Sheetu Trade Corporation

Sheetu Trade Corporation Export & Import..............

We are involved with the export of Fresh Potatoes, Vegetables, Pulses, Sweet water/ Seawater Fishes, Dry Fish, Spices, and many other consumer foods & Grains from Bangladesh.

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ) উপলক্ষে দেশবাসীসহ সকল মুসলিম উম্মাহকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
09/10/2022

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ) উপলক্ষে দেশবাসীসহ সকল মুসলিম উম্মাহকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

অন্তর্বাসের রপ্তানি খাতে আগামীতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা :- চীন বিশ্বের অন্তর্বাস রপ্তানিতে একক আধিপত্য বিস্তার করে চলছে, যদ...
18/09/2021

অন্তর্বাসের রপ্তানি খাতে আগামীতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা :-
চীন বিশ্বের অন্তর্বাস রপ্তানিতে একক আধিপত্য বিস্তার করে চলছে, যদিও নানা কারণে চীন থেকে অন্তর্বাসের ব্যবসা সরে যাচ্ছে, ফলে অন্তর্বাসে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুবই ভালো। তবে অন্তর্বাস উৎপাদনের কারখানা স্থাপনে সাধারণ কারখানার চেয়ে কিছু বেশি বিনিয়োগ লাগে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিয়ন মার্কেট রিসার্চের তথ্যানুযায়ী, গত বছর অন্তর্বাসের বিশ্ববাজার ছিল প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের। সেটি ২০২৪ সালে গিয়ে প্রায় ৬ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে।
অন্তর্বাসের উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের জন্য কিছু করণীয় যা করতে পারলে বাংলাদেশ হতে পারে বিশ্ব বাজারে এক অপ্রতিরোধ্য নাম।
১) দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক শিল্প শুধুমাত্র সহজ, সরল, সাদামাঠা শার্ট, টিশার্ট, রফতানি করে আসছে। তাতে আমাদের মূল্য সংযোজন কম হচ্ছে। উঁচু দামের পোশাক তৈরি করতে না পারলে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি করা যাবে না। অন্তর্বাস আমাদেরকে নতুন একটি খাতের সন্ধান দিল। দেশের তৈরি পোশাক শিল্প মালিকগণ এই খাতের প্রতি বেশ নজর দিতে পারেন। অতিরিক্ত বিনিয়োগ করলে এই খাত থেকে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি।
২) এই জন্য আমাদের দেশের ব্যাংকসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে। অন্তর্বাসে কোনো উদ্যোক্তা বিনিয়োগ করলে তাতে সুদের হার ৭ শতাংশের কমে বিনিয়োগ করতে হবে। তাতে বিনিয়োগকারীগণ উৎসাহিত হবেন। ব্যাংকসমূহও লাভবান হবেন। সরকার অর্থ মন্ত্রণালয় মাধ্যমে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।
৩) দ্বিতীয়ত যারা অন্তর্বাস রফতানি করবেন সরকার তাদের জন্য কমপক্ষ ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ ক্যাশ বেনিফিট ঘোষণা করতে পারে। এই বেনিফিট পাওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীগণ এগিয়ে আসবেন।
৪) তৃতীয়ত সরকার অন্তর্বাসে বিনিয়োগকারীদের কর, ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করতে পারে। এই ক্ষেত্রে অগ্রিম কর কমিয়ে দিতে পারে। ভ্যাট ৫ শতাংশ ঘোষণা করতে পারে। তাতেও বিনিয়োগকারীগণ এই খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন।
৫) সরকার অন্তর্বাস শিল্পে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ শিল্প অঞ্চলে বিশেষভাবে জমি বরাদ্দ দিতে পারে। সেই ক্ষেত্রে এই শিল্প উদ্যোক্তাগণ কমপক্ষে ১০ শতাংশ হ্রাস হারে ভূমি দিতে পারেন। তাতে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী এই খাতে এগিয়ে আসবেন। তখন দেশের রফতানি বৃদ্ধি পাবে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকার সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হবে।
৬) গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালে নাগাদ অন্তর্বাসের বাজার প্রায় ৬ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে উন্নীত হবে। এই বাজারের একটা বড় অংশ আমরা অংশীদার হতে হলে এখন থেকে উদ্যোগ, পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে।
পোশাকশিল্পের জন্য অন্তর্বাস অবশ্যই বড় সম্ভাবনাময় খাত। কারণ, নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য অন্তর্বাস অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। সকলকেই পণ্যটি ব্যবহার করতে হয়। আবার একই অন্তর্বাস মানুষ দীর্ঘদিন ব্যবহার করে না। এ জন্য পোশাকটি ছোট হলেও পরিমাণে অনেক বেশি লাগে।
অন্তর্বাস উৎপাদন কারখানা করতে মূলধন বেশি লাগে। কারণ, সেখানে বিশেষ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করতে হয়, যেগুলোর দাম বেশি। তবে অন্তর্বাসের বড় বাজার আছে। এ জন্য উদ্যোক্তাদের অন্তর্বাসের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। দেশে অন্তর্বাসের কারখানা যত বাড়বে, বিদেশি ক্রেতাদের আস্থাও বাড়বে তত। তখন ক্রয়াদেশও বাড়বে।

ঢাকার কোন মার্কেটে কি পন্য বিক্রি হয়:ঢাকার অদূরে কিংবা ঢাকার বাইরের জেলা শহরগুলোতে অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা তাদের প্রয়োজন...
13/09/2021

ঢাকার কোন মার্কেটে কি পন্য বিক্রি হয়:

ঢাকার অদূরে কিংবা ঢাকার বাইরের জেলা শহরগুলোতে অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা তাদের প্রয়োজনীয় পন্য কেনার জন্য ঢাকামূখী হয়ে থাকেন। কিন্তু কোথায় কোন পন্যের পাইকারী বাজার তা না জানার কারনে প্রথম দিকে হোঁচট খেতে হয়। আর নতুন ব্যবসায়ীদের জন্য তো খুজে পাওয়াটা আরও বেশী কষ্টকর হয়ে থাকে। চলুন জেনে নিই ঢাকার কোন মার্কেটে কি পন্য বিক্রি হয় সে সম্পর্কে:

বঙ্গবাজার: গেঞ্জি, প্যান্ট, শার্ট সলিড কালার: তৈরি পোশাক (জামা, প্যান্ট, জ্যাকেট, সোয়েটার, গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া ইত্যাদি), পাদুকা সামগ্রী এবং শাড়ি কেনা যায়। এখানে এসব পণ্য খুচরা ও পাইকারি হারে বিক্রয় হয়। বিদেশি ক্রেতা ও তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিদের যোগান দেওয়া কাঁচামাল ব্যবহারের পর দেশের পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে যত কাপড়, সুতা, বোতাম, জিপার ইত্যাদি উদ্বৃত্ত থাকে মূলত সেগুলি দিয়ে তৈরি বলে বঙ্গবাজারের পোশাক দামে সস্তা।

নবাবপুর: ফেব্রিকস, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, কৃষি যন্ত্রপাতি, শিল্প যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ইত্যাদি। নিমতলী পেট মার্কেট: পশু পাখির বাচ্চা, খাবার পানির পাত্র, খামারের যন্ত্রপাতি ব্রুডার ইত্যাদি। স্টেডিয়াম মার্কেট:নতুন পুরাতন মোবাইল, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স: বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়ামে দেশের নামকরা ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট অবস্থিত। এখানে প্রায় ৮০০ টি ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান রয়েছে। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা থাকে।

