Four Friend Fram

Four Friend Fram Four Friend Fram এ আপনাকে সাগতম কেঁচো ভার্মি কম্পোস্ট সার নিতে চাইলে যোগাযোগ করুণ ধ্যনবাদ। kecho sar [vermi compost]

11/09/2022
26/09/2021

এখানে পাইকারি ও খুচরা সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে ভার্মি কম্পোষ্ট সার।
স্থান : পারকানসাট, কানসাট, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
মোবাইল নাম্বার : 01303130589

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে আজকে আমাদের স্যার সেল করলাম।29/07/202101303130589
29/07/2021

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে আজকে আমাদের স্যার সেল করলাম।
29/07/2021
01303130589

আলু চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি  🍀  #উপযুক্ত_জমি_ও_মাটি_নির্বাচন আলু চাষের জন্য বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ ধরনের মাটি সবচেয়ে উপযোগী। ...
21/05/2021

আলু চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি

🍀 #উপযুক্ত_জমি_ও_মাটি_নির্বাচন
আলু চাষের জন্য বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ ধরনের মাটি সবচেয়ে উপযোগী। লবণাক্ত মাটিতে আলু ভাল হয় না।

🍀 #জাত_নিবার্চন
- বারি আলু-১ (হীরা)
- বারি আলু-৪ (আইলসা)
- বারি আলু -৪ (ডায়মন্ট)
- বারি আলু-৮ (কার্ডিনাল)
- বারি আলু-১২(হীরা)

🍀 #বীজ_রোপণ
- পুরো নভেম্বর মাসব্যাপী আলু লাগানো যায়। তবে নভেম্বর মাসের ১৫-২০ তারিখ (অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহ) উপযুক্ত সময়।
- বীজ আলুর জন্য নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই (অগ্রহায়ণ মাসের ১ তারিখের মধ্যে) বীজ রোপণ করতে হয়।৫-৬ টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ভালভাবে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।

- এরপর ভালভাবে আগাছা বাছাই করে নিতে হবে। লাইন করে আলু লাগালে ফলন ভাল পাওয়া যায়।
- এ জন্য এক লাইন থেকে আরেক লাইনের দূরত্ব থাকবে ৪৫ সেন্টিমিটার বা প্রায় দেড় ফুট। প্রতিটি লাইনে ১৫ সেন্টিমিটার বা প্রায় ৬ ইঞ্চি দূরে দূরে আলু লাগাতে হয়।
- মাটি বেশি ভেজা থাকলে আলু লাগানো উচিৎ না। তবে মাটি বেশি শুকনা হলে, জমিতে ভালভাবে সেচ দিয়ে ‘জো’ আসলে আলু লাগাতে হবে।

- যে সব জমিতে বর্ষার পানি দেরিতে সরে সে সব জমিতে পানি সরে যাওয়ার সাথে সাথে নরম মাটির ওপর সার ছিটিয়ে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার (প্রায় দুই ফুট) দূরে দূরে লাইন করে, প্রতি লাইনে ২৫ সেন্টিমিটার (প্রায় ১০ ইঞ্চি) পর পর আস্ত আলু বসিয়ে খড় অথবা কচুরীপানা দিয়ে ভালভাবে ঢেকে দিলে ভাল ফলন পাওয়া যাবে। এ পদ্ধতিকে বিনা চাষে আলু উৎপাদন বলে

🍀 #বীজ_শোধন
যদি সম্ভব হয় আলু বীজকে মারকিউরিক ক্লোরাইড এক গ্রাম নিয়ে ২ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১-২ ঘণ্টা ডুবিয়ে নিলে ভালো হয়। আবার বোরিক এসিডের ০.৫% দ্রবণে আলু বীজ ১৫-৩০ মিনিট ডুবিয়ে রাখলেও ভালো ফল পাওয়া যায়। কাটা বীজ বা গজানো বীজ শোধন করা যাবে না।

🍀 #সার_ব্যবস্থাপনা
- সারের নাম সারের পরিমাণ (গ্রাম/শতক)
- ইউরিয়া ১০০০
- টিএসপি ৫৩০
- এমওপি ৯৫০
- জিপসাম ৪৫০
- জিংক সালফেট ৩৫
- ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (অম্লীয় বেলে মাটির জন্য) ৩৫০
- বোরণ (বেলে মাটির জন্য) ৩৫
- গোবর ৪০ কেজি

