Kormo dhal - কর্ম ঢাল

Kormo dhal - কর্ম ঢাল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kormo dhal - কর্ম ঢাল, Business service, Gazipur Sadar, Gazipur.

দেশজুড়ে মাঠে ঘাটে খেটে খাওয়া কৃষক,শ্রমিকের ঘামেরও যেমন মূল্য রয়েছে সেই সাথে রয়েছে তার নিরাপত্তার অধিকার। কর্মঢাল কাজ করছে দেশের কৃষক-শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও সচেতনতা নিয়ে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ আমাদের অঙ্গীকার।

কৃষির সবুজ সাফল্যের আড়ালে কি লুকিয়ে আছে কোনো অদৃশ্য ঝুঁকি?আমাদের খাদ্যের প্রতিটি দানার পেছনে রয়েছে একজন কৃষকের শ্রম, ...
16/08/2026

কৃষির সবুজ সাফল্যের আড়ালে কি লুকিয়ে আছে কোনো অদৃশ্য ঝুঁকি?

আমাদের খাদ্যের প্রতিটি দানার পেছনে রয়েছে একজন কৃষকের শ্রম, ঘাম ও আত্মত্যাগ। কিন্তু সেই কৃষকের হাতেই যদি এমন কোনো উপাদান পৌঁছে যায়, যা তার জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে কৃষির অগ্রগতিকে নতুনভাবে ভাবতে হয়।

এই ঘটনা একটি বাস্তব উদাহরণ হল Paraquat.

Paraquat-এর উচ্চ বিষাক্ততার কারণে বিশ্বের অনেক দেশ এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে অথবা কঠোর নিয়ন্ত্রণের আওতায় এনেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, Paraquat বিষক্রিয়া মানবদেহে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবুও বাংলাদেশে এখনও Paraquat ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরে—

এত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ একটি কীটনাশক ব্যবহারের বাস্তবতায় আমরা কৃষকের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত করতে পারছি?

বাংলাদেশে আগাছা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত নন-সিলেক্টিভ হার্বিসাইডগুলোর মধ্যে Paraquat-এর ব্যবহার অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। ২০২৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কৃষি অঞ্চলে নন-সিলেক্টিভ পোস্ট-ইমার্জেন্স হার্বিসাইড ব্যবহারের ক্ষেত্রে Paraquat-এর অংশ ছিল প্রায় ৬৭%, যেখানে Glyphosate-এর অংশ ছিল ৩৩%। এই উচ্চ ব্যবহারের হার দেখায় যে, কৃষি উৎপাদনে Paraquat-এর ওপর নির্ভরতা এখনো অনেক বেশি।

সাম্প্রতিক আরেকটি গবেষণায় বাংলাদেশের Paraquat বিষক্রিয়ার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ২০১৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ১০টি তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতাল থেকে ১,৪২০টি বিষক্রিয়ার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে এবং বিশ্লেষণ করা রোগীদের মধ্যে মৃত্যুহার ছিল ৪৩.২%।

Paraquat নিষিদ্ধ হবে কি না—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। কোনো রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার ওপর।

কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে অপেক্ষা করার সুযোগ নেই—

Paraquat থাকুক বা ভবিষ্যতে বন্ধ হোক, কৃষকের নিরাপত্তা আজ থেকেই নিশ্চিত করতে হবে।

🌱 এই পরিবর্তনে কর্মঢালের ভূমিকা

কর্মঢাল বিশ্বাস করে, কৃষকের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে টেকসই কৃষি সম্ভব নয়। তাই আমাদের কাজ শুধু সচেতনতা তৈরি করা নয়; বরং মাঠপর্যায়ে কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ চর্চা গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের পথ তৈরি করা।

কর্মঢাল কাজ করতে পারে—

🔹 নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহারের প্রশিক্ষণ
কৃষকদের সঠিক মাত্রা, মিশ্রণ, স্প্রে করার সময়, বাতাসের দিক, সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

