Tune of People

Tune of People We must laugh wholeheartedly and explore the world.

11/02/2026

তুমি কাকে _ ভোট দিবা ? 😊

11/02/2026

Mirza Abbas vs Nasiruddin Patwari ⚔️ 😊😁

11/02/2026

Remembering July Revolution

গণভোটে “হ্যাঁ” দিন।


11/02/2026

আমরা একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করি। নির্বাচনের ফলাফল কার পক্ষে যাবে, তা নয়—বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক হয় এবং জনগণের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়।

এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা যেন সংবিধান ও আইনের আলোকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এবং কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাত থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত থাকে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে ইনসাফ, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হবে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনই পারে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং একটি স্থিতিশীল, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে।

—- নুরনবী ইসলাম।

28/12/2025

বাংলার এক নক্ষত্র

মহান বিজয় দিবসমহান বিজয় দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর এই দিবসটি...
16/12/2025

মহান বিজয় দিবস

মহান বিজয় দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর এই দিবসটি জাতির স্বাধীনতা, আত্মত্যাগ ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য এবং দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। স্বাধীনতার এই সংগ্রামে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদ হন এবং অগণিত মানুষ ত্যাগ ও নির্যাতনের শিকার হন। তাদের অসামান্য আত্মত্যাগের বিনিময়েই জাতি অর্জন করে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।

১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায়। এই বিজয় কেবল একটি সামরিক সাফল্য নয়; এটি ছিল বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়, মর্যাদা এবং ন্যায়সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ ও লালন করে। এসব আয়োজন নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।

মহান বিজয় দিবস আমাদের দায়িত্ববোধ ও জাতীয় চেতনা জাগ্রত করে। স্বাধীনতার প্রকৃত সার্থকতা তখনই নিশ্চিত হবে, যখন ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করা যাবে।

পরিশেষে বলা যায়, মহান বিজয় দিবস কেবল অতীতের স্মৃতি নয়; এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য দিকনির্দেশনা। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার হওয়া উচিত।

এ কেমন রাজনীতি—যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা জীবনসংকটের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়?অসহিষ্ণু ও হিংসাত্মক রাজনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই ও...
12/12/2025

এ কেমন রাজনীতি—যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা জীবনসংকটের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়?
অসহিষ্ণু ও হিংসাত্মক রাজনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই ওসমান হাদীর অগ্রযাত্রা থামাতে সক্ষম নয়।
সত্য, ন্যায় ও সাহসের পথে—আরও অসংখ্য ওসমান হাদী উঠে এসে স্বচ্ছ রাজনীতির দাবিকে আরও শক্তিশালী করবে।

আমরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি—
ওসমান হাদী ভাই দ্রুত আরোগ্য লাভ করে আমাদের মাঝে ফিরে আসুন
এবং সত্য ও নীতির পক্ষে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন।

03/12/2025

🇧🇩 চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দিলে “দেশ বিক্রি হয়”—এই কথার পেছনে লুকানো প্রকৃত স্বার্থ কী?

🔎 বিশ্বব্যাপী তথ্য বলে—বিদেশি অপারেটরে বন্দর পরিচালনা আরও দক্ষ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়।

🔸 বিশ্বের ১০টি ব্যস্ততম বন্দরের মধ্যে ৮টিই বিদেশি/আন্তর্জাতিক বন্দর অপারেটরদের দ্বারা পরিচালিত।
🔸 DP World, PSA, APM Terminals, China Merchants Port, Hutchison Ports—এই ৫টি গ্লোবাল অপারেটরই বর্তমানে বিশ্বের ৬০% কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে।
🔸 যেখানে বিদেশি অপারেটর যুক্ত হয়, সেখানে সাধারণত
• শিপ টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ৩০–৬০% পর্যন্ত কমে,
• কনটেইনার হ্যান্ডলিং স্পিড ২০–৫০% বাড়ে,
• এভিএরেজ লজিস্টিক খরচ ১০–১৫% কমে।



🔰 বাংলাদেশের বাস্তবতা: চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা এখনও আন্তর্জাতিক গড়ের তুলনায় কম

গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী—
• অনেক দেশে ২০–৩০ মিনিটে ১টি কনটেইনার লোড/আনলোড হয়।
• চট্টগ্রামে একই কাজ করতে ১–২ ঘণ্টা লেগে যায়।
• যেখানে আন্তর্জাতিক বন্দরে ২৪/৭ অটোমেশন, চট্টগ্রামে এখনও বেশিরভাগ কাজ ম্যানুয়াল ও ধীরগতির।

এ বিলম্ব প্রতি বছর ব্যবসায়ীদের
➡ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত লস
➡ আমদানিতে বিলম্ব,
➡ রপ্তানিতে ক্ষতি,
➡ শিপমেন্ট মিস
ও ডেমারেজ চার্জ বাড়িয়ে দেয়।



🛑 তবুও আশ্চর্যভাবে—শুধু চট্টগ্রাম বন্দরের একটি টার্মিনাল বিদেশি অপারেটর পেলে “দেশ বিক্রি হয়ে যায়”!

