04/08/2025
আওয়ামিলীগ ক্ষমতাই গেলে চুরি করে।
বিএনপি ক্ষমতাই যাওয়ার আগে চুরি করে।
জামায়াত ক্ষমতাই কোন দিন যায়নি, তবে যে সকল জায়গায় ক্ষমতাই গেছে সেখানে আর দ্বিতীয়বার সুযোগ পাইনি কেনো?
রাগ করার কিছুই নাই....
আওয়ামিলীগ মুক্তিযুদ্ধো
বিএনপি গনতন্ত্রের জাতীয়তাবাদ
এনসিপি জুলাই
জামায়াত ইসলাম ব্যবহার করে।
যে যে দল করে সে সেই দল কাঁনা। ভালো মন্দ বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
জামায়াত সংগঠন ভদ্রতা শিক্ষা দিয়ে থাকে। তাদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা যা ইসলামের ভাষায় "মিজান".... ইসলামে বিচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধরা হলেও এটা জামায়াত ইসলাম কিভাবে নিচ্ছে?
দেশের ক্ষমতাই না গেলেও অনেক সময় এমপি/মেয়র/চেয়ারম্যান/কমিশনার হিসবে নির্বাচিতো হয়েছে জামায়াত নেতারা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একবার নির্বাচিতো হলে পরেরবার আর নির্বাচিতো হয়নি। কারণ অনুসন্ধানে দেখা গেছে নির্বাচিতো প্রতিনিধি শুধু নিজ অথবা নিজ দলের সদস্য ছাড়া কাওকে কোন সেবা দেইনাই। মিষ্টি কথা দিয়েই জনগনের সেবা শেষ করে।
জামায়াত ইসলামের নেতারা যেমনি হোক, এর সমর্থকরা ভালো গুনের হয়ে থাকে এবং সম্মানি।
এমন একজন সম্মানি প্রতিনিধির মতানুসারে এমন দল তারা চাইনি, যারা সুযোগ পেয়ে বড় বড় ব্যাগ নিয়ে প্রস্তুত থাকে।
একজন আমির নিজ মুখেই শিকার করলো " আমি জান্নাতের আশায় এই দল করি, কারো হক নষ্ট না হয় সেই দিকে খিয়াল রাখি। আমি একা সব সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা কিন্ত এমন হবে ক্ষমতায় যাওয়ার আগে এটা ভাবিনি।" তিনি এটাও বলেন "আমি মুসলিম হিসেবে পাকিস্তানকে ভালো বাসি, সব মুসলিম দেশকেই ভালবাসি কিন্তু মুক্তিযোদ্ধ ও ঐ সময়ে বাংলাদেশের উপর নির্যাতনকারীদের ঘৃনা করি। সেটা ছিলো স্বার্থের ও রাজনৈতিক কারনে কিছু অপশক্তির লড়ায়। সেটা কোন ইসলামিক লড়াই নই।"
অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নই।
বিএনপি ক্ষমতাই থাকা অবস্থায় কে বা কারা বিরোধী দল আওয়ামিলীগ নেতাদের উপর জীবন নেওয়ার হামলা দেশের সৈরাচারিতার সৃষ্টি করেছে বলে মনে করি।
যদি কেউ দেখে যে তার জীবন নিতে পারে, তখন সে চেষ্টা করবেই তার আগে বিপরীত পক্ষের জীবন নিতে। সেটাই হয়েছে দেশে যা এখনো চলছে।
আওয়ামিলীগ ক্ষমতাই এসে সব দলের জীবনের হুমকি হতে শুরু করেছিলো। ওলিকে গলিতে টেকাই তৈরি করে শাসন শুরু করেছিলো স্থানিয় নেতারা। জনগন অতিষ্ট হয়ে গেছিলো। তাই এমন পতনের দিন দেখতে হয়েছিলো। বিএনপি জামায়াত নির্বাচনে না আসলেও তারা নিজেরাই ভাগ হয়ে দিনে দুপুরে জোর করে ভোট চুরি করেছিলো ইচ্ছে মত।
