School of Applied Spiritual Science

School of Applied Spiritual Science Spiritual Science is the science of all sciences including all sciences, all religions & all philosophical thoughts.

It's an non profit organization which helps the people to develop their Spirituality. It's community page for spiritual education. This is the page about Religion, Sciences & Higher Intelligence or the Infinite, the great consciousness.

10/05/2018

স্পিরিচুয়ালিটি
Setting the range of zero

মানুষকে নিষ্কাম বা শূন্য বা গ্রেভিটিলেস করে এক করার জন্য যুগে যুগে বিভিন্ন মনীষীগন সমাজ নিয়ন্ত্রনের মৌলনীতি ঘোষণা করেছেন। এগুলো শেষ পর্যন্ত ভাবজড়তাপূর্ন ধর্মমতে পরিনত করেছে যা মানুষকে শূন্য করতে পারেনি; গঠিত হয়নি অবিভক্ত শূন্য সমাজ কিংবা কমিউনিজম। ব্যক্তি মানবের শূন্যের পরিসর নির্ধারনে প্রতিটি জ্ঞানী ব্যক্তিই ব্যতিব্যস্ত থাকেন কারন জ্ঞানের পরিসীমায় শূন্যতাই নির্ধারিত হয়! এটা মূলত শূন্য হওয়ার আদর্শিক অবস্থার ভার্চুয়াল দশা! একত্বের সার্বজনীন ধারনা। কিন্তু শূন্য শূন্য নাথাকার আবশ্যিক পরিনতি এই আপেক্ষিক জগত যেখানে দ্বৈততাই জগতের ধর্মরূপে আবির্ভূত!
শূন্যের অনন্ততা ছাড়া জগতে আর আছে কি? জগতকে পূর্ন শূন্যের ভাবনাই আপনার, আমার ও তার মধ্যকার তারতম্যকে শূন্য করে দেয়। তাই ইকুয়ালিটি বা সমতার ধারনাকে বাস্তবায়নের পূর্বে ইউনিভার্সের শূন্যতাকে আপনার উপলব্ধিতে আনয়ন করতে হবে। অনন্ত শূন্যের জগতে আপনার পাওয়ার কিছু নেই,আপনার দেয়ারও কিছুই নেই। আপনার প্রাপ্যতা এবং অপ্রাপ্ততার সবকিছুই আপনার মাইন্ড সেটিং এর উপর নির্ভরশীল। আপেক্ষিক জগতের সবকিছুই আপনার মাইন্ড সেটিং এর বহিঃপ্রকাশ। আপনার শূন্যময় পূর্ন অনুভূতিতে জগত প্রস্ফূটিত। আপনি একজন পর্যবেক্ষক। ইউনিভার্স রূপ প্রস্ফূটিত ফুলের ঘ্রান নেয়া ছাড়া আপনার আর করার কিছুই না। আপনিই সবকিছুই করেন এবং করেছেন তাই আপনার করার কোনকিছুই আর অবশিষ্ট নেই।
অসীম জগতের জানা-অজানায় আপনার-আমার মধ্যে কোন পার্থক্য সৃষ্টি করেনা। কারন অসীম ইউনিভার্সের অসীম জানার সঙ্গে আপনার জানা এবং আমার জানার অনুপাতদ্বয় এক কিংবা তারতম্যহীন কিংবা তারতম্য শূন্য।
ইল্যুসিভ ইউনিভার্সকে স্বীকার করলে ইউনিভার্স নিজেই আপনাকে অস্বীকার করবে। আপনি ব্যতীত ইউনিভার্স শূন্য যদিও ইউনিভার্স ব্যতীত আপনি শূন্য।
ইউনিভার্স স্বয়ং একটি ভাইরাস। এই ভাইরাসকে এন্টিভাইরাস দ্বারা বিমুক্ত করতে হবে। ইউনিভার্সকে প্রশ্নবিদ্ধ করলে, ইউনিভার্সকে অস্বীকার করলে ইউনিভার্স আপনার অধীন। আপনার ভাবনা-চিন্তার অটুট অবস্থানেই আপনি চালকের ভূমিকায় অবতীর্ন। আপনার মস্তিষ্কের ভাইরাস দূরীকরনে প্রয়োজন এন্টিভাইরাস ভেক্সিন। আপনার এই ভেক্সিনেশন প্রক্রিয়া মূলত মস্তিষ্ককে অননবরত বৈজ্ঞানিক ভাবনায় আপটেড করা। ইল্যুসিভ ইউনিভার্সকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। অনন্ত সংখ্যক প্রশ্ন(?) যেখানে দাঁড়ি টানাটাই অজ্ঞানতা। এভাবে, মস্তিষ্ককে আপডেট করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন এক আপেক্ষিক অনন্য ব্যক্তিত্বে, পরিনত হতে পারেন এক শূন্য মানবে।

