আমাদের কাপ্তাই

আমাদের কাপ্তাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত

30/08/2026

ওহাবী সালাফি আহলে হাদিসদের হালাল ডান্স

30/08/2026

ওহাবী আহলে হাদিস সালাফীদের জ্বলবে

27/08/2026
25/08/2026

ইয়েমেনে ৫০ লক্ষ মানুষের সমাগমে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন

25/08/2026

ইথিওপিয়া ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন #

শুরু হোক সচেতনতা: মসজিদে দিরার এবং আজকের দলাদলির ফিতনা​বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম​পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তওবার ১০৭ ও ১০৮...
13/05/2026

শুরু হোক সচেতনতা: মসজিদে দিরার এবং আজকের দলাদলির ফিতনা
​বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
​পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তওবার ১০৭ ও ১০৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস করেছেন। মদিনার মুনাফিকরা ইবাদতের নাম করে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিল, যার নাম ছিল 'মসজিদে দিরার'। বাহ্যিকভাবে সেটি ইবাদতখানা মনে হলেও আল্লাহর কাছে তা ছিল ষড়যন্ত্রের আখড়া।
​আল্লাহ এই মসজিদের চারটি ভয়াবহ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন:
১. ضرارًا (ক্ষতিসাধন): সাধারণ মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষতি করা।
২. كفرًا (কুফরি): সত্যকে গোপন করে ভ্রান্ত আকিদা ছড়ানো।
৩. تفريقًا بين المؤمنين (মুমিনদের মাঝে বিভেদ): মুসলমানদের ঐক্য নষ্ট করে আলাদা দল বা গোষ্ঠী তৈরি করা।
৪. إرصادًا (ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি): ইসলামের দুশমনদের আশ্রয়স্থল বানানো।
​⚠️ সমসাময়িক প্রেক্ষাপট ও বিভক্তির রাজনীতি
​বর্তমানে আমরা দেখছি, দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ সমাজকে ভেঙে সুনির্দিষ্ট কিছু মতাদর্শ (যেমন: তথাকথিত নব্য সালাফি বা ওহাবি মতবাদ) প্রচারের জন্য আলাদা আলাদা মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। যেখানে মূল উদ্দেশ্য ইবাদত নয়, বরং সাধারণ মানুষকে "মুশরিক" বা "বিদয়াতি" ফতোয়া দিয়ে মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন করা।
​রাসূলুল্লাহ ﷺ যে ঐক্যের শিক্ষা দিয়েছেন, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাড়ায় পাড়ায় বিভেদ সৃষ্টি করা কি সেই 'মসজিদে দিরার'-এর আধুনিক রূপ নয়? যখন একটি মসজিদ কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং সেখান থেকে অন্য মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা ছড়ানো হয়, তখন তা আর 'আল্লাহর ঘর' থাকে না, বরং তা দলাদলির কেন্দ্রে পরিণত হয়।
​📜 নজদ এবং 'শয়তানি সিং' (قرن الشيطان) সংক্রান্ত হাদিস
​রাসূলুল্লাহ ﷺ আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে এই ফিতনা সম্পর্কে সতর্ক করে গেছেন। সহিহ বুখারির হাদিসে এসেছে:
​"রাসূলুল্লাহ ﷺ দোয়া করলেন: হে আল্লাহ! আমাদের শাম (সিরিয়া) ও ইয়ামেনে বরকত দিন। সাহাবিরা বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের 'নজদ' অঞ্চলেও কি? তিনি আবারও আগের দোয়া করলেন। তৃতীয়বার তিনি বললেন: সেখানে (নজদ এলাকায়) ভূমিকম্প এবং ফিতনা হবে এবং সেখান থেকেই 'শয়তানের সিং' (قرন الشيطان) উদিত হবে।"
(সহিহ বুখারি, হাদিস নং: ১০৩৭)
​ইতিহাস সাক্ষী, এই নজদ থেকেই মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওহাবের উত্থান ঘটেছিল, যার চরমপন্থী মতবাদ ব্যবহার করে হাজার হাজার মুসলমানের রক্তপাত ঘটানো হয়েছে এবং ইসলামের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। আজকের আধুনিক 'সালাফিজম' সেই নজদি ফিতনারই একটি পরিবর্তিত রূপ, যা উম্মতের ঐক্যকে টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে।
​💡 আমাদের করণীয়:
​১. তাকওয়ার ভিত্তি খুঁজুন: আল্লাহ বলেছেন, সেই মসজিদে নামাজ পড়বেন না যার ভিত্তি তাকওয়ার ওপর নয়। তাই বিভেদ সৃষ্টিকারী কোনো গোষ্ঠীর ফাঁদে পা দেবেন না।
২. ঐক্য বজায় রাখুন: যারা কথায় কথায় মুসলমানদের কাফের বা বিদয়াতি বলে সমাজ থেকে আলাদা হতে চায়, তাদের থেকে দূরে থাকুন।
৩. ইতিহাস জানুন: ইসলামের নামে আসা নব্য চরমপন্থী মতবাদগুলোর শিকড় এবং তাদের পেছনের মদতদাতাদের সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করুন।
​আল্লাহ আমাদের এই বিভক্তির ফিতনা থেকে রক্ষা করুন এবং উম্মতে মুহাম্মদীকে পুনরায় একতাবদ্ধ হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন।

