আস-শেফা বনাজী ঘর

  • Home
  • আস-শেফা বনাজী ঘর

আস-শেফা বনাজী ঘর বিশ্বাস হলো ব্যবসার মুল পুজি। আমরা সততা আর ন্যায়ের সাথে আপনাদের সাথে আছি। I am social marketing manager, I have sell and buy products from creating area.

I always honestly service our all costumers and audience. Pleas supports and help me with follow and like.

এই পোষ্টটি শেয়ার করে আপনার ওয়ালে রাখুন , আপনার এবং বন্ধু বান্ধদের কাজে আসবে ইনশাল্লাহ।ঔষধি গাছ: চেনা যে একুশটি বৃক্ষ, লত...
09/04/2025

এই পোষ্টটি শেয়ার করে আপনার ওয়ালে রাখুন , আপনার এবং বন্ধু বান্ধদের কাজে আসবে ইনশাল্লাহ।

ঔষধি গাছ: চেনা যে একুশটি বৃক্ষ, লতা, গুল্ম, পাতা, ফুল ও ফলের রয়েছে রোগ সারানোর ক্ষমতা

প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের আশেপাশে থাকা অনেক গাছপালা, উদ্ভিদ বা তরুলতা নানা ঔষধি কাজে মানুষজন ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ওষুধের ক্ষেত্রে এসব গাছ-গাছড়ার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

বাংলাদেশের গবেষকরা বলছেন, আমাদের আশেপাশে থাকা অনেক গাছের ঔষধি গুণ রয়েছে। গ্রামাঞ্চলের মানুষজন এগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্যবহার করে এলেও এখন তাদের গবেষণায় এগুলোর নানা গুণাগুণ দেখতে পেয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ''পৃথিবীজুড়ে ৫০ হাজারের ওপর এমন গাছ ও উদ্ভিদ রয়েছে, যা মানুষ নানা কাজে ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করে। বাংলাদেশেও এরকম প্রায় ১৫০০ প্রজাতির তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৮০০ প্রজাতির গাছ ও উদ্ভিদের ঔষধি ক্ষমতার প্রমাণ আমরা পেয়েছি।''

এর অনেক গাছই আমাদের ঘরের আশেপাশে, অযত্নে, অবহেলায় বড় হয়ে ওঠে। আবার সংরক্ষণের অভাবে অনেক গাছ ও উদ্ভিদ এখন হারিয়ে যেতেও বসেছে।

বহুকাল ধরে গ্রামে গঞ্জের মানুষ ঔষুধ হিসাবে ব্যবহার করে আসছেন, এরকম গাছপালা নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন ড. তাহমিনা হক। সেখানে তিনি ৪৬৭ জনের ওপর গবেষণা করেছেন।

তিনি বলছেন, ''ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, সেখানকার মানুষ অন্তত ২৪৭টি উদ্ভিদ নানা ধরণের ঔষধি কাজে ব্যবহার করে। বিশেষ করে ৭৩টির মতো শারীরিক সমস্যায় তারা এসব গাছের নিয়মিত ব্যবহার করেন। সব মিলিয়ে আমরা দেখতে পেয়েছি, এসব গাছপাতার ৪৮৫ ধরণের কাজে ব্যবহার করা হয়।''

তিনি বলছেন, এর অনেকগুলো গাছের গুণাগুণের বিষয়টি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। আবার গবেষণায় এখনো প্রমাণিত না হলেও অনেক উদ্ভিদ বা তরুলতা ব্যবহারকারীরা বলছেন, তারা সেগুলো ব্যবহার করে উপকার পেয়েছেন।

ড. হক গ্রামেগঞ্জে ঔষধি হিসাবে যেসব গাছপালা, উদ্ভিদ বা তরুলতার ব্যবহার দেখতে পেয়েছেন, সেরকম কয়েকটি এখানে তুলে ধরা হলো:
পেট খারাপের জন্য জবা গাছের পাতা ও ফুল গরম ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়।

১. মেন্দা
এই গাছটি বাংলাদেশের অঞ্চলভেদে চাপাইত্তা, কারজুকি, রতন, খারাজুরা নামেও পরিচিতি রয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এখনো পেটের পীড়া, রক্ত-আমাশা হলে পাতা বেটে পানিতে মিশিয়ে দুইবেলা খাওয়া হয়। ড. তাহমিনা হক বলছেন, গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

এই গাছের বাকল ও পাতা উভয়ই ব্যবহার করা হয়। একসময় হাড় ভেঙ্গে গেলে ছালের মিশ্রণ স্থানীয়ভাবে প্লাস্টারিংয়ে ব্যবহার করা হতো। অনেক সময় বুকের ব্যথার জন্য মালিশ করা হয়।

২. বনধনে
পেটের ব্যথা ও ডায়রিয়ার ওষুধে কার্যকর। ঘা-পাঁচড়ার ক্ষেত্রে পাতার মিশ্রণ লাগানো হয়।ভাট ফুল বা বনজুই: কৃমিনাশক এবং ডায়রিয়ার জন্য কাজ করে। কাচা হলুদের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে খাওয়ানো হয়।

