NUR BUY

NUR BUY Assalamu Walaikum. Welcome in Nurbuy. It is a product service organization not only

19/02/2024

দুনিয়া ছাড়িয়া,
যদি হে চলিয়া
যাই
ও হে
ও কাবার মালিকের বার্তাবাহক।
চরনে তোমার রাখিও মোরে
হাজির ও হয়েছি
বাসনা মনে!

তার কদমে
রহিলে বলো
ভয় ও কি আছে
বাদশাহি যে পেয়েছে
দুনিয়া ও আখেরাতে।
লাব্বাইক ইয়া রাসূল আল্লাহ
লাব্বাইক ইয়া হাবিবউল্লাহ
লাব্বাইক ইয়া খাতুমুনবী
লাব্বাইক ইয়া রহমাতুল্লিল আলামীন!

গোলাম তোমার
এসেছে ফিরে
চাহিয়া দেখো রওজা হতে,
ইয়া রাসূল আল্লাহ
ও ইয়া হাবিব আল্লাহ

চরনে গোলাম
হাজির ও তোমার।
যাহা চাহো কর
জীবন দান করিলাম
কদমে তোমার
ঐ গোলাম যে আসিয়াছে ফিরে
যাহারো পূর্ব পুরুষ
কোরবান তোমারও চরনে
ইয়া রাসূল আল্লাহ
ইয়া হাবিবউল্লাহ।

বিসমিল্লাহ আজ যেখানে এসেছিগত এক বছর আগেও এখানে এসেছিলাম,আজ আর ঐ দিনের মধ্যে তফাতখানিক টা, তবে জায়গা টা আসলেই খুবি সুন্দর...
16/02/2024

বিসমিল্লাহ
আজ যেখানে এসেছি
গত এক বছর আগেও এখানে এসেছিলাম,
আজ আর ঐ দিনের মধ্যে তফাতখানিক টা, তবে জায়গা টা আসলেই খুবি সুন্দর।
রাব্বুল কাবা
দুনিয়ার মানুষদের কে সুন্দর করে বানিয়েছেন।
মেধা গুনে অন্ত নিহিত করে,যাতে তারা অংকন করতে পারে চোখ শীতল করার মত অবলোকন।
রাব্বুল কাবা
দুনিয়ায় অসংখ্য অগণিত নিয়মত দান করেছেন তার সৃষ্টি কুলের জন্য,যা থেকে কিছু তারা ভক্ষন করে আর কিছু তারা অংকন করে চোখের তৃপ্তির জন্য আর বিরাট একটি অংশ থেকে যায় অজান্তে।
আমি মেঘের উপর যখন ভেসে বেরিয়েছি,আমার তন্দ্রা এসে যায় নিয়ামত দেখে,হেটে বেড়ানোর ইচ্ছে জাগে,কুয়াশার চাদরে থাকা আকাশের নিচের অংশে।
রবের নিয়ামত আর সৃস্টি দেখে অতৃপ্তিতে ভোগে হৃদয়।
জানার আগ্রহ প্রবল হৃদয়ে তবে উপায় জানা নেই।
হে রাব্বুল ইজ্জাত
আকাশ লাল বর্ণ ধারনের আগেই আকাশে তুলে নেও।
আর জালিমের অত্যাচার হতে রক্ষা করো যেমন করে রক্ষা করেছিলে তোমার নিয়ামত প্রাপ্তদের। আমিন।

আসসালামু ওয়ালাইকুম। প্রিয় ভাই ও বোনেরা আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে NurBuy এ চলছে বিশাল ছাড়।Samuung Guru Music 2 পাচ্ছেন...
14/03/2022

আসসালামু ওয়ালাইকুম।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা
আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে NurBuy এ চলছে বিশাল ছাড়।
Samuung Guru Music 2 পাচ্ছেন মাত্র ১৭৫০/- টাকায়।
বিদ্রঃ আগে কোন পেমেন্ট করতে হবে না।ফোন হাতে পেয়ে পেমেন্ট করবেন।
আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী।
আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে নিলে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি।
NETWORK
Technology GSM
LAUNCH
Announced 2014, May. Released 2014, June
Status Discontinued
BODY
Dimensions 112.7 x 46.4 x 13.1 mm (4.44 x 1.83 x 0.52 in)
Weight 75 g (2.65 oz)
SIM Dual SIM, (Mini-SIM, dual stand-by)
DISPLAY
Type TFT, 65K colors
Size 2.0 inches, 12.6 cm2 (~24.1% screen-to-body ratio)
Resolution 128 x 160 pixels (~102 ppi density)
PLATFORM
CPU 208 MHz
MEMORY
Card slot microSDHC (dedicated slot)
Phonebook Yes
Call records Yes
CAMERA
No
SOUND
Loudspeaker Yes
3.5mm jack Yes
COMMS
WLAN No
Bluetooth No
GPS No
NFC No
Radio Stereo FM radio, RDS, recording
USB microUSB 2.0
FEATURES
Sensors
Messaging SMS
Games Yes
Java
BATTERY
Type Li-Ion 800 mAh, removable
Talk time Up to 11 h (3G)
MISC
Colors White
Models SM-B310E
SAR EU 0.87 W/kg (head)
Price About 20 EUR
USER OPINIONS AND REVIEWS
aa
16 GB

