29/03/2020
আমি আজমান। ২৪ বছরের যুবক একটা ঔষধ কোম্পানিতে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্তিভ চাকরি করতাম। চাকরির কারনে আমাকে সবসময় ডাক্তারদের ভিজিট করতে হত। একদিন শহরের এক নামকরা নিউরোলজির ডাক্তারের চেম্বারে গেলাম তাকে ভিজিট করতে। ডাক্তার এক রোগীকে দেখছিল, আমি ওয়েটিং রুমে বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। আমি বসে ডাক্তারের সহযোগীর সাথে গল্প করতে লাগলাম। তখন প্রায় রাত ৮.৩০ টা বাজে। এমন সময় এক অসাধারণ সুন্দর আর সেক্সি ছেলে এক মহিলা কে নিয়ে( এই মহিলা ঐ ছেলের মা পরে জানতে পারি) নিয়ে ঢুকল। ছেলেটার বয়স ১৯/২০ হবে। লম্বা প্রায় ৫’৮” উফ অনেক সেক্সি ফিগার । যেন একটা সেক্স বম্ব। আমি তার দিকে চেয়ে রইলাম। সে একটা হাফ হাতার বডি ফিট টি শার্ট আর একদম স্কিন টাইট কালো রংয়ের প্যান্ট পড়েছে। এই ড্রেসে তাকে অসম্ভব সেক্সি দেখাচ্ছিলো। তার পাছাটা তাকিয়ে থাকার মতো। দুইটা ফুটবলের মতো। ওর এই পাছা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিলো। ছেলেটা আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল, আপনি কি ডাক্তার ফারহানের স্যারের কাছে এসেছেন? আমিও ভদ্রভাবে হুম সম্মতি জানিয়ে আমার পরিচয় দিলাম তাকে।সে ও তার পরিচয় দিলো।জানতে পারলাম তার নাম সাদ্দাম।
ডাক্তারের সহযোগী তখন ওর ফাইল চেক করে বলল আপনাকে আগে সিরিয়াল দিয়ে আসতে হবে, সিরিয়াল ছাড়া ফারহান স্যার প্যাশেন্ট দেখতে পছন্দ করে না। সাদ্দাম বলল, না ভাই প্লিজ আমাকে আজ একটু ব্যাবস্থা করে দিন। কিন্তু সহযোগী বলছে না স্যার আজকে কোনভাবে সম্ভব না। এবার সাদ্দাম কাউন্টারের এসে একটু ঝুকে আমার দিকে তাকিয়ে কেমন একটা সেক্সি হাসি দিয়ে বলল, আপনি একটু চেষ্টা করে দেখেন না। আমি তার ভরাট পাছাটা একদম কাছ থেকে দেখছিলাম। আমার ধন প্যান্টের ভিতর শক্ত হয়ে উঠল। আমি ভাবলাম এর সাথে খাতির হলে মনে হয় কিছু লাভ হবে। আমি বললাম, আপনি একটু বসেন ডাক্তার ফ্রি হলে আমি আলাপ করে দেখি। কিছুক্ষন পর ডাক্তার ফ্রি হলে আমি তার রুমে গিয়ে বললাম, আমার এক পরিচিত রুগী আছে আপনাকে আজ একটু সময় দিতে হবে।
যেহেতু ডাক্তারদের আমরা অনেক সুযোগ সুবিধা দেই তাই সে তার সহযোগীকে ঢেকে সব চেক করে আমাকে বলল, ১০ মিনিট পর আপনি আপনার রোগী কে নিয়ে আমার রুমে চলে আসবেন তখন আমি সময় দিতে পারব। আমি এসে সাদ্দাম কে জানালাম। ও অনেক খুশি হলো।সাদ্দাম কে বললাম আন্টি কে বাসায় পাঠিয়ে দাও। একা একা বসে থাকতে উনার খারাপ লাগছে।আমি থাকবো তোমার সাথে। সমস্যা হবে না।সাদ্দামের মা চলে গেলো। আমি ১০ মিনিট পরে সাদ্দামকে নিয়ে ফারহান স্যারের রুমে ঢুকলাম। উনি আমাদের বসতে বললেন। এবং আমি সাদ্দামকে আমার দূরসম্পর্কের ভাই পরিচয় দিলাম। ফারহান স্যার তখন সাদ্দামকে ওর সমস্যার কথা জানতে চাইলো।