3. ভাট ফুল বা বনজুঁই
কৃমিনাশক এবং ডায়রিয়ার জন্য কাজ করে। কাঁচা হলুদের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। যাদের চর্ম রোগ রয়েছে, তারা এই ফুলের রস মালিশ করে উপকার পেয়েছেন।

৪. নিম
ডায়াবেটিসের রোগীরা অনেকে নিমের পাতা শুকিয়ে ছোট ছোট ট্যাবলেট বানিয়ে সকাল বিকেল খেয়ে থাকেন। এছাড়া বহুকাল থেকে চিকেন পক্স, চামড়ার অ্যালার্জির মতো সমস্যায় নিমের পাতা গরম পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পোকা মাকড়ের কামড়ের ক্ষত হলে, সেখানে নিম আর হলুদের রস একসাথে মিশিয়ে লাগানো হয়। দাঁতের ব্যথার জন্য নিমের ডালের রস ব্যবহার করা হয়।

৫. তুলসী
এটি বাংলাদেশের অনেকের কাছেই একটি পরিচিত নাম। বিশেষ করে গ্রামের অনেক বাড়িতেই দেখা যায়। সর্দিজনিত রোগে এই গাছটির পাতা খাওয়া হয়। অনেকে চায়ের সঙ্গেও ভিজিয়ে খান। বলা হয়ে থাকে, তুলসী পাতা ভেজে ঘি দিয়ে নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

৬. চিরতা
এটি অনেক স্থানে কালমেঘ নামেও পরিচিত। ডায়াবেটিস রোগীরা খেয়ে থাকেন। পাতাগুলো গুড়ো করে পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে অনেকে খান। পেট খারাপ, ডায়রিয়া, জ্বর ও বাত ব্যথার ক্ষেত্রে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া হয়।বিলিম্বির ভালোমন্দ উভয় গুণই রয়েছে

৭. পাথরকুচি
গ্রামে একটা প্রচলিত ধারণা আছে, পাথরকুচি কিডনির পাথর ভাঙ্গতে সহায়তা করে, যদিও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি। তবে ব্যবহারকারীরা গবেষকদের কাছে বলেছেন, জ্বর ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় পাথরকুচির পাতা বেটে খেয়ে তারা উপকার পেয়েছেন। চামড়ার অ্যালার্জির জন্যও এটি বেটে ব্যবহার করা হয়। ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় পাথরকুচির পাতার রস ব্যবহার করা হয়।

৮. তকমা
হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক ও ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে।

৯. কেশরাজ বা কালোকেশী
ভারত উপমহাদেশে বহুকাল ধরেই চুলের যত্নে এই গুল্মজাতীয় গাছটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি চুল পড়া বন্ধ করতে সহায়তা করে বলে বিশ্বাস করা হয়। ড. তাহমিনা হক বলছেন, গবেষণার সময় অনেকে বলেছেন, মেয়েদের মাসিকের সমস্যায় অনেকে পাতার রস খেয়ে থাকেন। বৈজ্ঞানিকভাবে এটা ছত্রাকরোধী বা অ্যান্টিফাঙ্গাল হিসাবে প্রমাণিত হয়।ঠাণ্ডার জন্য, ফুসফুসের নানা সমস্যায় বাসক পাতার রস ফুটিয়ে সেই রস বা পানি খাওয়ানো হয়।

১০. বাসক
ঠাণ্ডার জন্য, ফুসফুসের নানা সমস্যায় বাসক পাতার রস ফুটিয়ে সেই রস বা পানি খাওয়ানো হয়। শ্বাসনালীর সমস্যায় লালাগ্রন্থিকে বাসকের রস সক্রিয় করে বলে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে। তবে অধিক মাত্রায় খেলে বমি ভাব হতে পারে।

১১. অর্জুন
এই গাছের মূল, ছাল, কাণ্ড, পাতা, ফল ও ফুল ঔষধি হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হৃদরোগ, বুকে ব্যথার জন্য অর্জুনের ছাল গুড়ো করে খেয়ে থাকে। অর্জুনের গুড়ো বাসক পাতার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়। মচকে গেলে বা হাড়ে চিড় ধরলে রসুনের সঙ্গে মিশিয়ে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

১২. রিফিউজি লতা
এটি একেক অঞ্চলে একেক নামে পরিচিত। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র এই লতা গাছটি দেখা যায়। কেটে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে সহায়তা করে।

১৩. জবা
পেট খারাপের জন্য জবা গাছের পাতা ও ফুল গরম ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। জন্ডিসের জন্য পাতার জুস খাওয়া হয়। ফুলের রস নারীরা মাসিক ও স্রাবজনিত সমস্যার জন্য খেয়ে থাকেন।

১৪. লজ্জাবতী
অনেকে একে লাজুক লতা বা অঞ্জলিকারিকাও বলে থাকেন। এই গাছের শেকড় বেটে গুড়ো করে ডায়রিয়ার জন্য খাওয়া হয়ে থাকে। পাতা ঘা-পাঁচড়া নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। গাছের পাতা ও ফুল বেটে শরীরের ক্ষতের স্থানে ব্যবহার করা হয়। বাতজ্বর বা হাড়ের ব্যথায়ও এই গাছটি বেটে দিলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া আমাশয়, হাত-পায় জলুনির জন্য অনেকে লজ্জাবতী গাছের মিশ্রণ ব্যবহার করেন।পথেঘাটে অনাদরে অযত্নে জন্ম নিলেও দূর্বা ঘাস একেবারে ফেলনা নয়