এই মার্কেটে এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, কালার টেলিভিশন (লিড, এলসিডি ও সিআরটি), মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, রাইস কুকার, টোস্টার, সিলিং ফ্যান, ওয়াটার ফিল্টার, আয়রন, ষ্টীল ক্যামেরা, মুভি ক্যামেরা, মোবাইল ফোন, চার্জার, মেমোরী কার্ড, টিভি কার্ড, ডিস এন্টেনা, রিসিভার, ভিসিডি প্লেয়ার, ডিভিডি প্লেয়ার, সিসি টিভি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং গ্যাসের চুলা পাওয়া যায়।

বায়তুল মোকাররম মার্কেট: এ মার্কেটে বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায় বলে কোন বিশেষায়িত মার্কেট বলার সুযোগ নেই। দোতলায় দেশের প্রসিদ্ধ বিভিন্ন জুয়েলারী দোকান রয়েছে। ক্যামেরা, সিডি, ডিভিডি প্লেয়ার, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য পাওয়া যায় এখানে। ব্যাগ, ল্যাগেজ, ঘড়ি, চশমা, ক্রোকারিজ, জামা-কাপড়, জুতা, খেলনা ইত্যাদির দোকানও রয়েছে। নিচতলায় নেমপ্লেট লেখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই মার্কেটে ইসলামী ফাউন্ডেশন এর বই বিক্রয় কেন্দ্রসহ কয়েকটি আতর, টুপি, পাঞ্জাবী, বোরকা, জায়নামাজ প্রভৃতির দোকানও রয়েছে। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসলামী বই, সিডি, ডিভিডি প্রকৃতিও বিক্রি হয়।

ধোলাইখাল: সব ধরণের নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি: ধোলাইখাল নামটিতে খাল শব্দটি থাকলেও এখানে এলে কোন খাল কিংবা জলাশয় খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। পুরনো ঢাকায় নবাবপুর রোডের মোড় থেকে শুরু করে নারিন্দা পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই ধোলাইখালে পুরোনো যন্ত্রাংশের ব্যবসা শুরু হয়। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় হাজার পাঁচেক খুচরা যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে। মোটর পার্টসের দোকান ছাড়াও এখানে রয়েছে ড্রাম শিট, লেদ মেশিন, পুরনো লোহা লক্কড়ের দোকান।

রিকন্ডিশন্ড এই খুচরা যন্ত্রাংশগুলো তারা আমদানি করে চীন, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর থেকে। এখানে প্রায় সব মডেলের গাড়ির বিশেষ টয়োটা, নিশান, হোন্ডা, মিৎসুবিশি, সুজুকি, মারুতির যন্ত্রাংশ বেশি পাওয়া যায়। বাস এবং ট্রাকের মধ্যে বেড ফোর্ড, ইসুজু, নিশান, হিনো, ভলভো, টাটা, অশোক লেল্যান্ড, টারসেল, আইয়ার, ক্যান্টার প্রভৃতি গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।

যন্ত্রাংশের দাম জেনে রাখুন: আগেই বলা হয়েছে, যন্ত্রাংশের দাম সম্পর্কে ধারণা না থাকলে এ বাজারে ক্রেতাকে পড়তে হতে পারে বিপাকে। সেক্ষেত্রে দাম জেনে রাখা ভালো। যেমন; সেলফ ১৫শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’, ডায়নামো ১৫শ’ থেকে ২ হাজার, ডিস্ট্রিবিউটর ২ হাজার থেকে ৫ হাজার, কার্বোরেটর ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৬ হাজার, ফ্যান মটর ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’, রেডিয়েটর ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৭ হাজার, গিয়ার বক্স ২ হাজার থেকে ৭ হাজার, ইঞ্জিন ব্লক ১৫শ’, থেকে ৩ হাজার, পিস্টন সেট ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ বাল্ব সেট ৫শ’ থেকে ১৫শ’ ক্লাচ প্লেট ৫শ’ থেকে ১ হাজার, প্রেশার প্লেট ১ হাজার ৫শ’ থেকে ২ হাজার, অয়েল পাম্প ১ হাজার ৫শ’ থেকে ২ হাজার, এসি পাম্প ৫শ’ থেকে ৮শ’, প্লাগ ১ হাজার থেকে ৩ হাজার, ইঞ্জিন পুুলি ৫শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’, মবিল চেম্বার ৫শ’ থেকে ১ হাজার।

এখানে ইঞ্জিনও পাওয়া যায় বিভিন্ন মডেলের। যেমন; হানড্রেড ভাইভ এ ৩০ হাজার, ফোর ই ২৭ হাজার, নাইন টি ৫০ হাজার, নাই টি ফাইভ এ ৩০ হাজার, ফাইভ কে লাইটএজ ৬০ হাজার, ক্রাউন এক্স ১ লাখ, কোরোনা ফোর এক্স এ্যান্ড থ্রি এক্স ৩৫ হাজার টাকা।

যেভাবে ধোলাইখালে পৌঁছাবেন : গুলিস্তান থেকে ধোলাইখালে রিকশায় আসতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৫ টাকা এবং বাসে খরচ ২ টাকা। মতিঝির থেকে ধোলাইখালের অবস্থান দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে। মতিঝিল থেকে এখানে বাসে আসা না গেলেও নিকশায় আসা যায় সহজেই। মতিঝিল থেকে ধোলাইখালের রিকশা ভাড়া ১৫-২০ টাকা। সদরঘাট থেকে পায়ে হেঁটে এখানে আসতে সময় লাগে পনের মিনিট ও রিকশায় খরচ হয় ৮ টাকা।
জিঞ্জিরা: নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি।

জিঞ্জিরায় তিনটি পৃথক এলাকায় তৈরি করা পণ্যের নামানুসারে তিনটি স্থান আছে। যেখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন কারখানা। তাওয়াপট্টিতে আছে ছোট-বড় প্রায় ৭০০ হালকা শিল্প-কারখানা আর এখানে মূলত তৈরি হয় গ্রিল কারখানা, তালা, ছাতার জালা, কব্জা, পাওয়ার প্রেস, প্লেঞ্জার, কেলাম, শিট, কয়েল, ওয়াশার, নাট-বোল্ট, স্ক্রু, তারকাঁটা, তোপকাটা, বালতি, অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল, কড়াই ইত্যাদি। টিনপট্টিতে তৈরি হয় টিন, শিট, কয়েল। এখানে ১৫-২০টি কারখানা আছে। তবে এর বাইরেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সেকেন্ডারি শিট মজুদ এবং গোপনে ঢেউটিন তৈরির কাজ হয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলো করোগেশন মেশিনে দিন-রাত আমদানিকৃত জিপি শিট কেটে ঢেউটিন তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে থাকে।

জিঞ্জিরার বৈশিষ্ট্য হলো এখানে খুব স্বল্পমূল্যের সামগ্রী ব্যবহার করে কারিগরেরা তৈরি করতে পারেন মানসম্পন্ন অনেক পণ্য। এমনকি তাঁদের দাবি মাত্র ২০-৩০ হাজার টাকা মূল্যমানের যন্ত্রে যে প্লেনশিট থেকে যে ঢেউটিন তাঁরা তৈরি করতে পারেন, তার গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো প্রামাণিক দলিল পাওয়া যায়নি। লোহার সামগ্রী তৈরিতে জিঞ্জিরার বিশেষ সুনাম রয়েছে।