এটি মাইক্রোস্কোপে আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট! রেখাগুলি ভালো করে দেখুন, কে এদের আলাদা আলাদা প্যাটার্নে সাজালেন একটু তো ভাবুন!স...
09/01/2021

এটি মাইক্রোস্কোপে আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট! রেখাগুলি ভালো করে দেখুন, কে এদের আলাদা আলাদা প্যাটার্নে সাজালেন একটু তো ভাবুন!
সামান্য ১ ইঞ্চি জায়গায় যিনি কোটি কোটি মানুষের আঙুলের নকশাকে আলাদা প্যাটার্নে সাজাতে পারেন, সেই স্রষ্টার সামনে মাথা ঠেকাতে কেনো আমাদের এতো লজিক ?
"মানুষ কি মনে করে যে, আমি (আল্লাহ) তার অস্থিসমূহ একে অন্যর সাথে একত্রিত করব? তাহলে তাদের বলো কেবল এই নয়, আমি তার আঙ্গুলের ডগা (আঙ্গুলের ছাপ) পর্যন্ত আলাদা করতে সক্ষম।"
(সূরা কিয়ামাহ : ৩-৪)

30/12/2020

ভারতের পেঁয়াজকে ‘না’ বলি
ভারতের মোদী সরকারের সীমান্তে ‘গরু পারাপার’ বন্ধ করে দেয়ায় গত ৫ বছরে বাংলাদেশ গরুতে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে পেঁয়াজ বন্ধ করে দেয়ায় বাংলাদেশ তাৎক্ষণিক সংকটে পড়লেও ধীরে ধীরে ‘পেঁয়াজ সংকট’ কাটিয়ে উঠার চেস্টা করছে। বাংলাদেশে এবার বিপুল পরিমান পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে ওঠায় রসুঁইঘরের অপরিহার্য মশলাজাতীয় এই পণ্যটির দাম কমতে শুরু করেছে।
এ অবস্থায় গত ২৮ ডিসেম্বর ভারতের কৃষকদের স্বার্থে হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারকে টার্গেট করেই মোদী সরকার নতুন বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন আমাদেরও সময় এসেছে ভারতের পেঁয়াজকে ‘না’ বলা। পেঁয়াজ পচনশীল পন্য। সরকারির দায়িত্বশীলদের উচিত দেশের কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজের কথা চিন্তা করে ভারতীয় পেঁয়াজ যাতে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
প্রয়োজনে ভারতের পেঁয়াজ আমদানিতে একশগুন শুল্ক আরোপ করা। ভারতের হিন্দুত্ববাদী মোদী সরকার ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে বাংলাদেশের ১৭ কোটি ভোক্তাকে নাকানিচুবানি খাইয়েছে। হঠাৎ সীমান্তে পেঁয়াজের ট্রাক প্রবেশে বাধার সৃষ্টি করায় বিপকে পড়ে বাংলাদেশ। বাজারে পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠে। ভোক্তাদের চাহিদার মেটাতে বিকল্প বাজার হিসেবে মিসর, তুরস্ক, চীন, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। সে সময় পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পেঁয়াজ সংকট মোকাবিলায় তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তান দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের পাশে। মিশর ও তুরস্ক থেকে কার্গো বিমানে করে পেঁয়াজ এনে সংকট সামাল দেয়া হয়। এতে বিমানে প্রতিকেজি পেঁয়াজের পরিবহন খরচ পড়ে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। দেশের মানুষ ২৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ খেতে বাধ্য হয়েছে। সে পেঁয়াজের দাম এখন কমতির দিকে। দেশে এখন পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে। কৃষকরা ন্যার্য্যমূল্য পাওয়ার প্রত্যাশায় মশলাজাতীয় পণ্যটি উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছেন।
এখন শীতকাল, চলছে পেঁয়াজের মৌসুম। দেশি-বিদেশী পেঁয়াজের পাশাপাশি মুড়াকাটা পেঁয়াজে বাজার ছয়লাব। পাশাপাশি মিশর, তুরস্ক থেকে আমদানী করা পেঁয়াজও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করায় সীমিত আয়ের মানুষ ও নিম্নবৃত্তরা ট্রাকের লাইনে দাঁড়িয়ে স্বল্প মূল্যে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ ক্রয় করছেন। ফলে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে সারা দেশের বাজারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই কমছে পেঁয়াজের দাম। দেশের কৃষকদের প্রত্যাশা এবার তারা মশলাজাতীয় কৃষিপণ্যটির ভাল দাম পাবেন। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশীয় উৎপাদিত পেঁয়াজ কিছুটা বেশি দামে ক্রয় করে খাওয়ার মানসিকতা গড়ে উঠছে। অর্থনীতিবিদদের অভিমত পেঁয়াজে বাংলাদেশ স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত কৃষকরা পেঁয়াজের চাষাবাদ করছেন। এ অবস্থায় ভারত থেকে পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হলে দেশের কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়বেন। মনে রাখতে হবে করোনাভাইরাসের পাদুর্ভাবের মধ্যেই সবকিছু বন্ধ থাকলেও কৃষকরা পণ্য উৎপাদন বন্ধ রাখেননি। ঝড়বৃষ্টি রোদ উপেক্ষা করে তারা ১৭ কোটি মানুষের জন্য নানান জাতীয় পণ্য উৎপাদন করেছেন। এ অবস্থায় ভারতের পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হলে কৃষকদের সর্বনাশ হয়ে যাবে।
মূলত: বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির লক্ষ্যে ভারত পণ্যটি রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে। ভারতের কৃষকরা গত এক মাস ধরে নানান দাবিকে দিল্লিতে আন্দোলন করছে। কৃষকদের আন্দোলনের মুখে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি সরকার এখন কোনঠাসা। কৃষকদের খুশি করার চেষ্টায় পেঁয়াজ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। ভারতের মিডিয়াগুলোর খবরে বলা হয় কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশটির (ভারত) অভ্যন্তরীন বাজারে পেঁয়াজের দাম অনেক কমে গেছে। বিদেশে রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশের বাজারে কৃষকরা কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। সে কারণে গত সোমবার পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে পেঁয়াজ রফতানি শুরু করবে। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব ধরনের পেঁয়াজের রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় কমবেশি পেঁয়াজ চাষাবাদ হয়। এবার প্রায় ৬০টি জেলায় পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হবে তা সংরক্ষণ করা গেলে পেঁয়াজে দেশ স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। তবে পচনশীল পণ্য হওয়ায় কিছু নষ্ট হলেও অন্যদেশ থেকে সামান্য কিছু পেঁয়াজ আমদানি করা যেতে পারে। গতকাল রাজধানীর শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখি। দেশে যে পরিমান পেঁয়াজ উৎপাদিত হচ্ছে তাতে ভোক্তারা ৩০ থেকে ৪৫ টাকার মধ্যেই পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।
গতকাল মঙ্গলবার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৬০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। মুড়িকাটা পেঁয়াজের দামও কম। এ অবস্থায় কেন ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করবো? সীমান্ত দিয়ে ভারতের পেঁয়াজে ট্রাক যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সোচ্চার হই। আসুন ভারতের পেঁয়াজকে ‘না’ বলি।

