Bochila Trade Associates

Bochila Trade Associates It's a trade centre where all kind of land's problem be solved with honesty.....

⛔আর সময় নভেম্বর মাসটাই......✔️যারা (TIN) টিন সার্টিফিকেট করছেন,কাজের জন্য বা শখের বশে! ট্যাক্সেবল ইনকাম থাকুক বা না থাকু...
06/11/2022

⛔আর সময় নভেম্বর মাসটাই......✔️

যারা (TIN) টিন সার্টিফিকেট করছেন,কাজের জন্য বা শখের বশে! ট্যাক্সেবল ইনকাম থাকুক বা না থাকুক ২০২২-২০২৩ রিটার্ন জমা দিন, সরকার ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে,না হলে জরিমানার সমমুখীন হবেন!

বিঃদ্রঃ - ৩০ নভেম্বর ২০২২ , Income Tax Filing এর শেষ সময়। এই সময়ের মধ্যে আপনার ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিশন সম্পন্ন করুন, অন্যথায় জরিমানার সম্মুখীন হবেন। সম্মানিত করদাতা,
আপনার এবারের আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে নিচের ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে জমা দিন

চাকরি/বেতন খাতে আয়ের তথ্য :
1. সেলারি সার্টিফিকেট ;
2. সেলারির বিপরীতে কর্তনকৃত টিডিএস -এর প্রত্যয়নপত্র;
3. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (from 01-07-2021 to 30-06-2022);
4. Provident Fund info/GPF Balance Sheet. (if any)

ব্যবসা/পেশা খাতে আয়ের তথ্য:
5. ট্রেড লাইসেন্স;
6. ব্যবসার নামীয় ব্যাংক স্টেটমেন্ট;
7. ব্যবসার নামে লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;
8. ব্যবসা আয়ের উপর অগ্রীম আয়কর (AIT) বা উৎসে কর কর্তন (TDS) থাকলে অগ্রীম আয়কর বা উৎসে করের প্রত্যয়নপত্র ও চালানের কপি;
9. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী;
10. মূল্যসহ ব্যবসার সম্পদের তালিকা (Fixture, Furniture, Equipment & Machinarie etc.);

বিনিয়োগ ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট তথ্য:
11. জীবন বীমা করা থাকলে প্রিমিয়াম প্রদানের রসিদ;
12. ডিপিএস করা থাকলে ডিপিএস স্টেটমেন্ট;
13. পূর্বের কোন ডিপিএস এনক্যাশ বা নগদায়ন করে থাকলে নগদায়ন প্রত্যয়নপত্র বা এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট ;
14. এফডিআর করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ও ইন্টারেস্ট প্রাপ্তির প্রত্যয়নপত্র;
15. শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ থাকলে ব্রোকার হাউস থেকে বিনিয়োগ প্রত্যয়নপত্র ও পোর্টফলিও -র কপি;
16. সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ;
17. সঞ্চয়পত্রের ইন্টারেস্ট প্রাপ্তি ও তার বিপরীতে টিডিএস কর্তনের প্রত্যয়নপত্র;

গৃহ-সম্পত্তি হতে আয়ের তথ্য:
18. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান ভাড়া দিয়ে আয় থাকলে ভাড়ার চুক্তিপত্রের কপি ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিন;
19. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান এর পৌর কর বা সিটি কর্পোরেশন কর প্রদানের রসিদ;
20. হাউজ লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;

বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের তথ্য:
21. বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের সপক্ষে ব্যাংক সার্টিফিকেট বা এফএমজে ফরম/বৈদেশিক মুদ্রা ঘোষণা ফরম এর কপি; (মনে রাখবেন, বৈদেশিক আয় করমুক্ত হতে হলে তা আপনার নিজের আয় হতে হবে এবং প্রপার চ্যানেলে আসতে হবে);

সম্পদ ও দায় সংক্রান্ত তথ্য:
22. এ বছর আপনার নামে কোন জমি/ফ্ল্যাট/বাড়ি/গাড়ি ক্রয় করে থাকলে তার দলিলের কপি;
23. এ বছর আপনার কোন জমি/ফ্ল্যাট/বাড়ি/গাড়ি বিক্রি করে থাকলে বিক্রয় দলিলের কপি ও উৎসে কর্তনের কপি;
24. বাড়ি/ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন থাকলে নির্মাণ বিনিয়োগের পরিমাণ;
25. আপনার নামে গাড়ি থাকলে পারসোনাল ট্যাক্স টোকেনের কপি;
26. আপনার ব্যাংক লোন থাকলে লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট ;
27. ডেভেলপার কোম্পানিকে দিয়ে বাড়ি নির্মাণকালে সাইনিং মানি পেয়ে থাকলে তার ডকুমেন্ট;
28. ব্যক্তিগত লোন ৫ লাখ টাকার বেশি হলে এর সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ;
29. পরিবারের কারো কাছ থেকে কোন দান গ্রহণ করলে বা কাউকে দান করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ; আর টাকা দান হলে তার সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ;
30. এছাড়াও আপনার অন্য কোন আয় থাকলে তার ডকুমেন্ট দিন;