জিঞ্জিরা বাজারে প্রায় দুশো’রও অধিক বিভিন্ন লোহার সামগ্রী তৈরির কারখানা রয়েছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার শিল্পের বিশাল যোগান দেয় বলে অভিমত রয়েছে। জিঞ্জিরার কারখানায় উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে ঢেউটিন, স্ক্রু, নাট-বল্টু, ক্লাম, তারকাটা, জিআই তার, আলতালা, হ্যাসবোল্ট, কব্জা, দা-বটি, শাবল, বালতি, চাপাতি, কুড়াল, কোদাল, কুন্নি, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ডেকোরেটর সামগ্রী, ওয়াশিং টব, পিতলের বার্নার(কেরোসিন চুলা), তামা ও পিতলের ডেগ, কলসি, ক্রোকারিজ, তাওয়া, টিফিন ক্যারিয়ার, চাইনিজ সাইলেন্সার/ডাব্বু, আশকল ডুম্বরি, নিক্তিকাঁটা, সাটার, কেচি গেট, লোহার জানালা, দরজা, অ্যালুমিনিয়ামের জগ-মগ ইত্যাদি অন্যতম।

এসব উপকরণ তৈরির কাচামাল আসে ঢাকারইনবাবপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, পুরোন ঢাকা প্রভৃতি এলাকা থেকে। তাওয়াপট্টিতে তৈরিকৃত গ্রিল কারখানা, তালা, ওয়াসার, নাট-বোল্ট ইত্যাদি তৈরিতে নিজেদের তৈরি পাওয়ার প্রেসের মাধ্যমে বানানো হয়। একসময় পাওয়ার প্রেসসহ বড় বড় যন্ত্র বিদেশ থেকে আমদানি করতে হলেও স্থানীয় কারিগররা উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে সেখানে প্রতিস্থাপন করতে সমর্থ হয়েছেন সম্পূর্ণ নিজস্ব তৈরিকৃত যন্ত্র। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি হলো এখানকার সামগ্রীতে স্ক্র্যাপ মেটাল বা পরিত্যক্ত লোহার ব্যবহার, যা সংগৃহীত হয় ভাঙা জাহাজ কিংবা বিভিন্ন কারখানার ভাঙা সরঞ্জাম থেকে।

জিঞ্জিরা লোহার বিভিন্ন সামগ্রী ছাড়াও মেলামাইন, আলকাতরা, নারিকেল তেল, শাড়ি-লুঙ্গি ইত্যাদির জন্য প্রসিদ্ধ। এছাড়া জিঞ্জিরার কালিগঞ্জ দেশীয় গার্মেন্টস সামগ্রী, বিশেষত জিন্স প্যান্ট তৈরিতে সুনাম অর্জন করেছে। দেশীয় বাজারের জিন্সের প্রায় ৮৫ শতাংশ চাহিদা কালিগঞ্জ থেকে পূরণ হয় বলে স্থানীয়দের অভিমত পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি রোহিতপুরের লুঙ্গি, জয়পাড়ার শাড়িও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও এই অঞ্চলে ভারত, জার্মানী,মালয়েশিয়া থেকে আনা কাঁচামালনির্ভর প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে।

পাটুয়াটুলি:পূরান ঢাকা: পুরান ঢাকায় পাটুয়াটুলি রোড (রোড এর দুই পাশ ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট) জগন্নাথ বিঃ এর এর পর সদরঘাট এর আগে যদি আপনি গুলিস্তান থেকে সদরঘাট এর দিকে যান ইলেক্ট্রনিক এর মার্কেট আছে, স্টেডিয়াম এর চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ।

ইসলামপুর: পাইকারি কাপড়ের বাজার চকবাজার: পুরোন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় বাজার। রমজান মাসে রকমারি এখানে রকমারি ইফতারের পশরা বসে। কাবাবের কথা আসলেই চকবাজারের নামটিও আসবে। চকবাজারের কাবাব খুব বিখ্যাত। ঢাকার পুরানো বাজারগুলির মধ্যে চক অন্যতম।

শ্যামবাজার : ঢাকার অন্যতম পুরাতন বাজার। এটা ব্রিটিশ শাসনামল থেকে ঢাকাবাসীর বিভিন্ন দ্রব্যের যোগান দিয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্ববধানে বাজারটি পরিচালিত হচ্ছে। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে পূর্ব দিকে ৮ – ১৫ গজ দূরে শ্যমবাজারের সীমানা শুরু।

এই বাজারে সাধারণত ফজর নামাযের পর থেকে সকাল ১১.০০ টা পর্যন্ত বেশী ভিড় হয়। কোন সাপ্তাহিক বন্ধ নেই এবং প্রতিদিন ভোর বেলা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন হয়ে থাকে। সাধারণত প্রায় দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার সব কাঁচা বাজার ও ফলমূল পাওয়া যায়। যেমন – আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, বেগুন, মাছ, সবজি, পটল, করলা ইত্যাদি। আর ফলমূল এর মধ্যে রয়েছে – আম, জাম, কলা, লিচু, তেঁতুল, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি। এছাড়া তেল, লবণ, মসলাও পাওয়া যায়।

বাজারের বিভিন্ন ধরনের ভাগ আছে। যেমন – ১নং রোডে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে আম, কাঁঠাল, লিচু এবং অন্যান্য ফল আর নদীর পাড়ের রাস্তার বিপরীত পাশে পাওয়া যায় আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুন ইত্যাদি। মূল বাজারের মাঝামাঝি ও নদীর পাড় ঘেঁষে বিভিন্ন রকম শাক-সবজির বাজার বসে।

বাংলাবাজার: বর্তমানে বাংলাবাজার বাংলাদেশের মধ্যে বইয়ের বৃহত্তম মার্কেট। বাংলাদেশের প্রকাশনা ব্যবসা আবতির্ত হচ্ছে বাংলাবাজারকে ঘিরে। পাঠ্যবইসহ অন্যান্য অনেক ধরনের বই পাওয়া যাচ্ছে যেখান থেকে। বাংলাদেশের বড় বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসও বাংলাবাজারেই অবস্থিত। এছাড়াও পোশাক সামগ্রীর জন্যও এটি বিখ্যাত।

মতিঝিল: ঢাকা শহরের প্রধান বানিজ্যিক এলাকা। এটি ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক জনতা ব্যাংক সহ বহু প্রতিষ্ঠানের মূল কার্যালয় । আরামবাগ: বিভিন্ন ক্রীড়া সংঘ, কম্পিউটার্স, কম্পোজ, ডিজাইন, প্রিন্টিং প্রেস ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত এলিফ্যান্ট রোড: জুতা, ব্যাগ, সিরামিকস/চীনামাটির বাসনপত্র, কাপড়, পর্দা, দর্জা জানালার পর্দা, বেডিং সামগ্রী নতুন পূরাতন কম্পিউটার, ক্রয় বিক্রয় ও মেরামত।

মাল্টিপ্লান: এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্যামেরা সামগ্রীর বৃহৎ মার্কেট। ইষ্টার্ণ মল্লিকা, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা কাঁটাবন: ইসলামি বইপত্র, সিডি, বোরখা, হিজাব, সুগগ্ধি, অ্যাকুরিয়াম পাখি, কোম্পানি নেমপ্লেট,সাইনবোর্ড ব্যানার প্রিন্ট ব্রান্ডিং সামগ্রী