🔹 ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহারে উৎসাহ ও সহজলভ্যতা
গ্লাভস, মাস্ক, গগলস, বুট ও সুরক্ষা পোশাক ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং সহজলভ্যতার উদ্যোগ নেওয়া।

🔹 Integrated Pest Management (IPM) প্রচার
রাসায়নিক নির্ভরতা কমিয়ে জৈব নিয়ন্ত্রণ, ফেরোমোন ফাঁদ, উপকারী পোকা সংরক্ষণ ও পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি সম্প্রসারণ।

🔹 ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি
বিষক্রিয়ার লক্ষণ, জরুরি করণীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক সম্পর্কে কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি।

🔹 কৃষকের অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ
মাঠের বাস্তব সমস্যা, বিষক্রিয়ার ঘটনা ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নথিভুক্ত করে গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরা।

🔹 নীতিগত পরিবর্তনের পক্ষে সহায়ক ভূমিকা
গবেষক, কৃষি বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপদ বিকল্পের প্রসার এবং কৃষকবান্ধব নীতিমালা বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

কৃষক শুধু খাদ্য উৎপাদন করেন না—তারা আমাদের খাদ্য ব্যবস্থার ভিত্তি। তাই তাদের জীবন, স্বাস্থ্য ও মর্যাদা রক্ষা করা মানে আমাদের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা করা।

উৎপাদনশীল কৃষি তখনই সত্যিকারের সফল হবে, যখন সেই কৃষি কৃষকের জন্যও নিরাপদ হবে।

নিরাপদ কৃষকই নিরাপদ খাদ্য এবং টেকসই কৃষির সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।

কীটনাশক আইন বনাম মাঠপর্যায়ের কৃষকের সুরক্ষার বাস্তবতা। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (BARC) কীটনাশকের উৎপাদন ন...
05/08/2026

কীটনাশক আইন বনাম মাঠপর্যায়ের কৃষকের সুরক্ষার বাস্তবতা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (BARC) কীটনাশকের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ, আইন পর্যালোচনা এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কীটনাশকের সঠিক ও যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। একই সাথে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ বজায় রেখে জনস্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টিও সেখানে গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে নীতিনির্ধারণী এই আলোচনার বাইরেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায়—তা হলো সরাসরি কীটনাশক প্রয়োগকারী কৃষকের নিজস্ব স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ।

কীটনাশকের উৎপাদন, আমদানি, লাইসেন্সিং এবং বাজারজাতকরণ নিয়ন্ত্রণে যতই কঠোর আইন বা নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক না কেন, মাঠের আসল ছবিটা ভিন্ন। ভোরে ঘুম থেকে উঠে যখন একজন কৃষক ক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে করেন, তখন তার কাছে উৎপাদন আইন বা বিপণনের নীতিমালাগুলোর তেমন কোনো প্রভাব থাকে না।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাব এবং প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতির কারণে কৃষকরা কোনো ধরনের সুরক্ষা সরঞ্জাম (যেমন: মাস্ক, গ্লাভস বা প্রতিরক্ষামূলক পোশাক) ছাড়াই খালি হাতে ও উন্মুক্ত শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক স্প্রে করেন। এর ফলে বছরের পর বছর ধরে তারা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন। দীর্ঘমেয়াদে তাদের মধ্যে চর্মরোগ, শ্বাসকষ্ট, স্নায়ুবিক জটিলতা এবং ক্যানসারের মতো মারণব্যাধির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

অর্থাৎ, আইন ও উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাজারে কীটনাশকের সরবরাহ শৃঙ্খল ঠিক করা যতটা জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি হলো মাঠের সামনের সারির এই মানুষটির ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা। উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ আর কৃষকের সুরক্ষার এই মাঝখানের ব্যবধান বা শূন্যতাই মূলত খাদ্য নিরাপত্তার একটি বড় দুর্বলতা।

