Pogodang.com

Pogodang.com Healthlogy....

শহীদ কাপুরে ইয়ে।
07/07/2015

শহীদ কাপুরে ইয়ে।

04/07/2015
23/06/2015

প্রশ্ন : ১টি বানরের ১টি কলা খেতে ১মিনিট সময় লাগে,এরুপ ৫টি বানরের ৫টি কলা খেতে কত মিনিট লাগবে ?

বি:দ্র সঠিক উত্তর পেতে কমেন্ট করুন

16/06/2015

ধাধা ধাধা ধাধা
_________________
একটি রুমে ৫ জন ছেলে।
১ম জন বই পড়িতেছে।
২য় জন টিভি দেখতেছে।
৩য় জন দাবা খেলতেছে।
৪র্থ জন ফেসবুক চালাচ্ছে।
এখন বলুন তো ৫ম জন
ছেলেটি কী করছে?
[বিদ্রঃ- যারা উত্তর জানেন না
তারা " ? " চিহ্ন কমেন্ট করুন
নোটিফিকেশনে উত্তর পেয়ে
যাবেন।]

12/06/2015

1 . বিশ্বের দীর্ঘতম
রেলপথ : ট্রান্স
সাইবেরিয়ান।
2 . পৃথিবীর উচ্চতম
রাজধানী :
লাপাজ , বলিভিয়া।
3 . বিশ্বের বৃহত্তম
অরণ্য : তৈগা।
4 . গ্রেট হল অবস্থিত :
চীনে।
5 . ‘ দি লাষ্ট সাপার ’
চিত্রটির
চিত্রকর : লিওনার্দো
দ্য ভিঞ্চি।
6 . সাদা রাশিয়া বলা
হয় :
বেলারুশকে।
7 . ‘ আল -জাজিরা ’ যে
দেশভিত্তিক
স্যাটেলাইট চ্যানেল :
কাতার।
8 . জাতিসংঘের প্রথম
মহাসচিব :
ট্রিগভেলি ( নরওয়ে ) ।
9 . জাতিসংঘ
বিশ্ববিদ্যালয়
যে দেশে অবস্থিত :
জাপানে।
10 . পৃথিবীর দীর্ঘতম
নদী : নীল
নদ।
11 . পৃথিবীর
প্রাচীনতম
বিশ্ববিদ্যালয় :
কারুইন
বিশ্ববিদ্যালয় ,
মরক্কো।
12 . পৃথিবীর সবচেয়ে
উত্তরের শহর :
হ্যামার ফাষ্ট।
13 . হিটলারের গোপন
পুলিশ
বাহিনীর নাম ছিল :
গেষ্টাপো।
14 . বার্লিন প্রাচীরের
পতন ঘটে :
১৯৮৯ সালে।
15 . পৃথিবীর ছাদ বলা
হয় : পামির
মালভূমিকে।
Admine Current world=>সাধারণ জ্ঞান

11/06/2015

***মনে রাখুন,কাজে দেবে***

°অতীত হলো স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎ হলো
কল্পনা°
কথাটি বলেছেন বিখ্যাত মনীষী
৲ডেল কার্নেগী৲আর আপনি এখন যা
করছেন,যা বলছেন সেটাই বাস্তব
এবং বর্তমান।বাস্তবতাকেই মেনে
নিন,বাস্তব মুহূর্তকে কাজে
লাগান,দেখবেন এই বর্তমান ভালো
করতে পারলেই একদিন সেটা
ভালো অতীতে পরিণত হবে এবং
ভবিষ্যৎ ও হবে অনেক সুন্দর''!''

[[715754088480872]]

৪ বছর মেয়াদি মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট তথা উপ-সহকারি মেডিকেল অফিসার কোর্সে ভর্তি চলছে... ★আমাদের এই PBM Medical AssistantT...
27/05/2015

