Learn with Sohel Rana

Contact the business

Learn with Sohel Rana Empowering learners with practical English Grammar, Spoken English & Free Hand Writing. Learn Smart. Speak Confidently. Write Clearly.

BIMSTEC নিয়ে Daily Star পত্রিকায় প্রকাশিত একটি Article এর Analysis ও ভোকাবুলারি। যে কোনো পরীক্ষায় কাজে লাগবে....
18/09/2026

BIMSTEC নিয়ে Daily Star পত্রিকায় প্রকাশিত একটি Article এর Analysis ও ভোকাবুলারি। যে কোনো পরীক্ষায় কাজে লাগবে....

21/08/2026

Important English Grammar.....

01/08/2026

English Grammar
When and While....

01/12/2024

KKMRC Half Marathon 2024, Madaripur

23/09/2023

বিসিএস লিখিতঃ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির বুক লিস্ট

লিখেছেনঃ
কে. এম. রাফসান রাব্বি
সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,
৪০তম বিসিএস।
সাবেক সহকারী পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

#বিসিএস পরীক্ষায় #ক্যাডার নির্ধারণের ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে #লিখিত পরীক্ষা। আপনার ক্যাডার হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করবে সর্বমোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষার ওপর। এর মধ্যে ৯০০ নম্বরই থাকে লিখিত পরীক্ষায়।

প্রিলি পরীক্ষা দেয়ার পরপরই উৎরে যাবেন বলে আত্মবিশ্বাসী মনে হলে প্রথমেই আপনাকে লিখিত পরীক্ষার বই নির্বাচনে মনোযোগী হতে হবে। আমি এখানে একটি বুকলিস্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমি ঠিক যেমনটা ফলো করেছিলাম, সেটাই এখানে দিচ্ছি।

ক) ইংরেজিঃ
ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য free-hand writing ভালো করার কোন বিকল্প নেই। আর ট্রান্সলেশনে ইংরেজিতে ৫০ মার্ক্স ও বাংলায় অনুবাদে ১৫ মার্ক্স থাকে। অর্থাৎ শুধু ট্রান্সলেশনে ভালো হলেই আপনার ৬৫ মার্ক্সের প্রস্তুতি হয়ে যাবে। আমি ট্রান্সলেশনের জন্য S@ifur's এর ট্রান্সলেশন বইটি ফলো করেছিলাম। এক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোন নিয়ম নেই। আপনি যেকোন বই থেকেই ট্রান্সলেশন করতে পারেন। তবে এইখানে হ্যাকটি হচ্ছে আপনাকে রেগ্যুলার প্র্যাকটিস করতে হবে। আমার পরামর্শ রেগ্যুলার আপনি ট্রান্সলেশনে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় বরাদ্দ রাখুন।

ভোক্যাবুলারি ভালো করার জন্য আপনাকে একটু পরিশ্রম করতে হবে। আমার পরামর্শ ইন্টারনেটে SAT 800 High Frequency Words পাবেন। এর synonyms ও antonyms ভালো করে পড়ে ফেলবেন। ভোক্যাবুলারি একটি লাইফস্টাইল। প্রতিদিন আপনি ১০টি শব্দ পড়ুন এবং প্রয়োগ করার চেষ্টা করুন। প্রথম দিকে কঠিন মনে হবে। কিন্তু দুই মাস পর আপনি নিজেই আপনার পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। যারা শেষ সময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা বিগত বছরগুলোতে আসা শব্দগুলো এবং SAT 333 High Frequency Words এর synonyms ও antonyms পড়ে ফেলবেন।

#ফোকাস রাইটিং এর জন্য আপনাকে ডেইলি স্টার বা ঢাকা ট্রিবিউনের এডিটোরিয়াল ও অপিনিয়ন অংশ নিয়মিত পড়ার পরামর্শ থাকলো। রচনার বই হিসেবে আমি নিজে ইউনিক এবং অ্যাসিওরেন্স এই দুইটি বই ফলো করেছিলাম। কিন্তু এখান থেকে নির্যাস নিয়ে আমি ওপেন সোর্স থেকে অনেককিছু সংযোজন করেছিলাম। আপনাদের জন্যেও সেইম পরামর্শই থাকলো আমার পক্ষ থেকে।

