Incometaxsolutionsbd

Incometaxsolutionsbd Ego is just like a dust in the eye … without clearing the dust you can’t see anything clear …

লিমিটেড কোম্পানি, সোসাইটি/ফাউন্ডেশন/ট্রাস্ট, পার্টনারশিপ ফার্ম, ট্রেড অর্গানাইজেশন, অলাভজনক কোম্পানি ইত্যাদি রেজিস্ট্রেশ...
10/08/2026

লিমিটেড কোম্পানি, সোসাইটি/ফাউন্ডেশন/ট্রাস্ট, পার্টনারশিপ ফার্ম, ট্রেড অর্গানাইজেশন, অলাভজনক কোম্পানি ইত্যাদি রেজিস্ট্রেশন, লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর, শেয়ার বরাদ্দকরণ, কোম্পানির বিলুপ্তিকরন, কোম্পানির বার্ষিক রিটার্ন দাখিল, সোসাইটির কমিটি পরিবর্তন, ইমপোর্ট - এক্সপোর্ট লাইসেন্স, ট্রেড মার্ক, ট্রেড লাইসেন্স (শুধুমাত্র ঢাকায়) সহ ব্যবসায়িক ও কোম্পানি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে পরামর্শের জন্য ফোনে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করতে পারেন।
০১৮১৮৮৭৭২২৬ (whatsapp)

লিমিটেড কোম্পানী নিবন্ধন প্রক্রিয়া / How to register a Limited Company In Bangladesh

বাংলাদেশে প্রচলিত কোম্পানী আইন অনুযায়ী দুই ধরনের কোম্পানী রয়েছে- ১. প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী এবং ২. পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ জন এবং উর্ধে ৫০ জন পার্টনার পর্যন্ত হতে পারে; পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে নিম্নে ৭ জন এবং সর্বোচ্চ যেকোন সংখ্যার পার্টনার থাকতে পারে।

সম্প্রতি কোম্পানী আইনের সংশোধনীতে One Person Company (OPC) বা শুধু মাত্র একজন ব্যক্তির দ্বারা একটি কোম্পানী খোলার বিধান রাখা হয়েছে। একক মালিকানার কোম্পানিতে সর্বনিম্ন ২৫ লক্ষ টাকা পেইড আপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত মূলধন লাগে। একজন ব্যক্তি শুধুমাত্র একটি মাত্র ওপিসি রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। কোম্পানির পরিচালকদের ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে সর্বনিম্ন ২৫ লক্ষ টাকা হোয়াইট করা থাকলে ওয়ান পার্সন কোম্পানি করা যেতে পারে। তা না হলে একাধিক পরিচালক সমন্বয়ে কোম্পানি করাটাই শ্রেয়।

অনুমোদিত মূলধন (authorized capital):
কোন একটা কোম্পানী শুরুর সময় ঐ কোম্পানীর সর্বোচ্চ মূলধনের যে সীমা নির্ধারন করা হয় এবং অনুমোদন করা হয় সেটাই হল ঐ কোম্পানির অথরাইজড ক্যাপিটাল;

পরিশোধিত মূলধন (paid up capital) : অনুমোদিত মূলধন এর সমান বা এর কম যা সকল ডিরেক্টরদের সর্বমোট বিনিয়োগের পরিমাণ এবং যেটি নিবন্ধন করার পর কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে জমা করতে হয় সেটি হলো পরিশোধিত মূলধন। পরিশোধিত মূলধন ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যে কোন সময় উত্তোলন করা যায়।

মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন বা সংঘ স্মারকে কোম্পানি কি কি ধরনের ব্যবসা করতে পারবে এ সম্পর্কে বর্ণনা দেয়া থাকে।

এবং

আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশনে (সংঘ বিধি) কোম্পানি পরিচালনার নিয়মাবলী যেমন- কিভাবে কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ নির্বাচিত হবে, চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টরসহ পরিচালনা পরিষদের কার কি দায়িত্ব ও কর্তব্য; বোর্ড সভা, বিশেষ সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভার কোরাম ও কিভাবে কখন সভা আহ্বান করতে হবে, কিভাবে নতুন সদস্য নেওয়া যাবে, কিভাবে কোন সদস্যকে বহিষ্কার করা যাবে, কিভাবে লভ্যংশ বন্টন করা হবে, কিভাবে কোম্পানিটি বন্ধ করা যাবে এসব বিষয়গুলো বিশদভাবে বর্ণনা করা থাকে।

লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন পরবর্তী কাজ: লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার পর কোম্পানির নামে একটি টিআইএন সার্টিফিকেট এবং ট্রেড লাইসেন্স করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হয়। তারপর প্রতিবছর সময় মত সিএ ফার্ম দিয়ে অডিট রিপোর্ট করিয়ে এজিএম করে জয়েন্ট স্টকে রিটার্ন দাখিল করতে হয় এবং কোম্পানির ট্যাক্স ফাইল এর বিপরীতে ট্যাক্স অফিসে রিটার্ন দাখিল করতে হয় এবং প্রতিবছর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।

পার্টনারশিপ ফার্ম নিবন্ধন এর নিয়ম : দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে RJSC তে একটি পার্টনারশিপ ফার্ম নিবন্ধন করা যায়। ফার্মের সর্বমোট বিনিয়োগ ১ লক্ষ টাকার মধ্যে হলে দুই হাজার টাকার স্ট্যাম্পে এবং বিনিয়োগ এক লক্ষ টাকার উপরে হলে চার হাজার টাকার স্ট্যাম্পে দলিল সম্পন্ন করে নোটারি পাবলিক করে নামের ছাড়পত্র গ্রহণ করে আরজেএসসি এর ফিসসহ জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হয়। তারপর পর প্রতিবছর পার্টনারশিপ ফার্মের ট্যাক্স ফাইল এর রিটার্ন দাখিল (সিএ ফার্ম এর অডিট লাগে না) ও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে whatsapp এ ইনবক্স করতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৮১৮৮৭৭২২৬।

সোসাইটি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম: সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সোসাইটি/ফাউন্ডেশন রেজিস্ট্রেশন করতে আরজেএসসি থেকে নামের ছাড়পত্র পাওয়ার পর গঠনতন্ত্র তৈরি করে স্বাক্ষর করে, ছবি লাগিয়ে প্রয়োজনীয় ফিস সহ দাখিল করতে হয়। সোসাইটির কমিটিতে সর্বনিম্ন ৭ জন, সর্বোচ্চ অসংখ্য সদস্য থাকতে পারে। আরজেএসসি থেকে গঠনতন্ত্রটি পরিদর্শনের পর এনএসআই ভেরিফিকেশন এর জন্য প্রেরণ করা হয়। এনএসআই ভেরিফিকেশন পজিটিভ হয়ে আসলে সোসাইটি পাস হবে। রেজিস্ট্রেশন পাবার পর প্রতিবছর আরজেএসসিতে সোসাইটির এক্সিকিউটিভ কমিটির তালিকা দাখিল করতে হয়।

ভবিষ্যৎ ঝক্কি ঝামেলা ও ভুল ভ্রান্তি এড়াতে এ সংক্রান্ত কাজ অবশ্যই কোম্পানি আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন একজন লাইসেন্স প্রাপ্ত কনসালটেন্ট এর মাধ্যমে সম্পন্ন করিয়ে নিন। একটি ভুলের কারণে কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারে। তাই, দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে দূরে থাকুন।

🏢অফিস - ২৮ কাওরানবাজার, তাজ মার্কেট, ৩য় তলা, রুম নং ৩০২, (টিসিবি ভবনের পাশে), ঢাকা-১২১৫।

🧭 সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ফেসবুকে রিপ্লাই দিতে দেরি হতে পারে তাই হোয়াটসঅ্যাপে অথবা সরাসরি কল করতে পারেন। ধন্যবাদ

🌐মোবাইল/ WhatsApp : 01818877226 (একমাত্র নম্বর)

20/07/2026
অনেকেই ভাবেন Trademark মানেই শুধু আবেদন করলেই কাজ শেষ।আসলে একটি Trademark Registration সম্পূর্ণ হতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ...
22/05/2026

অনেকেই ভাবেন Trademark মানেই শুধু আবেদন করলেই কাজ শেষ।
আসলে একটি Trademark Registration সম্পূর্ণ হতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পার হতে হয়।

সাধারণভাবে প্রক্রিয়াটি হয় এভাবেঃ

🔎 Search
প্রথমে দেখা হয় আপনার ব্র্যান্ড নাম বা লোগো আগে থেকে কেউ ব্যবহার বা নিবন্ধন করেছে কিনা।

📝 Apply
তারপর সঠিক তথ্য ও ডকুমেন্ট দিয়ে আবেদন করা হয়।

📖 Journal Publication
আবেদন গ্রহণের পর সেটি জার্নালে প্রকাশ করা হয়, যাতে কোনো আপত্তি থাকলে তা জানানো যায়।

📜 Certificate
সব ধাপ সম্পন্ন হলে ইস্যু হয় Trademark Certificate।

সঠিকভাবে আবেদন ও ফলোআপ না করলে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি হয়। তাই শুরু থেকেই অভিজ্ঞ সহায়তায় কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার ব্র্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন।

📞 01711794280

/copyright

16/05/2026

Address

Jessore
Khulna

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801818877226

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Incometaxsolutionsbd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share