শূন্যতার কোন সীমা নেই। অতএব, শূন্য হয়েও আপনি অসীম। The universe is the reflection of your mind & you are the reflection of the universe. And this thought makes you free. আপনি একজন মুক্ত মানব এবং ইহাই শূন্যতার পরিসর।

06/08/2017

Spiritual science

In some sense man is a microcosm of the universe; therefore what man is, is a clue to the universe. We are enfolded in the universe.

David Bohm

নির্বান

এটা সঠিক যে, মহাবিশ্ব এমন যে, আপনি মহাবিশ্বের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন! হাঁ, এটা ভাবা অসঠিক নয় যে, আপনার মস্তিষ্কের কেন্দ্র বিন্দুই মহাবিশ্বের কেন্দ্র! ফিফ্থ ডাইমেনশনাল এই মহাবিশ্বটি স্পেস-টাইমে এমন ভাবে বক্র যে, উহার প্রতিটি বিন্দুই মধ্যবিন্দু কিংবা কেন্দ্রবিন্দু! এটা ভাবা অমূলক নয় যে, বিগ ব্যাং এর প্রারম্ভিক বিন্দু এবং আপনার মস্তিষ্কের কেন্দ্রবিন্দুর দূরত্ব ০ সে.মি.! মহাবিশ্বের সবকিছুই আপনাকে ঘিরেই!

তথ্য মানে জ্ঞান নয়, জ্ঞান হলো মানব মস্তিষ্কে তথ্যের প্রতিফলন। উল্টাভাবে, বলা যায় আপনার মস্তিষ্ক থেকেই মহাবিশ্বের সকল প্রকার তথ্যই বিচ্ছুরিত হচ্ছে! হ্যাঁ, মহাবিশ্বের প্রতিটি বিন্দুই আপনার মস্তিষ্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এনফোল্ডেড!

আপনি যদি এ মহাবিশ্বকে অতিক্রম করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে এ মহাবিশ্ব থেকে আনফোল্ডেড হতে হবে!

হাঁ আপনাকে, আপনার মনকে আপনি এই মহাবিশ্বের বাইরে পরিভ্রমন করাতে পারেন! মনকে এই মহাবিশ্ব থেকে আনফোল্ডেড করতে হবে! মন হলো হাইপারস্পেস স্প্রিং! মনকে ননলোকাল জিরো পয়েন্টে [00] নিয়ে এ মহাবিশ্ব থেকে আনফোল্ডেড করে অন্যকোন ভার্সে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব! আর তখন আপনি এক ও অদ্বিতীয় সত্তার সঙ্গে একিভূত[00] এবং অতপর অন্যভার্সে গমন সম্ভবপর হবে!আপনিও হতে পারেন সীমিত আয়তনের কোন ভার্সের নির্ধারক,নির্নায়ক ও নিয়ন্ত্রক যেখানকার ফিজিক্স আপনার দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে!আপনি সুপারম্যান, আপনি অনন্য, আপনিই...! হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার ইচ্ছের স্বাধীনতা আছে এবং এখানেই আপনার ইচ্ছের স্বাধীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটবে! আপনার চাওয়াই বাস্তবতা! You will be the law of Nature. And thus you will be free.