খ) বাংলাঃ
শীকরের বাংলা সাহিত্য ও গ্রন্থ সমালোচনা এই দুইটি বই থেকেই আমি উপকৃত হয়েছি। অ্যাসিওরেন্সের বাংলা বই থেকেও বেশ ভালো অংশই কমন পেয়েছিলাম। রচনার জন্য ইউনিকের রচনার বইটি ফলো করেছিলাম।

গ) বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলির জন্য আমি তিনটি বই সাজেস্ট করবো।
১। বাংলাদেশের সংবিধান (আরিফ খানের বইটি আমি ফলো করেছিলাম)
২। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস - ডঃ আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন / পৌরনীতি দ্বিতীয় পত্র - মোজাম্মেল হোসেন
৩। অর্থনৈতিক সমীক্ষা

এই তিনটি বই যদি আপনি খুব ভালো করে ফলো করেন তাহলেই আপনি ৮০-৮৫% প্রশ্নের উত্তর খুব ভালো করে করতে পারবেন। এগুলোর বাইরে বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, জনমিতি নিয়ে প্রতি বছর প্রায় সিমিলার প্যাটার্নের প্রশ্ন এসে থাকে। এই প্রশ্নের উত্তরগুলো একটু ভালো করে দেখে যাবেন।

ঘ) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ
আমি নিজে যেহেতু 'ম্যানুয়াল বিসিএস লিখিত আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি' বইয়ের অন্যতম লেখক সেহেতু আমি আমার বইটিই এক্ষেত্রে সাজেস্ট করবো। কারণ আমি নিজে প্রিপারেশন নিতে যেয়ে যেসকল জায়গায় বাজারের প্রচলিত বইগুলোতে গ্যাপ লক্ষ্য করেছি, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একজন ছাত্র হিসেবে সেই গ্যাপগুলো ফিল আপ করার চেষ্টা করেছি আমার বইতে। নিজের ঢোল নিজে পেটানো ঠিক না। আপনারা আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির প্রিপারেশনের জন্য এই বইটি ফলো করতে পারেন।

এর বাইরে কয়েকটি সোর্স ব্যবহার করে নিজেকে আপডেট রাখতে পারেন। The Vox, The Economist, Al Jazeera Start Here, CNN এই Youtube চ্যানেলগুলো ফলো করতে পারেন। Foreign Affairs প্রতি সপ্তাহে সাউথ এশিয়ার ওপর একটি নিউজলেটার পাব্লিশ করে বুধবারে। আপনারা ই-মেইল দিয়ে লগ-ইন করে ফ্রি তেই প্রতি বুধবার পুরো সাউথ এশিয়ার আপডেট পেয়ে যেতে পারেন।

ঙ) গণিতঃ
গণিতের জন্য আমি কনফিডেন্সের মোঃ ছানোয়ার হোসেনের গণিত সমাধান ফলো করেছিলাম। এছাড়াও ৯ম-১০ শ্রেণির সাধারণ ও উচ্চতর গণিত, এবং বিন্যাস-সমাবেশের জন্য একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর এস ইউ আহম্মেদের বই, ও কার্তেসীয় জ্যামিতি ও সরলরেখার জন্য একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর আফসারুজ্জামানের জ্যামিতি বই ফলো করেছিলাম।

চ) মানসিক দক্ষতাঃ
বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করে গেলেই এখানে অনায়াসে ৪৫ এর ওপর নম্বর তুলতে পারবেন। বই কিনতে চাইলে ওরাকল বা শাহীনস অথবা বাজারের মোটামুটি যে কোন একটি বই কিনে নিতে পারেন।

ছ) বিজ্ঞানঃ
বর্তমানে বাজারে সায়েন্স আওয়ার বইটি বিজ্ঞানের জন্য চমৎকার একটি বই। এর বাইরে ৯ম-১০ শ্রেণির বিজ্ঞান বইটি ফলো করতে পারেন। আমি এর পাশাপাশি বিস্তারিত বোঝার জন্য কম্পিউটার অংশটুকু প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান-এর উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের একটি বইয়ের পুরাতন এডিশন পড়েছিলাম।

