Eco Empire Ltd.

Eco Empire Ltd. Eco-friendly products manufacturer & exporter.

বাংলাদেশের হস্তশিল্পকে বিশ্বদরবারে আরও বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্যে বাংলাক্রাফট যে আন্তর্জাতিক হস্তশিল্প মেলা আয়োজন করত...
13/07/2026

বাংলাদেশের হস্তশিল্পকে বিশ্বদরবারে আরও বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্যে বাংলাক্রাফট যে আন্তর্জাতিক হস্তশিল্প মেলা আয়োজন করতে যাচ্ছে, তার প্রস্তুতি পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে!

গতকাল ১২ জুলাই, ২০২৬ এই মেগা আয়োজনের সম্ভাব্য ভেন্যু, ডিজাইন এবং সার্বিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফলপ্রসূ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন দেশের স্বনামধন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি Spellbound Communications Ltd-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও জনাব মোহাম্মদ সাদেকুল আরেফিন এবং অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টর জনাব শাহ হাসিবুর রহমান।

এছাড়াও দিকনির্দেশনামূলক আলোচনায় অংশ নেন বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, চ্যানেল আই-এর ডিজিটাল উইং (ব্র্যান্ড অ্যান্ড প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জনপ্রিয় সিএমএসএমই (CMSME) প্রোগ্রাম "উদ্যোক্তা- সমৃদ্ধির বাংলাদেশ"-এর প্রডিউসার ও প্রেজেন্টার জনাব অপু মাহফুজ।

বাংলাক্রাফট-এর পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত ছিলেন:
🔹 জনাব মোঃ বেলাল হোসেন (সিআইপি) – সভাপতি, বাংলাক্রাফট
🔹 জনাব মোঃ মোজাম্মেল হক – সহ-সভাপতি, বাংলাক্রাফট
🔹 জনাব মুহাম্মাদ জুল হোসাইন জনি – কোষাধ্যক্ষ, বাংলাক্রাফট
🔹 জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম মিথিল – সেক্রেটারি, বাংলাক্রাফট
🔹 জনাব মোঃ আসিফ হোসেন – ব্র্যান্ডিং ম্যানেজার, বাংলাক্রাফট

দেশীয় কারুশিল্পের শেকড়কে একটি আধুনিক, নান্দনিক এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরাই আমাদের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাত খুব শিগগিরই একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে।

এই মেগা আয়োজনের পরবর্তী আপডেট পেতে বাংলাক্রাফট-এর সাথেই থাকুন!

সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে নবম। অথচ ২০০২ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে প্লাস্টিক নিষিদ্...
09/07/2026

সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে নবম। অথচ ২০০২ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার গৌরব অর্জন করেছিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৫ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য নদীপথ ধরে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। ভারত ও বাংলাদেশের গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনা বেসিন, কর্ণফুলী ও রূপসা নদী থেকে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য যায় বঙ্গোপসাগরে। পদ্মা দিয়ে বছরে প্রায় ৭ হাজার টন, কর্ণফুলী দিয়ে প্রায় ৩ হাজার টন এবং রূপসা দিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে গিয়ে পড়ে।

সমুদ্র পরিষ্কার করার জন্য এখন পৃথিবীতে অনেকগুলো সংস্থা কাজ করছে। তারা প্রচুর অর্থও সেখানে ব্যয় করছে। কিন্তু গবেষকরা বলছেন, শুধু পরিষ্কার করাই সমাধান হতে পারে না। যেসব জনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো দিয়ে এসব নদী বয়ে গেছে, সেসব এলাকায় পানিতে প্লাস্টিক বর্জ্য যেন না ফেলা হয়, তেমন উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

22/06/2026
বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বাংলাক্রাফট পরিচিতি। বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক স...
20/06/2026

বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বাংলাক্রাফট পরিচিতি।

বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বাংলাক্রাফট ১৯৭৯ সালে গঠিত হয়। সমিতিটি মূলত সারাদেশের হস্তশিল্প সামগ্রীর প্রস্তুতকারক, রপ্তানিকারক, ব্যবসায়ী, উৎপাদক, ডিজাইনার, প্রচারক এবং সরবরাহকারীদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, সমিতিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি জয়েন্ট স্টক কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। বাংলাক্রাফট একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর 'এ' শ্রেণীর সদস্য। সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা ৫০০। কাওরান বাজারে বাংলাক্রাফটের প্রায় ৩০০০ বর্গফুটের নিজস্ব কার্যালয় রয়েছে। এখানে প্রশিক্ষণ পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান (৮০ জনেরও বেশি লোকের বসার ব্যবস্থা), রেজিস্ট্রার ট্রেনিং অর্গানাইজেশন (আরটিও) এবং বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাতের জন্য একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র এনএসডিএ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি)-এর অধীনে গড়ে তোলা হচ্ছে; যার নিবন্ধনের জন্য ইতোমধ্যে আবেদন করা হয়েছে। একটি গতিশীল ও তথ্যবহুল ওয়েবসাইট তৈরি করা, যা বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাতকে ডিজিটালভাবে উপস্থাপন করবে।

