Freelancing Bangladesh

Freelancing Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Freelancing Bangladesh, Chittagong, Jobra.

23/07/2022
কিভাবে শিখবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন?ক্যারিয়ার হিসাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন নির্ধারণ করার পরে প্রথম যে জিনিসটি সর্ম্পকে মনে প্রশ্ন ...
26/06/2022

কিভাবে শিখবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন?

ক্যারিয়ার হিসাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন নির্ধারণ করার পরে প্রথম যে জিনিসটি সর্ম্পকে মনে প্রশ্ন আসে সেটি হলো কিভাবে শিখবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন। প্রধানত দুইটি উপায় আছে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার।

প্রথমত, আপনি চাইলে গুগল থেকে বিভিন্ন রিসোর্স সংগ্রহ করে সেগুলো পড়ে শিখতে পারেন। এরপরেই আসে ইউটিউব। ইউটিউব-এও বিভিন্ন ভিডিও পেয়ে যাবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কিত। এর মধ্যে যেকোনো একটি চ্যানেল অনুসরণ করলেই আপনি শিখতে পারবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন।

এছাড়াও বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও ওয়েবসাইট রয়েছে যারা অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন কোর্স করিয়ে থাকে। ওইসব কোর্স গুলো করেও শিখতে পারেন গ্রাফিক্স ডিজাইনিং। তবে সবকিছুর প্রথমে আপনার লাগবে একটা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন।

ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন এতো জনপ্রিয়?ক্যারিয়ার হিসেবে এই গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কেন এতো জনপ্রিয় তা অনেক মানুষের...
26/06/2022

ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন এতো জনপ্রিয়?

ক্যারিয়ার হিসেবে এই গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কেন এতো জনপ্রিয় তা অনেক মানুষেরই কৌতূহল। আসলে সত্যি কথা বলতে গেলে এর অসংখ্য কারন রয়েছে। যে কেউই চাইবে এমন একটি পেশা নির্ধারণ করার জন্য যার ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল। চলুন দেখে আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্যারিয়ার হিসাবে কেন এতো জনপ্রিয়ঃ

সৃজনশীল পেশা
গ্রাফিক্স ডিজাইন পরিপূর্ণরুপে একটি সৃজনশীল পেশা। এই পেশায় আপনার সৃজনশীলতাই আপনার মূল হাতিয়ার, পুঁথিগত বিদ্যা এখানে তেমন একটা কাজে আসে না। আপনি যদি সৃজনশীল না হন, তাহলে আপনি এই সেক্টরে উন্নতি করতে পারবেন না।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিভিন্ন সফটওয়্যারের ব্যবহার সঠিকভাবে না জানলে আপনি আপনার সৃজনশীলতা সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন না। আপনাকে অনেক চর্চা এবং ধৈর্য্যের সাথে বিভিন্ন প্রজেক্ট করতে হবে নিজের কাজের পারদর্শিতা বাড়িয়ে নেয়ার জন্যে।

আপনি হয়ত অনেক ডিজাইন অনলাইনে পাবেন, কিন্তু নিজেকে যদি সেই ফ্রি ডিজাইনগুলোর মধ্যেই আটকে রাখেন তাহলে আপনার জন্যে এই পেশা নয়। আপনাকে নিজেকে শেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

আপনি যত বেশি সৃজনশীলতার সাথে আপনার আইডিয়া ফুটিয়ে তুলতে পারবেন ততই আপনার কাজের কোয়ালিটি উন্নত হবে। আপনি যদি আপনার সৃজনশীলতাকে স্বাধীনভাবে ফুটিয়ে তুলতে ভালবাসেন তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশায় আপনি উন্নতি করতে পারবেন।

উচ্চতর চাহিদা
বর্তমান বিশ্বে ভিজুয়াল কনটেন্ট সব থেকে বেশি পপুলার হচ্ছে। সাথে সাথে গ্রাফিক্স ডিজাইনও অনেক বেশি চাহিদাপূর্ণ হয়ে উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে ওয়েবসাইটের কাজের জন্যে এখন গ্রাফিক্স ডিজাইন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে, কারন এই ইন্ডাস্ট্রিতে পেশাগত মানুষ হাতে গোনা। আপনি যদি নিজেকে এই কাজে পারদর্শী করে তুলতে পারেন তাহলে বিশ্বের অনেক বড় বড় কোম্পানিতে চাকরি পেতে পারেন। যেখানে আপনার বেতনের পরিমাণ তুলনামূলক অনেক বেশি।

বাড়িতে বসে কাজের সুযোগ
গ্রাফিক্স ডিজাইন সেক্টরে কাজ করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, আপনি যেকোন জায়গায় বসে এই কাজ করতে পারেন। আপনাকে কোন অফিসে বসে কাজ করতে হবে না। আপনি চাইলে ঘরে বসে কাজ করতে পারেন।

শুধু মাত্র একটি ল্যাপটপ ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করেই আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন যেকোন জায়াগায় বসে। এই পেশাটা সম্পূর্ণরূপে কাজের পারদর্শিতার উপরে নির্ভর করে বলে, শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব বেশি জরুরী হিসাবে ধরা হয় না। আপনি যদি পারদর্শী হন, তাহলেই আপনি এই সেক্টরে কাজ করতে পারবেন।

কাজের স্বাধীনতা
গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা স্বাভাবিকভাবে স্বাধীনচেতা হন। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালবাসেন। আপনি যদি ইচ্ছা করেন তাহলে আপনি নিজে নিজেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারেন। আপনি নিজের পোর্টফোলিও ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করে নিজেই কাজ করতে পারেন।

আপনি অনলাইনে অনেক প্লাটফর্ম পাবেন যেখানে আপনি নিজের একাউন্ট ক্রিয়েট করে নিজের কাজগুলো প্রদর্শন করে রাখতে পারেন। আপনার কাজ দেখে যদি কারো ভাল লাগে তাহলে তারাই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের প্রোজেক্টে কাজ করার জন্যে।

আপনি যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে এখনই কাজ শুরু করে দিতে পারেন। ঘুড়ি লার্নিং এর গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্সে এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা শুরু করে দিন।

অধিক আয়ের সুযোগ
যেহেতু বর্তমান বিশ্ব ভিজুয়্যাল কন্টেন্ট এর দিকে ঝুকে পড়ছে, আপনি চাইলে এখনই গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে অধিক আয় নিশ্চিত করতে পারেন। আপনি হয়ত জানেন না যে অনেক কোম্পানি আছে যারা শুধুমাত্র লোগো ডিজাইন করার জন্যে লক্ষ্ লক্ষ টাকা ব্যয় করে।

