Khalid Bin Siddiq

Khalid Bin Siddiq Personal Page of Khalid Bin Siddiq

08/01/2025

কখনো কি সাঁতার জানা ছাড়া সমুদ্র ঝাঁপ দেওয়া যায়?
সার্জারীর জ্ঞান ছাড়া অপারেশন অথবা পাইলট না হয়ে প্লেন চালানো?
কোন কিছুই আসলে শিক্ষা ছাড়া, উস্তায ছাড়া হয় না। আমরা যা ই শিখি কোন কোন ভাবে,কারো মাধ্যমে৷হয়তো অনেক কিছু দেখেও শিখি,কোন কিছুই শূণ্য থেকে হয় না।
রাজবাড়ী দাওয়াহ সার্কেল একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী দাওয়াহ সংগঠন। আমাদের উদ্দেশ্য তাওহীদের বাণী রাজবাড়ী জেলার প্রতিটি কাঁচা-পাকা ঘরে পৌঁছে দেওয়া।
কিন্তু দাওয়াহ সার্কেলে যারা যুক্ত হয়েছেন তাদের সবাই দাওয়াহ সেক্টরে নতুন অথবা নবাগত।অনেকটা সাঁতার না জানা সাঁতারু, অপারেশন না জানা সার্জন বা প্লেন পরিচালনার জ্ঞান না থাকা পাইলটের মতো।
কিন্তু তাই বলে দাওয়াহ সার্কেল এই অনভিজ্ঞ দ্বায়ীদের অবহেলা করতে পারে না।তারা আমাদের ভাই,আমাদের অংশ।দাওয়াহ সার্কেলের অতন্দ্র প্রহরী, অভিযাত্রী।
অভিযাত্রীদের হতে হয় দক্ষ, বিচক্ষণ ও কর্ম তৎপর।রাজবাড়ী দাওয়াহ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়নে এবার হতে যাচ্ছে অনলাইন জগতে প্রথম দাওয়াহ প্রশিক্ষণ কর্মশালা৷ 'দাওয়াহর পথ ও পদ্ধতি' শিরোনামে ধারাবাহিক লেকচার সিরিজ।আমাদের এই লেকচার সিরিজে একজন দক্ষ দ্বায়ী হিসেবে গড়ে উঠতে প্রয়োজনীয় সকল দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।আলোচনা করা হবে একজন দ্বায়ীর গুণাবলী, দাওয়াহর মূলনীতি,স্থান কাল ভেদে দাওয়াহর পদ্ধতি সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিকে।

আমাদের ধারাবাহিক লেকচার সিরিজের প্রথম দারস অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২৫ শুক্রবার, রাত ৯ টায়৷

আলোচক: উস্তায আবু খুবাইব কাজী ইউসুফ হাফিজাহুল্লাহ।
পরিচালক: হালাকাতুল কুরআন ও সুন্নাহ টুডে।

বি.দ্র. দাওয়াহ সার্কেলের দাওয়াহ কার্যক্রমের সাথে যারা সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে চান তারা অবশ্যই দারসে উপস্থিত থাকবেন এবং নোট করবেন। পরবর্তীতে যারা আমাদের দাওয়াহ কার্যক্রমের অংশ হতে চাইবেন তাদেরও এই লেকচার সিরিজ শোনা বাধ্যতামূলক থাকবে৷

জয়েন লিংক: meet.google.com/sro-uboi-xdr

13/12/2024

গো-মাংস সমাচার (২)
"নো-বিফ" লেখা রেস্তোরাঁতে
গরুর অর্ডার দিন,
না দিলে বিফ হাত-মুখ ধুয়ে
সোজা হাঁটা দিন,
আমাদের এই ভারত জুড়ে
গরুর জুড়ী নাই,
মুত্র-গোবর তোমরা খেও
আমরা গোস্তো চাই।
"গরু-খেকো" পূর্ব-বাংলায়
"নো-বিফ" থাকবে ক্যান?
ওপারে করুক ময়ূখ ঘোষ
গো-মুত খেয়ে ধ্যান,
গরু ছাড়া জমবে না যে
বিফের মজা খুব,
তোমরা না হয় গোবর মেখে
মুত্রে দিও ডুব।
তুম যো চাহো গোবর-মুত্র
খা লো ভরকে দিল,
গোশ্তো ছোড়ো হাম্রে লিয়ে
খা কে করুঁ চিল।। 😎
( -জনৈক "গরু-ভক্ত" 🙃)

