MN Associates, Uttara, Dhaka.

MN Associates, Uttara, Dhaka. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MN Associates, Uttara, Dhaka., Dhaka.

30/12/2025

আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশ
বাংলাদেশ আজ গভীর শোকের আবহে নিমজ্জিত। আপসহীন নেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গোটা জাতি স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ছিল সংগ্রাম, ত্যাগ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক।
বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের জন্য নিরলস সংগ্রামী। প্রতিকূল সময়ে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আজ শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সহকর্মী—সবাই তাঁর অবদান স্মরণ করছে। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
জাতি আজ স্মরণ করছে তাঁর সাহসী পদক্ষেপ, আপসহীন মনোভাব এবং গণতন্ত্রের জন্য অবিচল সংগ্রামকে। খালেদা জিয়া ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন একজন আপসহীন নেত্রী হিসেবে, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য।

08/04/2025

চীনের সহায়তায় বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনার প্রভাব একটি জটিল ও বহুমাত্রিক ইস্যু, যার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক রয়েছে। নিম্নে বিষয়টির বিস্তারিত পর্যালোচনা উপস্থাপন করা হলো:

ইতিবাচক দিকসমূহ:
১. অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর :
- চীন বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনায় বাঁধ, সেতু, ফ্লাডগেট, এবং নদী খননের মতো প্রকল্পে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে। উদাহরণস্বরূপ, পদ্মা সেতু নির্মাণে চীনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য, যা নদীপথের সংযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে সহায়ক হয়েছে।
- চীনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজিং প্রযুক্তি নদী খননে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা নাব্যতা বৃদ্ধি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।

২. দ্রুত বাস্তবায়ন ও অভিজ্ঞতা :
- চীনা কোম্পানিগুলো দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম, যা বাংলাদেশের জরুরি নদীসংক্রান্ত সমস্যা (যেমন: বন্যা বা নদীভাঙন) মোকাবিলায় সহায়ক।
- চীনের自身 নদী ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা (যেমন: ইয়াংৎসি নদী প্রকল্প) বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

৩. অর্থনৈতিক সহযোগিতা :
- চীনের ঋণ ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য সম্পদ সীমাবদ্ধতার পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর অধীনে প্রকল্পগুলো অর্থনৈতিক বিকাশে ভূমিকা রাখছে।

নেতিবাচক দিকসমূহ :
১. পরিবেশগত ঝুঁকি :
- চীনা প্রকল্পগুলোর পরিবেশগত মূল্যায়ন (EIA) প্রক্রিয়া প্রায়ই সমালোচিত। উদাহরণস্বরূপ, বাঁধ নির্মাণে নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ বিঘ্নিত হতে পারে, যা মাছের আবাসন, কৃষি জমির লবণাক্ততা, এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

- টেকসই নদী ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে অস্থায়ী "কংক্রিট-ভিত্তিক সমাধান" (যেমন: কৃত্রিম বাঁধ) দীর্ঘমেয়াদে নদীর গতিপথ বিকৃত করতে পারে।

২. ঋণের বোঝা ও স্বাধীনতা হ্রাস :
- চীনের ঋণ প্রায়ই "ঋণের ফাঁদ" (Debt Trap) হিসেবে আলোচিত। বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বাড়লে ভবিষ্যতে আর্থিক সঙ্কট ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।
- প্রকল্পের শর্তাবলীতে চীনা কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, যা স্থানীয় উদ্যোগকে দুর্বল করে।

৩. ভূ-রাজনৈতিক সংকট :
- চীনের সম্পৃক্ততা ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি করতে পারে। ভারত ইতিমধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন ইস্যুতে সংবেদনশীল, এবং চীনের উপস্থিতি আঞ্চলিক শক্তি সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

- BRI প্রকল্পগুলোকে চীনের "নরম শক্তি" প্রসারের হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়, যা বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।

৪. স্থানীয় সম্প্রদায়ের উদ্বেগ :
- অনেক প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের সাথে আলোচনা ও সম্মতির ঘাটতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, নদী খননের ফলে জেলেদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

