21/05/2026
বাংলাদেশের কৃষি ঠিক এই মুহূর্তে এমন এক সংকটের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে, যার শিকড় কৃষি উৎপাদনের মূল দর্শনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর প্রতিযোগিতা যত জোরালো হয়েছে, ততই মাঠে কীটনাশক নির্ভরতা বেড়েছে। অথচ কৃষি ও পরিবেশের স্বার্থরক্ষায় দেশের আইন-কানুনের ইতিহাস দীর্ঘ ও জটিল। ব্রিটিশ আমলের ১৮৭৭ এবং ১৯১৪ সালের ডেসট্রাকটিভ ইনসেক্টস অ্যান্ড পেস্টস অ্যাক্ট দিয়ে যে নিয়ন্ত্রণ কাঠামো শুরু হয়েছিল, তা স্বাধীনতার পর পেস্টিসাইডস অর্ডিন্যান্স ১৯৭১, পেস্টিসাইডস রুলস ১৯৮৫, সংশোধিত বিধিমালা এবং সবচেয়ে আধুনিক পেস্টিসাইডস অ্যাক্ট ২০১৮-তে এসে পূর্ণতা পেয়েছে। কাগজে দেখলে এটি নিখুঁত, সময়োপযোগী ও বৈজ্ঞানিক মনে হয়। কিন্তু মাঠে এর উল্টো দৃশ্য, কৃষকের হাতে এমন সব রাসায়নিক তুলে দেওয়া হয়, যা ফসলের চেয়ে মানুষ, প্রাণবৈচিত্র্য, নদী-নালা ও ভবিষ্যৎকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বড় প্রশ্ন দাঁড়ায় এই বিষের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে রাষ্ট্র কোথায়?
https://www.agamirsomoy.com/opinion/cuj9alxhz6qq?fbclid=IwY2xjawR8ItRleHRuA2FlbQIxMQBicmlkETFqbXAyVGNiOGlNbjdQNWxQc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHrT3sqFmdNybhidfnUDLvsYNF9Jt74S2YJFVx_76fKktZySxK3ujUWVTxoBG_aem_tcuVU78JAa228wloUxJNnw
বাংলাদেশের কৃষি ঠিক এই মুহূর্তে এমন এক সংকটের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে, যার শিকড় কৃষি উৎপাদনের মূল দর্শনকে প্রশ্নবিদ...