HIMEL Lakiboy

HIMEL Lakiboy ভালোবাসার মানুষ টাকে পেতেহলে
নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়

মানুষ৷ এভাবে কাওকে মারতে পার৷৷৷৷৷ রামিসাকে ধ*র্ষণ করার পর মাথাটা কে*টে রাখা হয়েছিল বালতিতে।সোহেল রানার পরিকল্পনা ছিল লা*...
21/05/2026

মানুষ৷ এভাবে কাওকে মারতে পার৷৷৷৷৷

রামিসাকে ধ*র্ষণ করার পর মাথাটা কে*টে রাখা হয়েছিল বালতিতে।

সোহেল রানার পরিকল্পনা ছিল লা*শ গুম করে ফেলার। এজন্যে প্রথমে মাথাটা কে*টেছিল। তারপর দুই হাত-পা কা*টা শুরু করেছিল।

পরিকল্পনা ছিল লা*শ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরে নদী কিংবা ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দিবে। আর মাথাটা ফেলবে অন্য জায়গায় যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

ছোট্ট রামিসাকে গতকাল ধ*র্ষণ করে সোহেল হ*ত্যা করেছে কিন্তু তার পরিকল্পনাটা ছিল বহুদিন আগের।

স্কুলের রাস্তায় দেখে রামিসাকে পছন্দ হওয়ার পরই সোহেল রামিসাকে টার্গেট করে। এরপর থেকেই শুরু হয় ওর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ।

সোহেল আগে পল্লবীর অন্য এরিয়ায় থাকতো। কিন্তু রামিসাকে টার্গেট করার পর সে রামিসার পরিবারের কাছাকাছি আসার সুযোগ খুঁজতে শুরু করে।

রামিসার পরিবার পল্লবীর ৩৯ নাম্বার বাসায় ১৭ বছর যাবত থাকতো। তাই সোহেল বেশি টাকা খরচ করে মাত্র ২ মাস আগে রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটেই বাসা ভাড়া নিয়েছিল।

এ বাসায় তুলনামূলক খরচ বেশি হওয়ার পরও সোহেল বাসাটা ভাড়া নিয়েছিল শুধুমাত্র রামিসাকে ধ*র্ষণ করার উদ্দেশ্যে।

সোহেলের মাথায় হুট করেই রামিসাকে ধ*র্ষণ করার পরিকল্পনা আসেনি। সে বহু আগে থেকেই যৌ*নলালসার চর্চা করতো। বিকৃত যৌ*নাচার করে করে সে আত্মতৃপ্তিও পেত।

এমনকি সোহেল তার গ্রামের বাড়ির মেয়েদের সাথেও লুচ্চামি করতো, অসংখ্য মেয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক ছিল।

তার দুইটা বউ আছে। প্রথম বউয়ের একটা ছেলেও ছিল। কিন্তু সোহেলের এমন বিকৃত যৌ*নাচারের কারণে প্রথম বউয়ের সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল।

গ্রামে চুরি পর্যন্ত করতো সে। চুরির কারণেই এলাকা থেকে গ্রামবাসীরা তাকে বের করে দিয়েছিল। মামলাও হয়েছিল তার নামে। কিন্তু টাকা খাইয়ে মামলা থেকে জামিন পেয়েই সোহেল চলে আসায় ঢাকায়।

ঢাকা এসে যখন আর কোন মেয়ের উপর বিকৃত যৌ*নাচার করতে পারতো না তখন সোহেল নিজের বর্তমান বউ স্বপ্নাকেই বেছে নিতো লালসার জন্যে।

স্ত্রী স্বপ্নার ভাষ্যমতে- সোহেল স্বাভাবিক যৌ*নতায় খুশি হতো না। সে সবসময় বিকৃত যৌ*নাচার চর্চা করতো, প*র্ণোগ্রাফিতে অভ্যস্ত ছিল। প*র্ণোগ্রাফিতে দেখানোর মতো করেই স্বপ্নাকে বাধ্য করতো সেরকম বিকৃত যৌ*নাচারে লিপ্ত হতে।

প্রথম দিকে স্বপ্না সেসবে বাঁধা দিতে চেয়েছিল কিন্তু যতবারই বাঁধা দিতে চেয়েছে ততবারই তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো, মানসিকভাবে টর্চার করতো।

এভাবে দিনের পর দিন প*র্ণোগ্রাফিক বিকৃত যৌ*নাচারের কারণে স্বপ্নাও মানসিকভাবে বিকৃতির দিকে ধাবিত হয়ে পড়ে। স্বপ্নার নিজের কাছেও তখন স্বাভাবিক যৌ*নাচারের চেয়ে বিকৃত যৌ*নাচারই ভালো লাগতে শুরু করে।