26/12/2020

ভারতে পাহাড়ী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আস্তানায় বিজিবির উদ্বেগ
গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ ৫১তম সীমান্ত সম্মেলন
📷
বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের অভ্যন্তরে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা থাকার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই আস্তানাগুলো ধ্বংস করার জন্য অনুরোধ করা হয়। ভারতের গুয়াহাটি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫১তম সীমান্ত সম্মেলনে এই অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুই বাহিনীর মহাপরিচালকের যৌথ প্রেস বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিজিবির অনুরোধের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ওই সব আস্তানার (যদি থাকে) বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল ভারতের গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫১তম সীমান্ত সম্মেলন (২২-২৬ ডিসেম্বর)-এ অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী রাকেশ আস্থানা, আইপিএস এর নেতৃত্বে ভারতের ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহন করেন। বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিক দুর্বৃত্ত কর্তৃক বাংলাদেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা, আহত ও মারধরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে অধিক কার্যকরী উদ্যোগ হিসেবে সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাসমূহে রাত্রিকালীন যৌথ টহল পরিচালনার ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হয়। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় জনসচেতনতামূলক কর্মসূচী আরও বেগবান করা, যথার্থ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণসহ সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সর্বদা দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্কের প্রশংসা করে এবং তারা প্রত্যাশা করে যে, বিজিবি এবং বিএসএফ সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তিনি মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখতে এবং অপরাধীদেরকে হত্যার পরিবর্তে নিজ নিজ দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর আহবান জানান। সীমান্তে হত্যার ঘটনা অদূর ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে বলে বিএসএফ মহাপরিচালক আশ্বাস প্রদান করেন। সীমান্তে মানবাধিকার রক্ষা ও সহিংসতা রোধে যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে উভয় পক্ষই সীমান্তে জনসচেতনতা কর্মসূচি জোরদারকরণ, দুর্গম অঞ্চলে যথাযথ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণসহ সমন্বিত টহল বৃদ্ধি করে সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সম্মত হয়।
বিজিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজিবি মহাপরিচালক সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি) এর ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন ধরণের আন্ত:সীমান্ত অপরাধ যেমন- মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য বিশেষ করে ইয়াবা পাচার, আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালান, গবাদি পশু, জালমূদ্রা, স্বর্ণ চোরাচালানের ব্যাপারে উদে¦গ প্রকাশ করেন এবং এসকল অপরাধ দমনের জন্য বিএসএফ এর সহযোগিতা কামনা করেন।বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন যে, অবৈধ মাদক পাচারের ফলে উভয় দেশের যুব সমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি মারাত্বকভাবে বেড়েছে যা উভয়ের জন্যই বিপদজনক এবং এটাকে কার্যকরভাবে মোকাবেলা করা দরকার।
সম্মেলনে বিজিবি প্রধান বলেন, প্রচলিত আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে ভারতীয় নাগরিক এবং বিএসএফ সদস্যরা প্রায়শই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে যা দু›টি বন্ধুত্বপূর্ণ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে- এ বিষয়ে বিজিবি মহাপরিচালক উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রাখতে বিএসএফের সহযোগিতা কামনা করেন। উভয় পক্ষই অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রম বা সীমানা লঙ্ঘন থেকে সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে বিরত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং একই সাথে উভয় বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সীমান্তের নিয়মনীতি বজায় রাখার ব্যাপারে আশ্বাস দেয়া হয়েছে। গত ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে (ভার্চুয়ালি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী জেলার পদ্মা নদীর ১.৩ কি.মি. নিরীহ পথের অনুরোধ বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। বিজিবি মহাপরিচালক বিএসএফ মহাপরিচালককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিষয়টি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করেন। বিএসএফ মহাপরিচালক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।
বিজিবি মহাপরিচালক ভারতের মিজোরাম রাজ্যের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এই আস্তানাগুলো ধ্বংস করার জন্য অনুরোধ করেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র কথা উল্লেখ করে বিএসএফ মহাপরিচালক ঐসব আস্তানার (যদি থাকে) বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। উভয় পক্ষই পূর্বে অবগত করা ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ না করার বিষয়ে পারস্পরিক সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

