মিঠু অপটিক্যাল - Mithu Optical

মিঠু অপটিক্যাল - Mithu Optical এখানে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ও চক্ষু পরীক্ষা করিয়া চশমা দেওয়া হয়।

যারা চোখে কম দেখার কারনে "কোরআন শরীফ" পড়তে পারেনা এবং টাকার অভাবে চশমা ও কিনতে পারেনা তাদেরকে একদম ফ্রিতে ডাঃ দেখিয়ে চশমা দিতে চাই। (খুলনার মধ্যে)

26/08/2025

টাইম লাইনে রেখে দেন কাজে আসতে পারে

🩺 রোগ অনুযায়ী কোন ডাক্তার দেখাবেন

🔹 চোখের সমস্যা

চোখের ঝাপসা, লাল হওয়া, ছানি, গ্লুকোমা → চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist)

---

🔹 মাথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সমস্যা

মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, পক্ষাঘাত, স্নায়ুর ব্যথা → নিউরোলজিস্ট (Neurologist)

মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার, টিউমার → নিউরোসার্জন (Neurosurgeon)

---

🔹 কান, নাক ও গলার সমস্যা

কানে কম শোনা, কানে পুঁজ পড়া, টনসিল, সাইনাস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া → ইএনটি বিশেষজ্ঞ (ENT Specialist)

---

🔹 দাঁত ও মুখের সমস্যা

দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সমস্যা, দাঁত তোলা/ব্রেস → ডেন্টিস্ট (Dentist)

---

🔹 হৃদরোগ ও রক্তচাপ

বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ → কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist)

হার্টের অপারেশন লাগলে → কার্ডিয়াক সার্জন (Cardiac Surgeon)

---

🔹 শ্বাসকষ্ট / ফুসফুস

হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, কাশি, যক্ষ্মা → মেডিসিন / চেস্ট বিশেষজ্ঞ (Pulmonologist)

---

🔹 পেট ও হজমের সমস্যা

গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, লিভারের সমস্যা, আলসার → গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট (Gastroenterologist)

---

🔹 কিডনি / প্রস্রাবের সমস্যা

কিডনির পাথর, প্রস্রাবে জ্বালা, ইউরিন ইনফেকশন → নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist)

অপারেশন লাগলে → ইউরোলজিস্ট (Urologist)

---

🔹 হাড়, জয়েন্ট ও মেরুদণ্ড

কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, হাড় ভাঙা, বাত → অর্থোপেডিক সার্জন (Orthopedic Doctor)

---

🔹 ত্বক ও যৌন রোগ

চুলকানি, চুল পড়া, ফুসকুড়ি, যৌন রোগ → ডার্মাটোলজিস্ট (Skin & VD Specialist)

---

🔹 নারী রোগ

মাসিকের সমস্যা, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্ম → গাইনোকলজিস্ট (Gynecologist & Obstetrician)

---

🔹 শিশু রোগ

শিশুদের জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া → পেডিয়াট্রিশিয়ান (Child Specialist)

---

🔹 মানসিক রোগ

দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, ঘুম না আসা, সিজোফ্রেনিয়া → সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist)

---

🔹 সাধারণ অসুখ

সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, শরীর ব্যথা → মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist)

জরুরি বা ছোটখাটো সমস্যা → MBBS ডাক্তার (General Physician)

18/03/2025
খুবই গরম, সেই সাথে যোগ হয়েছে ধুলোবালি। এই গরমে যতই এগুলো থেকে দূরে থাকতে চান না কেন, ঘুরে-ফিরে সেগুলোর মাঝেই থাকতে হয় আম...
28/02/2024

খুবই গরম, সেই সাথে যোগ হয়েছে ধুলোবালি। এই গরমে যতই এগুলো থেকে দূরে থাকতে চান না কেন, ঘুরে-ফিরে সেগুলোর মাঝেই থাকতে হয় আমাদের। ত্বকে না হয় সানস্ক্রিন বা লোশনে কাজ চালিয়ে নিতে পারেন, কিন্তু চোখ? আর এই চোখ রক্ষা করতে অনেকেই ব্যবহার করেন সানগ্লাস।
এই রোদে সানগ্লাস খুব উপকারী। গরমেই মূলত চোখের নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। আর এর সাথে, কারও যদি মাইগ্রেন বা সাইনাসের সমস্যা থাকে তাহলে তো কথাই নেই! এসব সমস্যা থেকে খুব সহজে রেহাই পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো সানগ্লাস ব্যবহার করা।
তাই সানগ্লাস ব্যবহার করুন, চোখ ভালো রাখুন।

চশমা ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শঃচশমা ব্যবহাররে কিছু নিয়মও আছে। যা মানলে চোখ ভাল থাকে, টেকসই হয় চশমাও। এর জন...
15/06/2020

চশমা ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শঃ

চশমা ব্যবহাররে কিছু নিয়মও আছে। যা মানলে চোখ ভাল থাকে, টেকসই হয় চশমাও। এর জন্য মেনে চলুন কয়েকটি সহজ নিয়ম.....