১৫. দূর্বা ঘাস
মাঠে, ঘাটে, রাস্তার এই ঘাস অবাধে জন্মালেও অনেকেরই এর ঔষধি গুণের কথা জানা নেই। রক্তক্ষরণ, আঘাতজনিত কেটে যাওয়া, চর্ম রোগে এই ঘাসের রস অনেক উপকারী। কোথাও কেটে গেলে এই পাতার রস লাগালে রক্তপাত তাৎক্ষণিক বন্ধ হয়ে যায়। এতে অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বলে গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

১৬. ধুতুরা
এটা এখন বিলুপ্তির পথে। এটা অনেকে অ্যাজমার জন্য ব্যবহার করতেন। পাতা শুকিয়ে গুড়ো করে ধোয়া তৈরি করে সেটা শোকা হতো।সাধারণ যেকোনো পেটের ওষুধের জন্য থানকুনি পাতা কার্যকরী।

১৭. থানকুনি
এটি সম্ভবত বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি ঔষধি উদ্ভিদ। খুবই সাধারণ যেকোনো পেটের ওষুধের জন্য থানকুনি পাতা কার্যকরী। এটা পাতা বেটে রস বা ভর্তা করে খাওয়া হয়। এই পাতা হজম শক্তি বাড়ায়, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে, চুল পড়া কমায়, ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

১৮. স্বর্ণলতা
জন্ডিস নিরাময়, তলপেটের ব্যথা কমানো, ও ক্ষত উপশমে এই লতা কাজ করে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। লতা সেদ্ধ করে পানি খাওয়া হয়। এই লতার পানি পিত্তনাশক ও কৃমি দমনে সহায়তা করে। ব্যাকটেরিয়া দমনেও এটি সহায়ক। তবে এই পাতার রস অনেক সময় গর্ভপাত, বা প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দেয় বলেও ধারণা আছে।স্বর্ণলতা অনেকে কাছে আগাছা মনে হলেও এরও রয়েছে বিশেষ গুণ

১৯. শতমূলী
শতমূলী উচ্চমানের ফলিক এসিড ও পটাশিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস। এতে ফাইবার, ভিটামিন এ ও ভিটামিন বি রয়েছে। এটি বন্ধ্যাত্ব নিরাময় ও শক্তিবর্ধক হিসাবে কাজ করে। সেই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

২০. বিলিম্বি
কামরাঙ্গা গোত্রের একটি ফল হলেও এটি আলাদা ধরণের একটি ফল। এই ফল ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে প্রমাণিত। গবেষণায় দেখা গেছে, এর ভেতরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। চুলকানি নিরাময়, মাম্পস, চামড়া ফাটা, যৌনরোগ চিকিৎসায় অনেক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক এই গাছের ফল ও পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে যাদের কিডনির রোগ রয়েছে, তাদের জন্য এই ফল বা পাতা ক্ষতিকর।উচ্চ রক্তচাপ ও লিভারের বিভিন্ন ওষুধে সাজনার পাতা ও ফল ব্যবহার হয়।

২১. সাজনা
উচ্চ রক্তচাপ ও লিভারের বিভিন্ন ওষুধে সাজনার পাতা ও ফল ব্যবহার হয়। মনে করা হয়, সাজনা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কাচা রসুনের সঙ্গে সাজনা গাছের পাতা একসাথে মিলিয়ে খেয়ে বাতের ব্যথা উপশম হয়। এছাড়া এই গাছের পাতা ও ফল অনেক পুষ্টিকারক বলে গবেষণায় দেখা গেছে। রুচি বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে বহুকাল ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে বিশ্বাস রয়েছে।

এছাড়া আমলকি, হরিতকী, বহেরার মতো ফলগুলো ঔষধি হিসাবে বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

এই পোষ্টটি শেয়ার করে আপনার ওয়ালে রাখুন , আপনার এবং বন্ধু বান্ধদের কাজে আসবে ইনশাল্লাহ।

৩৫টি ঔষধি গাছের নাম ও উপকারিতাগাছ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশের নাম। কিন্তু আমরা কি ঔষধি গাছের নাম ও উপকারি...
09/04/2025

