NHG NextDot Holdings Group (NHG)
A diversified business group driving growth across technology, education, media, branding, and strategic investments.
(1)

We build innovative businesses, empower communities, and create lasting value for the future.

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব...
25/08/2026

আমি পঁচিশ বছর ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। চিঠি, পার্সেল, কাগজপত্র, নোটিশ, সব পৌঁছে দিই। আগে চিঠি বেশি আসতো। এখন আসে ব্যাংকের কাগজ, চাকরির কাগজ, আদালতের নোটিশ, অনলাইন অর্ডারের বাক্স।

​আমার নাম কামাল। ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, হাজারীবাগ, এই এলাকাগুলোতে আমার রুট। প্রতিদিন একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ঘুরি। বৃষ্টি হলে ভিজি। রোদ হলে পুড়ি। শীত হলে কাঁপি। কাজটা ভালো লাগে না। তবু ছাড়িনি।

​আমাদের অফিসে একটা নিয়ম আছে। ঠিকানা ভুল হলে তিনবার চেষ্টা করতে হয়। তারপর লেখা হয়-

"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"

​এই তিনটা শব্দ আমি জীবনে অসংখ্যবার লিখেছি। কিন্তু একদিন একটা খামের উপর এই তিনটা শব্দ লিখতে গিয়ে আমার হাত থেমে গিয়েছিল। খামের উপর লেখা ছিল-

প্রেরক: আবদুল হালিম
প্রাপক: রাশেদ হালিম
বাড়ি: ১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা।
নিচে ছোট করে লেখা-
জরুরি। ব্যক্তিগত।

অর্থাৎ, আবদুল হালিম নামে এক বয়স্ক বাবা তাঁর ছেলে রাশেদ হালিমের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো, প্রেরক ও প্রাপক দুজনেরই ঠিকানা একই দেয়া-
১৭/বি, লালমাটিয়া, ঢাকা। মানে বাবা তাঁর নিজের বাড়ির ঠিকানাতেই ছেলের নামে চিঠি পোস্ট করেছেন!

​আমি ঠিকানায় গিয়ে দেখি, ১৭/বি বলে কোনো বাড়িই নেই।
১৭ আছে।
১৭/এ আছে।
১৭/সি আছে।
কিন্তু ১৭/বি নেই।

পাশের দোকানের লোককে জিজ্ঞেস করলাম। ​লোকটা বললো, "আগে ছিল।"
"এখন?"
"ভেঙে ফ্ল্যাট হইছে।"
"হালিম সাহেব?"
লোকটা কাঁধ ঝাঁকালো, "চিনি না।"

​আমি পাশের চায়ের দোকানে গেলাম। ​চা-ওয়ালা বললো, "আবদুল হালিম নামে একজন ছিল।"
"কোথায় গেছে?"
"মারা গেছে।"
"কবে?"
"অনেক বছর।"

​আমি অফিসে ফিরে খামটা "প্রাপককে পাওয়া যায়নি" লিখে জমা দিতে পারতাম। দিইনি। ​পরদিন আবার গেলাম। ১৭ নম্বর বাড়ির পুরোনো দারোয়ানকে পেলাম। বয়স অনেক। নাম গফুর। আমি খামের নামটা বলতেই লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

​"আপনি আবদুল হালিম সাহেবের ছেলের লোক?"
"না। কুরিয়ার।''
লোকটা বললো, "আবদুল হালিম সাহেব তো নাই।"
​আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তার ছেলে কোথায়?"
"বিদেশে।"
"কোন দেশে?"
"কানাডা।"
"যোগাযোগ নেই?"
"না।"

আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কেন?"
লোকটা বললো, "বাপ ছেলের ঝামেলা।"

​এই কথাটা বাংলাদেশের মানুষের খুব প্রিয়। সবকিছুর ব্যাখ্যা এক কথায় হয়ে যায়, "ঝামেলা ছিল।"

​আমি বললাম, "কী ঝামেলা?"
লোকটা বললো, "সেইটা আমি জানি না।"
তারপর একটু থেমে বললো, "তবে শেষের দিকে আবদুল হালিম সাহেব প্রতিদিন বিকেলে গেটের সামনে বসে থাকতেন।"
"কেন?"
"ছেলের জন্য।"
"ছেলে আসতো?"
"না।"

​আমি চুপ করে গেলাম।

​কানাডায় ছেলেটার নাম ছিল রাশেদ হালিম। ফেসবুকে খুঁজলাম। পেলাম না। লিংকডইনে পেলাম একজনকে। নাম মিলে যায়। ঢাকায় জন্ম। কানাডায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বয়সও মিলে। আমি তার প্রোফাইলের ছবি দেখলাম। একজন হাসিখুশি মানুষ। বউ। দুইটা বাচ্চা। বরফের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছবি। ক্যাপশনে লেখা-

"Home is where your people are."