কাজের ক্ষেত্র

বাংলাক্রাফট সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয়কে উৎসাহিত করে। দেশে ও বিদেশে হস্তশিল্পের বিপণনের জন্য সদস্যদের সহায়তা করা। পণ্য উৎপাদন, নকশা প্রণয়ন এবং দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করা। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে এই খাতের উন্নয়নের জন্য মতামত ও সমস্যাগুলো তুলে ধরা। এর পাশাপাশি আরেকটি প্রধান লক্ষ্য হলো, দক্ষ বিপণন পরিষেবা ও সুবিধা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা, ব্যয়, বৈচিত্র্য এবং পণ্যের মান উন্নত করে হস্তশিল্প শিল্পের বিকাশের দ্বারা বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং গ্রামীণ এলাকার নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আয় ও ব্যবসার সুযোগ বৃদ্ধি করা।

দৃষ্টিভঙ্গি

এই খাতের গতি ত্বরান্বিত করা, সুযোগ সৃষ্টি করা এবং এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশে হস্তশিল্প উৎপাদন, রপ্তানি এবং বাণিজ্যের সাথে জড়িত সকল ব্যক্তির স্বার্থকে উৎসাহিত, উন্নত এবং সুরক্ষিত করা।

যোগাযোগ :https://banglacraft.org/
Fare Diya Complex (3rd Floor), 11/8/E, Free School Street Panthapath, Dhaka-1205
[email protected]
+88-02-41062526

হস্তশিল্পে বিলিয়ন ডলারের সুযোগবিশ্ববাজারে হস্তশিল্প পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পরিবেশবান্ধব, হাতে তৈরি ও ঐতিহ্যনির্ভর পণ...
17/06/2026

হস্তশিল্পে বিলিয়ন ডলারের সুযোগ

বিশ্ববাজারে হস্তশিল্প পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পরিবেশবান্ধব, হাতে তৈরি ও ঐতিহ্যনির্ভর পণ্যের প্রতি ভোক্তাদের আগ্রহের কারণে এই খাত এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক নীতি সহায়তা, অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশেও হস্তশিল্প রপ্তানি খাত সহজেই বিলিয়ন ডলারের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

বর্তমানে বিশ্বে হস্তশিল্প পণ্যের মোট বাজারের আকার এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এখনো খুবই সীমিত। বাংলাদেশ থেকে হস্তশিল্প খাতে বার্ষিক রপ্তানি মাত্র ৩৮০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৮ কোটি ডলারের মতো। অর্থাৎ বৈশ্বিক বাজারের মাত্র ১ দশমিক ১৮ শতাংশ পণ্যই বাংলাদেশ রপ্তানি করতে পারছে।

এই বাস্তবতা তুলে ধরে বুধবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি) যৌথভাবে একটি সেমিনারের আয়োজন করে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আয়োজিত ওই সেমিনারে হস্তশিল্প খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও নীতিগত করণীয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইপিবির পরিচালক আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। এছাড়া খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ আলোচনায় অংশ নেন।

মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে পাটজাত কার্পেট, ধাতব হস্তশিল্প, পাথরের তৈরি পণ্য এবং বাঁশ ও বেতের বিভিন্ন সামগ্রী মূলত রপ্তানি হচ্ছে। এসব পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার থাকলেও উৎপাদন সক্ষমতা, মান নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক নকশা ও বিপণন কাঠামোর দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশ তার সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগাতে পারছে না।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, উদ্যোক্তা হতে হলে সমস্যার মধ্য দিয়েই এগোতে হয়। হস্তশিল্প খাতেও নানা প্রতিবন্ধকতা আছে, কিন্তু সেগুলো জয় করেই সামনে যেতে হবে। তিনি জানান, আগে হস্তশিল্প রপ্তানিতে ২০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া হতো। তবে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এ ধরনের উচ্চ প্রণোদনা দেওয়া সম্ভব হবে না। সে কারণে প্রণোদনা কমিয়ে ৬ শতাংশে নামানো হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, প্রণোদনা কাঠামো নিয়ে এখনো আরও সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