আলবানীর ভ্রান্তিগুলোর একটি হলো—তিনি নবী ﷺ-কে “ভ্রষ্ট” (ضال) বলে আখ্যায়িত করেছেন।আলবানী নবী ﷺ-কে “ভ্রষ্ট” বলেছেন, যেমন ত...
13/05/2026

আলবানীর ভ্রান্তিগুলোর একটি হলো—তিনি নবী ﷺ-কে “ভ্রষ্ট” (ضال) বলে আখ্যায়িত করেছেন।
আলবানী নবী ﷺ-কে “ভ্রষ্ট” বলেছেন, যেমন তিনি নবী-ওলীদের মাধ্যমে তাওয়াসসুলকারীদেরও “ভ্রষ্ট” বলেন।
তিনি বলেনঃ
“আমি বলি, এরা—অর্থাৎ ওলী-সালেহীনদের মাধ্যমে তাওয়াসসুলকারী এবং যারা কিতাব ও সুন্নাহ অনুসরণকে হারাম মনে করে—আমি কোনো সংকোচ ছাড়াই তাদের প্রকৃত নামে ডাকছি; এরা সত্য থেকে ভ্রষ্ট। ইসলামী দৃষ্টিতে এ শব্দ ব্যবহারে কোনো সমস্যা নেই। আমি যখন বলি তারা সত্য থেকে ভ্রষ্ট, তখন আল্লাহ তাআলাই তাঁর নবী সম্পর্কে বলেছেনঃ
﴿وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَى﴾
‘তিনি আপনাকে পথ সম্পর্কে অজ্ঞ পেলেন, অতঃপর হিদায়াত দিলেন।’”
— ফাতাওয়া আল-আলবানী, পৃষ্ঠা ৪৩২
“وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَىٰ” আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফাসসিরদের বক্তব্য
আল্লাহ তাআলার বাণীঃ
﴿وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَىٰ﴾
“তিনি আপনাকে অজ্ঞ অবস্থায় পেলেন, অতঃপর হিদায়াত দিলেন।”
এই আয়াতের অর্থ সম্পর্কে মুফাসসিরগণ বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
১. “ضالًّا” অর্থ নবুওয়াত সম্পর্কে অজ্ঞ বা অনবগত
ইবনে আব্বাস (রা.) ও আতা (রহ.) বলেনঃ
এখানে “ভ্রষ্ট” বলতে উদ্দেশ্য হলো—নবুওয়াতের দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত না থাকা। এরপর আল্লাহ তাঁকে নবুওয়াত দান করেন।
ইমাম ওয়াহিদী “আল-বাসীত” গ্রন্থে বলেনঃ
“ইবনে আব্বাস বলেছেনঃ ‘তিনি আপনাকে নবুওয়াত সম্পর্কে অজ্ঞ অবস্থায় পেলেন, অতঃপর নবুওয়াতের মাধ্যমে সর্বোত্তম দ্বীনের দিকে পথ দেখালেন।’”
ইমাম কুরতুবী বলেনঃ
“এখানে ‘ضلال’ অর্থ গাফেল বা অনবগত থাকা। যেমন আল্লাহ বলেনঃ
﴿لَا يَضِلُّ رَبِّي وَلَا يَنسَى﴾
অর্থাৎ ‘আমার প্রতিপালক ভুলেন না, বিস্মৃত হন না।’”
তিনি আরও বলেনঃ
“নবী ﷺ নবুওয়াতের আগে ওহী ও শরীয়তের বিষয়ে অবগত ছিলেন না, পরে আল্লাহ তাঁকে হিদায়াত দিয়েছেন।”
২. শরীয়তের বিধান সম্পর্কে অবগত না থাকা
হাসান বসরী, দাহহাক, ইবনে কাইসান প্রমুখ বলেনঃ
“নবী ﷺ শরীয়তের বিস্তারিত বিধান ও নবুওয়াতের নিদর্শন সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। আল্লাহ তাঁকে তা শিক্ষা দিয়েছেন।”
এর দলিলঃ
﴿وَإِن كُنتَ مِن قَبْلِهِ لَمِنَ الْغَافِلِينَ﴾
