10/10/2024
★সিক্সপ্যাক খ্যাত প্রজেক্টর মোল্লা মিজানুর রহমানের ভ্রান্ত আক্বীদাহ সমূহঃ
(প্রথমতঃ সে একজন আহলে হাদিসের এজেন্ট এবং শিয়া পন্থী)
১) তারাবির নামাজ ৪ রাকাত পরলেও হয়ে যাবে।(নাউজুবিল্লাহ)।
এই জঘন্য ফতোয়া এই জ্ঞান পাপীর আগে আর কোন আলেম কখনো দিয়েছেন বলে আমার জানা নাই।
২) সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ না পড়লেও কোন গুনাহ হবেনা। (নাউজুবিল্লাহ)
অথচ এমন ফতোয়া কোন ফাসেক ব্যক্তি ব্যতীত কোন নিম্নমানের আলেমও কখনো দিতে পারে না।
৩) মহিলারা রাস্তা-ঘাটে, হাট-বাজারে যেখানেই যাবে চেহারা ও হাত খোলা রাখবে কোন সমস্যা নেই।
তার মতে চেহারার পর্দা করা কোনো জরুরী বিষয় নয়।(নাউজুবিল্লাহ)
৪) প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহিলাদের কে বয়ান শোনানো জায়েজ। (নাউজুবিল্লাহ)
তাহলে আপনি নিজেই মহিলাদের প্যান্ডেলে গিয়ে বয়ান করলেই তো পারেন। পর্দার দরকার কি ?
৫) রসূল ﷺ মক্কী জীবনে টেষ্ট ইনিংস খেলেছেন, আর মাদানী জীবনে ছক্কা মেরেছেন।
বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়েছেন। (নাউজুবিল্লাহ)
আচ্ছা ভাই আজহারী! আপনি কি রসূলের জীবন কে ক্রিকেট খেলার মাঠ মনে করেছেন নাকি ?
৬) রসূল ﷺ এর বডি ছিল বডি বিউল্ডারদের মত সিক্স প্যাক। (নাউজুবিল্লাহ)
৭) খাদিজাতুল কুবরা হলেন তিন বার
তালাক খাওয়া বৃদ্ধা মহিলা। তিনি ছিলেন পৌঢ়া।
ইনটেক বা ভার্জিন ছিলেন না। (আসতাগফিরুল্লাহ)।
ও কোনো হাদিসের কিতাবে খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) এর তালাকের কথা পাওয়া যায় নি, হাদিসে শুধুমাত্র বিধবা কথাটি পাওয়া যায়।
আল্লাহ্ মাফ করুন। অথচ রাসুল ﷺ খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) কে তাহেরা বলে ডাকতেন। যার অর্থ হল পুত:পবিত্রা নারী। তাঁর জীবদ্দশায় আল্লাহ তায়ালা তাকে সালাম পাঠিয়েছেন।
৮) আল্লাহ ও রসূল ﷺ এর শানে আবে হালা শব্দ ব্যবহার।
৯) আলী (রাঃ) শানে বেয়াদবীঃ মদ খেয়ে মাতাল হয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে মাতলামি করে আলী। (নাউজুবিল্লাহ)
১০) রাসুল ﷺ মাসুম নন! তার মানে তিনি গুনাহ করেছেন, নাউজুবিল্লাহ।
১১) সাহাবায়ে কেরাম সত্যের মাপকাঠি নয়, নাউজুবিল্লাহ।
১২) জোহর ও আছর নামাযে মুক্তাদিরা ইমামের পিছনে সূরা পড়তে হবে, নাউজুবিল্লাহ।
১৩) শার্ট -প্যান্ট পড়ে ইমামতি করা যাবে, নাউজুবিল্লাহ।
এসব বিবেকহীন কথা বলার পরেও যারা আজহারী কে নির্দোষ প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে,
আলেম উলামাদের কে গালাগালি করতেছে,
তারা গন্ড মূর্খ ছাড়া আর কিছুই নয়।
🚫 মিজানুর রহমান আজাহারী কয়েকটি জায়গায় বেয়াদবি করেছে বেয়াদবির একটা সীমানা আছে। প্রিয় নবীজি ﷺ কে নিয়ে গোমরাহী করে। যত বড় মাপের আলেমই হোক সে অবশ্যই একদিন ধ্বংস হবে। ইনশাআল্লাহ!