​আমি অনেকক্ষণ ঐ কথাটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হোম ইজ হোয়্যার ইয়োর পিপল আর। মানুষ কত সহজে ইংরেজিতে এমন কথা লিখে ফেলে। নিজের ভাষায় বলতে গেলে বুক কাঁপে।

​আমি তাকে মেসেজ পাঠালাম, "আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে।"

কোনো উত্তর নেই।

দুই দিন পর উত্তর এলো, "Who are you?"
আমি বললাম, "আমি কুরিয়ার সার্ভিসে কাজ করি। আপনার বাবা একটা চিঠি পোস্ট করেছে।"
সে লিখলো, "My father died years ago."
আমি বললাম, "চিঠিটা আপনার জন্যই।"

অনেকক্ষণ কোনো উত্তর নেই।
তারপর লিখলো, "Don't contact me again."

​আমি চুপ করে গেলাম। চিঠিটা আমার ড্রয়ারে রয়ে গেল।
তারপর এক সপ্তাহ। দুই সপ্তাহ। এক মাস। আমি চিঠিটা অফিসে জমা দিইনি।

​একদিন সন্ধ্যায় রাশেদের কাছ থেকে মেসেজ এলো, "What does the letter say?"
আমি বললাম, "আমি খুলি নাই।"
সে আবার লিখলো, "Can you send me a picture?"

​আমি খামের ছবি পাঠালাম।
সে অনেকক্ষণ কোনো উত্তর দিলো না।

তারপর লিখলো, "That's my father's handwriting."
আমি বললাম, "আপনি চিঠিটা চান?"
অনেকক্ষণ পর উত্তর এলো, "Yes."
আমি বললাম, "ঠিকানা দেন।"

​সে ঠিকানা দিল। সেদিনই আমি চিঠিটা পাঠিয়ে দিলাম। কাজ শেষ। ভাবলাম, এবার আমার দায়িত্ব শেষ। তিন দিন পর একটা ফোন এলো। বিদেশি নম্বর। আমি ধরলাম। ওপাশ থেকে একটা পুরুষের গলা।

​"আপনি কামাল?"
"জি।"
"আমি রাশেদ।"
"জি।"
"চিঠিটা পেয়েছি।"

​আমি চুপ করে থাকলাম।

​সে বললো, "আপনি কি জানেন, আমার বাবা মারা যাওয়ার আগে শেষবার আমাকে কী বলেছিলেন?"
"না।"
"বলেছিলেন, তুই যদি কোনোদিন ফিরে আসিস, আমার কাছে আসিস না।"

আমি কিছু বললাম না।

সে বললো, "আমি আর ফিরিনি।"

​তারপর দীর্ঘ নীরবতা।

​"চিঠিতে কী ছিল জানেন?"
"না।"

সে হাসলো।

তারপর বললো, "আমার বাবা কখনো কাউকে চিঠি লিখতেন না।"

আমি অবাক হলাম।

বললাম, "কিন্তু এটা তো আপনার বাবার হাতের লেখা।"
"হ্যাঁ।"
"তাহলে?"
"তিনি লিখেছিলেন। কিন্তু পাঠাননি।"

আমি বুঝলাম না।

রাশেদ বললো, "চিঠিটা তিনি নিজের আলমারিতে রেখে গিয়েছিলেন।"
"কীভাবে পোস্ট হলো?"
"তার বাড়ি বিক্রি করার পর নতুন মালিক পুরোনো আলমারির কাগজপত্রের মধ্যে খামটা পেয়েছিলেন। হয়তো ভেবেছেন পোস্ট করা হয়নি, তাই দয়ায় পড়ে ডাকবাক্সে ফেলে দিয়েছেন।"
আমি বললাম, "চিঠিতে কী ছিল?"
রাশেদ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "একটা মাত্র বাক্য।"
"কী?"

