Azhar Mahmood

Azhar Mahmood Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Azhar Mahmood, Business consultant, Dhaka.

একজন আইনজীবী একজন শিক্ষকের কাছে একটি কূয়ো বিক্রি করলেন। দুই দিন পর, আইনজীবী সেই শিক্ষকের কাছে এসে বললেন,“আমি তো আপনাকে ক...
01/05/2025

একজন আইনজীবী একজন শিক্ষকের কাছে একটি কূয়ো বিক্রি করলেন। দুই দিন পর, আইনজীবী সেই শিক্ষকের কাছে এসে বললেন,
“আমি তো আপনাকে কূয়ো বিক্রি করেছি, কিন্তু কূয়োর ভিতরের জল তো বিক্রি করিনি! আপনি যদি জল ব্যবহার করতে চান, তবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।”

শিক্ষক হেসে উত্তর দিলেন,
“হ্যাঁ, আমিও আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম—আপনার জল আমার কূয়ো থেকে নিয়ে যান, না হলে আগামীকাল থেকে আপনাকেই আমার কুয়োয় জল রাখার জন্য ভাড়া দিতে হবে।”

এটা শুনে আইনজীবী ঘাবড়ে গেলেন এবং বললেন,
“আরে না না, আমি তো মজা করছিলাম!”

শিক্ষক হেসে বললেন,“আমরাই আইনজীবী ও বিচারপতি তৈরি করি! শিক্ষকের সাথে একদম চালাকি নয়।

এই ৫০টি ফ্রি AI টুল আপনার কাজকে এক কথায় “বিস্ময়করভাবে সহজ” করে তুলবে!চলুন দেখে নেওয়া যাক, কোন টুলগুলো আপনার সময় বাঁচিয়ে ...
17/04/2025

এই ৫০টি ফ্রি AI টুল আপনার কাজকে এক কথায় “বিস্ময়করভাবে সহজ” করে তুলবে!

চলুন দেখে নেওয়া যাক, কোন টুলগুলো আপনার সময় বাঁচিয়ে দক্ষতাকে বাড়িয়ে দিতে পারে:

টুলের তালিকা (বাংলায় ক্রমিক নম্বর সহ):

১) ChatGPT – প্রশ্ন-উত্তর, ব্লগ লেখা, কোডিং সহায়তা ইত্যাদির জন্য অল-রাউন্ডার।
২) Canva AI – ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ও প্রেজেন্টেশন তৈরিতে সহজ সমাধান।
৩) Pictory – লেখাকে অটো ভিডিওতে রূপান্তর করে।
৪) Copy.ai – বিজ্ঞাপন ও কপি রাইটিংয়ের জন্য অসাধারণ।
৫) Jasper – ব্লগ, মার্কেটিং ইমেইল, পণ্য বিবরণ লেখায় সহায়ক।
৬) Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭) Quillbot – যেকোনো লেখা প্যারাফ্রেজ ও রি-রাইট করে।
৮) Synthesia – ভার্চুয়াল AI বক্তা দিয়ে ভিডিও তৈরি করে।
৯) Looka – সহজে লোগো ও ব্র্যান্ডিং তৈরি করতে সাহায্য করে।
১০) Remove.bg – এক ক্লিকে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে।
১১) Leonardo AI – চমৎকার কল্পনামূলক ডিজাইন তৈরি করে।
১২) Durable – মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়।
১৩) SlidesAI – লেখাকে অটো স্লাইডে রূপান্তর করে।
১৪) Runway ML – AI দিয়ে ভিডিও এডিট ও ভিজ্যুয়াল এফেক্ট যোগ করে।
১৫) Tome – ইন্টার‍্যাকটিভ ও স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬) Notion AI – নোট, টাস্ক ও লেখালেখিতে সাহায্য করে।
১৭) Krisp – কলের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড আওয়াজ দূর করে।
১৮) Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত বস্তু মুছে ফেলে।
১৯) Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা কথোপকথনের সঙ্গী।
২০) Soundraw – AI দিয়ে ইউনিক মিউজিক বানায়।
২১) Beatoven – ভিডিও ও পডকাস্টের জন্য সঙ্গীত তৈরি করে।
২২) Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ ও ইফেক্টের জন্য উপযুক্ত।
২৩) Lumen5 – লেখাকে আকর্ষণীয় ভিডিওতে রূপান্তর করে।
২৪) Descript – টেক্সট দিয়ে ভিডিও সম্পাদনা করে।
২৫) Kaiber – AI দিয়ে অসাধারণ অ্যানিমেটেড ভিডিও বানায়।
২৬) AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রইংকে নিখুঁত আইকনে পরিণত করে।
২৭) ElevenLabs – খুবই রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেট করে।
২৮) Heygen – AI ফেস ও ভয়েস দিয়ে ভিডিও তৈরির টুল।
২৯) Writesonic – কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন লেখা সহজ করে।
৩০) Play.ht – লেখা থেকে ভয়েস তৈরি করে শুনতে দেয়।
৩১) Papercup – ভিডিও কনটেন্টকে অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২) AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প লেখায় ব্যবহৃত হয়।
৩৩) TTSMaker – লেখাকে অডিও ফরম্যাটে রূপ দেয়।
৩৪) Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ফেলে সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫) Designs.ai – লোগো, ভিডিও ও মার্কেটিং উপকরণ তৈরি করে।
৩৬) Midjourney – ইমেজ তৈরি করে লেখা অনুযায়ী।
৩৭) TinyWow – ফ্রি পিডিএফ ও ফাইল টুলের বিশাল কালেকশন।
৩৮) ChatPDF – PDF ফাইল পড়ে উত্তর দেয় ও সারাংশ দেয়।
৩৯) Scalenut – SEO-বেইজড কনটেন্ট পরিকল্পনা করে।
৪০) INK – AI রাইটিং ও SEO একসাথে ম্যানেজ করে।
৪১) DeepL Translator – প্রোফেশনাল ট্রান্সলেশনের জন্য বিখ্যাত।
৪২) OpenArt – কাস্টম ইমেজ ও ডিজিটাল আর্ট তৈরি করে।
৪৩) NameSnack – AI দিয়ে ব্যবসার জন্য নাম সাজেস্ট করে।
৪৪) Tidio – ওয়েবসাইটের জন্য স্মার্ট চ্যাটবট তৈরি করে।
৪৫) FormX.ai – স্ক্যান করা ডেটা থেকে তথ্য বের করে।
৪৬) Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরির জন্য বেস্ট টুল।
৪৭) Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট কনটেন্ট সহজে লিখে দেয়।
৪৮) Hugging Face – হাজারো AI টুল ও NLP মডেল হোস্ট করে।
৪৯) Adobe Firefly – ডিজাইন ও আর্ট তৈরিতে অ্যাডোবির নিজস্ব AI।
৫০) Illustroke – লেখা থেকে SVG ফরম্যাটে ইলাস্ট্রেশন বানায়।

