Chapat,Kapasia,Gazipur

Chapat,Kapasia,Gazipur Chapat

24/02/2024

চাঁপাত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়াপ্রতিযোগিতায় বহিরাগতদের দীর্ঘ লাফ খেলা 🤟🫰🫰

Congratulations team Tigers  for the historical  1st ever victory in T20  against  Australia
03/08/2021

Congratulations team Tigers for the historical 1st ever victory in T20 against Australia

10/07/2021

#সন্তান_ও_শিক্ষা

অর্থবিত্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে বরাবরই তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলে বাবা দেখো আজ সে কতো ব্রাণ্ডেড ঘড়িটা পরে এসেছে। বাবা দেখো তার স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেট। সুন্দর না বাবা!

আমি মাথা নাড়িয়ে শুধু সম্মতি দেই।
আমার ছেলের সাহস কিন্তু হয়নি কখনো সেম জিনিসটা চাওয়ার। একদিন তার পায়ে সামান্য ব্যথা। স্কুল যাওয়ার সময় বললো বাবা আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে নিয়ে স্কুলে নামিয়ে দিবে?

আমি তার সমস্যার কথা বিবেচনা করে বললাম ঠিক আছে। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ সে আমার সাথেই গেলো। আমি চুপচাপ তাকে নামিয়ে দিতাম। আমার ছেলের এখন দেখছি হেঁটে যেতে ইচ্ছে করছেনা। পরেরদিন সকালে আমাকে বলার আগে আমিই বলে দিলাম অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ নির্দিষ্ট সময়ের আরোও কিছুক্ষণ আগে বের হবে হেঁটে যেতে পারবে। ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইলো।

এদিকে আমার স্ত্রীও মন খারাপ করেছে। কেনো করি এমন! এর উত্তর জানা নেই।

আজ সন্ধ্যায় ছেলে আমার বাড়িতে এসেই বলেছে জানো আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও ………

বলার আগেই আমি তাকে থামিয়ে জানতে চাইলাম বাবা প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমায় সে স্কুলে দিলাম কিন্তু তুমি ফেইল করলে কোনো সাবজেক্টে তাহলে আমি কি বলবো তুমি ফেইল নাকি স্কুল?

ছেলে বললো বুঝেছি বাবা।
আমি তার মাথায় হাত দিয়ে বললাম এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে কাটাতে পারেনি। তুমিই ফার্স্ট বয়। সুতরাং তুমি যেখানে সেরাটা দিবে সেই স্থানই সেরা তোমার মতো।

এরপর সে আর এরকম কোনো কথা বলেনি।
আজ বিকেলে ছেলে বলছে বাবা একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। আমার ম্যাথ ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে। আমি ছেলেকে বললাম বাবা একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত করে বাসায় ফিরবো ন'টা কিংবা দশটায় আমার কাছেই তোমাকে ম্যাথ আর ইংলিশ করতে হবে।

বাবা তুমি টায়ার্ড থাকো না?

আমি হেসে বললাম, না বাবা। আমার কাছে এতো সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি। কি বলো?

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো ঠিক আছে বাবা।

স্ত্রী রাতেরবেলা জিজ্ঞেস করলেন তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো কিন্তু!

কিন্তু আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সে সিস্টেম সে শিখুক। কোনো কিছুই মন্দ নয় সে বুঝুক।

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেলেন।

মাঝেমাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের সম্পর্কে জানাই। সে জানুক পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর। বাস্তবে খুব কঠিন।

আমি চাওয়া মাত্রই তাকে কিছু দেইনি। একদিন সে বলেছিলো বাবা তুমি এরকম কেনো?

তাকে বলেছিলাম সময় হলে বুঝবে।

দুই তিন আগে সে ইলিশ পোলাও খাবে।
তাকে বললাম টাকাতো কম। তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে। ছেলে আমার পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম তুমি খরচ করোনি?

