Dream's will come true

Dream's will come true Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dream's will come true, Gopalganj.
(1)

"স্বপ্ন দেখুন, বিশ্বাস রাখুন, এবং কঠোর পরিশ্রম করুন—আপনার স্বপ্ন একদিন সত্যি হবে! � আমাদের সঙ্গে থাকুন অনুপ্রেরণা, সাফল্যের গল্প ও জীবনের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। �"

24/12/2025

“শিক্ষার নামে ব্র্যান্ডিং: ‘Cadet Madrasha’ কতটা সঠিক?”

❌ কেন “Cadet Madrasha” লেখা উচিত নয় — একটি বাস্তব আলোচনা
বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক বেসরকারি মাদ্রাসার নামের সাথে “Cadet Madrasha” শব্দটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবা জরুরি।
🔹 “Cadet” শব্দের প্রকৃত অর্থ কী?
Cadet বলতে মূলত বোঝায়—সেনাবাহিনী বা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা হওয়ার প্রশিক্ষণার্থী। বাংলাদেশে “Cadet” বললে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই Cadet College বা সামরিক প্রস্তুতি বুঝে।
🔹 সমস্যাটা কোথায়?
যখন একটি সাধারণ বেসরকারি মাদ্রাসার নামের সাথে “Cadet” যুক্ত করা হয়—
অনেক অভিভাবক মনে করেন এটি Cadet College-এর মতো কিছু
বা এখানে পড়লে সন্তানের আর্মিতে যাওয়ার বিশেষ সুবিধা আছে
যা বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সত্য নয়।
👉 এতে করে অনিচ্ছাকৃত হলেও ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
🔹 শৃঙ্খলা থাকলেই কি Cadet বলা যায়?
না।
শৃঙ্খলা, ইউনিফর্ম, ড্রিল—এসব ভালো উদ্যোগ, কিন্তু এগুলো থাকলেই কোনো প্রতিষ্ঠান Cadet হয়ে যায় না।
Cadet একটি নির্দিষ্ট ধারণা ও ঐতিহ্যের নাম, যা সামরিক কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত।
🔹 নৈতিকতার প্রশ্ন
শিক্ষা একটি আমানত।
নামের মাধ্যমে যদি মানুষের মনে এমন কিছু ধারণা তৈরি হয়, যা প্রতিষ্ঠান বাস্তবে পূরণ করে না—তাহলে সেটা নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
🔹 সমাধান কী?
“Cadet” শব্দ ব্যবহার না করেও বলা যায়—
Residential Islamic Institute
Modern Islamic Academy
Discipline-Based Islamic Madrasha
এতে করে— ✔ শৃঙ্খলার কথাও থাকবে
✔ আবার বিভ্রান্তিও হবে না
📌 উপসংহার
“Cadet Madrasha” লেখা আইনগতভাবে হয়তো নিষিদ্ধ নয়,
কিন্তু শিক্ষাগত স্বচ্ছতা, সততা ও নৈতিকতার দিক থেকে এটি পরিহার করাই উত্তম।
👉 দ্বীনের শিক্ষা মানে শুধু পাঠ্য নয়, সততা ও স্বচ্ছতার চর্চাও শিক্ষা দেওয়া।

✍️ এই লেখা কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়; বরং একটি গঠনমূলক সচেতনতা।





🌞 শুভ সকাল, স্বপ্নবাজেরা! ✨নতুন সকাল মানেই নতুন আলো, নতুন সুযোগ, নতুন সম্ভাবনা।যে স্বপ্নের পথে তুমি হাঁটছো—আজকের দিন তোম...
03/12/2025

🌞 শুভ সকাল, স্বপ্নবাজেরা! ✨
নতুন সকাল মানেই নতুন আলো, নতুন সুযোগ, নতুন সম্ভাবনা।
যে স্বপ্নের পথে তুমি হাঁটছো—আজকের দিন তোমাকে সেই স্বপ্নের আরও এক ধাপ কাছে নেবে।

নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো, একটু বেশি হাসো, আর এগিয়ে যেতে থাকো।
মনে রেখো: স্বপ্ন সত্যি হয় যখন তুমি হাল ছাড়ো না। 💛

দিনটা হোক আলো, আনন্দ আর সাফল্যে ভরা! ✨🌼

#শুভসকাল
#শীতেরসকাল

#নতুনদিননতুনআশা

🔍 “Anjikuni Village: এক রাতেই পুরো গ্রাম গায়েব! – বাস্তব ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত রহস্য”(বাস্তব ঘটনা | ১৯৩০ | কানাডার অদ্ভ...
20/06/2025

🔍 “Anjikuni Village: এক রাতেই পুরো গ্রাম গায়েব! – বাস্তব ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত রহস্য”

(বাস্তব ঘটনা | ১৯৩০ | কানাডার অদ্ভুত রহস্য)

---

১৯৩০ সালের নভেম্বর। কানাডার উত্তরাঞ্চলের একটি ছোট ইনুইট গ্রাম — Anjikuni Lake এর পাশে।
সেই গ্রামে ৩০-৪০ জন মানুষের বাস ছিল। হঠাৎ এক ট্র্যাপার (জঙ্গলে ফাঁদ বসানো শিকারি) সেখানে এসে দেখে — পুরো গ্রাম খালি।

👣 কাঁদা-মাটিতে কোনো পায়ের ছাপ নেই,
🍲 রান্না করা খাবার পাত্র আগুনের উপরেই আছে,
🎯 কুকুরগুলো জমে মারা গেছে বরফে – কিন্তু মানুষ কোথাও নেই।

এমনকি…
📍 কবরগুলোও খোলা পাওয়া যায় — মৃতদেহগুলো পর্যন্ত গায়েব।

কানাডিয়ান মাউন্টেন পুলিশ (RCMP) তদন্ত করে কোনো প্রমাণ, কোনো হিংসা, কোনো দস্যুতার চিহ্ন পায়নি।

আজও জানা যায়নি —
👉 এই গ্রামবাসীরা কোথায় গেল?
👉 নিজেরাই গেল নাকি কেউ নিয়ে গেল?
👉 মৃতদেহ কেন তুলে নেওয়া হয়েছিল?

---

❗ এটা কোনো গল্প নয়, কানাডিয়ান ইতিহাসের নথিভুক্ত একটি রহস্যময় ঘটনা, যা আজও সমাধান হয়নি।

🧠 আপনি কি বিশ্বাস করেন — পুরো একটি জনপদ এক রাতেই অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে?

👇 কমেন্টে লিখুন — এমন আর কোনো অজানা বাস্তব রহস্য আপনি জানেন কি?





অতিপ্রাকৃতিক গল্প: "অচেনা স্টেশন"এম, এম, ইসলামরাত্রি ১:১৭ — ট্রেনটা হঠাৎই থেমে গেল। বাইরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। জানালার বাইরে...
19/06/2025

অতিপ্রাকৃতিক গল্প: "অচেনা স্টেশন"
এম, এম, ইসলাম

রাত্রি ১:১৭ — ট্রেনটা হঠাৎই থেমে গেল। বাইরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। জানালার বাইরে কুয়াশা ছেয়ে গেছে সবকিছু। আফিফের ঘুম ভেঙে গেল ঝাঁকুনিতে। চারপাশে তাকিয়ে দেখে, বাকিরা ঘুমাচ্ছে। কিন্তু ট্রেনটা থেমে আছে, অথচ কোনো স্টেশনের নাম নেই, আলো নেই—কিছুই না।

আফিফ দরজার কাছে গিয়ে নামে। পা রাখতেই একটা ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লেগে গেল। আশেপাশে একটা শব্দও নেই—না পাখির ডাক, না কুকুরের ঘেউ ঘেউ। কুয়াশার ফাঁকে ফাঁকে দেখা যায় একটা পুরনো প্ল্যাটফর্ম, ছাউনিতে ফাটা টিন, আর একটা বেনামি সাইনবোর্ড, যেটার লেখা যেন মুছে গেছে।