আইন প্রণয়ন বা উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মাঠের কৃষকের এই জীবনরক্ষাকারী সুরক্ষার ব্যবধানটি সফলভাবে পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে আমাদের প্রজেক্ট 'কর্মঢাল'। আমাদের মূল মন্ত্র—কৃষকের সুরক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সার্বিক কল্যাণ। 'কর্মঢাল' যেভাবে এই পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠতে পারে:

ব্যবহারিক সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ: শুধু আইন বা নিয়মের কথা না বলে, কৃষকদের সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া যে স্প্রে করার সময় মুখ ও হাত ঢাকা কেন জরুরি, কোন সময়ে বা আবহাওয়াতে স্প্রে করা নিরাপদ এবং ভুল পদ্ধতির কী ধরনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
সুরক্ষা সামগ্রী সহজলভ্য করা: কৃষকদের সাধ্যের মধ্যে বা উদ্যোগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) যেমন—মাস্ক ও গ্লাভস পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা, যাতে তারা সরাসরি বিষাক্ত ছোঁয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারেন।
নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব চর্চা: কৃষকদের শুধু রাসায়নিক কীটনাশকের ওপর অন্ধ নির্ভরতা কমিয়ে জৈব বা পরিবেশবান্ধব বালাই ব্যবস্থাপনার (IPM) দিকে উদ্বুদ্ধ করা, যা একই সাথে কৃষক, মাটি এবং প্রকৃতি উভয়ের জন্যই নিরাপদ।
কীটনাশক আইনের সঠিক পর্যালোচনা এবং উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ যেমন একটি সুশৃঙ্খল বাজার গড়তে সাহায্য করে, তেমনি কৃষকের নিজের জীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষা না হলে কোনো কৃষিব্যবস্থাই টেকসই হতে পারে না। এই দুইয়ের সুষম মিলবন্ধন ঘটিয়ে কৃষকদের নিরাপদ ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে প্রজেক্ট 'কর্মঢাল'।

একটি সফল কমিউনিটি প্রজেক্ট কখনো ই শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কিছু মানুষের একক চেষ্টায় সফল হয় না, এর পেছনে প্রয়োজন হয় একঝাঁক নি...
19/07/2026

একটি সফল কমিউনিটি প্রজেক্ট কখনো ই শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কিছু মানুষের একক চেষ্টায় সফল হয় না, এর পেছনে প্রয়োজন হয় একঝাঁক নিবেদিত প্রাণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
​বিগত ২ মাস ধরে 'কর্মঢাল'-এর পাইলট প্রজেক্ট বাস্তবায়নে যারা পর্দার আড়াল থেকে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন, তারা হলেন আমাদের অত্যন্ত প্রিয় ও ডেডিকেটেড ভলান্টিয়ার টিম। আপনাদের প্রতিটি কাজের পেছনে থাকা আন্তরিকতা, শ্রম আর ভালোবাসার জন্য টিম 'কর্মঢাল' আপনাদের জানাচ্ছে গভীর কৃতজ্ঞতা ও মন থেকে সাধুবাদ! 💚

​প্রথম অনলাইন ভলান্টিয়ার মিটিং:
এই সুন্দর পথচলাকে আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করতে সম্প্রতি আয়োজন করা হয়েছে আমাদের প্রথম অনলাইন ভলান্টিয়ার মিটিং। মিটিংয়ে ভলান্টিয়ারদের চমৎকার সব অভিজ্ঞতা ও মতামত আমরা শুনেছি। একই সাথে, আগামী দিনগুলোতে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে কে কোন দায়িত্ব পালন করবেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে।

​আমাদের প্রতিশ্রুতি ও স্বপ্ন:
আমাদের এই পথচলা এখানেই শেষ নয়; বরং এটি মাত্র শুরু! আপনাদের এই উদ্যম আর ভালোবাসাকে সাথে নিয়েই কর্মঢালের প্রতিটি স্বপ্ন ডানা মেলবে। আমরা বিশ্বাস করি, আজকের এই ছোট্ট সূচনাই একদিন বড় পরিসরে আমাদের দেশের মূল চালিকাশক্তি—কৃষক তথা খাদ্য নিরাপত্তার কারিগরদের টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। আপনাদের হাত ধরেই আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবো।
​ভলান্টিয়ারদের এই নিঃস্বার্থ শক্তিই আমাদের আগামী দিনের অনুপ্রেরণা।