- প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ কেস স্টাডি: তিস্তা নদী প্রকল্প
- তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনায় চীনের প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ভারত ইতিমধ্যে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে আপত্তি জানিয়েছে, যা বাংলাদেশ-ভারত-চীন ত্রিমুখী সম্পর্কে জটিলতা তৈরি করেছে।
- প্রকল্পটির পরিবেশগত প্রভাব (যেমন: নদীর প্রবাহ কমে যাওয়া) এবং রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগে পরিণত করেছে।

সামগ্রিক মূল্যায়ন ;
চীনের সহায়তা বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনায় মিশ্র প্রভাব ফেলেছে। যদিও অবকাঠামো উন্নয়ন ও দ্রুত বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু পরিবেশগত ঝুঁকি, ঋণের বোঝা, এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জন্য জরুরি হলো:
১. প্রকল্প নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও পরিবেশগত সমীক্ষা জোরদার করা।
২. ঋণের শর্তাবলী ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করা।
৩. আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে (যেমন: ভারত, নেপাল, ভুটানের সাথে) সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রণয়ন।
৪. স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে টেকসই সমাধান খোঁজা।

উপসংহার ;
চীনের সহায়তা একদিকে বাংলাদেশের জন্য অবকাঠামোগত সুযোগ তৈরি করলেও অন্যদিকে পরিবেশ, অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের ভারসাম্য বজায় রেখে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন।

06/04/2025

*বাংলাদেশের রাজস্ব খাতে ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বৃদ্ধি: একটি জরুরি অগ্রাধিকার*

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে রাজস্ব খাতের ফাঁকি (Revenue Leakage) একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কর আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং কর ফাঁকির সংস্কৃতি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, করের আওতা সীমিত থাকায় সরকারের উন্নয়ন বাজেট নির্ভর করতে হয় ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তার উপর, যা টেকসই নয়। তাই, রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বাড়ানো এখন জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয়।

*রাজস্ব ফাঁকি কেন হয়?*
১. অস্বচ্ছ কর ব্যবস্থা:
হাতে-কলমে ডাটা সংরক্ষণ, দুর্নীতি ও মনুয়েল প্রক্রিয়ার কারণে রাজস্ব ফাঁকি বাড়ে।
২. কর আদায়ে অনিয়ম:
কিছু কর কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসাধুতা ও দুর্বল তদারকির সুযোগ নেয় করদাতারা।
৩. অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের বিশাল আকার:
দেশের একটি বড় অংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে, যারা কর নেটওয়ার্কের বাইরে।
৪. ডিজিটালাইজেশনের ঘাটতি:
ই-টিন, অনলাইন পেমেন্ট ও স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের অপর্যাপ্ত ব্যবহার।

*রাজস্ব ফাঁকি রোধের উপায়*
✅ ডিজিটাল কর প্রশাসন জোরদার:
- ই-টিন, অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন ও স্বয়ংক্রিয় ডাটা ম্যাচিং চালু করতে হবে।
- NBR-এর ডাটাবেসকে শক্তিশালী করে আয়-ব্যয়ের সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।

✅ কঠোর তদারকি ও জবাবদিহিতা:
- কর ফাঁকির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।
- দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।

✅ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতকে আনুষ্ঠানিক করা:
- ক্ষুদ্র ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স সেক্টরকে কর নেটওয়ার্কে আনা।

*করের আওতা বাড়ানোর কৌশল*
📌 নতুন খাত যুক্ত করা:
- ফ্রিল্যান্সিং, রেমিট্যান্স, ই-কমার্স ও গিগ ইকোনমি থেকে কর আদায়ের ব্যবস্থা করা।

📌 *কর মৌলিক সংস্কার:*
- নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য কর রেয়াত ও উচ্চ আয়ে প্রগতিশীল কর হার প্রয়োগ।

📌 **জনসচেতনতা বৃদ্ধি:*
- "কর দিলে দেশ এগিয়ে যায়" এই মেসেজ ছড়িয়ে দেওয়া।
- স্কুল-কলেজে কর সংস্কৃতি চর্চা করা।

উপসংহার
বাংলাদেশের অর্থনীতি যখন মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের পথে, তখন রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে একটি কার্যকর কর ব্যবস্থা গড়ে তুললে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে, যা দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। এ লক্ষ্যে সরকার, নাগরিক ও ব্যবসায়ী সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে।

NBR Notice for the purpose of  BIN Certificate & Package VAT.
07/07/2019

NBR Notice for the purpose of BIN Certificate & Package VAT.

