Krishi Enterprise

Krishi Enterprise মাছ ও কৃষি চাষে সকল প্রকার কীটনাশকসহ পরামর্শ পেতে পেজটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন। অথবা যোগাযোগ করুন :হোয়াটসঅ্যাপ ০১৯৪৪২০১১৬৯ নাম্বারে।

🌾 বোরো চাষি ভাইদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা 🌾​চলমান ঝড়বৃষ্টির কারণে বর্তমানে বোরো ধানের মাঠে BLB বা ধানের পাতা পোঁড়া রোগ দ...
21/03/2026

🌾 বোরো চাষি ভাইদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা 🌾
​চলমান ঝড়বৃষ্টির কারণে বর্তমানে বোরো ধানের মাঠে BLB বা ধানের পাতা পোঁড়া রোগ দেখা দিচ্ছে। এই মহামারি থেকে আপনার ফসল বাঁচাতে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। ⛈️📉

​🛠️ প্রতিকার ও সমাধান:

​রোগ দমনে প্রতি লিটার পানিতে নিচের উপাদানগুলো একসাথে মিশিয়ে ভালো করে স্প্রে করুন:
​✅ কুইকপটাশ: ৩ গ্রাম
​✅ সালফার (কুমুলাস/থিওভিট): ২ গ্রাম
​✅ চিলেটেড জিংক: ০.২৫ গ্রাম

​⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি রোগের প্রকোপ না কমে, তবে ৫-৭ দিন পর একইভাবে আবারও স্প্রে করুন। 💦🌱

​পরামর্শে:
👨‍🌾 কৃষ্ণপদ দেবনাথ
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।

#ধান #রোগ #বিএলবি #পাতাপোড়া #ঝড়বৃষ্টি #কৃষি_পরামর্শ #ধানের_রোগ #ধান_চাষ #কৃষক_বন্ধু ্ষা #বোরো_ধান #পোকা_মাকড়_দমন #আধুনিক_কৃষি #সিলেট_কৃষি #কৃষি_সেবা #ফসলের_যত্ন #কৃষি_অফিসার #ধানের_ব্লাইট

✅ ধানের ব্লাস্ট রোগ (Blast Disease) 🦠​এটি ধানের অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি রোগ যা পাতা, গিঁট এবং শীষকে আক্রমণ করে।​🔍 লক্ষণসমূহ...
21/03/2026

✅ ধানের ব্লাস্ট রোগ (Blast Disease) 🦠
​এটি ধানের অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি রোগ যা পাতা,
গিঁট এবং শীষকে আক্রমণ করে।

​🔍 লক্ষণসমূহ:
​পাতায় দাগ: পাতায় দেখতে অনেকটা চোখের মতো বা ডায়মন্ড আকৃতির দাগ পড়ে।
​রঙের ধরণ: দাগের মাঝখানটা ধূসর এবং চারপাশ বাদামি বর্ণের হয়।
​ভয়াবহতা: আক্রমণ বেড়ে গেলে পুরো পাতা শুকিয়ে যায়।
​শীষ ব্লাস্ট: শীষ আক্রান্ত হলে ধান চিটা হয়ে যায় এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে।
​🛠️ দমন পদ্ধতি ও প্রতিকার:
​সার ব্যবস্থাপনা: জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
​পানি ব্যবস্থাপনা: জমিতে সবসময় হালকা পানি ধরে রাখার চেষ্টা করুন।
​সতর্কতা: নিয়মিত খেত পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত আক্রান্ত গাছ শনাক্ত করুন।

​🧪 কার্যকর ছত্রাকনাশক (প্রতি লিটার পানিতে):
​ট্রাইসাইক্লাজল (Tricyclazole): ০.৮গ্রাম।
​আজক্সিস্ট্রোবিন+ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন (Azoxystrobin+ Trifloxistrobin): ১ মিলি।
​টিপস: ভালো ফলাফলের জন্য ৭–১০ দিন পর আরও একবার স্প্রে করুন।

🤵‍♂️পরামর্শে
কৃষ্ণপদ দেবনাথ
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট

#ধানের_ব্লাস্ট_রোগ ​ #ব্লাস্ট_রোগ ​ #কৃষি_সচেতনতা
​ #ধান_চাষ ​ ্ষা #পাতা_ব্লাস্ট ​ #গিট_ব্লাস্ট
​ #শীষ_ব্লাস্ট #আধুনিক_কৃষি ​ #কৃষি_পরামর্শ​ #বাংলাদেশ_কৃষি ​ ্যবস্থাপনা

আমের গুটি (ছোট আম) আসার পর সঠিক পরিচর্যা করলে ফল ঝরা কমে এবং আম বড় ও স্বাস্থ্যকর হয়। আপনার মতো যারা নার্সারি ও কৃষির সাথ...
07/03/2026

আমের গুটি (ছোট আম) আসার পর সঠিক পরিচর্যা করলে ফল ঝরা কমে এবং আম বড় ও স্বাস্থ্যকর হয়। আপনার মতো যারা নার্সারি ও কৃষির সাথে জড়িত, তাদের জন্য কয়েকটা ঘরোয়া ও সহজ পদ্ধতি 🌿🥭

১️⃣ সরিষার খৈল পানি
১ কেজি সরিষার খৈল ১০ লিটার পানিতে ৫–৭ দিন ভিজিয়ে রাখুন।
তারপর ছেঁকে ১:৫ অনুপাতে পানি মিশিয়ে গাছের গোড়ায় দিন।
এতে গাছ শক্তি পায় এবং গুটি ঝরা কমে।
২️⃣ ছাই ব্যবহার
চুলার কাঠের ছাই গাছের গোড়ায় ১–২ মুঠো ছিটিয়ে দিন।
এতে পটাশ থাকে, ফলে আম বড় হয় এবং রোগ কমে।
৩️⃣ নিমপাতার স্প্রে
এক মুঠো নিমপাতা বেটে ৫ লিটার পানিতে ভিজিয়ে ১ রাত রাখুন।
ছেঁকে গাছে স্প্রে করুন।
এতে হপার ও ছোট পোকা কমে।
৪️⃣ গোবর সার
গাছের গোড়ায় অল্প পচা গোবর দিলে মাটির শক্তি বাড়ে।
তবে খুব বেশি দেবেন না।
৫️⃣ সেচ ও পরিষ্কার রাখা
মাটিতে খুব শুকনো অবস্থা হতে দেবেন না।
গাছের নিচে আগাছা পরিষ্কার রাখুন।
✅ একটা গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
গুটি আসার সময় বেশি নড়াচড়া বা ডাল ঝাঁকানো যাবে না, এতে আম ঝরে যায়।

সবাই আমন্ত্রিত!
05/03/2026

সবাই আমন্ত্রিত!

🌾 বাদামী গাছ ফড়িং (BPH) বা কারেন্ট পোকা দমনে কৃষক ভাইদের করণীয় : • এটি খুব ছোট (প্রায় ৪ মি.মি.) বাদামী রঙের পোকা, যা কৃষ...
05/03/2026

🌾 বাদামী গাছ ফড়িং (BPH) বা কারেন্ট পোকা দমনে কৃষক ভাইদের করণীয় :

• এটি খুব ছোট (প্রায় ৪ মি.মি.) বাদামী রঙের পোকা, যা কৃষকদের কাছে 'কারেন্ট পোকা' বা 'গুণগুণী পোকা' নামে পরিচিত।

• মাত্র এক জোড়া পোকা ৩-৪ প্রজন্মে প্রায় ৩৫ লক্ষ পোকার জন্ম দিতে পারে এবং ৫০ মাইল পর্যন্ত উড়তে সক্ষম! 😱

• ​খাদ্যাভ্যাস: এরা নিজের শরীরের ওজনের চেয়ে ১০-১২ গুণ বেশি রস শুষে খায়।

• ​আক্রমণের ধরন: পোকাগুলো গাছের গোড়ায় দলবদ্ধভাবে থাকে এবং রস শুষে নেয়। আক্রান্ত গাছ প্রথমে হলুদ হয় এবং পরে শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মতো দেখায়, যাকে 'হপার বার্ণ' (Hopper Burn) বা 'বাজপোড়া' বলা হয়।

​🌡️ অনুকূল পরিবেশ (যেখানে পোকা বেশি বাড়ে) :

• ​☀️ গরম ও ভ্যাপসা (গুমট) আবহাওয়া এবং ছায়াযুক্ত স্থান।
• ​💧 জমিতে সবসময় দাঁড়ানো পানি ও স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ।

