Joynul Abedin Rubel

Joynul Abedin Rubel � Think big, act bigger
� Never settle for average

কথায় আছে, হিস্ট্রি রিপিটস; মানে, ইতিহাস বারবার ফিরে আসে।মুক্তিযুদ্ধ শেষে আমরা এমন একজনের হাতে দেশটা তুলে দিয়েছিলাম, যিনি...
07/04/2026

কথায় আছে,
হিস্ট্রি রিপিটস;

মানে, ইতিহাস বারবার ফিরে আসে।
মুক্তিযুদ্ধ শেষে আমরা এমন একজনের হাতে দেশটা তুলে দিয়েছিলাম, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সারাটা সময় দেশেই ছিলেন না।

জুলাই যুদ্ধ শেষেও আমরা এমন একজনের হাতে দেশটা তুলে দিয়েছিলাম, যিনি জুলাইযুদ্ধের সারাটা সময় দেশের বাইরেই ছিলেন।
কথায় আছে,

হিস্ট্রি রিপিটস;
ইংরেজিতে যেহেতু বলেছে, ঠিকই বলেছে মনেহয়।
নাকি বলেন?

জেনারেল ওয়াকার ২০২৫ সালের এপ্রিলে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেনঃ-      ...
22/02/2026

জেনারেল ওয়াকার ২০২৫ সালের এপ্রিলে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেনঃ-
"ডিসেম্বরে নির্বাচন করতে হবে"

ফলতঃ এই ব্যবহারের কারনেই ড. মুহাম্মদ ইউনুস অপমানিত হয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

সেইসময় ড.মুহাম্মদ ইউনুসের পাশে দাড়ান সিনিয়র জেনারেল এস. এম. কামরুল হাসান।

তখন থেকেই শুরু হয় ওয়াকার-কামরুল দ্বন্দ্ব।

আজ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের ল্যাফটেন্যান্ট জেনারেল এস.এম. কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।

উল্টোদিকে ভ|রতীয় দূতাবাসে চাকুরীরত ব্রিগ. জেনারেল হাফিজুর রহমানকে মেজর জেনারেল Rank এ প্রমোশন দিয়ে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।

একদিকে এন্টি-ইন্ডিয়|ন অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া

আর অন্যদিকে Pro-ইন্ডিয়|ন, ভ|রতীয় দূতাবাসে চাকুরীরত অফিসারকে দূতাবাস থেকে এনে গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রমোশন দেওয়া।

গত দেড় বছর জেনারেল কামরুল সেনাবাহিনীকে ভ|রতীয় বলয়ের বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

আজ তাকে বদলি করে জেনারেল ওয়াকার ও ভ|রতীয় বলয় প্রতিশোধ গ্রহন করলেন।

এখন দেখতে হবে,

তুরস্ক, চীন, মালেশিয়া, পাকিস্তানের সাথে ইউনুস সরকার প্রাথমিক সামরিক চুক্তিগুলো করেছিল, সেগুলো বাস্তবায়িত হয় কিনা।

ভ|রত কিন্ত এই সামরিক চুক্তিগুলোর ঘোর বিরোধী ছিল।

এছাড়াও পাকিস্তান থেকে কয়েকটি JF-17 THUNDER JET ক্রয় করার কথা ছিলো বাংলাদেশের।

যেইটা নিয়েও ভ|রত ব্যাপক অস্বস্তিতে ছিল।

জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া, দুজনেই আর্মি চিফের ব্যাপারে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করেছিল জেনারেল এরশাদকে, এর ফল তাকে জীবন দিয়ে শোধ করতে হয়েছিল।

বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বাস করেছিল জেনারেল মইন ইউ আহমেদকে, যার ফল ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ জাতিকে বহন করতে হয়েছে।

জনাব তারেক রহমানও কি একই পদাঙ্ক অনুসরণ করলো?

ওয়াকারকে বিশ্বাস করার কারনে কি তারেক রহমানকে পরে অনুশোচনা করতে হবে?