* প্রতিদিন অন্তত একবার চশমা পরিষ্কার করুন। এটুকু চোখের যত্নের জন্যও খুব প্রয়োজনীয়। হালকা গরম পানি ও নরম কোন সাবান/স্যামপু দিয়ে চশমা ধুয়ে নিন। এর পর চশমা মোছার জন্য যে নরম কাপড়টি দোকান থেকে দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে লেন্সের অংশ মুছে নিন। কড়া সাবান দিয়ে চশমা ধোবেন না। রুক্ষ কাপড়ে চশমার কাচ মুছবেন না। এতে নষ্ট হয় লেন্স।

* চশমা সব সময় একটি খাপের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। যখন তখন ব্যাগের মধ্যে কোথায় চশমার বাক্স রেখেছেন তা খুঁজে বের করতে অসুবিধে হলে একটি ফ্লুরোসেন্ট মার্কার বা টেপের টুকরো লাগিয়ে রাখতে পারেন চশমার বাক্সের উপর। অন্ধকারের মধ্যেও এগুলো জ্বলজ্বল করে। তা সহজেই চোখে পড়ে।

* চশমা বাছতে বসে সাবধানী হোন। চশমাও কিন্তু লুকেরই অংশ, তাই ঠিক কেমন লাগছে তা নিশ্চিত হয়ে তবেই চশমা কিনুন। রোজ ব্যবহারের চশমা যেন শক্তপোক্ত হয়। অনেকেরই শুধু রিডিং গ্লাসেই কাজ চলে যায়। তেমন হলে চিকিৎসকের সঙ্গে ভাল করে পরামর্শ করে নিন।

* বাড়তি কয়েক সেট চশমা রাখুন। অফিসের ব্যাগেও অবশ্যই স্পেয়ার চশমা রাখবেন। কোন কারণে চশমা ভেঙে গেলে বা হারিয়ে গেলে কাজে আসবে তা।

কী কী নিষেধ?
* স্টাইলের কারণে অনেকেই চশমা খুলে মাথার উপর রাখেন। এমনটা কয়েক বার করলেই চশমা আলগা হতে শুরু করবে, চুলে জমে থাকা তেল, শ্যাম্পু চশমার কাচের গায়ে জমে লেন্সকে ঝাপসা করে দেবে এক সময়।

* চশমা খুলে যেখানে সেখানে ফেলে রাখবেন না। দুর্ঘটনা এড়াতে এটা মেনে চলাই ভাল।

* সানগ্লাসেও অবশ্যই পাওয়ার নিন। অনেকেই দৃষ্টিশক্তির খুব অসুবিধা না থাকলে সানগ্লাসে আলাদা করে পাওয়ার করান না। এমন হলে কিন্তু চোখেরই ক্ষতি।

* চশমা পরেও কম আলোয় বা গতিশীল গাড়ির মধ্যে বই বা ই-বুক পড়বেন না।

চোখ ও চশমার বিষয়ে আরও জানতে "মিঠু অপটিক্যাল" এর Page এ Like দিয়ে সবাই Added থাকুন। ধন্যবাদ!

চশমা আর লেন্সের মধ্যে লেন্স অধিক জনপ্রিয় হলেও চশমার ব্যবহার কিন্তু শরীরের জন্য ভাল। কেননা সারাক্ষণ লেন্স পরে থাকার নানা ...
15/06/2020

চশমা আর লেন্সের মধ্যে লেন্স অধিক জনপ্রিয় হলেও চশমার ব্যবহার কিন্তু শরীরের জন্য ভাল। কেননা সারাক্ষণ লেন্স পরে থাকার নানা অসুবিধা রয়েছে। তবে ভারী চশমা হলে দিনের অনেকটা সময় লেন্সের স্মরণ নিতে হয়, তবু চশমাকে একেবারে বাদ দেওয়া যায় না কিছুতেই।

"করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক চশমা"বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। মুখের লালা, হাতের সংস্পর্শ ইত্যাদির মাধ্...
15/06/2020

"করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক চশমা"