"আমি ভুল করেছিলাম।"

আমি বললাম, "এইটুকু?"
"হ্যাঁ।"
"আর কিছু?"
"না।"

আমি বললাম, "তাহলে আপনি কাঁদছেন কেন?"
রাশেদ কান্না থামিয়ে বললো, "আমি ভেবেছিলাম, বাবারা কখনো ভুল করে না।"

​আমি জানি না কেন, কথাটা শুনে আমার নিজের বাবার কথা মনে পড়লো। আমার বাবা ছিলেন রাগী মানুষ। আমি ছোটবেলায় একবার স্কুল থেকে পালিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। বাবা জানতে পেরে আমাকে এমন মেরেছিলেন যে তিনদিন স্কুলে যেতে পারিনি। তারপর আমি ঠিক করেছিলাম, কোনোদিন বাবার সঙ্গে কথা বলবো না।

দুদিন পরই বাবা মারা গেলেন। আমার রাগটা রয়ে গেল। বাবা রইলেন না। মানুষের রাগেরও একটা সমস্যা আছে। যার ওপর রাগ করা হয়, সে না থাকলেও রাগটা থেকে যায়। তারপর একদিন সেই রাগের কোনো ঠিকানা থাকে না।

​রাশেদ বলল, "কামাল ভাই?"
"জি?''
"আপনি কি একটা কাজ করবেন?"
"কী?"
"আমার বাবার কবরটা খুঁজে দিতে পারবেন?"
আমি বললাম, "পারবো।"
"কেন জানি না, আমি যেতে চাই।"
"আসবেন?"
"হ্যাঁ।"

​তিন মাস পর রাশেদ ঢাকায় এলো। আমি তাকে বিমানবন্দর থেকে নিতে যাইনি। কিন্তু সে নিজেই আমাকে ফোন করলে।

​"কামাল ভাই, আমি ঢাকায়।"
"কোথায়?"
"পুরোনো বাসার সামনে।"

​আমি গেলাম। সে গাড়ি থেকে নামলো। আমি প্রথমে চিনতেই পারিনি। ছবির চেয়ে মানুষ বাস্তবে অন্যরকম।

​সে আমাকে দেখে বললো, "আপনিই কামাল?"
"জি।"

​সে হাত বাড়ালো। আমি হাত ধরলাম। তার হাত কাঁপছিল। আমরা একসঙ্গে কবরস্থানে গেলাম। তার বাবার কবর খুঁজে পেলাম। রাশেদ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর বসে পড়লো।

কোনো দোয়া পড়লো না। কিছু বললো না। শুধু মাটির উপর হাত রাখলো।

​অনেকক্ষণ পর বললো, "বাবা, আমি এসেছি।"

​আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

​সে আবার বললো, "তুমি বলেছিলে, আসিস না।''

চুপ

''আমি আসিনি।''

চুপ

''তুমি ভুল করেছিলে।"

চুপ

"আমিও ভুল করেছিলাম বাবা।"

​আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। দূরে সরে গেলাম।
মানুষের কিছু কথার সাক্ষী হওয়া উচিত না। কিছু কথা মৃত মানুষের আর জীবিত মানুষের মাঝেই থাকা ভালো।

​ফেরার সময় রাশেদ আমাকে বললো, "কামাল ভাই, আপনি না থাকলে আমি আসতাম না।"
আমি বললাম, "আমি তো শুধু চিঠি পৌঁছাইছি।"
সে বললো, "না।"
"তাহলে?"
"আপনি আমার কাছে একটা ঠিকানা পৌঁছে দিয়েছেন।"
আমি হেসে বললাম, "কবরের ঠিকানা?"
সে মাথা নাড়লো, "না।"
"তাহলে?"
সে বললো, "বাবার কাছে যাওয়ার ঠিকানা।"

​আমি কিছু বললাম না। অফিসে গিয়ে আমার ছেলেকে ফোন করলাম। সে ধরলো না। আবার করলাম। ধরলো।

​বললো, "কী হয়েছে?"
আমি বললাম, "কিছু না।"
"তাহলে ফোন করছো কেন?"
আমি বললাম, "তুই কেমন আছিস?"
সে বললো, "ভালো।"
আমি বললাম, "তোর সঙ্গে আমার কোনোদিন খুব বেশি রাগারাগি হয়েছে?"
ওপাশে সে হাসলো, "আপনার তো প্রতিদিনই রাগারাগি হয়।"
আমি বললাম, "আমি যদি কোনোদিন ভুল করে থাকি?"