৩৫টি ঔষধি গাছের নাম ও উপকারিতা
গাছ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশের নাম। কিন্তু আমরা কি ঔষধি গাছের নাম ও উপকারিতা সম্পর্কে জানি? আমাদের এক প্রকৃত বন্ধু হলো গাছ। সৃষ্টির শুরু থেকে আমাদের নানা উপকারের অন্যতম মাধ্যম হলো গাছ। কি না দেয় এই গাছ?
আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করা থেকে শুরু করে, দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যের যোগান, জৈবিক চাহিদা পূরণ, ঘর সাজসজ্জা কাজে, বিরল রোগ থেকে উদ্ধারে পরিপূর্ণরূপে ভূমিকা পালন করে থাকে গাছ। এক কথায় গাছের উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। গাছ যে আমাদের নানা ধরণের রোগ মোকাবেলায় ভূমিকা পালন করে তা কি আপনারা জানেন?
এমন বহু গাছ রয়েছে যারা আমাদের নানা ধরনের রোগ থেকে উদ্ধার করতে ভূমিকা পালন করে। কিন্তু, আমরা কয়জন সেই সকল ঔষধি গাছ পরিচিতি জানি? তাই, আপনাদের সুবিধার্থে আজ কিছু ঔষধি গাছের নামের তালিকা তুলে ধরব আপনাদের সামনে।
আশা করি আজকের লিখাটির মাধ্যমে ঔষধি গাছের নাম ও উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
১. স্বর্ণলতা
স্বর্ণলতাস্বর্ণলতা প্রায় নির্দিষ্ট একটি সময় আগাছারূপে বিভিন্ন গাছে ঝুলে থাকা লতাগুলো কার না ভালো লাগে! ঝুলে থাকা সেই সোনালী লতাগুলোকে স্বর্ণলতা নামে পরিচিত। এটি যে শুধুমাত্র আগাছারূপে ব্যবহৃত হয় তা কিন্তু নয়। বরং এর রয়েছে নানা ধরণের উপকারিতা।
স্বর্ণলতা গাছের উপকারিতা
জন্ডিস নিরাময়ে বেশ কার্যকরী এই আগাছা।
তলপেটে ব্যথা এবং ক্ষত উপশমে বেশ কার্যকরি এই আগাছা ।
কৃমি দমনে এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই আগাছা।
২. শতমূলী
শতমূলীর উপকারিতা
বন্ধ্যাত্ব নিরাময়ের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী হলো এই শতমূলী।
শক্তিবর্ধক হিসেবে ভূমিকা পালন করে এই বৃক্ষ।
উচ্চ রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এই শতমূলী।
৩. থানকুনি
এটি একটি জনপ্রিয় খাবার উপাদান হলেও এটি ওষুধি গুণসম্পন্ন একটি উদ্ভিদ। চলুন তাহলে জেনে আসি এর উপকারিতা সম্পর্কে ।
থানকুনির উপকারিত
পেটের নানা সমস্যা প্রতিরোধে বেশ কার্যকরি এই উপাদান।
হজম শক্তি বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর এটি।
কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী এই।
চুল পড়া কমাতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করে এই ঔষুধ।
বিভিন্ন ধরণের ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহ্রত হয় এই ঔষুধ।
৪. ধুতরা
বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে হলেও এর রয়েছে বেশ ঔষুধ গুনাগুন। ধুতুরা গাছের প্রায় সকল অংশই বিষাক্ত। তবে এর কিছু উপকারিতাও রয়েছে।
এজমার সমস্যা প্রতিরোধে।
যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।
বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা প্রতিরোধে।
৫. দূর্বা ঘাস
রাস্তাঘাটে এই ঘাসের অবাধ বিচরণ থাকলেও এর রয়েছে নানা ধরণের ঔষুধি গুন। সেই প্রাচীনকাল থেকে কোথাও হাত পা কেটে গেলে দূর্বা ঘাস ব্যবহার করা হতো।
দূর্বা ঘাসের উপকারিতা
রক্তক্ষরণ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী ।
চর্ম রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা অত্যাধিক।
এন্টি অক্সিডেন্ট সম্পন্ন এই ঘাস রূপচর্চার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৬. লজ্জাবতী
একধরনের ছোট পাতার কাঁটাওয়ালা গাছ যার ভিতর সাদা কিংবা গোপালী ফুল হয় তাকে আমরা লজ্জাবতী হিসেবে চিনে থাকি। তবে এই ফুল শুধুমাত্র জংলী ফুল হিসেবে খ্যাত, তা কিন্তু নয়। এই গাছের রয়েছে নানা ধরণের ঔষুধি গুনাগুন।
লজ্জাবতী গাছের উপকারিতা
ডায়রিয়া রোগ উপশমে বেশ কার্যকর হলো এই উদ্ভিদ।
হাত পায়ে বিভিন্ন ঘা নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
হাত পায়ের ব্যাথায় এই গাছ বেশ কার্যকর।
আমাশয় কিংবা হাত পায়ের জ্বলা ভাব প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে এই গাছ।
৭. জবা
শুধুমাত্র এটা কোনো ফুল গাছ হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। বরং এই গাছ ঔষধি গাছ হিসেবে বেশ কার্যকরী।
জবার উপকারিতা
পেট খারাপ নিরাময়ে এই জবা বেশ উপকারী।
জন্ডিস প্রশমনে এই গাছ বেশ কার্যকারী।
নারীদের রজঃচক্রের সমস্যা সমাধানে এবং স্রাবজনিত সমস্যায় এই গাছ বেশ কার্যকরি।
৮. রিফিউজি লতা
বিভিন্ন বনজঙ্গলে কিংবা গাছগাছালি পূর্ণ অঞ্চলে দেখা মাইল এই লতা গাছের। তবে এটি শুধুমাত্র জঙ্গল হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে।
রিফিউজি লতা উপকারিতা
রক্তপাত বন্ধে বেশ কার্যকর হলো এই লতা গাছটি।
নানা ধরনের খোসপাঁচড়া সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকরী এই লতাগাছ।
৯. অর্জুন
এটি মূলত একটি বনাজী গাছ তা আমরা সবাই জানি। মূল, কান্ড, লতা, ফুল, ফল সব কিছুই খুবই উপকারী।
অর্জুন এর উপকারিতা
হৃদরোগের ব্যাথা প্রশমনে বেশ কার্যকর এই ঔষুধ।
যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর এই ঔষুধ।
মচকে যাওয়া কিংবা হারের ব্যথা প্রশমনে বেশ কার্যকরী এই বৃক্ষ।
১০. বাসক
একটি ঔষুধি বৃক্ষ হিসেবে বাসক এর চর্চা রয়েছে প্রায় সর্বস্তরে সমাদৃত।