04/08/2017

Spiritual Science

বাস্তব জগতে সবকিছুই বাস্তব। ইন্দ্রিয় কর্তৃক অনুভবকৃত সবকিছুই বাস্তব।কোয়ান্টাম হলোগ্রাফিক এই বিশ্বে অবাস্তব বলে কিছু নেই। মেটারিয়াল পার্টিকলস যেমন স্বীকার্য, ঠিক তেমনি ননমেটারিয়াল কিংবা ভার্চুয়াল পার্টিকেলস সমভাবে স্বীকার্য। বস্তুর অস্তিত্ব যেমন স্বীকার্য, চেতনা, মন, আত্মা ইত্যাদির অস্তিত্বও সমভাবে স্বীকার্য। কোন কিছুই আনরিয়েল নয়, সবকিছুই রিয়েল, সবকিছুই রিয়েলিটিরই বহুমাত্রিক ভেরিয়েশন! কোনটির সাইন্টিক ব্যাখ্যা আমাদের জানা, কোনটির ব্যাখ্যা অজানা। যেগুলো অজানা সেগুলোকে আমরা অলৌকিক বলছি। সবকিছুরই সাইন্টিফিক ব্যাখ্যা রয়েছে যা আমরা জানিনা। অতএব, বাস্তব জগতে অলৌকিক কিংবা অসম্ভব বলতে কিছু নেই! সব সম্ভবের জগত এই জগত। কোয়ান্টাম অনিশ্চয়তার নিয়মে কোন ঘটনা ঘটার সম্ভবনাই শূন্য নয়!

আমাদের বিজ্ঞান মূলত বস্তু কেন্দ্রিক যা অবস্তু কেন্দ্রিক বিজ্ঞানের দিকে ধাবমান...! বিজ্ঞানের মুক্ত প্রান্তে spiritual science'র অবস্থান...! Spirituality doesn't mean religion. জগতের সত্তাসমূহের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক,আন্তঃক্রিয়া এবং মিথোষ্ক্রিয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞান spiritual science. Spiritual science -এ জড় কিংবা দেহতারিক্ত সত্তার অস্তিত্ব স্বীকার্য! কোয়ান্টাম হলোগ্রাফিক বিশ্বে মন, আত্মা,চেতনা, ভূত-প্রেত,জীন-পরী যেকোন অর্থে বাস্তব এবং সাইন্টিফিক ব্যাখ্যাধীন যদিও আমরা সেই বিজ্ঞানে এখন পর্যন্তও পূর্নভাবে প্রবেশ করতে পারিনি! হাঁ, আমি আবারও বলছি বাস্তব জগতে অবাস্তব বলে কিছুই নেই! সবকিছুই ঘটনা, সবকিছুই রিয়েল এবং সবকিছুই বহুমাত্রিক রিয়েলিটির ভেরিয়েশন মাত্র!

16/04/2017

Spiritual science: মৃত্যু-২

সত্য একটি নয়, সত্য এক সেট

জগতে কোন সত্য একটি নয়, এক সেট আছে। জগতে "আমি" একা বা একটি নই, অসংখ্য "আমি" রয়েছে। অসংখ্য সদৃশ আমিও রয়েছে। জগতে আমি একা নই, এক সেট আছি। দৈহিক আমি'র মৃত্যু ঘটলেও বিমূর্ত আমি'র মৃত্যু নেই। আমি'র বিমূর্ত প্রতীতি [abstract cognition=The essence of consciousness =সারাংশ চেতনা ]অবশ্যই গানিতিক সফ্টওয়্যার। মাল্টিভার্সের অসংখ্য জায়গায় এই আমি'র বিমূর্ত প্রতীতি তথা গানিতিক ডিজাইনে অসংখ্য মূর্তমান আমি'র আবির্ভাব ঘটছে এবং ঘটেই চলছে এবং চলতে থাকবে। প্রতি মুহুর্ত, প্রতি সেকেন্ডের অসংখ্য সদৃশ আমি'রও অস্তিত্ব রয়েছে। প্রতিটি 'আমি'ই আমারই কপি, আমারই বিমূর্ত প্রতীতির মূর্তমান[concrete ] অবস্থান। যেহেতু আমার বিমূর্ত প্রতীতি তথা গানিতিক ডিজাইন কিংবা সফ্টওয়ারের মৃত্যু নেই, যেহেতু মাল্টিভার্সে তথা প্যারালাল ইউনিভার্সে অসংখ্য সদৃশ কিংবা সর্বসম মহাবিশ্ব স্বীকার্য এবং তাতে অসংখ্য সদৃশ "আমি" বিদ্যমান সেহেতু এই আমি'র দৈহিক মৃত্যু হলেও অন্যান্য সদৃশ আমি'র মৃত্যু নেই। সময়ের পারম্পর্য ও পৌনঃপুনিকতায় "আমি" সব সময় অস্তিত্বশীল আছে এবং থাকবে, থাকতেই থাকবে। সময় ভ্রমন সম্ভব [time travel ] হলে জগতের প্রতি মুহুর্তের "আমি" এবং সদৃশ "আমি" তথা কপি "আমি" কে মূর্তমান পাওয়া যাবে!

