RM Import Export Ltd.

RM Import Export Ltd. it's a import export business company.

১০০% খাঁটি মধু, কালোজিরার তেল ও নিমের তেল সংগ্রহ করুন অামাদের থেকে===============================================অারএম ই...
11/11/2015

১০০% খাঁটি মধু, কালোজিরার তেল ও নিমের তেল সংগ্রহ করুন অামাদের থেকে
===============================================
অারএম ইমপোর্ট এক্সপোর্ট মূলত একটি অামদানী ও রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান। বিগত সময়ে অামরা সরাসরি সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা শহর থেকে আমদানী করেছি রাসুল স. এর নিজ হাতে লাগানো বরকতময় আজওয়া খেজুর। বাংলাদেশে আমরাই সর্বপ্রথম এই খেজুর অামদানী করি। এবং সারা দেশে এর ব্যাপক বিপণনে বিপুল সাড়া পাই। আলহামদু লিল্লাহ গ্রাহকের ভালোবাসায় আমাদের আজওয়ার স্টক প্রায় শেষ। গ্রাহকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে আমরা এখন থেকে অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও আছি গ্রাহকের কাছাকাছি। সারা দেশে। সবসময়।
গ্রাহকের চাহিদার প্রেক্ষিতে এবং নির্ভেজাল বিশুদ্ধ খাদ্যের অভাব পূরণে আমরা এবার আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ১০০% খাঁটি মধু, কালোজিরার তেল ও নীমের তেল। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মধু সংগ্রহ করে পৌঁছে দিচ্ছে আপনার হাতের নাগালে। আসন্ন শীত উপলক্ষ্যে মধুর দাম খুব শিঘ্রই বেড়ে যাবে। সুতরাং এই শীতের জন্য খাঁটি মধু সংগ্রহ করে নিন আজই।দেখার পর ভেজাল প্রমাণ করতে পারলে কোনো ধরনের সার্ভিস চার্জ ছাড়াই আমরা মধু রিটার্ন করে নেব। পৃথিবীর অন্যতম সেরা স্বাস্থ্যকর খাবার কিংবা পানীয় হলো মধু। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, খাঁটি মধু পাওয়া খুবই কষ্টকর। বেশিরভাগ মধুই হয়ত চাষ করা অথবা ভেজাল মেশানো। ব্র্যান্ডের কিছু মধু পাওয়া যায় যেগুলো কৃত্রিমভাবে ঘন করার জন্য কেমিকেল ইউজ করা হয় যাতে করে মধুর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। সেজন্য অনলাইন জগতে আমরাই সর্বপ্রথম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মধুয়ালদের থেকে সরাসরি মধু সংগ্রহ করে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পোঁছে দিচ্ছি। আমরা অন্যান্যদের মত বলি না, আমাদেরটা সুন্দরবনের মধু, কিন্তু আমরা বলি আমাদের মধু ১০০% খাঁটি। চাষ করা কৃত্রিম মধুও আমরা বিক্রি করি না। আমাদের মধুতে ঘন করার জন্য কেমিকেল ইউজ করা হয় না। আমরা বিশ্বাস করি, খাঁটি জিনিস দিলে এর কদর পাওয়া যায়। যদিও আসন্ন শীত উপলক্ষ্যে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাঁটি মধু আমরা সংগ্রহ করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি তবে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি আপনাদের এই ভালবাসার মূল্য দেবার জন্য।
এছাড়াও আপনাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এখন থেকে বিস্ময়কর ঔষধী গুণসম্পন্ন কালোজিরার তেল এবং নীমের তেলও পাওয়া যাচ্ছে।
................................................................................................................
মধুর উপকারিতা নিয়ে খুব বেশি বলার কিছু নেই। এর অসংখ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত।
আল কোরআনে আছে:- আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন: পর্বতে, গাছে ও উঁচু চালে বাড়ি তৈরী কর,এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথে চলো। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
-সূরা নাহল, আয়াত ৬৮-৬৯
রাসূল সা. বলেছেন, কালিজিৱা ও মধু মৃত্যু ছাড়া সকল ৱোগেৱ ঔষধ
-আল হাদীস

★★★ মূল্যঃ
★ মিক্সড ফুলের মধুঃ ৬০০ টাকা কেজি (সর্বনিম্ন এক কেজি)
★ কালিজিরার তেলঃ ২৮০০ টাকা কেজি (সর্বনিম্ন ২৫০ গ্রাম)
★ নিমের তেল ২০০০ টাকা কেজি (সর্বনিম্ন ২৫০ গ্রাম)

(পাইকারী ক্রেতাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট!)