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। মুখের লালা, হাতের সংস্পর্শ ইত্যাদির মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়। সম্প্রতি গবেষকরা জানাচ্ছেন চোখের মাধ্যমেও প্রাণঘাতী করোনা ছড়াতে পারে। বিজনেস স্টান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ভারতের বিখ্যাত সরোজিনী দেবি আই হসপিটালের সুপারেনটেনডেন্ট ডা. ভি রাজলিঙ্গম বলেন, করোনা আক্রান্ত রোগীর চোখের জল থেকেও করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মতো চোখের পানিও যদি অন্য ব্যক্তির শরীরে লেগে যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। না হয় সে ব্যক্তিও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে চশমা পরার পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি হাত দ্বারা চোখ স্পর্শ করলে চোখের মাধ্যমেও এ ভাইরাস ছড়াতে পারে। এর কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন, ল্যাক্রিমাল নালীর মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের চোখ নাকের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। যার ফলে চোখের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্য দিকে, চীনা চিকিৎসক ওয়াং গুয়াংফা নিজেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নাকে, মুখে ও হাতে সব ধরনের প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণের পরেও তিনি অসুস্থ বোধ করছেন। এই চিকিৎসক মনে করছেন, চোখে চশমা না রাখার কারণেই ভাইরাসটি তার শরীরে প্রবেশ করেছে।

তাই আমরা মুখে মাক্স, হাতে হ্যান্ডগ্লাভস এবং তার সাথে চোখে চশমা ব্যবহার করি।

ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন এবং অন্যদেরকে নিরাপদে রাখার চেষ্টা করুন ধন্যবাদ।🙂

কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?একটা সময় ছিল যখন চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকার কারণে ইয়া বড় বড় চশমা পড়তো সবাই। ধীরে ধীরে স...
10/06/2017

কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?

একটা সময় ছিল যখন চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকার কারণে ইয়া বড় বড় চশমা পড়তো সবাই। ধীরে ধীরে সে সময় পালটেছে, নিত্য-নতুন ডিজাইনের ডিজাইনের চশমা বাজারে ছয়লাপ করায় সেদিকেই ঝুকেছে অনেকে। এখন চশমা আধুনিক ফ্যাশনের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে আছে রঙ বেরঙের কনট্যাক্ট লেন্সও। কিন্তু কোথা থেকে এলো এই কনট্যাক্ট লেন্স? ধারণাটাই বা এলো কিভাবে? সেটাই বলবো এই পোস্টে।

কনট্যাক্ট লেন্স কি?

কনট্যাক্ট লেন্স হচ্ছে খুবই পাতলা প্লাস্টিক, যা চোখের মণিতে পড়া হয়। একাধিক উদ্দেশ্যে কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার হয়ে থাকে। চশমার বিকল্প হিসেবেই কনট্যাক্ট লেন্সের প্রচলন বেশি, তবে অনেকে শখের বসে কিংবা ফ্যাশন হিসেবে চোখে কনট্যাক্ট লেন্স পড়ে থাকে। বাজারে পাওয়ার লেন্স কিংবা সাধারণ লেন্স দু’টোই পাওয়া যায়। পাওয়ার লেন্সের দাম তুলনামূলক বেশি কারণ এতে বিশেষভাবে পাওয়ার দিয়ে দেয়া থাকে যাতে তা চশমার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

কিভাবে আসলো কনট্যাক্ট লেন্স?

অ্যাডলফ ফ্লিক ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম সফলভাবে চোখের জন্যে লেন্স আবিষ্কার করেন। তিনি চশমার বিকল্প কিছু খুঁজতে চেয়েছিলেন, আর সেই চিন্তা থেকেই লেন্সের আবিষ্কার। যদিও এই বিষয়ে তিনিই সর্বপ্রথম কাজ করেন নি, তার আগেও অনেকে লেন্স আবিষ্কারে শ্রম দিয়েছেন। যদিও তারা সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। রেনে, থমাস ইয়াং, মুলারসহ আরো অনেকেই দীর্ঘদিন শ্রম দিয়েও বার্থ হয়েছেন। :/

এতোশতো অপরিচিত নামের ভিড়ে যিনি সর্বপ্রথম কনট্যাক্ট লেন্সের ধারণা দেন তার নামটা সুপরিচিত। তিনি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। ইনি সেই মোনালিসাখ্যাত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। অসাধারণ প্রতিভাধর একজন মানুষ। তিনি ১৫০৮ সালে “কোডেক্স অব দ্য আই: ম্যানুয়াল ডি” নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম কনট্যাক্ট লেন্সের ধারণা দেন। আর এই ধারণা লাভের প্রায় ৩৮০ বছর পরে ১৮৮৮ সালে সফলতার মুখ দেখেন অ্যাডলফ ফ্লিক।