​🌾 কৃষকের পাশে থাকুন,
🛡️ কর্মঢালের সাথেই থাকুন।

​

প্রকৃতির সুরক্ষায় কৃষকের হাতেই আসুক পরিবেশবান্ধব সমাধানকৃষিনির্ভর বাংলাদেশে মাটি ও প্রকৃতির সাথে কৃষকের সম্পর্ক নাড়ির। ক...
15/07/2026

প্রকৃতির সুরক্ষায় কৃষকের হাতেই আসুক পরিবেশবান্ধব সমাধান

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে মাটি ও প্রকৃতির সাথে কৃষকের সম্পর্ক নাড়ির। কিন্তু আধুনিক কৃষিকাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার, বালাইনাশক এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক সামগ্রীর অপরিকল্পিত ব্যবহার আমাদের উর্বর মাটিকে করছে বন্ধ্যা, আর দূষিত করছে ভূগর্ভস্থ পানি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই চরম সময়ে এসে এখন সময় হয়েছে কৃষিকে ঢেলে সাজানোর—প্রকৃতির সুরক্ষায় আমাদের বেছে নিতে হবে পরিবেশবান্ধব বা ইকো-ফ্রেন্ডলি পণ্য।

কেন জরুরি এই পরিবর্তন?

মাটির স্বাস্থ্যের সুরক্ষা: রাসায়নিক কৃষি সামগ্রীর অতিরিক্ত ব্যবহার মাটির অণুজীব ও জৈব উপাদান নষ্ট করে ফেলে। পরিবেশবান্ধব জৈব সার ও প্রাকৃতিক বালাইনাশক মাটির উর্বরতা দীর্ঘস্থায়ী করে।
ভূগর্ভস্থ পানির নিরাপত্তা: ক্ষতিকর রাসায়নিক ধুয়ে বৃষ্টির পানির সাথে মিশে আমাদের পানির উৎসগুলোকে বিষিয়ে তুলছে। পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে পানির গুণগতমান বজায় রাখা সম্ভব।

জীববৈচিত্র্য রক্ষা: বালাইনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে উপকারী পোকামাকড় ও পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ইকো-ফ্রেন্ডলি পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে পারি।



'কর্মঢাল' যেভাবে পথ দেখাচ্ছে

আমরা বিশ্বাস করি, কৃষক কেবল উৎপাদনের কারিগর নন, তিনি প্রকৃতির রক্ষকও বটে। 'কর্মঢাল' কৃষকের স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি কৃষিজমিতে পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে।

আমাদের ভিশন হলো— ১. প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস: আমরা কৃষকদের জন্য এমন সব সেফটি কিট ও সরঞ্জাম সরবরাহে গুরুত্ব দিচ্ছি, যা টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি। এটি কৃষকের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের দূষণ কমাবে। ২. নিরাপদ কৃষি সরঞ্জাম: কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া 'থার্মাল সেফটি হ্যাট' এবং বিশেষ গামবুটগুলো যেন পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব না ফেলে, সেদিকে আমরা সচেষ্ট। ৩. সচেতনতা সৃষ্টি: আমরা কৃষকদের বোঝাতে চাই যে, পরিবেশের ক্ষতি করে যে ফসল ফলে, তা শেষ পর্যন্ত মানুষ ও প্রকৃতি উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

আগামীর অঙ্গীকার

প্রকৃতি বাঁচলে তবেই বাঁচবে কৃষি। রাসায়নিকের বিষ থেকে মাটিকে মুক্ত করে এবং পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা কেবল ফসলই উৎপাদন করব না, বরং আগামীর প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাব।