বি:দ্র: সকল স্টেটমেন্ট/প্রত্যয়নপত্রের সময়কাল হবে ০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২ইং পর্যন্ত।

অন্যান্য তথ্যাবলি:
31. আপনি এ বছর নতুন করদাতা হলে আপনার এনআইডি-র ফটোকপি, টিআইএন সার্টিফিকেট, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এড্রেস ও এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
32. আপনি পুরাতন করদাতা হলে গত বছরে দাখিলকৃত রিটার্ন এর কপি লাগবে; (গত বছর আমরা কাজ করে থাকলে আমাদের কাছে রিটার্নের কপি আছে) ;
33. আপনার আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্য সংখ্যা ও তাদের বয়স।

দৃষ্টি আকর্ষণ: যথাযথ কর পরিগণনার জন্য আপনার সকল কাগজপত্র একত্রে দিন। ১৫ নভেম্বরের পরে দিলে আপনার রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় নেয়া লাগতে পারে। মনে রাখবেন, এবার ৩০ নভেম্বরের পরে রিটার্ন দাখিল করলে আইনানুযায়ী পূর্ণ কর রেয়াত পাবেন না। অর্ধেক রেয়াত পাবেন এবং ২% বিলম্ব ফি দিতে হবে।

দৈনিক জনকণ্ঠ || Daily Janakanthaজাতীয় প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলামের সাক্ষাতকারড্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই উন্নত দেশ বিন...
29/09/2022

দৈনিক জনকণ্ঠ || Daily Janakantha
জাতীয়
প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলামের সাক্ষাতকার
ড্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই উন্নত দেশ বিনির্মাণ সম্ভব
-
প্রকাশিত: ২৩:১৭, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

ড্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই উন্নত দেশ বিনির্মাণ সম্ভব
আশরাফুল ইসলামের সাক্ষাতকার

ঢাকাকে কার্যকরী ও বাসযোগ্য মহানগরী হিসাবে গড়ে তুলতে প্রণয়ন করা হয়েছে ড্যাপ বা ঢাকা বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়ন প্রস্তাবনার কার্যকর সমন্বয়ের জন্য ‘নগর সরকার’ প্রতিষ্ঠা করা অতীব জরুরী। সেই আলোকে পরিকল্পনায় ‘মহানগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়েছে।
ড্যাপের মহাপরিকল্পনায় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তের সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থার লক্ষ্যে পরিকল্পনায় মোট ৫৮টি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় সাশ্রয়ী আবাসন পদ্ধতিতে স্বল্প আয়ের মানুষেরা সাধ্যের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী কিস্তি প্রদানের মাধ্যমে নিজস্ব আবাসের মালিক হওয়ার সুযোগ পাবেন।

এছাড়া ড্যাপে ব্লকভিত্তিক আবাসন পদ্ধতিকে বিভিন্ন প্রণোদনার মাধ্যমে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। এই নীতিমালা কার্যকর হলে কিছু জায়গা উন্মুক্ত স্থান রাখার শর্তে স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে বেশি উচ্চতার ইমারত নির্মাণ করা যাবে। পরিবেশবান্ধব শহর তৈরির লক্ষ্যে পরিকল্পনায় পাঁচটি বৃহৎ আঞ্চলিক পার্কের প্রস্তাবনা করা হয়েছে। এছাড়া ৫৫টি জলকেন্দ্রিক পার্ক, ১৩টি বৃহৎ ইকোপার্ক (ভাওয়াল বনসহ) এবং ১৩টি অন্যান্য পার্ক এবং খেলার মাঠ নির্মাণের প্রস্তাবনা করা হয়েছে।

সড়কপথ, নৌপথ এবং রেলপথকে গুরুত্ব দিয়ে এই সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে ঢাকার চারদিকে মোট ১৩টি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এবং ২টি ট্র্যাক টার্মিনালের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ড্যাপ বাস্তবায়ন নিয়ে দৈনিক জনকণ্ঠের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)’র প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলছেন, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা কৌশলের যে সকল প্রস্তাবনা ড্যাপে দেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই ২০৪১ এর উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভবপর হবে। গত ২৩ আগস্ট ড্যাপের গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। সাক্ষাতকারটি নিয়েছে জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার ইবরাহীম মাহমুদ আকাশ