১৮৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি জার্মানিতে জন্ম ফ্লিকের। তার বাবা ছিলেন অ্যানাটমির প্রফেসর আর চাচা ছিলেন জার্মানির বিখ্যাত ফিজিওলজিস্ট। ফ্লিক পরিবারের সাথে ডাক্তারির একটা যোগসাজশ আছে আর সেই হিসেবে অ্যাডলফ ফ্লিকও যে ডাক্তার হবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি আর্মিতে যোগ দিলেন ! আর কিছুদিন পরেই তৎকালীন এক যুদ্ধে যোগ দিলেন। যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে তিনি বাবার অকাল মৃত্যুতে শোকাহত হলেন এবং বাবা-চাচার পেশাকেই আপন করে নিলেন। তিনি অপথ্যালমোলজি নিয়ে পড়াশোনা করা শুরু করলেন। সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ১৮৭৫ সালে একজন ডাক্তার হয়ে উঠলেন। পরবর্তীতে তিনি জোরেক (স্থানের নাম) এ কনট্যাক্ট লেন্সের জন্যে গবেষণা শুরু করলেন। তখন তিনি একে কনট্যাক্ট লেন্স না বলে কনট্যাক্ট স্পেকট্যাকলস হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত পরীক্ষা-নিরীক্ষা জাড়ি রাখেন। প্রথম দিকে তিনি খরগোশের উপর তার তৈরি লেন্সগুলো পরীক্ষা করতেন, এরপর নিজের চোখেও পরীক্ষা করে দেখেন। পরবর্তীতে বেশ অনেকজন স্বেচ্ছাসেবকের সহায়তায় তার পরীক্ষা নিরীক্ষা আরো সহজ হয়ে উঠে। অবশেষে ১৮৮৮ সালে তিনি সফলতার মুখ দেখেন, যদিও তার তৈরি লেন্স মোটেও আকর্ষণীয় ছিলোনা, অর্থাৎ সেটা আপনাকে ফ্রিতে দেয়া হলেও আপনি নিতেন না 😛 । তার তৈরি লেন্স বর্তমান আধুনিক লেন্সের তুলনায় বেশ পুরু আর কাঁচের তৈরি ছিল। আধুনিক লেন্সের মতো তা শুধু মনির উপর লেপটে না থেকে চোখের সাদা অংশের উপরও লেপটে থাকতো। আর সবচেয়ে বাজে বিষয় ছিল যে সেটা দীর্ঘসময় পড়ার উপযোগী ছিলোনা। পরবর্তীতে বিভিন্ন গবেষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ১৯৪৯ সালে সর্বপ্রথম শুধু মনির উপর লেপটে থাকা লেন্সের আবিষ্কার হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের অবদানে লেন্স আজকের রূপে পৌঁছেছে।

তরুণদের কাছে চশমা হয়ে উঠেছে ফ্যাশনের অংশবর্তমান যুগে আধুনিক ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে সানগ্লাস যেটি আমাদের সবচেয়ে গ...
28/04/2017

তরুণদের কাছে চশমা হয়ে উঠেছে ফ্যাশনের অংশ

বর্তমান যুগে আধুনিক ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে সানগ্লাস যেটি আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর চোখকে সুরক্ষা দেয়। ত্বকে সানস্ক্রিন বা লোশন লাগালেও চোখের নিরাপত্তার জন্য সানগ্লাসের কোনই বিকল্প নেই।

একটা সময় ছিল যখন চশমা চোখে থাকলেই লোকে করুণার চোখে তাকাত, আহা! বেচারার চোখ খারাপ! এখন আর সে সময়টা নেই। কারণ রাস্তায় বের হলেই দেখা যায়, প্রতি দশজনের মধ্যে চারজনেরই চোখে চশমা! এ ছাড়া বর্তমানে তরুণদের কাছে চশমা হয়ে উঠেছে ফ্যাশনের অংশ। কারণ ‘লুক’ পাল্টানোর জন্য চশমার জুড়ি নেই!

চশমা যে কারণেই পরা হোক না কেন, তার ফ্রেম হওয়া চাই চেহারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই চশমার ফ্রেম কিনুন মুখের গড়নের সাথে মানিয়ে যায় এমন আকারের। মুখের আকার গোলাকার হলে একটু লম্বাটে ফ্রেম ভালো মানায়। এ ছাড়া আয়তকার বা কোণা উঁচু এমন ফ্রেমও উপযোগী। তবে ছোট গোল চশমা বা ডিম্বাকৃতির ফ্রেম আদর্শ। যদিও এ ধরনের ফ্রেম এখন চলতি ফ্যাশন নয়। ডিম্বাকৃতির মুখের ক্ষেত্রে যেকোনো ফ্রেমই মানিয়ে যায়। গায়ের রং বুঝে ফ্রেম পছন্দ করাটা বুদ্ধিমানের পরিচায়ক।