18/12/2025

রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই এই দাবিতে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে গোলাম আজমের ভূমিকা: - ভাষা সৈনিক বদরুদ্দীন উমর।
#ভাষা_আন্দোলন #৫২

War Studies এর দৃষ্টিতে বিশ্বের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও সামরিক চিন্তাবিদদের মতে,১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধটা ছিল একটা পূর্ণাঙ্গ ভা...
17/12/2025

War Studies এর দৃষ্টিতে বিশ্বের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও সামরিক চিন্তাবিদদের মতে,
১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধটা ছিল একটা পূর্ণাঙ্গ ভারত–পাকিস্তান আন্তঃরাষ্ট্রীয় যুদ্ধ (Inter-state War)।

দুইটা স্বীকৃত রাষ্ট্রের (India - Pakistan) স্থল, নৌ ও আকাশ, তিন বাহিনীই সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।
যা আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী “Conventional War” হিসেবে স্বীকৃত।

Political Theoryতে বলা হয় East-West লং ডিস্টেন্সের সুযোগ নিয়া ভারতের খায়েস ছিল পূর্ব পাকিস্তানকে খাওয়ার।
যেজন্য ওয়েস্ট পাকিস্তান বাধ্য হয় ভারতেএর কাছে সমর্পণ করতে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেন পাকিস্তান রাষ্ট্র একক ও অবিভাজ্য সত্তা হিসেবে যুদ্ধে পরাজিত হয়।
আর তা ভারতীয় হস্তক্ষেপের কারণেই, যার রয়েছিলো অগাধ স্বার্থ লুকানো।

এই কারণেই আন্তর্জাতিকভাবে বলা হয়:

“The Pakistan lost to India on that day — not just West Pakistan.”

East Pakistan আলাদা করে দায় এড়াতে পারে না।


যুদ্ধতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে ভারতের প্রবেশকে বলা হয় Humanitarian Intervention + Strategic Interest

শরণার্থী সংকট (প্রায় ১ কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নেয়), সীমান্ত অস্থিতিশীলতার সুযোগে প্রত্যক্ষভাবে জড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া করে নাই।

সব মিলায়ে ভারত "৩ ডিসেম্বর ১৯৭১" সরাসরি যুদ্ধে প্রবেশ করে। মানে যখন যুদ্ধ শেষ পর্যায়ে একদম।

খানিক সময়ের মধ্যে এখানকার বুদ্ধিজীবী , জ্ঞানী, যারা আগামীর প্রজন্মকে জানাইবে যে পুরা খেলা ভারতের সাজানো ছিল তাঁদের প্রত্যেককে কচুকা*টা করে ১৪ ডিসেম্বর।

এরে মরণকামড় বলা চলে। আর যেন "স্বাধীন দেশ" হিসেবে দাঁড়াইতে না পারে ঠিকঠাক।

সমর্পণ দলিল নিয়া আন্তর্জাতিক আইনি ফলাফলের বিশ্লেষকরা বলছেন ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকিস্তানের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ.এ.কে. নিয়াজি

"ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা"র কাছে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে সমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করে।

৯৩,০০০-এর বেশি পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবন্দি করে।
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক আত্মসমর্পণ ছিল এইটা।

যার মাধ্যমে বাংলাদেশ নামে ভারতীয় কলোনির অফিশিয়াল (Open secret) আত্মপ্রকাশ হয়।

অর্থাৎ পাকিস্তান রাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড (Eastern Command)
"ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর" কাছে
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।

----

চিন্তাবিদদের সারসংক্ষেপমূলক সিদ্ধান্ত

1. ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ

2. যুদ্ধের কেন্দ্র ছিল পূর্ব পাকিস্তান

3. "ভারতের" কাছে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড।


(উপরের বিশ্লেষণ আমার, ফটোকার্ড ডেইলি ক্যাম্পাসের)

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার দুই বছরেরও বেশি সময় পরে ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব স্বী...
17/12/2025

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার দুই বছরেরও বেশি সময় পরে ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয় পাকিস্তান।

এ ঘটনার মাত্র চার মাসের মাথায় শতাধিক ব্যক্তির বিশাল এক বহর নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো।

সেই সফরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের ওপর চালানো নি'র্যা'ত'ন ও গ'ণ'হ'ত্যা'র ঘটনায় তওবা বা অনুশোচনা প্রকাশ করে সেটির জন্য এককভাবে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসকদের দায়ী করেন ভুট্টো।

