SARC - Shariah Advisory and Research Council

SARC - Shariah Advisory and Research Council Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SARC - Shariah Advisory and Research Council, Consulting Agency, 4th floor, House: 2, Road: 6, Block: F, Mirpur/1, Dhaka.

SARC Provides advisory, consultation, guidance, governance, audit, development of Shariah-compliant solutions, certification, research, training, and Fatawa issuance services to financial and non-financial institutions worldwide. Shariah Advisory and Research Council (SARC)
Provides services to financial and non-financial institutions worldwide, focusing on areas where adherence to Shariah is ess

ential. Shariah advisory,
Shariah consultation,
Shariah guidance,
Shariah governance,
Shariah audit,
development of Shariah-compliant solutions,
Shariah certification,
Research,
Training,
Fatawa issuance, etc. Fallow links for SARC's update information:
https://www.sarcbd.com/about-us/
https://sarcbd.com
https://www.facebook.com/SARCBD24
https://whatsapp.com/channel/0029VbAotRDHFxP6zT9xCI03
https://www.linkedin.com/company/sarcbd
https://www.youtube.com/


Connect us:

[email protected]
+88 01749 27 71 51
+88 01926 32 54 43
+88 01778 72 88 05

28/08/2026
27/08/2026

এসএআরসির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য

এসএআরসির কার্যক্রম ও শারীয়াহ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সম্প্রতি যেসব অভিযোগ, বক্তব্য ও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলোর প্রেক্ষিতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন—

১. যোগ্যতা বা অযোগ্যতা ঘোষণা এবং অর্থের বিনিময়ে অনুমোদনের অভিযোগ
এসএআরসি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগতভাবে যোগ্য কিংবা অযোগ্য ঘোষণা করেনি এবং অর্থের বিনিময়ে কাউকে যোগ্যতা প্রদান বা কোনো প্রজেক্ট অনুমোদনের প্রশ্নই আসে না। এসএআরসির ক্ষেত্রে এ ধরনের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রচারিত মিথ্যা অপবাদ ছাড়া আর কিছু নয়।

এসএআরসি কোনো প্রজেক্ট অনুমোদনের ক্ষেত্রে নিজস্ব নির্ধারিত শারীয়াহ রিভিউ ও যাচাই-পদ্ধতি অনুসরণ করে। প্রজেক্টের কাঠামো, চুক্তি, লেনদেনের প্রকৃতি, অর্থের ব্যবহার, আয়-ব্যয়ের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমসহ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো একাধিক ধাপে পর্যালোচনা ও যাচাই করার পর শারীয়াহ নীতিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালিত হওয়ার বিষয়ে সন্তুষ্ট হলেই অনুমোদন প্রদান করা হয়।

শারীয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো কার্যক্রম, লেনদেন বা কাঠামোকে এসএআরসি অনুমোদন দেয়নি এবং ভবিষ্যতেও দেবে না। ইনশাআল্লাহ!

২. ব্যক্তিগত স্বার্থ বা Conflict of Interest অনুমোদনের অভিযোগ

এসএআরসি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বার্থ, ব্যক্তিগত সুবিধা কিংবা Conflict of Interest-কে অনুমোদন দেয়নি।

এসএআরসির নীতিগত অবস্থান হলো—শারীয়াহ পরামর্শ, রিভিউ, অডিট ও সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে পেশাগত স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং স্বার্থের সংঘাতমুক্ত সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা।

অতএব, এসএআরসি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা Conflict of Interest অনুমোদন করেছে—এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত এবং এসএআরসির নামে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের শামিল।

৩. শারীয়াহ সার্টিফিকেট এবং অর্থ/খাম গ্রহণের অভিযোগ

এসএআরসি কর্তৃক কোনো প্রজেক্ট অনুমোদিত হওয়ার পরও সরাসরি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় না। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রজেক্টের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, শারীয়াহ রিভিউ এবং প্রয়োজনীয় অডিটের আওতায় আনা হয়।

এসএআরসি কর্তৃক অনুমোদিত প্রজেক্টগুলোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত মাসিক ও বার্ষিক শারীয়াহ অডিট/রিভিউ সম্পন্ন হওয়ার পর এবং শারীয়াহসম্মত কার্যক্রম সম্পর্কে সন্তুষ্ট হওয়ার ভিত্তিতেই প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শারীয়াহ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে।

