Eambazar.com

Eambazar.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Eambazar.com, Business Center, Somaj Bazar, Sh*tlai, Pabna.

30/07/2026

ইবাদতে একাগ্রতা বাড়ানোর সহজ ও কার্যকর ৫ আমল
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য হলো মহান আল্লাহর ভালোবাসা লাভ করা। যার প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট, তার জীবন দুনিয়াতেও শান্তিময় হয় এবং আখিরাতেও সফলতা নিশ্চিত হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো— কীভাবে আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করা যায়? কীভাবে ইবাদতে মনোযোগ ও আন্তরিকতা বাড়ানো সম্ভব?
আল-কুরআন ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ আমাদের এমন কিছু সহজ কিন্তু অত্যন্ত বরকতময় আমলের শিক্ষা দিয়েছে, যা নিয়মিত পালন করলে হৃদয়ে ঈমানের মাধুর্য বৃদ্ধি পায়, গুনাহ থেকে দূরে থাকা সহজ হয় এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। সেগুলো হলো—

১. প্রতিদিন অর্থসহ কুরআন পড়ুন

শুধু তিলাওয়াত নয়, কুরআনের অর্থ বোঝা এবং তার শিক্ষা নিয়ে চিন্তা করাও ইবাদত। প্রতিদিন অন্তত ১০–১৫ মিনিট কুরআন অর্থ ও তাফসিরসহ পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কুরআন আপনার হৃদয়কে আলোকিত করবে এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক পথ দেখাবে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ

‘তারা কি কুরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে না?’ (সুরা আন-নিসা: আয়াত ৮২)

২. সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন জিকিরে অভ্যস্ত হোন

আল্লাহর জিকির হৃদয়কে জীবন্ত রাখে এবং অন্তরে প্রশান্তি এনে দেয়। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যার দোয়া-জিকির পড়ুন। পাশাপাশি বেশি বেশি বলুন—

سُبْحَانَ اللَّهِ (সুবহানাল্লাহ)

الْحَمْدُ لِلَّهِ (আলহামদুলিল্লাহ)

اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার)

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ (আস্তাগফিরুল্লাহ)

আল্লাহ তাআলা বলেন—

أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

‘জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে।’ (সুরা আর-রা'দ: আয়াত ২৮)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

مَثَلُ الَّذِي يَذْكُرُ رَبَّهُ وَالَّذِي لَا يَذْكُرُ رَبَّهُ مَثَلُ الْحَيِّ وَالْمَيِّتِ

‘যে ব্যক্তি তার রবকে স্মরণ করে এবং যে স্মরণ করে না—তাদের উদাহরণ জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (বুখারি ৬৪০৭)

৩. প্রতি ফরজ নামাজের পর এই দোয়াটি পড়ুন—

রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি নিয়মিত পড়তে উৎসাহ দিয়েছেন। তাহলো—

اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আ'ইন্নি আ’লা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ই’বাদাতিক।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে আপনার স্মরণ, আপনার কৃতজ্ঞতা আদায় এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করার তৌফিক দান করুন।’ (আবু দাউদ ১৫২২, নাসাঈ ১৩০৩)

৪. তাহাজ্জুদের নামাজকে জীবনের অংশ বানান

রাতের শেষ তৃতীয়াংশ এমন একটি সময়, যখন বান্দা তার রবের সবচেয়ে নিকটে থাকে। সপ্তাহে অন্তত কয়েক দিন হলেও দুই রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ার চেষ্টা করুন। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَكَ

‘রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় করুন; এটি আপনার জন্য অতিরিক্ত ইবাদত।’ (সুরা আল-ইসরা: আয়াত ৭৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

‘প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে মহান আল্লাহ নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন—কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব? কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?’ (বুখারি ১১৪৫, মুসলিম ৭৫৮)

৫. আল্লাহর সুন্দর নাম (আসমাউল হুসনা) নিয়ে চিন্তা করুন

আল্লাহর প্রতিটি নাম তাঁর পরিপূর্ণ গুণের পরিচয় বহন করে। প্রতিদিন একটি নাম শিখুন, তার অর্থ বুঝুন এবং নিজের জীবনে তার প্রভাব অনুভব করার চেষ্টা করুন। যেমন—

