14/06/2020
উপরের শিরোনামটি পরার পর আপনারা হয়ত অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। অনেকে হয়ত মনে মনে ভাবতেছেন এইটা আবার কেমন কথা, "কবরে বটগাছ মানেই শিরিক"। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম প্রচার করতে অনেক অলি আউলিয়া গন দেশে-দেশে এসেছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে অলি-আউলিয়াদের নামে চলতেছে প্রচলিত শিরিক। এই সব বাধ দিয়ে এবার আসল কথায় আসা যাক, আপনাদেরকে আগেই বলে রাখলাম বটগাছে কিন্তু ভুত থাকে। কথাটা কিন্তু আমার না হয়ত কোন একজন ব্যাক্তির মুখে শুনেছিলাম। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কবরের মধ্যে গাছ-রোপন করা হয়। হাদিসের মধ্যে কিন্তু কবরস্থান পরিষ্কার রাখার কথা বলা হয়েছে। গাছত গাছই তার মধ্যে আবার বটগাছ।। অনেকেই ভাবতেছে এখানে শিরিক এর কি আছে। তাহলে একটা ঘটনা বলি তাও ২০ বছর আগের, একটি গ্রামে একজন ভালো মানুষ মারা গেল তার নাতি তার কবরের মধ্যে শখের বসে একটি বটগাছ রোপন করলো। বটগাছ কিন্তু খুব তারাতাড়ি বড় হয় ও অনেক জরদেয় যা কবর কনন করতে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ধরেন বটগাছটি অনেক বড় হয়েছে একদিন গ্রামের একটিলোক বটগাছের পাশদিয়ে যাইতেছিল তখন তার খুব পেট-ব্যথা করতেছিল তখন সে বটগাছটি দেখে একটু গাছের নিছে বসলো ও বেটের ব্যথা সহ্য না করতে পেরে বটের একটি ফল বা পাতা চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছে এবং কিছুক্ষণ পর পেট-ব্যথা কমে যায়, আপনারা হয়ত জানেন যে বনিজি ঔষুধ বানাতে অনেক গাছের পাতা ও ফল কাজে লাগে। সে এবার সবার মধ্যে কথা চরালো যে বটগাছের কারনে পেটের ব্যথা কমেছে। গ্রামের মানুষরা গাছের প্রতি আলাদা বিশ্বাস করতে শুরু করল। আবার অনেকই পাত্তা দিল না।অন্য আরেক জন ব্যক্তি রাতের বেলা গাছের নিছ দিয়ে যাচ্ছিল হটাৎ আলোকিক কিচ্ছু একটা দেখতে ফেলো আমি আগেই বলেছিলাম বটগাছে কিন্তু ভুত তাখে।সে হয়ত ভুত দেখেছে । সে সকালে সবার মধ্যে কথাটি প্রচার করার পর এই এলাকার মানুষের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হল। অবশেষে এই এলাকার মানুষরা গাছের নিছে কবরের দিকে নজর দিলো। তারা ভাবতে শুরু করলো এইটা কোন অলি-আউলিয়ার কবর হবে। আসল ঘটনা এখান থেকেই শুরু । গ্রামের মানুষরা সহজ সরল তারা অবশেষে বটগাছটিকে লাল শালু কাপড় দিয়ে আবদ্ধ করলো এখান থেকেই আস্তে আস্তে শিরিক শুরু হল।তার পর একদল লোক সেটাকে পাকা করে মাজারে রুপান্তরিত করল। হয়ত আপনার বুঝে গেছেন আমার এই উপরের শিরোনামের অর্থ কি। আপনারা হয়ত পরতে পরতে উপরের গল্পটি ভুলেই গিয়েছেন যে শিরিক কোথা থেকে এসেছে শিরিক সৃষ্টি হয়ার পিছনে প্রধান কারন হচ্ছে ইসলামের প্রতি অজ্ঞতা। এই সমাজকে এমন কুসংস্কার ও শিরিক থেকে রক্ষা করতে কবরে গাছ রোপণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে আর বটগাছতো লাগানো যাবেই না।তা না হলে আমাদের পরবর্তী ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শিরিক এর মধ্যে লিপ্ত হবে। উপরিক্ত ঘটনার আলোকে আমি শুধু এইটাই বুঝতে চেয়েছি আমাদের ঈমান ও সমাজকে রক্ষা করতে এইসব গাছ থেকে লাল শালু কাপড় সরানো উচিত।।
উপরের শিরোনামটি পরার পর আপনারা হয়ত অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। অনেকে হয়ত মনে মনে ভাবতেছেন এইটা আবার কেমন কথা, “কবরে বট....