এসএআরসি কর্তৃক অনুমোদিত নয়—এমন কোনো প্রজেক্টের বিষয়ে এসএআরসি শারীয়াহ সার্টিফিকেট প্রদান করেনি।

একইভাবে, কোনো খাম, উপঢৌকন বা অবৈধ আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে শারীয়াহ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে—এমন অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত; অন্যথায় এ ধরনের বক্তব্য একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্নকারী অপবাদ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৪. IFA-অনুমোদিত প্রজেক্টের ই-মেইল প্রসঙ্গে

আপনারা যে ই-মেইলগুলো প্রেরণ করেছেন, সেগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে সেগুলো সংশ্লিষ্ট IFA-অনুমোদিত প্রজেক্টের সঙ্গে সম্পর্কিত।

যদি উক্ত প্রজেক্টসমূহের ক্ষেত্রে শারীয়াহ কনসালটেন্সি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়, দায়বদ্ধতা বা পেশাগত জবাবদিহিতা থেকে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কনসালটেন্সি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকেই সে বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে।

এসএআরসি কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত প্রজেক্টের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং কোনো প্রজেক্টে এসএআরসির সম্পৃক্ততা না থাকলে সেই প্রজেক্টের কার্যক্রম বা সিদ্ধান্তের জন্য এসএআরসিকে দায়ী করার কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই।

সুতরাং, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ব্যাখ্যা ও জবাবদিহিতার জন্য সংশ্লিষ্ট IFA/কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করাই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।

৫. Halal-এর সঙ্গে এসএআরসির বর্তমান চুক্তি প্রসঙ্গে

এসএআরসি ও Halal-এর মধ্যে বিদ্যমান শারীয়াহ কনসালটেন্সি চুক্তি এখনো বাতিল বা সমাপ্ত হয়নি।

অতএব, চুক্তিটি কার্যকর থাকা অবস্থায় এসএআরসি ও Halal-এর মধ্যকার পেশাগত সম্পর্ককে এমনভাবে উপস্থাপন করার কোনো কারণ নেই, যেন উক্ত চুক্তির সমাপ্তি বা বাতিল ইতোমধ্যে ঘটেছে।

কোনো চুক্তির পরিবর্তন, স্থগিতকরণ, সমাপ্তি বা বাতিলের বিষয়টি যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়াই স্বাভাবিক।

উপসংহার

এসএআরসি শারীয়াহর নীতিমালা, পেশাগত সততা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা প্রজেক্টকে শারীয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থায় অনুমোদন দেওয়া, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা Conflict of Interest অনুমোদন করা কিংবা আর্থিক সুবিধা গ্রহণের বিনিময়ে শারীয়াহ সার্টিফিকেট প্রদান করা—এসব অভিযোগ এসএআরসির নীতিমালা ও কার্যপ্রণালীর সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গত।

তাই এসএআরসির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করা হলে তা অনুমান, hearsay বা অপপ্রচারের ভিত্তিতে নয়; বরং সুনির্দিষ্ট তথ্য, নথি ও যাচাইযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা প্রত্যাশিত।

এসএআরসি যেকোনো সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও জবাব দিতে প্রস্তুত। তবে প্রমাণহীন অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

———————————————————————————
Agro Next ও Halal Investment প্রজেক্টের শারীয়াহ অনুমোদন প্রসঙ্গে এসএআরসির বক্তব্য

Agro Next ও Halal Investment-এর প্রজেক্ট সম্পর্কে আপনারা যে প্রশ্ন ও অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, সেগুলোকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। তবে অভিযোগের ভাষা ও প্রকৃত বাস্তবতার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই বিষয়টি কয়েকটি দিক থেকে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

১. “প্রজেক্টের কোনো খোঁজখবর না নিয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে”—এই বক্তব্য সঠিক নয়।

এসএআরসি কোনো প্রজেক্টকে শুধুমাত্র অর্থ গ্রহণের বিনিময়ে কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের মৌখিক বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে শারীয়াহ অনুমোদন প্রদান করে না।