মানুষের চোখ কিভাবে কাজ করে এবং চোখের ত্রুটিঃচোখে সমস্যার কারণে আমরা কোন কিছু দেখার সময় অথবা পড়ার সময় সেটা ঝাপসা দেখি। এজ...
14/04/2017

মানুষের চোখ কিভাবে কাজ করে এবং চোখের ত্রুটিঃ

চোখে সমস্যার কারণে আমরা কোন কিছু দেখার সময় অথবা পড়ার সময় সেটা ঝাপসা দেখি। এজন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আমরা সাধারণত চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করে থাকি। চোখে ঝাপসা দেখার কারণ হিসেবে আমরা শুনে থাকি চোখের ফোকাস পয়েন্ট সামনে বা পিছনে চলে আসে। এজন্য চশমা ব্যবহার করে চোখের ফোকাস পয়েন্ট ঠিক করা হয়। কিন্তু মনে কি কখনো প্রশ্ন জেগেছে, এই ফোকাস পয়েন্ট সামনে বা পিছনে সরে আসলে কি হয়?

এ ব্যাপারটি নিয়ে কিছু বলার আগে আমাদের এই চোখ কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে আমাদের হালকা ধারণা থাকা প্রয়োজন। (এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে তাহলে– কারণ জানতে গিয়ে চোখ দিয়ে দেখার সিস্টেমটাও জানা হয়ে যাবে।)

আমাদের চোখ শুধুমাত্র আলোর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির পার্থক্য করতে পারে। যখন কোনো বস্তু হতে আলো আমাদের চোখে এসে পড়ে, তখন সেই সমান্তরাল আলোক রশ্মি চোখের কর্ণিয়ার (কালো রাজা) ভিতর দিয়ে যেয়ে চোখের লেন্স অতিক্রম করার সময় বিভিন্ন কোণে আপতিত হয় এবং বেঁকে গিয়ে বিভিন্ন দিকে চলে যায়। লেন্সের মধ্য দিয়ে এই বেঁকে যাওয়া আলোক রশ্মি আবার চোখের রেটিনার একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে একত্রিত হয়ে বস্তুটির একটি উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি করে সেখানে ফোকাস করে।

এখানে একটি বিষয় ভালো করে মনে রাখতে হবে, তা হচ্ছে, যে কোনো বস্তু হতে যদি আলো না এসে আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে কিন্তু আমরা দেখতে পাব না, আর এই কারণেই আমরা অন্ধকারে একদম দেখতে পাই না।

রেটিনায় দুটি সংবেদী কোষ আছে- রড এবং কোণ। রেটিনার কোণ কোষ রঙ বুঝতে সাহায্য করে আর রডস্ কম আলোতে দেখতে সাহায্য করে। এই রড এবং কোণ কোষ আলোর ফোটনকে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে পরিণত করে, এরপর তা অপটিক নার্ভের মধ্য দিয়ে আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয়। মস্তিষ্কে এই ইলক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল ইন্টারপ্রিটেড হয়ে উল্টো ইমেজ হয়ে যায় এবং সেটাই আমরা দেখি। আর এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুত ঘটে, যা আমরা বুঝতেই পারি না।

রেটিনায় আলোকরশ্মিকে ফোকাস করার ক্ষমতাও রড এবং কোণ কোষের আকৃতির উপর নির্ভর করে। যখন আমরা কোন কিছুর দিকে তাকাই, তখন লেন্সের সাথে সংযুক্ত এক্সটাঅকুলার পেশীগুলো সংকুচিত-প্রসারিত হয়ে লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন করে। এর ফলে আমরা চোখ নড়াচড়া করলেও বস্তুটি রেটিনায় ফোকাস পয়েন্টে স্থির থাকে, যার ফলে বস্তুটির অবস্থানের কোন পরিবর্তন ঘটেনা। আর এই কাজটি আমাদের নার্ভাস সিস্টেম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

এখন আসল কথায় আসা যাক। ফোকাস পয়েন্ট সামনে বা পিছনে চলে আসার কারণে সাধারণত আমরা ৪ ধরণের দৃষ্টির সমস্যায় পড়ে থাকি।

ায়োপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি,
াইপারোপিয়া বা দূরদৃষ্টি,
্যাসটিগম্যাটিসম (Astigmatism),
্রেসবায়োপিয়া বা চালশে।