ইয়াজিদের দলেও হাজার হাজার কুরআনের হাফেজ ছিলো, বাংলাদেশে এদের ফ্যান ফলোয়ার দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই, এরা আবু জাহেলের দলের মতোই মানুষ..!!
১। আম্মাজান খাদিজাতুল কুবরা রাদিআল্লাহু আনহার শানে বুড়ি, ইন্টেক্ট নয়, ভার্জিন নয়, দুইবার তালাক খাইছে, পৌঢ়া সহ অসংখ্য ঈমান বিরোধী শব্দ চয়ন।
২। আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শানে হালা শব্দের ব্যবহার
৩। উমর রাদিআল্লাহু আনহু ছিলেন মদের রাজা বলে দৃষ্টতা প্রদর্শন।
৪। আলী রাদিআল্লাহু আনহু ছিলেন মাতাল, মদ খেয়ে মাতলামী করেছেন বলা।
৫। রসুলুল্লাহ আলিফ, বা, তা সহ কোন হরফ চিনতেন না।
এক দুই তিন চিনতেন না নিরক্ষর ছিলেন।
৬। রসুলুল্লাহর বুক ছিলো উচু পেট ছিলো নিচু, সিক্সপ্যাক ছিলেন বলা।
শেষ জীবনে রসুলুল্লাহর গায়ে গোশত বেড়ে গিয়েছিলো বলা। (যা নবুওয়াতের শানের খিলাফ)
৭। মাক্কী জীবন কে টেস্ট ইনিংস, মাদানী জীবন কে টি ২০ ইনিংস বলা।
এছাড়াও তার অসংখ্য মিথ্যা ও বানোয়াট তাফসীরের বিষয়টি আপাতত বাদই রাখলাম
যেমনঃ
১. সাহাবীরা নাকি সম্মিলিত ভাবে লিল্লাহি তাকবীর স্লোগান দিয়েছে।
২. আল্লামা বলা যাবে না, অথচ তিনি কথায় কথায় বলেন আল্লামা সাঈদী।
৩. উমর রাদিআল্লাহু আনহুর ছেলের নামে মিথ্যা তাফসীর।
৪. জুলুছে নামাজ নাই বলে মিথ্যাচার।
৫. নবীজির স্ত্রীগণ মুমিনদের মা- নবীজি ও মা খাদিজা সম্পর্কে জামাই বৌ সম্বোধন করা কুফুরী বাক্য।
৬. নবীজি এক বছর ছাগলের ছামরা খেয়েছেন।
নাউজুবিল্লাহ।
এত কিছুর পরও একজন বক্তার প্রেমে মত্ত হওয়া হে যুবক, ভালো করে শুনে রাখো, তুমি আল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছো, রসুলুল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছো, আম্মাজানদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছো, দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছো।
নিজের স্ত্রীকে মা বললে স্ত্রী যদি তালাক হয়,
যিনি সকল মুমিনদের মা এই মায়ের শানে জামাই বৌ ব্যাবহার করলে ঈমান তালাক হবেই
তোমার কাছে আম্মাজানদের সন্মানের চেয়েও নাপাক বক্তার সন্মান বড় হয়েছে ?
তবে জেনে রাখো তোমার ভবিষ্যৎ খুবই অন্ধকার।
এখনো সময় আছে ব্যক্তি পূজা, দল পূজা বাদ দিয়ে সঠিক দ্বীনের পথে আসো। আল্লাহ সবাই কে সঠিক বুঝার তাওফিক দিন আমিন...🖋️