আপনার পূর্বপুরুষকে একটা বাঘ তাড়া করলে তিনি কি করতেন??সহজ উত্তর হচ্ছে, একা থাকলে দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করতেন, আর অস্ত্রপাতি ...
26/03/2025

আপনার পূর্বপুরুষকে একটা বাঘ তাড়া করলে তিনি কি করতেন??
সহজ উত্তর হচ্ছে, একা থাকলে দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করতেন, আর অস্ত্রপাতি সহ দলবল নিয়ে থাকলে রুখে দাড়াতেন।
যদি তিনি দৌড়ানো শুরু করতেন, তার ব্রেইন দ্রুত এড্রেনালিন আর কর্টিসোল উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তার কিডনিকে নির্দেশ দিত। রক্তে ইনসুলিন লেভেল বেড়ে যেত, দ্রুত গ্লুকোজ পোড়ানো শুরু করতো শরীর, তখন শুরু হত গ্লুকাগন লেভেল বাড়া। গ্লুকাগনের কাজ ইনসুলিনের উলটা, এটা রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বাড়ায়। রক্তে গ্লুকোজের পরিমান কমে গেলে যেহেতু আপনার সেই পরদাদা জোরে ছুটতে পারবে না, ত্তাই গ্লুকাগন রক্তে গ্লুকোজের পরিমান যেন পড়ে না যায় সেজন্য চেষ্টা করতে থাকতো। প্রথমেই লিভারে থাকা গ্লাইকোজেনগুলি পুড়িয়ে ফেলতো শরীর, এরপর শুরু হত মাসলে জমানো গ্লাইকোজেন পোড়ানো।
এরপর, শরীরকে খুজতে হত শক্তির অন্য উৎস। এই উৎস হল শরীরে জমানো ফ্যাট।
ব্রেইন সহজে ফ্যাট পোড়াতে চায় না, তাই ব্রেইন খাবারের খোজে থাকে। ব্রেইন আপনার পূর্বপুরুষকে অবচেতনে বলতো, খাবার খাও।
আধুনিক দুনিয়ায় আমাদের কোন বাঘ তাড়া করে না। আমাদেরকে তাড়া করে প্রচন্ড কাজের চাপ, বসের বকা, সারাবছর মাথার ওপরে একের পর এক ডেডলাইন।
এই ক্রনিক স্ট্রেস আমাদের শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজমকে শাট ডাউন করে আমাদেরকে একটা অলটাইম হিডেন ইমার্জেন্সিতে রাখে।
ইনসুলিন অল্প সময়ের জন্য শরীরে বেশি থাকলে সমস্যা নেই কিন্তু একটানা যখন বেশি থাকে দিনের পর দিন, তখন শরীরে তৈরি হয় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।
দীর্ঘমেয়াদে স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে কমতে থাকে ডোপামিন, বাড়তে থাকে প্রোল্যাক্টিন। শুরু হয় পুরুষদের মেয়েলি আচরন অথবা মেয়েদের অনুর্বরতা।
আমাদের এক্টিভ থাইরয়েড হরমোন টি থ্রি কনভার্ট হতে শুরু করে রিভার্স টি থ্রি তে, ফলে ব্যাখ্যার অযোগ্য ভাবে বাড়তে থাকে ভিসেরাল ফ্যাট এবং সাদা চর্বি।
আমাদের প্যারাথাইরয়েড হরমোন শুরু করে বোন মাস ব্রেকডাউন, মানে, আমাদের হাড়ক্ষয়ের হার বেড়ে যায়।
গাট ব্যাকটেরিয়ারা সেরোটোনিন উৎপাদন কমিয়ে বা থামিয়ে দিতে থাকে, ফলে আপনার সঙ্গী হয় বিষন্নতা, কমতে থাকে মগজের ধার, বাড়তে থাকে এইজিং।
এই যে হরমোনাল র‍্যাম্পেজ, এটাকে আপনি থামাতে পারবেন না যদি না আপনি ভাল স্ট্রেস হ্যান্ডলার না হন।
সত্যি বলতে, ইতিহাসের কোন সময়েই মানুষ আজকের মত স্ট্রেসে ছিল না। মানুষের ব্রেইনকে এত ইনফরমেশন প্রসেস করতে হয় নাই, এত ডিসিশান মেইক করতে হয় নাই এবং এত রকম ভয়ের সাথে মানায়ে নিতে হয় নাই।
এখন, স্ট্রেস নিয়েন না বললেই তো আপনার লাইফ থেকে স্ট্রেস চলে যাবে না। আর স্ট্রেস না নেয়ার যে মাইন্ডসেট, ঐটা হল বহু বছরের প্রিপারেশানের ফলাফল।
এখন স্ট্রেসকে ম্যানেজ করার জন্য আমাদের শরীর সাধারনত নয়টা নিউট্রিয়েন্টকে বেশি ব্যবহার করে।
১)ভিটামিন সি
২)ক্যালসিয়াম
৩)ম্যাগনেসিয়াম
৪)থাইমিন বা ভিটামিন বি-১
৫)ভিটামিন বি থ্রি বা নায়াসিন
৬)ভিটামিন বি-৫ বা প্যান্টোথেনিক এসিড
৭)সোডিয়াম
৮)ফসফরাস
৯)কোলেস্টেরল
১০)গ্লুকোজ
খেয়াল করবেন, কয়েক ধরনের খাবার স্ট্রেসের সময় আমাদেরকে বেশি টানে।
১)কফি
২)সুগার
৩)নিকোটিন
৪)স্যাচুরেটেড ফ্যাট