এই গেলো পূর্ণাঙ্গ #বুকলিস্ট। বই পড়ে কার্যকরী ভাবে নোটস করার ক্ষেত্রে আপনি ম্যানুয়াল বিসিএস লিখিত আন্তর্জাতিক বইয়ের প্রথম অধ্যায় "কার্যকর প্রস্তুতির অ আ ক খ"-এর কৌশলগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

সংগৃহীত

আজ ১৪ই জুন আন্তর্জাতিক রক্তদাতা দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে রক্তদান দিবস ও ২০০৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদাতা দিবস পালিত হয়ে আস...
14/06/2023

আজ ১৪ই জুন আন্তর্জাতিক রক্তদাতা দিবস। ১৯৯৫ সাল থেকে রক্তদান দিবস ও ২০০৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদাতা দিবস পালিত হয়ে আসছে। ২০০৫ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বব্যাপি আন্তর্জাতিক রক্তদাতা দিবস পালনের উদ্যোগ নেয়। এর উদ্যোক্তা রাষ্ট্র ছিল আলজেরিয়া।
অগনিত মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচিয়ে তুলছেন রক্তদাতাগণ রক্ত দিয়ে। আমাদের দেশে রক্তদান নিয়ে মানুষ তেমনভাবে সচেতন না হলেও ইদানিং মানুষ এ ব্যাপারে সচেতন হচ্ছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রক্ত দাতাদের সংগঠন মানুষকে রক্তদানে উৎসাহিত করছে ও এর গুরুত্ব বোঝাচ্ছে। এর‌ই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদাতার হার দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। রক্তদান করে যে শুধু মানুষের জীবন বাঁচানো যায়..... বিষয়টি এমন নয়। বরং যিনি রক্তদান করেন তিনি বিভিন্নভাবে উপকৃত হন। তিনি তার রোগ সম্পর্কে জানতে পারেন, তার শরীরে নতুন রক্ত তৈরি হয় ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ইসলামের দৃষ্টিতে রক্তদান একটি মহৎ কাজ। মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন, "যে ব্যক্তি কোনো মানুষের প্রাণ রক্ষা করল, সে যেনো সব মানুষের প্রাণ রক্ষা করল।" (সূরা আল মায়িদা, আয়াত ৩২) । এছাড়াও, নবী (স.) ঘোষণা করেছেন, " তোমাদের কেউ তার অন্য ভাইয়ের উপকার করতে সক্ষম হলে, সে যেন তা করে।" ( সহিহ মুসলিম)।
রক্তদানের ইতিহাস: রক্তের বিভিন্ন গ্রুপের ও ট্রান্সফিউশন মেডিসিনের জনক অষ্ট্রিয়ার বিজ্ঞানী টার্ল ল্যান্ডস্টেইনার। তিনি ১৮৬৮ সালের ১৪ই জুন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯০০ সালে রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন এবং এ আবিষ্কারের জন্য ১৯৩০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। তার জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতেই ১৪ই জুন রক্তদাতা দিবস পালন করা হয়।