আর-রহমান (ٱلرَّحْمَٰنُ) — পরম করুণাময়।

আল-গফ্ফার (ٱلْغَفَّارُ) — বারবার ক্ষমাকারী।

আল-হাকীম (ٱلْحَكِيمُ) — প্রজ্ঞাময়।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا

‘আল্লাহর জন্যই রয়েছে সর্বোত্তম নামসমূহ। অতএব তোমরা তাকে সেই নামগুলো দ্বারা ডাকো।’ (সুরা আল-আরাফ: আয়াত ১৮০)

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

নফল ইবাদতের আগে ফরজ ইবাদতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো আদায় করুন, হালাল-হারামের সীমারেখা মেনে চলুন এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। কারণ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের প্রথম ও সর্বোত্তম পথ হলো ফরজ ইবাদত যথাযথভাবে পালন করা।

রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদিসে কুদসিতে বর্ণনা করেন—

وَمَا تَقَرَّبَ إِلَيَّ عَبْدِي بِشَيْءٍ أَحَبَّ إِلَيَّ مِمَّا افْتَرَضْتُ عَلَيْهِ

‘আমার বান্দা আমার কাছে ফরজ ইবাদতের চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো আমলের মাধ্যমে নৈকট্য অর্জন করতে পারে না।’ (বুখারি ৬৫০২)

আল্লাহর ভালোবাসা অর্জনের পথ দূরের নয়; এটি শুরু হয় আন্তরিক তওবা, ফরজ ইবাদতের যত্ন, কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক, নিয়মিত জিকির, তাহাজ্জুদ এবং আল্লাহর পরিচয় জানার মাধ্যমে। অল্প আমল হলেও যদি তা নিয়মিত ও ইখলাসের সঙ্গে করা হয়, তবে তা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।

আজ থেকেই একটি ছোট সিদ্ধান্ত নিন— প্রতিদিন কুরআনের কয়েকটি আয়াত অর্থসহ পড়ব, সকাল-সন্ধ্যার জিকির করব, ফরজ নামাজের পর শেখানো দোয়াটি পড়ব এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবন গড়ে তুলব। ইনশাআল্লাহ, এই ছোট ছোট আমলই একদিন আপনার হৃদয়কে আল্লাহর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ করে তুলবে।

হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরকে আপনার স্মরণে সজীব রাখুন, আপনার ভালোবাসা দান করুন এবং আমাদের এমন আমলের তৌফিক দিন, যা আমাদেরকে আপনার সন্তুষ্টি ও জান্নাতের পথে পরিচালিত করে। আমিন।

30/07/2026

ইবাদতে তৃপ্তি পাচ্ছেন না? তাহলে এই ৪টি কাজ করুন
মুফতি দিদার হুসাইন

ইবাদতে তৃপ্তি পাচ্ছেন না? তাহলে এই ৪টি কাজ করুন

ইবাদতে তৃপ্তি পাচ্ছেন না? তাহলে এই ৪টি কাজ করুন
ইবাদতে তৃপ্তি এমন একটি নেয়ামত, যা কারো হাসিল হলে তিনি জীবনকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। পার্থিব অন্য সব স্বাদ ও ভোগ-বিলাস তার কাছে তুচ্ছ মনে হবে। কারণ, তখন আল্লাহর সাথে এক সুনিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পার্থিব স্বার্থ কখনো তাকে নীতিহীন করতে পারে না। আল্লাহর ইবাদতের স্বাদ পাওয়া মানুষ যদি মনোবেদনায়ও থাকেন, সেই বেদনা ও কষ্ট তার কাছে তুচ্ছ মনে হয় এবং তার জন্য সালাত আদায় করা বোঝা মনে হয় না; বরং তা হয়ে ওঠে চোখের শীতলতা, কোরআন তেলাওয়াত দায়িত্ব মনে হয় না; বরং অন্তরের প্রশান্তি।

কিন্তু ইদানিং অনেকেই অভিযোগ করেন, নামাজ পড়ি, কোরআন তেলাওয়াত করি, জিকিরও করি তবু ইবাদতে সেই তৃপ্তি বা হৃদয়ের প্রশান্তি অনুভব হয় না। অথচ ইবাদত তো মানুষের আত্মার খোরাক এবং হৃদয়ের প্রশান্তি লাভের মাধ্যমে।

