Road Safety in Bangladesh

Road Safety in Bangladesh In Bangladesh in average 15-18 people die every day on road accident & a large number of people become disabled.

Since 2009 Swift Solution Foundation is working for Road Safety in Bangladesh.

আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে এবার আমরা আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের ন...
13/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে এবার আমরা আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করার একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছি—Global Safety Foundation।

আমার সহকর্মী ও সম্মানিত সদস্যদের আস্থায় আমাকে এই সংগঠনের Secretary হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি আমার জন্য শুধু একটি পদ নয়; বরং একটি বড় দায়িত্ব, একটি অঙ্গীকার এবং মানুষের জন্য আরও বেশি কিছু করার সুযোগ।

Global Safety Foundation ভবিষ্যতে সড়ক নিরাপত্তার পাশাপাশি নৌ-নিরাপত্তা, বিমান নিরাপত্তা, অগ্নি নিরাপত্তা, ভূমিকম্প প্রস্তুতি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জরুরি সাড়া প্রদান এবং অন্যান্য জননিরাপত্তা বিষয় নিয়ে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়।

আমাদের বিশ্বাস—

“নিরাপত্তা শুধু একটি বিষয় নয়, নিরাপত্তা মানুষের অধিকার।”

আমরা চাই সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, বিশেষজ্ঞ, তরুণ সমাজ এবং সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

এই নতুন পথচলায় আপনাদের দোয়া, সহযোগিতা, পরামর্শ ও ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ি।

"Global Safety Foundation"
Working Together for a Safer World.

Honored to share that my article on Road Safety has been published in The Financial Express yesterday. Thank you to The ...
21/06/2026

Honored to share that my article on Road Safety has been published in The Financial Express yesterday.
Thank you to The Financial Express for publishing the article, and thanks to all who continue to support Road Safety initiatives across Bangladesh.

Road safety is not merely a transportation issue; it is a public health issue, an economic issue, and ultimately a development issue. A nation cannot claim sustainable progress while thousands of lives continue to be lost on its roads every year. Recently, I travelled from Dhaka to Daudkandi and r

নিরাপদ সড়ক কোনো বিলাসিতা নয়।(ঢাকা-দাউদকান্দি মহাসড়ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু ভাবনা)।মোঃ কামরুজ্জামান পলাশসিইও, সুইফ...
19/06/2026

নিরাপদ সড়ক কোনো বিলাসিতা নয়।
(ঢাকা-দাউদকান্দি মহাসড়ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু ভাবনা)।
মোঃ কামরুজ্জামান পলাশ
সিইও, সুইফট সলিউশন।

সড়ক নিরাপত্তা শুধুমাত্র একটি পরিবহন বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং সর্বোপরি জাতীয় উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতি বছর যখন হাজার হাজার মানুষ সড়কে প্রাণ হারায়, তখন কোনো দেশই টেকসই উন্নয়নের দাবি করতে পারে না।

সম্প্রতি আমি ঢাকা থেকে দাউদকান্দি গিয়েছিলাম এবং একই দিনে আবার ঢাকায় ফিরে আসি। সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা ও চালক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার কারণে যেকোনো যাত্রায় আমি রাস্তার অবস্থা, চালকদের আচরণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করি। এই সফর আমাকে একইসঙ্গে উদ্বিগ্ন ও হতাশ করেছে।

ঢাকা-দাউদকান্দি করিডোর দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। দিন-রাত অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহন এবং ব্যক্তিগত গাড়ি এই সড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু মহাসড়কের অনেক অংশে রাস্তার পৃষ্ঠ ছিল অসমান, ক্ষতিগ্রস্ত এবং অপর্যাপ্তভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত ও ঢেউয়ের কারণে যানবাহনকে হঠাৎ গতি কমাতে হচ্ছিল। কিছু সময় এমন মনে হচ্ছিল, যেন গাড়িগুলো সড়কে নয়, ঢেউ খেলানো নদীর ওপর চলছে।

একটি মহাসড়কের প্রধান বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত স্থিতিশীলতা, পূর্বানুমানযোগ্যতা এবং নিরাপত্তা। কিন্তু যখন রাস্তার অবস্থা অনিশ্চিত হয়ে যায়, তখন সবচেয়ে দক্ষ চালকও ঝুঁকির মুখে পড়েন।

যাত্রাপথে আমি কয়েকজন পেশাদার চালকের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাদের একজনের একটি মন্তব্য বাস্তব পরিস্থিতিকে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরে:

"স্যার, আমি কি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করব, নাকি রাস্তা নিয়ন্ত্রণ করব?"