With Holding Tax Return
07/07/2019

With Holding Tax Return

21/09/2018

গৃহকর্মীর বেতনের হিসাব দিতে হবে!

গৃহস্থালির কাজে সহায়তার জন্য অনেকে বাসায় গৃহকর্মী রাখেন। মাস শেষে তাঁদের বেতন দেন। এখন সেই খরচের চিত্রও বার্ষিক আয়কর বিবরণীতে দেখাতে হবে। এ ছাড়া আপনার বাসায় যদি ডিশলাইনের সংযোগ থাকে এবং তার জন্য মাস শেষে যে বিল দেন, সেটাও দেখাতে হবে আয়কর বিবরণীতে। এমনকি আপনি মাস শেষে ময়লা অপসারণের জন্য যে বিল দেন, সেটাও আয়কর বিবরণীতে খরচ হিসেবে দেখাতে হবে। আবার বাড়িভাড়া, গাড়িচালকের বেতন, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের খরচও দেখাতে হবে। সার্বিকভাবে আপনার জীবনযাত্রা কেমন, এর চিত্র তুলে ধরতে হবে আয়কর বিবরণীতে। এর মাধ্যমে আপনি কতটা ধনী, কত আয় করেন আর কত অর্থ খরচ করেন, সেটা দেখতে চায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আপনার বৈধ আয়ের সঙ্গে আপনার জীবনযাত্রার মিল আছে কি না, তা মিলিয়ে দেখতে চান কর কর্মকর্তারা।

গত জুলাই থেকে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দেওয়ার সময় শুরু হয়ে গেছে। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে জীবনযাপনে কত টাকা খরচ করলেন, তা রিটার্নের সঙ্গে এনবিআরকে বিস্তারিত জানাতে হবে। আপনি যদি চাকরিজীবী হন, ব্যবসা করেন বা অন্য খাত থেকে আপনার আয় বছরে তিন লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়, তাহলে আপনাকে নতুন ফরম পূরণ করে জীবনযাত্রার চিত্র তুলে ধরতে হবে। সেখানে গৃহকর্মীর বেতন-ভাতা থেকে শুরু করে ডিশলাইনের বিলের কথাও উল্লেখ করতে হবে।

এবার আসি জীবনযাত্রার ফরমে কী কী দেখাতে হবে। সেখানে সঠিকভাবে খরচ দেখানোই ভালো। তাতে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না আপনাকে। প্রথমেই আসি বাড়িভাড়ায়। ফরমের আবাসন ঘরে আপনি যদি ভাড়া বাসায় থাকেন, সেটা লিখতে হবে। বছরে কত টাকা ভাড়া দেন, তা জানাতে হবে। এমনকি নিজের বা পৈতৃক বাড়ি থাকলেও বলতে হবে। এরপর বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কত হয়েছে, তা লিখতে হবে। এখন শহুরে মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারেও গাড়ি আছে। এই গাড়ির চালক থাকলে কত বেতন দেওয়া হয়; জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কত, তা জানাতে হবে।

বাড়িওয়ালা-ভাড়াটেনির্বিশেষে সবাইকে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল দিতে হয়। আবার বাড়ির বর্জ্য অপসারণের জন্যও মাস শেষে বিল বাবদ টাকা দিতে হয়। এসবও জীবনযাত্রার ব্যয়ের খরচে দেখাতে হবে।

এ দেশে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনেকেই নামীদামি স্কুলে পড়ান। আবার অনেকে বৈধভাবে যা আয় করেন, তা দিয়ে নামীদামি স্কুলে পড়ানোর খরচ মেটাতে পারেন না। কিন্তু ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অনেকেই অবৈধভাবে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। অথচ বার্ষিক আয়কর বিবরণীতে তা দেখাতে পারেন না। যাঁরা সন্তানদের দামি স্কুলে পড়াশোনা করান, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। সন্তানদের পড়াশোনার খরচও জীবনযাত্রায় দেখাতে হবে।