বিষয়টিকে বেদনাদায়ক বর্ণনা করে সেটির ইতি টেনে তখন দু'দেশের মধ্যে স্বাভাবিক বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বসুলভ সম্পর্ক স্থাপনের আহ্বানও জানিয়েছিলেন তিনি।

ঢাকায় মি. ভুট্টো বলেছিলেন, "যা হয়েছে তা নিয়ে অন্তর থেকে অনুতপ্ত হতে বা তওবা করতে দেরি হয়ে যায়নি। পাকিস্তানের মানুষ আপনাদের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানায়। তারা এবং পাকিস্তানের সরকার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে স্বীকার করে এবং শ্রদ্ধা জানায়।"

১৯৭৪ এর এপ্রিলের বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার ত্রিপাক্ষিক চুক্তির বিবরণেও রয়েছে যে, জুলফিকার আলী ভুট্টো বাংলাদেশের জনগণের কাছে অনুরোধ করেছেন যেন তারা তাদের (পাকিস্তানকে) ক্ষমা করে দেন এবং অতীতের কথা ভুলে গিয়ে সামনে এগিয়ে যান।

শেখ মুজিবুর রহমানের তরফ থেকেও অতীত ভুলে নতুন সূচনা করার এবং "ক্ষমার নিদর্শন হিসেবে বিচার না চালানোর" সিদ্ধান্তের কথার উল্লেখ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের আর্কাইভ প্রতিবেদনে।

[সোর্সঃ ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন]

চেতনা ধরে টানাটানি করলে এমন হয়!!মির্জা ফখরুল'রা যখন খুনী হাসিনার ফেলে যাওয়া দুর্গন্ধযুক্ত বস্তাপচা চেতনা নিয়ে নাড়াচাড়া ক...
16/12/2025

চেতনা ধরে টানাটানি করলে এমন হয়!!

মির্জা ফখরুল'রা যখন খুনী হাসিনার ফেলে যাওয়া

দুর্গন্ধযুক্ত বস্তাপচা চেতনা নিয়ে নাড়াচাড়া করে

তখন বিএনপির ভিতরে থাকা রাজাকার দের চেহেরা

দেশের মানুষের চোখে ভেসে উঠে!

অথচ বর্তমান তরুণ প্রজন্ম জানেই না বিএনপির ভিতরে এত গুলো রাজাকার আছে, মির্জা ফখরুল চেতনা ধরে নাড়াচাড়া করার কারনে আজ সব ফাঁস হয়ে গেলো।

বিএনপির কিছু হাই প্রোফাইল রাজাকার।

যাদের সাথে নিয়ে একটা ইনক্লোসিভ বাংলাদেশ গড়তে ছেয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

আর এনারাই ছিলেন ততকালীন সময়ে প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য। আর শহিদ জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এই প্রভাবশালী সদস্যদের নিয়ে বিএনপি গঠন করেছিলেন।

প্রশ্নঃ ইয়াহিয়া খান কেন শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি?শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার বেশ বড় একটা ফাইল ই...
16/12/2025

প্রশ্নঃ ইয়াহিয়া খান কেন শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি?

শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার বেশ বড় একটা ফাইল ইয়াহিয়া খানের কাছে যায়। শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগগুলো ছিল—

১। আগরতলায় গিয়ে ভারতের থেকে অস্ত্র এবং অর্থ সংগ্রহ।

২। ছাত্রলীগের কয়েক হাজার কর্মীকে ভারত থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে আসা।

৩। সামরিক এবং বেসামরিক বাঙালি আমলাদের নিয়ে ক্যু এর পরিকল্পনা।

৪। ঢাকার ভারতীয় দূতাবাসের সাথে নিয়মিত গোপনে বৈঠক। (২)

সবগুলো অভিযোগই সত্য এবং এত গুরুতর কাজে লিপ্ত থাকার পরও ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবের কথায় বিশ্বাস করেন।

শেখ মুজিব ইয়াহিয়া ও আহসানকে(পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক গর্ভনর) এমনও বলেছিলেন যে তাঁর ছয় দফা কোরআন বা বাইবেল নয় এবং একটি সমঝোতায় পৌছানো খুবই সম্ভব। অধ্যাপক চৌধুরীর সঙ্গে আলোচনা করার সময় শেখ মুজিব দেয়ালে ঝোলানো সোহরাওয়ার্দীর ছবির দিকে তাকিয়ে একদা বলেছিলেন, ‘এই মহান নেতার শিষ্য হয়ে আমি পাকিস্তান ভাঙার কথা কেমন করে ভাবতে পারি?