যেভাবে অর্ডার করবেন...
------------------------
২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকার ভেতরে ও ঢাকার বাইরে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ডেলিভারি করা হয়। বাংলাদেশের যেকোন জেলায় আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্য পৌঁছে যাবে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে। আপনার নিকটস্থ শাখা থেকে পণ্য বুঝে নিয়ে তারপর পেমেন্ট করুন। ঢাকার বাইরে থেকে অর্ডার করলে ১০০ টাকা অগ্রীম বিকাশের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। এরপর বাকি টাকা এসএ পরিবহনের অফিসে জমা দিয়ে আপনার পন্য সংগ্রহ করুন।
অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার লিখে আমাদের ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি ফোন করুন আমাদের নাম্বারে:
01918477175
01835107115
ফোনে না পেলে এসএমএস দিয়ে রাখুন, আমরাই যোগাযোগ করবে আপনার সাথে।
এছাড়াও সরাসরি আমাদের অফিসে এসে দেখেও কিনতে পারবেন।
house # 152/4, flat # B2, masjid goli, green road, dhaka-1205
==================================================
কেন মধু ও কালোজিরার তেল ব্যবহার করবেন???
----------------------------------
*বিখ্যাত চিকিৎসক ইবনে সিনা তার বিশ্বখ্যাত Medical test book ‘The canon of Medicine’ এ রোগের প্রতিষেধক হিসাবে মধু ব্যবহারের সুপারিশ করেছেন। তিনি মধুর উপকারিতা সম্পর্কে বলেছেন, মধু মানুষকে সুখী করে, পরিপাকে সহায়তা করে, ঠান্ডার উপশম করে, ক্ষুধা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও তীক্ষ্ণ করে, জিহবা পরিষ্কার ও যৌবন রক্ষা করে।
*দুই চামচ দারুচিনি গুঁড়া ও এক চামচ মধু এক গ্লাস হাল্কা গরম পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করলে মূত্রথলির জীবাণু ধ্বংস করে।
*দাঁতে ব্যথা হ’লে এক চামচ দারুচিনি গুঁড়া, পাঁচ চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে ব্যথা যুক্ত দাঁতের গোড়ায় ব্যবহার করলে উপশম হয়। ব্যথা না সারা পর্যন্ত দিনে তিনবার করে ব্যবহার করতে হবে।
*দুই চা চামচ মধু ও তিন চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া ১৬ আউন্স পানি মিশিয়ে ক্লোরেস্টেরলের রোগীকে সেবন করালে দুই ঘণ্টার মধ্যে ক্লোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ কমিয়ে আনা যায়। দিনে দু’বার সেবন করলে যে কোন ধরনের ক্লোলেস্টেরলজনিত রোগ উপশম হয়।
*যারা সাধারণত তীব্র ঠান্ডায় ভোগেন তাদের এক টেবিল চামচ হাল্কা গরম মধু ও দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে দিনে একবার করে তিন দিন সেবন করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় ঠান্ডা, পুরন কাশি উপশম হয় ও সাইনাস পরিষ্কার করে।
*দারুচিনি পাউডারের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে পাকস্থলীর ব্যথা ও গ্যাস্ট্রিকজনিত ব্যথা উপশম হয় এবং পাকস্থলীর মূল থেকে আলসার ভাল করে।
*দারুচিনি গুঁড়া ও মধু এক সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে রুটির সাথে জেলির মতো মাখিয়ে সকালের পানি খাবারের সাথে খেতে হবে। এটা ধমনীর ক্লোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় ও রোগীকে হার্ট অ্যাটাক থেকে রক্ষা করে।
*প্রতিদিন মধু ও দারুচিনি গুঁড়া সেবন করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের আক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।
*দুই টেবিল চামচ মধুর ওপর সামান্য দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খাবারের আগে সেবন করলে এসিডিটি কমে যায় ও ভারী খাবার হজম হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা : মধু ইনফ্লুয়েঞ্জার জীবাণু ধ্বংস করে।
*মধু ও দারুচিনি গুঁড়া সমপরিমাণে মিশিয়ে একজিমা, দাঁদ ও অন্য সব ধরনের ত্বকের ইনফেকশনে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে। দিনে দু’বার সাত দিন থেকে শুরু করে প্রয়োজনে এক মাস ব্যবহার করতে হবে।
*সকালে খাবারের আধ ঘণ্টা আগে খালিপেটে ও রাতে শোবার আগে মধু ও দারুচিনি গুঁড়া এক কাপ গরম পানির সাথে মিশিয়ে পান করতে হবে। নিয়মিত পান করলে স্থুলকায় শরীরের ওযনও কমতে থাকে। এ মিশ্রণ নিয়মিত পানে উচ্চমানের খাবার খেলেও শরীরে চর্বি জমতে পারে না।
*সম্প্রতি জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় পাকস্থলী ও হাড়ের ক্যান্সার সফলতার সাথে সারছে। যেসব রোগী এ ধরনের ক্যান্সারে ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এক টেবিল চামচ মধু ও এক চামচ দারুচিনি গুঁড়া একসাথে মিশিয়ে দিনে তিনবার একমাস সেবন করলে আরোগ্য লাভ সম্ভব।
*খাঁটি মধু পোড়ার উপর আলতোভাবে নিয়মিত লাগালে পোড়ার জ্বালা বন্ধ করে, ব্যথা দূর করে ও দ্রুত উপমশ হয়।
*শিশুদের ঘুমানোর আগে এক চা চামচ মধু খাওয়ালে বিছানায় প্রস্রাব করা বন্ধ হয়।
*এক গ্লাস দুধের সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে ভাল ঘুম হয়। ঘুমের পর শরীর সতেজ হয়, কর্মোদ্যম ফিরে পাওয়া যায়।
*এক বাটি গরম পানিতে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে বাটির ওপর মাথা রেখে শ্বাসের মাধ্যমে গন্ধ নিতে হবে ও বাটিসহ মাথা তোয়ালে দিয়ে ঢেকে নিতে হবে। এতে অত্যন্ত ভাল ফল পাওয়া যায়।
*ক্ষতস্থানে মধু দ্বারা প্রলেপ দিয়ে বেঁধে দিলে খুব ভাল উপকার পাওয়া যায় ও নিয়মিত ব্যবহার করলে কোনও এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না।
*হাল্কা গরম পানি এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মাইগ্রেন ব্যথার শুরুতে চুমুক দিয়ে পান করতে হবে। ২০ মিনিট পরপর পান করতে হবে এতে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। মোটকথা প্রকৃতির দান মধুর উপকারিতার শেষ নেই। আজকাল অনেকেই নিজ নিজ বাড়িতে মধুর চাষ করতে শুরু করেছেন। এটা ভাল লক্ষণ। কারণ বাজারে আজকাল খাটি ও ভাল মধু পাওয়া কঠিন।