বিদেশি মেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম, চীন বা ভারতের উদ্যোক্তারা খুব একটা সরকারি সহায়তায় বিদেশি মেলায় যান না। বরং তারা নিজেদের প্রস্তুতি ও নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করেন। তাই বাংলাদেশেও বিদেশি ক্রেতাদের দেশে এনে সোর্সিং ফেয়ার আয়োজনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের মেলায় যাওয়ার আগে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। উদ্যোক্তা ও বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ বজায় রাখতে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কথাও জানান তিনি।

মূল প্রবন্ধে আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন বলেন, যথাযথ নীতিগত সহায়তা পেলে হস্তশিল্প খাত থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলার বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি রপ্তানি অর্জন করা সম্ভব। এর জন্য সবচেয়ে জরুরি দুটি বিষয় হলো—বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা এবং সহজ অর্থায়ন। কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদন খরচ কমাতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা না থাকায় উদ্যোক্তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩২ সালের মধ্যে বৈশ্বিক হস্তশিল্প বাজারের আকার দুই ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই বিশাল বাজার ধরতে হলে বাংলাদেশকে পণ্যের মান, নকশা ও উৎপাদন সক্ষমতায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে।

চীন ও ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি আধুনিক ডিজাইন, নতুন রঙ ও ফিনিশিং, আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার তাগিদ দেন। তাঁর মতে, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয় ঘটাতে পারলেই বাংলাদেশি হস্তশিল্প পণ্য বৈশ্বিক বাজারে আলাদা পরিচিতি পাবে।

বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বাংলাক্রাফট)-এর সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, এই খাতে উদ্যোক্তার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। অনেকের ভালো পণ্য ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও তারা সামনে এগোতে পারছেন না, কারণ আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে অনলাইনে সক্রিয় থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল মার্কেটিং ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতি না থাকলে টিকে থাকা কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, হস্তশিল্প খাত টিকিয়ে রাখতে আগের মতো ২০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পুনর্বহাল করা জরুরি। এলডিসি উত্তরণের পর প্রণোদনা কমলেও বিকল্প সহায়তা না দিলে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ঝুঁকিতে পড়বেন বলে তিনি সতর্ক করেন।

সেমিনারে অংশ নেওয়া অর্থনীতিবিদ ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলেন, হস্তশিল্প খাত শুধু রপ্তানি আয় নয়, গ্রামীণ কর্মসংস্থান, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং সংস্কৃতি সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে গ্রামভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এই খাতে যুক্ত করা গেলে দারিদ্র্য হ্রাসেও বড় অবদান রাখা সম্ভব।

তারা মনে করেন, নীতি সহায়তা, অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও বাজার সংযোগ—এই চারটি বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাত আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সম্ভাবনায় রূপ নিতে পারে।
©

বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের চাহিদা দিন দিন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতা উপ...
07/06/2026

বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের চাহিদা দিন দিন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে প্রায় ৬২% ভোক্তা নিয়মিত পরিবেশবান্ধব পণ্য খোঁজ করেন। বাংলাদেশেও পাট ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি পণ্যের ব্যবহার ও রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

ভোক্তা পর্যায়ে কেন চাহিদা বাড়ছে:
স্বাস্থ্য সচেতনতা: প্লাস্টিক ও রাসায়নিক মুক্ত জীবনযাপনের জন্য মানুষ এখন জৈব ও প্রাকৃতিক পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন।
প্লাস্টিক বর্জন: ক্ষতিকর পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগ ও থলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
সবুজ জীবনধারা: কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানোর মানসিকতা থেকে শক্তি সাশ্রয়ী ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে।

বাংলাদেশে শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবান্ধব পণ্য:পাটজাত পণ্য: পাট থেকে তৈরি ব্যাগ, গৃহসজ্জা সামগ্রী, এবং জুট ফ্যাব্রিক।হস্তশিল্প: বাঁশ, বেত ও হোগলা পাতার তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প ও ঘর সাজানোর সামগ্রী।জৈব ও প্রাকৃতিক পণ্য: রাসায়নিকমুক্ত খাদ্য ও প্রসাধনী।

এসব পণ্যের বিস্তার ঘটাতে সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন পিকেএসএফের (PKSF) মতো প্রতিষ্ঠান থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় এবং ২০২৬ সালের মূল বিষয়বস্তু হলো "জলবায়ু কার্যক্রমের জন্য একটি বৈশ্বিক আহ...
05/06/2026