কেন বেশি টানে??
কারন ওপরের ১০টা নিউট্রিয়েন্টকে আপনার বডি তখন ওভার ইউজ করে। দ্রুত নিজের স্টোরেজ ডিপ্লেশনকে ঠেকাইতে চায় বডি, যেকোন মূল্যে, এমনকি একটা হার্টের রোগীকে ওভারইটিং করায়ে হইলেও বডি এইটা করায়ে নেয়।
তাইলে স্ট্রেস থেকে হওয়া ড্যামেজ থেকে বাচার উপায় কি??
উত্তর হচ্ছে, মাইন্ডকে ট্রেইন করা। স্ট্রেস নেয়ার জন্য নিজের মানসিক শক্তি বাড়ানো। যে জিনিসগুলাকে ভয় পান, টেকনিক্যালি কিভাবে সেগুলা মোকাবিলা করতে পারেন তা নিয়ে বেশি বেশি রেশনাল চিন্তা করা।
ব্যাপারটা সোজা না, বহুদিনের চেষ্টার ফল।
আর অবশ্যই যারা বেশিরভাগ সময় স্ট্রেসে থাকেন, নিয়মিত ভিটামিন সি খাবেন দিনে ৫-৬ বার ৫০০ এমজি করে। স্ট্রেস এডাপটেশন ভাল হবে।
কমপ্লিট বি ভিটামিন ক্যাপসুল নিতে চেষ্টা করবেন দিনে ২-৩ বার।
লাইফ এক্সটেনশান, ডক্টর্স বেস্ট, নাউ অথবা ওসাভি, এই ব্র‍্যান্ডগুলা রেকমেন্ডেড।
মাসে অন্তত ৩-৪ দিন একটা করে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খাবেন।
হাতে এনাফ টাকা পয়সা থাকলে লাইফ এক্সটেনশান ম্যাগনেসিয়াম আর নাউয়ের বি-৫ সাপ্লিমেন্ট খাবেন।
প্রচুর শাক খাবেন, ক্যামোমাইল, মাচা বা ল্যাভেন্ডার টি খাবেন।
সুযোগ পেলেই মুরগী বা খাসীর গোশত খাবেন, এগুলা স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের জন্য বেশ ভাল। আরেকটা ভাল জিনিস হচ্ছে দুধ, মধু, হলুদ ও কালোজিরার কম্বিনেশান।
চিনি বা তামাক বা এলকোহল খেয়ে স্ট্রেস কমাতে চেষ্টা করবেন না, তাহলে কোনদিনই স্ট্রেস থেকে রক্ষা পাবেন না।
আরো কয়েকটা ফ্রি উপায় আছে, সবার হয়তো ভাল লাগবে না।
১)সকালের সোনালী রোদ এবং নীল আকাশ দেখা
২)কোল্ড ওয়াটার থেরাপি-এন্ড্রিউ হিউবারম্যানকে ফলো করতে পারেন
৩)ওয়েট ট্রেইনিং করা
৪)স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ-ধ্যান-সিজদাহ
সিজদাহ মানুষের জানা একটা অতি প্রাচীন পদ্ধতি, কমপ্লিট সাবমিশনের একটা পরীক্ষিত উপায়। আমাকে আপনি রিলিজিয়াসলি ডগম্যাটিক বলবেন, সে উপায় আমি রাখবো না। গভীর সিজদাহ স্ট্রেস রিলিজ করে বলেই এটা হাজার হাজার বছর ধরে এতগুলো ধর্মে এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন এমন মানুষেরা সিজদাহকে সবসময়ই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের চুড়ান্ত উপায় হিসেবে নিয়েছেন এবং মোটের ওপর এটাকে সফলই বলা যায়।
মাঝে মাঝে, সমস্ত নিউট্রিয়েন্টের চেয়েও এটাই বেশি কাজ করে। কয়েক মুহুর্তের একটা সিজদাহ আচমকা আপনার সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে শাট ডাউন করে প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে(এটা স্ট্রেস রিলিজ করে) সচল করে।
আপনি যখন মাইন্ডফুলনেসের সাথে সিজদাহ করেন, আপনি তখন নিজেকে কনভিন্স করেন, কেউ একজন আছে যার আপনাকে রক্ষা করার ক্ষমতা আছে এবং তিনি আপনাকে রক্ষা করতে আসবেন।

বর্তমানে আপনার সব থেকে বড় শত্রু কে? ভাবুন তো, শেষ কবে শুধু নিজের কথা ভেবে শান্তিতে সময় কাটিয়েছেন? ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডি...
06/02/2025

বর্তমানে আপনার সব থেকে বড় শত্রু কে?

ভাবুন তো, শেষ কবে শুধু নিজের কথা ভেবে শান্তিতে সময় কাটিয়েছেন? ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া কি আপনাকে সেই সুযোগটা দিচ্ছে?

ফেসবুকের একটা অদ্ভুত ক্ষমতা আছে।

এটা দুনিয়ার সব সমস্যাকে আপনার সমস্যা বানিয়ে দেয়। আপনার নিউজফিড ভরা থাকবে ট্রল, তর্ক বিতর্ক, অশ্লীলতা রাজনীতি, বা কারও জীবনের সুখ-দুঃখের গল্পে। আপনি না চাইলেও এগুলো আপনার মাথায় ঢুকে যায়।

আর শুধু কি তাই?