একজন কৃষক যখন তার মাঠে পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহার করেন, তখন তিনি কেবল নিজের জমির নয়, বরং পুরো দেশের পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করেন। চলুন, পরিবেশবান্ধব কৃষির এই লড়াইয়ে আমরা সবাই যুক্ত হই, আর কৃষকের হাতে তুলে দিই আধুনিক অথচ প্রকৃতিবান্ধব এক 'কর্মঢাল'।

আপনার মাঠ, আপনার ফসল—আসুন রক্ষা করি আমাদের প্রাণের প্রকৃতি।

জলবায়ু পরিবর্তন বনাম কৃষকের বাঁচার লড়াই 🚫জলবায়ু পরিবর্তন এখন কৃষকের নিত্যদিনের নির্মম বাস্তবতা। বিগত এক দশকে অনিয়মিত বৃ...
02/07/2026

জলবায়ু পরিবর্তন বনাম কৃষকের বাঁচার লড়াই 🚫

জলবায়ু পরিবর্তন এখন কৃষকের নিত্যদিনের নির্মম বাস্তবতা। বিগত এক দশকে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘ তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও খরার কারণে কৃষি খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।বলা যায় জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার আমাদের কৃষি ও কৃষক। ২০২৪ সালে প্রকাশিত Economic Valuation of Loss and Damage in the Crop Sector of Bangladesh গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৫–২০২০ সময়ে জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৬৪.৩৩ শতাংশের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। কৃষি খাতে গড় বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রায় ৭৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চলুন দেখে আসি জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী কৃষকদের কিছু বাস্তব চিত্র :

🔴বর্তমানে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ১০ লক্ষ হেক্টরেরও বেশি জমি অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে! গবেষণায় দেখা গেছে, নোনা পানির কারণে উপকূলীয় এলাকায় ধানের উৎপাদন প্রায় ২০-৩০% পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।

🔴উত্তরবঙ্গে (বারিন্দ ট্র্যাক্ট) ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাওয়ায় বোরো ধানের সেচ খরচ প্রায় ৩০-৪০% বেড়ে গেছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক বছরগুলোর তীব্র তাপপ্রবাহের (Heatwave) কারণে মাঠে ফসলের 'হিট শক' বা পরাগায়ন ব্যাহত হওয়ার হার প্রায় ১০-১৫% বেড়ে গেছে।

🔴২০২২ এবং ২০২৪ সালের বন্যায় দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে লাখ লাখ টন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের প্রায় ৮০% ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক নতুন করে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

🛡️ সেফটি প্রজেক্ট 'কর্মঢাল' এসকল সমস্যার ঢালস্বরুপ কাজ করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে:

✅”টিম কর্মঢাল” বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে কৃষকদের পরিচয় করাবে লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত(বিনাধান-১৪, ব্রি ধান-৬৭), কম সময়ের ফসল (১১০-১২০ দিনের জাত), ড্রিপ ইরিগেশন (ফোঁটা ফোঁটা সেচ) এবং কম পানির উচ্চমূল্যের ফসল যেমন কুইনোয়া (Quinoa) চাষ।

✅লবণাক্ত মাটি ও দীর্ঘক্ষণ নোনা পানিতে কাজ করার কারণে উপকূলের প্রায় ৭০% কৃষক মারাত্মক চর্মরোগ, নখের ইনফেকশন এবং গ্যাস্ট্রিক ও উচ্চ রক্তচাপের (নোনা পানির সংস্পর্শের কারণে) মতো দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভোগেন। 'কর্মঢাল' এখানে কৃষকদের জন্য বিশেষায়িত সেফটি কিট (যেমন: ওয়াটারপ্রুফ অ্যান্টি-স্লিপ গামবুট ও লং-গ্লাভস) সরবরাহ নিশ্চিত করছে। নোনা পানির ক্ষতিকর রাসায়নিক ও শারীরিক প্রভাব থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে 'কর্মঢাল' একটি মানবিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক 'ঢাল' হিসেবে কাজ করছে।

