05/09/2024
জাতীয় সংগীত নিয়ে টানা হ্যাঁচড়া হচ্ছে। ব্যাপারটা আমার ভাল লাগছে না। নেট থেকে কিছু তথ্য পেলাম।
স্বাধীন হওয়ার আগেই রচিত হয়েছে ১১ টি দেশের জাতীয় সংগীত। তারমধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, ইসরায়েল, আলজেরিয়া, ভিয়েতনাম, মোজাম্বিক, জাম্বিয়া, সাউথ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ে।
১২ দেশের জাতীয় সংগীত লিখেছেন ভিনদেশী কবি। এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ তার মধ্যে রয়েছে। অবশ্য ভারতের জাতীয় সংগীত লেখা হয় ১৯১১ সালে যখন বৃটিশ রাজত্ব চলছিল। অন্য দেশগুলি হল বসনিয়া হার্জেগোভিনা, চিলি, সাইপ্রাস, চেক রিপাবলিক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ইসরায়েল, মোজাম্বিক, দক্ষিন আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া এবং জাম্বিয়া।
১০ টি দেশের জাতীয় সংগীত বদলে ফেলা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিন আফ্রিকা, রাশিয়া, জার্মানী, আফগানিস্তান, ইরাক, শ্রীলংকা, মায়ানমার, তুরস্ক, চীন এবং ফ্রান্স।
বাংলাদেশে এমন মানুষ এখনও বেঁচে রয়েছেন যারা তিনটি দেশ পেয়েছেন, তিনটি জাতীয় সংগীত গেয়েছেন। বৃটিশ আমলে "গড সেভ দা কুইন", পাকিস্তান আমলে "পাক সারজামিন সাদ বাদ' এবং বাংলাদেশ আমলে "আমার সোনার বাংলা"।
জন্মের পর থেকে যদি কোন ইহুদীকে আমার মা বলে জানি সেটাই আমার মা। চুয়ান্ন বছর পরে যদি বাবা আমার বায়োলজিক্যাল মুসলমান মাকে সামনে উপস্থিত করেন তার জায়গা আমি একটু দূরেই রাখব। আত্মা আর রক্তের মধ্যে আমার কাছে আত্মার প্রাধান্য বেশী। সরকারী হাসপাতালে গেলে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এক ব্যাগ রক্ত কিনতে পাওয়া যায়। অনুরোধ করলে রক্ত ফ্রিতেও পাওয়া যায়। আত্মা মালটা অর্জনের ব্যাপার।
ভারতীয় হিন্দু কবির লেখা জাতীয় সংগীত বদলানোর পক্ষে যারা বলছেন তাদের জ্ঞাতার্খে বলি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়ন দাসও একজন হিন্দু। ঊনার জন্ম বৃটিশ আমলে, ভারতীয় উপমহাদেশে। আর জাতীয় সংগীতের মর্মবানী নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন তারা নতুন গৌরবর্ণের সুন্দরী মহিলা পেলে পুরোনো কালো খাটো মাকেও বদলে ফেলতে পারবেন বলে আমার ধারণা।