ফেসবুক আপনার সবচেয়ে দামি জিনিসটা ধীরে ধীরে খেয়ে ফেলে— সময়।

আপনার হয়তো ৫ মিনিটের জন্য ঢোকা, কিন্তু স্ক্রল করতে করতে কখন ৩০ মিনিট পেরিয়ে গেছে, বুঝতেও পারেন না।

ফোকাস? সেটাও ধ্বংস।

কাজের মাঝে ফেসবুক খুললেন— হঠাৎ একটা পোস্ট দেখলেন, সেটা নিয়ে ভাবতে শুরু করলেন। যে কাজটা ১ ঘণ্টায় শেষ করার কথা, সেটা এখন সারাদিন লেগে যাচ্ছে।

আর ঘুম?

অনেকেই রাতের বেলা ফোন নিয়ে শুয়ে ফেসবুক স্ক্রল করতে থাকেন। ঘণ্টা পার হয়ে যায়, ঘুম আসে না। সকালে উঠে ক্লান্তি, দিনভর মনোযোগহীনতা।

এখন কী করবেন?

১. নিয়ম তৈরি করুন।

ফেসবুক ব্যবহারে সময়ের একটা সীমা থাকা জরুরি। আপনি দিনে কতক্ষণ ফেসবুকে থাকবেন সেটা আগে থেকেই ঠিক করে নিন। উদাহরণস্বরূপ, কাজের সময় বা পড়াশোনার মাঝে ফেসবুক থেকে দূরে থাকুন। সকাল বা রাতে স্ক্রল করার অভ্যাস থাকলে সেটা কমানোর চেষ্টা করুন। এক্সপার্টরা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিটের বেশি সময় দিলে সেটা ক্ষতির দিকে নিয়ে যায়।

২. নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকুক।

আপনার জীবনে ফেসবুকের ভূমিকা কী? এটা যোগাযোগের জন্য, কাজের জন্য, নাকি শুধুই বিনোদনের জন্য? এই প্রশ্নটা নিজেকে করুন। শুধু সময় কাটানোর জন্য ফেসবুকে ঢোকা মানে নিজের সময় নষ্ট করা। বরং ফেসবুক ব্যবহার করুন আপনার জীবনের কোনো প্রয়োজন মেটানোর জন্য। উদাহরণস্বরূপ, কাজের গ্রুপে আপডেট দেখুন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন।

৩. বিজ্ঞতার সঙ্গে এড়িয়ে চলুন।

ফেসবুকের প্রতিটা নিউজ, বিতর্ক, বা ট্রেন্ডে জড়ানো জরুরি নয়। এসব দেখে যদি আপনার মন খারাপ হয় বা মানসিক চাপ বাড়ে, তাহলে সেগুলো এড়িয়ে চলুন। সব পোস্ট বা কমেন্ট সেকশনে ঢুকতে হবে না। আপনার যা দরকার, সেটুকু দেখুন। বাকিটা স্ক্রল না করাই ভালো।

৪. ঘুমের সময় ফেসবুক নয়।

রাতের বেলা ঘুমানোর আগে ফেসবুক স্ক্রল করলে আপনার ব্রেন বিশ্রাম নিতে পারে না। স্ক্রিনের আলো মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে, যার কারণে ঘুম আসতে দেরি হয়। তাই ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে ফোন সরিয়ে রাখুন। চাইলে ফোনটি আরেক ঘরে রেখে দিন।

৫. বুঝে শুনে ফলো করুন।

ফেসবুকে যাদের ফলো করছেন, তারা কি আপনাকে কোনো মানসিক শান্তি বা প্রেরণা দিচ্ছেন? যদি না দেন, তাহলে ভেবে দেখুন তাদের ফলো করা উচিত কি না। এমন মানুষদের ফলো করুন যারা ইতিবাচক, জ্ঞানবর্ধক বা অনুপ্রেরণামূলক পোস্ট করেন। এর ফলে আপনার নিউজফিড শুধু সময় নষ্ট করার জায়গা হবে না, বরং আপনার উন্নতির সহায়ক হবে।

ফেসবুক আমাদের জীবনের অংশ হতে পারে, তবে পুরো জীবন নয়।

সময়, ফোকাস, আর মানসিক শান্তি— এগুলো আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ।

ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া যেন এগুলো চুরি করতে না পারে।

জীবনটা আপনার হাতে থাকুক, ফেসবুকের হাতে নয়।

সংগৃহীত।

উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মে...
07/01/2025

উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।

কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।

এরপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।

কিন্তু ততোদিনে পদ্মা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স, মাস্টার্স পাশ করে phd শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় BCS ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচেয়ে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায়, এতোদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সুখী সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।

পাত্রী দের অবস্থা কেমন হয় তখন ???
============================
০১। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন নারী সফল BCS যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোঁজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন। কতোটা কম্প্রোমাইজ ভাবা যায়???

০২। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুঁজতে খুঁজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়ে পড়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো তখন কিছু সিনিয়র অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুঁজতে খুঁজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'কম্পাউন্ডার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়র ডাক্তার বা ওষুধের দোকানের মালিক কোন ব্যাপার না।

০৩। এই আপা একজন উচ্চশিক্ষিত, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততোদিনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এতো এতো ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।

আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন।

কিন্তু যতো বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ২০/২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী।

অফিসে এক সিনিয়র কলিগ বললো-- "একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না"।

সুতরাং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

একজন বলেছিল-- বিয়ে প্রেম আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত। বিবেক এসে গেলে সেটা আর সঠিক বয়সে হয় না।

বয়স ৪০, এখন কি আর নতুন করে কিছু চিন্তা করা যায়? নয়টা-পাঁচটা চাকরি আর সংসারের ঘানি টানতে টানতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য যে...
01/01/2025

বয়স ৪০, এখন কি আর নতুন করে কিছু চিন্তা করা যায়? নয়টা-পাঁচটা চাকরি আর সংসারের ঘানি টানতে টানতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য যেন আর কোনো মানসিক শক্তি অবশিষ্ট নেই। এখন জীবন যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলুক। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা। কিন্তু আমরা কি নিজেরাই আমাদের ধারণার জেলখানায় বন্দি হয়ে আছি?