সে চুপ করে গেল।

আমি বললাম, "তাহলে আমাকে বলিস।"
"কেন?"
"যাতে আমি ঠিক করতে পারি।"
সে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, "আব্বা, আপনি ঠিক আছেন তো?''
"হ্যাঁ।"
"কিছু খাইছেন?"
"না।"
"খেয়ে ঘুমান।"

​ফোন কেটে গেল।

​আমি অনেকক্ষণ ফোনটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তারপর ড্রয়ার খুললাম। রাশেদের বাবার চিঠির একটা ফটোকপি সেখানে রেখেছিলাম। মাত্র এক লাইন।

''আমি ভুল করেছিলাম।''

আমি কাগজটা হাতে নিয়ে ভাবলাম, মানুষ পৃথিবীতে কত কিছু লিখে। উপন্যাস। কবিতা। ইতিহাস। আইন। প্রেমপত্র। ক্ষমাপত্র। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে কঠিন চিঠিটা সম্ভবত এই তিনটা শব্দের, আমি ভুল করেছিলাম। এই তিনটা শব্দ বলতে একজন বাবার পঁচাত্তর বছর লাগে। একজন ছেলের ত্রিশ বছর। কখনো কখনো পুরো একটা জীবন।

​পরদিন অফিসে গিয়ে টেবিলে এক পুরোনো পার্সেল পড়ে থাকতে দেখলাম। প্রাপক মৃত, প্রেরকের খোঁজ নেই। ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় ধুলো জমছে খামের উপর। আমি কিছুক্ষণ সেটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো, পৃথিবীতে কত অভিমান, কত অসম্পূর্ণ কথা এভাবেই কোনো না কোনো টেবিলে ঠিকানাহীন হয়ে জমা পড়ে থাকে।

​অফিসে ভালো লাগলো না। আমি বাড়ি ফিরে এলাম।

আমার ছেলে তখন ঘরে বসে ফোন দেখছিল। আমি তার পাশে গিয়ে বসলাম। সে তাকালো।

আমি বললাম, "তোর সাথে আমার একটা কথা ছিল।"
সে অবাক হয়ে বললো, "কী কথা?"

আমি ড্রয়ার থেকে রাশেদের বাবার চিঠির ফটোকপিটা বের করে তার সামনে রাখলাম।

সে খামটার দিকে, তারপর আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।
তারপর হঠাৎ উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো।

অনেক বছর পর। খুব অল্প সময়ের জন্য। কিন্তু যথেষ্ট। আমি তার পিঠে হাত রাখলাম। কিছু বললাম না। আমার মনে হলো, সেদিন যদি রাশেদের বাবার চিঠিটা পৌঁছে না দিতাম, তাহলে হয়তো আমার ছেলেকে আমি এই কথাগুলো কোনোদিন বলতাম না।

​আমি এখনও কুরিয়ারে কাজ করি। এখনও ভুল ঠিকানার পার্সেল আসে। এখনো অফিসে তিনটা শব্দ লেখা হয়,

"প্রাপককে পাওয়া যায়নি।"

​কিন্তু আমি আর আগের মতো সহজে লিখতে পারি না। কারণ আমি জানি, কখনো কখনো মানুষ ঠিকানায় থাকে না। অভিমানে থাকে। দূরত্বে থাকে। ভুল বোঝাবুঝিতে থাকে। কখনো বিদেশে থাকে। কখনো কবরের নিচে। আর কখনো, একই বাড়িতে থেকেও একটা দরজার ওপাশে থাকে। তাই কোনো চিঠি হাতে নিয়ে যদি মনে হয়, "লোকটা তো নেই।" আমি একটু অপেক্ষা করি। কারণ ঠিকানাটা ভুল হতে পারে। কিন্তু চিঠিটা নয়। চিঠি সাধারণত ঠিক মানুষটার কাছেই যেতে চায়। শুধু পৌঁছাতে কখনো কখনো একজন কামালের দরকার হয়!

