ইকরা রহস্য

ইকরা রহস্য ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে যে প্রশ্ন ও অসঙ্গতিগুলো সামনে এসেছে, সেগুলো তুলে ধরা এবং একটি স্বচ্ছ ও ন্যায্য তদন্তের দাবি জানানোর জন্য এই প্ল্যাটফর্ম

যে পরিমাণ কষ্ট পেয়ে ইকরাকে এই পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়েছে, সেই পরিমাণ কষ্ট পেলে আপনারা কেউ এমন মন্তব্য করতে পারতেন না।“ইক...
25/07/2026

যে পরিমাণ কষ্ট পেয়ে ইকরাকে এই পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়েছে, সেই পরিমাণ কষ্ট পেলে আপনারা কেউ এমন মন্তব্য করতে পারতেন না।

“ইকরা অন্তত তার ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে থাকত” এ কথা বলার আগে একবার ভেবে দেখুন, ইকরা কীভাবে তার ছেলের মুখের দিকেই তাকিয়ে ২০২২ সাল থেকে বেঁচে ছিল। চার বছর ধরে নিজের চোখের সামনে স্বামীর পরকীয়া দেখা, অথচ তাকে ফিরিয়ে নিজের কাছে আনতে না পারার অসহায়ত্ব, এই যন্ত্রণা আপনারা কেউ বুঝবেন না।

খেয়াল করলে দেখবেন, রিজিকের জন্মের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইকরার চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে অসংখ্য বাজে মন্তব্য করা হতো। একজন নায়কের স্ত্রীর কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে অনেকে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইকরা নিজেকে ফিট করে সেই সব মন্তব্যের জবাব দিয়েছিল। অথচ সেই সময়টায় ভেতরে ভেতরে তাকে কত কিছু সহ্য করতে হয়েছে, তা কেউ জানে না।

আপনাদের কাছে হয়তো মুখে বলা খুব সহজ যে, “সে তার সন্তানের কথা ভেবে বেঁচে থাকতে পারত।” কিন্তু ঠিক কতটা অসহনীয় কষ্ট বুকে নিয়ে তার জীবনের এমন পরিণতি হয়েছে, সেটা নিয়ে আপনারা কেউ ভাবেন না। আর আমার পার্সোনালি মনে হয়, যেসকল মানুষ নিচের এই বাজে মন্তব্যগুলো করেছিলো তারাই পরবর্তীতে "রিজিকের মুখ দেখে বেচেঁ যেতো!" "সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে ভুলে যেতো" করে মুখে ফেনা তুলছেন।

একজন মানুষ তার ব্যক্তিগত জীবনে কত সমস্যার মুখোমুখি হয় সেটা আপনারা জানেন না। কি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেলে তাদের এমন পথ বেছে নিতে হয় সেটাও আপনার জানা নেই, তাই তার মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন। যাকে জীবনে সামনাসামনি দেখেননি তার জীবনের কাহিনী নিয়ে এত আফসোস না করে তার আত্মার জন্য দোয়া করেন।

ইকরার মৃত্যুর চার মাস না যেতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তার দেবর, নেহাল। ভাই জেলে থাকার পরও এত দ্রুত বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প...
25/07/2026

ইকরার মৃত্যুর চার মাস না যেতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তার দেবর, নেহাল। ভাই জেলে থাকার পরও এত দ্রুত বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য কী?

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিজিক ও ইকরাকে নিয়ে বারবার পোস্ট করে সহানুভূতি পাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন নেহালের স্ত্রী আতিকা বিনতে রাফিক। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইকরার শাশুড়ি নাকি অনেক ভালো মানুষ, আর পুরো পৃথিবীই নাকি তাদের ভুল বুঝেছে। অথচ ইকরার মৃত্যুর পর তার শাশুড়ি ইকরার নামের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ফেসবুকে ভিউ ব্যবসা করতেই ব্যস্ত। এখন সেই তালিকায় যোগ হয়েছে আরেক ভিউ ব্যবসায়ী, যিনি রিজিককে নিয়ে একের পর এক পোস্ট করে নিজের পেজের রিচ বাড়াচ্ছেন।

ইকরা মারা গেছে প্রায় চার মাস হলো, আলভি জেলে আছে এক মাস ধরে, অথচ এই পরিবারের কারও মধ্যে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা দেখা যাচ্ছে না। নাসরিন শিউলী ইতিমধ্যে কয়েকবার লাইভে এসে বলেছেন, আলভি জেলে যাওয়ার পর থেকে ইকরার পরিবার নাকি রিজিকের কোনো খোঁজ নেয় না, তারা নাকি আর রিজিকের কেয়ার করে না। অথচ বড় ছেলেকে জেলে রেখেই তিনি ঘটা করে ছোট ছেলের বিয়ে দিয়েছেন, বড় ছেলেকে নিয়ে তার কোনো দায়িত্ববোধ কাজ করে না?