কার্ল ইয়ুং, বিশ্ব বিখ্যাত মনোবিদ সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলেছেন।
কার্ল ইয়ুং এর মতে, ৪০-এর আগের জীবনটা হলো প্রস্তুতির সময়। এই সময়ে আমরা সমাজের নিয়ম-কানুন মেনে চলি, ক্যারিয়ার গড়ে তুলি, পরিবার নিয়ে ভাবি, আর জীবন সম্পর্কে নানা রকম শিক্ষা নেই। কিন্তু পুরো সময়টা আসলে নিজের প্রকৃত স্বরূপ খোঁজার জন্য এক ধরনের গবেষণা বা অনুসন্ধান।

ইয়ুং এর মনোবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো "Individuation" বা স্বতন্ত্রতা অর্জনের প্রক্রিয়া। তার মতে, মানুষের জীবন ৪০-এর পর থেকে ধীরে ধীরে পূর্ণতা পেতে শুরু করে। এই সময়ে মানুষ নিজের আত্মাকে ভালোভাবে বুঝতে শেখে এবং তার ভেতরের সত্যিকারের সত্তার সাথে সংযোগ গড়ে তোলে।

দেখুন, আপনি হয়তো ৬০ বা ৮০ বছর বাঁচতে পারেন। এখন এই ৪০-৪৫ বছর বয়সে আপনার এক-দুই বছরের উদ্যোগ হয়তো বাকি ২০-৩০ বছর আপনাকে জীবনের নিয়ন্ত্রক করে তুলতে পারে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিতে পারে। এর বিপরীতে জীবন যেভাবে চলছে, সেভাবেই টেনে-হেঁচড়ে চালিয়ে যেতে পারেন। এরপর ৬০ বছর বয়সে এসেও হয়তো কাউকে "স্যার স্যার" বলে পেছনে ছুটতে হবে যাতে আপনার মাসের খরচটা উঠে আসে। এখন চয়েস আপনার। আপনি আসলে নিজেকে কোথায় দেখতে চান? কোন উদ্যোগ নিতে চান কিনা?

★একটি জীবন মানেই একটি ইতিহাস★
“সাইফুল্লাহ আল মানসুর”

দ্য সাইকোলজি অব মানির ৬ শিক্ষাবিশিষ্ট লেখক মর্গ্যান হাউসেলের লেখা ‘দ্য সাইকোলজি অব মানি’ বইটি বিশ্বের ৫০টির বেশি ভাষায় অ...
01/01/2025

দ্য সাইকোলজি অব মানির ৬ শিক্ষা

বিশিষ্ট লেখক মর্গ্যান হাউসেলের লেখা ‘দ্য সাইকোলজি অব মানি’ বইটি বিশ্বের ৫০টির বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। টাকা মানুষের জীবন ও জগৎকে কীভাবে পাল্টে দিতে পারে, এ বইয়ে লেখক সে বিষয়ে নানা মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন। বইটি পড়ে শিক্ষাগুলো লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।

১. ভাগ্য বনাম ঝুঁকি
ভাগ্য এবং ঝুঁ*কি হলো পরস্পর ভাই-বোনের মতো। বলা হয়ে থাকে, ভাগ্য হলো আজব কারিগর। কাজের সঙ্গে ভাগ্যেও বিশ্বাস করতে হবে। আর্থিক উন্নতির জন্য দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রম জরুরি। এ জন্য ঝুঁ*কি নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এর সঙ্গে ভাগ্য যে বড় ভূমিকা রাখে, সে ব্যাপারে বিশ্বাস রাখতে হবে। আমাদের সব কাজের ফল আসবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। সফল হলে আমরা আমাদের দক্ষতাকে কৃতিত্ব দিই এবং ব্যর্থ হলে দু*র্ভাগ্যকে দায়ী করি। বাস্তবতা হলো, ব্যক্তিগতভাবে আমাদের মধ্যে কেউ কেউ অন্যদের তুলনায় বেশি ভাগ্যবান।

২. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন
অনেক মানুষের স্বপ্নের চেয়ে বেশি সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। আরও সম্পদ না থাকায় হা-হুতাশ করে। আমরা যদি পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও আরও চাই, আরও চাই করতে থাকি; তাহলে আমাদের কখনো যথেষ্ট সম্পদ হবে না। বেশি পাওয়া আমাদের সন্তুষ্ট করবে না, বরং বেশি পাওয়ার লোভ সবকিছু হারানোর ফাঁ*দে ফেলে দিতে পারে। আপনার যা আছে বা যা আপনার নেই, তার জন্য নিরর্থক ঝুঁ*কি নেওয়ার কোনো কারণ নেই।