বাসক এর উপকারীতা
ঠান্ডার জন্য বেশ কার্যকরী এই পাতা।
ফুসফুসের নানা ধরণের সমস্যা প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে এই ঔষুধ।
শ্বাসনালীর সমস্যায় বেশ কার্যকরী এই পাতা।
১১. বিলম্ব
কামরাঙ্গা গোত্রের একটি ফল হলো বিলম্ব কিংবা বিলম্বি। বাংলাদেশে দুই জেলা কুমিল্লা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে এর দেখা মিলে প্রচুর। এটি শুধুমাত্র একটি ফল যে তা কিন্তু নয়। বরং এর রয়েছে নানা ধরণের ঔষুধি গুন। চলুন তাহলে বিলম্ব কিংবা বিলম্বি উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি।
বিলম্ব ফলের উপকারিতা
ডায়বেটির কিংবা বহুমূত্র রোগ প্রতিরোধে এই ফল ভূমিকা পালন করে।
এর মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে এন্টি অক্সিডেন্ট যা চুলকানি নিরাময়, মাম্পস, চামড়া ফাটা প্রতিরোধে কার্যকরী এই ফল।
নানা ধরণের যৌনরোগ চিকিৎসায় এই গাছের ফল এবং পাতা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
১২. কালোকেশী
নানা উপকারী গুণসম্পন্ন একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ হলো কালোকেশী। বহু গুণসম্পন্ন এই উদ্ভিদের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি।
কালোকেশীর উপকারিতা
চুল পড়া বন্ধ করতে বেশ কার্যকরী হলো এই গাছ।
মেয়েদের মাসিকের সমস্যা প্রতিরোধে বেশ ভূমিকা পালন করে এই বৃক্ষ।
ছত্রাকনাশক হিসেবে বেশ কার্যকর এই বৃক্ষ।
১৩. তকমা
নানা গুণসম্পন্ন তোকমার উপকারিতা:
ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর হলো এই তোকমা।
হজমশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এই তোকমা।
১৪. পাথরকুচি
ঘরের শোভাবর্ধনের ক্ষেত্রে পাথরকুঁচির ব্যবহার সম্পর্কে আমরা জানি কিন্তু পাথরকুচির ঔষুধি গুনাগুন সম্পকে আমরা কয়জন জানি?
পাথরকুঁচির উপকারিতা
জ্বর কিংবা পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় বেশ কার্যকরি এই উদ্ভিদ।
চামড়ার এলার্জির জন্য এটি খাওয়া উচিত।
ঠান্ডা জনিত সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর এই উদ্ভিদ।
১৫. চিরতা
অনেক ঔষধি গুণসম্পন্ন একটি উদ্ভিদ হলো চিরতা।
চিরতার উপকারিতা
ডায়বেটিক প্রশমনে বেশ কার্যকর এটি।
ডায়রিয়া রোগ প্রশমনে এ বেশ কার্যকরী এটি।
জ্বর কিংবা বাতজ্বর এ উপকারি গাছ।
পেট খারাপ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই গাছ।
১৬. তুলসী
বাসা বাড়িতে সকলের খুব পরিচিত একটি গাছ হলো তুলসী। তুলসীর গুনাগুনের কথা তাই এক বাক্যে বলে শেষ করা যাবে না।
তুলসির উপকারিতা
ঠান্ডা প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই গাছ।
নিযমিত তুলসী খেলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে।
১৭. নিম
যুগ যুগ বহুগুন সম্পন্ন নিম গাছ আমাদের উপকার করে আসছে।
নিমের গুণাগুণ
ডায়বেটির রোগীদের ক্ষেত্রে ডায়বেটিক প্রশমনে বেশ কার্যকর হলো এই পাতা।
চিকেন পক্স, চামড়ার এলার্জির মতো সমস্যায় বেশ কার্যকরী এই গাছ।
দাঁতের ব্যাথা প্রশমনে বেশ কার্যকরী হলো এই গাছ।
পোকা মাকড়ের কামড়ের ক্ষত হলে বেশ কার্যকরী এই গাছ।
১৮. বনজুঁই
ভাঁটফুল কিংবা বনজুঁই জংলী ফুল হিসেবে আমরা প্রায় সবাই চিনি।
বনজুঁয়ের উপকারিতা
কৃমিনাশক কিংবা ডায়রিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর হলো এই গাছ।
চর্মরোগ প্রতিরোধে যে মালিশ বেশ কার্যকরী।
১৯. বনধনে
একটি বনজ ফুল হিসেবে খ্যাত এই গাছ নানান ধরণের রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী।
বনধনের উপকারিতা
পেটের ব্যাথা প্রশমনে অনেক কার্যকরী।
ডায়রিটা প্রতিরোধে এই গাছ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
বিভিন্ন ধরণের ঘা প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই ওষুধ।
২০. মেন্দা
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এক এক স্থানে পরিচিত এই ঔষধি গাছ।
মেন্দার উপকারিতা
পেটের পীড়া ,রক্ত আমাশয় প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকরী হলো এই উদ্ভিদ।
ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী হলো এই ওষুধ।
হাড় ভাঙ্ঘায় ব্যাথা প্রশমনে এই গাছ বেশ উপকারী।
২১. সাজনা
মজাদার সবজি হিসেবে পরিচিত হলেও এর ডাটা ঔষুধ হিসেবে বেশ কার্যকরী।
সাজনার উপকারিতা
উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই গাছ।
লিভারের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই ঔষুধ।
বাতের ব্যথা উপশমে বেশ কার্যকরী এই ঔষুধ।
রুচি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী এই ডাটা।
২২. রোজমেরি
অন্যতম এবং জনপ্রিয় একটি সুগন্ধি গাছ হলো রোজমেরি। কিন্তু এটি শুধু সুগন্ধি যে তা কিন্তু নয়। বরং এর পাশাপাশি এর রয়েছে নানা ধরণের ঔষুধি গুনাগুন।
রোজমেরির উপকারিতা
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর হলো এই উদ্ভিদ।
ডিপ্রেশন প্রতিরোধে বেশ কার্যকর হলো এটি।
রক্ত সংবহন এবং রক্তনালী প্রশমনে ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
ত্বকের ব্রণের সমস্যা প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী একটি।
২৩. লেমন বাম
গুগল জাতীয় জংলী একটি উদ্ভিদ হলো লেমন বাম। এটি জংলী হলেও এর রয়েছে নানা ধরণের ওষুধি গুনাগুন।
