13/06/2026
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শেষ ম্যাচ খেলে বিমানে করে চট্টগ্রামে পৌঁছান ক্রিকেটার নাঈম হাসান। ফ্লাইট লেট হওয়ায় মাঝরাতে কোনো বড় গাড়ি না পেয়ে একটা সাধারণ সিএনজিতে করে বাসায় ফিরছিলেন।
সিএনজিটি লালখান বাজার এলাকায় এলে টহল পুলিশ তাদের থামায়। সাদা পাঞ্জাবি পরা একজন এবং পুলিশের ড্রেস পরা এসআই শফিক গাড়ি চেক করার কথা বলে নাঈমকে নামতে বলে।
নাঈম নিজের পরিচয় দেন, জাতীয় দলের অফিসিয়াল কার্ড দেখান এবং ব্যাগ চেক করতে বলেন। কিন্তু এসআই শফিক তাকে ধাক্কা মে/ রে সিএনজির ভেতর ঢুকিয়ে লক করে দেয় এবং চেঁচিয়ে বলে, "তুই আ' সা' মি। তুই চুপ থাক, একটাও কথা বলবি না।" এর পরপরই নাঈমের গ/ লা চে*পে ধরা হয়.....
নাঈম যখন চিৎকার করে নিজের বাবাকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। নাঈম প্রতিবাদ করে বলেন, "আমার গায়ে হা' ত দেওয়ার অধিকার আপনার নেই", তবুও এসআই শফিক তাকে লা*ঠি দিয়ে মা* ধ* করে।
আশেপাশের সাধারণ মানুষ ততক্ষণে চিৎকার শুনে জমা হয়ে যায়। তারা নাঈমকে চিনে ফেলে এবং পুলিশের কাছে পরিচয় নিশ্চিত করে।
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়, পুলিশ তাকে সরকারি গাড়িতে না তুলে, একটা সাধারণ প্রাইভেট কারে তোলার চেষ্টা করতে থাকে! নাঈম বুঝতে পারেন তাকে গু* ম করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি চিৎকার করে উপস্থিত জনতাকে বলেন, তারা যেন তাকে একা না ছাড়ে এবং সাথে থানায় যায়।
মাঝরাত হলেও উপস্থিত শত শত সাহসী সাধারণ মানুষ নাঈমের সাথে খুলশী থানায় চলে যায়।
থানায় যাওয়ার পর নাঈম যখন কাঁদতে কাঁদতে ওসির কাছে অভিযোগ করেন, ওসি উল্টো ধমক দিয়ে বলেন, "চোখ নামিয়ে কথা বলো!"
কিন্তু কিছুক্ষণ পর যখন বিভিন্ন ওপর মহল থেকে ওসির ফোনে কল আসা শুরু হয়, ওসির সুর মুহূর্তেই নরম হয়ে যায়! ততক্ষণে নি/ র্যা/ তন/ কা/ রী সেই তিন পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে কৌশলে সরিয়ে ফেলা হয়।
আজকে মিডিয়ার সামনে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বাংলাদেশ দলের এই অফস্পিনার বাচ্চার মতো কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।
একজন ইন্টারন্যাশনাল সেলিব্রেটি ক্রিকেটারের সাথেই যদি মাঝরাতে এই ন্যাক্কারজনক আচরণ করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হতে পারে, ভাবলেই গা শিউরে ওঠে!🙂