আপনি যদি ভালোভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন ই-কমার্স কোম্পানি আছে যারা তাদের প্রোডাক্টগুলো ভালোভাবে তাদের ওয়েবসাইটে ফুটিয়ে তুলতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের সাহায্য নিয়ে থাকে।

চাকরির সুযোগ
গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে আপনি দেশি বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করতে পারবেন। বিদেশি কোম্পানিগুলোতে কাজ করার চেয়ে সব থেকে বেশি ভালো হয় যদি আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করা শুরু করেন।

কারন একবার কাজ করতে থাকলে বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টদের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে এবং তাদের মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের কোম্পানির সাথে কাজের সুযোগ পাবেন।

পাশাপাশি আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে দেশি কোম্পানিতে কাজ করতে চান, তাহলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে গ্রাজুয়েট হতে হবে এবং এই বিষয়ক সার্টিফাইড কোর্স করতে হবে।

তবে অনেক দেশি কোম্পানিও এখন একাডেমিক যোগ্যতার থেকেও দক্ষতার উপরেই বেশি ফোকাস দিচ্ছে। আপনি চাইলে ওইসব কোম্পানিতে কাজ করতে পারেন।

প্রতিভা দেখানোর সুযোগ
আমরা সকলেই জানি বাংলাদেশে প্রতিভা দেখানোর সুযোগ কম। সুযোগ থাকলেও সেগুলার তেমন মূল্যায়ন হয় না। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখলে আপনি দেশি বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কাজ করতে পারবেন।

সেক্ষেত্রে আপনার যদি প্রতিভা থাকে, তাহলে সেটা দেখানোর ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধায় পড়তে হবে না। আপনি যথাযথ মূল্যায়নও পাবেন। আপনার প্রতিভা গুলো চাইলে পোর্টফোলিও আকারে মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রদর্শন করতে পারবেন। সেগুলো দেখে ক্লায়েন্ট আপনাকে খুব সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন।

উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজন নাই
গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য আপনাকে কোনো উচ্চতর ডিগ্রিধারী হওয়া লাগবে না। মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক মানুষ আছে যারা স্কুলের গন্ডিও ঠিক করে পার করতে পারেন নি। ছাত্র থেকে শুরু করে গৃহিণীরা পর্যন্ত এখন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজের সাথে সংযুক্ত।

এখানে তেমন কোনো রিকোয়ারমেন্ট থাকে না এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে। তাই আপনি খুব বেশি একটা শিক্ষিত না হয়েও গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ভালো একটা ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। এখানে কেউ আপনার কাছে শুনতে চাইবে না যে আপনি কতটা শিক্ষিত। এখানে আপনার ক্লায়েন্টরা শুধু দেখতে চাইবে আপনার দক্ষতা।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
আরও বড় একটি আশার বাণী হচ্ছে এই খাতের ভবিষ্যত সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমানে এমন একটি সময় এসে গেছে যেখানে আমরা মার্কেটিং বলতে শুধু মাত্র ডিজিটাল মার্কেটিংকেই বুঝি।

একটা সময় এর মাত্রা ও আওতা আরও বাড়বে। নতুন নতুন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মেথড বের হবে যেগুলো মুলত গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপরে নির্ভরশীল হবে। তাই যারা এই সেক্টরে নিজেদের ক্যারিয়ার দাঁড় করানোর কথা ভাবছেন, তারা নিঃসন্দেহে অনেক সুদূরপ্রসারী একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ফ্রিলান্সিং ও আউটসোর্সিং
ফ্রিলান্সিং ও আউটসোর্সিং খুবই জনপ্রিয় একটি পেশা বর্তমানে। অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে এই সেক্টরের মাধ্যমে। আপনি চাইলেই ঘরে বসেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে।

এই ফ্রিলান্সিং এর খুব বড় একটা অংশ জুড়ে রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। ছোট্ট একটি লোগো থেকে শুরু করে টেলিভিশন কমার্শিয়াল তৈরি সহ ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল মার্কেটিং সামগ্রী তৈরির ক্ষেত্রেই রয়েছে এর চাহিদা৷ এজন্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে এই গ্রাফিক্স ডিজাইন রিলেটেড কাজ অনেক বেশি পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? সূচনাবর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই যুগে গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্যাতিত পুরো মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টই অচ...
26/06/2022

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

সূচনা
বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই যুগে গ্রাফিক্স ডিজাইন ব্যাতিত পুরো মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টই অচল। এর কারনও বিদ্যমান চোখের সামনেই। ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য যা যা দরকার একটা কোম্পানির, তার বেশির ভাগই বানায় গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা।

ব্যানার, পোষ্টার, বিলবোর্ড, সোশ্যাল মিডিয়া কভার ফটো, টেলিভিশন কমার্শিয়াল, ইত্যাদির সবকিছুই গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজের ভেতরে পড়ে।

এসব কারনেই গ্রাফিক্স ডিজাইন-এর গুরুত্ব দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। তাই আপনি যদি আপনি যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন যে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন, তাহলে অবশ্যই এটি আপনার জীবনে নেওয়া অন্যতম একটা ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত হতে পারে।

যাহোক, আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো, গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ও গ্রাফিক্স ডিজাইন কিভাবে শিখবেন। আশা করি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর এই আর্টিকেলটি থেকেই পেয়ে যাবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?
গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে কোনো একটি ম্যাসেজ বা তথ্যকে সৃজনশীলতা দিয়ে রঙ, রেখা ও বিভিন্ন সেপের মাধ্যমে মানুষের সামনে তুলে ধরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এখন এই তথ্য বা ম্যাসেজগুলো হয় মার্কেটিং সম্পর্কিত।

মার্কেটিং বাদেও বিভিন্ন সেক্টর রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনের আওতায়। গার্মেন্টস সেক্টর তার মধ্যে অন্যতম। গার্মেন্টস খাতের যেকোনো পণ্য তৈরি করার আগে এর ডিজাইন করতে হয়।

আর আপনি জেনে থাকবেন যে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টর পৃথিবী বিখ্যাত। তাই এ খাতে যোগ দিলে সেটি আপনার ক্যারিয়ারের জন্য খুবই উপকারী হবে।

আপনি বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিতে কাজের সুযোগ পাবেন যদি দক্ষ ডিজাইনার হতে পারেন। পাশাপাশি আপনি ফ্রিলান্সিং করেও অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে এই ডিজাইনিং প্রয়োজন হয়।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? – What is affiliate marketing?অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস কমিশনের বিনিময়ে প্রোমোট ...
10/11/2021

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? – What is affiliate marketing?

অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস কমিশনের বিনিময়ে প্রোমোট ও বিক্রির প্রক্রিয়াকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। শুনতে সহজ একটি বিষয় মনে হলেও এই প্রক্রিয়ার কার্যক্রম কিন্তু যথেষ্ট জটিল। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, অন্যের পণ্য বা সেবা বিক্রির ব্যবস্থা করে কমিশন আয় করাকেই বলা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। উদাহরণস্বরূপ, অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম, যার জনপ্রিয়তা সব সময়ই আকাশচুম্বী।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি, সে বিষয়ে একটি সহজ ধারণা তো আমরা পেলাম। এবার চলুন জানি, কিভাবে কাজ করে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে একজন সেলার অথবা প্রোডাক্ট এর উৎপাদনকারী প্রথমে একটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম তৈরী করেন। এরপর সেই তিনি তার প্রোডাক্ট প্রোমোট করার উদ্দেশ্যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে ইউনিক লিংক প্রদান করে। এই ইউনিক লিংক ব্যবহার করে প্রতি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার থেকে আসা সেলকে খুব সহজেই গণনা করা যায়।

অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে যখন কোনো ক্রেতা কোনো প্রোডাক্ট ক্রয় করেন, তখন ব্রাউজারে কুকি’র মাধ্যমে ডাটা সংরক্ষিত হয়। এই কুকি সেলারকে অ্যাফিলিয়েট সেল সম্পর্কে জানিয়ে দেয়। কুকি থেকে প্রাপ্ত ডাটা অনুসারে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের প্রাপ্ত কমিশন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে বুঝিয়ে দেয় সেলার/উৎপাদনকারী।

এবার জেনে নেওয়া যাক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নামের এই কৌশলের প্রধান পক্ষদের সম্পর্কে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে তিন বা চারজন প্রধান পক্ষ থাকে। যারা হলোঃ

অ্যাফিলিয়েটঃ যে ব্যক্তি প্রোডাক্ট প্রোমোট করছেন (মানে কমিশনের উদ্দেশ্যে পণ্য সম্পর্কে মানুষজনকে জানাচ্ছেন)সেলারঃ যে ব্যক্তি প্রোডাক্ট তৈরী বা বিক্রি করছেন নেটওয়ার্কঃ অ্যাফিলিয়েট সম্পর্ক তথ্যসমুহ যে নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেকনজ্যুমারঃ যারা প্রোডাক্ট ক্রয় করেন

এবার চলুন একটু বিষদভাবে জানা যাক, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর এই প্রধান চার পক্ষ সম্পর্কে।

এফিলিয়েট মার্কেটারঃ-

অ্যাফিলিয়েট বা পাবলিশার হলেন সে ব্যক্তি যে সেলারের কোনো প্রোডাক্ট কমিশন পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রোমোট করে থাকেন। একজন অ্যাফিলিয়েট সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ব্লগ, ভিডিও ও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের মাধ্যমে একজন সেলারের প্রোডাক্ট এর প্রোমোশন চালিয়ে থাকেন।

সেলারঃ-

সেলার হলো মূলত অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর হোস্ট। তারা/তিনি কোনো সময় একাধিক ব্যক্তিবর্গ থেকে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিও হয়ে থাকেন। মূলত নিজের তৈরি বা নিজের প্রতিষ্ঠানের তৈরী প্রোডাক্ট প্রোমোশন এর লক্ষ্যেই অ্যাফিলিয়েট কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন এই সেলার।

অনেকেই না জেনে, না বুঝে নেমে পড়েন ফ্রিল্যান্সিংয়ে। ফলে দেখা যায় কিছুদূর এগিয়ে আর সামনে যেতে পারছেন না। তাই যে কাজ পছন্দ ...
09/11/2021

অনেকেই না জেনে, না বুঝে নেমে পড়েন ফ্রিল্যান্সিংয়ে। ফলে দেখা যায় কিছুদূর এগিয়ে আর সামনে যেতে পারছেন না। তাই যে কাজ পছন্দ করেন বা করতে ভালো লাগে তেমন কোনো কাজ ভালোভাবে জেনে তারপর মার্কেটপ্লেসে আসা উচিত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পাঁচ শতাধিক ধরনের কাজ রয়েছে, যেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে হবে আপনি কী করবেন। এরপর অনলাইন রিসোর্স বা ভালো কোনো প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হয় এসব জেনেই কাজে নামতে হবে। এমনটিই বলছিলেন জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান।

ভালো আয় করা যায় এমন বিষয় বিবেচনা না করে দেখতে হবে আপনি কোন বিষয়টি ভালোভাবে পারবেন। কোনো কাজ শুরু করার আগে অনলাইনের রিসোর্স থেকে সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে পারেন। এরপর আপনার যে কাজটি করা সম্ভব মনে হবে, তা ভালোভাবে শিখতে হবে। কোনো গাইডলাইনের দরকার হলে ফেসবুক ওডেস্কসহ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর ফেসবুক পেজ, গ্রম্নপ ও ফোরামে যুক্ত হতে পারেন। মনে রাখতে হবে, অনলাইনে কেউ আপনাকে এমনিতেই ডলার দেবে না। আপনার কাছ থেকে ভালো কিছু আউটপুট পেলেই তারা কাজটি করতে দেবে ও পে করবে। তাই যাই করেন কাজটি আগে ভালোভাবে জেনে নিন। ভালোভাবে কাজ জানলে কাজের অভাব হয় না।

অনেকেই না বুঝে ট্রেনিং নিতে চলে আসেন ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখতে। আমরা তাদেরকে সবসময়ই বলি, আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে চান তার বেসিক বিষয়গুলো অনলাইন রিসোর্স থেকে জেনে আসেন। তাহলে এ বিষয়ে ভালো করতে পারবেন কি না, তা বুঝতে পারবেন। তা না হলে প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় হারিয়ে যেতে হবে। অনলাইনেই অনেক রিসোর্স আছে, সেখান থেকে আপনি যেকোনো কাজ শিখতে পারেন। এ বিষয়ে বিনামূল্যে কোনো গাইডলাইনের দরকার হলে ডেভসটিম ইনস্টিটিউটে আসতে পারেন। তবে যদি স্বল্প সময়ে কাজ শিখতে চান তাহলে সংশ্লিষ্টদের গাইডলাইন অথবা প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

. “বেশিরভাগ মানুষ তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারে না, কারণ, তারা লক্ষ্য নিয়ে ঠিকমত পরিকল্পনা করে না, এবং নিজের ক্ষমতার ওপর প...
30/10/2021

. “বেশিরভাগ মানুষ তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারে না, কারণ, তারা লক্ষ্য নিয়ে ঠিকমত পরিকল্পনা করে না, এবং নিজের ক্ষমতার ওপর পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। বিজয়ীরা জানে তারা ঠিক কোথায় পৌঁছাতে চায়, এবং কিভাবে পৌঁছাতে চায়”