Sohel R Rana

মনোপলি সাম্রাজ্য ভাঙতে জাস্ট একটা ভুলই যথেষ্ট.. 🤕বিকাশ আমাদের দেশের এমএফএস জায়ান্ট। তাদের একচেটিয়া মনোপলি মার্কেট। কিন্...
25/08/2026

মনোপলি সাম্রাজ্য ভাঙতে জাস্ট একটা ভুলই যথেষ্ট.. 🤕

বিকাশ আমাদের দেশের এমএফএস জায়ান্ট। তাদের একচেটিয়া মনোপলি মার্কেট। কিন্তু রিসেন্টলি তারা কিছু অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। অনেক ইউজারের অ্যাকাউন্টে হুট করে এনপিএসবি ট্রানজেকশন অফ করে দিচ্ছে। এমনকি যারা অন্য ব্যাংকের 'বাংলা কিউআর' ব্যবহার করছে, তাদের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টও ব্লক করে দিচ্ছে। কাস্টমার কেয়ার থেকে বলা হচ্ছে "বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ, অস্বাভাবিক লেনদেন।"

কিন্তু দিনশেষে কাস্টমার চরম প্যারা খাচ্ছে। বিকাশ চাচ্ছে পুরো ইকোসিস্টেমটা শুধু তাদের কন্ট্রোলেই থাকুক। কাস্টমার যেন অন্য কোনো পেমেন্ট গেটওয়েতে না যায়। কিন্তু কাস্টমারকে জোর করে আটকে রাখা যায় না। যে পাখি উড়ে যাওয়ার সে তো যাবেই যদি ঠিকমত যত্ন পায় 😁

ঠিক এই কাস্টমার ফ্রাস্ট্রেশনের সুযোগটাই নিল উপায়। তারা জাস্ট ছক্কা হাঁকিয়ে দিল। তারা দারুণ একটা ক্যাম্পেইন লঞ্চ করল "এনপিএসবি করে টাকা আনুন, ইউসিবি এটিএম থেকে জিরো চার্জে ক্যাশআউট করুন।" মার্কেটিংয়ের ভাষায় একে বলে 'গ্যাপ আইডেন্টিফিকেশন'।

যখন মার্কেট লিডার ইগো দেখিয়ে কাস্টমারকে রেস্ট্রিক্ট করছে, চ্যালেঞ্জার ব্র্যান্ড তখন দরজা খুলে দিচ্ছে। নোকিয়ার কথা মনে আছে? তারা কাস্টমারের ইমোশন বুঝতে পারেনি। তারা ভেবেছিল তারাই আজীবন রাজা থাকবে।

অ্যান্ড্রয়েড এসে তাদের পুরো সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিল। বিকাশ হয়তো নোকিয়া হবে না, কিন্তু উপায় যে এই সুযোগে একটা বড় মার্কেট শেয়ার কেড়ে নেবে, তা নিশ্চিত।

আপনার বিজনেসের জন্য এখান থেকে ৩টি লেসন:
১. কম্পিটিটরের উইক পয়েন্ট খুঁজুন। তারা যেখানে কাস্টমারকে প্যারা দিচ্ছে, ঠিক সেখানে আপনি বেস্ট সল্যুশন নিয়ে হাজির হোন।
২. কাস্টমারকে জোর করে আটকে রাখবেন না। তাদের স্বাধীনতা দিন। যে ব্র্যান্ড স্বাধীনতা দেয়, কাস্টমার তার কাছেই ফেরে।
৩. টাইমিং ইজ এভরিথিং। মার্কেটে ফ্রাস্ট্রেশন তৈরি হওয়ামাত্রই উপায়-এর মতো কিলার অফার নিয়ে মাঠে নামুন।

কাস্টমার দিনশেষে তার নিজের সুবিধাই দেখবে। মার্কেটিংয়ে ইগো দেখালে পতন অনিবার্য।
আপনার ব্র্যান্ডের এমন স্ট্র্যাটেজিক উইক-পয়েন্ট অ্যানালাইসিস বা মার্কেট গ্যাপ বের করে সলিড কন্টেন্ট পজিশনিং করতে চাইলে 'Content Powerhouse' থেকে আমরা পুরো টিম নিয়ে সেই সাপোর্টটাই দিই।

চমৎকার লেখেছেন Saimstory

বিকাশ থেকে লোন নিলে পরিশোধে অবহেলা কেন বিপজ্জনক? জেনে নিন CIB রিপোর্টের প্রভাববর্তমানে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে খুব অল্প সম...
02/08/2026

