16/05/2026
আয়কর রিটার্ন ফাইল অডিটে পরার ১০টি প্রধান কারণ:
■ আয় ও ব্যয়ের অসঙ্গতি :
ঘোষিত আয়ের সাথে জীবনযাত্রার ব্যয় বা ব্যাংক স্টেটমেন্টের অমিল থাকলে এবং আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখালে অডিটের সম্ভাবনা বাড়ে।
■ হঠাৎ সম্পদ বৃদ্ধি :
আয়ের তুলনায় হঠাৎ অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি এবং সেই সম্পদ অর্জনের বৈধ অর্থের উৎসের সঠিক প্রমাণ বা ব্যাখ্যা না থাকলে যে ১৫ কারণে করদাতার আয়কর রিটার্নের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়|
■ ব্যবসায় অতিরিক্ত খরচ দেখানো :
ব্যবসার ক্ষেত্রে আয় কম দেখানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বা ভুয়া খরচ, অতিরিক্ত অবচয় (Depreciation) বা অবাস্তব অডিট ও প্রশাসনিক ব্যয় প্রদর্শন|
■ উৎসে করের গরমিল (TDS/TCS):
সার্টিফিকেট অনুযায়ী বা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে উৎসে কর কর্তনের তথ্যে গড়মিল থাকা, কিংবা নির্দিষ্ট আয়ের বিপরীতে জমা হওয়া করের (TDS/TCS) সাথে রিটার্নে দাবিকৃত অর্থের অমিল |
■ অসম্পূর্ণ কাগজপত্র :
রিটার্নের সাথে প্রয়োজনীয় প্রমাণক যেমন—ব্যাংক স্টেটমেন্ট, মূল্যায়নের রসিদ, বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র ব্যক্তিগত আয়কর নথি অডিটে পড়ার কারণ ও করণীয় বা প্রদেয় ভ্যাট/ট্যাক্সের চালান জমা না দেওয়া।
■ অস্বাভাবিক ঋণ বা দায় (Loan/Liability):
কারো কাছ থেকে বা কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের ঋণ দেখালেও তার বৈধতা ও ব্যাংকিং লেনদেনের উপযুক্ত প্রমাণ না থাকা|
■ হাতে অস্বাভাবিক নগদ টাকা:
ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত নথিতে আয় ও সঞ্চয়ের সাথে সামঞ্জস্যহীনভাবে হাতে অস্বাভাবিক নগদ অর্থ (Cash in Hand) বা অলস তহবিল প্রদর্শন।
■ সম্পদ গোপন বা অসম্পূর্ণ তথ্য:
সম্পদের বিবরণী দাখিলের সময় নিজের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, প্রাইজবন্ড, বা শেয়ারের তথ্য গোপন করা।
■ ভুল বিনিয়োগ তথ্য :
বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা পাওয়ার জন্য ভুয়া বা অসম্পূর্ণ বিনিয়োগের প্রমাণ বা জাল সার্টিফিকেট ব্যবহার।
■ পূর্ববর্তী বছরের তথ্যের সঙ্গে বড় অসঙ্গতি:
গত কয়েক বছরের দেখানো গড় আয় বা সম্পদের ধারার তুলনায় চলতি বছরের রির্টানে আকস্মিক ও বিশাল পরিবর্তন (যেমন: হঠাৎ শূন্য আয় বা অস্বাভাবিক আয় দেখানো)।