এই একটি বাক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের সড়ক ব্যবস্থার গভীর সংকট।

আমরা সাধারণত সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালকের অসাবধানতা, অতিরিক্ত গতি কিংবা আইন অমান্য করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু দুর্ঘটনার পেছনে অবকাঠামোগত দুর্বলতার ভূমিকা নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম আলোচনা হয়।

একজন দক্ষ চালক অনেক ঝুঁকি এড়াতে পারেন, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, অস্পষ্ট লেন মার্কিং, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, হঠাৎ রাস্তার উচ্চতা পরিবর্তন এবং অপর্যাপ্ত সতর্কতামূলক চিহ্নের সঙ্গে লড়াই করা তার পক্ষেও কঠিন।

বিশ্বব্যাপী সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা একটি নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থার তিনটি মূল উপাদান চিহ্নিত করেছেন:

১. নিরাপদ সড়ক
২. নিরাপদ যানবাহন
৩. নিরাপদ সড়ক ব্যবহারকারী

গত এক দশকে বাংলাদেশ সড়ক নির্মাণে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু শুধু বিনিয়োগ করলেই হবে না। নির্মাণের মান, স্থায়িত্ব, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জবাবদিহিতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে—

• সড়ক নির্মাণ কি আন্তর্জাতিক প্রকৌশল মানদণ্ড অনুসরণ করে করা হচ্ছে?
• নির্মাণকাজের সময় কি যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হচ্ছে?
• প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার আগে ও পরে কি সড়ক নিরাপত্তা নিরীক্ষা (Safety Audit) করা হচ্ছে?
• নির্ধারিত সময়ের আগেই রাস্তা নষ্ট হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কি জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে?
• রক্ষণাবেক্ষণ বাজেট কি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে?

এই প্রশ্নগুলোর উদ্দেশ্য কাউকে দোষারোপ করা নয়; বরং নিরাপদ ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় আলোচনা সৃষ্টি করা।

প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার আর্থিক ও সামাজিক মূল্য অত্যন্ত বড়। একটি দুর্ঘটনায় একটি পরিবার তাদের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারাতে পারে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়ে। স্বাস্থ্যসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। উৎপাদনশীলতা কমে যায় এবং জাতীয় উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনার অর্থনৈতিক ক্ষতি একটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) উল্লেখযোগ্য অংশের সমান হতে পারে। তাই সড়ক নিরাপত্তায় বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগ।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের জন্য সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটার পর শাস্তি ও আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে, দুর্ঘটনা প্রতিরোধের দিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

এক্ষেত্রে কয়েকটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে—

• মহাসড়ক ও প্রধান সড়কগুলোর নিয়মিত স্বাধীন নিরাপত্তা নিরীক্ষা
• সড়ক নির্মাণের মান পর্যবেক্ষণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
• ঠিকাদার ও তদারকি কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি
• ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক অংশ দ্রুত শনাক্ত ও মেরামত করা
• সড়ক পর্যবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি
• চালক প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা
• পরিবহন, প্রকৌশল, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা

আমি পেশাদার চালকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। আমার অভিজ্ঞতায় অধিকাংশ চালক দুর্ঘটনা ঘটাতে চান না। তারা নিরাপদ সড়ক, স্পষ্ট নিয়ম এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ চান।

সড়ক নিরাপত্তা একটি যৌথ দায়িত্ব। সরকার, প্রকৌশলী, ঠিকাদার, পরিবহন মালিক, চালক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গণমাধ্যম এবং সাধারণ নাগরিক—সবারই এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

আজ আমাদের সামনে একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—

আর কত প্রাণ হারালে সড়ক নিরাপত্তা জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হবে?

নিরাপদ সড়ক কোনো বিলাসিতা নয়। এটি একটি আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রের মৌলিক প্রয়োজন।

বাংলাদেশ যদি তার উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করতে চায়, তবে সড়ক নিরাপত্তাকে আর অবহেলা করার সুযোগ নেই। এটিকে জাতীয় উন্নয়নের একটি অপরিহার্য ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

ঢাকা থেকে দাউদকান্দি যাত্রা আমাকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে—উন্নয়নের পথ শুধু কত কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে তা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না; বরং সেই রাস্তায় মানুষ কতটা নিরাপদে চলাচল করতে পারছে, সেটিই প্রকৃত উন্নয়নের মানদণ্ড।

সড়ক নিরাপত্তায় একসাথে কাজ করি।
Working Together for Road Safety

03/06/2026

Working Together for Road Safety

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাস্তা — কিন্তু বাড়ছে নতুন ঝুঁকি !!ঈদের ছুটিতে ঢাকা সহ দেশের বড় বড় শহরের রাস্তাগুলো অনেকটাই ফাঁকা হ...
29/05/2026

