ESCB, IEB - Capacity Building

ESCB, IEB - Capacity Building Engineering Staff College Bangladesh (ESCB), The Institution of Engineers Bangladesh (IEB), Dhaka

24/03/2026

বাংলাদেশ একটি শক্তি-ঘাটতিপূর্ণ দেশ হলেও এর সমুদ্র অঞ্চলে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকৌশলী শেখ আল আমিন
ভিপি, আইইবি

বাংলাদেশ একটি শক্তি-ঘাটতিপূর্ণ দেশ হলেও এর সমুদ্র অঞ্চলে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের (Bay of Bengal) অফশোর এলাকায় তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, গ্যাস হাইড্রেট, ভারী খনিজ বালি এবং সামুদ্রিক জৈব সম্পদের সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চলছে।
২০১২ সালে আন্তর্জাতিক সালিশের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ হওয়ার পর প্রায় ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা বাংলাদেশের অধীনে আসে, যা নতুন করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
2. Geological Background of Offshore Bangladesh
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলটি মূলত বেঙ্গল বেসিন (Bengal Basin) এর অংশ। এই বেসিন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সেডিমেন্টারি বেসিন যেখানে প্রায় ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পলল স্তর জমা হয়েছে।
এই ধরনের পলল বেসিনে সাধারণত তেল ও গ্যাস জমা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
বাংলাদেশের অফশোর অঞ্চল তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত:
Shallow Offshore Area (০–২০০ মিটার গভীরতা)
Deep Offshore Area (২০০–১০০০ মিটার)
Ultra Deep Sea Area (১০০০ মিটার এর বেশি)
Deep এবং Ultra Deep অঞ্চলে এখনো ব্যাপক অনুসন্ধান হয়নি, ফলে সেখানে বড় গ্যাস বা তেলক্ষেত্র পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
3. Offshore Oil and Gas Exploration History
বাংলাদেশে সমুদ্র অঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয় ১৯৭০ এর দশকে।
প্রধান অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে:
Petrobangla
BAPEX
Chevron
ConocoPhillips
ONGC Videsh
এখন পর্যন্ত সমুদ্র অঞ্চলে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে, যেমন:
Sangu Gas Field
Kutubdia Gas Field
Sangu গ্যাসক্ষেত্র ছিল বাংলাদেশের প্রথম অফশোর গ্যাসক্ষেত্র যা ১৯৯৬ সালে উৎপাদনে আসে।
4. Potential Oil and Gas Resources
বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হাইড্রোকার্বনের সম্ভাবনা রয়েছে।
কিছু সম্ভাব্য অনুমান:
Resource Type
Estimated Potential
Natural Gas
40–100 Trillion Cubic Feet (TCF)
Crude Oil
5–10 Billion Barrels
Gas Hydrate
Significant deposits
Deep Sea অঞ্চলে এখনো পর্যাপ্ত ড্রিলিং না হওয়ায় প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা যায়নি।
5. Gas Hydrate Potential
Gas Hydrate হলো বরফের মতো কঠিন পদার্থ যার মধ্যে প্রচুর মিথেন গ্যাস আটকে থাকে।
বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র অঞ্চলে Gas Hydrate zone থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্যমে এটি একটি বড় জ্বালানি উৎস হতে পারে।
6. Other Marine Natural Resources
6.1 Heavy Mineral Sands
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী খনিজ বালির সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্ভাব্য খনিজ:
Ilmenite
Rutile
Zircon
Magnetite
এই খনিজগুলো ইস্পাত, টাইটানিয়াম এবং ইলেকট্রনিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
6.2 Marine Renewable Energy
সমুদ্র থেকে নবায়নযোগ্য শক্তির সম্ভাবনাও রয়েছে:
Offshore Wind Energy
Tidal Energy
Ocean Thermal Energy
6.3 Marine Biodiversity
বঙ্গোপসাগর মৎস্য সম্পদেও সমৃদ্ধ।
গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ:
Tuna
Shrimp
Marine algae
এগুলো অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারে।
7. Challenges in Offshore Exploration
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলে অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে:
Deep sea drilling technology এর অভাব
উচ্চ বিনিয়োগ প্রয়োজন
আন্তর্জাতিক কোম্পানির সীমিত আগ্রহ
পরিবেশগত ঝুঁকি
দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি
8. Strategic Recommendations
8.1 Accelerate Offshore Bidding Round
নতুন ব্লকগুলো আন্তর্জাতিক কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করা দরকার।
8.2 Strengthen National Capability
BAPEX কে deep sea exploration সক্ষম করতে হবে।
8.3 Advanced Seismic Survey
3D এবং 4D seismic survey বাড়ানো জরুরি।
8.4 Regional Energy Cooperation
বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে যৌথ অনুসন্ধান করতে পারে।
9. Conclusion
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চল তেল, গ্যাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। যথাযথ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে এই সম্পদ আহরণ করা সম্ভব।
Offshore exploration সফল হলে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জন করতে পারবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