অতিরিক্ত বাড়ের কারনে আওয়ামিলীগ অনেক নেতাই তাদের পতনের কামনা করতো।
৫ আগষ্টের পর অনেকেই ভেবেছিলো জামায়াত ইসলামকে একবার সুযোগ দিবে। কিন্তু জামায়াত ইসলাম পিছন থেকে বর্তমানের ক্ষমতার অপব্যবহার দেখে মানুষের মত পালটে গেছে। যত দিন যাচ্ছে ততই পুরনা ঘাঁয়ের ব্যাথা ভুলে নতুন ঘাঁয়ে ব্যাপারে চিন্তা করছে। প্রায় সব সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সভাপতির অবস্থান, দপ্তর প্রধান সহ নিয়োগ সুপারিশ, পদন্নোতি ও পোষ্ট পোষ্টিং ব্যবসা সহ বিভিন্ন ব্যবসা দখল দেখে মানুষ হতাশ। জামায়াতের এমন কিছু নেতার কারনে আজ জামায়াতের নিজ দলের সদস্যরাই মুখ ফেরৎ নিচ্ছে কিন্তু প্রকাশ করার ভয়ে আছে।
বিএনপি আওয়ামিলীগের দখলে থাকা সব নিজেরা দখলে নিতে ব্যস্তো। অনেক জায়গায় বিএনপি জামায়াতের নেতাদের নেতাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। জাতে মাতাল তালে ঠিক বিএনপির নেতাদের দিয়ে আওয়ামিলীগ নেতাদের তাড়ানি দেওয়াচ্ছে জামায়াত। অন্য দিকে জামায়াত নেতারা আওয়ামিলীগ নেতাদের সুযোগ দিয়ে ভোটের মাঠ ঠিক রাখছে।
যখন কোন অপকর্মের সুপারিশ আসছে তখন জামায়াত নেতারা পাঠিয়ে দিচ্ছে বিএনপির নেতাদের কাছে.... এতে জনগনের কাছে খারাপ হচ্ছে বিএনপি।
এনসিপি জামায়াতের একটি অংশ, যাকে ব্যবহার করে আওয়ামিলীগের বিচার ও জনগনের কাছে বিএনপিকে খারাপ করতে হবে। ঠিক যেমন মুক্তমঞ্চ ব্যবহার করে জামায়াত নেতাদের ফাঁসির ব্যবস্থা করে ডাঃ ইমরানকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এনসিপির ছোট ছোট বয়সের ছেলেদের হাতে ক্ষমতা ও অর্থ দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে.... এমন বয়সে ক্ষমতা টাকা থাকলে সবাই নতুন নতুন প্রেমে ব্যস্তো থাকার কথা.... যার সকল তথ্য সংগ্রহে রাখছে অন্য দল।
ঠান্ডা থাকা দলটা নিজে ক্ষমতাই আছে বলেই নির্বাচন চাইনা। ২০২৬ সালে নির্বাচনের কোন ইচ্ছে নেই তাদের৷ নির্বচনের সময় আগিয়ে আসলে কোন একটা ইসু তৈরি করে এনসিপিকে রাস্তাই নামাতে হবে এমন পরিকল্পনা করে রেখেছে।
একটু কিছু বলেই বিএনপিকে দেশ ছাড়ার হুমকি সহ নিষিদ্ধকরণ দাবী করে এই দলটি। ১৯৭১ পুরো পুরি মুছে দিতে চাওয়া এই দলটির বড় ভুল। মানুষ কিছুই বলেনা কারন প্রতিবাদের ভাষা গত ১৫ বছর ধরে হারিয়ে আছে কিন্তু ১৯৭১ কে সম্মান করতে না জানা এই যোদ্ধাদের সম্মান হারাচ্ছে।
সেই দলটি ভুলে গেছে, যদি কোন কারনে বিএনপি ও আওয়ামিলীগ ১৯৭১ সালের সম্মানে এক হয় তবে কি হতে পারে তাদের অবস্থা।
তাই অনুরোধ, নতুন সুযোগ পেয়েছেন নতুন ভাবে সকলের নেতা হতে শিখেন৷ বাংলাদেশের জন্ম ১৯৭১, জন্মকে অসম্মান করে নিজেরা সম্মান পাবেন না। সুন্দর দেশ গড়ার চেষ্টা করেন।
আজ একবছর পুরন হলো, নিজেদের ভুল গুলো খুজেন এবং সংশোধন করেন। জনগনের জন্য করেন।