বাস্তবে ইবাদতের স্বাদ শুধু বাহ্যিক আমলের ওপর নির্ভর করে না; বরং হৃদয়ের পবিত্রতা, হালাল-হারামের প্রতি সতর্কতা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার সঙ্গেও এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কোরআন-সুন্নাহর আলোকে এমন কিছু কাজ বা আমল রয়েছে, যা ইবাদতের প্রশান্তি ও মিষ্টতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কালবেলার পাঠকদের জন্য ইবাদতে তৃপ্তি পেতে সহায়ক ৪টি করণীয় তুলে ধরা হলো:

৩ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম

১. চোখের হেফাজত করুন

হাদিস অনুযায়ী যে সময় শিশুদের বাইরে রাখা উচিত নয়

চোখের হেফাজত করে দৃষ্টির গোনাহ থেকে বেঁচে থাকুন। কারণ, হারাম দৃষ্টি হৃদয়কে অন্ধকার করে দেয়। অপ্রয়োজনীয় ও কুদৃষ্টিতে তাকানো অন্তরকে কলুষিত করে এবং ইবাদতের স্বাদ নষ্ট করে দেয়। একজন মুমিন যখন নিজের দৃষ্টিকে সংযত রাখে, তখন তার অন্তর আরও পবিত্র হয় এবং ইবাদতে এক ধরনের প্রশান্তি অনুভূত হয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র।’ (সুরা আন-নুর: ৩০)

হাদিসে দৃষ্টিকে শয়তানের বিষাক্ত তীর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ইবনু মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘দৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তীর। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে দৃষ্টির হেফাজত করবে, তৎপরিবর্তে আল্লাহ তাকে এমন ঈমান দান করবেন, যার মিষ্টতা সে অন্তরে অনুভব করবে।’ (তাবরানি: ১০৩৬২)

অধিকাংশ বড় গোনাহের সূচনা হয় একটি হারাম দৃষ্টি থেকে। যদি একজন মানুষ তার দৃষ্টিকে হেফাজত করতে পারে, তাহলে সে অসংখ্য গোনাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে। আর যে ব্যক্তি চোখের গোনাহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সে নামাজে, কোরআন তিলাওয়াতে, জিকিরে এবং অন্যান্য ইবাদতে এক ভিন্নরকম প্রশান্তি অনুভব করতে শুরু করবে—ইনশাআল্লাহ।

২. সব ধরনের গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করুন

গোনাহ মানুষের অন্তরে কালো দাগ ফেলে। গোনাহ যত কম হবে, হৃদয় তত বেশি নির্মল ও পরিচ্ছন্ন থাকবে। আর নির্মল হৃদয়ই আল্লাহর ইবাদতে প্রকৃত প্রশান্তি-স্বাদ ও একাগ্রতা অনুভব করে। কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, কখনো নয়; বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরের ওপর মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে। (সুরা আল-মুতাফফিফিন: ১৪)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বান্দা যখন একটি গোনাহ করে, তখন তার হৃদয়ে একটি কালো দাগ পড়ে। (তিরমিজি: ৩৩৩৪)

৩.পরিপূর্ণ মনোযোগ সহকারে ইবাদত করা

অনেক সময় আমরা নামাজ পড়ি কোরআন তেলাওয়াত করি জিকির করি অথবা অন্য কোনো আমল করি, কিন্তু আমাদের মনোযোগ থাকে না। বাহ্যিকভাবে ইবাদতে লিপ্ত থাকলেও হৃদয়ে ঘুরে বেড়াই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এভাবে এবাদত করে যদিও দায়িত্ব পালন হবে, কিন্তু ইবাদতে কখনো স্বাদ বা হৃদয়ের প্রশান্তি পাওয়া যাবে না।

আল্লাহ তাআলা কোরআনে সফল মুমিনদের প্রথম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সফল হয়েছে সেই মুমিনরা, যারা তাদের সালাতে গভীর বিনয় ও একাগ্রতা অবলম্বন করে।’ (সুরা আল-মুমিনুন: ১-২)