এবার আসি বিনোদনে খাতের খরচে। আপনি সামাজিক বা পারিবারিক উৎসবের আয়োজন করেছেন। বিশাল আয়োজন, শত শত মানুষকে খাইয়েছেন। লাখ লাখ টাকা খরচ করেছেন। এই টাকার হিসাব কিন্তু এনবিআরকে জানাতে হবে। এমনকি কাউকে কোনো উপহার দিলেও খরচ দেখাতে হবে। অনেকেই প্রতিবছর স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে দেশে-বিদেশে ঘুরতে যান। অনেক টাকা খরচ করেন। এই টাকার হিসাবও জানতে চায় এনবিআর। কোনো মানবিক সহায়তা ও অনুদান দিলে সেটিও দেখাতে হবে। এমনকি কোথায় চিকিৎসা করেছেন, কত টাকা খরচ হয়েছে, সেটাও জীবনযাত্রার বিবরণীতে লিখতে হবে।

সম্পদের হিসাবও দিতে হবে

খরচ তো গেল, এবার আপনার সম্পদ কত আছে, সেটার পাই পাই হিসাব দিতে হবে। আপনার একটি গাড়ি আছে। সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়া, নিজের অফিস আসা-যাওয়া এবং পারিবারিক প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য গাড়ি কিনেছেন। আপনি কি জানেন এই গাড়ির থাকার কারণে কর অফিসে জমা দিতে প্রতিবছর আলাদা একটি সম্পদ বিবরণী ফরম পূরণ করতে হবে? রিটার্ন জমার সময় এই ফরম পূরণ করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, ফ্ল্যাট বা বাড়ি থাকলেও আপনার সম্পদ বিবরণী জমা বাধ্যতামূলক। এতে বাড়ি-গাড়িওয়ালাদের সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের চিত্র পাওয়া যাবে।

এসব সম্পদ না থাকলেও আপনার মোট সম্পদের পরিমাণ যদি ২৫ লাখ টাকার বেশি হয়, তবু আপনাকে সম্পদ বিবরণী দিতে হবে। আপনার স্বামী বা স্ত্রী কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ও নির্ভরশীল ব্যক্তি করদাতা না হলে তাঁদের সম্পদ ও দায় আপনার সম্পদ বিবরণীতে দেখাতে হবে। এর মানে হলো স্ত্রী, স্বামী, সন্তানের নামে বাড়ি-গাড়ি, গয়নাসহ বিভিন্ন সম্পদ দেখিয়ে নিজের সম্পদ লুকানোর সুযোগ নেই।

সম্পদ বিবরণীর মাধ্যমে করদাতা কতটা ধনসম্পদের মালিক, তা বোঝা যায়। তবে সব সম্পদেই যে আয় হবে, তা নয়। যেমন নিজের বাড়ি থাকলে ভাড়া না দিয়ে নিজে বাস করেন, এ ধরনের বাড়ি থেকে কোনো আয় আসে না। ব্যবসায় পুঁজি, কৃষি সম্পত্তি, আর্থিক সম্পদ, গাড়ি, গয়না, আসবাব, নগদ টাকা, ঋণ ইত্যাদির আর্থিক মূল্যের তথ্য সম্পদ বিবরণীতে দিতে হয়। এক বা একাধিক গাড়ি থাকলে ব্র্যান্ড, ইঞ্জিন (সিসি), রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ ক্রয়মূল্য উল্লেখ করতে হবে। গাড়ি পরিবারের সদস্যদের নামে থাকলেও তা সম্পদ বিবরণীতে দেখাতে হবে।

বাড়ির আসবাব-গয়নাও একধরনের সম্পদ। এগুলো প্রতিবছর বার্ষিক আয়কর বিবরণীর সম্পদে দেখাতে হয়। নতুন ফ্রিজ-টেলিভিশন কিনলে তা পরের বছর সম্পদ বিবরণীতে থাকতে হবে।

Source : Daily Prothom Alo Date : 21/09/2018

Section  108A new imposed finance Act 2018
01/08/2018

Section 108A new imposed finance Act 2018

19/07/2018

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MN Associates, Uttara, Dhaka. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share