অতএব, মৃত্যু নেই, আমি'র বিমূর্ত প্রতীতির [abstract cognition] মৃত্যু নেই! নিরাকার 'আমি' চিরন্তন, চীরঞ্জীব!!!

_Abu Momin

15/04/2017

Spiritual science : মৃত্যু

সকল মানুষ কোননা কোন সময় মৃত্যুকে ভয় পায়। মানুষ চায় অনন্ত জীবন। প্রতিটি মানুষের দৈহিক মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। কেউ একে এড়াতে পারেনা।

জন্মের বিপরীত মৃত্যু। জন্ম আছে বলেই মৃত্যু আছে। জগতে যেকোন বিষয় কিংবা সত্তার বিপরীত বিষয় বা সত্তা উপস্থিতি আবশ্যক।

সুখের বিপরীত দুঃখ
তদ্রুপ,
ইলেকট্রনের বিপরীতে এন্ট্রি ইলেকট্রন কিংবা পজিট্রন
প্রোটনের বিপরীতে এন্টিপ্রোটন
নিউট্রনের বিপরীতে এন্টিনিউট্রন
মেটারের বিপরীতে এন্টিমেটার
ইউনিভার্সের বিপরীতে এন্টিইউনিভার্স
ব্ল্যাকহোল আছে বলেই হোয়াইটহোলের অস্তিত্ব স্বীকার্য।

শূন্য থেকে জগত সৃষ্ট তখনই সম্ভব যখন প্রতিটি সত্তার বিপরীত সত্তার অস্তিত্ব থাকবে।
অতএব, জন্মের বিপরীতে মৃত্যু এবং মৃত্যুর বিপরীতে জন্ম।

আপনার দৈহিক মৃত্যু হলেও আপনার বিমূর্ত প্রতীতির মৃত্যু নেই_আপনার গানিতিক ডিজাইনের মৃত্যু নেই। আপনার জন্ম আছে বলেই আপনার মৃত্যু আছে। অতএব, আপনার মৃত্যু আছে বলেই জন্ম থাকবে।

জগতের সবকিছু চক্রাকারে আবর্তিত হয়। জগতের রহস্যময় আবর্তনের গোলক ধাঁধার বাইরে কেউও নয়। এমনকি উচ্চতর বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তা(Higher intelligence)(ঈশ্বর)'র সৃষ্টি ও আবর্তনও এর বাইরে নয়। ঈশ্বরের মনও ৩৬০^০ চক্রে আবর্তিত!

আপনার ডিজাইনের হুবহু আপনার মত আর এক জন জন্মের অপেক্ষায় আছে মাল্টিভার্সের কোথাও। আপনার মৃত্যু ঐ জন্মকে অবধারিত করবে এবং এই অর্থে আপনার মৃত্যু নেই। Every action has an equal & opposite reaction. আপনার মৃত্যু সমমানের হুবহু আপনার মত একজন জন্মের কারন হয়ে দাঁড়াবে। ইহা সার্বজনীন ভারসাম্যতার নিয়ম। জগতে এই নিয়ম অলঙ্গনীয়।

অতএব, আর মৃত্যু ভয় নয়। আপনার সদৃশ অসংখ্য আপনি আছেন এই মহাজগতে। আপনি আছেন, থাকবেন অনন্তকাল। আপনার মৃত্যু নেই, আপনি চীরঞ্জীব।

_Abu Momin

16/12/2016

স্বাধীনতাঃ

জগতে কোন স্বত্তাই স্বাধীন নয়। একক, গুচ্ছ, পুঞ্জ কিংবা চক্র কোন সত্তাই স্বাধীন নয়। জগতের প্রতিটি সত্তা পরস্পরের সঙ্গে এক অদৃশ্য সূতার বন্ধনে আবদ্ধ।

কোন মানুষ স্বাধীন নয়, কোন পরিবার স্বাধীন নয়, কোন সমাজ স্বাধীন নয়, কোন রাষ্ট্রও স্বাধীন নয়, পৃথিবীও স্বাধীন নয়। পৃথিবীতো অদৃশ্য সূতার বন্ধনে সৌর চক্রে আবদ্ধ। আর সোলার সিস্টেম সেটাওতো তার গ্যালাক্সির সঙ্গে বন্ধনযুক্ত!!!