এ সময় ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন।

কিন্তু কিছু দিন পর ইয়াহিয়াকে গোয়েন্দা সংস্থা আরেকটি প্রতিবেদন দেয়। এর সঙ্গে ছিল টেপে ধারণকৃত শেখ মুজিবের কণ্ঠ। সেই টেপে শোনা যায় ভারতীয় দূতাবাসের কর্তাদের মুজিব বলছেন,

❝ আমার লক্ষ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। নির্বাচন হয়ে গেলে আমি এলএফও ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেলব। নির্বাচনের পর কে আমাকে চ্যালেঞ্জ করবে?❞

ইয়াহিয়া মুজিবের কণ্ঠস্বর শনাক্ত করতে পারলেন। বক্তব্যের সারমর্ম শুনে তিনি হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন । পরদিন সকালে অধ্যাপক চৌধুরী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে ইয়াহিয়া বলেন, ‘মুজিব যদি বেইমানি করে, আমি তাকে দেখে নেব। (৫)

১৯৭১ সালে মার্চের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবাঙালিদের আবাসিক এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ শুরু হয়। ক্যান্টনমেন্টগুলোতে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া শুরু করে, নতুন পতাকা উত্তোলন করে, নতুন সংগীত বাজাতে থাকে। শেখ মুজিব নিজেও তার ভারত থেকে প্রশিক্ষিত বাহীনির কুজকাওয়াজ গ্রহন করে এবং নিজের গাড়িতে নতুন পতাকা লাগান।

সর্বশেষ, সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পারে আওয়ামী লীগ ২৬ মার্চ প্রত্যুষে গোটা পূর্ব পাকিস্তানে ভারতের সহায়তায় একটি সশস্ত্র অভ্যুত্থান ঘটাতে যাচ্ছে। সশস্ত্র অভ্যুত্থান অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগে ২৫ মার্চ গভীর রাতে সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলো ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয়ে আসে, প্রথমে শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রাদেশিক রাজধানীতে আওয়ামী লীগের অভ্যুত্থান নস্যাতে বেশ কয়েকটি জায়গায় আগে ভাগে আঘাত হানে। (৬)

*

প্রশ্নঃ ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানী আর্মি কেন হামলা চালিয়েছিল?



উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ আওয়ামী লীগের ক্যাডারেরা নিউমার্কেট ও বায়তুল মোকাররমের অস্ত্র দোকানগুলো থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে। তারা এসব অস্ত্র ট্রাকে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যায়। সেখানে ছাত্ররা একটি উন্মুক্ত ফায়ারিং রেঞ্জে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। তারা অবাঙালিদের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও সিনেমা হল লুট করতো।

এছাড়া তারা ঢাকা শহরে বিহারি, গুজরাটি, মনিপুরী, আসামি সহ সব অবাঙালিদের আবাসিক এলাকায় হামলা করে। মুক্তিপণ আদায়ে ধনী পশ্চিম পাকিস্তানিদের অপহরণ করা হয়। ফলে আতঙ্কিত বহু অবাঙালি সেনানিবাসে আশ্রয় গ্রহন করে।

৩ মার্চ পল্টন ময়দানে এক সমাবেশে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার পক্ষে চার ছাত্র নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, আ স ম আবদুর রব এবং আবদুল কুদ্দুস মাখন শপথ বাক্য পাঠ শেষে ‘জয়বাংলা বাহিনী'র উপ-প্রধান (ডেপুটি চীফ) কামরুল আলম খান খসরু আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গান ফায়ার’ করে সশস্ত্র যুদ্ধের ঘোষণা জানান।