26/12/2020

চারদিক থেকে পররাষ্ট্র নীতির মুখে বাংলাদেশ!
বাংলাদেশের সাথে সবাই হঠাৎ করে ভালো সম্পর্ক তৈরী করতে চাচ্ছে তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ এইখানে আমরা নিজেদের উন্নয়ন কিংবা দেশের ভালো হবে এমন বিষয় গুলোতে মনযোগ দেওয়া।
বেশ কয়েকদিন ধরে নানা দেশের বড় বড় কর্মকতা এবং কূটনীতিকরা রা বাংলাদেশে আসছে নানারকম পরিকল্পনা নিয়ে।
বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে কিছু "Think Tank" তৈরী করা উচিৎ যেখানে শুধু গবেষণা করা হবে কার সাথে কেমন Strategy Follow করলে দেশের জন্য লাভ হবে।
এইটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময় আমাদের জন্য। কয়দিন ধরে United States, China, Turkey, Saudi Arabia, India সহ বাকি সব দেশ থেকেই ইতিমধ্যে প্রতিনিধি এসে বাংলাদেশ নিয়ে তাদের পরিকল্পনা গুলো জানিয়ে গেছে এবং আলাপ-আলোচনা চলছে এইসব নিয়ে। আমরা এই সময়টা ভালো ভাবে কাজে লাগিয়ে যদি বৈদেশিক ইনভেস্টমেন্ট আনতে পারি তাহলে প্রচুর পরিমানে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে যা দেশের বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে অনেক সাহায্য করবে এবং সাথে দেশের অর্থনীতিক চাকা আরো ভালো ভাবে ঘুরবে!
ইতিমধ্যে নানা দেশের গবেষকরা বলেছে বাংলাদেশ যদি অর্থনীতি ঠিক মত ধরে রাখতে পারে এশিয়াতে চীনের পরপরই বাংলাদেশের অবস্থান থাকবে। আমাদের দেশের Corruption আমাদের সব চেয়ে বড় শত্রু পাশাপাশি মানি লন্ডারিং তো আছেই এইগুলোর বিরুদ্ধে ভালো ভাবে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশের চেহারা পরিবর্তন হতে বেশী সময় লাগবে না।
কয়েকদিন আগেই জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন ২০২৫ এর পর আমরা অন্যরকম বাংলাদেশ দেখবো!
এমন মন্তব্য করার পিছনে কিছু কারণ অবশ্যই আছে।
বাংলাদেশের জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা এবং শুভকামনা ❤
লেখাঃ আব্দুল্লাহ আল জাবের।

সর্ববৃহৎ উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং বিমানের ভিতরকার দেয়ালের উপাদান তৈরিতে কাজ করতে গিয়ে একদিন তার মনে হল, আমি এখ...
25/12/2020