লেমন বামের উপকারিতা
এটি স্নায়ুকে আরাম দিয়ে মস্তিষ্কের চাপ কমায়।
এটি চা হিসেবে পান করলে মানসিক প্রসন্নতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
ক্ষতস্থান ঠান্ডা করতে বেশ কার্যকর হলো লেমন বাম।
২৪. চামোমিলে
চামোমিলের উপকারিতা
প্রদাহ রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী এই ফুল।
কোলেস্টেরল এবং রক্তে উচ্চচাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এটি।
বিভিন্ন প্রসাধনীতে এর ঔষুধি ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
২৫. হলুদ
বেশ যুগ যুগ ধরে নানা একটি মসলা হিসেবে ব্যবহার করলেও এর রয়েছে নানা ধরণের ঔষুধি গুনাগুন।
হলুদের উপকারিতা
ব্রণ প্রতিরোধ এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী হলো হলুদ।
হৃদরোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকর এই হলুদ।
দুধের সাথে নিয়মিত হলুদ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
২৬. আদা
একটি কার্যকরী ওষুধি গুনাগুন সম্পন্ন মসলা হলো আদা।
আদার উপকারিতা
সর্দি কাশি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা করে আদা।
আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আদা।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আদা।
২৭. সেজ গাছ
খাবারের সুগন্ধ বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী হলো এই সেজ গাছ। তবে পাশাপাশি এর রয়েছে নানা ধরণের ঔষুধি গুনাগুন।
সেজ গাছের উপকারিতা
ক্রনিক রোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই ঔষুধ।
বাতাস বিশুদ্ধ কারণে বেশি ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
২৮. পেপারমিন্ট
এটি একটি সুগন্ধিযুক্ত উদ্ভিদ যার রয়েছে পাশাপাশি ঔষুধি গুনাগুন।
পেপারমিন্ট এর উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ প্রতিরোধে এটি ব্যবহার করা হয়।
শ্বাসকষ্ট আক্রান্ত রোগীদের জন্য বেশ কার্যকর এটি।
এলার্জি হ্রাস করতে ভূমিকা পালন করে।
২৯. শিউলি
শিউলি একটি ফুল হলেও সৌরভ ছড়ানোর পাশাপাশি এর রয়েছে নানা ধরবে ঔষুধি গুনাগুন।
শিউলির উপকারিতা
চুল পড়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর হলো শিউলি।
কাশি ও জ্বর প্রতিরোধে বেশ কার্যকর হলো শিউলি।
ম্যালেরিয়া ও অন্ত্রের চিকিৎসায় বেশ কার্যকর হলো এই ঔষুধ।
৩০. আমলকি
একটি ফল হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত হলেও এর রয়েছে অনেক ধরণের ঔষুধি গুনাগুন।
আমলকির উপকারিতা
চোখের দৃষ্টি শক্তি উন্নত করতে বেশ কার্যকর হলো আমলা।
শরীরের ওজন কমাতে বেশ কার্যকর হলো আমলা।
ডায়বেটিক রোগীদের জন্য আমলা খুব কার্যকর।
হাড় ও দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে আমলা বেশ কার্যকর।
৩১. ঘৃতকুমারী
সৌন্দর্য চর্চার ক্ষেত্রে বহুকাল ধরে ব্যবহার করা হলেও এর রয়েছে পাশাপাশি নানা ধরণের ঔষুধি গুনাগুন।
ঘৃতকুমারীর উপকারিতা
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী হলো এই ঔষুধ।
পাকস্থলীর সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকরী হলো এই ঔষুধ।
ডায়বেটিক রোগীদের জন্য বেশ কার্যকরী হলো ঘৃতকুমারী।
দাঁত ও দাঁতের মাড়ির সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকরী হলো ঘৃতকুমারী।
৩২. অশ্বগন্ধা
একটি আয়ুর্বেদিক বা ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে সারা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হরে সমাদৃত হলো অশ্বগন্ধা।
অশ্বগন্ধা উপকারিতা
ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর হলো এই অশ্বগন্ধ্যা
আর্থ্রাইটিস এর উপসর্গ রাখতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে অশ্বগন্ধা।
মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বেশ ভূমিকা পালন করে এই অশ্বগন্ধা।
হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
৩৩. মেথি
মেথির উপকারিতা
মানব দেহের ওজন হ্রাস করে বেশ ভূমিকা পালন করে মেথি।
পাকস্থলী সুস্থ রাখতে ভূমিকা পালন করে।
শ্বাসনালীর রোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী হলো মেথি।
৩৪. শতভরি
হিমালয়ের পাদদেশে জন্মানো একটি উদ্ভিদ হলো শতভরি। মূলত রন্ধন শিল্পে ব্যবহৃত হলেও এর রয়েছে নানা ধরণের উপকারিতা রয়েছে।
শতভারির উপকারিতা
যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
মানসিক চাপ কমাতে বেশ কার্যকরী এই উদ্ভিদ।
রক্তে শর্করার পরিমান কম রেখে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
৩৫. সাদা মুসলি
ভারতবর্ষে জন্মানো একটি ঔষুধি গুনাগুন সম্পন্ন উদ্ভিদ হলো সাদা মুসলি।
সাদা-মুসলির উপকারিতা
শরীরে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী হলো সাদা মুসলি।
হৃদরোগ ও শরীরে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
ত্বকের পরিচর্যার ক্ষেত্রে বেশ উপকারী এই উদ্ভিদ।
উপসংহার
এই ছিল আজকে ঔষধি গাছের নাম ও উপকারিতা নিয়ে লেখা। এইরকম লক্ষ লক্ষ গাছ আমাদের আশেপাশে ছড়িয়ে আছেন। সেসব, ঔষধি গাছের নামের তালিকা দিয়ে শেষ করা যাবে না। চলুন আমরা এই সকল ঔষুধ গ্রহণ করি, নিজে সুস্থ থাকি এবং সেই সাথে পরিবারের সবাইকে সুস্থ রাখি।