আফিফ এগিয়ে যায়। হঠাৎ, একটা ক্যাচ ক্যাচ শব্দ—চাকা ঘোরার মতো—পেছন থেকে আসে। ফিরে দেখে, ট্রেনটা নেই।

কিছুক্ষণের মধ্যেই সে বুঝতে পারে—এটা কোনো সাধারণ জায়গা না। ঘড়ি দেখল—রাত্রি ১:১৭। ৫ মিনিট পর আবার দেখল—ঘড়ি এখনো ১:১৭। সময় যেন থেমে আছে।

আরও ভয়ংকর ব্যাপার হলো, প্ল্যাটফর্মের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে এক বৃদ্ধ লোক। মুখটা পুরো অন্ধকারে ঢাকা, কিন্তু ঠোঁট নড়ছে—একটা কথাই বারবার বলছে:

"যেখানে সময় থেমে যায়, মানুষও হারিয়ে যায়..."

আফিফ চিৎকার করে উঠে দৌড়াতে থাকে, কিন্তু যতই দৌড়ায়, সে একই জায়গায় ফিরে আসে—সেই প্ল্যাটফর্ম, সেই সাইনবোর্ড, সেই ঘড়ি—রাত্রি ১:১৭।

হঠাৎ, একটা ঝাঁকুনি… আফিফের ঘুম ভাঙে।

সে দেখে, ট্রেন চলছে। পাশে একজন সহযাত্রী বলল, “আপনি কোথায় গিয়েছিলেন? আমরা অনেকক্ষণ খুঁজছিলাম। আপনার ঘরটা তো খালি ছিল।”

আফিফ জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখে…
একটা স্টেশন পেরিয়ে যাচ্ছে ট্রেন। সাইনবোর্ডে লেখা:

"নেই স্টেশন"।

আর তার ঘড়ি তখনও… ঠিক ১:১৭ এ আটকে।

---

আপনি কি কখনো এমন জায়গার স্বপ্ন দেখেছেন, যেখান থেকে কেউ ফেরে না?

#অতিপ্রাকৃতিক
#ভৌতিকগল্প
#বাংলাগল্প
#ভয়ঙ্কর
#রহস্যময়

💪 "নিজেকে ছোট মনে করা থামান – আপনি অনেক বড় কিছু বানানোর মতোই যোগ্য!"নিজেকে বিশ্বাস করুন, কারণ📌 অন্য কেউ যদি পারে – আপনি ...
19/06/2025

💪 "নিজেকে ছোট মনে করা থামান – আপনি অনেক বড় কিছু বানানোর মতোই যোগ্য!"

নিজেকে বিশ্বাস করুন, কারণ
📌 অন্য কেউ যদি পারে – আপনি কেন পারবেন না?
📌 ভুল করলে আপনি শেষ হয়ে যান না, বরং শিখে এগিয়ে যান
📌 আপনার গল্প এখনও শেষ হয়নি – আপনি এখনো শিখছেন, গড়ছেন, জিতছেন

আজ একবার আয়নায় তাকিয়ে বলুন: 👉 “আমি যথেষ্ট, আমি পারি, আমি এগিয়ে যাচ্ছি।”

🌟 আত্মবিশ্বাস মানে সব জানি না – আত্মবিশ্বাস মানে আমি শিখে নিতে পারি!

🧘‍♂️ “বর্তমানেই বাঁচুন” – এটাই মাইন্ডফুলনেসের মূলমন্ত্র।আমরা অনেকেই অতীত নিয়ে আফসোস করি, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করি। কি...
18/06/2025

🧘‍♂️ “বর্তমানেই বাঁচুন” – এটাই মাইন্ডফুলনেসের মূলমন্ত্র।
আমরা অনেকেই অতীত নিয়ে আফসোস করি, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করি। কিন্তু আপনি কী এখনকার মুহূর্তটা পুরোপুরি অনুভব করছেন?