সে মুচকি হাসি দিয়ে বললো, না বাবা। জমিয়েছি। আমার পরিচিত এক ভাই স্কুলে না খেয়েই আসে। কোনো টাকাও নেই তার কাছে। আসলে সে খুব অসহায় বাবা। আমি মাঝে তাকে ক্ষুধার্ত দেখে বুঝতে পারি সেদিনই তার সাথে খাই কারন তখন সে না করে না। অন্যান্য দিনগুলো টাকা খরচ করিনা। জমিয়ে রাখি কারন বাসা থেকে মা যা দেয় তাতো যথেষ্ট কারন কিছু মানুষ সামান্যটুকুও পায় না।

আমি ছেলের দিকে তাকিয়ে আছি।
সেই গুছানো টাকা নিয়ে আরোও টাকা মিলিয়ে ইলিশ এনে ছেলেকে ইলিশ পোলাও খাওয়ালাম। ইচ্ছে করেই অভাব ফিল করাই যাতে সে বুঝুক জীবনটা কঠিন। অনেক কঠিন।

ঈদের বাজারে গিয়ে তাকে বলেছি সাধ্যের মধ্যে নিতে। সে একটা প্যান্ট নিয়েছে শুধু। জানতে চাইলে বলে তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি।

আমি হাসলাম।
সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়।
একদিন বসে বসে বলছে বাবা সায়েমটা আর মানুষ হলো না অথচ আংকেল তার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যা চেয়েছে সে, তার সবটাই তাকে দিয়েছেন। আমি ছেলেকে বললাম আমি কি তোমাকে কিছু দিতে পারিনি?

ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বললো প্রতিটা চাহিদা পূরন করে শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনের যে শিক্ষা দিয়েছ বাবা তা সব কিছুর উর্ধে। তুমি শিখিয়েছ অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখনো জানি আমার বাবার আমি ছাড়া কিছু নাই। বাকীটা আমাকে করে নিতে হবে। সবকিছু ইউটিলাইজ করতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না বাবা। কারন আমি জানি আমি কে!

তোমার দেয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখবো বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিন মানি জমালে পাঁচশো টাকা জমা হয়। তুমি আছো বলেই সম্ভব। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কতো কঠিন।

আমার স্ত্রী আমাকে আজ খুব খুশি। বুঝতে পেরেছেন আমার উদ্দেশ্যটা।

প্রায় দশ বছর পর ছেলে প্রাইভেট কার কিনেছে নিজ ইনকামে। হাসতে হাসতে বলে বিগত পাঁচ বছরে টিফিন মানি আর বোনাসের জমিয়ে এটা কিনেছি।

বুঝতে পেরেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। সাথে হয়েছে মানুষও।

সপ্তাহখানিক পর যাবতীয় সম্পত্তি তার নামে লিখে দিয়ে বললাম সামলে রেখো। ছেলে দলিল আমার হাতে দিয়ে বললো তোমরা সাথে থেকো। আর কিছু লাগবে না।

আজ তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমার স্ত্রী নীলিমাকে বললাম দেখেছো আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি যেমনটা আমার বাবা দিয়েছিলেন আমাকে। আমি অভাবে সন্তানকে লজ্জিত হওয়া নয় বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি।

টিনের চালে ঝুম ঝুম শব্দ 🌀  লাগে না কিন্তু  মন্দ 🌼🌼🌼
04/07/2021

টিনের চালে ঝুম ঝুম শব্দ 🌀

লাগে না কিন্তু মন্দ 🌼🌼🌼

পরিবেশটা সুন্দর  না 😍
06/06/2021

পরিবেশটা সুন্দর না 😍

চাঁপাত প্রাইমারি  স্কুলে পড়ার  সময় কে কে এই গাছের ঝড়ে  পরা পাতা ক্যাচ ধরার খেলা খেলেছো 🤓👻
15/05/2020

চাঁপাত প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় কে কে এই গাছের ঝড়ে পরা পাতা ক্যাচ ধরার খেলা খেলেছো 🤓👻

