27/08/2026
এসএআরসির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য
এসএআরসির কার্যক্রম ও শারীয়াহ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সম্প্রতি যেসব অভিযোগ, বক্তব্য ও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলোর প্রেক্ষিতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন—
১. যোগ্যতা বা অযোগ্যতা ঘোষণা এবং অর্থের বিনিময়ে অনুমোদনের অভিযোগ
এসএআরসি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগতভাবে যোগ্য কিংবা অযোগ্য ঘোষণা করেনি এবং অর্থের বিনিময়ে কাউকে যোগ্যতা প্রদান বা কোনো প্রজেক্ট অনুমোদনের প্রশ্নই আসে না। এসএআরসির ক্ষেত্রে এ ধরনের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রচারিত মিথ্যা অপবাদ ছাড়া আর কিছু নয়।
এসএআরসি কোনো প্রজেক্ট অনুমোদনের ক্ষেত্রে নিজস্ব নির্ধারিত শারীয়াহ রিভিউ ও যাচাই-পদ্ধতি অনুসরণ করে। প্রজেক্টের কাঠামো, চুক্তি, লেনদেনের প্রকৃতি, অর্থের ব্যবহার, আয়-ব্যয়ের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমসহ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো একাধিক ধাপে পর্যালোচনা ও যাচাই করার পর শারীয়াহ নীতিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালিত হওয়ার বিষয়ে সন্তুষ্ট হলেই অনুমোদন প্রদান করা হয়।
শারীয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো কার্যক্রম, লেনদেন বা কাঠামোকে এসএআরসি অনুমোদন দেয়নি এবং ভবিষ্যতেও দেবে না। ইনশাআল্লাহ!
২. ব্যক্তিগত স্বার্থ বা Conflict of Interest অনুমোদনের অভিযোগ
এসএআরসি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বার্থ, ব্যক্তিগত সুবিধা কিংবা Conflict of Interest-কে অনুমোদন দেয়নি।
এসএআরসির নীতিগত অবস্থান হলো—শারীয়াহ পরামর্শ, রিভিউ, অডিট ও সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে পেশাগত স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং স্বার্থের সংঘাতমুক্ত সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা।
অতএব, এসএআরসি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা Conflict of Interest অনুমোদন করেছে—এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত এবং এসএআরসির নামে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের শামিল।
৩. শারীয়াহ সার্টিফিকেট এবং অর্থ/খাম গ্রহণের অভিযোগ
এসএআরসি কর্তৃক কোনো প্রজেক্ট অনুমোদিত হওয়ার পরও সরাসরি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় না। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রজেক্টের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, শারীয়াহ রিভিউ এবং প্রয়োজনীয় অডিটের আওতায় আনা হয়।
এসএআরসি কর্তৃক অনুমোদিত প্রজেক্টগুলোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত মাসিক ও বার্ষিক শারীয়াহ অডিট/রিভিউ সম্পন্ন হওয়ার পর এবং শারীয়াহসম্মত কার্যক্রম সম্পর্কে সন্তুষ্ট হওয়ার ভিত্তিতেই প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শারীয়াহ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে।
এসএআরসি কর্তৃক অনুমোদিত নয়—এমন কোনো প্রজেক্টের বিষয়ে এসএআরসি শারীয়াহ সার্টিফিকেট প্রদান করেনি।
একইভাবে, কোনো খাম, উপঢৌকন বা অবৈধ আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে শারীয়াহ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে—এমন অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত; অন্যথায় এ ধরনের বক্তব্য একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্নকারী অপবাদ হিসেবে বিবেচিত হবে।
৪. IFA-অনুমোদিত প্রজেক্টের ই-মেইল প্রসঙ্গে
আপনারা যে ই-মেইলগুলো প্রেরণ করেছেন, সেগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে সেগুলো সংশ্লিষ্ট IFA-অনুমোদিত প্রজেক্টের সঙ্গে সম্পর্কিত।
যদি উক্ত প্রজেক্টসমূহের ক্ষেত্রে শারীয়াহ কনসালটেন্সি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়, দায়বদ্ধতা বা পেশাগত জবাবদিহিতা থেকে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কনসালটেন্সি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকেই সে বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে।
এসএআরসি কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত প্রজেক্টের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং কোনো প্রজেক্টে এসএআরসির সম্পৃক্ততা না থাকলে সেই প্রজেক্টের কার্যক্রম বা সিদ্ধান্তের জন্য এসএআরসিকে দায়ী করার কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই।
