তালাশ নরসিংদী

তালাশ নরসিংদী সত্য ও সাহসের প্রতীক✊

11/12/2025

মসজিদে রাজনীতি করতে না দিলে কোরআন তিলাওয়াত করতে দিবেনা জামায়াত নেতা হুমায়ূন।

10/12/2025

চাঁ'দাবা'জ সেই সমন্বয়ক ফের গ্রে'প্তার! এবার কি জবাব দেবেন হান্নান মাসউদ?

10/12/2025

মেয়েটার বাবা নেই, ১০ জন মিলে শরীয়তপুরের কলেজ ছাত্রী মেয়েটিকে গণ/ধ/র্ষন করেছে। কদতোটা অমানবিক হলে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এমন কাজ করতে পারে🙂

07/12/2025

ধর্ষণের অভিযোগের জের
জুতা মারো তালে তালে', ‘ভুয়া’ স্লোগানে তীব্র তোপের মুখে এবি নেতা ব্যারিস্টার ফুয়াদ..

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ত...
07/12/2025

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুখ আহমেদ জানান, রবিবার বেলা ১১টায় পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

মৃত দুজন হলেন– যোগেশ চন্দ্র বর্মণ (৮০) এবং তার স্ত্রী সুবর্ণা রানী (৬৫)। তারাগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাপন দত্ত জানান, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র বর্মণ ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রানীকে শনিবার রাতের কোনও এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে গলা কেটে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে তারা দেয়াল টপকে বাসায় ঢুকে গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। এরপর ঘটনাটি জানাজানি হলে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। খবর পেয়ে তারাগঞ্জ থানা থেকে পুলিশও সেখানে গেছে। তিনি আরও জানান, নিহত যোগেশ চন্দ্র বর্মণ স্থানীয় চাকলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন। কিন্তু কারা কী কারণে তাদের হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তারাগঞ্জ থানার ওসি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে।

রায়পুরায় মাদরাসা ছাত্র শাহাদাত (১৪) এর হ*ত্যাকারী এই কুখ্যাত খুনিকে ধরিয়ে দিন। অটোরিকশাটি (মিশুক) ছিনতাইয়ের জন্যই শাহাদা...
07/12/2025

রায়পুরায় মাদরাসা ছাত্র শাহাদাত (১৪) এর হ*ত্যাকারী এই কুখ্যাত খুনিকে ধরিয়ে দিন। অটোরিকশাটি (মিশুক) ছিনতাইয়ের জন্যই শাহাদাতকে জ*বাই করে হত্যা করা হয়। তাকে চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার করতে ছবিটি শেয়ার করুন। ২ নাম্বার ছবিতে খুনির চেহারা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এবং সে cc ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছে । উল্লেখ্য - গত ২৯ নভেম্বর দিনে দুপুরে বদরপুর ব্রিজে মিশুকটি ছিনতাইয়ের জন্য ছেলেটিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়টি নরসিংদী PVI ও রায়পুরা থানা পুলিশ পর্যবেক্ষণ করছেন ও খুনিকে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ।

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি রায়পুরা উপজেলার  যুগ্ম সমন্বয়কারী  পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মারুফ মিয়া। শনিবার  (৬ ডিসেম্বর ) ন...
06/12/2025

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি রায়পুরা উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মারুফ মিয়া। শনিবার (৬ ডিসেম্বর ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট করে জানান আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় নরসিংদীবাসী ও দেশবাসী

National Citizen Party - NCP সহ সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আমি মারুফ মিয়া যুগ্ম সমন্বয়কারী, রায়পুরা উপজেলা'র পদ থেকে সেচ্ছায়, সুস্থ মস্তিষ্কে, আমি গুপ্তদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কারণে সবজায়গা থেকে আমাকে কোনঠাসা করার আমার অভিযোগের সুষ্ঠ, নিরপক্ষ কোন প্রকার সমাধান না পাওয়াই জাতীয় নাগরিক পার্টি - এনসিপি থেকে আমি পদত্যাগের ঘোষণা করছি।