৪ বছর মেয়াদি মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট তথা উপ-সহকারি মেডিকেল অফিসার কোর্সে ভর্তি চলছে... ★আমাদের এই PBM Medical Assistant
Training
Institute-MATS প্রতিষ্ঠানটি পার্বত্য
বৌদ্ধ মিশন(PBM) ও ইনষ্টিটিউট অব
এ্যালার্জি এন্ড ক্লিনিক্যাল
ইম্যূনোলজি অব বাংলাদেশ(IACIB)
এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ও
প্রতিষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রামের
প্রথম ম্যাট্স।
এটি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত
এবং রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও
বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড
ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক
নিবন্ধিত।
★প্রতিষ্ঠানটির অবস্থানঃ
খাগড়াছড়ি জেলা শহরের সন্নিকটে
সদর
থানার কমলছড়িতে প্রাকৃতিক
ছায়াঘেরা মনোরম পরিবেশে
পিবিএম
(পার্বত্য বৌদ্ধ মিশন) ক্যাম্পাসে
অবস্থিত।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত এবং রাস্ট্রীয় অনুষদ কর্তৃক অধীভূক্ত ও নিবন্ধিত
PBM Medical Assistant Training Institute
লক্ষ ও উদ্দেশ্য : গত কয়েক বছর ধরে দেশে সরকারিভাবে,প্রাইভেট ও বেসরকারী প্রতিষ্টানের (NGO) উদ্দ্যোগে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্টান ও হাসপাতাল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সকল সরকারি বেসরকারি ক্রমবর্ধমান স্বস্থ্য কেন্দ্র,প্রাইবেট হাসপাতাল-এ দক্ষ জনশক্তি তীব্র সংকতের কারণে সঠিক স্বাম্থ্য সেবা প্রদান খুবই ব্যাহত হচ্ছে। দেশে এ মহুর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এর অধীনে সরকার অনুমোদিত ৭,৩২৬ টি মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট এর পদে বিদ্যমান আছে। যার মধ্যে ৩,১৫২ টির ও অধিক পদ খালি আছে । ইতিমধ্যে এসব পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হচ্ছে । অাগামি ৪-৫ বছরের মধ্যে ৪০০০ মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট অবসরে যাবেন । এসব পদেও নিয়োগের সুযোগ থাকবে। বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ থাকায় প্রেকটিস করে গ্রাম পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠিকে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের নির্বাহ সহ আত্ননির্ভরশীল হতে পারবেন । সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারিদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যপক ক্ষেত্রে বিদ্যমান রয়েছে । সরকারি/বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপ-সহকারি মেডিকেল অফিসার (২য় শ্রেণীর পদ মর্যাদা) হিসেবে নিয়োগের সুযোগ রয়েছে । তাছাড়া নিজস্ব চেম্বারে রোগী দেখার সুযোগ তো অাছেই এবং ইহা সরকারিভাবে বৈধ।এরা নিজেদের নামের আগে ”ডাক্টার“ উপাদি যোগ করতে পারেন । প্রতিমাসে তাদের আয় ৫০-৬০ হাজার টাকা হতে ৭৫-৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় অনায়াছে হয়। এই উদ্দেশ্যে PBM MATS প্রতিষ্টা করা হয়েছে ।
কাজেই আপনি কেন এই সুযোগ লাগাবেন না ? অথবা আপনার সন্তান/ভাই/বোনের জন্য এই সুযোগ গ্রহন করবেন না ?
√কোর্স:-৩ বছর ও ১ বছর ইন্টার্নীশীপ
√ সেশন:-জানুয়ারি-ডিসেম্বর
#√ভর্তির_যোগ্যতা:-বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি বা সমমান (জীববিদ্যা আবশ্যিক) ন্যুনতম জিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে।
√ভর্তি ফি:-১০,০০০/-টাকা (প্রতি বছর)
√উন্নয়ন ফি:-২০,০০০ /-টাকা (বাদ হতে পারে)
√সেশন ফি:-৫,০০০ /-টাকা (প্রতি বছর)
√স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি কর্তৃক ফি পরিশোধ করতে হবে ।

*****সার্বিক তত্ত্বাবধানে****
প্রতিষ্ঠাতা:-ভদন্ত সুমনালংকার মহাথের(Chairman PBM MATS)

*****প্রিন্সিপাল*****
ডা: রাজন তালুকদার
এম বি বি এস

*****প্রশাসনিক কর্মকর্তা*****
গোল্ডেন চাকমা
বি:দ্র:
১.গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা।
২.সরকারি জাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের সুব্যবস্থা রয়েছে।
৩.ছাত্র/ছাত্রীদের পৃথক হোস্টেল সুবিদা
৪.সীমানা প্রাচীর ঘেরা,রাজনীতি মুক্ত,শান্তিপূর্ণ ও মনোরম পরিবেশযুক্ত সুবিশাল ক্যাম্পাস
৫. ২০১২,২০১৩,২০১৪ ও ২০১৫ এসএসসি পরিক্ষার্থী যারা উর্ত্তীর্ণ হয়েছে তারা ভর্তি হতে পারবে।
যোগাযোগ :
পাইলটপাড়া,কমলছড়ি,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা
মোবাইল:-01556858063,01825573284
অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে এই √ Sutirta.com √ পেজে প্রশ্ন করতে পারেন