মাত্র ৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে নিজের নিঃশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।
দেখবেন, আপনি অনেক শান্ত ও স্থির বোধ করছেন।

📱 ফেসবুক অ্যালগরিদম ২০২৫: আপনার পোস্ট কেন আর সবাই দেখতে পায় না? 🤔২০২৫ সালের ফেসবুক অ্যালগরিদম আগের থেকে অনেক বেশি "ইনটেল...
18/06/2025

📱 ফেসবুক অ্যালগরিদম ২০২৫: আপনার পোস্ট কেন আর সবাই দেখতে পায় না? 🤔

২০২৫ সালের ফেসবুক অ্যালগরিদম আগের থেকে অনেক বেশি "ইনটেলিজেন্ট" হয়েছে। এখন আর শুধু “লাইক” নয় — Engagement Quality-ই ঠিক করে দিচ্ছে, কোন পোস্ট ভাইরাল হবে!

🔍 জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন:

✅ 1. কমেন্ট > লাইক
আপনার পোস্টে যদি লাইক পড়ে কিন্তু কেউ মন্তব্য না করে, তাহলে সেটিকে “Low Engagement” হিসেবে ধরা হচ্ছে।

✅ 2. Meaningful Conversations-কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে
যে পোস্টে আলোচনা হয় বা প্রশ্ন-উত্তর চলে — সেটিই বেশি রিচ পাচ্ছে।

✅ 3. Watch Time matters
ভিডিও কন্টেন্টের ক্ষেত্রে যতক্ষণ মানুষ দেখে, তত বেশি রিচ বাড়ে। শুধু স্কিপ করে গেলে রিচ কমে যায়।

✅ 4. শেয়ার হলে বোনাস পয়েন্ট!
আপনার পোস্ট শেয়ার হলে ফেসবুক ধরে নেয় – “এই কনটেন্ট অন্যদের উপকারে আসবে।”

✅ 5. AI এখন বুঝতে পারে আপনি কপি করেছেন কি না!
হ্যাঁ, এখন কনটেন্টের অরিজিনালিটি স্ক্যান করা হচ্ছে। কপি-পেস্ট করলে রিচ কমে যাবে!

---

📌 টিপস:
🔹 প্রশ্ন করে পোস্ট দিন
🔹 নিজস্ব ভাষায় লিখুন
🔹 হুক ব্যবহার করুন (যেমন: "আপনার পোস্ট কি হারিয়ে যাচ্ছে?")
🔹 রেগুলার পোস্ট করুন, কিন্তু স্প্যাম করবেন না

---

🤖 ফেসবুক এখন আর “কে কত বড় পেইজ” সেটা দেখে না, বরং “কে কত ভালো কনটেন্ট দিচ্ছে” সেটা দেখে।

🔄 শেয়ার করে অন্যদেরও জানাতে ভুলবেন না!

ফোনটাই এখন সোশ্যাল চ্যাম্পিয়ন!"আমি কি একমাত্র ব্যক্তি যে মাঝে মাঝে মনে করে, আমার ফোনটা আমার চেয়ে বেশি সামাজিক? ও তো সবার...
10/06/2025

ফোনটাই এখন সোশ্যাল চ্যাম্পিয়ন!

"আমি কি একমাত্র ব্যক্তি যে মাঝে মাঝে মনে করে, আমার ফোনটা আমার চেয়ে বেশি সামাজিক? ও তো সবার খবর রাখে! 📱🤳

শুধু আমি না, ফোনে থাকা অ্যাপগুলোও যেন আমাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। কখনো কখনো মনে হয়, এটাই যেন আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু!"