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাস্তা — কিন্তু বাড়ছে নতুন ঝুঁকি !!
ঈদের ছুটিতে ঢাকা সহ দেশের বড় বড় শহরের রাস্তাগুলো অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যায়। আর এই ফাঁকা রাস্তাই অনেক সময় নতুন ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
গত কয়েকদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি —
অনেক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়ে গাড়ি ও মোটরবাইক চালাচ্ছে। আবার অনেকেই আছেন যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, কিংবা গাড়ি চালানোর পর্যাপ্ত দক্ষতা নেই, তারাও “ফাঁকা রাস্তা” পেয়ে গাড়ি নিয়ে বের হচ্ছেন “হাত পাকানোর” জন্য।
কেউ বন্ধুদের বাসায় যাচ্ছে,
কেউ পরিবারের গাড়ি নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছে,
কেউ আবার অনেকদিন পর একটু প্র্যাকটিস করছে !
অন্যদিকে, ঈদে অনেক পেশাদার ড্রাইভার গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় কিছু গাড়ির মালিক অপরিপক্ক বা অনভিজ্ঞ চালকদের হাতে গাড়ি তুলে দিচ্ছেন।
ফলাফল?
প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
# কেউ ব্রেকের বদলে এক্সিলারেটরে চাপ দিচ্ছে
# কেউ সিগন্যাল মানছে না
# কেউ গাড়ি ফুটপাতে বা ডিভাইডারে তুলে ফেলছে
# কেউ রিকশা বা অন্য গাড়িকে ধাক্কা দিচ্ছে
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় —
এই দুর্ঘটনাগুলোর অনেকগুলোই খুব সহজে এড়ানো সম্ভব ছিল।
আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করব:
@ যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, তারা গাড়ি নিয়ে বের হবেন না
@ যারা দক্ষ নন, তারা রাস্তায় প্র্যাকটিস করতে নামবেন না
@ অভিভাবকরা সন্তানদের গাড়ি বা বাইক ব্যবহারের বিষয়টি নজরে রাখুন
@ পেশাদার চালকরা এই সময় আরও বেশি সতর্ক থাকুন.....
কারণ:
একজন অপরিপক্ক চালকের ভুলে যেকোনো সময় একজন নিরাপদ চালকও দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন।
গতকালও একটি সংবাদে দেখলাম —
একজন কিশোর পরিবারের গাড়ি নিয়ে বের হয়ে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করেছে। তার কোনো লাইসেন্স ছিল না। পুলিশ তাকে আটক করে জরিমানা করেছে এবং সতর্ক করেছে। এটি শুধু সেই পরিবারের জন্য নয়, আমাদের সবার জন্য একটি শিক্ষা।
মনে রাখতে হবে —
দুর্ঘটনা ঘটার পরে আফসোস করে লাভ নেই।
আমাদের আগে থেকেই সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
আসুন,
নিজের পরিবার, নিজের জীবন এবং অন্যের নিরাপত্তার জন্য ট্রাফিক আইন মেনে চলি।
👉 Working Together for Road Safety 🇧🇩

চীনের একটি দুর্ঘটনা এবং সুন্দর সমাধান!!— একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা, যা বাংলাদেশকে নতুনভাবে ভাবতে শেখাতে পারে!কিছুদিন আগে আমি ...
27/05/2026