বিকাশ থেকে লোন নিলে পরিশোধে অবহেলা কেন বিপজ্জনক? জেনে নিন CIB রিপোর্টের প্রভাব

বর্তমানে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে খুব অল্প সময়েই ঋণ নেওয়ার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। তবে মাত্র এক মিনিটে লোন অনুমোদন হলেও এটিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। এটি একটি আনুষ্ঠানিক ব্যাংক ঋণ, তাই সময়মতো পরিশোধ না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আর্থিক জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

অনেকেই মনে করেন, বিকাশ থেকেই সরাসরি এই ঋণ দেওয়া হয়। বাস্তবে বিকাশ শুধু একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। ঋণটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুসারে সিটি ব্যাংক প্রদান করে। ফলে এটি অন্যান্য ব্যাংক ঋণের মতোই বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (CIB)-এর আওতাভুক্ত।

ঋণ পরিশোধ না করলে কী হতে পারে?

সময়মতো কিস্তি বা বকেয়া পরিশোধ না করলে আপনার ক্রেডিট ইতিহাসে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে—

- CIB-তে ঋণখেলাপি বা বকেয়া গ্রাহক হিসেবে তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে।
- ভবিষ্যতে বিভিন্ন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হোম লোন, পার্সোনাল লোন, কার লোন কিংবা ক্রেডিট কার্ড পাওয়া কঠিন হতে পারে।
- বকেয়া অর্থের ওপর অতিরিক্ত চার্জ বা বিলম্ব ফি যুক্ত হতে পারে।
- দীর্ঘদিন ঋণ অনাদায়ী থাকলে ঋণদাতা ব্যাংক প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।

CIB কী?

ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (CIB) হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বিভাগ, যেখানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাদের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। নতুন ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের আবেদন মূল্যায়নের সময় ব্যাংকগুলো সাধারণত আবেদনকারীর CIB রিপোর্ট পর্যালোচনা করে।

CIB ভালো রাখার উপায়

- নির্ধারিত সময়ে সব কিস্তি পরিশোধ করুন।
- অপ্রয়োজনীয় ঋণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
- CIB-তে কোনো ভুল তথ্য থাকলে দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নিন।
- গ্যারান্টর হওয়ার আগে সম্ভাব্য দায় সম্পর্কে নিশ্চিত হন।

মনে রাখবেন, ভালো আর্থিক অভ্যাস শুধু একটি ঋণ পরিশোধের বিষয় নয়; এটি আপনার ভবিষ্যতের আর্থিক সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই বিকাশের মাধ্যমে কিংবা অন্য যেকোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে সময়মতো পরিশোধ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত।

গ্রুপের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে সকল সদস্যকে নিয়মগুলো মেনে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে।
17/05/2026

গ্রুপের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে সকল সদস্যকে নিয়মগুলো মেনে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে।

15/05/2026

🗓️ ২০ মে, সকাল ৮:৩০…
এসএসসি পরীক্ষার্থীরা শেষবারের মতো বই খুলে রিভিশন দেবে।
শেষ মুহূর্তের দোয়া, একটু নার্ভাসনেস, তাড়াহুড়ো করে নাস্তা শেষ করে স্কুল ড্রেস পরে বেরিয়ে যাবে পরীক্ষার হলের উদ্দেশ্যে। ✨

তারপর ঘড়ির কাঁটা যখন দুপুর ১:১৫ ছুঁবে,
সবাই একে একে হল থেকে বের হবে—
কারও মুখে স্বস্তির হাসি, কারও চোখে অদ্ভুত এক শূন্যতা।
বন্ধুদের সাথে শেষবারের মতো কিছু হাসি-ঠাট্টা, কিছু ছবি, কিছু গল্প… তারপর যে যার মতো বাসায় ফিরে যাবে। 🖤

কিন্তু তখনও হয়তো কেউ বুঝবে না—
এভাবেই শেষ হয়ে গেল জীবনের সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে সোনালী একটা অধ্যায়। 🙂

কয়েক বছর পর হঠাৎ এই দিনগুলোর কথা মনে পড়বে…
আর তখন আফসোস নিয়ে বলবে—
“ইশ! যদি আরও একটু সময় একসাথে কাটাতে পারতাম…
আরও কিছু মুহূর্ত যদি ধরে রাখতে পারতাম!” 💔

প্রিয় এসএসসি ব্যাচ ২০২৬,
তোমাদের এই স্মৃতিগুলোই একদিন সবচেয়ে বেশি মিস করবে মন। 🌸