• ​🌱 ঘন করে চারা রোপণ করলে এবং বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে।

• ​🧪 অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার।
• ​🌡️ তাপমাত্রা ১৮-২৫° সে. এবং আর্দ্রতা ৮০% এর উপরে থাকলে।

​⚠️ কখন সতর্ক থাকবেন?
• ​বীজতলা থেকে শুরু করে ধান পাকার আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় আক্রমণ হতে পারে।
• ​তবে ধানের কুশি বের হওয়ার সময় এবং দানা গঠনের (Milking stage) সময় আক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি থাকে।

​🛡️ বাদামী গাছ ফড়িং (কারেন্ট পোকা) দমন ব্যবস্থাপনা :

✅. চাষাবাদ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি:
• ​📐 সঠিক দূরত্ব: লাইন থেকে লাইন ২০-২৫ সেমি এবং গুছি থেকে গুছি ১৫-২০ সেমি দূরত্বে চারা রোপণ করুন। প্রতি ১০ লাইন অন্তর ১ লাইন ফাঁকা রাখুন যাতে আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে।
• ​🧹 পরিচ্ছন্নতা: জমির আইল সব সময় পরিষ্কার রাখুন এবং জমির আগাছা দমন করুন।
• ​💧 পানি ব্যবস্থাপনা: পোকা আক্রমণ করলে জমির পানি দ্রুত সরিয়ে ফেলুন এবং ৭-৮ দিন জমি শুকনা রাখুন।
• ​☀️ আলো-বাতাস: আক্রান্ত জমিতে ২-৩ হাত পর পর ফাঁকা বা নালার মতো (বিলিকেটে) তৈরি করুন যেন গাছের গোড়ায় আলো-বাতাস পৌঁছাতে পারে।

✅• ​🦆 পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি:
জমিতে হাঁস ছেড়ে দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে পোকা দমন করা যায়।

• ​💡 অন্যান্য: ইউরিয়া সার কিস্তিতে (ধাপে ধাপে) ব্যবহার করুন এবং ফসলের নাড়া পুড়িয়ে ফেলুন। এছাড়া পোকা দমনে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করুন।

✅ রাসায়নিক দমন পদ্ধতি:
যখন প্রতি গুছিতে ৪টি গর্ভবতী স্ত্রী পোকা অথবা ৮-১০টি নিম্ফ (বাচ্চা) দেখা দেবে, তখন নিচের অনুমোদিত যেকোনো একটি কীটনাশক গাছের গোড়ার দিকে ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করুন:

• ​🧪 ইমিডাক্লোপ্রিড ২০ এসএল (ইমিটাফ/এডমায়ার/টিডো/এডক্লোপ): ০.৫ মিলি/লিটার পানি।
• ​🧪 থায়ামেথোক্সাম ২৫ ডব্লিউজি (একতারা/কনফিডর/স্পইক): ০.২ গ্রাম/লিটার পানি।
• ​🧪 পাইমেট্রিজিন+নিতেনপাইরাম (পাইটাপ/প্লেনাম/হপারসট, পেদা টিনটিন ): ০.৬ গ্রাম/লিটার পানি।
• ​🧪 আইসোপোকার্ব ৭৫ ডব্লিউপি (সপসিন/মিপসিন): ০.২ গ্রাম/লিটার পানি।
• ​🧪 অন্যান্য কার্যকর ওষুধ: টেকোম্যা ৪০ এসসি, সানক্লোপিড ২০ এসএল, আটোমিডা ৭০ ডব্লিউডিজি, গ্ল্যামোর ৮০ ডব্লিউজি, অপ্রোকার্ব ৭৫ ডব্লিউজি।

এসব কীটনাশক অনুমোদিত মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।

🤵‍♂️পরামর্শে :
কৃষ্ণপদ দেবনাথ
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট

#বাদামী_গাছ_ফড়িং #কারেন্ট_পোকা #কৃষি_সচেতনতা #ধান_চাষ
#ধানের_রোগবালাই #কৃষি_পরামর্শ #ধান_সুরক্ষা #ফসলের_পোকা #জমির_যত্ন #কৃষি_প্রযুক্তি #আধুনিক_কৃষি #সচেতন_কৃষক #ফসলের_রোগবালাই_দমন #উন্নত_কৃষি #বাংলাদেশি_কৃষি #ধানের_ক্ষতি_প্রতিরোধ