08/11/2024

রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্ট হিসাবে হিজামা (কাপিং থেরাপি):
হিজামা বা কাপিং থেরাপি (Cupping Therapy) সুন্নাহ সম্মত প্রাচীন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “নিশ্চয়ই হিজামায় শেফা রয়েছে” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২২০৫)। তিনি (সাঃ) নিজেও হিজামা গ্রহণ করেছেন। ব্যাথা-যন্ত্রণা, চর্মরোগ সহ নানা প্রকার সমস্যার চিকিৎসার পাশাপাশি রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্ট হিসাবেও হিজামার ব্যবহার বহুল প্রচলিত। বিশেষ করে জ্বিন-যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার ফলে সৃষ্ট নানা ধরণের সমস্যার জন্য হিজামায় উপকার পেতে দেখা যায়।

07/11/2024

রুকইয়াতে চিকিৎসক (রাকী) ও রোগীর সেবকের জন্য নিরাপত্তাঃ
সূরা বাকারার ১০২ নং আয়াতে আল্লাহ তায়া’লা যাদু প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন- “আর তারা তা (যাদু) দ্বারা কারো কোনো ক্ষতি করতে পারতো না, আল্লাহর অনুমোদন ব্যতীত”। বাস্তবতা হলো জ্বিনেরা বা যাদুকরেরা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী যাকে তাকে যেভাবে ইচ্ছা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না, তাদের সেই সাধ্য বা ক্ষমতা নেই।
রুকইয়াহ বিষয়ক সমস্যাগুলো অন্যান্য সাধারণ রোগ-ব্যাধির মতোই একটি অসুস্থতা। এতে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির চিকিৎসা করলেই বা তাকে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাহায্য করলেই কিংবা তার আশেপাশে অবস্থান করলেই অন্যরাও আক্রান্ত হয়ে পড়বে; (বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে) বিষয়টি এমন নয়।
পাশাপাশি বিশুদ্ধ হাদিসে প্রাপ্ত নিরাপত্তার আমলগুলো নিয়মিত চালু রাখলে জ্বিন-যাদু সহ সকল প্রকার ক্ষয়-ক্ষতি থেকে আল্লাহ তায়া’লা সুরক্ষা দিবেন, ইনশাআল্লাহ।

06/11/2024

সুস্থ/সমস্যামুক্ত হতে কতোদিন সময় লাগতে পারে?
❁ রুকইয়াহ অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির মতোই একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। অন্যান্য রোগ-ব্যাধির মতো বদনজর, জ্বিন-যাদু সংক্রান্ত সমস্যার মধ্যেও হালকা ও গুরুতর আছে, অন্যান্য সমস্যার ন্যায় রুকইয়াহ সংশ্লিষ্ট সমস্যার তীব্রতায়ও তারতম্য আছে।
❁ আমরা কেবলমাত্র রোগ/সমস্যাটি থেকে মুক্তি লাভের উদ্দেশ্যে ইসলামী শরীয়তের গন্ডির ভিতরে থেকে, আল্লাহর নিকট সাহায্য চেয়ে, রুকইয়াহ শারইয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী যথাসাধ্য চেষ্টা করতে পারি। আল্লাহ কাকে কতোদিনে সুস্থ করবেন সেটা কেবলই তাঁর হাতে। আমরা যেমন অনেক জটিল সমস্যাও খুব দ্রুত ভালো হয়ে যেতে দেখেছি, একইভাবে সমস্যাটি তেমন তীব্র মনে হয়নি অথচ দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়েছে -এমন উদাহরণও রয়েছে।
❁ কারো কারো ক্ষেত্রে রোগ/সমস্যা নির্মূল/দূর হতে কয়েকটি রুকইয়াহ সেশন বা অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এসময়ে করণীয় হচ্ছে, রুকইয়ার কাজগুলি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে করে যাওয়া। পাশাপাশি আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে ধৈর্য্য ধারণ করা এবং বেশি বেশি দোয়া-ইস্তিগফার করা।
❁ তবে আমরা যেটা নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারি সেটা হলো; আলহামদুলিল্লাহ, উপরে উল্লেখিত নানা ধরণের সমস্যা থেকে বিশ্বব্যাপী নিয়মিত বহু মানুষ রুকইয়াহ করে আল্লাহর ইচ্ছায় সুস্থ/সমস্যামুক্ত হচ্ছেন, একইভাবে আমাদের এখানেও।