প্রকৌশলী শেখ আল আমিন
ভিপি, আইইবি

বাংলাদেশ একটি শক্তি-ঘাটতিপূর্ণ দেশ হলেও এর সমুদ্র অঞ্চলে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকৌশলী শেখ আল আমিন ভ...
24/03/2026

বাংলাদেশ একটি শক্তি-ঘাটতিপূর্ণ দেশ হলেও এর সমুদ্র অঞ্চলে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকৌশলী শেখ আল আমিন
ভিপি, আইইবি

বাংলাদেশ একটি শক্তি-ঘাটতিপূর্ণ দেশ হলেও এর সমুদ্র অঞ্চলে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের (Bay of Bengal) অফশোর এলাকায় তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, গ্যাস হাইড্রেট, ভারী খনিজ বালি এবং সামুদ্রিক জৈব সম্পদের সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চলছে।
২০১২ সালে আন্তর্জাতিক সালিশের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ হওয়ার পর প্রায় ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা বাংলাদেশের অধীনে আসে, যা নতুন করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
2. Geological Background of Offshore Bangladesh
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলটি মূলত বেঙ্গল বেসিন (Bengal Basin) এর অংশ। এই বেসিন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সেডিমেন্টারি বেসিন যেখানে প্রায় ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পলল স্তর জমা হয়েছে।
এই ধরনের পলল বেসিনে সাধারণত তেল ও গ্যাস জমা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
বাংলাদেশের অফশোর অঞ্চল তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত:
Shallow Offshore Area (০–২০০ মিটার গভীরতা)
Deep Offshore Area (২০০–১০০০ মিটার)
Ultra Deep Sea Area (১০০০ মিটার এর বেশি)
Deep এবং Ultra Deep অঞ্চলে এখনো ব্যাপক অনুসন্ধান হয়নি, ফলে সেখানে বড় গ্যাস বা তেলক্ষেত্র পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
3. Offshore Oil and Gas Exploration History
বাংলাদেশে সমুদ্র অঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয় ১৯৭০ এর দশকে।
প্রধান অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে:
Petrobangla
BAPEX
Chevron
ConocoPhillips
ONGC Videsh
এখন পর্যন্ত সমুদ্র অঞ্চলে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে, যেমন:
Sangu Gas Field
Kutubdia Gas Field
Sangu গ্যাসক্ষেত্র ছিল বাংলাদেশের প্রথম অফশোর গ্যাসক্ষেত্র যা ১৯৯৬ সালে উৎপাদনে আসে।
4. Potential Oil and Gas Resources
বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হাইড্রোকার্বনের সম্ভাবনা রয়েছে।
কিছু সম্ভাব্য অনুমান:
Resource Type
Estimated Potential
Natural Gas
40–100 Trillion Cubic Feet (TCF)
Crude Oil
5–10 Billion Barrels
Gas Hydrate
Significant deposits
Deep Sea অঞ্চলে এখনো পর্যাপ্ত ড্রিলিং না হওয়ায় প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা যায়নি।
5. Gas Hydrate Potential
Gas Hydrate হলো বরফের মতো কঠিন পদার্থ যার মধ্যে প্রচুর মিথেন গ্যাস আটকে থাকে।
বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র অঞ্চলে Gas Hydrate zone থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্যমে এটি একটি বড় জ্বালানি উৎস হতে পারে।
6. Other Marine Natural Resources
6.1 Heavy Mineral Sands
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী খনিজ বালির সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্ভাব্য খনিজ:
Ilmenite
Rutile
Zircon
Magnetite
এই খনিজগুলো ইস্পাত, টাইটানিয়াম এবং ইলেকট্রনিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
6.2 Marine Renewable Energy
সমুদ্র থেকে নবায়নযোগ্য শক্তির সম্ভাবনাও রয়েছে:
Offshore Wind Energy
Tidal Energy
Ocean Thermal Energy
6.3 Marine Biodiversity
বঙ্গোপসাগর মৎস্য সম্পদেও সমৃদ্ধ।
গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ:
Tuna
Shrimp
Marine algae
এগুলো অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারে।
7. Challenges in Offshore Exploration
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলে অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে:
Deep sea drilling technology এর অভাব
উচ্চ বিনিয়োগ প্রয়োজন
আন্তর্জাতিক কোম্পানির সীমিত আগ্রহ
পরিবেশগত ঝুঁকি
দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি
8. Strategic Recommendations
8.1 Accelerate Offshore Bidding Round
নতুন ব্লকগুলো আন্তর্জাতিক কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করা দরকার।
8.2 Strengthen National Capability
BAPEX কে deep sea exploration সক্ষম করতে হবে।
8.3 Advanced Seismic Survey
3D এবং 4D seismic survey বাড়ানো জরুরি।
8.4 Regional Energy Cooperation
বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে যৌথ অনুসন্ধান করতে পারে।
9. Conclusion
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চল তেল, গ্যাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। যথাযথ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে এই সম্পদ আহরণ করা সম্ভব।
Offshore exploration সফল হলে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জন করতে পারবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