আপনি কি বিবাহিত?👉 বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন?👉শারীরিক ভাবে দুর্বল?👉 রোগা-পাতলা শরীর?👉 অল্প পরিশ্রমে অনেক ক্লান্ত হয়ে য...
09/04/2025

আপনি কি বিবাহিত?
👉 বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
👉শারীরিক ভাবে দুর্বল?
👉 রোগা-পাতলা শরীর?
👉 অল্প পরিশ্রমে অনেক ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন।
তাহলে আমাদের এই ফর্মুলাটি আপনার জন্য।
🔥কারণ আমরা তৈরি করেছি প্রায় ৫৪ টি ভেষজ গাছ-গাছারার উপাদান দিয়ে আমাদের এই হালুয়া।
যা বহু গুণে ভরপুর। এটি পরিক্ষিত এবং আলহামদুলিল্লাহ ১০০% কার্যকর,
যেমনঃ-
🍁এটি পুরুষ এর হারানো (যৌ)- (ব)-( ন) ফিরিয়ে আনে।
🍁মি-ল-ন চাহিদা বহু গুণে বৃদ্ধি করে।
🍁নিস্তেজ অ-ঙ্গ কে সবল করে তোলে।
🍁রোগা পাতলা শরীর কে শক্তিশালি করে তোলে।
🍁শারীরিক ক্লান্তি দুর করে।
🍁শারীরিক দুর্বলতা দুর করে।
🍁ভালো ঘুমের জন্য কার্যকর
🍁খাবারের গ্রহনের চাহিদা বৃদ্ধি করে।
🍁শরীরের ফিটনেস ধরে রাখে।
🍁বিশেষ অং- ঙ্গে- র কার্যক্ষমতা বহু গুণে বৃদ্ধি করে।
🍁শু-ক্রানুর পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
🍁বী+র্য গাঢ় করে। করে।
👉আমাদের প্রতিটি ভেষজ উপাদান নিজেরাই উৎপাদন, প্রস্তুত, ও সরবরাহ করি,৷ তাই ভেজাল হওয়ার কোন সুযোগ নাই।
👉আমাদের হালুয়া তৈরীর উপকরণ সমুহ।
১। কোরিয়ার জিনসেং পাউডার
২। অশ্বগন্ধা পাউডার
৩ আলকুশি পাউডার
৪। শতমুল পাউডার
৬। শিমুল মুল পাউডার
৭। তালমূল পাউডার
৮। আকর কর পাউডার
৯। রুহি মস্তকি।
১০। সবেদ মুসলি
১১। মুকাদ্দাস
১২। তেঁতুল চূর্ণ
১৪। হস্তিপলাশ
১৫। কেয়া মূল।
১৬। ভুই কুমরা।
১৭। কাবাব চিনি
১৮। আমচূর্ণ
১৯। শংখ মুল।
২০। বীর্যমনি
২১। আদা গুরা
২১। দারুচিনি গুরা
২২। বুনো চাকের মধু
২৩। খাঁটি ঘী
২৪। জয়ফল
২৫। জাম বীজ পাউডার
এছাড়াও সর্বমোট ৫০+ ভেষজ পাউডার।
নিজেদের সংগ্রহ করা ভেষজ থেকে তৈরি পাওয়ার হালুয়া । ষ্টক শেষ হবার আগেই সংগ্রহ করুন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : পণ্যের মান নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে পণ্য পরিবর্তন অথবা মূল্য ফেরত যোগ্য।আপনার যে কোন পরামর্শ বা উপদেশ সাদরে গ্রহন করা হবে। যা নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