সর্ববৃহৎ উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং বিমানের ভিতরকার দেয়ালের উপাদান তৈরিতে কাজ করতে গিয়ে একদিন তার মনে হল, আমি এখানে কি করছি! আমার সব গবেষণা, উদ্ভাবন তো বিদেশের এদের কাছে চলে যাচ্ছে, এদের কাজে লাগছে। আমার দেশের কাজে তো লাগছে না!
আমেরিকার সর্বোচ্চ সুবিধা ছেড়ে তিনি দেশে ফিরে আসলেন। বানালেন পলিথিনের বিকল্প পাটের তৈরি বিশ্বে চমক সৃষ্টিকারী সোনালি ব্যাগ। বানালেন পাটের তৈরি ঢেউটিন, পাট দিয়ে হেলমেট, টাইলস, গরুর হাড় থেকে উন্নত জিবানুকরন উপাদান, চিংড়ির খোসা দিয়ে বানিয়েছেন প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ, সামুদ্রিক শেওলা থেকে বানিয়েছেন উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক সার, লালশাকের মতো সবজির উৎপাদন সময় কমিয়ে এনেছেন অর্ধেক।
পরিবারে তাকে সবাই চিনে খসরু নামে। বাল্যকাল থেকেই মেধাবী ছাত্র খসরুর আগ্রহ ছিল সাইন্টিফিক এক্সপেরিমেন্টের প্রতি। ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইয়ের ছবি আঁকা পরীক্ষাগুলো বাসায় নিজে নিজে করে দেখতেন। কখনও সফল কখনও ব্যর্থ, ব্যর্থতা তাকে থামায়নি বরং গবেষণার প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলে।
কাজ করেছেন জার্মানিতে ডিএএডি এবং অ্যাভিএ’র সহকর্মী হিসেবে, জাপানে জেএসএসএস, এমআইএফ এর ফেলো হয়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি) এবং অস্ট্রেলিয়ায় আইএইএ এর সহযোগী হিসেবে।
১৭ টি বই এবং একটি পেটেন্টসহ ৬০০ টির বেশি প্রকাশনার লেখক, সহ-লেখক।
তিনি পাট ভালোবাসেন। বলেন, আমি যেখানেই যাই, হাতে করে একগাছি পাট নিয়ে যাই। এইটা তো একান্তই আমাদের।
পাটের তৈরি পলিথিনের বিকল্প সোনালি ব্যাগ উনার আলোড়নসৃষ্টিকারী উদ্ভাবন। পরিবেশ রক্ষায় যেখানে দুনিয়া জুড়ে চলছে আন্দোলন, প্রায় বাহাত্তুরটি রাষ্ট্র আইন করে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে পলিথিনের ব্যবহার। সবাই খুঁজছে পলিথিনের বিকল্প। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাজার বসে উন্মুখ হয়ে বসে আছে।
সোনালি ব্যাগ সেই জাদুর বিকল্প। সোনালি ব্যাগ, মাটিতে পুতে রাখলে এক থেকে ছয়াসের মধ্যে পচে যায়, পরে পরিণত হয় জৈব সারে। পানিতে ফেললে একমাসের মধ্যে পানিতে দ্রবীভূত হয়ে মাছের খাদ্যে রুপান্তরিত হয়ে যায়।
দুনিয়া পাল্টে দেয়া এই উদ্ভাবক বিজ্ঞানি মোবারক আহমদ খান।
সোনালি ব্যাগ উৎপাদনে গিয়েছিল বহু আগেই। কিন্তু তারপর? দুইহাজার দুই সালে পথিলিন ব্যাগ নিষিদ্ধ হয়েছিল। বাকিটা ইতিহাস। বর্তমান বাজারে পলিথিন ব্যাগের ছড়াছড়ি। বাজারে সোনালি ব্যাগের দেখা নেই। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশী পণ্য হিসেবে সোনালি ব্যাগের প্রচারণা নেই।
কিছুদিন আগে শুনেছিলাম এই বিজ্ঞানী অসুস্থ, জানি না এখন কেমন আছেন, কোথায় আছেন। জানি না তার উদ্ভাবিত সোনালি ব্যাগের ভবিষ্যৎ।
'বাবু খাইসো' নিয়ে মিডিয়া আলোড়িত হয়, ভাস্কর্য নিয়ে রাষ্ট্র তোলপাড় হয় আর মোবারক আহমদ খানের মতো মানুষরা বিশ্ব বদলে দেয়া পণ্য দেশের মাটিতে আবিষ্কার করে নীরবে পড়ে থাকে।
তবুও নির্লজ্জের মতো বলবো, Thanks for being Bangladeshi.
লিখেছেনঃ Md Rafiuzzaman Sifat

24/12/2020

৪০ বছর ধরে ভুয়া হালাল মাংস খাচ্ছেন মালয়েশিয়ার মুসলিমরা
📷
মালয়েশিয়ায় গত ৪০ বছর ধরে ‘হালাল’ বলে গরুর মাংসের বদলে ঘোড়া ও ক্যাঙ্গারুর মাংস বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে তাদের এই প্রতারনার চিত্র তুলে ধরেছে মালয়েশিয়া ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রাটিস টাইমস। এই ঘটনায় মালয়েশিয়া জুড়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চক্রটি কানাডা, কলম্বিয়া, ইউক্রেন, উরুগুয়ে, স্পেন এবং মেক্সিকোর মতো দেশ থেকে মাংস আমদানি করে। যেসব প্রতিষ্ঠান এই মাংস পাঠায় তাদের কারোরই এই সংক্রান্ত অনুমোদন নেই। তারা হালাল প্রত্যয়িত কসাইখানা ও উৎপাদনকারীদের থেকে ৫০ শতাংশ কম দামে মাংস বিক্রি করে থাকে। মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ প্রশংসাপত্র দেয় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট মালয়েশিয়া (জেএকেআইএম) এবং ভেটেরিনারি সার্ভিসেস বিভাগ (ডিভিএস)। বিষয়টি তারাও উপেক্ষা করে এসেছে। এসব মাংস হালাল সার্টিফিকেট পাওয়া মাংসের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হয়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, সেখানে হালাল বলে গরুর মাংসের সাথে মিশিয়ে ক্যাঙ্গারুর ও ঘোড়ার মাংসও বিক্রি করা হচ্ছিল। আবার তারা যে গরুর মাংস আমদানি করত তা নিম্নমানের এবং প্রায়শই অসুস্থ গরুর হওয়ায় কম দামে পাওয়া যেত।
নিউ স্ট্রাটিস টাইমস জানিয়েছে, দুর্নীতিগ্রস্থ সরকারী কর্মকর্তারা এসব বন্দর থেকে এসব মাংস ছাড় দিতে ৩৬ থেকে ৭৩৮ ডলার ঘুষ নিতো। গ্রাউন্ডে অফিসারদের দেয়া তথ্যমতে, প্রতিটি কন্টেইনার ছাড় করতে ৩৬ থেকে ১২৩ মার্কিন ডলার দিতে হতো। কিছু ক্ষেত্রে অফিসারদের জন্য নারীদেরকেও পাঠানো হতো। শুল্ক ফাঁকি এবং হালাল-প্রশংসাপত্র পেতে জড়িত ব্যয়গুলো এড়ানোর মাধ্যমে চক্রটি বড় অংকের মুনাফা করতো। তাদের এই কার্যক্রম গত ৪০ বছর ধরে চলে আসছে।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে মালয়েশিয়ার কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন পরিষেবা বিভাগ (এমএকিউআইএস), মালয়েশিয়ার শুল্ক বিভাগ এবং বন্দর পুলিশকে মালয়েশিয়ার বন্দরে প্রবেশকারী পণ্যগুলো ভোক্তাদের কাছে না যাওয়ার আগে পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কুয়ালালামপুরের মাংস ব্যবসায়ী ও হকার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের সদস্যদেকে অস্থায়ীভাবে গরুর মাংস ভিত্তিক পণ্য বিক্রি করা বন্ধ রাখতে বলেছে। সূত্র: ম্যাশাবল এশিয়া।