কোনো প্রজেক্ট শারীয়াহসম্মত কি না তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রজেক্টের কাঠামো, ব্যবসার প্রকৃতি, চুক্তিপত্র, বিনিয়োগের ধরন, অর্থের ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনের শারীয়াহগত দিক পর্যালোচনা করা হয়।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—শারীয়াহ অনুমোদন (Shariah Approval) এবং ব্যবসায়িক/বিনিয়োগগত নিশ্চয়তা (Business or Investment Guarantee) এক বিষয় নয়।

কোনো প্রজেক্টকে শারীয়াহসম্মত ঘোষণা করার অর্থ এই নয় যে ওই ব্যবসা অবশ্যই লাভ করবে, ব্যবসায়িক ব্যর্থতা ঘটবে না, উদ্যোক্তা কখনো প্রতারণা করবে না, অথবা বিনিয়োগকারীর অর্থের কোনো ঝুঁকি থাকবে না।

২. কোনো প্রজেক্টে পরবর্তীতে অনিয়ম বা প্রতারণা সংঘটিত হলে তার দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শারীয়াহ কনসালট্যান্টের ওপর বর্তায় না।

একটি প্রজেক্ট অনুমোদনের সময় যে তথ্য, দলিল ও কাঠামো উপস্থাপন করা হয়, তার ভিত্তিতে শারীয়াহ মূল্যায়ন করা হয়। পরবর্তীতে উদ্যোক্তা যদি অনুমোদিত কাঠামোর বাইরে অর্থ ব্যবহার করেন, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন, সম্পদের অস্তিত্ব সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেন, হিসাব গোপন করেন অথবা অন্য কোনো অনৈতিক/অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তাহলে সেই কার্যক্রমের প্রত্যক্ষ দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তায়।

তবে এসএআরসির কোনো পর্যায়ে যদি প্রমাণিত হয় যে অনুমোদনের সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি, অথবা অনুমোদিত কাঠামো বাস্তবে অনুসরণ করা হচ্ছে না—তাহলে সেটি অবশ্যই পর্যালোচনার বিষয় এবং এসএআরসি সে বিষয়ে জবাবদিহিতাকে স্বাগত জানায়।

৩. “শুধু টাকা নিয়ে দায়সারা একটা অনুমোদন”—এ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।

এসএআরসির শারীয়াহ কনসালটেন্সির কাজ কোনো ধরনের “পেইড স্ট্যাম্প” প্রদান করা নয়।

কনসালটেন্সি ফি প্রদান করা হয় পেশাগত শারীয়াহ গবেষণা, ডকুমেন্ট রিভিউ, চুক্তি বিশ্লেষণ, শারীয়াহ কাঠামো যাচাই, রিভিউ, অডিট এবং সংশ্লিষ্ট পেশাগত সেবার বিনিময়ে।

ফি নেওয়া এবং ঘুষ বা অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে শারীয়াহ অনুমোদন দেওয়া—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

এসএআরসি কোনো শারীয়াহবিরোধী প্রজেক্টকে অর্থের বিনিময়ে বৈধতা দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাস করে না এবং এমন কোনো প্রমাণ থাকলে তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করার আহ্বান জানায়।

৪. “প্রজেক্ট আসলেই আছে কি না”—এটি গুরুত্বপূর্ণ যাচাইয়ের বিষয়।

আপনাদের এই প্রশ্নের নীতিগত গুরুত্ব আমরা অস্বীকার করছি না।

কোনো প্রজেক্টের বাস্তব অস্তিত্ব, সম্পদের মালিকানা, ব্যবসায়িক সক্ষমতা, উদ্যোক্তার আর্থিক সক্ষমতা, বিনিয়োগকারীর অর্থ কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রজেক্ট বাস্তবে অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় একটি পূর্ণাঙ্গ Due Diligence প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।

তবে Due Diligence-এর পরিধি ও দায়িত্বও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। শারীয়াহ কনসালট্যান্টের কাজ মূলত শারীয়াহ-সংক্রান্ত compliance ও কাঠামো মূল্যায়ন করা; তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনিয়োগকারী, অডিটর, ভ্যালুয়েশন প্রতিষ্ঠান, আইনজীবী, ফোরেনসিক ইনভেস্টিগেটর বা ব্যবসায়িক গ্যারান্টরের ভূমিকা গ্রহণ করেন না—যদি চুক্তিতে সে ধরনের অতিরিক্ত দায়িত্ব স্পষ্টভাবে অর্পিত না থাকে।