৩. কোনো কিছুই বিনা মূল্যে নয়
পৃথিবীর সবকিছুর মূল্য আছে। তবে সবকিছুর মূল্য গায়ে লেখা থাকে না। মূল্য একটা আর্থিক সংখ্যা হলেও সেটির বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন না করার আগপর্যন্ত আমরা তার প্রকৃত মূল্য বুঝতে পারি না। পৃথিবীর কোনো কিছু বিনা মূল্যের নয়। এই বাস্তব সত্য মনে থাকলে আমাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। কথায় আছে—লোভে পাপ, পাপে মৃ*ত্যু। লোভ আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অত্যধিক ঝুঁ*কির দিকে পরিচালিত করতে পারে। তাই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৪. বস্তুর চেয়ে নিজেকে দামি করুন
শুনলে অবাক হবেন, আপনাকে আসলে কেউ কেয়ার করে না। আপনার একটা দামি ও সুন্দর গাড়ি থাকলে সবাই আপনার গাড়ির দিকে তাকাবে, গাড়ির প্রশংসা করবে; কিন্তু কেউ মনে করবে না আপনি গাড়ির মতো দামি ও সুন্দর। এটা বস্তুগত সব জিনিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই কাউকে দেখানোর জন্য, মানুষকে ইমপ্রেস করার জন্য বস্তুগত জিনিস দামি করার চেয়ে নিজেকে দামি হিসেবে তৈরি করা বেশি জরুরি।

৫. টাকা কাজে লাগান
টাকা শুধু সঞ্চয় করলেই আর্থিকভাবে সফল হওয়া যাবে না, বরং বিনিয়োগ করে টাকা বাড়াতে হবে। যত তাড়াতাড়ি এবং অল্প বয়সে বিনিয়োগ করতে পারবেন, ততই আপনি সম্পদশালী হবেন। টাকা সঞ্চয় করে ফেলে রাখলে সম্পদশালী হতে পারবেন না, বরং মুদ্রাস্ফীতির কারণে টাকার মান কমে যাবে। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী এমন সেক্টরে বিনিয়োগ করতে হবে, যাতে টাকা বৃদ্ধি পায়।

৬. স্বাধীন হোন
আপনার সময় নিয়ন্ত্রণ করাই হলো সর্বোচ্চ লভ্যাংশ প্রদানকারী অর্থ। সম্পদের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো জেগে ওঠা এবং বলার ক্ষমতা যে ‘আমি আজ যা চাই তা-ই করতে পারি’। মানুষ সুখ বাড়ানোর জন্য ধনী হতে চায়। সুখ একটি জ*টিল বিষয়। কারণ, আমরা সবাই আলাদা। তাই সুখের জন্য সর্বজনীন অবদান হলো সময় নিয়ন্ত্রণ। স্বাধীনভাবে পছন্দের কাজটি করতে পারাই হলো সফলতা।

মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে', তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন...
01/01/2025

মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে', তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন।বলতে চাইবেন না।
কথা বলতে চাওয়া ,দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা; তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই, "হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক। সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।

অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।

আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।

"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।

যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন একটা সুন্দর ভবিষ্যতের দায়ে।

নিজের শান্তি বজায় রাখার জন্য একপ্রকার মরিয়া হয়ে উঠুন।

আপনি কোনো পুরুষকে বদলাতে পারবেন না। কারণ তারা জেদী, একরোখা এবং নিজের বিশ্বাসে অটল।কিন্তু আপনি তাকে ভালোবাসলে, সে নিজ থেক...
21/12/2024

আপনি কোনো পুরুষকে বদলাতে পারবেন না। কারণ তারা জেদী, একরোখা এবং নিজের বিশ্বাসে অটল।

কিন্তু আপনি তাকে ভালোবাসলে, সে নিজ থেকেই বদলে যাবে। তার আচরণ, কথার টোন অটোম্যাটিক পরিবর্তন হবে।

নারী শক্তিশালী কেউ না, সে শক্ত হতে গেলে ভেঙে যাবে। প্যাচাতে গেলে কেটে যাবে। সে মূলত কোমল, পানির মতো তরল। এতটাই কোমল যে, তার পরশে পৃথিবীর সবচে শক্ত পুরুষও গলে যেতে বাধ্য।

কখনো সংসারে অমিল দেখা দিলে একবার নিজেকে যাচাই করুন। দেখুন, আপনার আচরণ নারীসুলভ আছে কি না। আপনি কারো শখের নারী হওয়ার আগে ভাবুন, কারো শখের হওয়ার মতো করে তাকে ভালোবাসতে পারছেন কি না। কোনো স্ত্রী ‘নারী’ হয়ে উঠলে, কোমল স্বরে একবার পুরুষকে চাইলে, স্বামীর পাহাড়সম রাগ নিমিষেই বরফশীতল পানি হয়ে যায়। এটাই দাম্পত্যের রসায়ন। স্বামী-স্ত্রী ছাড়া পৃথিবীর কেউ এর মূল কারণ বোঝে না।

সেজন্য বলি, সমস্যা হলেই অনেকের কাছে ফোন নয়। আপনার পুরুষকে বুঝুন। সে বাহিরে থাকে, টাকা ইনকাম করে। বহুরকম লোকজনের সাথে তার উঠাবসা, লেনদেন। কোনো কারণে তার মেজাজ বিক্ষিপ্ত হতে পারে। নারীর কাজ যত কঠিনই হোক, সে সমাজ ফেস করে না। ফলে নিজেকে সংযত ও নিয়ন্ত্রিত রাখা তার পক্ষে সম্ভব। তাই, আপনার পুরুষ বাইরে থেকে এলে তার যত্ন নিন। চেহারা ফ্যাকাশে দেখলে তখনই কী হয়েছে জিজ্ঞেস না করে তাকে পানি দিন। বলুন একটু গোসল করে আসেন খাবার দিই। পরে ঠান্ডা মাথায় জিজ্ঞেস করুন কী হলো।