মানুষ ভুলের উর্ধে নয়, আমিও মানুষ আমারও ভুল হতে পারে অস্বাভাবিক নয় আমার এই ক্ষুদ্র রাজনীতি জীবনে জেনে বুঝে কাউকে নূন্যতম কষ্ট যদি দিয়ে থাকি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখিবেন।

যেখানে মেধা চেয়ে কোঠায় দাম বেশি, যোগ্যতা থেকে চাটুকার দাম বেশি, নিবেদিত দের থেকে গুপ্তদের দাম বেশি সেখানে আমার মত স্পষ্টভাষী, প্রতিবাদী মানুষের থাকা বড্ড বেমানান। পদ পদবী জন্য আমি রাজনীতি আসি নি সুন্দর এক বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গঠন করার উদ্দেশ্য এসেছিলাম, আমার দৃষ্টিকোণ থেকে উপলব্ধি করতে পেয়েছি যে গুপ্ত রাজনীতি'র ভবিষ্যৎ কখনো সুন্দর হবে না তারজন্য সেচ্ছায় পদত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছি।

মারুফ আরও বলেন এনসিপি শুরু থেকে রাজনৈতিক ভুলের মধ্যে রাজনীতি করতে আসছে। গণ-অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে আমার মতো অনেক তরুণ এনসিপিতে রাজনীতি করতে আসছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো এনসিপি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক রাজনীতি না করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও মন্ত্রিপাড়াকেন্দ্রিক রাজনীতি করছে। যা একটি দলের রাজনৈতিক শিষ্টাচার কিংবা সাংগঠনিক কার্যক্রমের বহির্ভূত।
এনসিপির অনেক নেতা আর্থিক কেলেংকারীসহ নানা অপকর্ম জড়াচ্ছেন, যা গণ-অভ্যুত্থানের সাথে আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তিনি আরো লিখেছেন, সম্প্রীতি আমাদের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করা বাউলের পক্ষে এনসিপির কট্টর ইসলামবিদ্বেষীরা অবস্থান নিয়েছে। যা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আরো আঘাত করেছে। এনসিপির বিভিন্ন কাজে পশ্চিমাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে, যা আমাদের দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করছে।

সর্বোপরি জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের রাজনীতির বাহিরে গিয়ে ব্যক্তিগত রাজনীতি করায় আমি এনসিপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল কিছু থেকে পদত্যাগ করলাম।
তালাশ নরসিংদী।

05/12/2025

গাজীপুরে বিএনপি নেত্রী জুলেখার দে/হ ব্যবসা, স্থানীয়দের হাতে ক/ট।

ডিজিটাল ফোরাম থেকে টিটিপি নিয়োগ নেটওয়ার্ক বাংলাদেশি তরুণদের টেনে নিচ্ছে পাকিস্তানের জঙ্গি রিক্রুটাররা: ইমরান হায়দারের ...
05/12/2025

ডিজিটাল ফোরাম থেকে টিটিপি নিয়োগ নেটওয়ার্ক

বাংলাদেশি তরুণদের টেনে নিচ্ছে পাকিস্তানের জঙ্গি রিক্রুটাররা: ইমরান হায়দারের ছায়া নেটওয়ার্ক ।

পর্ব ১

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

২০২২ সালের শেষ দিকে ইমরান হায়দার নামে এক বাংলাদেশি যুবক অনলাইনে একটি ছোট ডিজিটাল ফোরাম গড়ে তোলেন। শুরুতে সেটি সাধারণ আদর্শিক আলোচনা বলে মনে হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা রূপ নেয় একটি সংগঠিত উগ্রবাদী নিয়োগ নেটওয়ার্কে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত নয়জন বাংলাদেশি যুবক ভারতের ভেতর দিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-তে যোগ দিয়েছেন।

নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, ইমরান হায়দার বর্তমানে এই নতুন ধরনের ‘হাইব্রিড’ উগ্রবাদী কাঠামোর অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে চিহ্নিত। এই কাঠামোর মাধ্যমে আদর্শিক বিভ্রান্তি, ডিজিটাল উগ্রবাদ ছড়ানো এবং গোপন সীমান্ত পারাপারকে একীভূতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। উদীয়মান ইন্দো–টিটিপি সংযোগে হায়দার একই সঙ্গে নিয়োগকারী ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন।