🍀 #সেচ_ও_আগাছা_ব্যবস্থাপনা
- বীজ আলু বপনের ২০-২৫ দিন

আসসালামু আলাইকুম।এসকেআই এগ্রো লাইফের এর সকল বন্ধুদের কে জানাই শুভেচ্ছা।আজকের বিষয়ঃ টবে গোলাপ চাষ পদ্ধতি।সৌন্দর্য্য ও লাব...
15/05/2021

আসসালামু আলাইকুম।
এসকেআই এগ্রো লাইফের এর সকল বন্ধুদের কে জানাই শুভেচ্ছা।

আজকের বিষয়ঃ টবে গোলাপ চাষ পদ্ধতি।

সৌন্দর্য্য ও লাবন্যের প্রতীক গোলাপ। এটি একটি শীতকালীন মৌসুমী ফুল । তবে বর্তমানে গোলাপ সারা বছর ধরেই চাষ করা হচ্ছে। বর্ণ, গন্ধ, কমনিয়তা ও সৌন্দর্যের বিচারে গোলাপকে ফুলের রানী বলা হয়। পুষ্প প্রেমীদের সবচেয়ে প্রিয় ফুল গোলাপ। এটি বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জলবায়ুতে খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারে বলে পৃথিবীর সব দেশেই সারাবছর কমবেশি গোলাপের চাষ হয়।

1️⃣টবের স্থানঃ
- খোলা-মেলা আলো বাতাসপূর্ণ এমন স্থানে টব রাখতে হবে যাতে সকালের সূর্য কিরণ পায় এবং অন্ততঃ ৬-৮ ঘন্টা রোদ পায়।
- বিকেলের রোদ (বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে) না লাগানোই ভাল, কেননা এতে ফুলের রং ফ্যাকাসে হয়ে যায়।
- গোলাপ গাছটিতে যাতে চারিদিক হতেই আলো পড়ে সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। তা না হলে গাছটি কেবল আলোর দিক দিয়েই বাড়বে।
- এজন্য টবসহ গাছটি মাঝে মাঝে ঘুরিয়ে নিতে হয়।
- গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে টবের গোলাপ গাছকে রক্ষা করার জন্য পর্যায়ক্রমে রোদ ও ছায়ায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টব রাখলে গাছ ভাল থাকবে। ফুলও বেশি দিন ধরে পাওয়া যাবে।

2️⃣মাটি তৈরিঃ
- এঁটেল মাটি গোলাপ চাষের জন্য ভাল নয়। টবের জন্য সার মাটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে মাটি বেশ ফাঁপা থাকে এবং পানি না দাঁড়ায়।
- ১ ভাগ দো-আঁশ মাটি, ৩ ভাগ ভার্মি কম্পোষ্ট সার , ১ ভাগ পাতা পচা সার, আধ ভাগ বালি (নদীর সাদা বালি হলে ভাল হয়) দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তাতে এক মুঠো সরিষার খৈল ও এক চামচ চুন মিশিয়ে ১টি ২০ সেঃমিঃ (৮ ইঞ্চি) টবে একমাস রেখে দিতে হবে।
- এই একমাস টবেপানি দিয়ে মাটি উল্টে পাল্টে দিতে হয়। এতে মাটির মিশ্রণ ভাল হবে।
- টবে নিচের কয়েক সেঃমিঃ পরিমাণ অংশে ইট বা মাটির হাড়ি পাতিলের ভাংগা টুকরা এমন ভাবে বিছিয়ে দিতে হয় যাতে টবের মাটি এগুলোর উপর থাকে। এতে বাড়তি পানি নিকাশের সুবিধা হবে।

3️⃣টবের আকারঃ
- টবের আকার নির্ভর করে যে গোলাপের চাষ করা হবে তার জাতের উপর।
- ছোট জাতের জন্য ২০ সেঃমিঃ (৮ ইঞ্চি) টব ভাল, বড় জাতের জন্য ৩০ সেঃমিঃ (১২ ইঞ্চি) বা আরো বড় টব ব্যবহার করতে হয়।