পুরুষ কখনো জেতে কখনো ঠকে। তার জেতাটা যেমন ইনজয় করেন, ঠকাটাও মেনে নিন। সে কোথাও লস করেছে মানেই তাকে বকাঝকা করবেন, এমন নয়। হেরে যাওয়ার অনুভব তারও আছে। বরং সাপোর্ট দিন। সহজ করুন। সময় বুঝে পরামর্শ দিন। এই যে ম্যানেজ করার ব্যাপার, এটা নারীদের আছে। আম্মাজান খাদিজার কথা ভাবুন। কীভাবে নবুওয়াতের প্রথম আগমন তিনি সামাল দিয়েছেন। নবিজির কথাটা মনে করুন, খাদিজা! আমি বোধহয় মারা যাব, কে আমাকে বিশ্বাস করবে? খাদিজা শান্ত গলায় নবিজির বুকের বোঝা নামিয়ে দিলেন। তাঁর প্রশংসা করলেন। ব্যক্তিগত আমল উল্লেখ করলেন। কেন খাদিজা সর্বশ্রেষ্ঠ, এই এক ঘটনা তার উপযুক্ত প্রমাণ।

ঠিক এজন্যই নারী সুকুন, নারী শান্তি, নারী পুরুষের মোহ। যে নারীর কণ্ঠ পুরুষের চেয়ে উঁচু, চলাফেরা অতি-আধুনিক, পুরুষোচিত, সে নারী ময়ূর থেকে কাক হতে চায়। নিজের মোহনীয় সৌন্দর্য ছেড়ে বিদঘুটে হতে চায়। এমন নারী যত সুন্দরীই হোক, তার সংসার হয় না। হলেও মরচে ধরে যায়। বাচ্চাকাচ্চা বা সামাজিকতার জন্য কোনরকম টিকে থাকে। একে জীবন বলে না, বলে ঘানি টেনে যাওয়া। সুতরাং নারী, আপনি বরং নারীই হোন। কোমল হোন, শান্ত হোন। নরম হোন, সুকুন হোন। দেখবেন পাথরের মতো পুরুষও, আপনার ফোঁটা ফোঁটা ভালোবাসার সামনে নিজেকে বিলিয়ে দিতে বাধ্য হবে।

লেখা : সাদিক ফারহান

12/11/2024

#টিফিন_ছুটি

স্কুল জীবনে টিফিনের ফাঁকে এই ০১ ঘন্টার ছুটি অনেক উপভোগ করতাম। বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলাধুলার এই সময়টা ছিল জীবনের সোনালী সময় গুলোর একটি।

ঢাকার বেশিরভাগ স্কুলে বাচ্চাদের খেলাধুলার এই সুযোগ নেই বললেই চলে। শিশু শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এই এক ঘন্টার সময়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