———

শিক্ষণীয়:
"প্রযুক্তির সুবিধা যেমন, আবার এর সাথে থাকা সম্পর্কের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। অতি নির্ভরশীলতা কিন্তু আমাদের মনোযোগ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রতি ক্ষতিকর হতে পারে।"
#ফোনবন্ধু
#সোশ্যাললাইফ
#ডিজিটালদুনিয়া
#মোবাইলম্যানিয়া
#আমি_না_আমারফোন

📱🐄 “সেলফি তোলার আগে কোরবানির নিয়ত করুন ভাইজান!” 🐄📱এখনকার কোরবানির গরুর কপাল বড়ই ভালো —আগে শুধু ছুরি চলত, এখন ক্যামেরা ...
06/06/2025

📱🐄 “সেলফি তোলার আগে কোরবানির নিয়ত করুন ভাইজান!” 🐄📱

এখনকার কোরবানির গরুর কপাল বড়ই ভালো —
আগে শুধু ছুরি চলত, এখন ক্যামেরা আগে চলে।
গরু কেনার পর ছাগলটা খায় ঘাস, আর মালিক খায় লাইক! 😌

ছবি তোলার ধরণ কিছুটা এমনঃ
📸 "আমার রাজা আসছে!"
📸 "গরুর সাথে শেষ সকাল!"
📸 "কোরবানির আগে একটা স্মৃতি!"
📸 "ভাইরে, গরুর চোখে পানি!"

এই বুঝি ঈদের আসল শিক্ষা —
“গরুর চেয়ে পোস্টটা বেশি হালাল!” 😬

বেচারা গরু ভেবেছিল ওমরাহ করতে মক্কা যাবে,
শেষমেশ গিয়ে দাঁড়ালো ফেসবুকের টাইমলাইনে! 😔

আর কোরবানির দিন?
গরু যাচ্ছে আল্লাহর রাস্তায়,
আর আমরা যাচ্ছি ইনবক্সে মেসেজ দিতে –
“ভাই, গরুর মাংস কবে দিবেন?” 🍖

---

👉 ঈদ মানে ত্যাগ, শুধু ছবি না ভাই।
গরুর সাথে পোজ না দিয়ে, অন্তরের নিয়ত ঠিক রাখি।
সেলফি কমাই, সংযম বাড়াই — তাহলেই ঈদ হবে ‘মোবারক’! 🌙✨

#গরুরসেলফি
#কোরবানিরস্টার
#লাইকএরজন্যগরু
#ঈদেরত্যাগনা_ট্রেন্ড
#স্মার্টকোরবানি

প্রাচীন ডায়েরির রহস্যএম, এম, ইসলামরাত তখন প্রায় দুটো। চারিদিক নিস্তব্ধ, শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার একঘেয়ে ডাক আর দূরের কোনো কুক...
06/06/2025