‘এনেমি ডাইভার্শন প্রোগ্রাম’ ও বাংলাদেশের ঝুঁকি

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই নেটওয়ার্কের কেন্দ্রে রয়েছে একটি কাঠামো, যাকে অভ্যন্তরীণ পরিভাষায় ‘এনেমি ডাইভার্শন প্রোগ্রাম’ বা ইডিপি বলা হচ্ছে। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল, যার মাধ্যমে ভারতবিরোধী উগ্র ইসলামি ক্ষোভকে ভিন্ন পথে প্রবাহিত করে পাকিস্তানকেন্দ্রিক জঙ্গি সংগঠনের জন্য জনবল সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিদেশি উগ্রবাদী শক্তিগুলো হতাশ তরুণদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে।

ইমরান হায়দারের পটভূমি

ত্রিশের কোঠায় থাকা ইমরান হায়দার বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানের বিমান প্রকৌশলের স্নাতক। অনলাইনে তিনি নিজেকে ‘মিলিটারি সায়েন্স’-এ পারদর্শী হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে বাংলাদেশের কোনো বেসামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ নেই। তদন্তকারীদের মতে, এটি ছিল তার তৈরি করা একটি পরিচয়, যার মাধ্যমে তিনি সম্ভাব্য নিয়োগপ্রাপ্তদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতেন।

তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি সীমিত হলেও শনাক্তযোগ্য। বাস্তব নামে একটি ফেসবুক আইডি, নামে একটি টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট এবং কয়েকটি গোপন মেসেজিং গ্রুপের মাধ্যমে তিনি আদর্শিক প্রচারণা চালাতেন।

উগ্রপন্থায় যাওয়ার আগের জীবন

উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়ার আগে হায়দারের যোগাযোগ ছিল উদীচী ও ছায়ানটের মতো সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে। ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার এবং ছাত্রলীগের সঙ্গেও তার যোগাযোগ ছিল বলে গোয়েন্দা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সময়ে তিনি বিভিন্ন মতাদর্শিক পরিসরে অবাধে চলাচল করতে পারতেন।

পরবর্তীতে এক স্থানীয় আলেমের প্রভাবে তার আদর্শিক রূপান্তর ঘটে। ওই আলেম উগ্রপন্থী মহলে ‘মুফতি উসমান’ বা ‘আবু ইমরান’ নামে পরিচিত বলে গোয়েন্দা সূত্রের ধারণা।

কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানমুখী যাত্রা

২০২২ সালের জুনে হায়দার ভারত হয়ে কাশ্মীরে যান এবং আনসার গাজওয়াতুল হিন্দ নামের একটি সংগঠনে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন। ভাষাগত সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর তিনি পাকিস্তানকেন্দ্রিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

২০২৩ সালের শুরুতে তিনি সরাসরি ‘ফ্যাসিলিটেটর’-এর ভূমিকায় যুক্ত হন। বাংলাদেশ থেকে যুবকদের বাছাই, অনলাইন মাধ্যমে উগ্রবাদে দীক্ষা, আর্থিক সহায়তা এবং সীমান্ত পারাপারের ব্যবস্থা করাই ছিল তার মূল কাজ।

আন্তর্জাতিক রুট ও টেলিগ্রামের ভূমিকা

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি কাজাখস্তান হয়ে আফগানিস্তান এবং সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার করিডোর ব্যবহার করতেন। ২০২৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারকেও অস্থায়ী ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের মাধ্যমে তিনি টিটিপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি টিটিপি প্রধান মুফতি নূর ওয়ালি মেহসুদের সঙ্গে তার সাক্ষাতের তথ্যও গোয়েন্দা নথিতে রয়েছে।