মায়োপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি’র ক্ষেত্রে, আমাদের চোখের ফোকাস পয়েন্ট রেটিনা অতিক্রম করে সামনে চলে আসে। যার ফলে দূরের বস্তু ঝাপসা দেখা যায়,কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে সমস্যা হয়না। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, চোখের লেন্সের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশ বড় হয়ে গেলে অথবা লেন্সের ফোকাস ক্ষমতা অত্যধিক বেড়ে গেলে এমনটা হয়। সেক্ষেত্রে উত্তল লেন্স ব্যবহার করে ফোকাস পয়েন্টকে পিছনে ঠেলে রেটিনায় নিয়ে আসা হয়।

হাইপারোপিয়া বা দূরদৃষ্টি’র ক্ষেত্রে, আমাদের চোখের ফোকাস পয়েন্ট রেটিনার পিছনে চলে আসে। এর ফলে দূরের বস্তু দেখতে সমস্যা হয়না,কিন্তু আমরা কাছের বস্তু ঝাপসা দেখি। এক্ষেত্রে লেন্সের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট হয়ে গেলে অথবা লেন্সের ফোকাস ক্ষমতা অত্যধিক কমে গেলে এমনটা হয়। সেক্ষেত্রে অবতল লেন্স ব্যবহার করে ফোকাস পয়েন্টকে সামনে ঠেলে রেটিনায় নিয়ে আসা হয়।

এখন লেন্সের আকার ছোট-বড় বিভিন্ন কারণেই হতে পারে। খেয়াল করবেন, অত্যধিক আলো অথবা ক্ষীণ আলোতে আমাদের চোখের লেন্স অনেক ছোট হয়ে যায়। আবার যখন রেগে যাই, তখন চোখের লেন্স স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড় হয়ে যায়। জেনে রাখা ভাল, মানুষের শরীরের একমাত্র অঙ্গ চোখ, যেটি স্বাভাবিকের চাইতে দশগুণ বেশি বড় হতে পারে।

তাছাড়া চোখের আইরিশ যখন প্রসারিত হয়, তখন পিউপিল ছোট হয়ে যায়। আবার আইরিশ সংকুচিত হলে পিউপিল বড় হয়ে যায়। এই পিউপিল লেন্সের ঠিক সামনেই থাকে। এটি আমাদের চোখের ফোকাসিং পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এর ক্ষতি হলেও ফোকাসিং পাওয়ার-এ তারতম্য দেখা দেয়। এছাড়া মানুষের চোখের রং যেমন কালো, বাদামী, নীল – এসব মূলত আইরিশের রং।

অ্যাসটিগম্যাটিসম (Astigmatism) এর ক্ষেত্রে, কর্ণিয়া বা লেন্সের আকার বিকৃত হয়ে গেলে আলো রেটিনার সামনে এবং পিছনে দুটো ফোকাস পয়েন্টে আসে। যার ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা, একটি জিনিসকে দুটি দেখা এবং মাথাব্যথা হতে পারে।

প্রেসবায়োপিয়া এর ক্ষেত্রে, বয়সজনিত চোখের গঠনগত পরিবর্তনের কারণে চোখের কর্ণিয়া এবং লেন্সের ইলাসটিসিটি বা স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায়, ফলে লেন্সের প্রয়োজনে (বিশেষ করে কাছের জিনিস দেখার জন্য) আকার পরিবর্তন করার ক্ষমতা কমে যায় এবং কাছের জিনিস ঝাপসা দেখায়।

চশমার কাচের পাওয়ার কিভাবে কাজ করে এবং কোন ধরণের রোগীর জন্য কোন ধরণের পাওয়ার প্রয়োগ করা হয়?উত্তরঃচশমার কাঁচে আসলে লেন্স ব...
14/04/2017

চশমার কাচের পাওয়ার কিভাবে কাজ করে এবং কোন ধরণের রোগীর জন্য কোন ধরণের পাওয়ার প্রয়োগ করা হয়?

উত্তরঃ
চশমার কাঁচে আসলে লেন্স ব্যবহার হয় যেটার নির্দিষ্ট ফোকাস দূরত্ব আছে। আর পাওয়ার ব্যপারটা আসলে শুদ্ধভাবে বললে চশমার কাচের নয়, ওটাতে যে লেন্স ব্যবহার করা হয় সেটার। আর এই পাওয়ারের একটি একক আছে-ডাইঅপ্টার।

মনে করুন, আমার চশমার লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ৩৩ সে.মি. অথবা .৩৩ মিটার। তাহলে আমার চশমার পাওয়ার হবে ১/.৩৩=৩ ডাইঅপ্টার (প্রায়)।

মাইনাস পাওয়ারের অর্থ হল, এটি অবতল লেন্স এবং অবতল লেন্স আলোকে ছড়িয়ে দিতে চায়, আর এটি চশমায় থাকলে আলো আমাদের (স্বল্পদৃষ্টি রোগাক্রান্ত চোখের) রেটিনার ওপর পড়বে, রেটিনায় না পড়লেই আমাদের দর্শনে সমস্যা হয়।