নিউমার্কেট: ১৯৫২-৫৪ সালে নির্মিত একটি বিপণি কেন্দ্র। পর্যায়ক্রমে এটি ঢাকার বাইরের ক্রেতাদেরও আকর্ষণ করে। মার্কেটটি আজিমপুরে অবস্থিত, যার পূর্বদিকে রয়েছে মিরপুর রোড, উত্তরে ঢাকা কলেজ, পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দক্ষিণে পিলখানা রোড।
মার্কেটটির পাশেই খুচরা দোকানের একটি কেন্দ্র আছে। সেখানে কাপড়-চোপড়, ঔষধ, টয়লেট সামগ্রী ও গৃহস্থালি ব্যবহারের টুকি-টাকি দ্রব্যাদি বিক্রয় হয়। এছাড়া, বেশ কয়েকটি দোকানে বিক্রয় হয় প্রসাধনী সামগ্রী, স্যুভেনির ও শোপিস সামগ্রী, তৈজসপত্র, হালকা বৈদ্যুতিক দ্রব্য ও আসবাবপত্র। মার্কেটটির উত্তর দিকে মুদির দোকান এবং মাছ, মাংস, ফল-মূল ও সবজির বাজার রয়েছে।

আজকের দিনে ‘নিউমার্কেট’ বলতে ভিতরে এবং বাইরে বৈচিত্র্যপূর্ণ দোকানের এক বিপুল সমাহারকে বোঝায়। মূল মার্কেটে তিনটি উঁচু খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার রয়েছে, ভিতরে আছে বই-পত্র ও লেখা-লেখির সামগ্রী, ঘড়ি, চশমা, চামড়ার সামগ্রী ও ভ্রমণের উপকরণাদি, মুদি দ্রব্যাদি, কাপড়-চোপড়, অলঙ্কার ও বৈদ্যুতিক দ্রব্যাদি এবং দরজি, ফাস্টফুড ও ছবি তোলা ও প্রসেসিং-এর দোকান। দোকানগুলির সামনে একটা আচ্ছাদিত টানা বারান্দা রয়েছে। মার্কেটটিতে মোট ৪৬৮টি দোকান রয়েছে এবং বাজার করতে আসা ক্রেতারা এখানে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সব জিনিস-পত্রই পেয়ে থাকে।

গাউসিয়া মার্কেট: নিউমার্কেটের বিপরীতে, পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট: নিউমার্কেটের উত্তরে অবস্থিত পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত।

নীলক্ষেত: ঢাকা শহরের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের নিকট নীলক্ষেত অত্যন্ত পরিচিত এবং অতি প্রয়োজনীয় মার্কেট। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছেও এ মার্কেট গুরুত্ব বহন করে। কেননা, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন লেখকদের বই তথা প্রয়োজনীয় সকল বই-পত্রের জন্য নীলক্ষেত বই মার্কেটের বিকল্প নেই ঢাকা শহরতো বটেই, সারা দেশেও। বইয়ের মার্কেটের ক্ষেত্রে নীলক্ষেত বই মার্কেট তাই একচ্ছত্র আধিপত্য ভোগ করছে।

এখানে বইয়ের পাশাপাশি ফটোকপির দোকান, বাইন্ডিং অর্থাৎ বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারে বিবিধ কাজ করার দোকান, ছাপাখানা, সাইবার ক্যাফে, অটো ক্যাড প্রিন্টিংয়ের দোকান, টেইলার্সের দোকান ও খাবার দোকান অবস্থিত। ৫ টি মার্কেটের সমন্বয় হচ্ছে নীলক্ষেত বই মার্কেট এখানে নতুন ও পুরাতন বোর্ড বই, রেফারেন্স বুক, ম্যাগাজিন প্রভৃতি সকল ধরনের বই পাওয়া যায়।

ইসলামিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি: স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ইংরেজী মাধ্যম স্কুল, বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগতামূলক পরীক্ষার নতুন ও পুরাতন বই পাওয়া যায়।

বিসিএস কম্পিউটার সিটি: বেগম রোকেয়া স্বরণী, আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা – ১২০৭। ২০০০ ইং সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। মার্কেটটিতে মোট দোকানের সংখ্যা ৩৫০ টি। মার্কেট মালিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। এটি দেশের বৃহত্তম কম্পিউটার মার্কেট।

মোতালেব প্লাজা হাতির পুল: মোবাইল ফোন সামগ্রী বিক্রয় মেরামত ও পাইকারি বিক্রয় শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, এস্কেলেটর সুবিধা, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। এখানে মোট দোকান সংখ্যা ১২০০ টি। মালিক সমিতি কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। হাতিরপুল বাজার: সিরামিক টাইলস, বাথরুম ফিটিংস সামগ্রী, কাঁচাবাজার,ইত্যাদি। আজিজ সুপার মার্কেট,শাহবাগ: পোশাক সামগ্রী,কারুপন্য, হস্তশিল্প

গাউসুল আজম মার্কেট: নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সাথে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ২০০ এর অধিক দোকান। এখানে যে সব সুবিধা পাওয়া যায়- ফটোকপি, সাইবার ক্যাফে, মুদ্রন ও প্রিন্টিং, টেইলার্স, ছবি বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ।
রাস্তার সামনের অংশটিকে সিটি কর্পোরেশন মার্কেট বলা হয়। এখানে রয়েছে খাবার দোকান, ফটোকপির দোকান A3, A4 অটো ক্যাড প্রিন্টিং এর দোকান।

ইস্টার্ন প্লাজা: ১ম তলা – প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক, থালা বাসন ইত্যাদির দোকান। ২য় তলা – শাড়ী, সেলয়ার কামিজ, টি-র্শাট, টেইলার্স ইত্যাদির দোকান ৩য় তলা – গয়না, সোনা, রূপা, ছোট বাচ্চাদের খেলনার দোকান। ৪র্থ তলা – জুতার দোকান, বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতার দোকান। ৫ম তলা – মোবাইলের দোকান, এবং মোবাইল সার্ভিসিং করার দোকান। ৬ষ্ট তলা – মার্কেট মালিক সমিতি অফিস। ৭ম তলা – ডাক্তার চেম্বার। ৮ম তলা – ডাক্তার চেম্বার, অফিস। ৯ম তলা – ঘটক পাখি ভাই।

কারওয়ান বাজার: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ও ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় পাইকারী ও খুচরা বাজার। ঢাকা শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে এখানে অনেক বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দৈনিক প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ), দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আরও অনেক খবরের কাগজের প্রধান অফিস কাওরান বাজারে অবস্থিত। এছাড়াও একুশে টেলিভিশন, এনটিভি, এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ বাংলাভিশন আরটিভি টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয় এবং স্টুডিও কাওরান বাজারে অবস্থিত।

ফার্মগেট: বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠান, কৃষি সামগ্রী, যন্ত্রপাতি, বইপত্র, কমদামী কাপড়, জুতা ইত্যাদি, পান্থপথ: কোচিং, আইটি প্রতিষ্ঠান, কাঠ, প্লাইউড, বেত, স্টিলের ফার্নিচার, অফিস কেবিনেট সামগ্রী

বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স: বসুন্ধরা সিটি ভবনটি একটি ২১ তলাবিশিষ্ট ভবন, যার নিচের ৮টি তলা বিপণী বিতানের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং অবশিষ্ট তলাগুলি বসুন্ধরা গ্রুপের দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ভবনের বিপণী বিতান অংশে প্রায় ২,৫০০টি দোকানের জায়গা রয়েছে। এছাড়াও আছে খাবারের দোকানের জন্য একটি নির্দিষ্ট তলা, মাটির নিচে বা বেসমেন্ট লেভেলে অবস্থিত একটি বড় শরীরচর্চা কেন্দ্র, একটি মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল এবং এর উপরের তলাতে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্রসহ একটি খাবারের রেস্তোরাঁ। ছাদে বাগানসহ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই বিপণী বিতানটি ঢাকার নগরীর আধুনিকায়নের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