প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় এবং ২০২৬ সালের মূল বিষয়বস্তু হলো "জলবায়ু কার্যক্রমের জন্য একটি বৈশ্বিক আহ্বান"। এই বছরের মূল লক্ষ্য—যা " " নামেও পরিচিত—বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন অপসারণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাস্তব ও কার্যকর সমাধানের ওপর জোর দেয়া ।

আপনি কি জানেন, ইউরোপের অনেক ক্রেতা এখন প্লাস্টিক বাদ দিয়ে বাংলাদেশের হ্যান্ডমেড প্রোডাক্ট খুঁজছে?বাংলাদেশের কোনো এক গ্রা...
04/06/2026

আপনি কি জানেন, ইউরোপের অনেক ক্রেতা এখন প্লাস্টিক বাদ দিয়ে বাংলাদেশের হ্যান্ডমেড প্রোডাক্ট খুঁজছে?
বাংলাদেশের কোনো এক গ্রামের একজন কারিগর নিজের হাতে পাট দিয়ে একটি ব্যাগ বানালেন। স্থানীয় বাজারে সেটার দাম হয়তো ২০০ বা ৪০০ টাকার বেশি হবে না।

কিন্তু একই ব্যাগ যদি ইউরোপ বা আমেরিকার কোনো বুটিক স্টোরে পৌঁছায়, তখন সেটার দাম সহজেই ২০–৩০ ডলার কিংবা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে। মাঝখানের এই বিশাল সুযোগটাই এখন কাজে লাগাচ্ছেন অল্প কিছু সচেতন উদ্যোক্তা।

অনেকেই মনে করেন রপ্তানি ব্যবসা মানেই বড় ফ্যাক্টরি, বিশাল টিম এবং কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট দরকার। বাস্তবে এখন গ্লোবাল ই-কমার্স এবং ডিজিটাল সাপ্লাই চেইনের যুগে এই ধারণাটা অনেকটাই বদলে গেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাত আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ক্রেতারা দ্রুত প্লাস্টিক বাদ দিয়ে সাসটেইনেবল এবং ইকো-ফ্রেন্ডলি পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন।

পাটের ব্যাগ, হোগলা পাতার ঝুড়ি, বাঁশের তৈরি ডেকোর আইটেম বা নকশীকাঁথার মতো হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টের জন্য তারা এখন প্রিমিয়াম মূল্য দিতে প্রস্তুত।

এই সেক্টরের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এটি তুলনামূলক স্বল্প পুঁজিতে শুরু করা সম্ভব। শুরুতেই বড় কন্টেইনার পাঠানোর প্রয়োজন নেই। ১০ থেকে ২০ কেজি পণ্য দিয়েও মার্কেট টেস্ট করা যায়, যা এয়ার কার্গো বা কুরিয়ারের মাধ্যমে সহজেই বিদেশে পাঠানো সম্ভব। স্থানীয় কারিগরদের কাছ থেকে সরাসরি পণ্য সংগ্রহ করলে উৎপাদন খরচ কম থাকে, কিন্তু সঠিক ব্র্যান্ডিং, ফিনিশিং এবং প্রোডাক্টের স্টোরি তুলে ধরতে পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে সেই একই পণ্যের মূল্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

পাশাপাশি হ্যান্ডিক্রাফট পণ্য সাধারণত পচনশীল নয়, ফলে স্টোরেজ বা শিপিংয়ের কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও তুলনামূলক কম থাকে, যা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুবিধা তৈরি করে।

এই ধরনের ব্যবসা শুরু করতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নির্দিষ্ট একটি নিশ বা ক্যাটাগরি নির্বাচন করা। একসাথে সব ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ শুরু না করে নির্দিষ্ট একটি সেগমেন্টে ফোকাস করলে দ্রুত ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি করা সম্ভব হয়।

আন্তর্জাতিক বায়াররা প্রোডাক্টের ফিনিশিং এবং প্যাকেজিংয়ের বিষয়ে খুব সচেতন থাকে, তাই কোয়ালিটি কন্ট্রোলের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয়।

একইসাথে ডিজিটাল উপস্থিতি তৈরি করাও এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Etsy, Amazon Handmade বা LinkedIn-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সরাসরি বিদেশি বায়ার বা রিটেইলারদের সাথে পেশাদারভাবে যোগাযোগ করা যায় এবং ধীরে ধীরে একটি গ্লোবাল মার্কেট তৈরি করা সম্ভব।