✅কৃষকদের তীব্র রোদে কাজ করার নিরাপদ সময়সূচী (Shift Management) এবং রোদে পোড়া থেকে বাঁচতে কর্মঢাল নিয়ে এসেছে বিশেষ 'থার্মাল সেফটি হ্যাট' বা ক্যাপ, যা কৃষকের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি (Occupational Health Hazards) অনেকাংশে কমিয়ে আনে।

আমরা বিশ্বাস করি আজকের একটি ছোট্ট সূচনাই হতে পারে কৃষকের মুখের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হাসি আর খাদ্য নিরাপত্তার ভিত।

কিছুদিন আগে হঠাৎ ই যখন মাঠে চোখ পড়ে দেখেছিলাম অনেকজন ওয়ার্কার কাজ করছে প্রচন্ড রোদ এবং কাঠফাটা গরমেও নিরলস পরিশ্রম তারা ...
29/06/2026

কিছুদিন আগে হঠাৎ ই যখন মাঠে চোখ পড়ে দেখেছিলাম অনেকজন ওয়ার্কার কাজ করছে প্রচন্ড রোদ এবং কাঠফাটা গরমেও নিরলস পরিশ্রম তারা করে যাচ্ছে শুধু মাত্র আমাদের মতো মানুষের মুখে তিন বেলা সময় মতো অন্ন যোগান দেওয়ার জন্য।

তবুও কখনো কেউ ভেবে দেখছে না দিনশেষে তাদের স্বাস্থ্য এবং দৈন্দিন এই কষ্টের কথা।
যেখানে ৫ মিনিট রোদে হেটে যেতে আমরা হাপিয়ে উঠি সেখানে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
শুধু তাই নয় বিষাক্ত কীটনাশক, অথবা রাসায়নিক সারের মতো দ্রব্যাদি তারা ব্যবহার করছে বিনা গ্লাভস এ খালি হাতে,মুখে থাকছে না কোন মাস্ক।
শ্বাসকষ্ট, জটিল চর্মরোগের মতো নানাবিধ সমস্যায় সম্মুখীন হচ্ছে তারা।

সেই ভাবনা থেকেই পথ চলা শুরু হয়েছিল কমিউনিটি বেসড সোস্যাল বিজনেস প্রজেক্ট "কর্মঢাল" এর।

আজ তাই সেই মাঠের অবস্থা ভিন্ন।
দূর থেকে তাকালেই দেখা যাচ্ছে এক দল কৃষক কাজ করেছে মাঠে,তাদের মুখে মাস্ক,হাতে গ্লাভস এবং মাথায় টুপি।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সামান্য এই অবদান থেকেই শুরু হতে পারে ব্যতিক্রমী এক নতুন যাত্রা।
আজকের সুরক্ষা আগামীর সম্ভাবনা এই প্রত্যেয়ে এগিয়ে যাবে "কর্মঢাল"।💚

এবার যদি ছোট্ট একটা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া হয়!
আপনার এলাকা বা ফার্মের কৃষকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে আপনি অবগত তো?

বিগত ২৬ শে জুন উত্তরা ব্রাক লার্নিং সেন্টারে Amra Notun Network Fellowship Training-এর Graduation এবং Final Pitch Day এর...
27/06/2026

বিগত ২৬ শে জুন উত্তরা ব্রাক লার্নিং সেন্টারে Amra Notun Network Fellowship Training-এর Graduation এবং Final Pitch Day এর দিন টি ছিল কর্মঢাল টিম এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উৎসব মুখর একটি দিন। এক মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ ও দুই মাসের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আমাদের শুধু নতুন অভিজ্ঞতাই দেয়নি, বরং একটি বাস্তব সমস্যাকে নতুনভাবে দেখার এবং তার সমাধানে কাজ করার সাহসও দিয়েছে।

