আমাদের কথা

আমাদের কথা শিক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য পেতে আমাদের এই পেইজটি ফলো করুন।

14/03/2026
৪০ দিনের গণশোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা...ইরান
01/03/2026

৪০ দিনের গণশোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা...ইরান

আমার বয়স হয়েছে আমার সরিলের মূল্য নেই! এই যোদ্ধ আমি শুধু চেয়ারে বসে দেখছি। ইসরায়েল যদি মনে করে আমাকে হত্যা করলে তারা বিজয়...
01/03/2026

আমার বয়স হয়েছে আমার সরিলের মূল্য নেই!
এই যোদ্ধ আমি শুধু চেয়ারে বসে দেখছি। ইসরায়েল যদি মনে করে আমাকে হত্যা করলে তারা বিজয়ী, এটা তাদের ভুল।
এই যোদ্ধ পরিচালনা করেছে ইরানের যুবকরা এবং তারা অপরাজিত থাকবে। আমাকে হত্যা করলেও ইরানের ক্ষতি হবে না, ইরান নৈতিকতার উপর রয়েছে। ইরান দুনিয়ার কারো গোলামীর করে না!

আয়াতুল্লাহ খামেনি 🇮🇷

শিক্ষকদের জন্য ৫৬ দিনের বেসিক ট্রেনিং বাধ্যতামূলক করা হলো।
26/02/2026

শিক্ষকদের জন্য ৫৬ দিনের বেসিক ট্রেনিং বাধ্যতামূলক করা হলো।

মে দিবস কেবল একটা দিন নয়, এটি হলো সেইসব হাতকে সম্মান জানানোর দিন, যারা দিনশেষে নিজের ঘাম দিয়ে অন্যের ভবিষ্যৎ গড়ে। শ্রদ্ধ...
01/05/2025

মে দিবস কেবল একটা দিন নয়, এটি হলো সেইসব হাতকে সম্মান জানানোর দিন, যারা দিনশেষে নিজের ঘাম দিয়ে অন্যের ভবিষ্যৎ গড়ে।

শ্রদ্ধা জানাই রেখা মুছে যাওয়া সেই সব হাতের মানুষদের—যাদের স্পর্শে বেঁচে থাকে এই সভ্যতা।

 বসন্তের এই দিনে জীবনানন্দ দাশ জন্মেছিলেন, কিন্তু বসন্তের রং কখনো কবির হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারেনি। নামের মধ্যেই আছে জীব...
17/02/2025


বসন্তের এই দিনে জীবনানন্দ দাশ জন্মেছিলেন, কিন্তু বসন্তের রং কখনো কবির হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারেনি। নামের মধ্যেই আছে জীবন আর আনন্দ কিন্তু পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেন নিরানন্দ, দুঃখ, কষ্ট আর হতদরিদ্রের আঁধারে। ভুলতে পারেননি প্রথম প্রেম শোভনাকে। নিজে উচ্চবংশে জন্মালেও স্বপ্ন ছিল রূপসী বাংলার মতোই সাধারণ। পরে বিয়ে করলেন লাবণ্যকে, যে হয়তো ঘরমুখো ছিল, কিন্তু স্বপ্ন ছিল তার আকাশছোঁয়া। তার জন্যই হয়তো জীবনান্দকে দূরে ঠেলে দিলেন। প্ৰেমে ব্যর্থতা, চাকরিবিহীন জীবন আর স্ত্রীর সাথে বন্ধনহীন সম্পর্কের মাঝেও জীবনানন্দ খুঁজে বেড়ালেন এমন একজন, যে তার মনের গভীরে পৌঁছাতে পারবে, অন্ধকারে আলো ছড়িয়ে দিবে। এই হাহাকার আর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লিখলেন বনলতা সেন যার পাখির নীড়ের মতো চোখ ছিল। বুকের অসীম শূন্যতা নিয়েই নিড়ত্ব অর্থাৎ আশ্রয় খুঁজলেন কিন্তু তার বদলে পেলেন অবহেলা আর অপমান।
আর রবীন্দ্রনাথ? চারদিকে তার গুণগান, নোবেল পুরস্কারের জয়জয়কার। কবিগুরু আর সমাজের মানুষ তখন তাকে বুঝলো না, প্রশান্তির বদলে দিলো তীব্র অপমান—এতো বেদনার ভেতর দিয়ে তিনি পৃথিবীর দিকে তাকিয়েছিলেন বিপন্ন বিস্ময়ে আর সৃষ্টি করেছিলেন হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কবিতা। কবিগুরু যখন লাল গালিচায় বিশ্বভ্রমণে বের হলেন একই সময়ে আমাদের কবি মেসে ছারপোকার কামড় সহ্য করে, ক্ষুধার তাড়নায় চড়ুই পাখির ফেলে যাওয়া বিস্কুট খাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে গল্প লিখে গেলেন। সস্তা বোর্ডিংয়ে দিনের পর দিন কুঁচো চিংড়ি খেয়ে থেকেছেন।
নিজের সফলতা দেখে যেতে না পারলেও মায়ের কথা জীবনানন্দ রেখেছেন—কুসুমকুমারী দাশ, যিনি বড় হওয়ার মানে বুঝিয়েছিলেন কথা নয়, কাজের মাধ্যমে। মনের মধ্যে বিষন্নতা আর সংসারের টানাটানির পরেও বাংলার মাটি আর হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেম ছিল অফুরন্ত। কখনো সুদর্শন, আবার কখনো লক্ষ্মীপেঁচা হয়ে এই বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। আট বছর আগে নিজেকে নিয়েই লিখলেন আট বছর আগের এক দিনে:
"শোনা গেল লাসকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে;
কাল রাতে— ফাল্গুনের রাতের আঁধারে
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
মরিবার হ’লো তার সাধ;"
অবিশ্বাস্যভাবে, পৃথিবীতে ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া একমাত্র মানুষ জীবনানন্দই। এখন তিনি মনের মধ্যে অভিমান নিয়ে স্বেচ্ছায় প্রাণ দিলেন নাকি আসলেই দুর্ঘটনার শিকার সেই প্রহেলিকা থাক। আজ আমাদের বিষন্নতার কবির জন্ম দিন। বিনম্র শ্রদ্ধা আমার পছন্দের কবির প্রতি যিনি আমাকে বিষন্নতা আর নিহিলিজমের