এক বােতল পানির মূল্য সাধারণ দোকানে ১৫ টাকা।ফাইভ স্টার হােটেলে ২০০ টাকা এবং এয়ারপাের্টেরভিতরে ৩০০ টাকা।একই বােতল এবং একই...
27/10/2021

এক বােতল পানির মূল্য সাধারণ দোকানে ১৫ টাকা।
ফাইভ স্টার হােটেলে ২০০ টাকা এবং এয়ারপাের্টের
ভিতরে ৩০০ টাকা।
একই বােতল এবং একই ব্রান্ড। পরিবর্তন শুধু স্থানের।
ভিন্ন ভিন্ন জায়গা সেই একই জিনিষের দাম পরিবর্তন
করে দিয়েছে।
নিজেকে যদি কখনাে মূল্যহীন মনে হয় তবে একই স্থানে
থেকে জায়গা পরিবর্তন করে দেখুন।
সাহস যােগাড় করে নিজের গন্ডি পরিবর্তন করে এমন
স্থানে যান যেখানে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব প্রদান করে।
নিজেকে এমন কিছু মানুষের মাঝে নিয়ে যান যারা
আপনার মুল্য বুঝে আপনার কাজে উৎসাহ প্রদান করে।

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে সকল মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করবেনঅনলাইনে এমন ওয়েবসাইট যেখানে বায়াররা তাদের কাজ করার মত দক্ষ লোক...
23/10/2021

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে সকল মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করবেন

অনলাইনে এমন ওয়েবসাইট যেখানে বায়াররা তাদের কাজ করার মত দক্ষ লোক বা ফ্রিল্যান্সার খোজ করতে আসে। আবার যারা ফ্রিল্যান্সার, তারা কাজ খোজার জন্য এসব সাইটগুলো প্রবেশ করে। অনেক ফ্রিল্যান্সারদের মধ্য হতে যাচাই বাছাই করে বায়ার তার কাজের জন্য যোগ্য কাউকে বাছাই করে কাজ দেয়। এসব সাইটগুলোকেই মার্কেটপ্লেস বলে। মার্কেটপ্লেসগুলো বায়ার এবং ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে সংযোগস্থাপনকারী হিসেবে কাজ করে। বায়াররা এসব মার্কেটপ্লেসকে মূলত পেমেন্ট করে। সেই পেমেন্ট ফ্রিল্যান্সারদের মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। পরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে সেই ডলারগুলো উঠানো যায়। এসব মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সারদের কাজের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের রেটিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো দেখেই বায়াররা তাদের কাজের জন্য যোগ্য ফ্রিল্যান্সার বাছাই করতে পারেন।
অনলাইনে অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে। বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের, বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মার্কেটপ্লেসের সাথে সংক্ষেপে পরিচিত করার চেষ্টা করব। ভবিষ্যত পর্বগুলো বিস্তারিত আকারে পোস্ট আসবে।

আপওয়ার্ক : এই ওয়েবসাইটটি পূর্বে oDesk নামে পরিচিত ছিল, কিছুদিন পূর্বে UpWork এ পরিবর্তন হয়েছে, যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু ফিচার| Elance নামক আরেকটি জব মার্কেট ও এর সাথে সংযুক্ত হয়েছে| UpWork ই বর্তমানে ফ্রিল্যান্স মার্কেট লিডার| এই ওয়েবসাইটে বায়াররা বিভিন্ন ধরনের জব পোস্ট করে থাকেন, ফ্রীলেন্সারগন তাদের স্কিল অনুযায়ী অ্যাপ্লাই করেন| বায়ার সব আবেদনকারী মধ্যে থেকে বাছাই করে ইন্টারভিউ নিয়ে থাকেন| বেশিরভাগ ক্ষেত্রে UpWrok মেসেজ অথবা Skype chat এর মাধ্যমে ইন্টারভিউ নিয়ে থাকেন, কিছু ক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেঞ্চে এর মাধ্যমেও এই প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়|
ফাইভার: বর্তমানে এই ওয়েবসাইটি বেশ জনপ্রিয়| নতুনদের কাজ পাওয়ার জন্যে best মার্কেট প্লেস, এইখানে বায়ার এর পরিবর্তে আপনি কাজ পোস্ট করবেন, কি কি জানেন তার বিস্তারিত বিবরণ দিবেন। আপনার কাজের এইটা sempole জব পোস্ট এর সাথে যুক্ত করে দিতেহবে | বায়ারের কাছে আপনার সার্ভিসটি পছন্ধ হলে, কিনে নিবে| কাজের মূল্য দেখতে কম হলেও শুরু করার পর আপনি দাখবেন ভিন্ন চিত্র, এক একটি জব থাকে $10 থেকে শুরু করে $100 বা ততোধিক পর্যন্ত আয় করতে পারবেন|
পিপল পার আওয়ার: এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে বায়ার সহজে জবের জন্য অফার করতে পারে । আবার যে কাজ করবে সেও তার স্কিল সেল করতে পারবে । এখান থেকে কাজ কিনে আবার এই মার্কেটপ্লেসে সেল করতে পারবেন। এই মার্কেটপ্লেসে ফিক্সড এবং আওয়ার্লি জব করার সুযোগ আছে । এ মার্কেটপ্লেসের লিংক: com
99 ডিজাইনঃ
এই মার্কেট প্লেস শুধুমাত্র ডিজাইনারদের জন্য, এই ওয়েবসাইট এ বায়ার তার কাজের বিভরন লিখে জব পোস্ট করে থাকেন, আগ্রহী ডিজাইনাররা কাজের বিবরণ অনুযায়ী ডিজাইন করে সাবমিট করে থাকেন| এইটা একটা কমপিটিশনআল সিস্টেম মার্কেট প্লেস| বায়ায়ারের কাছে যার কাজ ভালো লাগে তার ডিজাইন ব্যাবহার এর জন্যে চূড়ান্ত করেন এবং সুধুমাত্র বিজয়ী ফ্রীলেন্সারই টাকা পেয়ে থাকেন| এই ওয়েবসাইটে কাজের জন্যে উচ্চ মূল্য পাওয়া যায়| তবে নতুনদের কাজ শিখার / প্রাকটিস কার জন্যে বেস্ট প্লেস| অন্যদের কাজ আনুকরন করে ডিজাইন করবেন, নিজের দক্ষতা বাড়বে|