Benzalkonium Chloride 80% (BKC-80%)চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, কৈ, ক্যাটফিসসহ যে কোন মাছ চাষে ব্যবহার উপযোগী শক্তিশালী জীবাণ...
04/03/2026

Benzalkonium Chloride 80% (BKC-80%)
চিংড়ি, কার্প জাতীয় মাছ, কৈ, ক্যাটফিসসহ যে কোন মাছ চাষে ব্যবহার উপযোগী শক্তিশালী জীবাণুনাশক।

BKC 80% ব্যাবহারের উপকারিতাঃ
১. যে কোন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাকজনিত রোগে অত্যন্ত কার্যকর।
২. যে কোন সংক্রমণজনিত রোগ- ফুলকা পঁচা,
পাখনা পঁচা, লেজ পঁচা ও অ্যান্টেনা ভাঙ্গা সমস্যার প্রতিকার ও প্রতিরোধ করতে অত্যন্ত সক্ষম।
৩. মাছের লেজ খসে যাওয়া, বুকে বা পাখনাতে ক্ষত রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তি দিবে।
৪. পুকুরের পানি জীবানু, ভাইরাস বা ক্ষতিকর প্যাথোজেনমুক্ত রাখে, ফলে সহজে রোগ-বালাই দ্বারা মাছ আক্রান্ত হয় না।
৫. পুকুরের পানিতে বিদ্যমান ক্ষতিকর জীবানুকে ধ্বংস করে মাছের গ্রথকে বাড়িয়ে দেই।
৬. বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে উপকারী। ১মিলি/টন পানি।
৭. পরিমাণ মত পানির সাথে মিশিয়ে খামারে স্প্রে করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে মুরগি, ক্যাটেল, হ্যাচারি, ট্যাংক, হাউস সুরক্ষতি থাকে।
পুকুরের পিএইচ, এমোনিয়া ঠিক থাকা সাপেক্ষে মাসিক পরিচর্যার অংশ হিসেবে প্রতি ৩ সপ্তাহ পরপর প্রতি বিঘার (৩৩ শতক) জন্য ২০০ মিলি বিকেসির ব্যবহার পুকুরকে অনাকাঙ্খিত রোগের হাত থেকে রক্ষা করবে। আর রোগাক্রান্ত অবস্থায় ২০০-২৫০ মিলি বিকেসি, পরিমাণ মতো পানির সাথে রোদ থাকা অবস্থায় প্রয়োগ করতে হবে। ঠিক ৭ দিন পর পুনরায় ১৫০ মিলি হারে রোদ থাকা অবস্থায় পানির সাথে মিশিয়ে ছিটিয়ে দিতে হবে, অথবা বিশেষজ্ঞ ব্যাক্তির পরামর্শ অনুযায়ী ব্যাবহার বাঞ্ছনীয়।

নিজস্ব আমদানীকৃত সবচেয়ে কম মূল্যে ১০০% পিউর জীবাণুনাশক (BKC 80%) পেতে আমাদের ইনবক্সে/কমেন্টে বা নিচে উল্লেখিত ফোন নাম্বার বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন। ০১৯৪৪২০১১৬৯

ভুল করে আগাছা নাশক স্প্রে অতঃপর কৃষকের সব শেষ
10/02/2026

ভুল করে আগাছা নাশক স্প্রে অতঃপর কৃষকের সব শেষ

09/02/2026

লাল জালালি কবুতরের বাচ্চা

লাল জালালি কবুতরের বাচ্চা দেখতে খুব সুন্দর হয়, এদের রঙ বাবা-মায়ের জিনের ওপর নির্ভর করে লালচে, বাদামী বা ছাই-লালচে হতে পারে, যা মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থের কারণে হয়, এবং বড় হওয়ার সাথে সাথে এরা প্রাপ্তবয়স্ক কবুতরের মতোই দেখতে হয়ে যায়, এদের যত্ন নেওয়ার সময় বাবা-মা খাওয়াচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখা জরুরি, কারণ এরা দেখতে cute হলেও যত্ন না পেলে সমস্যা হতে পারে।