24/05/2015

[[431399126963334]]
কলেজে থাকা অবস্থায় একটা
টিউশনি করতাম।
ক্লাস ফাইভে পড়তো মেয়েটা।
কিছুদিন পরেই
ফাইনাল পরীক্ষা মেয়েটার। ফ্রি
হ্যান্ড রাইটিং
দক্ষতা যাচাই করার জন্য তাকে
একটা
প্যারাগ্রাফ
লিখতে দিলাম। প্যারাগ্রাফের
নাম- "My Mother"
সে প্যারাগ্রাফে লিখেছে- তার
মাকে সে খুব আদর
করে। প্রতিদিন গোসলের পানি
তুলে
দেয়, মুখে তুলে
ভাত খাইয়ে দেয়। চুল বেণী করে
দেয়,
মায়ের মাথা
টিপে ঘুম পাড়িয়ে দেয়...
আমি প্যারাগ্রাফ টা পড়ছিলাম আর
নিজেকে
নির্বাক দর্শক ভাবছিলাম। নাটক
সিনেমার গল্প
কাহিনীকেও হার মানানো একটা
দৃশ্য।..
মেয়েটির মা মারা গিয়েছে
জন্মের পরেই। অথচ কি
সুন্দর ভঙ্গিমায় সে তার মাকে
ফুটিয়ে তুলেছে।
কাল্পনিক মাকে সে কতো বেশী
ভালোবাসে তার
বিবরণ দিয়েছে।.
প্রার্থনা করি, সকল মায়েরাই
বেঁচে
থাকুক যুগ যুগ ধরে
সন্তানের হৃদয়ে ।

19/05/2015

[[833495950060464]]

রাখাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর:
- ১৫০ টাকা সেই
ঋণ আজও শোধ হয়নি
আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক
অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪
কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে
হতো পায়ে হেঁটে বা সা
ইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের
মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস
ছিলেন আমার চাচা
মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন
অতি দরিদ্র ভূমিহীনকৃষক। আমরা
পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে
খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো
আমাদের।
আমার দাদার আর্থিক অবস্থা
ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি
আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে
ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি
থেকে খানিকটা দূরেএকটা
ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-
বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা
তাঁর বাবার বাড়ি থেকে
নানার সম্পত্তির সামান্য
অংশপেয়েছিলেন। তাতে তিন
বিঘা জমি কেনা হয়।
চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই
জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা
ফলাতেন, তাতে বছরে
৫/৬মাসের খাবার জুটতো।
দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি
মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি-
খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই;
কী এক অবস্থা !
আমার মা সামান্য লেখাপড়া
জানতেন। তাঁর কাছেই আমার
পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর
বাড়ির পাশের প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তি হই।কিন্তু আমার
পরিবারে এতটাই অভাব যে,
আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে
উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা
চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ
থাকলোনা। বড় ভাই আরো আগে
স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন।
আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে
রোজগারের পথে নামতে হলো।
আমাদের একটা গাভী আর
কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল
থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো
মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা
গাভীর দুধ নিয়েবাজারে
গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই
ভাই মিলে যা আয় করতাম,
তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল।
কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রিরআয়
থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে
আমি পান-বিড়ির দোকান দেই।
প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত দোকানে বসতাম।
পড়াশোনা তোবন্ধই, আদৌ
করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !
এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ
স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে
আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার
মতো কোন জামা নেই।
খালিগা আর লুঙ্গি পরে আমি
ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে
চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো
বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত
আনন্দময় চমৎকারপরিবেশ ! আমার
মনে হলো, আমিও তো আর সবার
মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত
নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে
ফিরে আসতে হবে।
নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে
বড় ভাইকে বললাম, আমি কি
আবার স্কুলে ফিরে আসতে
পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি
বা করুণ চাহনিদেখেই হোক
কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক
কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো।
তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল
হেডস্যারের সঙ্গে আলাপকরবো।
পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে
গেলাম। বড় ভাই আমাকে
হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড়
করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন।
আমি বাইরেদাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি,
ভাই বলছেন আমাকে যেন
বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের
সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু
হেডস্যার অবজ্ঞার
ভঙ্গিতেবললেন, সবাইকে দিয়ে
কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা
শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল।
যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে
গিয়েছিলাম,স্যারের এক
কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল।
তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি
করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার
অনুমতি যোগাড় করলেন।পরীক্ষার
তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি।
বাড়ি ফিরে মাকে বললাম,
আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে
হবে। আমি আর এখানে
থাকবোনা। কারণ ঘরে খাবার
নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার
কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে
পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
মা বললেন, কোথায় যাবি ?
বললাম, আমার এককালের
সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের
ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের
বাড়িতে যাবো। ওর
মায়েরসঙ্গে আমার পরিচয় আছে।
যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে
করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে
হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে
উনি ফিরিয়েদিতে পারবেন
না।
দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি
গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই
খালাম্মা সানন্দে রাজি
হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয়
জুটলো; শুরুহলো নতুন জীবন। নতুন
করে পড়াশোনা শুরু করলাম।
প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই
অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়,
জেদ কাজ করেমনে; আরো
ভালো করে পড়াশোনা করি।
যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি
এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর
ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি।
আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে
যাচ্ছে।ফল প্রকাশের দিন আমি
স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে
বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে
এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে
গিয়ে তিনিকেমন যেন
দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার
দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল
ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম
হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাইআনন্দে
কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি
নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার
কথা ছিল।
বাড়ি ফেরার পথে সে এক
অভূতপূর্ব দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই
গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি।
আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে
আমাকেনিয়ে হৈ চৈ করছে,
স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে
সাড়া পড়ে গেল ! আমার নিরক্ষর
বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর
লাস্ট একই কথা- তিনিওআনন্দে
আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে,
ছেলে বিশেষ কিছু একটা
করেছে। যখন শুনলেন আমি ওপরের
কাসে উঠেছি, নতুন বইলাগবে,
পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে
নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি
করে দিলেন। তারপর আমাকে