৫. বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।

যদি সত্যিই কোনো বিনিয়োগকারী প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন এবং সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার অধিক অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থাকে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।

কিন্তু এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিনিয়োগকারী, বিনিয়োগের দলিল, অর্থ প্রদানের প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট প্রজেক্টের নথি, অনুমোদনের তারিখ ও শর্ত এবং প্রকৃত অনিয়মের প্রমাণ পর্যালোচনা না করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা ন্যায়সংগত নয়।

এসএআরসির কাছে যদি এমন কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয় যে কোনো প্রজেক্ট এসএআরসির অনুমোদিত শারীয়াহ কাঠামোর বাইরে পরিচালিত হয়েছে, তাহলে এসএআরসি বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত ও পর্যালোচনা করতে প্রস্তুত।

শারীয়াহর প্রশ্নে এসএআরসির অবস্থান

শারীয়াহ কোনো প্রতিষ্ঠানের সিলমোহর নয়; এটি একটি আমানত।

তাই এসএআরসি কখনো দাবি করে না যে তার কোনো সার্টিফিকেট একটি ব্যবসাকে ব্যবসায়িক সফলতার নিশ্চয়তা প্রদান করে। বরং শারীয়াহ সার্টিফিকেটের অর্থ হলো—নির্ধারিত পরিধি ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কাঠামো ও কার্যক্রমকে শারীয়াহর নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাওয়া গেছে।

অতএব, কোনো প্রজেক্ট পরবর্তীতে ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হলে বা উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠলে সেটিকে সরাসরি “শারীয়াহ অনুমোদনই প্রতারণার অনুমোদন ছিল”—এভাবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।

একই সঙ্গে এসএআরসি এটাও স্পষ্টভাবে স্বীকার করে যে শারীয়াহ কনসালট্যান্টের দায়িত্ব শুধু কাগজপত্রে স্বাক্ষর করা নয়; বরং তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব অনুযায়ী যথাযথ শারীয়াহ রিভিউ, পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

সুতরাং, অভিযোগ থাকলে তা আবেগ বা অপপ্রচারের মাধ্যমে নয়—নির্দিষ্ট প্রজেক্ট, নির্দিষ্ট দলিল, নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত এবং নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে উত্থাপন করা হোক। এসএআরসি প্রমাণভিত্তিক যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং প্রয়োজনীয় নথি পর্যালোচনার জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

শারীয়াহর নামে কোনো অন্যায়কে বৈধতা দেওয়া যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি প্রমাণ ছাড়া কোনো শারীয়াহ প্রতিষ্ঠান বা আলেমের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়।

21/08/2026

বিশেষ নোটিশ:

কোনো প্রতিষ্ঠানকে শুধু কোনো একটি বিষয়ে শারঈ পরামর্শ, পর্যালোচনা বা অনুমোদন দিলে তার অর্থ এই নয় যে, ওই প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে যা কিছু করবে—সবকিছুর দায়িত্ব SARC-এর ওপর বর্তাবে।

একটি Shariah Advisory/Consultancy প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব এবং ক্লায়েন্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিচালনাগত দায়িত্ব—দুটিকে আলাদা করে দেখা জরুরি।

তবে এর অর্থ এইও নয় যে, SARC কোনো ক্লায়েন্টকে পরামর্শ দিয়ে সম্পূর্ণভাবে দায়মুক্ত হয়ে যাবে।

SARC-এর অবস্থান হলো:

১. কোনো প্রতিষ্ঠানকে SARC যে বিষয়ে শারঈ পরামর্শ বা অনুমোদন দেয়, তা নির্দিষ্ট বিষয়, নির্দিষ্ট কাঠামো, নির্দিষ্ট শর্ত ও প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতেই দেওয়া হয়। এটিকে প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রমের জন্য সাধারণ বা উন্মুক্ত অনুমোদন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