আমাদের মহাবিশ্ব সেটিওতো অনিশ্চয়তার নিয়মে মাল্টিভার্সে সম্প্রসারিত_অনন্ত সংখ্যক মহাবিশ্বে বন্ধনযুক্ত!

অতএব, স্বাধীনতা মানে এক আপেক্ষিক স্বাধীনতা! পূর্ন স্বাধীনতা মানে অন্যান্য সত্তা থেকে পূর্ন বিচ্ছিন্নতা। প্রকৃতি কখনও এ পূর্ন বিচ্ছিন্নতাকে অনুমোদন দেয়না।

অতএব, স্বাধীনতা হলো এক অলীক স্বপ্ন।

পূর্ন স্বাধীন সত্তা মানে শূন্যতা যার আর এক অর্থ হলো অস্তিত্বহীনতা! অতএব, অস্তিত্বের পূর্ব শর্ত হলো অধীনতা!

ঈশ্বরই একমাত্র অস্তিত্বহীন পূর্ন স্বাধীন সত্তা যা কতগুলো পরাধীন অস্তিত্ববান সত্তায় প্রকাশিত....!!!

13/12/2016

সবকিছি কি পূর্ব নির্ধারিত কিংবা ভবিষ্যৎ কি পূর্ব নির্ধারিত?

বিষয়টি পরীক্ষা করা যাক:
আমি আগামী কাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১০টি কাজ করব এবং তা কাগজে লিপিবদ্ধ করলাম।

আগামীকাল বিকেল ৫টার পর পরীক্ষা করে দেখা গেল সবগুলো কাজ আমার দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে। তবে কি আমি অন্যতম ভবিষ্যৎ নির্মাতা?

ভবিষ্যৎ যদি পূর্ব নির্ধারিত হয় তবে মানুষের যাবতীয় পরিকল্পনা অর্থহীন এবং আমার এ কথা বলাটাও অর্থহীন কারন ইহাও পূর্ব নির্ধারিত!

কোন কিছুই পূর্ব নির্ধারিত নয় এই মনে করেই আমরা যাবতীয় জাগতিক কর্ম যজ্ঞে নিয়োজিত হই।

আমাদের চিন্তার স্বাধীনতা আছে, ইচ্ছের স্বাধীনতা আছে, কর্মের স্বাধীনতাও আছে ইহা স্বীকারের মাধ্যমেই আইন-আদালত-বিচারের যথার্থতা আমরা মেনে নেই।

জড় জগতে কার্য-কারন সম্পর্ক অবধারিত হিসেবেই যুক্তি ও বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠিত।

কার্য-কারন সম্পর্ক স্বীকার করলে ভবিষ্যৎ পূর্বনির্ধারিত আমাদের স্বীকার করতে হয়। আমাদের বলতে হবে God doesn't play dice. কিন্তু কোয়ান্টাম বলবিদ্যা অনুসারে আমাদের বলতে হয়, God plays dice.

মানুষ তার ভবিষ্যৎ নির্মাতা তার অর্থ এই মানুষ ঈশ্বরেরই ক্ষুদ্র সংস্করন!

সবকিছু পূর্ব নির্ধারিত তার অর্থ এই মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা নেই, ইচ্ছের স্বাধীনতা নেই, কর্মের স্বাধীনতা নেই এবং জড়ের সঙ্গে তার কোন পার্থক্যও নেই!

সবকিছু পূর্ব নির্ধারিতকে মেনে নিলে পূর্ব নির্ধারক কে? অন্যভাবে বলা যায় পূর্ব নির্ধারক মহান সফ্টওয়্যারের প্রোগ্রামার কে?

যদি আমরা মনে করি সবকিছু পূর্ব নির্ধারিত নয় তবে বলতেই হয় জগত অনিশ্চয়তার নিয়মে চলে! আর অনিশ্চয়তার নিয়মে অনন্ত সংখ্যক নিয়মের আবির্ভাব ঘটে! আর কার্য-কারন নিয়মাধীন অংশেই জীবনের আবির্ভাব ঘটে আর সেই জীবনটিও অনিশ্চয়তার নিয়মে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে চিন্তা-ইচ্ছে-কর্মে স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে পারে এবং বলতে পারে যে , সবকিছু পূর্ব নির্ধারিত নয়! আর এক্ষনেই মানুষ নিজেই ঈশ্বরের ভূমিকায় অবতীর্ন।

মানুষই ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা এবং ভবিষ্যৎ শ্রষ্টা। মানুষের collective consciousness ই ভবিষ্যৎ নির্মাতা।

অন্যভাবে বলা যায়, মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের ইচ্ছা ক্রিয়া প্রবাহমান!