নতুন অ‌ফিস এর রং করার প‌রে ই‌লেক্ট্রিক ওয়া‌রিং‌  এর কাজ সম্পন্ন হল, , , ,
15/07/2022

নতুন অ‌ফিস এর রং করার প‌রে ই‌লেক্ট্রিক ওয়া‌রিং‌ এর কাজ সম্পন্ন হল, , , ,

প‌্যারার আ‌রেক নাম ক‌মিশন রে‌জিস্ট্রী। সেটা য‌দি হয় অ‌ফিস + পার্সেনাল তাহ‌লে তো Preassure আরও দ্বিগুন।
09/06/2022

প‌্যারার আ‌রেক নাম ক‌মিশন রে‌জিস্ট্রী। সেটা য‌দি হয় অ‌ফিস + পার্সেনাল তাহ‌লে তো Preassure আরও দ্বিগুন।

*****খুব গুরুত্বপূর্ণ জানা খুব জরুরী*****০১= মৌজা 👉 গ্রাম।০২= জে.এল.নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।০৩= ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।০৪= ...
22/05/2022

*****খুব গুরুত্বপূর্ণ জানা খুব জরুরী*****

০১= মৌজা 👉 গ্রাম।
০২= জে.এল.নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
০৩= ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।
০৪= খং 👉 খতিয়ান।
০৫= সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুঝায়
০৬= হাল 👉 বর্তমান।
০৭= বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
০৮= নিং 👉 নিরক্ষর।
০৯= গং 👉 আরো অংশীদার আছে।
১০= সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।

১১= তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।
১২= সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩= এজমালী 👉 যৌথ।
১৪= মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।
১৫= পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬= বাস্তু 👉 বসত ভিটা।
১৭= বাটোয়ারা 👉 বন্টন।
১৮= বায়া 👉 বিক্রেতা।
১৯= মং 👉 মবলগ/মোট
২০= মবলক 👉 মোট।

২১= এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।
২২= হিস্যা 👉 অংশ।
২৩= একুনে 👉 যোগফল।
২৪= জরিপ 👉 পরিমাণ।
২৫= এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।
২৬= চৌহদ্দি 👉 সীমানা।
২৭= সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।
২৮= দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।
২৯= নকশা 👉 ম্যাপ।
৩০=নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১= নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২= পিং 👉 পিতা।
৩৩= জং 👉 স্বামী।
৩৪= দাগ নং 👉 জমির নম্বর।
৩৫= এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।
৩৬= স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।
৩৭= সমূদয় 👉 সব কিছু।
৩৮= ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৩৯= পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।
৪০= বিং 👉 বিস্তারিত।

৪১= দং 👉 দখলকার।
৪২= পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৩= বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৪= মওকুফ 👉 মাফ।
৪৫= দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।
৪৬= হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
৪৭= বাটা দাগ 👉 বাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
৪৮= অধুনা 👉 বর্তমান।
৪৯= রোক 👉 নগদ।
৫০= ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১= দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
৫২= দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫৩= তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫৪= খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
৫৫= খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল. নং, বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৬= জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৭= এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৮= অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি নিতে হয়, হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৯= তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।
৬০= নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১= অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৬২= আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬৩= আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমলনামা বলে।
৬৪= আসলি 👉 মূল ভূমি।
৬৫= আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।
৬৬= ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
৬৭= ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।
৬৮= ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।
৬৯= এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৭০= ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১= কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৭২= কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার জরিপ
৭৩= কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭৪= কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭৫= কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে কবুলিয়ত বলে। কবুলিয়ত নানান প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়ত।
৭৬= কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৭= কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।
৭৮= কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৯= কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।
৮০= কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।

৮১= খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৮২= খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮৩= খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮৪= খিরাজ 👉 কর, খাজনা।
৮৫= খানে খোদাঃ মসজিদ।
৮৬= খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৭= গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।
৮৮= গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।
৮৯= গির্বিঃ বন্ধক।
৯০= চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।

৯১= জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।
৯২= চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯৩= চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।
৯৪= চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।
৯৫= চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৬= চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৭= জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।
৯৮= জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৯= জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
১০০= জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।