ইকরা কি তার বিচার পাবে না? এই অনুতাপহীন মানুষগুলোর কি কোনো বিচার হবে না? কারও পরিবারের “সন্তান” (তার ভাষ্যমতে তিনি ইকরাকে নিজের মেয়ের চোখে দেখতেন) মারা গেলে, তাকে কি এত দ্রুত ভুলে গিয়ে এভাবে সবকিছু স্বাভাবিকভাবে করা সম্ভব? আপনারাই প্রশ্ন করুন।

22/06/2026

জাহের আলভীর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার কারনে রিযিককে দিয়ে যে ই ভিডিওটা করেছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। দাদী বা চাচা যে ই করুক, উচিত হয়নি,বরং উচিত ছিলো জাহের আলভীর দেশে আগমনের খবর টাই ওর কাছে না বলা। যে বাচ্চা এতদিন যাবত ইকরাকে ছাড়া, আলভীকে ছাড়াই থাকতে পারছে, সে আরো কিছুদিন পারতো কিন্তু খু*নের সঠিক তদন্ত দরকার আছে এবং অবশ্যই আছে। আদৌ এটি আত্মহ*ত্যা নাকি খু*ন ক্লিয়ার না। পিশাচ নাটকে অভিনয় করে তিনি খুব পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন না তো?

আমার কথা হচ্ছে, মা কে যে দীর্ঘদিন সে পাচ্ছেনা, সে তো মা কে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোন ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়নি!! তাহলে বাপকে নিয়ে দিয়ে দিলো তাও এত দ্রুত!! কই তার দাদী কিংবা ফুপি কিংবা চাচা তো তাকে নিয়ে মায়ের বিচারের জন্য কোন ভিডিও বানায়নি!! কিংবা মা কে খুঁজে এমন ভিডিও ও আমরা চোখে দেখিনি!! বাচ্চা নিয়ে ইমোশনাল ব্যবসা ছেড়ে দিন। ছেলে যে বউ বাচ্চা রেখে অন্য নারী নিয়ে জায়গায় জায়গায় রোমাঞ্চ করে বেড়াতো, রিযিকের উছিলায় ছেলে পার পেয়ে যাবে?তাহলে তো এমন পুরুষরা বাচ্চাদের টার্গেট করে অন্যায় করে পার পেয়ে যাবে বলে নতুন নতুন প্ল্যানে বসে যাবে আজকেই!!

মুরব্বী দাদী একজনের পোস্টে লিখলেন উনার নাতি নাকি অনেক বুঝে। এতই যখন বুঝে, তাহলে বাবাকে দেশে আসার জন্য কোন ভিডিও কেন এতদিন দিলোনা? কেন বললো না , বাবা মা ও চলে গেছে ,তুমিও আসোনা , তুমি তাড়াতাড়ি আসো! এখন বইলেন না , সে এটাও বুঝে ,আসলেই জেলে যেতে হবে

copied from: Noorjahan Kabir

নুহান তাহেরি নামক এই লোকটি, যিনি আলভীর আত্মীয়, তিনি প্রতিনিয়ত আলভীর সাফাই গেয়ে কিংবা রিজিককে নিয়ে পোস্ট দিয়ে সহানুভূতি আ...
22/06/2026

নুহান তাহেরি নামক এই লোকটি, যিনি আলভীর আত্মীয়, তিনি প্রতিনিয়ত আলভীর সাফাই গেয়ে কিংবা রিজিককে নিয়ে পোস্ট দিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছেন।
সম্প্রতি তিনি এআই দিয়ে রিজিকের ছবি তৈরি করে কোর্টে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তার বক্তব্য অনুযায়ী, আলভীকে প্ররোচনার মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে এবং কোর্টের এই সিদ্ধান্তের কারণে রিজিক মায়ের পাশাপাশি তার বাবাকেও হারাবে। তার যুক্তি অনুযায়ী, এই কারণেই আলভীর বিচার হওয়া উচিত না। শুধু নুহান তাহেরী নন, আপনাদের অনেকেই মনে করেন আলভীর বিচার না করে তাকে রিজিককে হ্যান্ডওভার করে দেওয়া উচিত। তাদের উদ্দেশ্যে আমার একটাই প্রশ্ন, যে পরিবার নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য রিজিককে কথা শিখিয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে, তাদের হাতে রিজিক আদৌ একজন ভালো মানুষ হিসেবে বড় হবে কি না?

