - সমস্যাটা সুযোগের নয়, প্রস্তুতি, তথ্য আর সঠিক দিকনির্দেশনার।