সুতরাং, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ব্যাখ্যা ও জবাবদিহিতার জন্য সংশ্লিষ্ট IFA/কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করাই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।
৫. Halal-এর সঙ্গে এসএআরসির বর্তমান চুক্তি প্রসঙ্গে
এসএআরসি ও Halal-এর মধ্যে বিদ্যমান শারীয়াহ কনসালটেন্সি চুক্তি এখনো বাতিল বা সমাপ্ত হয়নি।
অতএব, চুক্তিটি কার্যকর থাকা অবস্থায় এসএআরসি ও Halal-এর মধ্যকার পেশাগত সম্পর্ককে এমনভাবে উপস্থাপন করার কোনো কারণ নেই, যেন উক্ত চুক্তির সমাপ্তি বা বাতিল ইতোমধ্যে ঘটেছে।
কোনো চুক্তির পরিবর্তন, স্থগিতকরণ, সমাপ্তি বা বাতিলের বিষয়টি যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়াই স্বাভাবিক।
উপসংহার
এসএআরসি শারীয়াহর নীতিমালা, পেশাগত সততা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা প্রজেক্টকে শারীয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থায় অনুমোদন দেওয়া, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা Conflict of Interest অনুমোদন করা কিংবা আর্থিক সুবিধা গ্রহণের বিনিময়ে শারীয়াহ সার্টিফিকেট প্রদান করা—এসব অভিযোগ এসএআরসির নীতিমালা ও কার্যপ্রণালীর সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গত।
তাই এসএআরসির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হলে তা অনুমান, hearsay বা অপপ্রচারের ভিত্তিতে নয়; বরং সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথি ও যাচাইযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা প্রত্যাশিত।
এসএআরসি যেকোনো সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও জবাব দিতে প্রস্তুত। তবে প্রমাণহীন অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
———————————————————————————
Agro Next ও Halal Investment প্রজেক্টের শারীয়াহ অনুমোদন প্রসঙ্গে এসএআরসির বক্তব্য
Agro Next ও Halal Investment-এর প্রজেক্ট সম্পর্কে আপনারা যে প্রশ্ন ও অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, সেগুলোকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। তবে অভিযোগের ভাষা ও প্রকৃত বাস্তবতার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই বিষয়টি কয়েকটি দিক থেকে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
১. “প্রজেক্টের কোনো খোঁজখবর না নিয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে”—এই বক্তব্য সঠিক নয়।
এসএআরসি কোনো প্রজেক্টকে শুধুমাত্র অর্থ গ্রহণের বিনিময়ে কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের মৌখিক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে শারীয়াহ অনুমোদন প্রদান করে না।
কোনো প্রজেক্ট শারীয়াহসম্মত কি না তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রজেক্টের কাঠামো, ব্যবসার প্রকৃতি, চুক্তিপত্র, বিনিয়োগের ধরন, অর্থের ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনের শারীয়াহগত দিক পর্যালোচনা করা হয়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—শারীয়াহ অনুমোদন (Shariah Approval) এবং ব্যবসায়িক/বিনিয়োগগত নিশ্চয়তা (Business or Investment Guarantee) এক বিষয় নয়।
কোনো প্রজেক্টকে শারীয়াহসম্মত ঘোষণা করার অর্থ এই নয় যে ওই ব্যবসা অবশ্যই লাভ করবে, ব্যবসায়িক ব্যর্থতা ঘটবে না, উদ্যোক্তা কখনো প্রতারণা করবে না, অথবা বিনিয়োগকারীর অর্থের কোনো ঝুঁকি থাকবে না।
২. কোনো প্রজেক্টে পরবর্তীতে অনিয়ম বা প্রতারণা সংঘটিত হলে তার দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শারীয়াহ কনসালট্যান্টের ওপর বর্তায় না।
একটি প্রজেক্ট অনুমোদনের সময় যে তথ্য, দলিল ও কাঠামো উপস্থাপন করা হয়, তার ভিত্তিতে শারীয়াহ মূল্যায়ন করা হয়। পরবর্তীতে উদ্যোক্তা যদি অনুমোদিত কাঠামোর বাইরে অর্থ ব্যবহার করেন, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন, সম্পদের অস্তিত্ব সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেন, হিসাব গোপন করেন অথবা অন্য কোনো অনৈতিক/অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তাহলে সেই কার্যক্রমের প্রত্যক্ষ দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তায়।
তবে এসএআরসির কোনো পর্যায়ে যদি প্রমাণিত হয় যে অনুমোদনের সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি, অথবা অনুমোদিত কাঠামো বাস্তবে অনুসরণ করা হচ্ছে না—তাহলে সেটি অবশ্যই পর্যালোচনার বিষয় এবং এসএআরসি সে বিষয়ে জবাবদিহিতাকে স্বাগত জানায়।
৩. “শুধু টাকা নিয়ে দায়সারা একটা অনুমোদন”—এ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।