বাংলামটর: মোটরগাড়ির যন্ত্রপাতি সামগ্রী। বেনারশী পল্লী: বেনারশী পল্লী একসময় শুধুমাত্র বেনারশী শাড়ির জন্যই বিখ্যাত ছিল। গত বছর কয়েক ধরে মিরপুর বেনারশী পল্লিতে বেনারশী শাড়ি ছাড়াও অন্যান্য সব ধরনের শাড়ি পাওয়া যায়। বেনারশী শাড়ি-Old + New, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (কটন)। টাঙ্গাঈল হাফ সিল্ক। রাজশাহী সিল্ক। ধুপিয়ান। ঢাকাই মসলিন। কাতান। কোটা শাড়ি। ব্রোকেট শাড়ি। জামদানী শাড়ি। জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। এ ছাড়াও আরো নতুন নতুন কালেকশন পল্লীতে তৈরী হচ্ছে।

গুলিস্তান: সবধরণের কাপড়, জুতা, খেলনা, ক্রোকারিজ, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীসহ সব ধরণের জিনিসপত্র পাওয়া যায়
যমুনা ফিউচার পার্ক: বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল হিসেবে পরিচিত “যমুনা ফিউচার পার্ক”। রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত এই শপিং কমপ্লেক্সটিতে সকল ধরনের কেনাকাটা ও বিনোদন সুবিধা রয়েছে। প্রগতি সরণি থেকে ফিউচার পার্ক প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে প্রথমেই পড়ে আউটডোর রাইডস। সারা পৃথিবীতে তোলপাড় করা ছয়টি রোমাঞ্চকর রাইড রয়েছে এখানে।

বর্ণিল আলোকছটায় উদ্ভাসিত ফিউচার পার্কের এই আউটডোর রাইডসের রোলার কোস্টার, স্কাইড্রপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, পাইরেট শিপ, ফ্লাইং ডিসকো ও টাওয়ার চ্যালেঞ্জার রীতিমতো শিহরণ জাগানিয়া। প্রথম তলার পুরোটাই গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্ধারিত। অন্যান্য ফ্লোরগুলো পণ্যের ক্যাটাগরী ভিত্তিক বিন্যাস করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরকে “দক্ষিণ-পশ্চিম”, “উত্তর-পশ্চিম”, “দক্ষিণ-পূর্ব” ও “উত্তর-পূর্ব” অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীর পণ্য ও সেবা পাওয়া যাবে। এই শপিংমলের ষষ্ঠ তলার সম্পূর্ণটাই বিনোদন জোন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় রয়েছে ফুডকোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, প্লেয়ারস জোন, ব্লকবাস্টার সিনেমাস প্রভৃতি।

হযরত শাহজালাল মার্কেট: এখানে মেডিক্যাল, ও লেভেল, এ-লেভেল, বিবিএ, এমবিএ, জিম্যাট (GMAT), স্যাট, (SAT), টোফেল (TOEFL), জিআরই (GRE), আইইলটিস (IELTS) এর প্রয়োজনীয় বই পাওয়া যায়।

গার্মেন্টস স্টকলট ব্যবসা : একটি লাভজনক বিনিয়োগগার্মেন্টস শিল্পে স্টক-লট হচ্ছে কোন কারনে তৈরি পোশাক ক্রেতার কাছে ঠিক মত ...
04/11/2015

গার্মেন্টস স্টকলট ব্যবসা : একটি লাভজনক বিনিয়োগ

গার্মেন্টস শিল্পে স্টক-লট হচ্ছে কোন কারনে তৈরি পোশাক ক্রেতার কাছে ঠিক মত পৌঁছে দিতে না পারলে ,গার্মেন্টসে তা স্টক হয়ে যাওয়া ।
গার্মেন্টস শিল্পে বেশ কয়েকটি কারনেই পোষাক স্টক হয়ে যায়। তন্মধ্যে শিপমেন্ট ক্যান্সেল, শিপমেন্ট ডিলে, কন্টিনিউয়াস রি-চেক, এলসি প্রব্লেম অন্যতম। কিছু কিছু বায়ার বিভিন্ন অযুহাতে শিপমেন্ট ক্যান্সেল করে, যাতে সে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমমূল্যে পন্যগুলো ক্রয় করতে পারে। মূলত কোন পন্য স্টক হয়ে গেলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দাম কমে যায়। এর এ সুবিধাটা বিভিন্ন মহল ভোগ করে। বর্তমানে বিদেশী বায়াররা স্টকলটের প্রতি খুব বেশি ঝুঁকে পরেছে।
স্টকলট বিভিন্ন সংখ্যার হতে পারে। একে আমরা দুভাগে ভাগ করতে পারি। শর্ট কোয়ান্টিটি স্টকলট এবং লং কোয়ান্টিটি স্টকলট। শর্ট আর লং এর মাঝে পার্থক্য নিশ্চয়ই আর ব্যাখ্যা করতে হবে না।
যাই হোক, আজকাল স্টকলট কোটি টাকার বিজনেস ।
এই খাতে বিনিয়োগ খুব লাভজনক। প্রথমত এই পন্য পঁচে না, যত্ন নিলে নষ্ট হয় না। উপরন্তু এর চাহিদা অত্যাধিক। স্টকগুলোকে আমরা আরো দুটি ভাগে ভাগ করতে পারি। ব্র্যান্ডেড ও নন-ব্র্যান্ডেড। সমগ্র বিশ্বে যে ব্র্যান্ডগুলো সু-পরিচিত সেগুলোকে বলা হয় ব্র্যান্ডেড আর যেগুলো তেমন একটা পরিচিত নয় সেগুলো নন-ব্র্যান্ডেড। ব্র্যান্ডেড স্টকলট ক্রয় করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ আর এতে লাভও বেশি হয়।

বিশ্বব্যাপী সু-পরিচিত ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে :-
Gucci, Barbour, Ralph Lauren, Lacoste, Nike, Abercrombie & Fitch, Hugo Boss, Louis Vuitton, Holister, Stareon, G Star, Levis, Diesel, Banana Republic, Converse, H&M, Aeexeek & Stareon (A&S), Fred Perry, Tommy Hilfiger, ZARA, American, Eagle, Polo Collection, Superdry, Calvin Klein (CK), Ann Harvey, MAX, Reebok, Prada, Marc Jacobs, Dior, Guess, Fendi, Versace, Valentino, Dolce & Gabbana (D&G), Wonderbra, French Connection, Sloggi, Adidas, Duck and Cover, Firetrap, Henleys, Miss Sixty, Timberland, GAP, Express, Aeropostale, Jack & Jones, Jcrew, Topman, John Hill, Lee, Nautica, Wrangler, Esprit, Vans, Brioni, George, NEXT, Element, Carbrini, AEEXEEK, Balenciaga, Armani Exchange, Miu, Miu, Givenchy, Burberry, Chanel, DKNY (Donna KarenNew York), April Evil, Australia Rivers, Bershka, Admiral,Cherokee, Collezione, Co.Jeans, Crazy 8, Kenvelo, Disney, Esmara, French Cuff, Friends 4 Ever, Golden Dream, Hello Kitty, Infinity, Jeans Club, Jules Collection, Kangaroo
L O G G, MayFair, MEXX, N.Y Tee, Mountain Ridge, NEWYEAR, NiKKi, Okay, Philadelphia, Philip Russel, PIZZA ITALIA, Pull Bear, Pro Game, Regatta, Rodi Mood, S. Oliver, Splash, St. Jhon's, Sylenger, Terranova, Tezenis, Tom Tailor, Topolino, Tuff Guys, U.S.Polo Assn., Urban Beach, US Basic, White Stag, Winbra, X-Tend, Xside, Max Mara, Bisou Bisou, Moschino, Roberto Cavalli, McQ by Alexander McQueen, Vera Wang, Oscar de la Renta, Juicy Couture, Elie Saab, Yves St. Laurent, Rexorize, Hermes, Anna Sui, Blumarine, Bottega Veneta, Chloe, Christian Lacroix, Lanvin, Paris, Max Azria, Salvatore Feragamo, Stella McCartney, Emilio, Pucci, Vivienne Westwood, Nina Ricci, Marios Schwab, CarolinaHerrera, Emanuel Ungaro, Mark and Spencer, Debenhams, House of Fraser, Laura Ashley, F**K, Forever New, Forever 21, Brooks Brothers, Abercrombie and Fitch, Urban X, Mango, Promod, Aftershock, Sisley, Dsquared, Ed Hardy, Explosion, Lagos, Trussardi, New Look, Boden, Clock House, True Religion, Topshop, Jack Willis, ASOS, Blue Inc, Austin Reed, Dorothy Perkins, Etam, Karen Miller, La Senza,Miss Selfridge, Wallis, Burton, Jigsaw, Oasis, Matalan, Lipsy, London, PUMA, Ted Baker, Primark, Sweaty Betty, RiverIsland