একই দিনে ৩ মার্চ আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কর্মীদের নেতৃত্বে উন্মত্ত জনতা ঢাকার নবাবপুর, ইসলামপুর ও পাটুয়াটুলির মতো জায়গায় হাজার হাজার অবাঙালির বাড়িঘরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ড চালায়। জিন্নাহ এভিনিউতে অবাঙালি মালিকানাধীন বহু দোকানপাট লুট করা হয়। শহরের উপকণ্ঠে একটি বস্তিতে অবাঙালিদের ৫০টি ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয় এবং তাদের অনেকে জীবন্ত দগ্ধ হয়। আওয়ামী লীগ হাইকমান্ডের নির্দেশে ঢাকায় টেলিভিশন ও রেডিও স্টেশনে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের পরিবর্তে রবীন্দ্রনাথের পূর্ব বাংলা বিরোধী গান ‘আমার সোনার বাংলা' বাজানো হয়।

৬ মার্চ ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙ্গে ৩৪১জন কয়েদী পালিয়ে গিয়ে আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের সঙ্গে যোগ দেয়। ককটেল এবং বোমা তৈরির উদ্দেশ্যে ছাত্র লীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা ঢাকার সায়েন্স ল্যাবরেটরী ও পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে রাসায়নিক বিস্ফোরক লুট করে।

১৬ থেকে ২৩ মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের আড়ম্বরপূর্ণ শাসনতান্ত্রিক আলোচনার সময়ও আওয়ামী লীগ তাদের সমান্তরাল সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে এবং ঢাকা ও তার আশপাশের কয়েকটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দলীয় ক্যাডারদের প্রকাশ্যে প্রশিক্ষণ দেয়। অবাঙালিদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়।

একদল দাঙ্গাবাজ ক্যাডার ঢাকায় সেনাবাহিনীর একটি জীপে হামলা চালায় এবং জীপের আরোহী ৬ সৈন্যকে অপহরণ করে। শহরে পুলিশের অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র লুট করা হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পাকিস্তানি সৈন্যদের কাছে খাদ্য সরবরাহের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

২২ মার্চ ঢাকা স্টেডিয়ামের পাশে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের নিয়ে সশস্ত্র সমাবেশ করেন এম‌এজি ওসমানী। সেখানে একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা 'অনেক রক্ত দিয়েছি এবার শোধ নেব।'

২৩ মার্চ চীনা কন্স্যুলেটে লীগের বানানো নতুন পতাকা উত্তোলন করতে গেলে লীগের সঙ্গে তাদের বিরোধ বাধে। চীনারা তাদেরকে এ পতাকা উত্তোলনে বাধা দেয়। আওয়ামী লীগের বিক্ষোভকারীরা বহু স্থানে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা টুকরো টুকরো করে এবং পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি পায়ের নিচে পিষ্ট করে। ইপিআর ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা সপক্ষ ত্যাগ করায় আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

পুরো প্রদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়৷ ঢাকার বাইরে পরিস্থিতি ছিল আরো ভয়াবহ। নির্বাচনের আগে থেকেই সারা দেশে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কার্যক্রম শুরু হয়। ফটিকছড়িতে নাজিরহাট কলেজের নিউক্লিয়াস কমান্ডার আনোয়ারুল আজিম ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে যুদ্ধের জন্য সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুর করে।

কুষ্টিয়াতে আওয়ামী লীগের ক্যাডারেরা একজন লাহোরের অধিবাসী সরকারি কর্মকর্তা ওয়াকার নাসিম বাটের মাথা কেটে, কাটা মাথা নিয়ে আনন্দ মিছিল করে (ছবিতে)।

খুলনা, চট্রগ্রাম, ময়মনসিংহসহ সারা দেশে বিহারিদের উপর হত্যাযজ্ঞ চলে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে এর ভয়াবহতা ছিল সবচেয়ে বেশি। পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, সৈয়দপুরে হাজার হাজার বিহারিকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। ২৬ই মার্চ বগুড়ার সান্তাহারে মসজিদে আশ্রয় নেয়া ৭০ জন বিহারী মুসলিম নারীকে মসজিদেই ধর্ষন করে মুক্তিযোদ্ধারা!