16/01/2025

যিনিই লিখুন, নাম পাইনি। অসম্ভব ভালো লিখেছেন। আমাদের ছেলেবেলার কথা

ছোটবেলায় আমি অনেক ধনী ছিলাম। হালকা বৃষ্টির জমে থাকা জলে, আমারও তিন-চারটে নৌকা, জাহাজ জলে ভেসে বেড়াতো।

কাগজের হলে কি হবে? আকাশে আমারও বিমান উড়ে বেড়াতো। ছোটখাটো দূরত্বগুলো কাগজের প্লেনেই যাত্রা করতাম।

প্রাসাদ, অট্টালিকা আমিও বানিয়েছিলাম। হয়তো সেগুলো মাটি বা পাটকাঠি দিয়ে তৈরি ছিল, কিন্তু একেবারেই আমার ছিল।

ব্যবসা আমারও ছিল। নারকেলের মালা দিয়ে দাঁড়িপাল্লা বানিয়ে কাঁটায় কাঁটায় জিনিস কেনাবেচা করতাম।

তখন, আমিও বিজ্ঞানী ছিলাম। ফেলে দেওয়া পুরনো ইনজেকশনের সিরিঞ্জে জল ভরে বিভিন্ন গাছের শাখা-প্রশাখায় ইনজেকশন দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতাম।

এখন আর কোথায় পাব সেই বড়লোকী চাল?
শৈশবটাকে বড্ড বেহিসেবি খরচা করে ফেলেছিলাম।

তাই আজ বড়ো গরীব।

নিম্নের চার্ট অনুযায়ী - প্রায় দুইজাহার কোটি টাকার মত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বিক্রি হয় প্রতিবছর। শুধু সার্জেলের বার্ষিক বিক্র...
05/01/2025

নিম্নের চার্ট অনুযায়ী - প্রায় দুইজাহার কোটি টাকার মত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বিক্রি হয় প্রতিবছর। শুধু সার্জেলের বার্ষিক বিক্রি ১ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি !! ব্যাপারটা খুবই এলার্মিং।

সামান্য কিছু হলেই আমাদের দেশের মানুষ মুড়ি মুড়কির মতো ওষুধ খায়। এতে একটুও কাল বিলম্ব করে না। আর গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ মিনিমাম দুই বেলা করে রোজ (বছরের পর বছর) খাওয়া অত্যাবশ্যকীয় বানিয়ে ফেলেছে প্রায় সবাই। আহ ! কত বাজে অভ্যাস ! আমরা কি জানি এর পরিণতি কি? গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বিশেষ করে প্রোটন-পাম্প ইনহিবিটর (PPI) যেমন - সার্জেল, মাক্সপ্রো, প্যান্টোনিক্স (এসব -prazole গ্রুপের ড্রাগ) কেউ যদি দীর্ঘদিন নিয়মিত খায় এতে করে তার অন্ত্রের সংক্রমণের পাশাপাশি ব্যাপক হাড়-ক্ষয় হবে। তাছাড়া শরীরে ভিটামিন বি-১২ এর অভাব দেখা দিবে ও ম্যাগনেসিয়ামের লেভেল কমে যাবে। ফলশ্রুতিতে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, পেশী সমস্যা ও চরম দুর্বলতা ফিল হবে। কিডনিতে পাথর হয়ে কিডনি ফাংশন ড্যামেজ হতে পারে।