দূর্নীতিঃ প্রেম/ভালোবাসাদূর্নীতি মানে শুধু অবৈধ অর্থ সংশ্লিষ্টতাই নয়_যদিও চূড়ান্ত বিবেচনায় আমরা সকল কাজের মধ্যেই অর্থের ...
13/12/2016

দূর্নীতিঃ প্রেম/ভালোবাসা

দূর্নীতি মানে শুধু অবৈধ অর্থ সংশ্লিষ্টতাই নয়_যদিও চূড়ান্ত বিবেচনায় আমরা সকল কাজের মধ্যেই অর্থের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাব। যে কাজ বা নীতির মধ্যে প্রেম নেই, ভালোবাসা নেই তাই দূর্নীতি। এ প্রেম সেবা গ্রহীতার সঙ্গে কর্মচারী কিংবা কর্মকর্তার প্রেম। এ প্রেম কোন একক ব্যক্তি ব্যক্তি কিংবা পরিবার কিংবা প্রতিষ্ঠানের প্রতি নয়। এ প্রেম সকলের প্রতি, সকলের জন্য_সার্বজনীন।

দূর্নীতির আর এক অর্থ সেবা গ্রহীতার প্রতি নিরপেক্ষতার অভাব।নিরপেক্ষতার অভাব সার্বজনীন প্রেমের প্রতিপূরক। সেবা গ্রহীতা কর্মচারীর আচরনে নিরপেক্ষতা খুঁজে পাবে। নীতির সঙ্গে নিরপেক্ষ প্রেম যুক্ত না থাকলে তা কখনও সুনীতি হতে পারেনা।

প্রেমের সঙ্গে নীতি ও আইনের যথাযথ প্রয়োগে সেবা গ্রহীতাগনের সেবা প্রদানই সুনীতি।

আমি নীতিবান তার অর্থ শুধু এই নয় যে, আমি অবৈধ অর্থ লেন-দেনে জড়িত নই! তার অর্থ এটাও যে, আমার প্রতিটি কাজ-কর্মে সার্বজনীন প্রেমের বিচ্ছুরন ঘটে এবং ঘটবে।

অতএব, নীতি ও নৈতিকার পূর্বশর্ত হলো প্রেম-ভালোবাসা। আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন। বিধির জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য বিধি। আইন ও বিধি প্রয়োগে অবশ্যই ভালোবাসার সংযুক্তি থাকতে হবে। কালো আইন ও বিধি অপসারনে নীতিবানদের এগিয়ে আসাও নৈতিকতারই অংশ।

10/10/2016

অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎঃ মস্তিষ্কের টাইমিং কানেকশন।

১.১ মানুষ অতি বুদ্ধিমান প্রানী কারন মানুষ অতীত এবং ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে পারে। বানর কিংবা অন্যকোন নিম্ন শ্রেনীর প্রানীর অতীত এবং ভবিষ্যৎ সময় জ্ঞান কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত। তাদের সময় জ্ঞান সীমীত হওয়ায় তাদের কল্পনা শক্তিও সীমীত।