এসএআরসির শারীয়াহ কনসালটেন্সির কাজ কোনো ধরনের “পেইড স্ট্যাম্প” প্রদান করা নয়।
কনসালটেন্সি ফি প্রদান করা হয় পেশাগত শারীয়াহ গবেষণা, ডকুমেন্ট রিভিউ, চুক্তি বিশ্লেষণ, শারীয়াহ কাঠামো যাচাই, রিভিউ, অডিট এবং সংশ্লিষ্ট পেশাগত সেবার বিনিময়ে।
ফি নেওয়া এবং ঘুষ বা অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে শারীয়াহ অনুমোদন দেওয়া—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
এসএআরসি কোনো শারীয়াহবিরোধী প্রজেক্টকে অর্থের বিনিময়ে বৈধতা দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাস করে না এবং এমন কোনো প্রমাণ থাকলে তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করার আহ্বান জানায়।
৪. “প্রজেক্ট আসলেই আছে কি না”—এটি গুরুত্বপূর্ণ যাচাইয়ের বিষয়।
আপনাদের এই প্রশ্নের নীতিগত গুরুত্ব আমরা অস্বীকার করছি না।
কোনো প্রজেক্টের বাস্তব অস্তিত্ব, সম্পদের মালিকানা, ব্যবসায়িক সক্ষমতা, উদ্যোক্তার আর্থিক সক্ষমতা, বিনিয়োগকারীর অর্থ কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রজেক্ট বাস্তবে অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় একটি পূর্ণাঙ্গ Due Diligence প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।
তবে Due Diligence-এর পরিধি ও দায়িত্বও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। শারীয়াহ কনসালট্যান্টের কাজ মূলত শারীয়াহ-সংক্রান্ত compliance ও কাঠামো মূল্যায়ন করা; তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনিয়োগকারী, অডিটর, ভ্যালুয়েশন প্রতিষ্ঠান, আইনজীবী, ফোরেনসিক ইনভেস্টিগেটর বা ব্যবসায়িক গ্যারান্টরের ভূমিকা গ্রহণ করেন না—যদি চুক্তিতে সে ধরনের অতিরিক্ত দায়িত্ব স্পষ্টভাবে অর্পিত না থাকে।
৫. বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।
যদি সত্যিই কোনো বিনিয়োগকারী প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন এবং সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার অধিক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থাকে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।
কিন্তু এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিনিয়োগকারী, বিনিয়োগের দলিল, অর্থ প্রদানের প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট প্রজেক্টের নথি, অনুমোদনের তারিখ ও শর্ত এবং প্রকৃত অনিয়মের প্রমাণ পর্যালোচনা না করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা ন্যায়সংগত নয়।
এসএআরসির কাছে যদি এমন কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয় যে কোনো প্রজেক্ট এসএআরসির অনুমোদিত শারীয়াহ কাঠামোর বাইরে পরিচালিত হয়েছে, তাহলে এসএআরসি বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত ও পর্যালোচনা করতে প্রস্তুত।
শারীয়াহর প্রশ্নে এসএআরসির অবস্থান
শারীয়াহ কোনো প্রতিষ্ঠানের সিলমোহর নয়; এটি একটি আমানত।
তাই এসএআরসি কখনো দাবি করে না যে তার কোনো সার্টিফিকেট একটি ব্যবসাকে ব্যবসায়িক সফলতার নিশ্চয়তা প্রদান করে। বরং শারীয়াহ সার্টিফিকেটের অর্থ হলো—নির্ধারিত পরিধি ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কাঠামো ও কার্যক্রমকে শারীয়াহর নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাওয়া গেছে।
অতএব, কোনো প্রজেক্ট পরবর্তীতে ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হলে বা উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠলে সেটিকে সরাসরি “শারীয়াহ অনুমোদনই প্রতারণার অনুমোদন ছিল”—এভাবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।
একই সঙ্গে এসএআরসি এটাও স্পষ্টভাবে স্বীকার করে যে শারীয়াহ কনসালট্যান্টের দায়িত্ব শুধু কাগজপত্রে স্বাক্ষর করা নয়; বরং তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব অনুযায়ী যথাযথ শারীয়াহ রিভিউ, পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
সুতরাং, অভিযোগ থাকলে তা আবেগ বা অপপ্রচারের মাধ্যমে নয়—নির্দিষ্ট প্রজেক্ট, নির্দিষ্ট দলিল, নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত এবং নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে উত্থাপন করা হোক। এসএআরসি প্রমাণভিত্তিক যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং প্রয়োজনীয় নথি পর্যালোচনার জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
শারীয়াহর নামে কোনো অন্যায়কে বৈধতা দেওয়া যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি প্রমাণ ছাড়া কোনো শারীয়াহ প্রতিষ্ঠান বা আলেমের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়।