চীনের একটি দুর্ঘটনা এবং সুন্দর সমাধান!!
— একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা, যা বাংলাদেশকে নতুনভাবে ভাবতে শেখাতে পারে!
কিছুদিন আগে আমি চীনে গিয়েছিলাম একটি আন্তর্জাতিক ডাক্তারদের কনভেনশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের নিয়ে। সাংহাই থেকে বেইজিং পৌঁছানোর পর আমি অংশগ্রহণকারীদের বাসে করে হোটেল থেকে কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছে দেই। তাদের নামিয়ে দিয়ে যখন আমি বাসে করে আবার হোটেলে ফিরছিলাম, তখন ঘটে একটি ছোট্ট দুর্ঘটনা — কিন্তু সেই দুর্ঘটনার সমাধান আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।
বাসে তখন শুধু আমি এবং ড্রাইভার ছিলাম। একটি চার রাস্তার মোড় পার হওয়ার সময় হঠাৎ পিছন থেকে একটি প্রাইভেট কার এসে বাসের পিছনে ধাক্কা দেয়। কিন্তু যেটা আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে, সেটা হলো বাস ড্রাইভারের দক্ষতা ও ধৈর্য।
ড্রাইভার দ্রুত বাসটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ডানদিকে সামান্য কাট দেন, যেন বড় দুর্ঘটনা না ঘটে। মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল বাসটি হয়তো উল্টে যাবে, কিন্তু তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি সামলে নেন।
দুর্ঘটনার পর প্রথমেই ড্রাইভার আমার কাছে এসে জানতে চাইলেন আমি ঠিক আছি কিনা। আমি নিরাপদ ছিলাম। কারণ আমি সবসময় যাত্রাপথে সতর্ক থাকি এবং রোড সেফটি বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করি।
এরপর আমি বাস থেকে নেমে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি লক্ষ্য করতে থাকি। দেখলাম — কোনো চিৎকার নেই, উত্তেজনা নেই, ভিড় নেই, দোষারোপ নেই।
প্রাইভেট কারটির ড্রাইভার ছিলেন একজন নারী। তিনি এবং বাস ড্রাইভার দুজনেই অত্যন্ত শান্তভাবে কথা বলছিলেন। তারা একে অপরের গাড়ির ছবি তুললেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছবি তুললেন, আইডি কার্ডের ছবি নিলেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময় করলেন।
কিছুক্ষণ পর সেই নারী ড্রাইভার একটি ফোন কল রিসিভ করলেন। এরপর তিনি দুই হাত জোড় করে বাস ড্রাইভারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন এবং শান্তভাবে স্থান ত্যাগ করলেন। আমরাও হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় ছিল —
সেখানে কোনো জনতার ভিড় হয়নি।
কেউ উত্তেজিত হয়নি।
কোনো অযথা তর্ক হয়নি।
এমনকি ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতিও দরকার হয়নি।
পরে হোটেলে ফিরে আমি ড্রাইভারের সাথে বসে চা খেতে খেতে পুরো বিষয়টি জানতে চাই। তখন তিনি আমাকে বললেন — চীনের রাস্তাগুলোতে অত্যন্ত উন্নতমানের ক্যামেরা স্থাপন করা আছে। ছোট-বড় দুর্ঘটনার ভিডিও সেই ক্যামেরায় রেকর্ড হয়। পুলিশ স্টেশন থেকে ফুটেজ দেখে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় কে দোষী আর কে নির্দোষ।
এই ঘটনাতেও পুলিশ ভিডিও দেখে নিশ্চিত হয় যে প্রাইভেট কার চালকই দায়ী। এরপর ফোন করে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে বাসের ক্ষতির খরচ তাকে বহন করতে হবে। এবং তিনি সেটি শান্তভাবে মেনে নেন।
এই পুরো ঘটনাটি আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।
আমাদের দেশে ছোট একটি দুর্ঘটনা ঘটলেই অনেক সময়:
ভিড় জমে যায়,
উত্তেজনা তৈরি হয়,
দোষারোপ শুরু হয়,
মারামারি পর্যন্ত হয়,
যানজট সৃষ্টি হয়,
আর সমস্যার সমাধান আরও কঠিন হয়ে যায়।
কিন্তু চাইলে আমরা অনেক কিছু সহজ করতে পারি।
শান্ত থাকা, নিয়ম মানা, প্রযুক্তির ব্যবহার, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ — এই বিষয়গুলো আমাদের রোড সেফটিকে অনেক উন্নত করতে পারে।
আমি বিশ্বাস করি,
“শুধু ভালো রাস্তা নয়, ভালো আচরণও একটি দেশের ট্রাফিক সংস্কৃতিকে নিরাপদ করে তোলে।”
আসুন, আমরা সবাই মিলে শিখি —
দুর্ঘটনার পরে উত্তেজনা নয়, সচেতনতা ও মানবিক আচরণই হতে পারে সবচেয়ে সুন্দর সমাধান।
"Working Together for Road Safety." See less

Another Successful Defensive Driving Training Completed.Yesterday, Swift Solution Foundation successfully conducted a co...
18/05/2026

Another Successful Defensive Driving Training Completed.
Yesterday, Swift Solution Foundation successfully conducted a comprehensive Defensive Driving Training Program for the professional drivers of The City Bank Limited.
The full-day training covered:
Road Signs, Traffic Laws & Rules, Causes of Road Accidents & Prevention, Defensive Driving Techniques, First Aid & Emergency Response, Car Engine Maintenance & Troubleshooting, Driver Safety Awareness & Professional Development.

This is not only a training.This is a commitment to humanity, responsibility, and life.Grateful to "The City Bank Ltd." ...
18/05/2026

This is not only a training.
This is a commitment to humanity, responsibility, and life.
Grateful to "The City Bank Ltd." for standing beside this important initiative and believing in Safer Roads for everyone.
Road Safety for Bangladesh...

Defensive Driving Training at British Council,  Dhaka.
03/04/2026

Defensive Driving Training at British Council, Dhaka.

Road Safety Awareness Campaign at Gabtoli Bus Terminal Surrounded. Thanks all the dedicated team members.Working Togethe...
29/03/2026

Road Safety Awareness Campaign at Gabtoli Bus Terminal Surrounded. Thanks all the dedicated team members.
Working Together for Road Safety.
A Concern of Swift Solution.

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Road Safety in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Road Safety in Bangladesh:

Shortcuts

Share