24/12/2020

তুরস্কে ৬০০ কোটি ডলার মূল্যমানের স্বর্ণখনির সন্ধান
📷
তুরস্ক দেশের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে একটি বড় সোনার খনি আবিষ্কার করেছে যার পরিমাণ আনুমানিক ৩৫ লাখ আউন্স (৯৯ টন)। এই খনি থেকে দেশটি প্রায় ৬০০ কোটি ডলার (৫০ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা) আয় করতে পারবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এই তথ্য জানিয়েছে।
করোনা মহামারি ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় রয়েছে তুরস্ক। নতুন এই স্বর্ণখনি আবিষ্কার সঙ্কট মোকাবেলায় তুরস্কের প্রতি সৃষ্টিকর্তার রহমত বলেই মনে করা হচ্ছে। মধ্যপশ্চিম তুরস্কের সগুত শহরের কাছে খনিটির সন্ধান পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন, দি অ্যাগ্রিকালচারাল ক্রেডিট কোঅপারেশনস অব টার্কি এবং গুবরেতাশ ফার্টিলাইজার প্রডাকশন ফার্মের প্রধান ফখরুদ্দিন পয়রাজ। তিনি আনাদোলুকে বলেন, ‘আমরা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ পেয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই বছরের মধ্যে আমরা প্রথম স্বর্ণ উত্তোলন করবো এবং এর মূল্য তুর্কি অর্থনীতিতে যোগ করবো।’
এদিকে নতুন স্বর্ণখনি পাওয়ার খবরের পর তুরস্কের শেয়ারবাজার বোরসা ইস্তাম্বুলে গুবরেতাশ কোম্পানির শেয়ারমূল্য ১০ শতাংশের মতো বেড়ে গেছে। পয়রাজ জানান, ২০১৯ সালে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অন্য একটি কোম্পানি থেকে গুবরেতাশ ফার্টিলাইজার এই জমির মালিকানা পায়। তারা নিজেরাই এই খনি থেকে স্বর্ণ উত্তোলনের ব্যবস্থা করবে। তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী ফাতিহ দোনমেজ গত সেপ্টেম্বরে জানান, তুরস্ক গত বছর ৩৮ টনের মতো স্বর্ণ উৎপাদনের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। চলতি বছরের অক্টোবর অবধি তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে ৫৯ লাখ আউন্স সোনা জমা ছিল। বর্তমানে কেবল চীন এবং রাশিয়ার কাছে তুরস্কের থেকে বেশি সোনা স্টক রয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

সিলেটের করিমগঞ্জ যেভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলোসাতচল্লিশের দেশভাগ উপমহাদেশের এক ঐতিহাসিক বিতর্কিত বিষয়। বিতর্কিত এই দেশভ...
20/12/2020

সিলেটের করিমগঞ্জ যেভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো
সাতচল্লিশের দেশভাগ উপমহাদেশের এক ঐতিহাসিক বিতর্কিত বিষয়। বিতর্কিত এই দেশভাগে কত মানুষ তার পৈত্রিক সম্পত্তি হারিয়েছে, কত মানুষকে তার সহায়-সম্বল সবকিছু ফেলে পাড়ি জমাতে হয়েছে ভিনদেশে, কিংবা কত মানুষ জন্মভূমি ছেড়েছে আর পেছনে রেখে গেছে তার শৈশবের সোনালী স্মৃতি তার কোনো হিসাব নেই। দু'চোখের জল ফেলে যখন বাপদাদার ভিটা ছাড়তে হয়েছে তখন তাদের মনের "কী অপরাধ করেছি আমরা?" এমন প্রশ্নের উদয় হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এ প্রশ্নের উত্তর হয়তো আজও কারো জানা নেই।দেশভাগের সময় বেশ কিছু বিতর্কিত অঞ্চলের মধ্যে করিমগঞ্জ অন্যতম। করিমগঞ্জ বর্তমান ভারতের আসাম রাজ্যের একটি জেলা। ১৭৮৫ সালে যখন সুবা বাংলার দেওয়ানি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোস্পানির হস্তগত হয় তখন করিমগঞ্জ সিলেটের অংশ হওয়ায় ব্রিটিশদের অধীনে চলে যায়। কিন্তু সমগ্র সুবা বাংলা ব্রিটিশদের অধীনে আসলেও করিমগঞ্জে ব্রিটিশরা এক বছর পর্যন্ত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।

