20/05/2026
ইসলাম কখনো মুসলমানকে হাত পেতে চলার শিক্ষা দেয়নি; বরং সম্মান, আত্মমর্যাদা ও হালাল উপার্জনের শিক্ষা দিয়েছে।
একজন মুমিনের পরিচয় হলো—সে নিজে উপার্জন করবে, পরিবারকে দেখবে এবং নিজের সম্পদ দিয়ে মানুষের উপকার করবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
“সালাত কায়েম করো এবং যাকাত আদায় করো।” — Al-Qur’an ২:৪৩
এখানে আল্লাহ “যাকাত গ্রহণ করো” বলেননি, বরং “যাকাত দাও” বলেছেন। অর্থাৎ ইসলাম চায় মুসলমান এমন অবস্থানে পৌঁছাক, যেন সে দানকারী হয়, সহযোগী হয়, উম্মাহর জন্য উপকারের কারণ হয়।
আমাদের প্রিয় নবী Muhammad ﷺ নিজেও ব্যবসা করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের অনেকেই ছিলেন সফল ব্যবসায়ী। Uthman ibn Affan রাদিয়াল্লাহু আনহু ও Abdur Rahman ibn Awf রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁদের উপার্জিত সম্পদ দ্বীনের খেদমত, গরিব মানুষের সহায়তা এবং উম্মাহর কল্যাণে ব্যয় করেছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
“আল্লাহ মুমিনদের থেকে তাদের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে।” — Al-Qur’an ৯:১১১
দ্বীনের খেদমতে যেমন ইলম প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন হালাল সম্পদও। মসজিদ, মাদরাসা, এতিম, অসহায় মানুষ—সবখানেই প্রয়োজন সৎ উপার্জনের।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“উপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম।” — Sahih al-Bukhari
অর্থাৎ দানকারী হাত গ্রহণকারীর চেয়ে উত্তম। তাই আলেমদেরও উচিত—উম্মাহর মাঝে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা, যেখানে ইলমের পাশাপাশি থাকবে আত্মমর্যাদা, হালাল উপার্জন ও মানুষের উপকার।
সম্পদ খারাপ নয়, হারাম সম্পদ খারাপ। হালালভাবে উপার্জিত সম্পদ যখন দ্বীন, মানবতা ও সমাজের কল্যাণে ব্যয় হয়—তখন সেটিও ইবাদত হয়ে যায়।
আজ সময়ের দাবি হলো—ওলামায়ে কেরাম ইলমের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, উদ্যোক্তা মনোভাব ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার দিকেও এগিয়ে আসবেন। কারণ শক্তিশালী মুমিনই সমাজ ও উম্মাহর জন্য বেশি উপকারী।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল রিযিক দান করুন এবং সেই রিযিক দ্বীনের খেদমতে ব্যয় করার তাওফিক দিন।
আমিন 🤍
২০/০৫/২০২৬
Eng. Abdullah Al Mamun
Board of Director : Iconic Unity Group
Vice-Chairman, Iconic Greenland Ltd.
Managing Director, Iconic Global Travel Ltd.