প্রকৌশলী শেখ আল আমিন
ভিপি, আইইবি

23/03/2026

বাংলাদেশে তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করছে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত।

বাংলাদেশে তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

১. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় অংশ প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। ফলে তেল, গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান ও উন্নয়ন জাতীয় জ্বালানি নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। বর্তমানে বাংলাদেশে এই খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা (Petrobangla) এবং এর অধীনস্থ কোম্পানিগুলো অনুসন্ধান ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
২. বাংলাদেশের গ্যাস ও তেল সম্পদের বর্তমান অবস্থা
বাংলাদেশে ১৯৫৫ সাল থেকে গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয় এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এ গ্যাসক্ষেত্রগুলো মূলত সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা এবং ভোলা অঞ্চলে অবস্থিত।
বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট (MMCFD) গ্যাস সরবরাহ করা হয়, যার মধ্যে একটি অংশ আমদানিকৃত LNG। দেশের মোট চাহিদা প্রায় ৪০০০ MMCFD, ফলে উল্লেখযোগ্য গ্যাস ঘাটতি রয়েছে।
(The Business Standard)

বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে আবিষ্কৃত মোট গ্যাসের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (TCF), যার মধ্যে প্রায় ২১ TCF ইতোমধ্যে উত্তোলিত হয়েছে এবং অবশিষ্ট মজুদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।
(outlookbangla.com)

অন্যদিকে, দেশে তেলের মজুদ তুলনামূলকভাবে সীমিত এবং অধিকাংশ পেট্রোলিয়াম পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
৩. তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের অগ্রগতি
বাংলাদেশ সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
(ক) নতুন কূপ খনন কর্মসূচি
পেট্রোবাংলা গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে একাধিক কূপ খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
২০২৫ সালের মধ্যে ৪৮টি নতুন অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এসব কূপ থেকে প্রায় ৬১৮ MMCFD অতিরিক্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(The Financial Express)

এছাড়া ২০২৫–২০২৮ সময়কালে মোট ১০০টি কূপ খননের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
(The Business Standard)

(খ) চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রম
বর্তমানে পেট্রোবাংলা ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাপেক্স (BAPEX) বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপ পুনরুজ্জীবন (Workover) কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বর্তমানে প্রায় ১১টি কূপে অনুসন্ধান ও পুনঃউৎপাদন কার্যক্রম চলছে, যা সফল হলে অতিরিক্ত ১৪৩ MMCFD গ্যাস সরবরাহ সম্ভব।
(BSS)