কিন্তু…

▶ বিদেশি অপারেটর দিয়ে বিমানবন্দর, এক্সপ্রেসওয়ে, বিদ্যুৎকেন্দ্র, পারমাণবিক কেন্দ্র হলে দেশ বিক্রি হয় না।

চায়না, জাপান, রাশিয়া—সবাই বাংলাদেশে বড় বড় প্রকল্প করছে।

▶ কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে কিছু গোষ্ঠীর আপত্তি কেন?

কারণ—

🛑 বন্দরের চারপাশে বহু বছর ধরে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকার অনিয়ন্ত্রিত লেনদেন এবং প্রভাব কমে যাবে।

➡ দক্ষতা বাড়লে তাদের “আনঅফিশিয়াল ইনকাম” কমে যাবে।
➡ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা আসলে ঘুষ, বিলম্ব, চাঁদাবাজি কমে যাবে।
➡ বিদেশি অপারেটর এলে তারা আর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে না।

এটাই মূল ভয়।



🌍 আন্তর্জাতিক উদাহরণ: বিদেশি অপারেটর এলে কী হয়?

✔ দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর: DP World পরিচালনার পর মধ্যপ্রাচ্যের নং-১ বন্দর।
✔ সিঙ্গাপুর বন্দর: PSA পরিচালিত—বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ।
✔ কলম্বো বন্দর (শ্রীলঙ্কা): বিদেশি অপারেটর যুক্ত হওয়ার পর ট্রান্সশিপমেন্ট ৩ গুণ বেড়েছে।
✔ ভিয়েতনাম: বিদেশি অপারেটর যুক্ত হওয়ার পর ১০ বছরে বন্দরের দক্ষতা দ্বিগুণ হয়েছে।

এমন কোথাও দেশ বিক্রি হয়নি—বরং দেশ উন্নত হয়েছে।



🔰 তাহলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও কী হওয়া উচিত?

➡ দেশের উন্নয়ন, গ্লোবাল প্রতিযোগিতা ও লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াতে হলে
চট্টগ্রাম বন্দর, ঢাকা–চট্টগ্রামসহ সব বিমানবন্দর ও টার্মিনাল
আন্তর্জাতিক অপারেটরদের দিয়ে পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

➡ এতে দেশের রপ্তানি–আমদানি সময় বাঁচবে, খরচ কমবে, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।



🛑 Bottom Line (সর্বশেষ সত্য)

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দিলে দেশ বিক্রি হয় না—
সিন্ডিকেটের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হওয়ার ভয়েই এর বিরোধিতা বেশি।

Nurnabi Islam Nahi

🔥তিস্তা বাঁচাও: জাতীয় প্রয়োজনে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি…….!“জাগো বাহে, জাগো! আরে কোনঠে সবাই আইসো, তিস্তা ব...
16/10/2025

🔥তিস্তা বাঁচাও: জাতীয় প্রয়োজনে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি…….!

“জাগো বাহে, জাগো! আরে কোনঠে সবাই আইসো, তিস্তা বাঁচাই — অবিলম্বে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।”
এই স্লোগান এখন উত্তরবঙ্গের মানুষের হৃদয়ের আর্তনাদ। বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি এবং শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার পানি শুকিয়ে যাওয়া — কৃষক ও সাধারণ মানুষের জন্য ক্রমবর্ধমান সংকটের সৃষ্টি করছে।

🇧🇩 তিস্তা সংকটের বাস্তব চিত্র

তিস্তা নদী একসময় উত্তরবঙ্গের প্রাণ ছিল। কিন্তু ভারতের সীমান্তবর্তী বাঁধ ও একতরফা পানিবণ্টনের কারণে আজ তিস্তার বুক ফেটে গেছে। বর্ষাকালে ভারত উজানে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেয়, যার ফলে ভয়াবহ বন্যা ও নদীভাঙন ঘটে। আবার শুষ্ক মৌসুমে তারা একফোঁটা পানি পর্যন্ত আটকে রাখে — ফলে তিস্তা নদী প্রায় শুকিয়ে যায়।
এ যেন এক সুপরিকল্পিত চক্রান্ত, যার ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের লাখো কৃষক, জেলে, দিনমজুর ও সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

🏗️ তিস্তা মহাপরিকল্পনা: আশার আলো

বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর লক্ষ্য:
• নদী খনন ও নদীতীর সংরক্ষণ
• সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা কৃষিকাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে — যা হবে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। চীনের সহযোগিতায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নতুন আশার দিগন্ত খুলেছে।