01/02/2026

কবুতর গুলো বিক্রি করা হবে।

এক পিস লাল বুনো মাদি।
এক পিস সিলভার নর।
এক জোড়া রেসার।
এক জোড়া মাকসি বুনো।

ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব না। লোকেশনে এসে দেখেশুনে পছন্দ করে দাম দর ঠিক করে নিতে হবে।

লোকেশান : যশোরের মনিরামপুর পৌর ৪ নং ওয়ার্ড
হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৯৪৪-২০১১৬৯

🌾 ধানের জমিতে ক্ষুদে পানা দমন পদ্ধতি 🌾ধানের জমিতে ক্ষুদে পানা (শেওলা/ডাকউইড) দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে ধানের চারা পর্যাপ্ত আল...
31/01/2026

🌾 ধানের জমিতে ক্ষুদে পানা দমন পদ্ধতি 🌾

ধানের জমিতে ক্ষুদে পানা (শেওলা/ডাকউইড) দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে ধানের চারা পর্যাপ্ত আলো ও পুষ্টি পায় না, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়।

✅ এই সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করতে পারেন তুতে (Copper Sulphate)।

👉 প্রয়োগের নিয়মঃ

এক বিঘা জমির জন্য ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম তুতে নিন।

এর সাথে সামান্য বালি মিশিয়ে নিন (যাতে সমানভাবে ছিটানো যায়)।

জমির পানির উপরিভাগে সমানভাবে ছিটিয়ে দিন।

⚠️ সতর্কতা:

জমিতে অবশ্যই পানি থাকতে হবে।

অতিরিক্ত তুতে ব্যবহার করবেন না, এতে ধান গাছের ক্ষতি হতে পারে।

প্রয়োগের সময় গ্লাভস ব্যবহার করা ভালো।

🌱 সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে ধান গাছ পাবে মুক্তি, আর ক্ষুদে পানা থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

Ahmed sabbir আহমেদ সাব্বির
উপসহকারী কৃষি অফিসার।

পেঁয়াজের চারা রোপণের ২৫-৩০ দিন সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে গাছের শিকড় শক্ত হয় এবং পাতা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। যদি এ...
29/01/2026

পেঁয়াজের চারা রোপণের ২৫-৩০ দিন সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে গাছের শিকড় শক্ত হয় এবং পাতা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। যদি এই সময়ে গ্রোথ বা বৃদ্ধি থমকে যায়, তবে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে দ্রুত ভালো ফলাফল পাবেন।
পেঁয়াজের বৃদ্ধির জন্য একটি সমন্বিত গাইড নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রয়োজনীয় সার (মাটিতে প্রয়োগের জন্য)
চারা রোপণের এই সময়ে গাছের নাইট্রোজেন এবং সালফারের চাহিদা বেশি থাকে। যদি জমি তৈরির সময় সার কম হয়ে থাকে,
তবে বিঘা প্রতি (৩৩ শতাংশ) নিচের সারগুলো প্রয়োগ করতে পারেন:
* ইউরিয়া: ১০-১২ কেজি (গাছের বৃদ্ধির জন্য)।
* এমওপি (পটাশ): ৫-৭ কেজি (গাছকে শক্ত করতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে)।
* জিপসাম: ৫ কেজি (পেঁয়াজের ঝাঁঝ ও গঠন ঠিক রাখতে সালফারের উৎস হিসেবে)।
* ম্যাগনেসিয়াম সালফেট: ২ কেজি (পাতা সবুজ রাখার জন্য)।

২. ভিটামিন বা গ্রোথ প্রোমোটার (স্প্রে করার জন্য)
গাছের ঝিমিয়ে পড়া ভাব কাটাতে এবং দ্রুত বৃদ্ধির জন্য হরমোন বা ভিটামিন স্প্রে করা খুব কার্যকর।
* পিজিআর (PGR): মিরাকুলান (Miraculan) বা ফ্লোরা (Flora) প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করুন। এটি গাছের কোষ বিভাজন দ্রুত করে।
* চিলেটেড জিংক: ৫ গ্রাম ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে গাছের হলদেটে ভাব দূর হয়।
* সুপার ফিক্স বা লিবরেল বোরন: এটি গাছের শিকড় ও কন্দ গঠনে সহায়তা করে।