নাপা (প্যারাসিটামল) দীর্ঘদিন খাওয়ার কারণে ক্লান্তি ও শাসকষ্টের পাশাপাশি লিভারের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হতে পারে।

আর চার্টে দেখা যাচ্ছে এন্টিবায়োটিকের মধ্যে শুধু সেফ-থ্রি ই বিক্রি হয় বছরে ২৭৪ কোটি টাকার মত। সব এন্টিবায়োটিকের বিক্রি একসাথে হিসাব করলে হয়ত হাজার কোটি টাকা হতে পারে। অসম্ভব কিছু না। আমাদের দেশে যে পরিমান এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার হয় তা পুরো দুনিয়ার কোথাও মনে হয় হয় না। সাধারণ সর্দি কাশিতে পর্যন্ত মানুষ এন্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করে দেয়। তাও আবার যতদিন মন চায়। কি একটা ভয়ংকর অবস্থা ! এতে করে এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স মহামারী আকার ধারণ করছে। নীরবে শেষ হয়ে যাচ্ছে অগণিত মানুষের জীবন। খোঁজ নিয়ে দেখেন -আমাদের দেশে যে পরিমান মানুষ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মারা যাচ্ছে তার উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যকের মৃত্যুর জন্য এই এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স দায়ী। আমরা কি জানি- বিজ্ঞানীরা অদূর ভবিষ্যতে ‘এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স’ এর মহামারীর আশংকা করছে !! অগণিত মানুষের প্রাণ কেড়ে নিবে এই মহামারী।

সুতরাং, সতর্ক হোন। নিজে বাঁচুন ও আপনজনকে বাঁচান। এন্টিবায়োটিকসহ যেকোন ওষুধের অপব্যবহার রোধ করুন। দরকার হয় ক্যাম্পেইন করে মানুষকে সতর্ক করুন। মনে রাখবেন - স্বাস্থ্যই সুখের মূল।

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব।স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার ব...
02/01/2025

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব।
স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো--এটা তোর কাকুর দোকানে নিয়ে যা, বলবি যে এটা বেচে কিছু টাকা দিতে।
ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকুর কাছে গেল।
কাকু হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে। কাকু কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন--আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দোর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে।
পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো। সারাদিন বসে থেকে কি আর করবে,
তাই সোনার কাজ শেখার আগ্রহ সৃষ্টি হলো ছেলেটির। সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করলো।
ভাল শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনাদানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রসংশীত হচ্ছিল তার কাজ।
একদিন ছেলেটির কাকু বললো-- তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।
ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে হারটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলো যে এটা একটা নকল হীরের হার। তাই সে হারটা আর কাকুর কাছে নিয়ে যায় নি।
কাকু জিজ্ঞেস করলো-- হারটি আনো নি ?
ছেলেটি বললো-- না কাকু, পরীক্ষা করে দেখলাম এটা একটা নকল হার।
তখন কাকু বললো- তুমি যেদিন আমার কাছে হারটি প্রথম নিয়ে এসেছিলে সেদিন আমি দেখেই বুঝে নিয়েছিলাম যে এটা নকল, কিন্তু তখন যদি আমি তোমাকে এই কথাটা বলে দিতাম, তাহলে তোমরা হয়তো ভাবতে যে আজ আমাদের মন্দ সময় বলেই কাকু আমাদের আসল জিনিষকে নকল বলছে। আজ যখন এ ব্যাপারে তোমার পুরো জ্ঞান হয়ে গেছে, তখন তুমি নিজেই বলছো এটা নকল হার।
এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছো...যা কিছু ভাবছো সবটাই এই হারের মতই নকল, মিথ্যে।
জ্ঞান ছাড়া কোন জিনিসের বিচার সম্ভব নয়। আর এই ভ্রমের শিকার হয়েই অনেক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। আমি সেই সম্পর্কটা নষ্ট হোক তা চাইনা।

পৃথিবীতে সবচেয়ে ইউজলেস এবং মিথ্যা কথা হলো"Money can't buy happiness."বাচ্চাটার বাবার টাকা থাকলে পৃথিবীতে আসার আগেই তার জ...
13/11/2024

পৃথিবীতে সবচেয়ে ইউজলেস এবং মিথ্যা কথা হলো
"Money can't buy happiness."
বাচ্চাটার বাবার টাকা থাকলে পৃথিবীতে আসার আগেই তার জন্য হ্যাপিনেস কেনা হয়ে যেতো।
জগতের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস টাকা... টাকা থাকলে সব আছে। আর টাকা দিয়ে কেনা সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসের নাম এক থালা ভাত।
এই বাচ্চাটা বেতন পেতো না সম্ভবত, দুই বেলা ভাত পেতো শুধু।💔

Address

Noakhali, Hatiya Charmangat, Maijdee Court
Hatiya
3893

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমাদের কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share