সঙ্গে নিয়ে জামালপুর গেলেন।
সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি
থেকে নতুন বই কিনলাম।
আমার জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ
বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে
যাই। অবসরে সংসারের কাজ
করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে
পড়েগেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার
আমাকে তাঁর সন্তানের মতো
দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার
আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট
হয়েই পঞ্চমশ্রেণীতে উঠলাম।
এতদিনে গ্রামের একমাত্র
মেট্রিক পাস মফিজউদ্দিন চাচা
আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর
বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।
প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি
দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি
হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য
শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের
কথাজানতেন। তাই সবার বাড়তি
আদর-ভালোবাসা পেতাম।
আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে
অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন
চাচা একদিন কোত্থেকে যেন
একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে
এসে আমাকেদেখালেন। ওইটা
ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির
বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ
করে পাঠালাম। এখানে বলা
দরকার, আমার নাম ছিলআতাউর
রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের
ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার
আমার নাম আতিউর রহমান লিখে
চাচাকে বলেছিলেন, এইছেলে
একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে
অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা
একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই
আতিউর করেদিলাম।
আমি রাত জেগে পড়াশোনা
করে প্রস্তুতি নিলাম।
নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে
পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই
আমার জীবনে প্রথমময়মনসিংহ
যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে
তো চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের
মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর
স্পঞ্জ পরে এসেছি !আমার মনে
হলো, না আসাটাই ভালো ছিল।
অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক
পরীক্ষা দিলাম; ভাবলাম হবে
না। কিন্তু দুই মাস পর
চিঠিপেলাম, আমি নির্বাচিত
হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার
জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে
হবে।
সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ।
আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা
পরে যাবো। শেষে স্কুলের
কেরানি কানাই লাল
বিশ্বাসেরফুলপ্যান্টটা ধার
করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড়
হলো। আমি আর চাচা অচেনা
ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম।
চাচা শিখিয়ে দিলেন,মৌখিক
পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন
দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলি:
ম্যা আই কাম ইন স্যার ? ঠিকমতোই
বললাম। তবে এত উচ্চস্বরেবললাম
যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে
হেসে উঠলো।
পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর
ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম.
ডাব্লিউ. পিট আমাকে
আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু
আঁচ করেফেললেন। পরম স্নেহে
তিনি আমাকে বসালেন।
মুহূর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব
আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে
হলো, তিনি থাকলেআমার কোন
ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত
পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে
নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের
সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব
আলাপ করলেন। আমি সবটা না
বুঝলেও আঁচ করতে পারলাম যে,
আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে।
তবে তাঁরা কিছুই বললেন না।
পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে
বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি
পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম।
কারণ আমি ধরেই নিয়েছি,
আমার চান্সহবে না।
হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো।
আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত
হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন
লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা
বৃত্তি দেওয়াহবে, বাকি ৫০
টাকা আমার পরিবারকে
যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে
মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার
পরিবারের তিনবেলা
খাওয়ারনিশ্চয়তা নেই, আমি
চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি,
সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা
বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও
করা যায় না !
এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের
মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত
বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ
নিলেন। আমাকে অন্য
চাচাদেরকাছে নিয়ে গিয়ে
বললেন, তোমরা থাকতে নাতি
আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও
পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের
অবস্থাও খুব বেশিভালো ছিল
না। তাঁরা বললেন, একবার না হয়
৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো,
কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়।
দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।
আমি আর কোন আশার আলো
দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ
মৌলভী স্যারের কাছে
গেলাম। তিনি বললেন, আমি
থাকতে কোন চিন্তাকরবে না।
পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর
আমাকে নিয়ে তিনি হাটে
গেলেন। সেখানে গামছা
পেতে দোকানে দোকানে
ঘুরলেন।সবাইকে বিস্তারিত
বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই
সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা,
এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব
মিলিয়ে ১৫০ টাকাহলো। আর
চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই
সামান্য টাকা সম্বল করে আমি
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে
ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ
বাদদিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন
মাসের বেতন পরিশোধ করলাম।
শুরু হলো অন্য এক জীবন।
প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট
স্যার আমাকে দেখতে এলেন।
আমি সবকিছু খুলে বললাম। আরো
জানালাম যে, যেহেতু আমার
আরবেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই,
তাই তিন মাস পর ক্যাডেট কলেজ
ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে
স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড
মিটিঙেতুললেন এবং পুরো ১৫০
টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে
দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর
পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
এস.এস.সি পরীক্ষায়ঢাকা
বোর্ডে পঞ্চম স্থান অধিকার
করলাম এবং আরো অনেক
সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।
আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের
অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে
আমি আমার এলাকায় স্কুল
করেছি, কলেজ করেছি। যখন
যাকে যতটাপারি, সাধ্যমতো
সাহায্য সহযোগিতাও করি।
কিন্তু সেই যে হাট থেকে
তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও
শোধ হয়নি। আমার সমগ্রজীবন
উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে
না!
(অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর
রহমানের নিজের ভাষায় তাঁর
জীবন কথা)