Categories : কেটাগরি
T-Shirt, Polo Shirt, Sweat Shirt, Basic Shirt, Long Pant, Short Pant, Denim Jeans Pant, Cargo Pants, ChinoPants, Barmuda Pants, Tank Tops, Shorts, Frocks, Sweaters, Jackets, Hats & Caps, Panty, Underwear, Bra, Boxer, Trouser, Pajama, Towel, Sportswear

Genders : কারা কারা পরে
Kids, Men, Women, Unisex

Seasons : কয় ঋতু
Spring, Summer, Autumn, Winter
আপনি নতুন হয়ে থাকলে প্রথমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ দিয়ে আরম্ভ করতে পারেন। এই যেমন: এক লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার মধ্যে। আপনি শর্ট কোয়ান্টিটির স্টক ক্রয় করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে লং কোয়ান্টিটির পন্যেরও কিছু অংশ ক্রয় করতে পারেন, যদি সেই লট পার্শাল কোয়ান্টিটি সেল সাপোর্ট করে। সবাই ভালো থাকবেন।

You can trade with stock apparels. But you must have sharp concept on below issues:

# the exact goods what can be sold in short time.

# the key issue is price. If you can buy any garments at a very good price then locally or internationally you can trade with it very easily. On other hand you can sell goods but will loose your money.

# goods quality (very important for stock). Cause many shipment got cancellation due to quality issue. And nobody will buy it if there is any measurement or size grading problem.

# must have idea about serious buyer and what could be a serious buyers buying attitude. If you don't know who is right buyer you will never reach at your goal.

# must have idea about commercial issues.

# above of all you have to be a very good marketer I mean good approach in sells & marketing. So you can collect and develop relation with customers.

If anybody need any further suggestion you can ask & I will advise as much as I know from my previous experience.

গার্মেন্টস এর Accessories আর Trimmings মাঝে পার্থক্য।*** কি কি অ্যকসেসোরিস*** কি কি ট্রিমিংতাদের তালিকা নিচে দেয়া হলো, ন...
04/11/2015

গার্মেন্টস এর Accessories আর Trimmings মাঝে পার্থক্য।

*** কি কি অ্যকসেসোরিস

*** কি কি ট্রিমিং

তাদের তালিকা নিচে দেয়া হলো, না জানার কারনে সব কিছু কে আমরা অ্যকসেসোরিস বলে জানি, আমাদের এর ভুল ধারনা দূর করুন :

অ্যকসেসোরিস এর সংজ্ঞা :-
The main material of garments making is fabric. In addition to fabric, there are lots of auxiliary material used in garments manufacturing, these materials are called trims and accessories.

ট্রিমিংস এর সংজ্ঞা :
Trims are used to complete a garment, where as accessories are used to decorate garments. Trims attached with fabric by sewing, where as accessories make cloth more attractive.

List of all Trimmings in Garments
জেনে নিন কোন গুলি কে বলবেন ট্রিমিংস

1. Sewing Thread
-Monofilament Thread
-Multifilament Thread
-Textured Thread
-Core spun Thread

2. Zipper
-Nylon Zipper
-Metal Zipper
-Plastic Zipper
3. Button
4. Motif
5. Rivet
6. Shoulder pad
7. Lining
8. Hook & Loop
9. Interlining
10. Twill tape
11. Stopper
12. Velcro tape
13. Lace
14. Pon pom
15. Braid
16. Wadding
17. Elastic
18. Ribbon
19. Label -Main label -Size label -Care label

List of Accessories Used in Garments
জেনে নিন কোন গুলিকে বলবেন অ্যকসেসোরিস

1. Hanger
2. Scotch tape
3. Hangtag
4. P.P Band
5. Tissue paper
6. Inner Carton
7. Backboard
8. Outer carton
9. Neck board
10. Iron seal
11. Paper Band
12. Tarpaulin paper
13. Pin/Clip
14. Carton Sticker
15. Tag pin
16. Safety sticker
17. Poly bag
18. Arrow sticker
19. Elastic bag
20. Butte rely
21. Mini poly bag
22. Both side tape
23. Collar stand
24. Plastic staple
25. Gum tape
26. Barcode, UPC

TOYOTA PREMIO 2011/11 F L PKG Stock Id 699988RHD Petrol 50,000km AT 2WD 4door seats PS, AC, NV, AB, ABS, FOG, PW Car Det...
19/09/2015

TOYOTA PREMIO 2011/11 F L PKG Stock Id 699988

RHD Petrol 50,000km AT 2WD 4door seats PS, AC, NV, AB, ABS, FOG, PW

Car Details
Stock Id 699988
Model: DBA-NZT260
Year: 2011/11
Production Year: 2011
Transmission: AT
Color: Black
Drive: 2WD
Door: 4
Steering: RHD
Seats:
Engine Type:
Body Style: Sedan
CC: 1,500
Mileage: 50,000
Fuel: Petrol
Location: HAKATA - JAPAN

বাংলাদেশের ২ পোশাক কারখানা বিশ্বসেরাঃ একটির নাম প্লামি ফ্যাশন, অন্যটি ভিনটেজ ডেনিম। প্রথমটি নারায়ণগঞ্জে, দ্বিতীয়টি পাবনা...
02/09/2015