২. SARC-এর নাম, রেফারেন্স বা পূর্বের কোনো শারঈ মতামত ব্যবহার করে যদি কোনো ক্লায়েন্ট এমন কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা SARC অনুমোদন করেনি, তাহলে সেটির দায় SARC-এর ওপর বর্তাবে না। বরং SARC-এর নাম ব্যবহার করে এমন বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন নিজেই অনুচিত।

৩. বিশেষভাবে কেউ যদি বলে—“এটি SARC-এর অনুমোদিত”, “SARC-এর সাথে মৌখিকভাবে কথা হয়েছে”, “SARC জানে, তাই কোনো সমস্যা নেই”—তাহলে শুধু এ ধরনের মৌখিক দাবিকে SARC-এর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
SARC-এর অনুমোদন সংশ্লিষ্ট নথি, সিদ্ধান্ত, Shariah Review/Certification এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই বিবেচিত হবে।

৪. কোনো ক্লায়েন্ট SARC-এর অনুমোদনের সীমা অতিক্রম করছে—এমন অভিযোগ বা তথ্য SARC-এর কাছে এলে বিষয়টি উপেক্ষা করা SARC-এর নীতি নয়।
অভিযোগের প্রকৃতি অনুযায়ী তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা, ক্লায়েন্টের বক্তব্য গ্রহণ, প্রয়োজনে Shariah Review/Audit এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী বা নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

৫. যদি প্রমাণিত হয় যে SARC-এর নাম বা অনুমোদন এমন কোনো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা SARC অনুমোদন করেনি, তাহলে SARC স্পষ্টভাবে জানাতে পারে যে উক্ত কার্যক্রম SARC-এর অনুমোদিত নয় এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সেই ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে চুক্তিগত সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা বা প্রত্যাহারের বিষয়ও বিবেচনা করা যেতে পারে।

৬. একই সঙ্গে একটি বিষয় সাধারণ জনগণের বোঝা দরকার—SARC কোনো ক্লায়েন্টের প্রতিটি লেনদেন, প্রতিটি কর্মচারীর প্রতিটি কাজ এবং প্রতিটি গোপন কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা রাখে না।
কোনো প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে SARC-এর অগোচরে ভিন্ন কিছু করলে এবং তা গোপন রাখলে, সেই গোপন কার্যক্রমের সরাসরি দায় SARC-এর ওপর চাপানো ন্যায়সংগত নয়।

৭. তবে SARC-এর কাছে কোনো অনিয়মের নির্ভরযোগ্য তথ্য আসার পরও যদি SARC তা যাচাই না করে, যথাযথ ব্যবস্থা না নেয় বা জেনেশুনে সেই অনিয়মকে অনুমোদিত হিসেবে চলতে দেয়—তাহলে সেটি অবশ্যই SARC-এর জবাবদিহিতার বিষয় হবে।
Shariah governance-এর মূল উদ্দেশ্যই হলো শুধু মতামত দেওয়া নয়; বরং যথাসম্ভব বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও সংশোধনের একটি কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

সুতরাং সংক্ষেপে বলা যায়:

SARC-এর দায়িত্ব শুধু “মতামত দিয়ে শেষ” হয়ে যাওয়া নয়; আবার ক্লায়েন্টের প্রতিটি গোপন বা অনুমোদনবহির্ভূত কাজের স্বয়ংক্রিয় দায়ও SARC-এর নয়।

SARC-এর দায়িত্ব হলো—
শরঈ নীতিমালা নির্ধারণ → পরামর্শ/অনুমোদন → শর্ত নির্ধারণ → প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা → অভিযোগ পেলে যাচাই → অনিয়ম শনাক্ত হলে সংশোধনী ব্যবস্থা → প্রয়োজনে প্রত্যাহার/সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা → এবং সবকিছুর যথাযথ documentation।

আর ক্লায়েন্টের দায়িত্ব হলো—SARC যে সীমা ও শর্তে অনুমোদন দিয়েছে, তার মধ্যে থাকা এবং SARC-এর নাম বা অনুমোদনকে কোনো অনুমোদনবহির্ভূত কাজে ব্যবহার না করা।