27/12/2015

তাহসান আর মিথিলার কাছে আসার গল্প১৪ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৪ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রী মিথিলা। ২০০৪ সালের শীতটা যখন জেঁকে বসেছে, তখন ওর বিদেশ ফেরত বন্ধু এক সকালে উপস্থিত। বায়না ধরল তাহসানের বাসায় গিয়ে অটোগ্রাফ নেবে তার ছোট ভাইয়ের জন্য। ইউনিভার্সিটি পড়ে অথচ তাহাসানকে পছন্দ কিংবা অপছন্দ করে না এমন কাউকে সে সময় পাওয়াটা দুষ্কর। মিথিলা যে তাহসানের গান শোনেনি তা না তবে বাড়ি গিয়ে অটোগ্রাফ আনবার মতো মহা ফ্যান সে না।যদিও শেষমেষ বন্ধুর পীড়াপীড়ীতে তাহসানের বাসায় বন্ধু সমেত উপস্থিত মিথিলা। কে জানত প্রথম দেখা হবে একটা গল্পের শুরু।বিশ মিনিট মিথিলা নামের যে মেয়েটার সাথে কথা হলো, নিজের ব্যান্ড ব্লাককে এতো পচাঁলো সেই মেয়েটাই চব্বিশ ঘন্টা তাহসানের মাথায় ভূত হয়ে বসল। মেয়ের কি অভাব আছে? কত ফোন, ই-মেইল এটা সেটা কত মেয়েরাই তো প্রতিদিন পাঠায়। অথচ অন্য কেউ তো চিঠি লিখতে বাধ্য করেনি তাহসানকে। প্রেম নাকি ছায়ার মতো, ধরতে গেলেই পালায় আবার পালাতে গেলেই দৌড়ে আসে পেছন পেছন। অন্য মেয়ে ফ্যানদের মতো মেয়েটা পায়ে পড়ে আসেনি এই ব্যাপারটাই কি তাড়া করছিল তাহসানকে? কেমিষ্ট্রিটা আরো কঠিন বোধ হয়। নইলে পরদিন চিঠি হাতে তাহসান কি আর এমনিই মিথিলার জন্য কলা ভবনের গেটের ধারে দাঁড়িয়ে থাকে ?আরে তাহসান তুমি এখানে ? চিনেছ আমাকে ? আমি মিথিলা। গতকাল তোমার বাসায় কথা হলো। মিথিলা ভদ্রতা করেই না কথা বলে পারল না।তাহসান একটু হকচকিয়ে গেলেও সামলে নিল ঠিকই। 'চলো একটু হাঁটি' তাহসানের সরল আবেদন। বন্ধুদের ছেড়ে আসল মিথিলা। হাঁটতা হাঁটতেকথা হলো অনেকক্ষণ। ফোন নম্বর এক্সচেঞ্জ-তাও হলো। এক সময় তাহসান পকেট থেকে চিঠিটা বের করল। ‘এটা তোমার জন্য'। চিঠিটা এগিয়ে দেবার সময় ওর হাতটা একটু কাঁপল কি ?এতোটা বোধ হয় মিথিলাও আশা করেনি। চিঠির ঘটনা শুনতেই বন্ধুরা তাই নিয়ে হুড়োহুড়ি। বন্ধুরা এর মধ্যেই তর্ক শুরু করল ‘আরে এটা infatuation সাবধান, দু’দিন পর দেখবি উধাও'। আবার Love at first sight নাকি রে? বলে যে ঠাট্টা করল। সাবধানে চিঠিটা খুলল মিথিলা। সবাই পড়ুক মনে মনে তা চাইছিল না। কিন্তু সবাই পড়লেও চিঠিটি যেন শুধু ওর সাথেই কথা বলল 'Some call it love at first sight, some call it infatuation. I just ignore it'।চিঠির জবাবটা মিথিলা দিয়ে দিল ফোন করে, 'হেহেহে... এটা কি লিখছ?' এরপর ফোনে নিয়মিত রাতভর আড্ডা আর অলিতে গলিতে রিকশায় করে ঠিকানাহীন ঘোরাঘুরি। সবথেকে মজার বিষয়

01/01/2015

wish all a very happy new year

Address

Chapat
Gazipur
1730

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chapat,Kapasia,Gazipur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share