যেদিন আলভী জেলে যায়, সেদিনই রিজিকের দাদি নাসরিন শিউলী একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে রিজিককে তার বাবার জন্য আকুতি করতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটি নিয়ে মানুষের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার পর তিনি কিছুক্ষণ পরই সেটি ডিলিট করে দেন। রিজিক তার দাদির কাছে হয়তো ভালো আছে, কিন্তু রিজিককে ব্যবহার করে তার প্রতিনিয়ত ভিউ ব্যবসা চোখে পড়ার মতো বিষয়।

তাছাড়া ইকরা বেঁচে থাকাকালীনও তার বাবা তাকে ততটা সময় দেননি, যতটা একজন বাবার তার সন্তানকে দেওয়া উচিত। ফলস্বরূপ, রিজিক গত চার মাস বাংলাদেশে তার বাবাকে ছাড়াই দাদির কাছে ভালোভাবেই ছিল। কারণ বাবাকে ছাড়া থাকার অভ্যাস তার আগে থেকেই আছে।

রিজিকের বাবার প্রতি যে টান আপনারা এতদিন ভ্লগে দেখে এসেছেন, তার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল তার মায়ের। ইকরা সবসময় আলভীকে রিজিকের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করত বলেই রিজিক তার বাবাকে এত ভালোবাসে। কিন্তু তার বাবা তাকে সেই সময়টুকু দেননি, যা একজন সন্তানের প্রাপ্য।

এখন যদি আলভীর পরিবার বারবার রিজিককে ব্যবহার করে, রিজিকের নাম দিয়ে মানুষকে আবেগপ্রবণ করে এবং আলভীর মুক্তির জন্য আপনাদের সাহায্য চায়, তাহলে আপনাদের কি সেই সাহায্য করা উচিত?

যে পরিবার একটি শিশুকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়, তাদের কাছে সেই শিশুর প্রকৃত গুরুত্ব কতটুকু, সেটাই আগে ভাবুন। নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন।

যদি আলভী এই মামলার ১ নম্বর আসামি হন, তাহলে ইফ্ফাত আরা তিথির ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আওতায় আনা উচিত। ইকরার প্রতি মান...
18/06/2026

যদি আলভী এই মামলার ১ নম্বর আসামি হন, তাহলে ইফ্ফাত আরা তিথির ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আওতায় আনা উচিত। ইকরার প্রতি মানসিক নির্যাতন, উসকানিমূলক আচরণ এবং এই ঘটনার পেছনে যাদের যে ধরনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোও যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

পরকীয়া একটি ঘৃণ্য কাজ, এবং এর কারণে যদি কারও জীবন, মানসিক স্বাস্থ্য বা পারিবারিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সকলের জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, সত্য উদঘাটন এবং ইকরার জন্য ন্যায়বিচার চাই। যদি কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তাহলে তারও উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

তিথি ও আলভীর এই ঘৃণ্য অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আলভীর পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচ...
18/06/2026

আলভীর পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের ভূমিকাও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে তিথির কোনো ভূমিকা ছিল বা সে কোনোভাবে এখানে অবদান রেখেছে, তাহলে তাকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তার পাশাপাশি আলভীর এসিস্ট্যান্ট অর্ককেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে কারণ ঘটনাস্থলে অর্ক সরাসরি উপস্থিত ছিল।

18/06/2026

18/06/2026

আপডেট: জাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

আজ বিচারকের আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেজাহের আলভী!
18/06/2026

আজ বিচারকের আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে
জাহের আলভী!

সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘটনাকে ঘিরে অনেক ভুয়া খবর, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে—শুধুমাত্র ভিউ, রিচ এবং ব্যক্তিগত...
07/04/2026

সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘটনাকে ঘিরে অনেক ভুয়া খবর, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে—শুধুমাত্র ভিউ, রিচ এবং ব্যক্তিগত লাভের জন্য। সবাইকে অনুরোধ, অনির্ভরযোগ্য পেজ বা অজানা সোর্সের তথ্য বিশ্বাস করবেন না।

এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
আমরা সেই তদন্তের উপরই নির্ভর করছি। তবে একই সাথে আমরা আশা করি—তদন্তে যেন কোনো ধরণের গাফিলতি না থাকে এবং দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সব সত্য প্রকাশ করা হয়।

**গুজব নয়, সত্যকে বিশ্বাস করুন।**



Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইকরা রহস্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share