১০১= জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
১০২= জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।
১০৩= টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০৪= টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।
১০৫= ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৬= ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৭= তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
১০৮= তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৯= তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।
১১০= তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১= তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
১১২= তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১৩= তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১৪= তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।
১১৫= তরতিব 👉 শৃংখলা।
১১৬= তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।
১১৭= দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৮= দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।
১১৯= দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১২০= দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১= দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১২২= দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়, তাহাকে দাগ নম্বর বলে।
১২৩= দরবস্ত 👉 সমুদয়।
১২৪= নথি 👉 রেকর্ড।
১২৫= দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৬= দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৭= দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী এক প্রকার প্রজা।
১২৮= নকশা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৯= নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।
১৩০= নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতের মোট জমি হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির ১৬ আনা জোতের জমির হার অনুসারে জমি ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমি সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জমা খারিজ বলে।

🍁 Copy Post 🍁

17/04/2022
ভূমি রাজস্ব আদালতে অনলাইন শুনানি শুরুপৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে ভূমি মামলার শুনানিতে অংশ নেওয়া যাবে(ঢাকা, বুধবার, ০৯ জুন ...
10/06/2021

ভূমি রাজস্ব আদালতে অনলাইন শুনানি শুরু
পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে ভূমি মামলার শুনানিতে অংশ নেওয়া যাবে

(ঢাকা, বুধবার, ০৯ জুন ২০২১) আজ বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভূমি রাজস্ব বিষয়ক আদালতে অনলাইন শুনানি ব্যবস্থা চালুর উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এমপি ।

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এ সময় বলেন হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা এখন আর কেবল স্লোগান নয়, বাস্তবতা। ভূমি রাজস্ব বিষয়ক আদালতে অনলাইন শুনানি ব্যবস্থা চালুর ফলে মানুষের হয়রানি ও ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি সময় সাশ্রয় নিশ্চিত করা যাবে।

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, দক্ষ, স্বচ্ছ, জবাবদিহি ও জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার অভিলক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ও টেকসই ভূমি রাজস্ব বিষয়ক বিচারিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই অনলাইন শুনানি ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ঘরে বসেই ভূমি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন দেশের নাগরিকরা।

এসময় সবাইকে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে রেজিস্ট্রেশন করার আহবান জানিয়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন খুব শীঘ্রই অনলাইনে এলডি ট্যাক্স সিস্টেম সহ আরও বেশ কিছু ভূমিসেবা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। তিনি এ সময় বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর ফল আজকের বাস্তবের ডিজিটাল বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ভূমি সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ জানান, এনআইডি নম্বর ও মোবাইল ভ্যারিফিকেশন-এর মাধ্যমে মামলার শুনানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া ভূমিমন্ত্রী পরিকল্পনা অনুযায়ী ভূমি সেবা দেওয়ার জন্য সারা দেশে বিভিন্ন শপিং মল, স্টেশন সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দ্রুত কিয়স্ক বুথ স্থাপনে কথা জানান তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা কামাল, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ তসলীমুল ইসলাম এনডিসি, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার দাস, মুহাম্মদ সালেহউদ্দীন সহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এছাড়া বাংলাদেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় অংশীজন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাঠ পর্যায়ে ভূমি আদালতে অনলাইন শুনানির ইতিবাচক প্রভাবের ব্যাপারে তাঁদের আশার কথা ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ও টেকসই ভূমি রাজস্ব বিষয়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই ভূমি সংক্রান্ত আদালতগুলোর বিচারিক কাজে অনলাইন শুনানি চালু করেছে সরকার। এ সম্পর্কিত একটি পরিপত্র জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ১১ নং আইন) অনুসরণ করে দেশের সকল ভূমি রাজস্ব বিষয়ক আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে বিদ্যমান ব্যবস্থার পাশাপাশি অনলাইন শুনানি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই সেবা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন - এই তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া অবশিষ্ট ৬১ জেলায় শুরু হচ্ছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) কর্তৃক পরিচালিত ভূমি রাজস্ব বিষয়ক, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার ও সেটেলমেন্ট অফিসার কর্তৃক পরিচালিত সেটেলমেন্ট/জরিপ সংক্রান্ত, ভূমি আপীল বোর্ড (চেয়ারম্যান ও সদস্য) পরিচালিত আপিল সংশ্লিষ্ট এসব কোয়াসি জুডিশিয়াল আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে অনলাইন শুনানি চালু করা হয়েছে।