রপ্তানি ব্যবসা শুধু অর্থ উপার্জনের একটি মাধ্যম নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য, কারিগরদের দক্ষতা এবং লোকাল সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার একটি শক্তিশালী সুযোগ তৈরি করে। সঠিক পরিকল্পনা, সোর্সিং এবং মার্কেটিং নিশ্চিত করতে পারলে স্বল্প বাজেট দিয়েও একটি টেকসই এক্সপোর্ট ব্যবসা দাঁড় করানো সম্ভব। অনেক বড় ব্যবসার যাত্রাও শুরু হয়েছিল ছোট একটি আইডিয়া দিয়ে। আপনার ক্ষেত্রেও সেই সম্ভাবনা রয়েছে, যদি আপনি সঠিকভাবে শেখেন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোতে পারেন।

অপেক্ষা না করে সঠিক তথ্যের অনুসন্ধান শুরু করুন। আপনার একটি সুচিন্তিত পদক্ষেপই বদলে দিতে পারে আপনার আগামী দিনের ব্যবসায়িক পরিচয়।


©Bebshapath

মাত্র ১টি মেশিন দিয়ে সাধারণ যেকোন কাঠকে পাইরোগ্রাফি ডিজাইন করে লাখ লাখ টাকার প্রোডাক্টে রূপান্তর করো! 😳🔥একটি ছোট মেশিনের...
02/06/2026

মাত্র ১টি মেশিন দিয়ে সাধারণ যেকোন কাঠকে পাইরোগ্রাফি ডিজাইন করে লাখ লাখ টাকার প্রোডাক্টে রূপান্তর করো! 😳🔥

একটি ছোট মেশিনের সাহায্যে সাধারণ কাঠের জিনিসকে প্রিমিয়াম আর্ট পিসে পরিণত করে অনেক উদ্যোক্তা মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। আর মেশিনটির নাম Wood Burning Art Pen।

এটি দিয়ে কাঠের উপর Pyrography বা বার্নিং আর্ট করা হয়। নাম, লোগো, পোর্ট্রেট, ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি, নেচার আর্ট—যেকোনো ডিজাইন কাঠের উপর স্থায়ীভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, যা সাধারণ ফার্নিচার বা কাঠের পণ্যকে অনেক বেশি ইউনিক ও প্রিমিয়াম বানিয়ে দেয়।

কাজের প্রক্রিয়াটাও সহজ: প্রথমে কাঠের উপর পছন্দের ডিজাইন আঁকুন, তারপর Wood Burning Pen দিয়ে সেই ডিজাইনের উপর বার্নিং করুন। কয়েক ঘণ্টার কাজেই তৈরি হয়ে যায় হাই-ভ্যালু কাস্টমাইজড প্রোডাক্ট।

কাস্টমার কারা?
হোটেল, ক্যাফে, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, কর্পোরেট গিফট কোম্পানি এবং ঘর সাজানোর শৌখিন ক্রেতারা।

প্রফিট কেমন?
অনেক ক্ষেত্রে ৫০০-১,০০০ টাকার কাঠ ও অন্যান্য খরচের প্রোডাক্ট ৩,০০০-১০,০০০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হয়। কাস্টম ডিজাইন ও ব্র্যান্ডিং যোগ হলে মার্জিন আরও বেড়ে যায়।

মার্কেটিং কিভাবে করবে?
কাজের ভিডিও বানিয়ে Facebook, TikTok, Instagram ও YouTube Shorts-এ আপলোড করুন। Pyrography-এর Before-After ভিডিও সাধারণত অনেক বেশি ভিউ ও অর্ডার এনে দেয়।

মেশিন কোথায় পাবেন?
Alibaba, 1688 এবং বিভিন্ন আমদানিকারকের মাধ্যমে Wood Burning Art Pen খুব সহজেই সংগ্রহ করা যায়। একাধিক আমদানিকারকের কাছ থেকে কোটেশন নিয়ে দাম তুলনা করলে খরচ আরও কমানো সম্ভব।

বর্তমানে কাস্টমাইজড ও হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাই সৃজনশীলতা থাকলে এই ছোট মেশিনটিই হতে পারে আপনার পরবর্তী লাভজনক বিজনেসের শুরু। 🔥💰
Copy: Dhaka Mango Facts

বাশের পণ্য তৈরি করতে প্রয়োজনীয় কিছু মেশিনের তালিকা দেওয়া হলো।ট্রেইনিং সেন্টার : বিসিক, Regional Bamboo Research and Trai...
01/06/2026

বাশের পণ্য তৈরি করতে প্রয়োজনীয় কিছু মেশিনের তালিকা দেওয়া হলো।
ট্রেইনিং সেন্টার : বিসিক, Regional Bamboo Research and Training Centre

Address

Bakshiganj
Jamalpur Sadar Upazila
2140

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eco Empire Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share