ইনভাটো: এই Market-place এর ধরন সম্পূর্ণ ভিন্ন, এটি একটি Passive Income এর জন্যে উৎকৃষ্ট Market-place. এই Marketplace-e বেশ কইয়েকটি প্লাটফর্ম আছে, যেখানে আপনি আপনার তৈরি করা কাজ বিক্রি করতে পারবেন , যা পরবর্তিতে বায়ার কিনে নিয়ে নিজেরমতকরে কাস্টমাইজ করে ব্যাবহার করবে| প্রথম দৃষ্টিতে প্রোডাক্ট এর মূল্য কম মনে হতে পারে, কিন্তু এইখান থাকেই আপনি কোটিপতি হতে পারেন| উধাহরণ হিসাবে বলি, একটা বিজনেস কার্ড এর মূল্য $6, এই প্রোডাক্টি যখন ১০০ বার বিক্রয় হবে, তখন একটি বিজনেস কার্ড এর জন্যে আপনার বিক্রয় মূল্য দাঁড়াবে $600| পাবেন এমন রেট কি আর পাবেন অন্যকোন মার্কেট প্লেস এ ? মূল্য বিষয় হচ্ছে আপনি একবার একটি প্রোডাক্ট আপলোড করার পর মার্কেটপ্লেস টিম আপনার প্রোডাক্টটি review করবে, বিক্রির জন্যে approve হলে, আর আপনার তেমন কিছু করতে হবে না, যদি না বায়ার template টি ব্যাবহার করতেগিয়ে কোন সমস্যায় পড়ে|

আপওয়ার্ক হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অনলাইন ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস। শুরুতে এটি ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল যা পরে নাম পরিবর্...
21/10/2021

আপওয়ার্ক হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অনলাইন ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস। শুরুতে এটি ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল যা পরে নাম পরিবর্তন করে অন্য একটি মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের সাথে একীভূত হয় আপওয়ার্ক নাম ধারণ করে। যারা অনলাইনে কাজ করেন তাদের অনেকেরই স্বপ্ন থাকে আপওয়ার্কে একটি একাউন্ট খুলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার। আবার এমন কেউ কেউ আছেন যারা আপওয়ার্ককে খুব একটা পছন্দ করেন না।

বাস্তবতা হচ্ছে, আপনি পছন্দ করেন বা না করেন, আপওয়ার্ককে কেউই অস্বীকার করতে পারবেন না; কারণ এর ব্যাপ্তি ও প্রভাব অনেক বেশি। হয়ত আপনি যতটা চিন্তা করতে পারবেন তার থেকেও! বড় বড় কোম্পানি যেমন মাইক্রোসফট, অটোম্যাটিক, এরাও কোনো কোনো ক্ষেত্রে আপওয়ার্ক এর ক্লায়েন্ট।

একজন ফ্রিল্যান্সার এর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করা। আপওয়ার্ক এর মত প্লাটফর্ম ক্লায়েন্ট এবং ফ্রিল্যান্সার উভয়ের জন্যই একে অপরকে খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারটা সহজ করে দেয়। বাড়তি আয় হোক, কিংবা প্রধান জীবিকা- আপওয়ার্কে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সারই রয়েছেন।

আপওয়ার্ক কী এবং কীভাবে কাজ করে?

আপওয়ার্ক কী এটা ইতোমধ্যেই বলে ফেলেছি। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সারগণ তাদের প্রোফাইলে নিজেদের কাজ, অভিজ্ঞতা এসব তুলে ধরেন। ক্লায়েন্টরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কাজের বিবরণ এবং এর জন্য তারা কত সম্মানী প্রদান করবেন তা উল্লেখ করে আপওয়ার্ক এ পোস্ট করেন। এরপর ফ্রিল্যান্সাররা কাজের তালিকা থেকে নিজেদের অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে কাজের জন্য প্রপোজাল পাঠান।

ক্লায়েন্টরা আগ্রহী ফ্রিল্যান্সারের তালিকা থেকে তাদের পছন্দের এক বা একাধিকজনকে নির্বাচন করে চুক্তিবদ্ধ হন। আবার ক্লায়েন্ট চাইলে কোনো ফ্রিল্যান্সার এর প্রোফাইল দেখে তাকে কাজের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।

সহজ কথায়, আপওয়ার্ক এর কাজ হল ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা। পুরো প্রক্রিয়াটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপওয়ার্ক প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হয়।

ফ্রিল্যান্সারকে তাদের পারিশ্রমিক আপওয়ার্ক এর সাথে ভাগ করে নিতে হয়। কোনো নির্দিষ্ট বায়ার/ক্লায়েন্টের কাছ থেকে একজন ফ্রিল্যান্সারের প্রথম ৫০০ ডলার আয়ের ২০% অর্থ ফি হিসেবে কেটে নেয় আপওয়ার্ক। একই কন্ট্রাক্টে ৫০১ থেকে ১০ হাজার ডলার আয়ের মধ্যে ১০% যায় আপওয়ার্ক এর ভাগে। আর সেই কন্ট্রাক্টে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের পরিমাণ ১০ হাজার ডলারের বেশি হলে তার থেকে ৫% পায় আপওয়ার্ক। অর্থাৎ, আয় যত বেশি হবে এবং যত বেশি দীর্ঘমেয়াদী ক্লায়েন্ট-ফ্রিল্যান্সার সম্পর্ক হবে, তত কম ফি চার্জ হবে ফ্রিল্যান্সারের একাউন্টে। এছাড়া, বায়ারের দিক থেকেও বিভিন্ন প্ল্যানে বিভিন্ন রকম ফি নেয় আপওয়ার্ক।

আপওয়ার্ক এ কাজের প্রকারভেদ

ফ্রিল্যান্সিং এর উপর ভিত্তি করে চালিত আপওয়ার্ক এ বিভিন্ন ধরনের কাজের দেখা মিলবে। মূলত শিল্প এবং দক্ষতাভিত্তিক কাজই এখানে গুরুত্ব পায়। আপওয়ার্ক এ যেসব কাজের দেখা মিলবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মূল ক্যাটেগরিগুলো নিম্নরূপঃ

ফটোগ্রাফি এবং এডিটিংভিডিও প্রোডাকশনওয়েব ডিজাইনসার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)মার্কেটিংসোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টগ্রাফিক ডিজাইনপ্রোগ্রামিংসফটওয়্যার ডেভলপমেন্টলিটারেচার (লেখা ও এডিটিং)কপিরাইটিংএডভার্টাইজিংটিচিংঅনুবাদ করাকন্ঠ প্রদান (ভয়েস ওভার)আর্ট ডিরেকশনসাপোর্ট, ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট

আপওয়ার্ক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ দুই মাধ্যমেই একাউন্ট ম্যানেজমেন্ট ও জব অ্যাপ্লাই/মেসেজিং করা যায়। এছাড়াও তাদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেকটাই নিরাপদ। আপওয়ার্কে ফিক্সড প্রাইস এবং ঘন্টা হিসেবে (আওয়ারলি) পারিশ্রমিকে কাজ পাওয়া যায়। এগুলো নিয়ে অন্য একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করার আশা রাখছি।

আপওয়ার্ক আপনার আয়ের একটি ভালো অংক কেটে নিবে, কিন্তু এত বিশাল একটি ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ পাওয়াও সহজ ব্যপার নয়। আপওয়ার্ক আপনাকে ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে তারা যে লভ্যাংশ গ্রহণ করছে, তা যদি আপনি মেনে নিতে পারেন তবে আপওয়ার্ক এর মাধ্যমে কাজ করা আপনার জন্য তেমন একটা অসুবিধার হবেনা।

আপওয়ার্ক এ কীভাবে একাউন্ট খুলতে হয়?