06/11/2024

◑ একজন নারী যেমন স্বামী পছন্দ করে
চার মাযহাবের একজন প্রখ্যাত ইমাম, আহমাদ বিন হাম্বল। ইমাম সাহেবের ছেলের বিয়ের সব ঠিকঠাক। একদিন সময় করে পুত্রকে ডেকে পাশে বসালেন। আন্তরিক ভঙ্গিতে বলতে শুরু করলেন:
ওয়ালাদী! তুমি কি সুখী হতে চাও?
- না—আম ইয়া আবী! (হ্যা অবশ্যই আব্বাজান!')
তাহলে তোমাকে তোমার হবু জীবনসঙ্গিনীর জন্যে দশটা বিষয় নিয়ে যেতে হবে।
- কী সেগুলো? কোথায় পাওয়া যাবে?
তোমাকে কোথাও যেতে হবে না। কিনতেও হবে না। আমার কাছে, তোমার কাছে, সবার কাছেই সেগুলো আছে। সবাই ব্যবহার করতে পারে না। এই যা। তাহলে চলো দেখা যাক, অমূল্য সেই দশটা বিষয় কী?
👉🏻 প্রথম ও দ্বিতীয়: নারীরা সাধারণত রোমান্টিকতা পছন্দ করে। খুনসুটি রসিকতা পছন্দ করে। নখরা-ন্যাকা তাদের স্বভাবজাত। তারা ভালোবাসার স্পষ্ট প্রকাশকে খুবই পছন্দ করে। তুমি একান্তে তোমার স্ত্রীর কাছে এসব প্রকাশে কখনোই কার্পণ্য করবে না। তাকে বেশি বেশি ভালোবাসার কথা বলবে।
যদি এসবে কার্পণ্য করো, তাহলে দেখবে কিছুদিন পরই তোমার আর তার মাঝে একটা অদৃশ্য পর্দা ঝুলে গেছে। এরপর দিনদিন পরস্পরের সম্পর্কে শুষ্কতা আসতে শুরু করবে। ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাবার পথ খুঁজবে।
👉🏻 তৃতীয়: নারীরা কঠোর-কর্কশ-রূঢ়-বদমেজাজী-রুক্ষস্বভাবের পুরুষকে একদম পছন্দ করে না। তোমার মধ্যে এমন কিছু থেকে থাকলে এখনই ঝেড়ে ফেল। কারণ তারা সুশীল, ভদ্র, উদার পুরুষ পছন্দ করে। তুমি তার ভালোবাসা অর্জনের জন্যে, তাকে আশ্বস্ত করার জন্যে হলেও গুণগুলো অর্জন করো ৷
👉🏻 চতুর্থ: এটা খুব ভাল করে মনে রাখবে, তুমি তোমার স্ত্রীকে যেমন পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, পরিপাটি, গোছালো, সুরুচিপূর্ণ, সুগন্ধিময় দেখতে চাও, তোমার স্ত্রীও কিন্তু তোমাকে ঠিক তেমনটাই চায়। তাই সাবধান থাকবে, তার চাহিদা পূরণে যেন, কোনও অবস্থাতেই, তোমার পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র অবহেলা না হয়।
👉🏻 পঞ্চম: ঘর হলো নারীদের রাজ্য। একজন নারী নিজেকে সব সময় সেই রাজ্যের সিংহাসনে আসীন দেখতে খুবই পছন্দ করে। সে কল্পনায়, স্বপ্নে, বাস্তবে এই রাজ্য নিয়ে ভাবে। সাজায়। রচনা করে। খুবই সাবধান থাকবে! কখনোই তোমার স্ত্রীর এই সুখময় রাজত্বকে ভেঙে দিতে যেও না। এমনকি তাকে সিংহাসন থেকে নামিয়ে দেয়ার প্রয়াসও চালাবে না।
👉🏻 ষষ্ঠ: নারীরা তার স্বামীকে মনেপ্রাণে-সর্বান্তঃকরণে প্রবলভাবে স্বামীকে পেতে চায়। তবে পাশাপাশি বাপের বাড়িকেও হারাতে চায় না। হুঁশিয়ার থেকো বাবা! তুমি ভুলেও নিজেকে আর স্ত্রীর পরিবারকে এক পাল্লায় তুলে মাপতে শুরু করে দিওনা। তুমি এ অন্যায় দাবী করে বসো না, হয় আমাকে বেছে নাও, নাহলে তোমার বাবা-মাকে।
তুমি এ বিষয়টা চিন্তাতেও স্থান দিও না। তুমি তাকে এমনটা করতে বাধ্য করলে, সে হয়তো চাপে পড়ে মেনে নিবে। কিন্তু তার মনের গহীনে কোথাও একটা চাপা-বোবা কান্না গুমরে মরতে থাকবে। তোমার প্রতি এক ধরনের সুপ্ত অশ্রদ্ধা তার কোমল মনে জেগে উঠবে।
👉🏻 সপ্তম: তুমি জানো, অনেক শুনেছ এবং পড়েছ নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে বাহু (বা পাঁজরের) বাঁকা হাড় থেকে। এই বক্রতা কিন্তু তার দোষ নয়, সৌন্দর্য। তুমি চোখের ভ্রু লক্ষ করে দেখেছো? সেটার সৌন্দর্যটা কোথায়?
- বক্রতায়।
একদম ঠিক কথা। বক্রতাই ভ্রুকে সুন্দর করে তোলে। ভ্রুটা যদি সোজা হতো, দেখতে সুন্দর লাগতো না। যদি তোমার স্ত্রী কোনও ভুল করে ফেলে, অস্থির হয়ে রেগেমেগে হামলা করে বসো না। উত্তেজিত অবস্থায় তাকে সোজা করতে যেও না, তাহলে অতিরিক্ত চাপে ভেঙে যাবে। আর ভাঙা মানে বুঝই তো, তালাক ।
👉🏻 অষ্টম: তুমি হাদীসটা পড়োনি?
- কোনটা আব্বাজান?
- ঐ যে, যার ভাবার্থ হলো: নারীদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এমনভাবে যে, তারা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়। তার প্রতি অতীতে কৃত সব সদ্ব্যবহার-সদাচার ভুলে যায়। তুমি যদি তার প্রতি যুগ-যুগান্তরও সুন্দর আচরণ করো, হঠাৎ একদিন কোনক্রমে একটু রূঢ় আচরণ করে ফেলেছো, ব্যস অমনিই সে নাকের জল চোখের জল এক করে বলবে: 'আমি তোমার কাছ থেকে কখনোই ভালো কিছু পাইনি।'
দেখো বাছা! তার এই আচরণে রুষ্ট হয়ো না। তার এই চপল স্বভাবের প্রতিক্রিয়ায় তার প্রতি বিতৃষ্ণা এনো না। তার এই স্বভাবকে তুমি অপছন্দ করলেও, তার মধ্যে তুমি অনেক এমন কিছু পাবে যা তুমি শুধু পছন্দই করো না, বরং জানও লড়িয়ে দিতে পারো।
👉🏻 নবম: নারীদের শরীর-মনের অবস্থা সবসময় এক রকম থাকে না। এক সময় এক রকম থাকে। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটা সময় তাদের শারীরিক দুর্বলতা থাকে। অনেক সময় মানসিক অস্থিরতাও বিরাজ করে। তাদের এই দুর্বলতা, অসহায় অবস্থার কথা বিবেচনা করে আল্লাহ তা'আলা তাদের নির্দিষ্ট সময়ের নামায মাফ করে দিয়েছেন। রোযাকে পিছিয়ে দিয়েছেন, তার স্বাস্থ্য ও মেজাজ ঠিক হওয়া পর্যন্ত ।
তুমি তো রাব্বে কারীমের বান্দা। তুমিও তোমার রবের গুণে গুণান্বিত হও। রব্বানী হও। তুমি তোমার স্ত্রীর দুর্বল মুহূর্তগুলোতে তার প্রতি কোমল হবে। তোমার আব্দার আবেগ শরমে রেখো। তোমার রবও খুশি হবেন, তোমার রাব্বাহও খুশি হবে। কৃতজ্ঞ হবে।
👉🏻 দশম: সবসময় মনে রেখো, তোমার স্ত্রী তোমার কাছে অনেকটা দায়বদ্ধ, বিভিন্নভাবে তোমার মুখাপেক্ষী। তোমার সুন্দর আচরণের কাঙাল। তুমি তার প্রতি যত্নবান হবে। তার প্রতি অনেক বেশি মনোযোগ দিবে। তাকে আপন করে নিবে। তাহলে সে তোমার জন্যে শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত হবে। তাকে অনুপম সঙ্গী হিসেবে পাবে।

(সংগৃহীত)

06/11/2024

অনেক দিনপর রেফারেন্স সহ পেলাম।
সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত।
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী।প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন।(সুবহানআল্লাহ)
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে যানার বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক।আমিন-ইয়া রব। আমিন।
(রেফারেন্সঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন সহীহুল বুখারীঃ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ১৪৬১ আহমাদঃ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সগীরঃ৬৪৭২)
(((নিজে আমল নাহ করে অন্য কে বলা ও যায় নাহ আমল এর কথা,,তবে ইনশাআল্লাহ আমি ও করার চেষ্টা করবো,,আমি ১০ বার পড়ি আলহামদুলিল্লাহ তবে কোন কোন দিন মিস ও হয়)

Address

Dhaka
1213

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Azhar Mahmood posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Azhar Mahmood:

Share