আমরা মনে করি, Shariah certification কোনো “blank cheque” নয়; বরং এটি শর্তসাপেক্ষ, নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক এবং জবাবদিহিতামূলক একটি প্রক্রিয়া।

তাই সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য থাকলে সেটি যথাযথভাবে SARC-এর কাছে উপস্থাপন করা হলে, বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই সঠিক পদ্ধতি। প্রমাণ ছাড়া সাধারণ অভিযোগ যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি প্রমাণযোগ্য অভিযোগকে উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়।

SARC-এর কাছে শরিয়াহর দায়িত্বই সর্বাগ্রে—কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক নয়।

সমস্যা → মুফতির পরামর্শ → ফতোয়া : এই মডেল কি বর্তমান যুগের জন্য যথেষ্ট?আমাদের সাধারণ প্রচলিত পদ্ধতি হলো:সমস্যা → মুফতির...
20/08/2026

সমস্যা → মুফতির পরামর্শ → ফতোয়া : এই মডেল কি বর্তমান যুগের জন্য যথেষ্ট?

আমাদের সাধারণ প্রচলিত পদ্ধতি হলো:
সমস্যা → মুফতির পরামর্শ → ফতোয়া

অর্থাৎ, কোনো জটিল বা নৈতিক সমস্যা দেখা দিলে সেটি মুফতির কাছে উপস্থাপন করা হয় এবং শরিয়াহর দৃষ্টিতে তার সমাধান বা ফতোয়া গ্রহণ করা হয়।

এই পদ্ধতি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু আধুনিক ইস্যুর জটিলতা, নতুন প্রযুক্তি, তড়িৎ সিদ্ধান্ত এবং বহুমাত্রিক নৈতিক প্রশ্নের বাস্তবতায় শুধু Reactive Model যথেষ্ট নয়।

তাহলে কী প্রয়োজন?

প্রয়োজন একটি Integrated Shariah-Ethics Governance Model—যেখানে শরিয়াহ বিশেষজ্ঞকে সমস্যা দেখা দেওয়ার পর শুধু ফতোয়া প্রদানের জন্য ডাকা হবে না; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের শুরু থেকেই তিনি Ethical Decision-Making Ecosystem-এর একজন অবিচ্ছেদ্য সদস্য হিসেবে যুক্ত থাকবেন।

প্রস্তাবিত কাঠামো:
Real Facts → Ethical Identification → Multidisciplinary Deliberation → Shariah Analysis → Integrated Recommendation → Policy / Implementation
অর্থাৎ
প্রকৃত তথ্য → নৈতিক প্রশ্ন শনাক্তকরণ → বহুবিষয়ক আলোচনা → শরিয়াহ বিশ্লেষণ → সমন্বিত সুপারিশ → নীতিমালা/বাস্তবায়ন

এখানে Islamic Jurisconsult বা শরীয়াহ কনসালটেন্ট-এর ভূমিকা শুধু “ফতোয়া প্রদানকারী” হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং তিনি বিশেষজ্ঞ প‍্যানেল, প্রাক্টিক‍্যাল, টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ এবং প্রশাসন ও ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে Shariah-Ethics Governance-এর অংশীদার হবেন।

এটি শুধু একটি নতুন প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি একটি Fundamental Governance Shift
From:
“সমস্যা হলে মুফতির কাছে ফতোয়া”
To:
“সিদ্ধান্ত গ্রহণের শুরু থেকেই শরিয়াহভিত্তিক নৈতিক দিকনির্দেশনা”

অর্থাৎ
ফতোয়া শুধু সমস্যার শেষ ধাপ নয়; বরং শরিয়াহভিত্তিক নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ।

একটি Shariah-Compliant System গড়ে তুলতে হলে শরিয়াহকে কেবল case-by-case advisory service হিসেবে নয়, বরং Institutional Ethics & Governance Framework-এর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

M***i Masum Billah
Chairman
| Shariah Advisory & Research Council
Integrating Shariah, Ethics & Professional Excellence

www.sarcbd.com
[email protected]


فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ﴾ [الأنبياء: 21:7]﴿

07/08/2026

Address

4th Floor, House: 2, Road: 6, Block: F, Mirpur/1
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SARC - Shariah Advisory and Research Council posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share