বাংলাদেশের ২ পোশাক কারখানা বিশ্বসেরাঃ

একটির নাম প্লামি ফ্যাশন, অন্যটি ভিনটেজ ডেনিম। প্রথমটি নারায়ণগঞ্জে, দ্বিতীয়টি পাবনার ঈশ্বরদীতে। পরিবেশবান্ধব পোশাক তৈরির কারখানা হিসেবে এগুলো এখন বিশ্বমডেল। যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসজিবিসির লিড সনদ পেয়েছে এরা।
প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেড
জ্বালানির কম ব্যবহার ও পরিবেশগত উচ্চ মান রক্ষা করে কারখানা গড়ে তুললে ইউএসজিবিসির (ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল) লিড সনদ পাওয়া যায়। লিড সনদ হলো ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’। এ পর্যন্ত পৃথিবীর মোটে চারটি পোশাক কারখানা প্লাটিনাম লিড পেয়েছে, দুটিই বাংলাদেশে। উপরন্তু প্লামি পেতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ নম্বর। লিড সনদের মোট নম্বর ১১০। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ৯০। প্লামি আশা করছে, তারা পাবে ৯২।
প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেড পোশাক তৈরির কারখানা। নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে চার কিলোমিটার পেরোলে কাশীপুর ইউনিয়নের উত্তর নরসিংপুর। গেদ্দের বাজারের কাছে কারখানাটি। সাদামাটা গেট পেরোলে বাম পাশে দেখা যায় বাইসাইকেল রাখার ছাউনি। ছাউনির সামনেই গোসলখানা। শ্রমিকরা সাইকেল চালিয়ে এলে ঘেমে যায়, তখন এই গোসলখানা কাজে লাগে। আরো কিছুটা পথ গেলে মূল কারখানার সামনে একটা প্রাকৃতিক লেক। ডান পাশে কর্মকর্তাদের কার্যালয়। কার্যালয়ের ভেতরে যতটা সম্ভব সবুজ রাখা হয়েছে।
প্লামির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল হকের দেখা পেতে একটু সময় লাগল। তিনি কারখানাটি ঘুরিয়ে দেখাতে দেখাতে বিস্তারিত জানালেন। মোট ছয় একর জমির ওপর এ কারখানা। গত বছরের এপ্রিলে নির্মাণকাজ শুরু হয়। অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেছে, এখন চলছে সাজানো-গোছানোর কাজ।
বললেন, ‘আমরা ৫২ শতাংশ খোলা জায়গা রেখেছি। এটি পরিবেশবান্ধব কারখানা তৈরির অন্যতম শর্ত। দোতলা ভবনটি ৫৮ হাজার বর্গফুটের। ইস্পাতের তৈরি। ৯০ শতাংশ নির্মাণ উপকরণ দেশীয়। ভবনটির তিন পাশে লম্বা বারান্দা। আলো-বাতাস চলাচল সুবিধার জন্য আছে ২৪৭টি কুলার ও ৬০টি একজস্টার। তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। ওঠানামার সিঁড়ি পাঁচটি হলেও বের হওয়ার দরজা ১১টি। যেন দুর্ঘটনা ঘটলে সহজেই শ্রমিকরা কারখানা ত্যাগ করতে পারে।’
ফজলুল হক জানালেন, কারখানার বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চলছে। কারখানার মাসিক উৎপাদন ক্ষমতা ৯ লাখ ২০ হাজার পিস পোশাক। ভবনের ওপরতলায় কাজ চলবে দিনের আলোতে, এতে সাশ্রয় হবে প্রায় ৭০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ। কারখানায় বসানো হয়েছে সর্বশেষ প্রযুক্তির সেলাই মেশিন যা বিদ্যুৎসাশ্রয়ী। এক হাজার ২০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। ভবনটিকে ঘিরে রয়েছে বড় বড় পাইপ। বৃষ্টির পানি ভবনের ছাদ থেকে পাইপ বেয়ে জমা হবে আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংকিতে। এই পানি ব্যবহৃত হবে বাথরুমের ফ্ল্যাশিং ও অগ্নিনির্বাপণ কাজে। ইউএসজিবিসির পর্যবেক্ষণে থাকে-কত কম বিদ্যুৎ খরচ করা হয় এবং কত কম পানি খরচ করা হয়। সব মিলিয়ে পরিবেশ কত কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
লিড শর্তপূরণে প্লামি
বিদেশি ক্রেতারা এবং দেশি শ্রমিকরা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার পরিবেশ নিয়ে নানা অভিযোগ তোলে। দুর্ঘটনার পেছনে অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ত্রুটিই প্রধান কারণ। সেদিক থেকে প্লামি ফ্যাশন নমুনাই বটে। ইউএসজিবিসির সনদ পেতে একটি প্রকল্পকে ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মান রক্ষা করতে হয়।
ফজলুল হকের দাবি, তারা ইউএসজিবিসির নিয়ম-কানুন শুরু থেকেই মেনে চলছেন। তিনি বলেন, ‘লিড সনদের ১১০ নম্বরের মধ্যে ১২ নম্বর-কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ওপর হুমকি তৈরি না করার জন্য। যেমন ধরুন বাংলাদেশে যদি সোনারগাঁর পানাম নগরে ফ্যাক্টরি করা হয় এবং ভবনগুলোর ওপর কোনো হুমকি না তৈরি হয় তবে পাবেন ১২। এ ১২ নম্বর প্লামির আওতার বাইরে। বাকি থাকছে ৯৮। এর মধ্যে প্লাটিনাম পাওয়ার জন্য দরকার ৮০ নম্বর। আমরা পেতে যাচ্ছি ৯২। এটি ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে পৃথিবীর প্রথম প্লাটিনাম সার্টিফিকেটধারী কারখানা হতে যাচ্ছে আমাদের প্লামি ফ্যাশন লিমিটেড।’
তিনি আরো বলেন, ‘লিড প্লাটিনামের শর্ত হচ্ছে এমন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করতে হবে, যাতে কার্বন নিঃসরণ কম হয়। ইট, বালি, সিমেন্ট এগুলো রি-সাইকেলড ‘র’ মেটেরিয়াল হতে হবে। আমরা সেগুলো করেছি। এমনকি সব উপকরণ কারখানার সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় করেছি। এতে পরিবহনের জ্বালানি খরচও কম হয়েছে। তাদের শর্ত অনুযায়ী নির্মাণ উপকরণের ৯০ শতাংশই দেশীয় ব্যবহার করেছি। এ ছাড়া প্লাটিনাম পাওয়ার অন্যতম মূল শর্ত হলো ৫০০ বর্গমিটারের মধ্যে শ্রমিকদের থাকার জায়গা বাসস্থান, স্কুল, বাজার, বাস বা টেম্পো স্ট্যান্ড থাকতে হবে। কারণ দূরে হলেই শ্রমিকদের কারখানায় আসতে গাড়ির প্রয়োজন হবে। এতে জ্বালানি খরচের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ হবে। এ ছাড়া আমাদের রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল-মোট বিদ্যুতের ১৩ শতাংশ এখান থেকে।’
মূল কারখানা ভবনের সামনেই লাগানো হয়েছে দেশীয় গাছপালা। আছে প্রাকৃতিক লেক ও ফোয়ারা। ফোয়ারার আরেক পাশে আছে অত্যাধুনিক গুদাম ঘর। শ্রমিকদের গুদামে মাথায় করে বস্তা নিতে হবে না, লিফটে করে বস্তা উঠবে, নামানোর সময় স্লাইডে ছেড়ে দেবে। ৩৩ হাজার বর্গফুটের এই গুদামটি তিন তলাবিশিষ্ট।
পরিবেশবান্ধব কারখানা শ্রমিকবান্ধবও
সব মিলিয়ে প্লামিতে দুই হাজার লোকের কাজের সুযোগ হবে। কারখানার বাইরে বিশাল জায়গাজুড়ে রয়েছে শ্রমিকদের জন্য দুই তলাবিশিষ্ট লাইফস্টাইল সেন্টার। এখানে শ্রমিকদের জন্য আছে ডাইনিং ও শিশুদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টার। ফলে মা-শ্রমিকরা বাড়িতে রেখে আসা শিশুর জন্য দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবে না। আছে চিকিৎসাকেন্দ্রও। লাইফস্টাইল বিল্ডিংয়ের ওপরের তলায় নামাজঘর ও প্রশিক্ষণ কক্ষ। একসঙ্গে ২০০ শ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে।