নামজারি, জমাভাগ, বিবিধ মামলা, সেটেলমেন্ট, রেকর্ড সংশোধন, আপত্তি, আপিল ইত্যাদি ধরনের মামলা অনলাইনে শুনানি কার্যক্রমর অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অনলাইনে শুনানি ব্যবস্থাপনা কাঠামোর ওয়েবসাইট এড্রেস: https://land.gov.bd/ । এই ওয়েবসাইটে গিয়ে একজন নাগরিক তাঁর প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে মামলা শুনানির জন্য অনুরোধ করতে পারবেন ।

Online hearing in the Land Revenue Court set in
Anyone can attend case hearing from anywhere

Land Minister Saifuzzaman Chowdhury, MP, inaugurated the online hearing system of the Land Revenue Court in the conference room of the land ministry on Wednesday, today.

Land Minister Saifuzzaman Chowdhury said at the time that 'Land service in the palm of hand' is no longer just a slogan but a reality. The introduction of online hearing system in the Land Revenue Court will reduce harassment and suffering of the people as well as save time.

The land minister also said that the online hearing system has been set up to build a technology-based modern and sustainable land revenue judicial system keeping in view the objective of an efficient, transparent, accountable, and people-oriented land management system. As a result, the fellow citizens will be able to take part in the hearing of the land case sitting at home.

Saifuzzaman Chowdhury called upon all to register to pay land development tax online and hoped that Hon'ble Prime Minister Sheikh Hasina would officially inaugurate several more land services including an online LD tax system soon. He said at the time, the result of the 'Digital Bangladesh' of the 2008 election manifesto is today's real Digital Bangladesh.

Chair of the program Land Secretary Md Mustafizur Rahman PAA said the security of the case hearing will be ensured through NID number and mobile verification. He also said that Kiosks (booths) will be set up at various important places including shopping malls and stations across the country to provide land service as per the plan of the land minister.

Land Appeal Board Chairman Md. Mashiur Rahman, Land Reforms Board Chairman Md Mostafa Kamal, Director General of Land Record and Survey Department Md. Taslimul Islam NDC, Additional Secretary of the Ministry of Land Pradip Kumar Das, and Muhammad Salehuddin were present among others.

All Divisional Commissioners and Deputy Commissioners of Bangladesh and local stakeholders participated in the inaugural function through video conferencing. At the time, the Deputy Commissioner of Chapainawabganj and the President of the Chapainawabganj District Bar Association expressed their hope for the positive impact of the online hearing in the land court at the field level.

It is to be noted that the government has introduced online hearings in the judicial procedure of land courts to build a modern and sustainable land revenue system based on technology. The Ministry of Land has issued a circular in this regard. Necessary steps have been taken to ensure online hearings in addition to the existing system in the judicial proceedings of all land revenue courts in the country by following the Use of Information Technology by Court Act, 2020 (Act No. 11 of 2020). The service is being rolled out in the 61 districts of the country except in Bandarban, Rangamati & Khagrachhari Hill districts.

Land revenue related court conducted by the Assistant Commissioner (Land), Additional Deputy Commissioner (Revenue) and Additional Divisional Commissioner (Revenue), Settlement / survey related court conducted by Assistant Settlement Officer and Settlement Officer, Appellate related court conducted by Land Appeal Board (Chairman and members) -- Online hearings have been introduced in the judicial proceedings of these quasi-judicial courts.

Cases such as Mutation, Consolidation/separation of holding, miscellaneous cases, settlement, record correction, objections, appeals, etc. will be included in the online hearing procedure. Online hearing management framework website address is: https://land.gov.bd/ . By visiting this website, a citizen can request an online hearing by providing the necessary information.

যথাযথ স্বাস্থ‌বি‌ধি মে‌নে কার্যক্রম শুরু হ‌তে যা‌চ্ছে আগামী কাল থে‌কে । ত‌বে প‌রিসর নিয়ন্ত্রন থাক‌তে পা‌রে স্থানীয় অ‌ফি‌...
16/05/2021

যথাযথ স্বাস্থ‌বি‌ধি মে‌নে কার্যক্রম শুরু হ‌তে যা‌চ্ছে আগামী কাল থে‌কে । ত‌বে প‌রিসর নিয়ন্ত্রন থাক‌তে পা‌রে স্থানীয় অ‌ফি‌সে। তাই রে‌জি‌ষ্ট্রেশনের জন‌্য পূ‌র্বেই প্রস্তু‌তি রাখা ভাল।

Address

31/2 Bochila, MD. Pur
Dhaka
1207

Telephone

+8801919524878

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bochila Trade Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share