৩. ছত্রাকনাশক (প্রতিরোধ ও প্রতিকার)
পেঁয়াজের চারার গ্রোথ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে গোড়া পচা বা পার্পল ব্লচ রোগ।
* ম্যানকোজেব + মেটালক্সিল গ্রুপ: (যেমন: রিডোমিল গোল্ড) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে ১০-১২ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করুন।
* কার্বেন্ডাজিম গ্রুপ: (যেমন: অটোস্টিন বা নোইন) গোড়া পচা রোধে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করুন।

৪. কীটনাশক
থ্রিপস বা চোষক পোকা পেঁয়াজের পাতার রস চুষে নেয়, ফলে গাছ বাড়তে পারে না এবং পাতা তামাটে হয়ে যায়।
* ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপ: (যেমন: এডমায়ার বা টিডো) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি মিশিয়ে বিকেলের দিকে স্প্রে করুন।
* অ্যাবামেকটিন গ্রুপ: (যেমন: ভার্টিমেক) যদি মাকড়ের আক্রমণ মনে হয়।

৫. কিছু জরুরি টিপস
* নিড়ানি দেওয়া: সার প্রয়োগের আগে জমি হালকা নিড়ানি দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করে মাটি আলগা করে দিন। এতে শিকড় অক্সিজেন পায় এবং দ্রুত বাড়ে।
* সেচ ব্যবস্থাপনা: মাটি খুব বেশি শুকিয়ে ফেলবেন না, আবার জমিতে পানি জমিয়ে রাখবেন না। হালকা সেচ দিন।

* সতর্কতা: যেকোনো স্প্রে করার সময় পরিষ্কার পানি ব্যবহার করুন এবং কড়া রোদে স্প্রে না করে বিকেলে করুন।

 #বোরো_ধান চাষে  #জিংক সার কেন কীভাবে? ব্যবহার করবেন তা জেনে বুঝে সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করুন।✅ জিংক/দস্তা সারের কাজ:    ...
27/01/2026

#বোরো_ধান চাষে #জিংক সার কেন কীভাবে? ব্যবহার করবেন তা জেনে বুঝে সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করুন।

✅ জিংক/দস্তা সারের কাজ:
!) ধানের পাতার ক্লোরোফিল উৎপাদনে
সাহায্য করে থাকে।
!!) ধানের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
!!!) ধান গাছের বিভিন্ন ধরনের হরমোন
তৈরিতে অংশগ্রহণ করে থাকে
✅ অতিরিক্ত জিংক সার ব্যবহারের কুফল:
!) জমিতে জিংকের পরিমাণ বেশি হলে
গাছে বিষক্রিয়া তৈরি হয়।
!!) গাছের পাতা গাড় সবুজ বর্ণ ধারণ করে
কিন্তু বৃদ্ধি থেমে যায়।
✅ জিংক সারের ঘাটতি হলে কেমনে বুঝবেন:
!) ধান গাছ উচুনিচু দেখাবে
!!) নতুন পাতার গোড়ার দিক হতে আন্তঃশিরায়
বিবর্ণতা দেখা যায়।
!!) পাতা তামাটে বর্ণ ধারণ করে।
✅ বিঘা প্রতি (৩৩শতকে) জিংক সারের প্রয়োগ মাত্রা:
শেষ চাষের সময় ১-১.৫ কেজি জিংক সার এককভাবে জমিতে ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
বিঃদ্রঃ জিংক সার বছরে শুধু একবার ব্যবহার করতে হবে।

⚠️ #সতর্কতা:
ধান চাষে সুষমা মাত্রায় সার ব্যবহার করলে
মাটিতে ভিটামিন, হরমোন, বোরন,
ম্যাগনেসিয়াম, সালফার৮০% ব্যবহারের
প্রয়োজন নেই।

🚫 কিছু অসাধু ব্যবসায়ী #সালফার৮০% যেমন:- থিয়োভিট,কমুলাস,সাইটোভিট,হেসালফ,গেইভেট অন্যান্য এই ধরনের মাকড়নাশককে কে ভিটামিন বলে বিক্রি করছেন এটা কখনোই উচিৎ নয়। এতে কৃষকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

Address

Jessore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishi Enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share