05/11/2024

রুকইয়াহ সেশন-পরবর্তী অবস্থা ও করণীয়ঃ
❁ রুকইয়াহ সেন্টারে অথবা ঘরোয়াভাবে (সরাসরি) রুকইয়াহ করার পর সমস্যাগুলো একেবারে চলে যেতে পারে, তাৎক্ষনিকভাবে কমে যেতে পারে, (সাময়িকভাবে) কিছুটা বেড়ে যেতেও পরে, নতুন কোনো উপসর্গ প্রকাশ পেতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে সমস্যার দৃশ্যমান পরিবর্তন (হ্রাস-বৃদ্ধি) প্রকাশ পেতে কিছুটা সময়ও লাগতে পারে (বিশেষ করে চিকিৎসার শুরুতে)। এছাড়াও অনেকের রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শগুলো পালনের ক্ষেত্রে বিরক্তি, ভুলে যাওয়া, অলসতা, আগ্রহহীনতা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।
❁ এমতাবস্থায় প্রতিক্রিয়া/অবস্থা যেমনই হোক পূর্ণরূপে সুস্থ/সমস্যামুক্ত হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর উপরে পূর্ণ তাওয়াক্কুল (ভরসা) রেখে সবর (ধৈর্য্য ধারণ) -এর সাথে রুকইয়াহ বিষয়ক পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা (রাকী কর্তৃক প্রদত্ত রুকইয়াহ প্রেসক্রিপশন) গুরুত্বের সাথে ফলো করে যাওয়া এবং বেশী বেশী দোয়া ও ইস্তিগফার করা। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে প্রচলিত চিকিৎসাও গ্রহণ করা (রাকীর সাথে পরামর্শ করে)।
❁ সুস্থ/সমস্যামুক্ত হতে একটু সময় লাগলে অধৈর্য্য হয়ে পুনরায় (রুকইয়ার পাশাপাশি অথবা রুকইয়াহ বাদ দিয়ে) বাতিল চিকিৎসার আশ্রয় গ্রহণ না করা। কেননা, এতে করে পুনরায় (স্পষ্ট বা অস্পষ্টভাবে) কুফর-শির্কের আশ্রয় গ্রহণের ফলে সর্বশক্তিমান আল্লাহর সাথে দূরত্ব তৈরী হওয়া, রুকইয়ার মাধ্যমে কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন বাধাগ্রস্থ হওয়া, অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাটি আরো বৃদ্ধি পাওয়া বা ভিন্ন কোনো দিকে মোড় নেয়া -এজাতীয় নানা প্রকার ঝুঁকি রয়েছে।

04/11/2024

রুকইয়াহ সেশন চলাকালীন প্রতিক্রিয়াঃ
রুকইয়াহ প্রয়োজন -এমন সমস্যা থাকলে কারো কারো ক্ষেত্রে রুকইয়াহ চলাকালীন সময়ে কিছু কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এমনকি কোনো ব্যক্তি তার বিদ্যমান সমস্যা সম্পর্কে আগে থেকে অবগত না থাকলেও রুকইয়ার সময় উপস্থিত থাকায় প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেতে পারে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে সমস্যা থাকা সত্বেও সরাসরি রুকইয়াতে দৃশ্যমান তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা নাও দিতে পারে, বিশেষ করে চিকিৎসার প্রথম দিকে।
সম্ভাব্য যে যে প্রতিক্রিয়া হতে পারেঃ- সাধারণত ঘুমঘুম ভাব, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বস্তি লাগা, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, মাথা/ঘাড়/পেট/বুক/পিঠ বা শরীরের অন্য কোথাও ব্যথা করা, অবশ হয়ে আসা, জ্বালা-পোড়া করা ইত্যাদি। এছাড়াও সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তির ভেতরে থাকা জ্বিন কথা বলে উঠতে পারে, হাত-পা ছোড়াছুড়ি, চিল্লাপাল্লা ইত্যাদি করতে পারে।
রুকইয়াহ চিকিৎসার ক্ষেত্রে এজাতীয় (এক বা একাধিক) প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পাওয়া অথবা কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না পাওয়া, উভয় অবস্থাই স্বাভাবিক। এতে ভয় পাওয়া, ঘাবড়ে যাওয়া কিংবা হতাশ হওয়ার মতো কোনো বিষয় নেই। আর এগুলি ক্ষতস্থানে ঔষধ প্রয়োগের ফলে অনুভূত জ্বালাপোড়ার মতো রোগ/সমস্যা থেকে মুক্তি লাভের প্রক্রিয়ার অংশ, রুকইয়ার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা ক্ষতিকর দিক নয়।
নোটঃ রুকইয়াতে প্রকাশ পাওয়া প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান সমস্যার ধরণ, অবস্থা ও তীব্রতার একমাত্র নির্ধারক বা পরিমাপক নয়, তবে এটা সমস্যার বাস্তব অবস্থা অনুধাবনে এবং ট্রিটমেন্ট প্ল্যান তৈরীতে সহায়ক হয়।