সেসময় দক্ষিণ করিমগঞ্জের রাধারাম নামক এক জমিদার করিমগঞ্জের বিশাল একটি অংশ নিজের অধীনে রাখতে সক্ষম হন। এই স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য তৎকালে জমিদার রাধারামকে অনেকেই 'নবাব রাধারাম' বলতে শুরু করেন। ব্রিটিশদের সাথে প্রথমবার যুদ্ধে জয়লাভ করে রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারলেও পরেরবার তিনি পরাজিত হন এবং ব্রিটিশদের হাতে বন্দী হন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্যরা রাধারামকে যখন সিলেটে নিয়ে যায় তখন তিনি আত্মহত্যা করেন। ফলে ১৭৮৬ সাল থেকে সমগ্র করিমগঞ্জের উপর ব্রিটিশরা তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
১৮৭৮ সালে যখন সিলেট পৌরসভা গঠন করা হয় তখন ব্রিটিশ সরকার করিমগঞ্জকে মহকুমা করে সিলেটের সাথে জুড়ে দেন। সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণে কুশিয়ারা নদীর পাড়েই করিমগঞ্জ শহর অবস্থিত। করিমগঞ্জের আয়তন ১,৮০৯ বর্গ কিলোমিটার, যা মোটামুটি গাজীপুর জেলার থেকেও বড়। এ জেলার উত্তর-পূর্বে আসামের কাছাড় জেলা, পূর্বে হাইলাকান্দি জেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে ত্রিপুরা রাজ্য এবং উত্তর ও পশ্চিমে বাংলাদেশ দ্বারা বেষ্টিত। আসামের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে এর দূরত্ব ৩৩০ কিলোমিটার, অপরদিকে সিলেট শহর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৫০ কিলোমিটার।

এ জেলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮৭ ভাগ মানুষ বাংলাভাষী, অন্যদিকে হিন্দিভাষী জনগোষ্ঠী মাত্র ৫.৭ ভাগ। এছাড়া জেলায় বসবাসকারী প্রায় ১৩ লক্ষ জনগণের মধ্যে ইসলাম ধর্মাবলম্বী রয়েছে প্রায় ৫৭ ভাগ, অপরদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ৪২ শতাংশ। দেশভাগের সময় অবশ্য মুসলিম ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা আরো বেশি ছিল। আমাদের আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক সৈয়দ মুজতবা আলী জন্মেছিলেন এই জেলাতেই। কিন্তু কথা হলো, এই অঞ্চলটি কীভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো?
বাংলাভাষী সিলেট অঞ্চলটি ঐতিহাসিকভাবেই পূর্ববঙ্গের সাথে অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ১৮৭৪ সালে যখন আসাম রাজ্য গঠিত হয় তখন ব্রিটিশ সরকার সিলেট অঞ্চলকে নবগঠিত আসাম রাজ্যের সঙ্গে জুড়ে দেয়। যদিও ওই অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ পূর্ববঙ্গের সঙ্গেই থাকতে চেয়েছিল। সিলেটকে আসামের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার ফলে ওই অঞ্চল শিল্পসমৃদ্ধ হয় এবং স্থিতিশীল একটি রাজ্য হিসেবে আসাম প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সেসময় সিলেট ছিল শিক্ষাদীক্ষা এবং শিল্পায়নে অগ্রসর। অপরদিকে আসাম ছিল তুলনামূলক অনুন্নত। তাই সমৃদ্ধ রাজ্য প্রতিষ্ঠায় সিলেটকে আসামের সাথে জুড়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল ব্রিটিশ সরকার।

প্রায় তিন দশক সিলেটের প্রশাসনিক অবস্থান এরকমই ছিল। ১৯০৫ সালে যখন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয় তখন আসামকে পূর্ববাংলার সাথে জুড়ে দেওয়ার মাধ্যমে সিলেট পুনরায় বাংলার অংশ হয়ে ওঠে। এর স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ বছর। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হলে আবারও সিলেটের সাথে বাংলার বিচ্ছেদ ঘটে। সিলেট হয়ে ওঠে আসাম রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

১৯৪৭ সালের ৩রা জুন ভারতবর্ষের শেষ গভর্নর লর্ড মাউন্টব্যাটেন মুসলিম লীগ, কংগ্রেস এবং শিখদের সাথে বৈঠক শেষে ঘোষণা দেন ধর্মের ভিত্তিতেই দেশ ভাগ করা হবে। সুতরাং পাঞ্জাবের মতো বাংলাকেও ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। ফলে বাংলার কিংবদন্তি নেতা এ. কে. ফজলুল হকের অখণ্ড বাংলার স্বপ্ন মাটিতে পরিণত হয়।

র্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র বিভাজনের যে রূপরেখা প্রণয়ন করা হয় তাতে আসাম রাজ্যটি যাবে ভারতের অধীনে। তবে আসামের মাত্র একটি জেলা সিলেট নিয়ে বিভেদ দেখা দেয়। যদিও তখন সিলেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মাবলম্বী ছিল মুসলিম। অবশেষে ৩রা জুলাই ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ঘোষণা দিলেন- আসামের গভর্নর জেনারেলের তত্ত্বাবধায়নে সিলেটে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সিলেটের মানুষ কোন দেশের সাথে থাকতে চায় সেই সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেওয়ার সুযোগ পাবে।