আপনি যদি আপওয়ার্ক এ কাজ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে নিম্নোক্ত ভাবে সাইন আপ করবেন –

১. আপওয়ার্ক এর সাইন আপ পেজ এ প্রবেশ করুন।

২. আপনি চাইলে এই কাজে তাদের এন্ড্রয়েড এপ ও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সাইন আপ কর‍তে গেলে আপনাকে পূর্বে উল্লেখিত পেজে রিডিরেক্ট করা হবে।

৩. প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করুন।

৪. ইমেইল এবং ফোন নম্বর সঠিকভাবে ভেরিফাই করুন।

৫. সব তথ্য সঠিকভাবে লেখা হয়ে গেলে এবার সাবমিট বাটন চাপুন।

উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনি সফল ভাবে আপওয়ার্ক এর একজন মেম্বার হয়ে যাবেন। তবে একাউন্ট এপ্রুভ হওয়া পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।

সফলভাবে আপওয়ার্ক একাউন্ট তৈরী করার পর আপনি নিন্মোক্ত ব্যাপারগুলো অনুসরণ করতে পারেন। এতে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

এই লিংকে প্রবেশ করে আপনার আইডি ভেরিফাই করুন।আপনার প্রোফাইলে পূর্বে করা কাজসমূহের অভিজ্ঞতা এবং বিবরণ উল্লেখ করুন।ভিউ প্রোফাইল অপশনে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পূরণ করুন।আপনার দক্ষতার উপর ভিত্তি করে আপনার প্রোফাইল ডিজাইন করুন।আপওয়ার্ক এর ফ্রিল্যান্সার এডুকেশন সেন্টার এ ঘুরে আসতে পারেন।

আপওয়ার্ক মেম্বারশিপ এবং কানেক্টস

ক্লায়েন্টকে কাজের প্রোপোজাল পাঠাতে আপনার কানেক্টস এর প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ এখানে কানেক্টস অনেকটা টোকেন এর মত কাজ করে। প্রতিটা জবের জন্য বিড করতে ১ থেকে ৬ পর্যন্ত কানেক্টস এর প্রয়োজন পড়ে। তবে প্রজেক্ট বাতিল হলে আপনি আপনার কানেক্টস ফেরত পাবেন।

আপওয়ার্ক এ সাইন আপ করার পর আপনি কিছু কানেক্টস ফ্রি পাবেন। তবে সেগুলো কিছুদিনের মধ্যে ফুরিয়ে যাবে। আপনি যদি আপওয়ার্ক এর ফ্রি মেম্বারশিপ প্ল্যান ব্যবহার করে থাকেন, তবে প্রতিটি কানেক্ট এর জন্য আপনাকে ০.১৫ ডলার খরচ করতে হবে।

তবে যারা ১৪.৯৯ ডলারের বিনিময়ে মাসিক মেম্বারশিপ প্ল্যানে সাবস্ক্রাইব করবেন, তারা ৭০ কানেক্টস ফ্রি পাবেন। পাশাপাশি আরও কিছু বাড়তি সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই প্ল্যানে। এছাড়াও বর্তমানে প্রতিমাসে ফ্রি কানেক্টস দিচ্ছে আপওয়ার্ক।

ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস-ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলো জানা থাকলে মাসে কয়...
20/10/2021

ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস-

ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলো জানা থাকলে মাসে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন!

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য ফাইবারের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি! অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে এর জনপ্রিয়তা বেশি হবার কারণ হচ্ছে এখানে প্রতিদিন ১০ টা করে ফ্রি বিড করা যায়! আপওয়ার্কের ক্ষেত্রে প্রথম ২০ টি বিড ফ্রি তে করা যায়, কিন্তু তারপর থেকে বিড করার জন্য ডলার দিয়ে বিড কিনে নিতে হয়! যেটা একজন নতুন হিসাবে খুবই সমস্যার বিষয়। তাই, বিগেনারদের বা যারা মার্কেটপ্লেসে নতুন তাদের জন্য ফাইবার একদম পার্ফেক্ট(Perfect)! কারণ, এখানে আপনি প্রতি মাসে ৩০০ টি ফ্রি বিড করার সুযোগ পাচ্ছেন!

ফাইবার মার্কেটপ্লেসের সুবিধাঃ

অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে ফাইবারে কাজ করার কিছু সুবিধা রয়েছে। এই সুবিধা গুলো হচ্ছেঃ

এক একাউন্টে বায়ার ও সেলার দুই ভাবেই কাজ করা যায়!প্রতিদিন ৩০ টি করে ফ্রি বিড করা যায়ফাইবারে আছে গিগ ক্রিয়েট করার সুবিধা, যা অন্য কোন মার্কেটপ্লেসে নাই!ফাইবার মার্কেটপ্লেসে গিগ ক্রিয়েট করা যায় বলেই, বিড না করেও অর্ডার পাওয়া যায়!ফাইবারে অনেক ক্যাটাগরি এর কাজ আছে! আপনি চাইলে সেই কাজের demand বা চাহিদা দেখে, সেই কাজ শিখতে পারেন!ফাইবারে এক একাউন্টে আপনি ভিন্ন ভিন্ন সার্ভিস দিতে পারবেন!

ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলো জানা দরকার কেন?