>>>রূপচর্চায় খাঁটি মধুঃ
==============
*খাবারের পাশাপাশি রূপচর্চায় বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে মধু। ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে, বলিরেখা কমিয়ে ত্বক টানটান করতে ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখতে মধুর জুড়ি নেই। পাশাপাশি এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টিকর নানান উপাদান। কোনও ধরনের প্রক্রিয়াজাতকরণছাড়া বিশুদ্ধ মধু বেশি উপকারি।
*নিয়মিত ১ টেবিল-চামচ পরিমাণ মধু পরিষ্কার ও শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পরে কুসুমগরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বক হবে কোমল ও মসৃণ। মধুতে আছে এনজাইম যা ত্বক ও লোমকূপের গভীরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। এ
* ২ টেবিল-চামচ জজবা তেল বা নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ বিশুদ্ধ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে চোখের চারপাশের ত্বক বাদ দিয়ে মিশ্রণটি পরিষ্কার ও শুষ্ক ত্বকে হালকাভাবে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মালিশ করতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
*কিশোরী থেকে শুরু করে মোটামুটি সব বয়সের মানুষের জন্য ব্রণ একটি চিন্তার কারণ। মধুর অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের লালচেভাব ও জ্বালাপোড়া কমিয়ে ত্বক ব্রণের হাত থেকে রক্ষা করবে। আক্রান্ত স্থানে মধু লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
*চুলের কন্ডিশনারঃ মধুতে থাকা এনজাইম অনুজ্জ্বল চুলকে উজ্জ্বল করে। পাশাপাশি নারকেল তেল চামড়ার বাহিরের স্তরে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। ১ টেবিল-চামচ বিশুদ্ধ মধুর সঙ্গে ২ টেবিল-চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে রূক্ষ্ম চুলে ভালোমতো মালিশ করতে হবে। ২০ মিনিট রেখে তারপর ভালোভাবে মাথা পরিষ্কার করে ফেলুন।
*চুল পরিষ্কার করতে অপরিহার্য হলো শ্যাম্পু। মধু চুলের নমনীয়তা বজায় রেখে চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে। পছন্দের শ্যাম্পুর সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে সাধারণভাবে মাথা ও চুলে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
*চুল রং করতে মধুঃ চুল হাইলাইট বর্তমান ফ্যাশনে দারুণ জনপ্রিয়। তবে রাসায়নিক রং চুলের ক্ষতি করতে পারে এই ভয়ে অনেকেই চুলে রং এড়িয়ে চলেন। তবে মধুর বিশেষ কিছু উপাদান আছে যা ধীরে ধীরে চুলের রং হালকা করতে সাহায্য করে। অর্থাৎ প্রাকৃতিকভাবে চুল হাইলাইটস করার জন্য দারুণ কার্যকর মধু। ৩ টেবিল-চামচ মধুর সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ পানি মিশিয়ে তা পরিষ্কার চুলে ১ ঘণ্টার জন্য লাগিয়ে রাখুন। পরে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