রক্ত মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত থাকলে শরীর থাকে সজিব ও সক্রিয়। আর শরীরে রক্তশূন্যতা বা এ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে। জীবন বাঁচাতে রক্ত এত‌ই গুরুত্বপূর্ণ যে, বলা হয় 'করিলে রক্তদান, বাঁচিবে একটি প্রাণ', 'আপনার রক্ত দিন, একটি জীবন বাঁচান', 'সময় তুমি হার মেনেছ রক্তদানের কাছে, ১০ মিনিট করলে খরচ একটি জীবন বাঁচে।' বাংলাদেশে প্রতিবছর ৫-৭ লক্ষ ব্যাগ রক্ত লাগে যার মাত্র ৩১ শতাংশ পাওয়া যায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের মাধ্যমে। বাকী রক্তের চাহিদা পেশাদার রক্তদাতা ও আত্মীয়-স্বজনের নিকট থেকে পূরণ করা হয়।
রক্তদানের যোগ্যতা: সাধারণ কার‌ও বয়স ১৮-৬০ বছরের মধ্যে ও ওজন ৪৫ কেজির বেশি হলেই রক্তদান করতে পারেন। একজন ব্যক্তির শরীরে তার ওজনের প্রতি কেজির জন্য ৬৬ মিলিগ্রাম রক্ত থাকে। এবং ঐ ব্যক্তির শরীরে বিদ্যমান মোট রক্তের ৮-১২% রক্তদান করতে পারেন। তবে, ১০% কে আদর্শ মান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ধরা যাক, একজন ব্যক্তির ওজন ৫০ কেজি। সুতরাং, তার শরীরে মোট রক্ত আছে (৫০*৬৬=৩,৩০০ মিলিগ্রাম)। সুতরাং, ঐ ব্যক্তি ৩,৩০০ মিলিগ্রাম এর ১০% অর্থাৎ ৩৩০ মিলিগ্রাম রক্তদান করতে পারবেন। রক্তদান করার জন্য একজন দাতার শরীর ৫টি রোগ হতে মুক্ত হতে হয়। যথা: হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, এইডস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস। রোগের স্কিনিং করার পর দাতার শরীর এসব রোগ মুক্ত হলেই তার শরীর থেকে রক্ত নেয়া যাবে। এক‌ইসাথে রোগীর ও দাতার রক্তের গ্রুপ ও ক্রস ম্যাচিং করতে হবে।
যারা রক্ত দিতে পারবে না:
১. রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে। ( পুরুষ ১২ গ্রাম/ডেসিলিটার ও নারী ১১ গ্রাম/ডেসিলিটার)
২. রক্তচাপ ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক না থাকলে।
৩. শরীরে কোনো রোগ থাকলে। যেমন: হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, ম্যালেরিয়া, এইডস, সিফিলিস, হাঁপানি, এলার্জি , হৃদরোগ বা অন্য কোনো জটিল রোগ থাকলে।
৪. অন্তঃসত্ত্বা নারী, ঋতুস্রাব চলাকালীন ও সন্তান প্রসবের ১বছরের মধ্যে।
৫. ৬ মাসের মধ্যে বড় কোনো অপারেশন হলে। কোনো টিকা বা ভ্যাকসিন নিলে, কেমোথেরাপি নিলে, এন্টিবায়োটিক নিলে।
রক্তদানের উপকারিতা:
রক্তদানে দাতার কোনো ক্ষতি হয় না। বরং নানাবিধ উপকারিতা রয়েছে। যেমন:
১. রক্তদানের ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমে ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এর ঝুঁকি কমে।
২. রক্তদানের সময় শরীরের বিভিন্ন রোগ ব্যাধি টেস্ট করা হয়, ফলে রক্তদাতা তার রোগ ব্যাধি সম্পর্কে জানতে পারে।
৩. রক্তদান দাতার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৪. রক্তদানের মাধ্যমে শরীরের আয়রণ দূর হয়, ফলে শরীর সুস্থ থাকে।
৫. বিভিন্ন সংস্থা রক্তদাতার পর একটি ডোনার কার্ড দেয়। যে কোনো সময়ে , জরুরি প্রয়োজনে কার্ড দেখিয়ে ঐ সংস্থা থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়।
৬. মানবিক, সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে রক্তদান একটি মহৎ কাজ, ধর্মীয়ভাবেও তা স্বীকৃত।
তাই, আমাদের রক্তদানে সচেতন হতে হবে ও পরিচিতদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের রক্তদানে উৎসাহিত করতে হবে।
লেখা:
সোহেল রানা

22/03/2022

A good face is the best letter of recommendation
Quin Elizabeth 1st

New project.Still i am novice and i am learning.
16/02/2022

New project.
Still i am novice and i am learning.

Address

Madaripur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learn with Sohel Rana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Learn with Sohel Rana:

Shortcuts

Share