নিজ বউয়ের উপর বিকৃত যৌ*নাচার করে শান্তি না পেয়ে সোহেল এরপর টার্গেট খুঁজতে শুরু করে। ততদিনে ঢাকাতেও মোটামুটি স্থানীয় হয়ে গিয়েছিল সে।

এরপরই ২ মাস আগে রামিসাকে টার্গেট করে পাশের ফ্ল্যাটে বেশি টাকা দিয়েই বাসা ভাড়া নেয় সোহেল।

রামিসাকে ধ*র্ষণ করবে এই পরিকল্পনাটা সোহেল তার বউ স্বপ্নাকেও জানিয়েছিল। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই গতকাল স্কুলে যাওয়ার সময় রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই স্বপ্না তাকে ডাক দিয়ে বাসায় ঢুকায়।

তারপর স্বপ্নার সামনেই রামিসাকে ধ*র্ষণ করে সোহেল। কিন্তু রামিসা বাচ্চা মেয়ে হওয়ায় যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হলে সোহেল রামিসাকে হ*ত্যা করার চিন্তা করে। সোহেলের বউ স্বপ্নাও এতে সায় দেয়।

এরপরই দুজন মিলে ছোট্ট রামিসার মাথাটা গলা থেকে কে*টে আলাদা করে ফেলে। তারপর হাত-পা কে*টে টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরতে চেয়েছিল। কান, চোখ-মুখ উপড়ে ফেলতে চেয়েছিল।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজা ধাক্কানোতে সেটা আর সম্ভব হয়নি।

সোহেল তখন তড়িঘড়ি করে রামিসার কা*টা মাথাটা বাথরুমের রংয়ের বালতির মধ্যে ফেলে দেয় এবং বাকী শরীরটা টেনেহিঁচড়ে খাটের নিচে রেখে দেয়।

তারপর সোহেল জানালার গ্রীল কেটে পালানোর পরিকল্পনা করে। তখনও রামিসার মা দরজায় ধাক্কাছিল।

কিন্তু সোহেলের স্ত্রী দরজা না খুলে বরং ভিতর থেকে দরজা লক করে দিয়েছিল যাতে কেউ ঢুকতে না পারে। তারপর সোহেলকে সাহায্য করেছিল জানালা দিয়ে পালিয়ে যেতে।

স্বপ্নাকে যখন রুম থেকে পুলিশ ধরেছিল তখন তারমধ্যে কোন অনুশোচনা দেখতে পায়নি। বরং তার চেহারা দেখে মনে হয়েছে- যা করেছে ঠিকই করেছে সে, ভুল কিছু করেনি।

প*র্ণোগ্রাফিক বিকৃত যৌ*নাচার দীর্ঘদিন যাবত চর্চা করতে করতে এবং সোহেলের সাথে বিকৃত লালসায় মিলনের পর স্বপ্নার কাছেও ধ*র্ষণ করে বাচ্চাদের মেরে ফেলাটা নাকি স্বাভাবিকই মনে হতো।

স্বপ্নার ভাষ্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে যখন ডাক দিয়ে রুমে এনেছিল রামিসা তখন হাসি হাসি মুখ করেই এসেছিল। কিছুক্ষণ কথাও বলেছিল তার সাথে।

রামিসা হয়তো ভেবেছিল কোন দরকারি কথা বলবে। কিন্তু তারপরই সোহেল রামিসার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তারপর যখন গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করা হচ্ছিল তখন ভয়ে এবং আতঙ্কে রামিসা হাত- পা ছুড়োছুড়ি করেছিল, বাঁচার আকুতি জানিয়েছিল ,এমনকি কিছু একটা বলার চেষ্টাও করেছিল।

কিন্তু সোহেল তখন সজোরে নাক মুখ চেপে ধরে শ্বাস আটকে রেখেছিল। এজন্যে রামিসা কি বলতে চেয়েছিল, কি আওয়াজ করেছিল সেগুলোও আর শুনতে পায়নি স্বপ্না।

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রচন্ড যন্ত্রণা পেয়ে দম বন্ধ হয়ে মারা যায় রামিসা।

তারপরই তারা স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে রামিসার মাথাসহ পুরো শরীর টুকরো টুকরো করে কা*টতে শুরু করেছিল।
K.himel.z

15/05/2026

খারাপ সময়

মেসিয়ার হিমেল
14/05/2026

মেসিয়ার হিমেল

12/05/2026

Gazabasi



10/05/2026

দেলোয়ারহোসেন ওয়াজ

04/05/2026

সারাজীবন খাইলাঘুষ

video

20/04/2026
13/08/2024

Address

Jhenaidah
Jhenida
JHENIDA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HIMEL Lakiboy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share