>>>এছাড়াও রূপচর্চায় মধুর আরো উপকারিতা সম্পর্কে বিডিনিউজ২৪ এর এই আর্টিকেলটি পড়ে দেখা যেতে পারেঃ
=============================================
http://bangla.bdnews24.com/lifestyle/
article863877.bdnews

>>>মেদভুঁড়ি কমানোয় মধুর কার্যকারিতা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর আর্টিকেলঃ
http://tinyurl.com/phrchtz
====================
কেন নিমের তেল ব্যবহার করবেন?
————————————
★কফজনিত বুকের ব্যথা: অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রশ সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিতে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী,শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ ঔষধটি নিষেধ।
★কৃমি: পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য পানি গরমসহ খেতে হবে।
★উকুন নাশ: নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘন্টা খানেক ধরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।
★অজীর্ণ: অনেকদিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল- বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।
★খোস পাচড়া: নিম পাতা সিদ্ধ করে পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।
★পোকা-মাকড়ের কামড় : পোকা মাকড় কামল দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।
★দাতের রোগ : নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের চাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাত হবে মজবুত, রক্ষা পাবে রোগ।
★জন্ম নিয়ন্ত্রণে নিম: নিম তেলা একটি শক্তিশালী শ্রক্রানুনাশক হিসেবে কাজ করে। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, নিম তেল মহিলাদের জন্য নতুন ধরনের কার্যকরী গর্ভনিরোধক হতে পারে। এটি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই শুক্রানু মেরে ফেলতে সক্ষম।
=========================================
আরো বিস্তারিত জানতে www.pepeelika.com/.../article.php?...
=========================================
onlineyourhealth.com/newsid-2633/
=========================================
www.agriculturetune.com/agricultural-
=========================================

>>>খাঁটি মধু চেনার উপায়ঃ
===================
বর্তমানে আমরা বাজার থেকে যে মধু কিনে আনি তা যে কতটুকু খাঁটি তা বলা মুশকিল। মধুর মধ্যে সাধারণত ভেজাল হিসেবে পানি, চিনি ও আরও অনেক কিছু মেশানো হয়। চলুন আমরা জেনে খাঁটি মধু চেনার কিছু উপায়ঃ
★মধুকে ফ্র্রিজের মধ্যে রেখে দিন। খাঁটি মধু জমবে না। ভেজাল মধু পুরাপুরি না জমলেও জমাট তলানী পড়বে।
★এক গ্লাস পানি নিয়ে এর মধ্যে এক টেবিল চামচ পরিমাণ মধু নিন। খুব ধীরে ধীরে গ্লাসটি শেক করুন। যদি মধু পানিতে পুরাপুরি মিশে যায় তবে তা ভেজাল মধু। আর মধু যদি পানিতে জমাট বেঁধে থাকে তবে তা খাঁটি মধু।
টাকা দিয়েই যেহেতু কিনবেন, ন্যায্য দামে খাঁটি জিনিস কিনুন। আমাদের মধু কেনার আগে পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ রয়েছে।

Address

Head Office: House # 152/4, Flat # B2, Masjid Goli, Green Road
Dhaka
1205

Telephone

+8801918477175

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RM Import Export Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share