১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ জুলাই ভোটগ্রহণ চলে। ব্যালট পেপারে জন্য দুটি প্রতীক নির্ধারণ করা হয়। একটি হলো কুড়াল, অপরটি কুঁড়েঘর। কুড়াল মার্কায় ভোট দেওয়ার অর্থ হচ্ছে পাকিস্তানের সঙ্গে থাকতে চাই, এবং কুঁড়েঘরে ভোট দেয়ার অর্থ হচ্ছে ভারতের সঙ্গে থাকতে চাই। সমগ্র সিলেট জুড়ে তখন মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৫,৪৬,৮১৫ জন‌। কুড়াল মার্কার পক্ষে মুসলিম লীগ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে থাকে, অন্যদিকে কুঁড়েঘর মার্কা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সর্বভারতীয় কংগ্রেস।

সিলেটের সুনামগঞ্জ, করিমগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ মিলে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রায় ৭৭ শতাংশ মানুষ অংশগ্রহণ করে। ৫৬.৫৬% ভোট পেয়ে কুড়াল মার্কা বিজয় অর্জন করে। ফলে সিলেটের পূর্ব পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকল না। ঠিক এই প্রক্রিয়াতেই সিলেটসহ হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ এবং করিমগঞ্জ মহকুমা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা ছিল। তাহলে কীভাবে করিমগঞ্জ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো?

করিমগঞ্জ যেভাবে ভারতের হলো
ব্রিটিশরা যখন সিদ্ধান্ত নিল যে, ধর্মের ভিত্তিতে ভারত এবং পাকিস্তান নামক দুটি দেশকে স্বাধীনতা দিয়ে তারা বিদায় নেবে, তখন এই দুই দেশের সীমানা নির্ধারণের দায়ভার দেওয়া হয় স্যার সিরিল র‌্যাডক্লিফের হাতে। স্যার র‌্যাডক্লিফ ছিলেন ভারতবর্ষে একেবারেই নতুন। উপমহাদেশে কোনো কাজের অভিজ্ঞতা তার ছিল না। তার নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশন সিলেটের গণভোটের পর থেকেই সীমানা নির্ধারণের কাজে সম্পূর্ণ মনোযোগ দেয়।

অনেক সমীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পর ১২ আগস্ট যখন 'র‌্যাডক্লিফ লাইন' প্রকাশিত হয়, তখন হতাশ ও বিক্ষুদ্ধ হয় মুসলিম লীগ, বিক্ষুদ্ধ হয় পূর্ব বাংলার নেতৃবৃন্দ। কেননা র‌্যাডক্লিফ লাইনে করিমগঞ্জসহ সিলেটের সাড়ে তিন থানাকে ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গণভোটে নিরঙ্কুশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা সত্ত্বেও করিমগঞ্জ কেন ভারতের অন্তর্ভুক্ত হলো তা আজও বিতর্কিত বিষয়। এটা ঘটেছিল র‌্যাডক্লিফের বদৌলতে অথবা কারসাজিতে। ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ষড়যন্ত্রে এ কারসাজি করেন র‌্যাডক্লিফ- এমন ধারণাও প্রচলিত রয়েছে।
রপর মুসলিম লীগের নেতারা অনেক দৌড়ঝাঁপ করেও কোনো ফায়দা হলো না। বিতর্কিত র‌্যাডক্লিফ লাইন অনুযায়ীই ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি দেশ স্বাধীনতা লাভ করল। সেই সময় করিমগঞ্জ মহকুমার এসডিপিও ছিলেন এম এ হক, যিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এম এ হক দেশভাগের পর এক সপ্তাহ পর্যন্ত করিমগঞ্জকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৪ আগস্ট থেকে নিয়ম মেনে প্রতিদিন তিনি করিমগঞ্জ মহকুমা পুলিশ কার্যালয়ে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করতেন এবং সিলেটে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঘন ঘন তারবার্তা পাঠাতে থাকেন সামরিক সাহায্য পাঠানোর জন্য।

এম এ হক বলেন,

প্রতিদিন আমি অপেক্ষায় থাকি, এই এলো বুঝি ফোর্স। না, আসে না। এভাবে একদিন/দুদিন করে সাত দিন কেটে গেল। এ দিকে ভারতীয় বাহিনী চলে এলো করিমগঞ্জ শহরে। আমি তখন নিরুপায়। আর কী-ই বা করতে পারি। মহকুমা পুলিশ কার্যালয় থেকে পাকিস্তানের পতাকাটা নামিয়ে গুটিয়ে নিলাম। তারপর চলে এলাম এপারে অর্থাৎ পাকিস্তানে। এভাবেই অবসান ঘটল এই অধ্যায়ের।

সেই থেকেই করিমগঞ্জ, রাতাবাড়ি, পাথরকান্দিসহ সিলেটের সাড়ে তিন থানা হয়ে গেল ভারতের। কিন্তু সেসময় সিলেটের ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ নবাব আলী কেন এম এ হকের তারবার্তায় সাড়া দিলেন না বা ফোর্স পাঠালেন না তা আজও অজানা। এম এ হকও এ ব্যাপারে কখনো কোনো মন্তব্য করেননি।

Address

Talukder House
Munshiganj
1522

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NUR BUY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NUR BUY:

Share