তখন সাদ্দাম জানালো জিম এ ওয়েট মারতে গিয়ে নাকি কোমড়ে ব্যথা পেয়েছে। এখন কয়েকদিন ধরে ব্যথা কমছে না। ফারহান স্যার ওকে বলল বেডে শুতে। কিছু জিনিস চেক করতে হবে।আমি উঠে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দিলাম। তখন সাদ্দাম গিয়ে বেডে শুয়ে পড়লো। ডাক্তার ওর কোমড়ে বন্ড টেস্টার দিয়ে টেস্ট করবে কিন্তু ওর টাইট প্যান্টের জন্য ঠিকভাবে টেস্ট করতে পারছিলো না। ফারহান স্যার ওকে ওর প্যান্ট টা একটু নিচে নামিয়ে দিতে বলল। সাদ্দাম ইতস্তত করছে। ও খুলছিলো না হয়ত লজ্জা পাচ্ছিলো। তখন স্যার আমাকে বলল আপনি এসে একটু খুলে দিয়ে যান। আপনার ভাই মনে হয় লাজুক অনেক। আমি তো মহা খুশি আমি বললাম, আমরা আমরাই তো লজ্জার কি আছে বলে সাদ্দামের প্যান্টের বেল্ট হুক চেইন খুলে ওর প্যান্ট টা নিচে নামিয়ে দিলাম। নেভি ব্লু রংয়ের একটা বক্সার জাঙ্গিয়া পড়েছিলো। উফফ ওর পা গুলো কি ফর্সা অপূর্ব লাগছিলো। ফারহান স্যার যখন ওর কোমড় টেস্ট করছিলো আমি খেয়াল করলাম উনি ইচ্ছাকৃত ভাবে সাদ্দামের পাছায় টিপে দিচ্ছিলো ফাকে ফাকে। এদিকে সাদ্দামের ধন ও ফুলে উঠলো। ফারহান স্যার হঠাৎই সাদ্দামের জাঙ্গিয়া খুলে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু সাদ্দাম বাধা দিলো ফারহান স্যার তখন বললেন এটাও খুলতে হবে। আমি হা করে উনার কান্ড দেখছি। আমার এক হাতে ধন টিপাটিপি করছি। সাদ্দাম চোখ বন্ধ করে ফেলল আমি চলে রুম থেকে চলে যেতে চাইলে ডাক্তার ফারহান আমাকে বলল সমস্যা নেই তো আপনি তো ওর ভাই। ভাইয়ের সামনে এত লজ্জা কিসের। আমিও তাই বসে ছিলাম। ফারহান স্যার এক ঝটকায় সাদ্দামের জাঙ্গিয়া টা খুলে ফেলল। আর ওমনি সাদ্দামের ফুলে থাকা ধনটা লাফিয়ে উঠলো। ওয়াও ওর ধন টা অস্থির। একদম গোলাপী মুন্ডি আর ধনের উপর হালকা বাল। ওর শরীর দেখে আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না। ডাক্তার তখন ওর ধন খপ করে ধরে বলে ব্যাপার কি সাদ্দাম সাহেব। আপনার ধনটা একদম উত্তেজিত। নিয়মিত কি মাস্টারবেট করেন? সাদ্দাম উত্তর দিলো না স্যার মাঝে মাঝে করি। আমি দেখতে পেলাম ডাক্তার ফারহানের প্যান্টের উপর দিয়ে ধনটা শক্ত হয়ে দাড়িয়ে আছে। উনার কান লাল হয়ে যাচ্ছে।বুঝতে আর বাকি রইলো না ডাক্তার সাহেব এখন আর উনার মধ্যে নেই। থাকবেই বা কি করে।? সাদ্দামের এই পোদ দেখলে কারোরই মাথা ঠিক থাকবে না। উনি সাদ্দামের পাছা টিপা শুরু করলো। সাদ্দাম কিছুই বলতে পারছিলো না শরমে। আমি তখন তার মাথার সামনে গিয়ে দাড়িয়ে তার ঠোঁটে চুমু দিলাম। সাদ্দাম আতকে উঠলো। সরে যেতে চাইলো আমি দিলাম না। শক্ত করে ওর মাথা ধরে ওর ঠোঁট চুষে দিলাম। ওদিকে ডা. ফারহান ওর টি শাট গলা পর্যন্ত উঠিয়ে দিয়ে ওর বুকে পেটে কিস করছিলো। ওর দুধের বোটা মুখে নিয়ে চুষা শুরু করলো। আমি সাদ্দামের কানের লতি গলা সব খানে চুষে ওকেও হট করে দিলাম। একটু একটু সাদ্দাম ও শায় দিচ্ছে। আমি