এই পথচলায় Team Kormodhal বিশ্বাস করেছে—দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মূল চালিকাশক্তি আমাদের "কৃষক" অথচ কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক, অতিরিক্ত রোদ ও অন্যান্য পেশাগত ঝুঁকির কারণে প্রতিনিয়ত তারা নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখোমুখি হন। সেই ভাবনা থেকেই Project Kormodhal-এর যাত্রা শুরু- লক্ষ্য কৃষকদের নিরাপদ কৃষিচর্চা, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষিকাজজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।

Graduate Fellow হিসেবে আজকের এই সার্টিফিকেট শুধু একটি অর্জনের স্বীকৃতি নয়; এটি আমাদের দায়িত্বকে আরও গভীরভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা আশাবাদী, Project Kormodhal-কে আরও পরিপূর্ণ ও কার্যকর উদ্যোগে রূপ দিয়ে কৃষকদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে সামনের দিনগুলোতেও কাজ করে যাব।

প্রজেক্ট কর্মঢাল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে সম্মানিত ফ্যাসিলেটর তাসমিম তুবা আপু, কো ফ্যাসিলেটর চৈতী আপু, ফারজানা ত্রীভি আপু এবং পুরো প্রজেক্টের ছায়াসংগী মেন্টর আফিয়া তাহমিন জাহিন আপুকে, যাদের দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা এই পুরো যাত্রাকে অর্থবহ করেছে।

একই সঙ্গে ধন্যবাদ Team Kormodhal-এর প্রতিটি সদস্য এবং সকল ফেলো মেম্বারকে। প্রশিক্ষণের প্রতিটি ক্লাস থেকে শুরু করে দুই মাসের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে আপনাদের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণই এই অর্জনের ভিত্তি।

এটি কোনো সমাপ্তি নয়—এটি এমন এক অঙ্গীকারের শুরু, যেখানে প্রতিটি নিরাপদ কৃষিচর্চা একজন কৃষকের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে, আর প্রতিটি সচেতনতা ভবিষ্যতের একটি নিরাপদ ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তোলে। 🌱

'প্রজেক্ট কর্মঢাল'-এর ১ম দিনে আমরা আলোচনা করেছিলাম কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও তাপপ্রবাহ (Heat Stress) মোকাবিলা নিয়ে। এবং ২...
22/06/2026

'প্রজেক্ট কর্মঢাল'-এর ১ম দিনে আমরা আলোচনা করেছিলাম কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও তাপপ্রবাহ (Heat Stress) মোকাবিলা নিয়ে। এবং ২য় দিনের ট্রেনিংয়ে আমরা সেই সচেতনতাকে বাস্তবে রূপ দিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলাম।
​মাঠের প্রতিকূল পরিবেশে কৃষকদের পেশাগত নিরাপত্তা (Occupational Safety) নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণার্থী কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে অত্যাবশ্যকীয় সুরক্ষা সামগ্রী— মাস্ক, গ্লাভস এবং টুপি।
​শুধু উপকরণ দেওয়াই নয়, এই সুরক্ষা সামগ্রীগুলো কীভাবে তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

​ টুপি (Hat): তীব্র রোদ ও সরাসরি তাপপ্রবাহ থেকে মাথাকে রক্ষা করতে এবং 'হিট স্ট্রোক'-এর ঝুঁকি কমাতে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

​সেফটি মাস্ক (Mask): মাঠে কাজ করার সময় ক্ষতিকর ধুলাবালি, পরাগরেণু এবং কীটনাশকের বিষাক্ত বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করা রোধ করে।

​গ্লাভস (Gloves): মাটি, ধারালো কৃষিসরঞ্জাম এবং রাসায়নিক সারের সরাসরি সংস্পর্শ থেকে হাতকে সুরক্ষিত ও সংক্রমণমুক্ত রাখে।

​জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে সবার আগে প্রয়োজন আমাদের কৃষকদের সুরক্ষিত রাখা। এই সুরক্ষা সামগ্রীগুলো কেবল কিছু উপকরণ নয়, বরং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার এক একটি ঢাল। 🛡️