17/05/2015

মহাদেশ গুলোর কিছু তথ্য কণিকা
প্রশ্ন । পৃথিবীতে কতটি মহাদেশ
আছে ?
উত্তর/ সাতটি ।
প্রশ্ন । সাতটি মহাদেশের নাম কি
কি ?
উত্তর/ এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা,
উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা,
ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়া,
এন্টার্কটিকা ।
প্রশ্ন । পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশের
নাম কি ?
উত্তর/ এশিয়া মহাদেশ ।
প্রশ্ন । পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশের
নাম কি ?
উত্তর/ ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়া
মহাদেশ ।
প্রশ্ন । 'অস্ট্রেলিয়া' শব্দের অর্থ
কি?
উত্তর/ এশিয়ার দক্ষিণাঞ্চল ।
প্রশ্ন । এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম ও
ক্ষুদ্রতম দেশের নাম কি?
উত্তর/ বৃহত্তম দেশ চীন এবং ক্ষুদ্রতম
দেশ মালদ্বীপ ।
প্রশ্ন । ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম ও
ক্ষুদ্রতম দেশের নাম কি?
উত্তর/ বৃহত্তম দেশ রাশিয়া এবং
ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি ।
প্রশ্ন । আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম ও
ক্ষুদ্রতম দেশের নাম কি?
উত্তর/ বৃহত্তম দেশ আলজেরিয়া এবং
ক্ষুদ্রতম দেশ সিচেলিস ।
প্রশ্ন । উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম ও
ক্ষুদ্রতম দেশের নাম কি ?
উত্তর/ বৃহত্তম দেশ কানাডা এবং
ক্ষুদ্রতম দেশ সেন্টকিটস এন্ড নেভিস

প্রশ্ন । দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম ও
ক্ষুদ্রতম দেশের নাম কি ?
উত্তর/ বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল এবং
ক্ষুদ্রতম দেশ সুরিনাম ।
প্রশ্ন । ওশেনিয়া বা অস্ট্রেলিয়া
মহাদেশের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম দেশের
নাম কি ?
উত্তর/ বৃহত্তম দেশ অস্ট্রেলিয়া এবং
ক্ষুদ্রতম দেশ নাউরু ।
প্রশ্ন । কোন মহাদেশে কোন দেশ ও
মানব বসতি নাই ?
উত্তর/ এন্টার্কটিকা মহাদেশে কোন
দেশ নাই । এটি মানব বসতিহীন
বরফাচ্ছন্ন মহাদেশ ।পৃথিবীর মোট
জমাটবদ্ধ বরফের 90%
এন্টার্কটিকা মহাদেশে রয়েছে ।
অবসরে পড়তে শেয়ার করে টাইম
লাইনে রাখুন ।
আপনাদের একটি লাইক আমাদের পোষ্ট
দিতে উৎসাহ বাড়ায় ।

04/05/2015

আসুন জেনে নিই
Love এর অর্থ
L-Lake of sorrows
O-Ocean of tears
V-Vally of death
E-End of life
অতএব সবাই প্রেম করবেন কিন্ত ভালোবাসবেন না।তা না হলে ভালোবাসার মানুষটিকে না পেলে সারা জীবন কষ্ট পেতে হবে।

04/05/2015

শিক্ষক তার ছাত্রীকে অংক শেখাচ্ছে।
মনে কর তোমার কাছে ৫ টা গোলাপ আছে, আমি
তোমাকে আরো ৫ টা দিলাম। তাহলে তোমার
কাছে মোট গোলাপ থাকবে ১০ টি, এটা হল যোগ

- বুঝেছ? অনেক মজা না?
- জ্বি ।
এবার ধর আমার কাছে ১০ টা চকলেট আছে, আমি
তোমাকে ৮ টা দিয়ে দিলাম। আমার কাছে ২ টা
থাকবে । এটা হল বিয়োগ।
- বুঝেছ? অনেক মজা, তাই না?
- জ্বি ।
এবার মনে কর, তুমি আমায় তিনটা চুমু দিলে, আর আমি
তোমায় চুমু দিলাম ১২ বার । তাহলে মোট ৪ গুণ চুমু
তুমি বেশি পেলে, এটা হল গুণ।
-বুঝেছ? অনেক মজা তাই না?
- জ্বি ।
দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছাত্রীর বাপ এতক্ষণ সব
শুনছিল । ঘরে ঢুকে স্যারের ঘাড় ধরে দাড় করিয়ে
দরজার কাছে নিয়ে গেল। তারপর তার পশ্চাদ্দেশে
সজোরে লাথি মেরে ঘর থেকে বের করে
বলে, আর এটা হল ভাগ। বুঝেছ? মজা?

Address

◆ কিছু বলার আগে/শুনুন। ◆ কিছু করে ফেলার আগে/ভাবুন। ◆ কিছু ব্যয় করার আগে/কিছু আয় করুন।
Khagrachari
4400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pogodang.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share