গিয়ে ডা. ফারহানের জাঙ্গিয়াসহ পুরো প্যান্ট শার্ট খুলে দিলাম। উনার ধন টাও দেখার মতো। উনার ধনটা মুখে নিয়ে চোষন দিলাম। উনার সাথে লিপ কিসিং করে। সাদ্দামের ডান হাতে উনার ধনটা ধরিয়ে দিলাম। ডা. ফারহান আর সাদ্দাম লিপ চুষছে। আমি সাদ্দামের পাছা টিপে একদম লাল টমেটো বানিয়ে দিলাম। ডা. ফারহান আর থাকতে না পেরে উনার ধনে জেল মেখে সাদ্দামের পাছার খাঁজে ধনটা উপর-নিচে ঘষতে লাগলো। আর বলতে লাগলো সাদ্দাম বাবু রেডি হও আজ তোমায় করা ডোজ দিব সারাজীবন মনে থাকবে। সাদ্দাম নিতে রাজি হচ্ছিলো না। বারবার সরে যেতে চাইলো। কিন্তু পারলো না। আমি ওকে শক্ত করে ধরে রেখেছি। ডা. ফারহান আস্তে আস্তে উনার মুন্ডিটা ঢুকিয়ে জোরে এক ঠেলার সাথে পুরো ধন ঢুকিয়ে দিলো। আমি সাদ্দামের মুখে আমার ধন ঢুকিয়ে রাখায় ও বেশি চিত্কার করতে পারলো না। ডা. ফারহান ওকে ঠাপাতে শুরু করলো। আমি দেখলাম উনার ধন রক্তে লাল হয়ে গেছে। সাদ্দামের আচোদা পোদ ফেটে রক্ত পরছে। ডা. ফারহান উনার ধন আর পোদ টিসু দিয়ে মুছে আবার চোদতে লাগলো। সেই কি চোদা। চোদার সাথে সাথে সাদ্দামও উও আহ ইয়া ওওওওওহহহ উওও করে কাতরাচ্ছে। কিন্ত ডা. ফারহানের মাথায় মাল উঠে গেছে। উনি কতক্ষণ দাড়িয়ে চুদে সাদ্দামকে কোলে নিয়ে চুদা দিল। টেবিলে বসিয়ে কতক্ষণ চুদলো। আবার ফ্লোরে বসিয়ে ডগি পজিশনে চুদা দিতে থাকলো।সাদ্দাম প্রতি ঠাপের তালে তালে আহ আহ করে লাফিয়ে উঠছে। সাথে সাথে সাদ্দামের পাছার তুলতুলে মাংসগুলোও দুলছে। আমি ওর পাছাটা টিপে ধরলাম। ডা. ফারহান আর পারছিলো না ওর পোদে ২০ মিনিট ঠাপিয়েই মালে চৌচির করে দিলো সাদ্দামের পোদ। এবার আমার পালা। মনের স্বাদ মিটাবো আমি। কিন্তু সাদ্দাম একেবারে কান্ত নিস্তেজ হয়ে বেডে শুয়ে পড়লো। সাদ্দাম আমাকে বলল ভাই আমি আর পারবো না। আজকে ছেড়ে দেন। আমি এতই হট ছিলাম যে কোনো দয়া মায়া হচ্ছিলো না। আমার সামনে ওর গোল গোল পাছা ভেসে উঠছিলো। ডা. ফারহান তখন ওর মুখে উনার ধনটা ঢুকিয়ে দিলো। আর আমি পিছন থেকে ওকে ডগি পজিশনে বসিয়ে ওর পাছা টা উচা করে টস টস করে কয়েকটা থাপ্পড় মেড়ে ওর হোগার ফুটোতে লেগে থাকা ডা. ফারহানের সব মালসহ ওর ফুটায় জিহ্বা ঢুকিয়ে করা চোষন দিলাম। এতে সাদ্দামের চুদা খাওয়ার কুটকুটানি জেগে উঠলো। আমি তখন আমার ধনে থুতু মেখে এক ঠেলায় ঢুকিয়ে দিলাম। ওর ভিতর টা একদম লুজ হয়ে গেছে ডা. ফারহানের ৭" মোটা ধনের চুদা খেয়ে।সালার আমি মজাই পাচ্ছিলাম না এতো লুজ পোদ চুদে তাই রাম ঠাপ দেওয়া শুরু করলাম শরীরের সবশক্তি দিয়ে। আর ২ হাতে ওর পাছা থাবড়িয়ে একদম গরম করে দিলাম৷ এরপর ওকে বেডে শুয়িয়ে দিয়ে বেডের সাইডে দাড়িয়ে ১৫ মিনিট ইচ্ছামতো চুদে ওর পুরো মুখে মাল ফেলে দিলাম। এরপর ৩ জনে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। আর ওকে কিছু ঔষধ দিয়ে দিলাম আমি। ওর নাম্বার রেখে ওকে বাসায় পাঠিয়ে দিলাম।