শ্রমিকের বেতন-ভাতা সম্পর্কে ফজলুল হক বলেন, ‘আমাদের এই এলাকায় যত গার্মেন্ট আছে এবং প্রচলিত যে বেতন কাঠামো রয়েছে, তার চেয়ে বেশি। শ্রমিকদের জন্য ডাইনিং ফ্যাসিলিটি দিয়েছি-যেটা বাংলাদেশের অনেক ফ্যাক্টরিতেই নেই। একটা বিনোদনকক্ষ আছে, সেটা এখনো চালু করিনি, দ্রুতই চালু করব, টেলিভিশনসহ বেশ কিছু খেলার সামগ্রী থাকবে-মোটকথা ক্লাবের মতো থাকবে, শ্রমিকরা টিভি দেখবে, ক্যারম বোর্ড খেলবে, লুডু খেলবে।’
ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও
১১০ নম্বরের মধ্যে ভিনটেজ ডেনিম পেয়েছে ৯০। ২০১২ সালে ইউএসজিবিসি কারখানাটিকে প্লাটিনাম সনদ দেয়। বাংলাদেশের এবা গ্রুপের এ কারখানা ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় (ইপিজেডে)। ৯.২ একর জমির ওপর গাছগাছালি ঘেরা ভিনটেজ ডেনিম। ১৯টি প্লটে চার লাখ ৭১ হাজার বর্গফুটের মধ্যে দুই লাখ ৯৮ হাজার বর্গফুটজুড়ে নির্মিত স্টিল কাঠামোর ভবন। ৩০ শতাংশ জায়গা বিনোদন, খেলার মাঠ, চলাচলের করিডর ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জন্য ছেড়ে দেওয়া। সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে গড়ে তোলা কারখানাটিতে স্থায়ী বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৭ মিলিয়ন ডলার বা ১৪০ কোটি টাকা।
পরিবেশবান্ধব ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও
কারখানার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রীলঙ্কান দুমিন্দা মালগালা শুরু থেকেই সচেতন ছিলেন। তিনি ঝামেলামুক্ত জমি খুঁজে বের করেছেন। চাইছিলেন যেন নির্মাণের ৩০ শতাংশ উপকরণ স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়। ঈশ্বরদী ইপিজেড কর্তৃপক্ষ তাঁর চাহিদা পূরণে এগিয়ে আসে। এরপর ইউএসজিসিবির পরামর্শকের তত্ত্বাবধানে ২০১০ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
একতলা কারখানা ভবনটির নকশা এমনভাবে করা হয়, যেন দিনের বেলায় শতভাগ সূর্যের আলো ব্যবহার করা যায়। স্টিলের কাঠামোর ভবনটির ছাদ তাপ শোষণ না করে বিকিরণ ঘটায়। ছাদের কোথাও কোথাও আলো প্রবেশের জন্য স্বচ্ছ উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে কারখানার ভেতরভাগ অপেক্ষাকৃত শীতল। এ ছাড়া বিদ্যুৎসাশ্রয়ী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ব্যবহার কারখানার ভেতরে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখে। কারখানার দেয়ালেও বড় বড় কাচের জানালা রয়েছে। এখানে স্থাপন করা হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় সোলার প্যানেল। যার মাধ্যমে বছরে প্রায় দেড় লাখ কিলো ভোল্ট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এই বিদ্যুৎ ইনভেন্টরের মাধ্যমে নিজেদের গ্রিডে যোগ করা যায়। ১৩ শতাংশ বিদ্যুৎ আসে সোলার প্যানেল থেকে। ভবন ধসার শঙ্কা নেই, আগুন লাগলে শ্রমিকদের বের হওয়ার পথও উন্মুক্ত।
প্রতিটি সেলাই মেশিনে আছে একটি ছোট এলইডি টেক্সট বাল্ব। যেটি শুধু মেশিনের সুঁইয়ের ওপর আলো ফেলে। কারখানাটির বর্জ্য শোধনের জন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে প্রতি ঘণ্টায় ৭০ হাজার লিটার পানি পরিশোধন করা যায়। কারখানাটি পানি বিশুদ্ধ করার জন্য সর্বোচ্চ মান অনুসরণ করে। প্রতিষ্ঠানটি নানাভাবে ৫৩ শতাংশ পানি সাশ্রয় করে।
প্লাটিনাম নম্বরপ্রাপ্তি
জমির ভৌগোলিক অবস্থানে ২৬-এর মধ্যে ২৩, পানির পর্যাপ্ততা দশে দশ, বিদ্যুৎপ্রাপ্তির নিশ্চয়তায় ৩৫-এ ২৮, নির্মাণসামগ্রীকে ১৪-এর মধ্যে ৬, অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত অবস্থা ১৫-এর মধ্যে ১৩, অতি সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত যন্ত্রের ব্যবহারে ৬-এ ৬, এলাকাভিত্তিক প্রাধ্যান্যতা ৪-এ ৪। কারখানাটি ৪৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, ৫৩ শতাংশ পানি। কারখানার বর্জ্য নিজ খরচে নিরাপদ স্থানে ফেলার ব্যবস্থা রয়েছে।
উৎপাদন কার্যক্রম
এখানে দুই হাজার ৫৬৬ জন শ্রমিক। ৮৫ শতাংশই নারী। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজের সময়। দুই ঘণ্টা ওভারটাইম করার সুযোগ আছে। প্রতিদিন ২০ হাজার পিস পণ্য উৎপাদন হয়। বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছয় লাখ পিস। ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিওর প্রধান গ্রাহক আমেরিকার ঈগল, বেস্টসেলার, চিবো, জুল, প্রমোদ ইত্যাদি।
ঈশ্বরদীর সাহাপুরের নারী শ্রমিক নিপা বলেন, ‘তিন বছর ধরে এখানে কাজ করছি। পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা ভালো। আগে অন্য কারখানায় কাজ করেছি, কিন্তু সেগুলোর পরিবেশ অত ভালো নয়। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে যেতাম। প্রতিটি কারখানা এ রকম পরিবেশবান্ধব হওয়া খুবই জরুরি। এতে শ্রমিক ও পরিবেশ ভালো থাকে। বিদ্যুৎ, পানিও সাশ্রয় হয়।’
শ্রমিকদের বেতন-ভাতাদি ও সুযোগ-সুবিধা
কারখানাটির বেশির ভাগ শ্রমিক আশপাশের এলাকার। শ্রমিকরা মাসিক চুক্তির পরিবহনে কারখানায় আসে। তাদের মজুরি দেওয়া হয় ইপিজেডের ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী। একজন অপারেটর মাসে সাত থেকে আট হাজার টাকা আয় করে। কিছু সঞ্চয়ও করতে পারে। কারণ শ্রমিকরা নিজের বাড়িতে থাকে বলে বাসা ভাড়ার প্রয়োজন হয় না। নিজের জমির ধান, বাড়ির সবজি, পুকুরের মাছ খেয়ে তাদের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। কারখানাটিতে নিয়মিত কাজ করলে শ্রমিকরা ৪০০ টাকা হাজিরা বোনাস পায়। ১১ দিনের জায়গায় শ্রমিকদের বছরে ১৫ দিন উৎসব ছুটি দেওয়া হয়। অসুস্থ থাকলেও পূর্ণ বেতন দেওয়া হয়। চাকরির বয়স ১৮০ দিন না হলেও উৎসবের সময় শ্রমিকদের বোনাস দেওয়া হয়। নববর্ষে শ্রমিকদের এবং সন্তান হলে মা-বাবাকে উপহার দেওয়া হয়। মাঝেমধ্যে জন্মদিনের উপহারও পায় শ্রমিকরা। শ্রমিকদের মেধাবী সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করা হয়, যার সব খরচ প্রতিষ্ঠানটি বহন করে। খেলাধুলার ব্যবস্থা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

Address

8, Shahid Shangbadik Salina Parvin Sharak, Level No # 3, Suite No # J/K
Dhaka
1217

Telephone

+8801911111777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheetu Trade Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sheetu Trade Corporation:

Share