স্বল্পদৃষ্টি রোগ হয় যখন চোখের গোলক ছোট হয়ে যায় অথবা চোখের লেন্সের (আলোকে চোখের রেটিনায় ফেলার) ক্ষমতা বেড়ে যায়। আর তখন আলোকরশ্মি রেটিনায় পড়ার আগেই মিলিত হয়। তাই অবতল লেন্সের ব্যবহার আলোকে ছড়িয়ে দেয় এবং আলোক রশ্মি রেটিনায় মিলিত হয়।

প্লাস পাওয়ারের অর্থ হল, এটি উত্তল লেন্স এবং উত্তল লেন্স আলোকে কেন্দ্রীভুত করতে চায়, আর এটি চশমায় থাকলে আলো আমাদের (দীর্ঘদৃষ্টি রোগাক্রান্ত চোখের) রেটিনার ওপর পড়বে।

দীর্ঘদৃষ্টি রোগ হয় যখন চোখের গোলক বড় হয়ে যায় অথবা চোখের লেন্সের (আলোর চোখের রেটিনায় ফেলার) ক্ষমতা কমে যায়। আর তখন আলোকরশ্মি রেটিনার পেছনে মিলিত হয়। তাই উত্তল লেন্সের ব্যবহার আলোকে কাছে নিয়ে আসে এবং আলোক রশ্মি রেটিনায় মিলিত হয়।

যারা কাছের বস্তু ভাল দেখতে পান না, তারা সবচেয়ে কাছে যে দূরত্বে কোন বস্তু দেখতে পারেন, সেই দূরত্বে অধিকতর কাছের বস্তুকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য প্লাস পাওয়ার দেওয়া হয়।

চশমা যেসব কারণে অতি প্রয়োজনবিভিন্ন কারণে মানুষ চোখে কম দেখতে পারেন। দৃষ্টিশক্তির পরিমাণ স্বাভাবিকের কম কিন্তু দৃশ্যমান ক...
13/04/2017

চশমা যেসব কারণে অতি প্রয়োজন

বিভিন্ন কারণে মানুষ চোখে কম দেখতে পারেন। দৃষ্টিশক্তির পরিমাণ স্বাভাবিকের কম কিন্তু দৃশ্যমান কোনো গঠনগত পরিবর্তন বা চোখে যদি কোনো রোগ না থাকে, তাহলে চশমা দিয়ে এর উন্নতি ঘটানো সম্ভব। এটি সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে।

মায়োপিয়া : এ ধরনের রোগী কাছের জিনিস মোটামুটি ভালো দেখতে পেলেও দূরের বস্তু ঝাপসা দেখেন। মাইনাস পাওয়ারের চশমা পরলে এ সমস্যার একটা সমাধান মেলে। যাদের চোখে ছয় ডায়াপটারের বেশি মাইনাস পাওয়ারের লেন্স লাগে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের পাওয়ারও বাড়তে থাকে, তখন তাকে বলে প্যাথলজিক্যাল মায়োপিয়া। এ রোগে আক্রান্তদের সব সময় চোখের আঘাত থেকে সাবধান থাকতে হয়। তাই নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে চোখের পাওয়ার ও রেটিনা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উত্তম।

হাইপারোপিয়া : রোগী দূর ও কাছের জিনিস ঝাপসা দেখেন এবং কাজ করার সময় চোখের ওপর চাপ পড়ায় মাথাব্যথা হয়। স্বাভাবিক চোখের চেয়ে তাদের চোখ একটু ছোট থাকে। অবশ্য এটি বোঝা যায় না। প্লাস লেন্সের চশমা ব্যবহার করে এ সমস্যার সমাধান করা যায়।

অ্যাস্টিগম্যাটিজম : দৃষ্টিস্বল্পতাÑ যাতে রোগীর কর্ণিয়ার যে কোনো একদিকে পাওয়ার পরিবর্তন হয়ে দৃষ্টি ঝাপসা হয়। সিলিন্ডার লেন্স ব্যবহারে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

প্রেসবায়োপিয়া : বয়সজনিত কারণে চোখের গঠনগত পরিবর্তনের ফলে চোখের লেন্সের ইলাস্টিসিটি হ্রাস পায়। ফলে কাছের জিনিস দেখতে আকার পরিবর্তন করার ক্ষমতা কমে যায় এবং কাছের জিনিস ঝাপসা দেখায়।