“এর আগে আপনি অবশ্যই এ সম্পর্কে অনবগত ছিলেন।”
এবংঃ
﴿مَا كُنتَ تَدْرِي مَا الْكِتَابُ وَلَا الْإِيمَانُ﴾
“আপনি জানতেন না কিতাব কী, ঈমান কী।”
৩. “আপনি ভ্রষ্ট জাতির মধ্যে ছিলেন”
কালবী, ফেরাআ ও সুদ্দী বলেনঃ
“অর্থ হলো—আপনি এমন এক জাতির মধ্যে ছিলেন যারা পথভ্রষ্ট ছিল, অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে আপনার মাধ্যমে হিদায়াত দিয়েছেন।”
৪. “ضلال” অর্থ সত্যের সন্ধানে গভীর অনুসন্ধান
কুশাইরী, জুনাইদ ও আলী ইবনে ঈসা বলেনঃ
এখানে “ضلال” অর্থ বিভ্রান্তি নয়; বরং সত্যের সন্ধানে গভীর অনুসন্ধান ও চিন্তামগ্নতা।
নবী ﷺ হেরা গুহায় নির্জনে ইবাদত করতেন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের সঠিক পথ খুঁজতেন, অতঃপর আল্লাহ তাঁকে ইসলামের দিকে হিদায়াত দেন।
৫. সফরের সময় রাস্তা হারিয়ে ফেলা
সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যিব (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে—
নবী ﷺ এক সফরে তাঁর চাচা আবু তালিবের সঙ্গে ছিলেন। রাতে শয়তান উটের লাগাম ঘুরিয়ে পথভ্রষ্ট করতে চেয়েছিল, পরে জিবরীল (আ.) এসে তাঁকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনেন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
মুফাসসিরদের কেউই বলেননি যে এখানে “ضال” দ্বারা কুফর বা ঈমানহীনতা বোঝানো হয়েছে।
কাজী ইয়ায (রহ.) বলেনঃ
“আমি কোনো মুফাসসিরকে এ কথা বলতে দেখিনি যে এখানে ঈমান থেকে ভ্রষ্টতা বোঝানো হয়েছে।”
ইমাম কাস্তাল্লানী বলেনঃ
“আলেমগণ একমত যে, নবী ﷺ জীবনের এক মুহূর্তের জন্যও পথভ্রষ্ট হননি।”
উপসংহার
সুতরাং,
﴿وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَىٰ﴾
আয়াতের অর্থ এ নয় যে নবী ﷺ পূর্বে কাফির বা পথভ্রষ্ট ছিলেন, পরে আল্লাহ তাঁকে হিদায়াত দিয়েছেন—নাউযুবিল্লাহ।
বরং নবী ﷺ নবুওয়াতের আগে ওহী ও শরীয়তের বিস্তারিত বিষয়ে অবগত ছিলেন না; পরে আল্লাহ তাঁকে ওহী ও নবুওয়াত দান করেছেন।
নবী ﷺ-এর ইসমত (পাপ ও কুফর থেকে সংরক্ষিত থাকা) নবুওয়াতের আগে ও পরে উভয় অবস্থাতেই প্রতিষ্ঠিত ও মুসলিম উম্মাহর আকীদার অংশ।
অতএব, নবী ﷺ সম্পর্কে এমন ধারণা করা যে তিনি কুফর বা বিভ্রান্তির মধ্যে ছিলেন—এটি গুরুতর ভুল ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য। মুসলমানদের উচিত এ ধরনের বক্তব্য থেকে সতর্ক থাকা।
— দারুল ইফতা মিসর (মিশরীয় ফতোয়া বোর্ড

‘আহলুল হাদীস’ বনাম বর্তমানের ‘আহলে হাদিস’ দল: একটি ঐতিহাসিক প্রতারণার ব্যবচ্ছেদ​বর্তমানে একদল মানুষ দাবি করছে যে তারা এব...
12/05/2026