​কৃষকের হাত সুরক্ষিত থাকলে, সুরক্ষিত থাকবে আমাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা। আসুন, আমাদের খাদ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তিদের পাশে দাঁড়াই। ✨

দুপুরের কাঠফাঁটা প্রখর রোদ। কাঁধে স্প্রে মেশিন, হাতে কীটনাশক নিয়ে কাজ করে চলেছেন একজন কৃষক।  কিন্তু তাঁর হাতে নেই গ্লাভস...
21/06/2026

দুপুরের কাঠফাঁটা প্রখর রোদ। কাঁধে স্প্রে মেশিন, হাতে কীটনাশক নিয়ে কাজ করে চলেছেন একজন কৃষক। কিন্তু তাঁর হাতে নেই গ্লাভস, মুখে নেই মাস্ক, চোখে নেই কোনো সুরক্ষা। ফসলকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি প্রতিদিন অজান্তেই নিজেকে উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন এক নীরব ঝুঁকির সামনে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা “Pesticide Exposures Towards Health and Environmental Hazard in Bangladesh” এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশের অধিকাংশ কৃষক কীটনাশক প্রয়োগের সময় পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহার করেন না। ফলে ত্বক, শ্বাসতন্ত্র ও চোখের মাধ্যমে ক্ষতিকর রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।সাম্প্রতিক গবেষণা “Understanding About Pesticide Handling Practice and Acute Pesticide Poisoning Among Farmers in Bangladesh” এ দেখা গেছে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কৃষক কীটনাশক ব্যবহারের পর মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমিভাব, চোখে জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্ট ও ত্বকের জটিলতার মতো বিষক্রিয়াজনিত সমস্যার সম্মুখীন হন।জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সংস্থাটির হাসপাতালে যত রোগী ভর্তি হয়েছেন তাদের উপরে একটি জরিপ করেছে।গত ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত জরিপে দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সংস্থাটির হাসপাতালে যত পুরুষ রোগী ভর্তি হয়েছেন - তাদের মধ্যে ৬৪ শতাংশই নানা ভাবে কৃষি কাজের সাথে জড়িত।আর নারী-পুরুষ মিলিয়ে যত ক্যান্সার রোগী ভর্তি হয়েছেন - তাদের ৩৪ শতাংশই পেশায় কৃষির সাথে জড়িত।হাসপাতালটিতে ২০১৫ সালে ভর্তি পুরুষ ক্যান্সার রোগীর মধ্যে কৃষকদের সংখ্যা ছিল ৬০ শতাংশ।এরপর থেকে প্রতি বছর কৃষকদের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা উর্ধমুখী হতে দেখা যাচ্ছে জরিপে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমরা সবাই সচেতন অথচ এই খাদ্য নিরাপত্তার ভিত কৃষকদের নিয়েই আমরা উদাসীন। এই উদাসীনতাকে দূর করতে আর কৃষক সমাজকে নিরাপত্তা দিতে তাদের প্রয়োজন একটি মাস্ক, একজোড়া গ্ল্যাভস,সুরক্ষা চশমা, PPE। কর্মঢাল তাই সূচনা করতে যাচ্ছে এক পরিবর্তনের ধারা যেখানে কৃষকের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তার নিশ্চিত করা হবে।

Meet the Minds Behind Kormodhal! 🌱✨​An organization is only as strong as the passion, dedication, and vision of the peop...
19/06/2026

Meet the Minds Behind Kormodhal! 🌱✨

​An organization is only as strong as the passion, dedication, and vision of the people leading it. Today, we are incredibly proud to introduce the brilliant team driving Kormodhal forward—the strategists, executors, and visionaries working behind the scenes to turn our mission into reality.

Together, we are sowing the seeds for a brighter, more sustainable, and empowered tomorrow.
Let's welcome the team, and stay tuned for the exciting journey ahead!💚

Address

Gazipur Sadar
Gazipur
1706

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kormo dhal - কর্ম ঢাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share