১.২ মানুষের মস্তিষ্কের অগনিত নিউরন সেল যাতে রয়েছে অগনন সংখ্যক অতিপারমানবিক কনিকা যার সঙ্গে অতীত ও ভবিষ্যতের টাইমিং কানেক্টেড। মানব মস্তিষ্ক বর্তমানকে কল্পনা করেনা, বর্তমানকে পর্যবেক্ষণ করে এবং অতীত ও ভবিষ্যৎকে কল্পনা করে। সময়ের উভয়মুখী কল্পনাই তার ভৌত বাস্তবতা নির্ধারন করে। আর এই কল্পনা ব্যতীত মানব মস্তিষ্কে বাস্তবতার প্রতিফলন সম্ভব নয়। আর এই টাইমিং কানেকশনের পরিধিই তার অবজার্ভেশনে তার ভৌত বাস্তবতার আকার নির্ধারন করে দেয় এবং এই আকারের মধ্যেই পর্যবেক্ষণলব্ধ তথ্য, তথ্যসমূহ প্রাপ্ত সম্ভব হয় এবং সেমোতাবেকই তত্ত্ব গঠন করা সম্ভব হয়। আর তাই মানব মস্তিষ্ক কর্তৃক বাস্তবতার তাত্ত্বিক মডেল হবে মস্তিষ্কের টাইমিং কানেকশনের আওতা ও পরিধি মোতাবেক। একটি বানরের পক্ষে মহাবিশ্বের তত্ত্ব কিংবা মডেল গঠন করা সম্ভব হয়না কারন তার মস্তিষ্কের নিউরন সেলের অতীত-ভবিষ্যতের টাইমিং কানেকশনের পরিধি অতি ক্ষুদ্র ও নগন্য এবং তার কল্পনা শক্তিও সীমীত।এখানে উল্লেখ্য যে,সকল মানুষের মস্তিষ্কের অতীত-বর্তমানের টাইমিং কানেকশন সমান নয়; তদ্রূপ সকল মানুষের কল্পনা শক্তিও সমান নয়।

১.৩ কল্পনা শক্তি মনের গতি নির্ধারক। এ গতি সূক্ষ্ণতম অতি পারমানবিক কণিকার চেয়ে দ্রূততম যা কোয়ান্টাম ঘটনা প্রবাহে কোয়ান্টাম তথ্যের গতিময়তার সঙ্গে তুলনীয়। আর তাই মানুষ কল্পনায় বিগ ব্যাং এর পূর্বে কিংবা অন্যকোন মহাবিশ্বও গমনাগমন করতে পারে।

১.৪ মেডিটেশন কিংবা ধ্যান মানুষের কল্পনা শক্তিকেই শুধু বৃদ্ধি করেনা, মস্তিষ্ককে সুস্থ ও অধিকতর কর্মক্ষম করে এবং মস্তিষ্কের সঙ্গে অতীত-ভবিষ্যতের টাইমিং কানেকশনকে সম্প্রসারিত করে। আর তাই এই কল্পনার মহাত্ম ঘোষণা করেছিলেন আপেক্ষিক তত্ত্বের জনক আলবার্ট আইনস্টাইনঃ " Imagination is more important than knowledge. "

__Abu Momin

12/08/2016

রূপ ও রূপান্তরঃ

১.১ সৃষ্টি ও ধ্বংস বলতে কিছু নেই। আছে শুধু তার রূপ ও তার রূপান্তর। রূপের পরিবর্তন-পরিবর্ধন- বিবর্তনই জগতের সাধারন নিয়ম। রূপান্তর-আবর্তন-বিবর্তনই জগতের খেলা!

১.২ দ্রব্যকে জানতে জানতে উহা "নেই" হয়ে যায়। বস্তুকে জানতে জানতে উহা "শূন্য" হয়ে যায়। রূপের মহাত্ম আর থাকেনা। রূপহীনতা থেকেই রূপের সৃষ্টি আমাদের মেনে নিতে হচ্ছে!

১.৩ শূন্যতায় নিয়ম ক্রিয়াশীল হয়ে সকল ভর-শক্তি-চার্জ-স্পিন সৃষ্টি হচ্ছে; আবার সব গুলোর যোগফলে শূন্যই পাওয়া যাচ্ছে!

১.৪ কিন্তু কেন এই নিয়ম! তার কোন উত্তর নেই! সম্ভবত: এর উত্তর কখনও পাওয়া যাবেনা!!!

১.৫ আর তখনই ঈশ্বর চিন্তা আমাদের সামনে আসে!

১.৬ রূপ-গুনহীন ঈশ্বর নিয়ম ও নীতি হিসেবে জগতে প্রবিষ্ট হয়ে তার রূপের প্রকাশ ঘটাচ্ছে!

১.৭ জগত= শূন্য(০)+ নীয়ম ও নীতি; এই নিয়ম ও নীতিই ঈশ্বর। তবে এ ঈশ্বর লোকজ, ব্যবহারিক কিংবা ধর্মীয় ঈশ্বর নয়_দার্শনিক গড।

Address

Dhanbari/Islampur Road, Plot No. 03, Mouja: Haripur, Tangail
Dhanbari
1997

Telephone

+8801718968497

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when School of Applied Spiritual Science posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to School of Applied Spiritual Science:

Share