‘আহলুল হাদীস’ বনাম বর্তমানের ‘আহলে হাদিস’ দল: একটি ঐতিহাসিক প্রতারণার ব্যবচ্ছেদ
​বর্তমানে একদল মানুষ দাবি করছে যে তারা এবং খাইরুল কুরুনের (উত্তম যুগের) ‘আহলুল হাদীস’ এক ও অভিন্ন। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় একটু নজর দিলেই দেখা যায়, এটি জাতির সাথে একটি বিশাল তাত্ত্বিক প্রতারণা। ‘আহলুল হাদীস’ কোনো বিশেষ দল বা সংগঠনের নাম ছিল না, এটি ছিল একটি জ্ঞানের মানদণ্ড।
​১. আহলুল হাদীস: একটি স্বর্ণালী মানদণ্ড
পূর্ববর্তী ইমামদের যুগে ‘আহলুল হাদীস’ বলতে তাদের বোঝানো হতো যারা সাহাবা ও তাবেয়ীনদের ‘ফাহম’ বা বুঝ অনুযায়ী হাদিসের ইলম অর্জন করতেন। ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফিঈ, ইমাম মালিক ও ইমাম আহমদ বিন হাম্বল—তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন এই ইলমের ধারক। তাঁদের কাছে হাদিস ছিল একটি প্রবহমান নদী, যা আদব, মহব্বত এবং আহলে বায়াতের ভালোবাসার সাথে প্রবাহিত হতো। তাঁরা মাযহাবের মাধ্যমে দ্বীনকে সুশৃঙ্খল করেছিলেন।
​২. বর্তমানের ‘আহলে হাদিস’ দল: একটি নব্য উদ্ভাবন
বর্তমানে আমরা যাদের ‘আহলে হাদিস’ বা ‘সালাফি’ হিসেবে চিনি, তাদের শেকড় মূলত খাইরুল কুরুনে নয়, বরং নজদ অঞ্চলে। এদের চিন্তাধারার মূল স্থপতি হলেন আব্দুল ওহাব নজদী। ১৭শ-১৮শ শতাব্দীতে নজদ থেকে যে চরমপন্থী আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, বর্তমানের এই দলটি তারই একটি আধুনিক সংস্করণ। ব্রিটিশ আমলের বিভাজন নীতি এই বিচ্ছিন্নতাবাদকে আরও উসকে দিয়েছিল।
​৩. নজদ: যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়
সহিহ বুখারীর হাদিস (১০৩৭) অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ ﷺ নজদ অঞ্চলের জন্য বরকতের দোয়া করেননি এবং বলেছিলেন সেখান থেকে ফিতনা ও ‘শয়তানের শিং’ (কারনুশ শয়তান) উদিত হবে। বর্তমানের এই তথাকথিত আহলে হাদিসরা সেই নজদী রুক্ষতাকেই দ্বীন মনে করে। তাদের মাঝে সেই প্রবহমান নদীর স্নিগ্ধতা নেই, আছে মরুভূমির শুষ্কতা।
​৪. সাহাবীদের বুঝ বনাম শায়খদের বুঝ
তারা দাবি করে তারা সাহাবীদের বুঝ অনুযায়ী চলে, অথচ বাস্তবে তারা মাযহাবের ইমামদের বাদ দিয়ে নাসেরুদ্দিন আলবানী বা বিন বাযের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের ফতোয়াকে চূড়ান্ত মনে করে। সাহাবায়ে কেরাম যেখানে আহলে বায়াতের মহব্বতকে ঈমানের রূহ মনে করতেন, এই নব্য-ফিরকাটি সেই মহব্বতকে ‘শিরক-বিদআত’ বলে গালি দেয়। এটি সাহাবীদের বুঝ নয়, বরং সাহাবীদের নামের আড়ালে নিজেদের ‘শায়খ পূজা’।
​৫. প্রতারণার স্বরূপ
নামের মিল থাকলেই আদর্শ এক হয় না। প্রাচীন ‘আহলুল হাদীস’ মুহাদ্দিসরা ছিলেন উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক, আর বর্তমানের ‘আহলে হাদিস’ দল হলো বিভক্তির কারিগর। তারা আলাদা মসজিদ বানিয়ে, আলাদা ধর্মতত্ত্ব প্রচার করে উম্মাহর দেহে ক্ষত সৃষ্টি করছে।
​সারকথা:
আহলুল হাদীস একটি গুণের নাম, যা হারিয়ে গেছে এই নব্য-সালাফিদের শুষ্ক ফতোয়াবাজির ভিড়ে। উম্মাহর মূলধারা সেই প্রাচীন নদীর স্রোতেই প্রবাহিত, যা মাযহাব ও আহলে বায়াতের ভালোবাসাকে ধারণ করে আছে। নজদী ফিতনা থেকে নিজেদের ঈমান রক্ষা করা আজ সময়ের দাবি।
​ #আহলুল_হাদীস #নজদী_ফিতনা #ঐতিহ্যের_ইসলাম #আহলে_বায়াত #উম্মাহর_ঐক্য #ফ্যাক্ট_চেক

Address

Kaptaimukh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমাদের কাপ্তাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share