বিএনপি আসলে নিজেদের রাজনীতিতে নিজেরাই ফেঁসে গিয়েছে।কারো উপর দ্বায় দিতে না পেড়ে নিরীহ তুরস্কর উপর দ্বায়ে চাপিয়ে দিয়েছে। ...
04/12/2025

বিএনপি আসলে নিজেদের রাজনীতিতে নিজেরাই ফেঁসে গিয়েছে।
কারো উপর দ্বায় দিতে না পেড়ে নিরীহ তুরস্কর উপর দ্বায়ে চাপিয়ে দিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি দিয়ে শুরু করি, আমরা যখন ছাত্র জনতা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের জন্য আন্দোলন শুরু করলাম। বিএনপি এসে সেখানে সরাসরি বাধা দিল। ফলে সেনাপ্রধান ও তিন বাহিনী প্রধানকে সরানো গেল না। সংবিধান পরিবর্তন, জুলাই সনদ,আ.লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে ছিল সরাসরি বাধা।
সচিবালার কথা সবাই যা বলে, স্বৈরাচারের সচিবদের রাখার জন্য বিএনপি নেতারা সরাসরি তদবির করে।

এখন পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শেখ হাসিনার সবকিছু আছে শুধু সে নেই।
এখন তারেক রহমান যদি দেশে আসলে সেনাবাহিনীর হাতে জয় বাংলা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সবকিছুর জন্য যে সেনাপ্রধান দায়ী থাকবে তাও নয়। তার অজান্তে অনেক কিছু হইতে পারে। জিয়াউল হাসান রা তো আর বসে নাই। এখন কেউকে তো আর দেশের মধ্যে দায় দেওয়া যায় না। তাই তুরস্কের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
৫ই আগস্ট বিএনপি যদি জাতীয় সরকারের গঠনে বাধা না দিত। তাহলে আজ এই অবস্থা সৃষ্টি নাও হতে পারতো। শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে এখন ক্ষমতা না যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপির দুই দলের মহাসচিব আর ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা গড'ফাদা'রের পরামর্শ নিয়েই আজ এই অবস্থা। কত জায়গায় সেলাই লাগে যতদিন যাবে বিএনপি তত টের পাবে।

নুনু মিয়া নামের এক লোক উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়াইছে। পরদিন স্থানীয় পত্রিকার শিরোনাম!"নুনু খাড়াইছে!"খবর দ...
01/12/2025