👉স্পেশাল পাওয়ার হালুয়া’এর মূল্য :

🔴 ১ কেজি ২১০০/- টাকা,

🔴 ৫০০ গ্রাম ১২০০ টাকা,



🔴 হালুয়া খাওযার নিয়ম :

১। সকালে খালি পেটে ২ চামুচ।
২। রাতে খাওয়ার পর ভরা পেটে ২ চামুচ।

👉 সাথে দুধ ও হাঁসের ডিম খেলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

অর্ডার কনফার্ম করার জন্য কল করুন ::

☎ মোবাইল / হোয়াটস এপপ্স / ইমো # 01710038004
—————————————————————————————

👉ঢাকা সিটিতে পণ্য হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করবেন।
👉ক্যাশ অন ডেলিভারী Cash on Delivery (COD).

🔴অর্ডার করার জন্য, আমাদের মোবাইলের ইনবক্সে মেসেজ সেন্ড করুনঃ

১.১ নাম #

১.২.ঠিকানা (বিস্তারিত) # বাড়ী নম্বর # কত তলা/ফ্লাট নম্বর # , রোড নম্বর # ,থানার নাম #

( লোকেশনের কাছাকাছি পরিচিত স্থান/বাজার/স্কুলের নাম)

২.১ আপনার মোবাইল নম্বর (সম্ভভ হলে )

২.২ ২য় কন্টাক্ট পারসনের নাম ও মোবাইল নম্বর

৩. প্রোডাক্ট এর নাম ,কোড অথবা ছবি ও পরিমান

[ মেসেজ পাঠানোর পর আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করে অর্ডার কনফার্ম করবো ]
=========================================

🟥ঢাকা সিটিতে ডেলিভারি চার্জ নুন্যতম ৮০ টাকা ( অতিরিক্ত ওজনে প্রতি কেজির জন্য ১৫ টাকা হারে ডেলিভারি চার্জ বৃদ্ধি পাবে)।

🟥ঢাকা সিটির বাইরে কুরিয়ার থেকে ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা ( অতিরিক্ত ওজনে ডেলিভারি চার্জ বৃদ্ধি পাবে )।

🟥ঢাকা সিটির বাইরে জেলা বা উপজেলায় হোম ডেলিভারি চার্জ ১৫০ টাকা ( অতিরিক্ত ওজনে প্রতি কেজির জন্য ৩০ টাকা হারে ডেলিভারি চার্জ বৃদ্ধি পাবে)।

🔴ঢাকা সিটির বাইরে থেকে অর্ডারটি নিশ্চিত করতে পণ্যের সম্পুর্ন মুল্য 🔴 এডভান্স প্রযোজ্য বিকাশ, নগদ ও রকেট অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে। ( COD তে ক্যাশ কালেকশনে ১% চার্জ দিতে হবে । বিকাশ, নগদ ও রকেট চার্জ প্রযোজ্য)

🛑Bkash : 01706694556 ( Personal )

🛑Nagad : 01710038004 ( Personal )

🛑মোবাইলে অর্ডার দিতে কল করুন ::☎ মোবাইল / হোয়াটস এপপ্স / ইমো # 01710038004

[ সকাল ১০টা থেকে রাত ১০ টার মধ্যে, ফোনে না পেলে এস এম এস দিয়ে রাখুন 01710038004 নম্বরে ]

Address

Holding#135, Block-D, Riaznagar

1702

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আস-শেফা বনাজী ঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Business?

Share