চিকিৎসা : চিকিৎসকের পরামর্শে রোগের ধরন অনুযায়ী পাওয়ার পরীক্ষা করে চশমা ব্যবহার করা যেতে পারে। চশমা যারা পরতে চান না, তারা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারেন। তবে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারবিধি জটিল। তাই অনেকেরই ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে লেজার সার্জারির মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করা যায়। এক্সাইমার লেজার ব্যবহার করে চোখের পাওয়ার পরিবর্তন করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। এ পদ্ধতির নাম ল্যাসিক রিফ্রাক্টিভ সার্জারি। এ পদ্ধতির মাধ্যমে ১৫ ডায়াপটার পর্যন্ত মায়োপিয়া, ৫ ডায়াপটার পর্যন্ত অ্যাস্টিগম্যাটিজম ও ৭ ডায়াপটার পর্যন্ত হাইপারোপিয়ার চিকিৎসা সম্ভব। বড় সুবিধা হলো, ল্যাসিক করার পর সাধারণত চশমা অথবা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না।

নিকটদৃষ্টিঃনিকটদৃষ্টি বা হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া (ইংরেজি ভাষায়: Myopia) চোখের ৪টি প্রধান রোগের মধ্যে ১টি। এটি আসলে চ...
12/04/2017

নিকটদৃষ্টিঃ

নিকটদৃষ্টি বা হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া (ইংরেজি ভাষায়: Myopia) চোখের ৪টি প্রধান রোগের মধ্যে ১টি। এটি আসলে চোখের সেই অবস্থা যখন চোখের তারারন্ধ্রের ভেতর দিয়ে আগত আলো অক্ষিগোলকের রেটিনায় আপতিত না হয়ে তার সামনে কোন স্থানেই একটি বিন্দুতে মিলিত হয়ে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে ফেলে। ফলে চোখের নিকট দুরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার এর বেশি দূরের কোন বস্তুর বিম্ব রেটিনার সামনে গঠিত হয়। ফলে বস্তুর স্পষ্ট প্রতিবিম্বও গঠিত হয় না আর ভালো দেখাও সম্ভব হয় না। এ জন্য মায়োপিয়াকে "ক্ষীণদৃষ্টি"ও বলা হয়। এর অন্যান্য নামের মধ্যে রয়েছে "অদূরবদ্ধ দৃষ্টি" এবং "স্বল্প দৃষ্টি"।

লক্ষণসমূহঃ

মাইওপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি আক্রান্ত চোখ খুব কাছের বস্তু বেশ ভালো দেখলেও দূরের বস্তু ঝাপসা দেখে। অর্থাৎ এই চোখের নিকটবিন্দু ২৫ সেন্টিমিটারেরও কম হতে পারে।

কারণঃ

অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে বা চোখের লেন্সের ফোকাস দুরত্ব কমে গেলে তথা অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে গেলে এই ত্রুটি দেখা যায়।

ত্রুটির ফলঃ

এক্ষেত্রে অনেক দূরবর্তী বস্তু থেকে আগত আলোক রশ্মীগুচ্ছ চোখের লেন্সে প্রতিসৃত হয়ে রেটিনার সামনে মকোন বিন্দুতে মিলিত হয়। ফলে লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। এই চোখের দূরবিন্দু অসীমে না হয়ে ২৫ সেন্টিমিটারের বেশি দুরত্বে কোন বিন্দুতে হয় যা অনেক সময় মাত্র ১মিটার বা তার চেয়েও কম দুরত্বে অবস্থিত হয়। তাই এই চোখ এর বেশি দুরত্বে কোন বস্ত্য স্পষ্ট দেখতে পায় না।

প্রতিকারঃ

চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় এই ত্রুটির উদ্ভব হয় বলে এই ত্রুটি দূর করার জন্য অভিসারী ক্ষমতা কমাবার মতন সহায়ক লেন্স বা চশমা অর্থাৎ অবতল লেন্সের চশমা ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে চোখের লেন্সের সামনে সহায়ক লেন্স বা চশমা হিসেবে এমন ফোকাস দুরত্বের অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয় যার অসীম দুরত্বের লক্ষ্যবস্তুর বিম্ব ত্রুটিপূর্ণ চোখের দূরবিন্দুতে গঠন করে।

Address

B. I. D. C Road Power House Gate, Khalishpur
Khulna
9000

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:30
16:00 - 22:30
Tuesday 17:00 - 22:30
Wednesday 09:00 - 13:30
16:00 - 22:30
Thursday 09:00 - 13:30
16:00 - 22:30
Friday 09:00 - 12:30
16:00 - 22:30
Saturday 09:00 - 13:30
16:00 - 22:30
Sunday 09:00 - 13:30
16:00 - 22:30

Telephone

+8801631688434

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিঠু অপটিক্যাল - Mithu Optical posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মিঠু অপটিক্যাল - Mithu Optical:

Share

Category