🌏 ভারতের পানির আগ্রাসন রুখতে জাতীয় ঐক্য জরুরি

তিস্তার পানি বণ্টনে ভারতের একতরফা সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী। আমাদের কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের ঐক্যবদ্ধ দাবি এখন অত্যাবশ্যক।
“তিস্তা বাঁচাও” কেবল উত্তরবঙ্গের নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের অস্তিত্বের লড়াই।

✊ জনগণের আন্দোলনই পরিবর্তনের শক্তি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উদ্যোগে তিস্তা ইস্যুতে বৃহৎ গণসমাবেশ আহ্বান সত্যিই সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিস্তা শুধু নদী নয় — এটি আমাদের সংস্কৃতি, কৃষি ও অর্থনীতির শিকড়।

🕊️ উপসংহার

আমরা দাবি জানাই —
• অবিলম্বে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
• ভারতের পানির আগ্রাসন ও চক্রান্ত রুখতে কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
• বর্ষাকালের অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ ও শুষ্ক মৌসুমে পানি ব্যবহারের জন্য চীনা সহযোগিতায় তিস্তা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

“তিস্তা বাঁচাও — বাংলাদেশ বাঁচাও”
এই স্লোগান এখন আমাদের সবার, আমাদের অস্তিত্বের প্রতিধ্বনি।

Nurnabi Islam Nahi

Palestine: The Wounded Conscience of Humanity—————-AbstractThe ongoing tragedy in Palestine stands as one of the most pa...
08/10/2025

Palestine: The Wounded Conscience of Humanity
—————-
Abstract

The ongoing tragedy in Palestine stands as one of the most painful and enduring humanitarian crises of the modern era. This article examines the Palestinian struggle through historical, political, moral, and humanitarian perspectives. It seeks to emphasize the global silence surrounding injustice and to remind the world that peace is impossible without justice and human dignity.



1. Introduction

Palestine — a sacred land revered by history and faith — has become the epicenter of suffering and loss. For over seven decades, the Palestinian people have endured occupation, displacement, and relentless violence. Their struggle transcends political boundaries; it is a fight for survival, identity, and the inalienable right to live in freedom. Today, Palestine reflects a moral question that challenges the conscience of humanity: how long can the world remain silent in the face of injustice?



2. Historical Context

The roots of the Palestinian crisis trace back to 1948, the year of Nakba — “the catastrophe.”
Following the establishment of Israel, more than 700,000 Palestinians were forcibly displaced from their ancestral lands. Decades of occupation, settlement expansion, and systemic marginalization have deepened the wounds of dispossession. For many, Palestine is not merely a geographical entity but a memory of home — a heritage torn apart by political ambition and global indifference.



3. The Humanitarian Perspective

The humanitarian dimension of the Palestinian crisis is both heartbreaking and undeniable.
Children are orphaned before they learn to speak; hospitals and schools are reduced to rubble; families survive without food, clean water, or medical aid. Such conditions represent the systematic violation of fundamental human rights.
International organizations issue statements, yet effective action remains elusive. The silence of global leadership underscores a collective failure of moral responsibility.



4. Political Realities and Global Response

The conflict in Palestine is sustained not only by occupation but by political hypocrisy.
Powerful nations advocate for democracy while enabling oppression through military and diplomatic support. The United Nations’ repeated resolutions have been ignored, turning international law into a hollow concept.
When resistance is branded as “terrorism” and occupation is defended as “self-protection,” the world’s moral compass loses direction. Justice, in such a context, becomes a casualty of politics.



5. Moral and Religious Dimensions

Palestine’s suffering transcends religion — it is a human crisis.
As a land sacred to Muslims, Christians, and Jews alike, it was meant to symbolize peace, not perpetual war.
The steadfastness of the Palestinian people reflects their deep spiritual conviction that resisting oppression is not an act of hatred but of faith and moral duty.
Their endurance reminds the world that faith, when combined with justice, becomes a force stronger than fear.



6. The Path Toward Peace and Justice

Lasting peace in Palestine cannot emerge from temporary ceasefires or unilateral negotiations.
True peace demands justice — the restoration of rights, the end of occupation, and the recognition of Palestinian sovereignty and humanity.
The international community must act beyond rhetorical sympathy and ensure accountability for violations of international law.
Without justice, peace will remain an illusion, and the conscience of the world will remain wounded.



7. Conclusion

Palestine is not merely a territory in conflict; it is a symbol of humanity’s moral crisis.
Despite devastation, the spirit of the Palestinian people remains unbroken.
In their eyes glows a hope that injustice cannot extinguish — the hope for freedom, dignity, and peace.

Palestine stands as both a warning and an inspiration:
a warning of what happens when silence enables tyranny,
and an inspiration to all who believe that justice will, one day, prevail.

Nurnabi Islam Nahi
Date: October 2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tune of People posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share