প্রাচীন ডায়েরির রহস্য
এম, এম, ইসলাম

রাত তখন প্রায় দুটো। চারিদিক নিস্তব্ধ, শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার একঘেয়ে ডাক আর দূরের কোনো কুকুরের মাঝে মাঝে ঘেউ ঘেউ শব্দ। আমি আমার পড়ার ঘরে বসে একটা বই পড়ছিলাম, যদিও মনটা ঠিক বইয়ে ছিল না। গত কয়েকদিন ধরে একটা অদ্ভুত অস্থিরতা আমাকে ঘিরে ধরেছে। মনে হচ্ছে যেন কোনো অদৃশ্য শক্তি আমাকে টানছে, কিছু একটা ঘটতে চলেছে। আমার এই অনুভূতিগুলো সাধারণত ভুল হয় না।
হঠাৎ করেই লোডশেডিং হয়ে গেল। গোটা বাড়িটা অন্ধকারে ডুবে গেল। আমি অভ্যাসমতো টেবিলের ড্রয়ার থেকে মোমবাতি আর দেশলাই বের করলাম। মোমবাতি জ্বালিয়ে যেই না বইটা হাতে নেব, অমনি দরজায় একটা মৃদু কড়া নাড়ার শব্দ শুনলাম।
এই মাঝরাতে? কে হতে পারে?
আমার বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল। আমাদের এই নিরিবিলি পাড়ায় এত রাতে কারো আসার কথা নয়। তাছাড়া, আমরা শহরের বাইরে একটা প্রায় নির্জন জায়গায় থাকি। কৌতূহল আর ভয়ের একটা মিশ্র অনুভূতি নিয়ে আমি ধীরে ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেলাম।
"কে?" ক্ষীণ কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলাম আমি।
কোনো উত্তর নেই। শুধু আরেকবার কড়া নাড়ার শব্দ। এবার একটু জোরালো।
আমি দরজার হ্যান্ডেলে হাত রাখলাম। একটা ঠান্ডা অনুভূতি যেন আমার আঙুলগুলো বেয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে গেল। দরজাটা খুলতেই বাইরের অন্ধকারটা যেন আরও ঘন হয়ে উঠল। মোমবাতির আলোয় আবছাভাবে দেখলাম, একজন দীর্ঘকায় ব্যক্তি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর মুখটা অন্ধকারে ঢাকা, বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর পরনে একটা লম্বা, গাঢ় রঙের পোশাক, যা মাটির সাথে মিশে গেছে।
"কে আপনি? এই মাঝরাতে?" আমার গলা প্রায় কেঁপে গেল।
ব্যক্তিটি কোনো কথা বললেন না। শুধু তাঁর হাতটা আমার দিকে এগিয়ে দিলেন। হাতের তালুতে কী যেন একটা চকচক করছে। মোমবাতির আলোয় ভালো করে দেখে আমি শিউরে উঠলাম। ওটা একটা প্রাচীন, জীর্ণ ডায়েরি!
"এটা আপনার কাছে রাখুন," কণ্ঠস্বরটা নিচু, প্রায় ফিসফিস করে বলার মতো। "সময় হলে এর অর্থ বুঝতে পারবেন।"
তাঁর কথা শেষ হওয়ার আগেই এক ঝলক ঠান্ডা বাতাস বইল এবং তিনি মিলিয়ে গেলেন অন্ধকারে, যেন তিনি কোনোদিনই ছিলেন না। আমি হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। হাতে ধরা ডায়েরিটা বরফের মতো ঠান্ডা লাগছিল। আমি দ্রুত দরজা বন্ধ করে দিলাম, বুকটা তখনো ধুকপুক করছে।
মোমবাতির আলোয় ডায়েরিটা ভালো করে দেখলাম। চামড়ার বাঁধাই, বহু পুরনো। পাতাগুলো হলুদ হয়ে গেছে, কিছু জায়গায় ছেঁড়া। মলাটের উপর একটা অদ্ভুত প্রতীক আঁকা, যা আমি আগে কখনো দেখিনি। ডায়েরিটা খুলতেই একটা অদ্ভুত, অচেনা ভাষায় লেখা কিছু শব্দ চোখে পড়ল। দেখে মনে হচ্ছিল, এটা কোনো প্রাচীন লিপির মতো। আমি যতদূর জানি, আমি এই ভাষাটা শিখিনি।
পরের কয়েকটা দিন আমি কিছুতেই মন বসাতে পারলাম না। ডায়েরিটা আমার মনের মধ্যে গেঁথে ছিল। আমি অনেক চেষ্টা করলাম ভাষাটা বোঝার, কিন্তু পারলাম না। ইন্টারনেট ঘেঁটে অনেক চেষ্টা করেও কোনো লাভ হলো না। এটা কোনো প্রচলিত ভাষা ছিল না।