পাকিস্তানকে ‘মূল শত্রু’ হিসেবে উপস্থাপন

টিটিপিতে যুক্ত হওয়ার পর হায়দার এমন এক প্রচারণা শুরু করেন, যেখানে তিনি পাকিস্তানকেই দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে তুলে ধরেন। তার ভাষায়, ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’-এর পথে প্রধান বাধা পাকিস্তানই। এই বয়ানের মাধ্যমে তিনি আফগান তালেবানকে আপসকামী এবং টিটিপিকে একমাত্র ‘খাঁটি’ জিহাদি সংগঠন হিসেবে তুলে ধরেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি রাজনীতিতে একটি কৌশলগত পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয়, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা

নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, এই ধরনের ডিজিটাল-ভিত্তিক উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ধরনের হুমকি। সীমান্ত পারাপার, অনলাইন নিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক রুট ব্যবহারের মাধ্যমে এটি জটিল রূপ নিচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমানে সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ চ্যানেল, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করেছে।

লাইভ শোতে চরম ঔদ্ধত্য: নিজেকে ‘ভগবান’ দাবি করে উপস্থাপিকাকে শাসালেন জামায়ত নেতাস্টাফ রিপোর্টার:জাতীয় টেলিভিশনের পর্দায...
05/12/2025

লাইভ শোতে চরম ঔদ্ধত্য: নিজেকে ‘ভগবান’ দাবি করে উপস্থাপিকাকে শাসালেন জামায়ত নেতা

স্টাফ রিপোর্টার:

জাতীয় টেলিভিশনের পর্দায় নজিরবিহীন ঔদ্ধত্য ও শিষ্টাচারবর্জিত আচরণের এক জঘন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। যমুনা টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান ‘রাজনীতি’-তে মেজাজ হারিয়ে তিনি নিজেকে ‘ভগবান’ বা সৃষ্টিকর্তার সাথে তুলনা করে বসেন এবং উপস্থাপিকার ওপর চড়াও হন। তার এমন দম্ভোক্তি ও আক্রমণাত্মক শরীরী ভাষায় হতবাক হয়েছেন সচেতন মহল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন উপস্থাপিকা রোকসানা আনজুমান নিকোল বিজয়ের মাসে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে করা শাহরিয়ার কবিরের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদ জানান। কোনো যৌক্তিক বা রাজনৈতিক ব্যাখ্যা না দিয়ে তিনি মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। লাইভ চলাকালীন তিনি নিজের আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান এবং উপস্থাপিকার দিকে আঙুল উঁচিয়ে ধমকের সুরে কথা বলতে শুরু করেন।

স্টুডিওর নিয়ম ও ভদ্রতার তোয়াক্কা না করে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির দম্ভভরে বলেন, “আমরা আমন্ত্রিত অতিথি, অতিথি মানে হচ্ছে ভগবান। ভগবানকে আপনার সম্মান করতে হবে।”

একজন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের নেতার মুখে নিজেকে ‘ভগবান’ দাবি করা এবং সেই অজুহাতে অন্ধের মতো সম্মান দাবি করাকে অনেকেই ‘চরম অহমিকা’ ও ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ শামিল বলে মনে করছেন। তিনি এখানেই থামেননি, উপস্থাপিকাকে হেয় করে ইংরেজিতে চিৎকার করে বলেন, “আই এম নট ইওর স্লেভ (আমি আপনার গোলাম নই)।”

উপস্থাপিকা বারবার তাকে শান্ত হওয়ার এবং ভদ্রতা বজায় রেখে কথা বলার অনুরোধ জানালেও, তিনি তা কানে তোলেননি। উল্টো তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানটি উপস্থাপিকার নয়। তার এমন উগ্র আচরণে স্টুডিওর পরিবেশ বিষিয়ে ওঠে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে। নেটিজেনরা বলছেন, ভিন্নমত থাকতেই পারে, কিন্তু একজন নারী উপস্থাপিকার সামনে দাঁড়িয়ে আঙুল উঁচিয়ে এমন ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নিজেকে ‘ভগবান’ দাবি করে সম্মান ভিক্ষা করা কোনো সুস্থ মানসিকতার পরিচয় হতে পারে না। এই ঘটনাকে তারা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের চূড়ান্ত অবক্ষয় হিসেবে দেখছেন।

Address

Narsingdhi
Narsingdi
123456

Telephone

+8801556000012

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তালাশ নরসিংদী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share