এই মর্মে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এক ব্যক্তি নামাজ শেষ করে, অথচ তার জন্য নামাজের সওয়াব লেখা হয় মাত্র এক-দশমাংশ, কিংবা এক-নবমাংশ, এক-অষ্টমাংশ, এক-সপ্তমাংশ, এক-ষষ্ঠাংশ,অ এক-পঞ্চমাংশ, এক-চতুর্থাংশ, এক-তৃতীয়াংশ অথবা অর্ধেক’ (আবু দাউদ: ৭৯৬)। অর্থাৎ, নামাজের সওয়াব নির্ভর করে মনোযোগ ও খুশু-খুজুর ওপর।

অন্য এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত কর, যেন তুমি তাঁকে দেখছো। আর যদি তা সম্ভব না হয়, তবে অন্তত এই বিশ্বাস রাখো যে, তিনি তোমাকে দেখছেন।’ (বোখারি: ৫০)

৪. হারাম থেকে নিজেকে দূরে রাখুন এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করুন

হারাম উপার্জন ও হারাম খাদ্য শুধু দোয়া কবুলের অন্তরায় নয়, বরং ইবাদতের নূর ও বরকতও কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে হালাল রিজিক অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং ইবাদতে এক বিশেষ প্রশান্তি এনে দেয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে রাসুলগণ! তোমরা পবিত্র (হালাল) বস্তু আহার করো এবং সৎকাজ করো।’ (সুরা আল-মুমিনূন: ৫১)

লক্ষ্য করুন, আল্লাহ তাআলা আগে হালাল খাদ্যের কথা বলেছেন, তারপর সৎকাজের কথা বলেছেন। যেন বুঝিয়ে দিয়েছেন, হালাল জীবিকা ইবাদতের ভিত্তি।

হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র; তিনি কেবল পবিত্র (হালাল) জিনিসই গ্রহণ করেন।’ (মুসলিম: ১০১৫)

অন্য এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম এবং সে হারাম দ্বারাই প্রতিপালিত হয়েছে। তাহলে তার দোয়া কীভাবে কবুল হবে?’ (মুসলিম: ১০১৫)

হারাম উপার্জন শুধু দোয়া কবুল হওয়ার পথে বাধা নয়; এটি হৃদয়কে এমনভাবে কঠিন করে দেয় যে, মানুষ ধীরে ধীরে ইবাদতের স্বাদও হারিয়ে ফেলে।

ইমাম ইবনু রজব হাম্বলী (রহ.) বলেন, ‘হালাল খাদ্য হৃদয়কে আলোকিত করে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে ইবাদতের প্রতি উদ্যমী করে। আর হারাম খাদ্য হৃদয়কে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে এবং গোনাহের দিকে টেনে নিয়ে যায়।’ (জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম, হাদিস নং ১০-এর ব্যাখ্যা)

ইবাদতের স্বাদ কেবল বেশি বেশি আমল করার মাধ্যমে অর্জিত হয় না; বরং তা অর্জিত হয় একটি পরিশুদ্ধ হৃদয়, সংযত দৃষ্টি, ইবাদতে মনোযোগ, গোনাহমুক্ত জীবন এবং হালাল জীবিকার মাধ্যমে। তাই যদি আমরা ইবাদতে প্রকৃত প্রশান্তি, খুশু এবং আল্লাহর নৈকট্য অনুভব করতে চান, তবে বাহ্যিক আমলের পাশাপাশি নিজেদের অন্তর ও চরিত্রকেও পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। যে হৃদয় গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয়, সেই হৃদয়ই ইবাদতের প্রকৃত তৃপ্তি অনুভব করতে পারে।

01/05/2026

চেহারায় দাগ থাকলে আয়না পরিস্কার করে লাভ হবে না।।

ওমর ইনাম ইয়ামিনের জন্ম দিন।
17/10/2025

ওমর ইনাম ইয়ামিনের জন্ম দিন।

12/10/2025

ন্যায় বিচার প্রতিষ্টিত না হলে অন্যায়টাই এক দিন ন্যায় হিসাবে প্রতিষ্টিত হবে।।

Address

Somaj Bazar, Sh*tlai
Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eambazar.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share