একদিন বিকেলে আমি বারান্দায় বসেছিলাম। আমার হাতে তখনো সেই ডায়েরিটা। হঠাৎই আমার চোখ গেল একটা পুরনো বইয়ের দিকে, যেটা আমার দাদা ব্যবহার করতেন। বইটা ছিল প্রাচীন লিপি ও সংকেত নিয়ে। আমি কৌতূহলবশত বইটি হাতে নিলাম। পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে হঠাৎ একটা পৃষ্ঠায় আমার চোখ আটকে গেল। অবিশ্বাস্য! ডায়েরির মলাটে আঁকা প্রতীকটা এই বইয়ের একটা পৃষ্ঠাতেও আছে!
আমি দ্রুত পৃষ্ঠাটি পড়তে শুরু করলাম। সেখানে লেখা ছিল, এই প্রতীকটি একটি বিলুপ্ত সভ্যতার ভাষা, যা 'এথিরিয়ান' নামে পরিচিত। এই ভাষার কিছু অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য আছে, যার মধ্যে একটি হলো, এটি কেবল তখনই পাঠযোগ্য হয় যখন পাঠক গভীরভাবে মনোযোগ দেন এবং একটি নির্দিষ্ট মানসিক অবস্থায় থাকেন। বইটিতে এথিরিয়ান ভাষার কিছু মূল অক্ষর এবং তাদের উচ্চারণবিধি দেওয়া ছিল।
আমি উত্তেজিত হয়ে পড়লাম। সঙ্গে সঙ্গে ডায়েরিটা নিয়ে বইটির দেওয়া নির্দেশিকা অনুসরণ করে অক্ষরগুলো মেলানোর চেষ্টা করলাম। প্রথমদিকে কিছুই বুঝতে পারলাম না। কিন্তু ধীরে ধীরে, আমি যখন মনোযোগ দিয়ে অক্ষরগুলোর দিকে তাকাতে শুরু করলাম, তখন অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটল। অক্ষরগুলো যেন নিজেদের মধ্যে নতুন করে বিন্যস্ত হতে শুরু করল! যেন তারা জীবন্ত হয়ে উঠল আমার চোখের সামনে।
আমি বিস্ময়ে চোখ বড় বড় করে দেখলাম, ডায়েরির পাতায় লেখা শব্দগুলো একে একে আমার কাছে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। আমি পড়তে পারছিলাম! এটা ছিল একটা প্রাচীন গল্প, এক হারিয়ে যাওয়া জগতের কাহিনি। সেই ডায়েরিতে লেখা ছিল এক প্রাচীন সভ্যতার কথা, যারা আমাদের এই পৃথিবীর নিচে এক লুকানো মাত্রায় বাস করত। তারা প্রযুক্তি এবং আধ্যাত্মিকতার এক অদ্ভুত মিশ্রণ ব্যবহার করত।
ডায়েরিটা যত পড়ছিলাম, তত আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। এটা ছিল এমন এক জগতের বর্ণনা, যা আমাদের কল্পনার বাইরে। তাদের সমাজ, তাদের জীবনযাপন, তাদের বিশ্বাস – সবকিছুই ছিল আমাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু এর সবচেয়ে অবিশ্বাস্য অংশটি ছিল, ডায়েরিটি একটি সতর্কবার্তা ছিল। সেখানে বলা হয়েছিল যে তাদের জগৎ এবং আমাদের জগতের মধ্যেকার দেয়ালটা ক্রমশ পাতলা হয়ে আসছে। আর যদি সেই দেয়াল সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়, তাহলে দুটি জগতের মধ্যে এক ভয়ংকর সংঘর্ষ অনিবার্য।
ডায়েরির শেষ পাতায় লেখা ছিল একটি ভবিষ্যৎবাণী: "যখন চাঁদ রক্তের মতো লাল হবে এবং আকাশের নক্ষত্ররা ভুল পথে চলবে, তখনই দুটি জগতের সংগম শুরু হবে।"
আমি ডায়েরিটা বন্ধ করে দিলাম। আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল। মধ্যরাতের সেই আগন্তুক, সেই ডায়েরি, আর সেই ভবিষ্যৎবাণী – সবকিছু মিলে আমার মনে এক গভীর ভয়ের সঞ্চার করল। আমি নিশ্চিত ছিলাম যে আমি কোনো সাধারণ ঘটনা দেখিনি। এটা ছিল এক অবিশ্বাস্য, অলৌকিক অভিজ্ঞতা, যা আমার জীবনকে চিরতরে বদলে দিল। আমি জানতাম না এই ভবিষ্যৎবাণী কবে সত্যি হবে, তাই আমি ভয়ে থাকি, সেই অদ্ভুত দিনের জন্য, যখন দুটি জগৎ এক হয়ে যাবে আর তখন পৃথিবীতে কি ঘটবে!





Address

Gopalganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dream's will come true posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share