স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের কোন বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে আমরা সেই কাজ সহজে করতে পারি! আর তাই আমাদের যদি ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে, তাহলে আমরাও সহজেই এই টিপস গুলো শিখে সেই ভাবে কাজ করতে পারি! এতে করে, আমাদের কাজ পাবার সম্ভাবনা যেমন বাড়বে, তেমন ভাবে আমাদের পরিশ্রমও অনেক কমে যাবে! কেননা, যে রাস্তা আমাদের চেনা থাকে না, সেই রাস্তা দিতে হাটা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার! তাই আমাদেরকে আমাদের কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে, এতে করে আমাদের চলা ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলো নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করব। এই টিপস গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনারা অতি দ্রুতই কাজ পাবনে! তবে অবশ্যই আপনার ধৈর্য, দক্ষতা, যোগাযোগ ক্ষমতা আর ভাগ্যের উপরে নির্ভর করছে আপনি কত দ্রুত কাজ পাবেন! যাই হোক, চলুন শুরু করিঃ

১। সুন্দর প্রোফাইল তৈরি করুনঃ

একটি সুন্দর প্রোফাইল বেশি অর্ডার বা কাজ পাবার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ! অধিকাংশ বায়ার প্রোফাইল দেখেই কিন্তু অর্ডার প্লেস করেন! তাই আগে আপনার প্রোফাইলটি সুন্দর করে সাজান! একটি ভালো প্রোফাইল তৈরি করার জন্য যা করবেন তা হলোঃ

একটি প্রোফেশনাল ছবি আপলোড করুন! ছবিটি দেখে যেন মনে হয় আপনাকে দিয়ে কাজ হবে। আপনি ফেইস ইমেজ (Face image) লিখে গুগলে সার্চ করে ইমেজ থেকে ১০ টি ছবি দেখুন! তাহলে আপনিই বুঝতে পারবেন কোন ছবিটি প্রোফেশনাল আর কোনটি নয়!নামের নিচে টাইটেল সেকশনে আপনার প্রোফেশনাল ট্যাগ ব্যাবহার করুন! অনেকেই আছে এমন লিখেঃ ড্রিমার বয়, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি। এমন না লিখে আপনার প্রোফেশনাল ট্যাগ ইউজ করুন। যেমনঃ ওয়েব ডেভেলপার, এসইও এক্সপার্ট, ইত্যাদি।ডেসক্রিপশন বক্স ফাইবার মার্কেটপ্লেসে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ, বায়ার এসে বেশি ফোকাস করবে আপনার ডেসক্রিপশন বক্সে। তাই ডেসক্রিপশন বক্স খুব যত্নের সাথে লিখুন। প্রথমে আপনি কি কি কাজ জানেন তাই লিখবেন। আর এর পর সুন্দর করে বলবেন, বায়ার কেন আপনার কাছে বেশি সুবিধা পাবে! তবে কোন ক্ষেত্রেই অন্য কোন প্রোফাইল থেকে কোন লেখা কপি করবেন না। আবারও বলছি, সাবধান!স্কিল গুলোতে আপনি যা যা পারেন তাই তাই যুক্ত করুন। কখনোই এমন জিনিস যুক্ত করবেন না যা আপনার কাজের সাথে অসংগতি পূর্ণ।ভালো হয় যদি আপনি স্কিল টেস্ট দিতে পারেন। স্কিল টেস্ট দেবার আগে গুগল বা ইউটিউবে দেখে নিবেন কোন ধরনের প্রশ্ন থাকে!আপনি যে ভাষা গুলো জানেন সেই ভাষাগুলো এড করে দিবেন। ইংরেজি ভাষা অবশ্যই Fluent এ রাখবেন।আপনার এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড যুক্ত করবেন। যে বিষয়ে কাজ করবেন সেই সংক্রান্ত একটি কোর্সের কথা উল্লেখ করে সেটিও এডুকেশনলার কোয়ালিফিকেশনে যুক্ত করবেন।ফাইবারে সার্টিফিকেট এড করতে কোন ডকুমেন্টস লাগে না। তাই আপনার দক্ষতার সাথে মিল রেখে একটি সার্টিফিকেটের কথা উল্লেখ করে দিবেন।

এই কাজ গুলো সঠিক ভাবে করলে আপনার প্রোফাইল খুবই সুন্দর ভাবে তৈরি করা সম্ভব।

ফাইবারে কিভাবে দ্রুত কাজ পাবেন তা জানার জন্য নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেনঃ

২। এসইও ফ্রেন্ডলি গিগ তৈরি করুনঃ

ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলোর মধ্যে দ্বিতীয় নাম্বারে আমরা আলোচনা করব গিগ নিয়ে। এক একটি গিগ হলো এক একটি সার্ভিস। আপনি আপনার কাজের পরিধি অনুযায়ী কয়েকটি গিগ পাবলিশ করুন। যেমন, আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন তাহলে লোগো ডিজাইন, ফ্লাইয়ার ডিজাইন, টি-শার্ট ডিজাইন প্রভৃতি কাজের উপর ভিত্তি করে আলাদা আলাদা গিগ পাবলিশ করুন। একই ভাবে অন্যান্য স্কিলে যারা আছেন আপনারাও আপনাদের কাজের ভিত্তিতে কয়েকটি গিগ পাবলিশ করুন!
এসইও ফ্রেন্ডলি গিগ বানানোর ক্ষেত্রে নিচের পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করুনঃ

প্রথমে ভালোভাবে গিগ রিচার্চ করুন। গিগ রিচার্চের ক্ষেত্রে প্রথম সারির কতগুলো গিগ নিয়ে সেই গিগ গুলোর টাইটেল, ট্যাগ ইত্যাদি ভালোভাবে খেয়াল করুন।গিগ রিচার্চের মাধ্যমে পাওয়া কিওয়ার্ড গুলো গিগ টাইটেলে রাখার চেষ্টা করুন!মেইন কিওয়ার্ড ইউআরএল, টাইটেল, ডেসক্রিপশন, ট্যাগ, সব জায়গায় রাখার চেষ্টা করুন।গিগে ভিডিও যুক্ত করলে গিগ সেল হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়!গিগ ইমেজ অপটিমাইজ করুন! সাইজ ১০০ কেবি এর কম হলে এসইও এর জন্য ভালো। ইমেজে Alt Tag যুক্ত করুন।বায়ার কোন কিওয়ার্ডে আপনার গিগ খুঁজতে পারে সেই সকল কিওয়ার্ড ট্যাগে ব্যাবহার করুন। এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ!আপনি ফাইবার মার্কেটপ্লেসে নতুন হয়ে থাকলে ব্যাসিক সার্ভিসে কম ডলার রাখার চেষ্টা করুন। যত কম রাখা যায় তত ভালো। তবে, এডভান্সড সার্ভিসে পেমেন্ট বাড়িয়ে নিতে পারেন।গিগ ডেসক্রিপশন অবশ্যই অত্যন্ত চমকপ্রদ করে লিখবেন! কোনকিছু অন্য একাউন্ট থেকে কপি করবেন না। আপনার গিগ ডেসক্রিপশনের উপর নির্ভর করছে আপনার গিগ একজন বায়ারকে কতটা আকৃষ্ট করতে পারে!

এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে আপনি একটি সুন্দর এসইও ফ্রেন্ডলি গিগ তৈরি করতে পারবেন।

৩। নিয়মিত বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানঃ

গিগ আপলোড করার পর থেকে আপনি আপনার গিগের ক্যাটাগরি সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী নিয়মিত বায়ার রিকোয়েস্ট পাবেন। প্রতিদিন যা যা করবেন তা হলোঃ

বায়ার রিকোয়েস্ট আসার একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। আপনাকে প্রথমে এই সময়টি খুঁজে বের করতে হবে। আর তারপর সেই সময় অনুযায়ী বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে।প্রতিদিন ১০ টা করে বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে।বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর সময় অবশ্যই কোন কপি করা লেখা পেস্ট করে বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না!সবসময় বায়ার এর রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর চেষ্টা করবেন।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর সময় আপনার আগের কোন কাজের লিংক শেয়ার করার চেষ্টা করবেন। তাহলে কাজ পাবার সম্ভাবন বাড়বে!আর চেষ্টা করবেন প্রথম ২০ জনের মধ্যেই বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর! কেননা, একটি কাজের জন্য অনেকগুলো বিড পরে, একজন বায়ারের এত সময় নেই যে তিনি সব গুলো রিকোয়েস্ট পড়ে পড়ে দেখবেন!

একটি সাধারণ ব্যাপার ভেবে দেখুন, আপনি যদি মাসে ৩০০ টি বায়ার রিকোয়েস্ট ভালোভাবে পাঠাতে পারেন তাহলে কি মাসে একটি ওর্ডারও পাবেন না? অবশ্যই পাবেন! তাই প্রতিদিন সঠিক ভাবে ১০ টি করে বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠান।

৪। গিগ মার্কেটিং করুনঃ

ফাইবার মার্কেটপ্লেসে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলোর মধ্যে এটিই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ! তাই অবশ্যই আপনাকে সুন্দর ভাবে গিগ মার্কেটিং করতে হবে। আপনার গিগ মার্কেটিং এর উপর নির্ভর করছে আপনি কত দ্রুত কাজ পাবেন! গিগ মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি শুধু ফাইবার থেকেই নয়, বরং মার্কেটপ্লেসের বাইরেও কাজ পাবেন! তাই অবশ্যই খুব ভালো করে গিগ মার্কেটিং এর কাজ করতে হবে।
নিচে দেখানো পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে আপনারা গিগ মার্কেটিং করতে পারেনঃ

সোস্যাল মিডিয়াতে গিগ শেয়ার করুন! যেমনঃ ফেসবুক, লিংকইন্ড, টুইটার, ইত্যাদি।বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট সাইট, ফোরাম সাইটে কমেন্টিং করুন। এতে করে আপনার গিগে ব্যাক লিংক তৈরি হবে! আর ভিউস ও ইম্প্রেশন বাড়বে!অনেক ফোরাম সাইট আছে যেখানে সারা বছর বিভিন্ন টপিক নিয়ে আলোচনা করা হয়! এই সব ফোরাম সাইটে গিয়ে দেখবেন অনেকেই তাদের লোগোর কাজের জন্য বলেছেন। তাকে সরাসরি অফার করুন!বিভিন্ন বুকমার্কিং সাইটে যান আর সেখান থেকে লিডস পাবার চেষ্টা করুন!নিজে আপনার গিগ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজের উপর ব্লগ লিখতে পারেন! এতে করে মানুষ আপনার ব্লগ পড়ে আপনার গিগ কিনতে আগ্রহী হবে!এছাড়া আপনি ইউটিউবে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল বানাতে পারেন। এতে করে কেউ যখন কোন সমস্যায় পড়ে আপনার ভিডিও দেখবে তখন তার আপনার সম্পর্কে একটি পজিটিভ রিভিউ তৈরি হবে! হতে পারে পরবর্তীতে কোন কাজ সে আপনাকে দিয়েই করিয়ে নিল!

এই গুলো করলে কিছুদিনের ভিতরেই চমক দেখতে পাবেন!

৫। বেশি বেশি করে এক্টিভ থাকুনঃ

ফাইবারে যারা বেশি বেশি এক্টিভ থাকে, ফাইবার তাদেরকে র‍্যাংক করতে সাহায্য করে। তাই আমাদের সব সময় উচিত ফাইবারে বেশি বেশি করে একটিভ থাকা। এতে করে আমাদের গিগ সার্চ রেজাল্টে শো করবে! এছাড়াও অনেক বায়ার আছেন, তারা ফিল্টার করে দেখে নেয়, কারা active আছে, আর কারা active নেই। তারা আসলে দ্রুত কাজ মিটিয়ে ফেলার জন্য এই কাজ করে থাকে! তাহলে আপনারা যদি বেশি বেশি করে এক্টিভ থাকেন তাহলে কিন্তু বেশ সুবিধা পাবেন!

৬। পুরাতন বায়ারদের নক করুনঃ

যাদের সাথে কাজ করেছেন তাদেরকে মাঝে মাঝেই নক দিন। বিশেষ কোন দিনে তাদের উইশ করুন। তাহলে দেখবেন পরবর্তীতে তাদের থেকেও কোন না কোন কাজ পেয়ে যাবেন!

দেখুন, এসেই হাজার হাজার ডলার প্রতি মাসে উপার্জন করবেন এমন চিন্তা নিয়ে মার্কেটপ্লেসে কখনোই আসবেন না! কারণ, দূর থেকে অনেক কিছু সহজ মনে হয়। যে এখন মাসে হাজার ডলার উপার্জন করে তার উপার্জন দেখে লোভে পড়বেন না! আগে দেখুন সে কত বছর ধরে কত রাত জেগে তার এই অবস্থান তৈরি করেছেন! জানুন তার আজকের এই অবস্থানের পিছনের কষ্টের দিনগুলো! নিজেকে প্রস্তুত করুন। তৈরি থাকুন সেই কষ্ট করার জন্য। তার থেকে বেশি সংগ্রাম করার মতো মানসিকতা নিয়েই আসুন এই সেক্টরে। চেষ্টা করুন নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার। কখনোই ভেঙ্গে পড়বেন না!

আর অবশেষে এটাই বলতে চাই, ফাইবার মার্কেটপ্লেসে বেশি অর্ডার পাবার টিপস গুলো জেনে অনেকেই খুব দ্রুত অর্ডার পেয়েছেন! তাহলে আপনি কেন পারবেন না? আজ থেকেই শুরু করে দিন। প্রথম থেকে প্রত্যেকটি বিষয় অত্যন্ত ভালোভাবে করুন। দেখবেন খুব তাড়াতাড়ি অর্ডার পেয়ে যাবেন!

Address

Chittagong
Jobra
01

Telephone

+8801614131124

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freelancing Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Freelancing Bangladesh:

Share