৪. অফশোর (সমুদ্র) অনুসন্ধান কার্যক্রম
বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে বিশাল সম্ভাবনাময় হাইড্রোকার্বন রিজার্ভ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার আন্তর্জাতিক কোম্পানির অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকার
২৪টি অফশোর ব্লক আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে অনুসন্ধানের জন্য উন্মুক্ত করে।
এর মধ্যে ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লক এবং ৯টি অগভীর সমুদ্র ব্লক রয়েছে।
(Enerdata)

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে সমুদ্র থেকে তেল ও গ্যাস আবিষ্কার করা।
৫. খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান
বাংলাদেশে গ্যাসের পাশাপাশি কয়লা, চুনাপাথর, পাথর, বালু এবং খনিজ বালুর মতো সম্পদ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়লাক্ষেত্রগুলো হলো:
বারাপুকুরিয়া
ফুলবাড়ী
দিঘীপাড়া
এই সম্পদগুলোর কার্যকর ব্যবহার এখনো সীমিত হলেও ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
৬. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশল
বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিম্নলিখিত কৌশল গ্রহণ করেছে—
১. দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বৃদ্ধি
২. গভীর সমুদ্র অনুসন্ধান জোরদার করা
৩. উন্নত ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও 3D সিসমিক সার্ভে পরিচালনা
৪. আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির অংশগ্রহণ বৃদ্ধি
৫. পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন বৃদ্ধি (Workover)
৬. বিকল্প জ্বালানি যেমন LNG ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি।

৭. উপসংহার
বাংলাদেশে তেল ও গ্যাসের মজুদ সীমিত হলেও নতুন অনুসন্ধান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে এই খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান গ্যাস সংকট মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর অনুসন্ধান, নতুন কূপ খনন এবং খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকৌশলী শেখ আল আমিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইইবি

Training Course on Key Components of Guide to Conducting a Project Health Checks & condition monitoring in large scale C...
04/03/2026

Training Course on Key Components of Guide to Conducting a Project Health Checks & condition monitoring in large scale Construction Industry /General Industry.

Training of Project Management (Batch-2)
26/02/2026

Training of Project Management
(Batch-2)

Engineering Staff College Bangladesh (ESCB), IEB training update.
26/02/2026

Engineering Staff College Bangladesh (ESCB), IEB training update.

Training UpdateDemandable Training
26/02/2026

Training Update
Demandable Training

6-Day Training Program on Boiler SystemsEngineering Staff College Bangladesh (ESCB), the training wing of The Institutio...
26/02/2026

6-Day Training Program on Boiler Systems
Engineering Staff College Bangladesh (ESCB), the training wing of The Institution of Engineers, Bangladesh (IEB), is organizing a comprehensive 6-day training course.
Course Title: "Boiler Operation, Maintenance, Safety & Steam Distribution Design"
Module 1: Boiler Fundamentals
Module 2: Boiler Operation Practices
Module 3: Boiler Safety & Legal Compliance
Module 4: Boiler Maintenance Management
Module 5: Combustion & Fuel Efficiency
Module 6: Boiler Water Treatment & Blowdown
Module 7: Energy Efficiency & Performance Monitoring
Module 8: Steam Distribution & Condensate return System Design
Module 9: Practical Case Studies & Troubleshooting
Target Participants
This training is designed for:
• Boiler Operators and Shift In-charges
• Maintenance Technicians and Supervisors
• Mechanical and Utility Engineers
• Energy Managers
• Safety and Compliance Officers
• Factory Technical Management Personnel
Date: 4th April, 2026 to 9th April, 202
Time: 5.00 pm to 8.00 pm
Venue: Engineering Staff College Bangladesh (ESCB)
The Institution of Engineers, Bangladesh (IEB),Ramna, Dhaka
How to register: https://forms.gle/JeXz9W5MrtzGaEFg6
Certificate: Certificate of Participation from Engineering Staff College Bangladesh
Deadline: 30th March, 2026

Registration Fee:
Category Fee per Participant (BDT)
Boiler Operators 5,100.00
IEB Members 5,100.00
Fresh Engineer 4,080.00
IEB non-member 5,650.00
Female member 4,080.00

Payment: Send Money To: Bkash: 01713-660620
Contact Info: +880 1751-974351 (Whatsapp)
Email: [email protected]

22/02/2026

Address

Institution Of Engineers Bangladesh IEB Ramna Dhaka
Dhaka
DHAKA1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ESCB, IEB - Capacity Building posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share