নুনু মিয়া নামের এক লোক উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়াইছে। পরদিন স্থানীয় পত্রিকার শিরোনাম!
"নুনু খাড়াইছে!"
খবর দেখে নুনু মিয়ার মেজাজ গরম হইছে। তিনি পত্রিকা অফিসে ফোন করে রাগী গলায় বকা ঝকা করলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে
"নুনু গরম হইছে!"
--
নুনু মিয়া ভোটে দাঁড়াইছে এই খবর এলাকার বড় এক বয়স্ক নেতা জানেন না। মূলত তিনি একই দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রানিং ভাইস চেয়ারম্যান। সাংবাদিকরা ওনার কাছে গিয়ে অনুভূতি জানতে গেলে উনি বলেন "নুনু আবার কবে খাড়াইল? আমিতো টেরই পেলাম না।"
--
এদিকে সেই উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়িয়েছেন এক মহিলা। তিনি নুনু মিয়ার ঘোর বিরোধী। তিনি নারীদের নিয়ে নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে মিছিল করলেন। নারীরা পত্রিকায় সাক্ষাতকার দিল। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে!
"এলাকার নারীদের খুশী করতে পারেনি নুনু!"
--
"খবর দেখে এবার পত্রিকাওয়ালার বিরুদ্ধে সেই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ক্ষেপে গেছেন। তিনি ও নুনু মিয়া একই দলের লোক। ওনাকে কেন্দ্র থেকে বকা দিয়েছে। বকা খেয়ে তিনি পত্রিকায় ফোন করে বলেন " এই সামান্য বিষয় নিয়েও আপনারা শিরোনাম করেন!" ওনার সাথে আমার কোন ব্যাক্তিগত ঝামেলা নেই। আপনারা আগামীকাল সঠিক খবর প্রকাশ করুন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো!
"মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুনুতে সন্তুষ্ট!"
--
বিষয়টা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের গোচরে আসল। তারা ভাবলেন গ্রুপিং করার চেয়ে সেখানে একজন মোটিভেশনাল স্পিকার পাঠানো দরকার যিনি সবাইকে বোঝাবেন। কেন্দ্র থেকে 'সোনাইমাল' নামের এক মোটিভেশনাল স্পিকারকে পাঠানো হল। যাকে আবার আদর করে লোকজন 'মাল' ডাকেন। সোনাইমাল সাহেব নুনু সাহেবকে চিনতেন না। তিনি মোটিভেশান দেয়ার জন্য ঐ উপজেলার এক হুডেলে গেলেন। এদিকে নুনু সাহেবও ঐ হুডেলে ঢুকলেন। নুনু মিয়াকে দেখেই সোনাইমালের মেজাজ গরম হয়ে গেল। এই নুনু মিয়া একদিন তার এক পোস্টে কমেন্ট করছিল "এত চিকনা পাছা দিয়া হাগেন কেমনে?" সেই থেকে সোনাইমাল সাহেব এই লোককে খুজছে। কিন্তু নুনু সাহেব সরকারি দলের লোক৷ তাকে ক্ষেপালে ঝামেলা আছে। তিনি রাগ করে হুডেল থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো!
"নুনু ঢোকার সাথে সাথেই মাল আউট"
--
এইবার নুনু মিয়া পড়লেন টেংশনে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মোটিভেশনাল স্পিকার ফেরত গেছে। কেন্দ্রের লোকজন ক্ষেপলে নমিনেশন পাবে না। নমিনেশন প্রত্যাশী দলের আরেক প্রার্থী সোনা মিয়া উচ্চ মহলে তদবির করছেন। শোনা গেছে উনি এজন্য বেশ টাকা পয়সা খরচ করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রের এক নেতা ফোন করে বললেন "নমিনেশন তোমার ইয়ে দিয়ে ভরে দিব"। দুঃখে নুনু মিয়া কয়েকদিন প্রচারণা বন্ধ রাখলেন। শুধু শুধু টাকা নস্ট করার মানে হয় না।
একদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো
"মাল আউটের পরে নিস্তেজ নুনু"
---
এদিকে নুনুর পক্ষে আসলেন আরেক বড় নেতা। সবাই তাকে 'মাল' বলে ডাকেন। ওনার নামও মাল। নুনু মিয়া এবার উজ্জীবিত হলেন। তিনি আবারও প্রচারণা শুরু করলেন।
পত্রিকার শিরোনাম এলো!
'মালে পরিপূর্ণ নুনু সতেজ হয়ে গেছে!"
--
কিন্তু নুনু মিয়ার টেংশন এখনো দূর হয় নাই। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোনা মিয়া। পত্রিকায় প্রায়ই খবর আসে!
"কে বড়? সোনা? নাকি নুনু?"
অবশেষে নুনু মিয়া সফল হলেন। মাল সাহেবের প্রচেস্টায় তিনি নমিনেশন পেলেন। জেলা পর্যায়ের নেতারা যারা এতদিন সোনা মিয়াকে গুরুত্ব দিত তারা এখন সবাই নুনুর পক্ষে। পত্রিকায় শিরোনাম এলো!
"নুনু এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী। সবাই নুনুতে তেল মাখাচ্ছে!"

গল্পটি সংগৃহীত।
#গল্প #রম্য #রম্য_গল্প #প্রাপ্ত_বয়স্কদের_গল্প

কিছুকিছু সময় কথা কম বলতে হয়, কিংবা নিরবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা, কখন কথা বলতে হয় সেটা বুঝতে পারা।হাসিনার বিরু...
26/11/2025

কিছুকিছু সময় কথা কম বলতে হয়, কিংবা নিরবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা, কখন কথা বলতে হয় সেটা বুঝতে পারা।

হাসিনার বিরুদ্ধে আদালতের রায় নিয়ে আপনার কথা বলা উচিত ছিল, আপনি বলেননি। বন্দর নিয়ে যতো কথা বলবেন মানুষ ততই মনে করবে বন্দরে দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাওয়াটা আপনাদের সহ্য হচ্ছেনা তাই এতো কথা।

নির্বাচিত সরকার থাকে কোন একটি দলের, কিন্তু ডক্টর ইউনুসের সরকার দেশের সকল মানুষের, এমনকি আপনারও।

Address

Harbaid
Gazipur
1710

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joynul Abedin Rubel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share