শ্রমিকের অধিকার, মানবতার অঙ্গীকার।” ✊আজ ১ মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। পৃথিবীর চাকা যারা সচল রাখে, সেই শ্রমজীবী মানুষের ...
30/04/2026

শ্রমিকের অধিকার, মানবতার অঙ্গীকার।” ✊
আজ ১ মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। পৃথিবীর চাকা যারা সচল রাখে, সেই শ্রমজীবী মানুষের ঘাম আর শ্রমের মর্যাদা রক্ষার দিন আজ। আসুন, বৈষম্যহীন ও নিরাপদ কর্মক্ষেত্র গড়ার শপথ নিই।
শুভ মে দিবস! 🚩

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর একটি হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি দেশের প্রথম পারমাণবিক ব...
29/04/2026

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর একটি হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, যা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় প্রশ্ন উঠছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কি পারমাণবিক বোমা তৈরি করা সম্ভব? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পারমাণবিক বোমা প্রযুক্তিগতভাবে এক নয়। রূপপুরের মতো সিভিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে সাধারণত ৩% থেকে ৫% সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় কমপক্ষে ৯০% সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, যা এই ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি থেকে পাওয়া সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক বিক্রিয়া বা চেইন রিঅ্যাকশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবহার করা হয় কন্ট্রোল রড। ফলে এখানে বিক্রিয়া হয় ধীর ও নিয়ন্ত্রিতভাবে, যার মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন হয় এবং সেই তাপ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। অন্যদিকে, পারমাণবিক বোমার ক্ষেত্রে বিক্রিয়া থাকে সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত, যা মুহূর্তেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এখান থেকে বোমা তৈরির উপযোগী জ্বালানি সংগ্রহ বা রূপান্তর করা কার্যত অসম্ভব। এছাড়া এই প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা IAEA-এর সরাসরি তদারকি ও পর্যবেক্ষণের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ফলে জ্বালানির ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা প্রতিটি ধাপে কঠোর নিয়ম মেনে করা হয়।

রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি উচ্চ-প্রযুক্তির বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা, যা দেশের শিল্প, কৃষি ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি শান্তিপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প, এটি কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ব্যবহৃত হওয়ার মতো নয়। বরং এটি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সোর্স : World Nuclear Association

✍️ পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না।ধৈর্য ধরো, নিজের উপর বিশ্বাস রাখো—সফলতা একদিন ঠিকই তোমার দরজায় আসবে। 🌟🔥 SSC 2026 পরীক্ষার্থী...
20/04/2026

✍️ পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না।
ধৈর্য ধরো, নিজের উপর বিশ্বাস রাখো—
সফলতা একদিন ঠিকই তোমার দরজায় আসবে। 🌟
🔥 SSC 2026 পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল শুভকামনা!
নিজেকে প্রমাণ করো, সময়টা তোমার! 💪📚

"এসো হে বৈশাখ এসো এসো... 🌸নতুন বছর নিয়ে আসুক নতুন সম্ভাবনা আর অফুরন্ত আনন্দ। বাঙালির এই প্রাণের উৎসবে সামিল হোন আমাদের স...
13/04/2026

"এসো হে বৈশাখ এসো এসো... 🌸
নতুন বছর নিয়ে আসুক নতুন সম্ভাবনা আর অফুরন্ত আনন্দ। বাঙালির এই প্রাণের উৎসবে সামিল হোন আমাদের সাথে।
​সবাইকে বাংলা নববর্ষের অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা!
— Nextdot Holdings Group"

স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্কের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে বলে স...
09/04/2026

স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার মস্তিষ্কের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন গবেষকেরা। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায় এবং পড়াশোনা বা কাজে ফোকাস করতে সমস্যা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের বেলায় ফোন ব্যবহারে স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন কমিয়ে দেয়, ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ঘুম কম হলে স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতাও দুর্বল হতে পারে।
এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার ডোপামিনের ওপর প্রভাব ফেলে, যা ফোন আসক্তি তৈরি করতে পারে। এর ফলে উদ্বেগ, মানসিক চাপ ও হতাশার ঝুঁকিও বাড়ে।

তাই বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন ফোন ব্যবহারে সময়সীমা নির্ধারণ, ঘুমানোর আগে ফোন না দেখা এবং বাস্তব জীবনে বেশি সময় কাটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।

Address

All
Hatiya
3891

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NHG posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share