03/11/2024

রুকইয়াহ সেশনে সাধারণত যে সব জিনিসপত্র প্রয়োজন হয়ঃ
(১) পানি, (২) তেল (জয়তুন তেল বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েল হলে ভালো হয়), (৩) মধু, (৪) কালোজিরা, (৫) আতর, (৬) একটা ছোটো বালতি, (৭) একটা গামছা/টাওয়াল বা টিস্যু (বালতি ও টাওয়াল/টিস্যু বমি হলে ব্যবহারের জন্য, কোনো রুকইয়াহ সেন্টারে আসলে এগুলো আনতে হবে না) ইত্যাদি।
সমস্যাগ্রস্থ ব্যক্তি নারী/মহিলা হলেঃ
(৮) একটি বড়ো ওড়না বা চাদর, (৯) সাথে অন্তত একজন মাহরাম পুরুষের উপস্থিতি। ইত্যাদি।

02/11/2024

রুকইয়াহ সেশনে একজন রাকীর কর্মপদ্ধতিঃ
❁ সমস্যা বিস্তারিত শোনা। সমস্যা বুঝতে এবং পরামর্শ দিতে জানা প্রয়োজন -এমন বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা। (প্রয়োজন হলে) রুকইয়াহ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেয়া।
❁ ইতিপূর্বে গ্রহণকৃত বাতিল পদ্ধতির চিকিৎসার সকল উপকরণ (যদি থাকে) যথাযথ নিয়মে নষ্ট করে দেয়ার ব্যবস্থা করা, এবিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা। তারপর মূল “রুকইয়াহ সেশন” শুরু করা। অবস্থা ভেদে সরাসরি রুকইয়াহ সেশনে কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে।
❁ সর্বশেষ রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্টস (পানি, তেল, কালোজিরা, মধু ইত্যাদি) ব্যবহারের নিয়ম-কানুনসহ বিস্তারিত প্রেসক্রিপশন প্রদান এবং পরবর্তী করণীয়-বর্জনীয় সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা প্রদান করা।

01/11/2024

একজন রাকীর কর্মপরিধি ও সীমাবদ্ধতাঃ
❁ একজন রাকী কোনো ব্যক্তিকে দেখেই বা তার নাম শুনেই তার সমস্যা বলে দেয়া, গায়েব (অদৃশ্য বা অনুপস্থিত কিছু) বা ভবিষ্যৎ কিছু সম্পর্কে কোনোকিছু বলে দেয়া -এজাতীয় কোনো অলৌকিক ক্ষমতা ধারণ করেন না। তিনি বিশেষ কোনো আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী নন, কোনো জ্বিনের সহায়তাও গ্রহণ করেন না। তাবিজ-কবচ, সুতা, কাপড়, লোহা, মাদুলী ইত্যাদি কোনো কিছু প্রদান করেন না।
❁ তিনি রোগ/সমস্যাটি থেকে মুক্তি লাভের উদ্দেশ্যে, ইসলামী শরীয়তের গন্ডির ভিতরে থেকে, আল্লাহর নিকট সাহায্য চেয়ে, রুকইয়াহ শারইয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী যথাসাধ্য চেষ্টা করতে পারেন, দিক-নির্দেশনা দিতে পারেন।
❁ রোগ/সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ একমাত্র আল্লাহরই হাতে, তিনি (আল্লাহ) যখন যা যেভাবে চাইবেন তখন তা সেভাবেই হবে। রোগ/সমস্যাটি ঠিক কতো দিনে নির্মূল হবে বা আদৌ হবে কিনা -এব্যাপারে রাকীর নিজস্ব কোনো জ্ঞান বা ক্ষমতা কিছুই নেই।
নোটঃ রুকইয়াহ করতে, পানি, তেল ইত্যাদি পড়তে বিশেষ বা গোপন কোনো আমল বা সাধনা, বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা পীরের এজাজত (অনুমতি) ইত্যাদি কোনো কিছুই প্রয়োজন হয় না। শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে পারে -এমন যে কেউ (নারী-পুরুষ উভয়ই) এটা করতে পারবে।

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khalid Bin Siddiq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Khalid Bin Siddiq:

Share