4️⃣টবে চারা বসানোর সময়ঃ
- বছরের যে কোন সময়ই টবে গোলাপের চারা বসানো যায়।
- তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস চারা লাগানোর উত্তম সময়।
- এসময় চারা লাগালে বেশী দিন ধরে ফুল পাওয়া যায়, গাছের পরিচর্যা করতে সুবিধা হয, রোগ পোকার আক্রমণও কম থাকে।

5️⃣চারা সংগ্রহঃ
- চারা সংগ্রহের সময় সুস'-সুন্দর চারা সংগ্রহ করা উচিত। চারা সংগ্রহের সময় এর গোড়ার মাটির গোল্লাটি অবিকল আছে কিনা তা ভাল করে দেখে নিতে হবে।
- মাটির গোল্লাসহ চারার গোড়ার শিকড় বেরিয়ে থাকা অবস'ার চার গাছ না নেয়াই ভাল।
- বিশ্বস্ত এবং পরিচিত নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা উচিত । চারা সংগ্রহের ব্যাপারে আরো অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

6️⃣টবে চারা বসানোঃ
- চারাগাছ বা কলমচারা মাটির গোল্লাসহ পলিথিন ব্যাগে অথবা ছোট মাটির টবে কিনতে পাওয়া যায়।
- চারাটি যদি টবের হয়, তাহলে টব থেকে পুরো মাটিসহ চারাটি এমনভাবে নিতে হবে যাতে ভেংগে না যায় বা শিকড়ের কোন ক্ষতি না হয়।
- ভেজা মাটির গোল্লাসহ চারা সংগ্রহ করলে তা একটু শুকিয়ে নিতে হয়। চারা বসাবার আগেই গাছের অপ্রয়োজনীয় পুরোনো বা মরা ডাল পালা হালকা ভাবে ছেঁটে দিতে হবে।
- এরপর চারাটি টবের মাঝখানে সোজা করে বসিয়ে টবের ওপরে কিছু ভার্মি কম্পোষ্ট সার দিয়ে গাছের গোড়ারমাটি হালকা চাপ দিয়ে বসিয়ে দিতে হবে।
- চারা এমনভাবে বসাতে হবে যাতে কুঁড়ি বের হবার গিট/ পর্ব টি মাটির ওপরেই থাকে।

7️⃣সেচঃ
- টবে বসানোর পর অন্তত ২/৩ বার পানি সেচ দিতে হবে। চারা অবস্থায় গাছ যাতে প্রখর রোদ বা বৃষ্টির ঝাপ্টা থেকে রক্ষা পায় সে দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
- প্রথম অবস্থায় ৩/৪ ঘন্টা এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে বাড়াতে ৭/৮ ঘন্টা রোদ পাওয়ার ব্যবস্থা করলে গোলাপ ভাল হবে।
- পানি সেচের সময়লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে গাছের গোড়ায় পানি দাঁড়িয়ে না যায়।

8️⃣সার প্রয়োগঃ
- টব বসাবার পর গাছ ধরে গেলে একমাস পর থেকে ১৫ দিন বা এক মাস পর পর সার দিতে হয়।
- শীতের ঠিক পরেই অর্থাৎ মার্চের শেষে বা এপ্রিলের প্রথম দিকে টবের উপরের ৮/১০ সেঃমিঃ মাটির স্তর তুলে দিয়ে খালি জায়গায় ভার্মি কম্পোষ্ট সার ও নতুন ফাঁপা মাটি দিয়ে ভরে দিতে হয়।
- এর পর খড় বা পাতা দিয়ে ঢেকে গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে গাছের শিকড়কে রক্ষা করতে হয়।
- শীতকালে গাছ ছাটার পর, প্রতি টবে ৩ মুঠা গুঁড়া ভার্মি কম্পোষ্ট সার ও ১ মুঠা স্টিমড্ হাড়ের গুঁড়া বা স্টেরামিল প্রয়োগ করিতে হইবে।
ধন্যবাদ।

আসসালামু আলাইকুম Four Friend Fram এর  পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক দোয়া  করি সবার জীবনে ঈদটি আনন্দময় হয়ে উঠুক পরিব...
13/05/2021

আসসালামু আলাইকুম
Four Friend Fram এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক দোয়া করি সবার জীবনে ঈদটি আনন্দময় হয়ে উঠুক পরিবারের সাথে এবং প্রবাসী ভাইয়েরা যে যে যেখানেই আছেন।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি।সারা বিশ্বে আলুর পরই টমেটো উৎপন্ন হয়। অধিকাংশ দেশেই ...
11/05/2021

বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম

আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ আগাম টমেটো চাষ পদ্ধতি।

সারা বিশ্বে আলুর পরই টমেটো উৎপন্ন হয়। অধিকাংশ দেশেই টমেটো অন্যতম প্রধান সবজি। টমেটো কাঁচা, পাকা এবং রান্না করে খাওয়া হয়। প্রতি মৌসুমে বিপুল পরিমাণ টমেটো সস, কেচাপ, চাটনি, জুস, পেষ্ট, পাউডার ইত্যাদি তৈরিতে ব্যহৃত হয়।

মৌসুম অনুযায়ী এ দেশে চাষযোগ্য টমেটো জাতসমূহকে মোটামুটিভাবে নিম্নলিখিত শ্রেণীসমূহে ভাগ করা যেতে পারে-

🍅 #আগাম_জাত
এসব জাত শীতকালেই হয়, তবে আগাম ফলে। আগাম জাতসমূহের বীজ বপন করা হয় জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে। আগাম জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বারি টমেটো ৪, বারি টমেটো ৫, রোমা ভিএফ, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে, ডেল্টা এফ ১, উন্নয়ন এফ ১, পুষারুবী, নিউ রূপালী এফ ১ ইত্যাদি।

🍅 #ভরা_মৌসুমী_জাত
সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বীজ বুনে অক্টোবর-নভেম্বরে এসব জাতের টমেটোর চারা রোপণ করা হয়। অধিকাংশ জাতই শীতকালে ফলে। এসব জাতের মধ্য থেকে মানিক, রতন, বারি টমেটো ৩, বারি টমেটো ৬, বারি টমেটো ৭, বারি টমেটো ৯, বাহার, মহুয়া ইত্যাদি জাতকে বেছে নেয়া যেতে পারে।

🍅 #নাবি_শীত_মৌসুমী
এসব জাতের বীজ বুনতে হয় জানুয়ারিতে, ফল পাওয়া যায় মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত। বাহার, রোমা ভিএফ, রাজা, সুরক্ষা ইত্যাদি জাত নাবি চাষের জন্য ভাল।

🍅 সারা বছর চাষের উপযোগি জাত যেমন বারি টমেটো ৬ (চৈতী) চাষ করা যায়।

🍅 #রোপণ_সময়
শীতকালীন টমেটোর জন্য মধ্য কার্তিক থেকে মাঘের ১ম সপ্তাহ (নভেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারি) পর্যন্ত চারা রোপণ করা যায়। তবে আগাম চাষের জন্য রোপণ সময় এগিয়ে আনতে হবে। আগাম চাষের জন্য ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এবং নাবি চাষের ফাল্গুণ মাসে এবং গ্রীষ্মকালীন চাষের জন্য জন্য চৈত্র-বৈশাখ মাসে চারা রোপণ করতে হবে।

🍅 #চারা_তৈরি
- রোদযুক্ত উঁচু জায়গায় পরিস্কার করে ভালভাবে মাটি চাষ দিয়ে বীজতলা তৈরি করতে হবে। চাষের পর মাটি সমতল করে ১ মিটার চওড়া করে বেড বানাতে হবে।
- বেড খুব বেশি লম্বা না করে ৩-৫ মিটার করা ভাল। এতে পরিচর্যার সুবিধে হয়। ছিটিয়ে বীজতলায় বীজবপন করা যায়। ছিটিয়ে বপনের জন্য সাধারণত: প্রতি বর্গমিটার বীজতলার জন্য ১০০-১৫০ গ্রাম বীজ লাগে।
- বীজ থেকে চারা গজাতে ৬-১৪ দিন লাগে। শীতকালীন টমেটো চাষের জন্য বীজ বুনতে হবে কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে। আগাম চাষের জন্য শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে বীজ বুনতে হবে।

🍅 #জমি_তৈরি
জমি ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝ

আসসালামু আলাইকুম।ফোর  ফ্রেন্ড ফ্যার্ম  এর পক্ষ থেকে জানাই সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আজকের বিষয় ক্যাপসিকাম চাষের আধুনিক ...
03/05/2021

আসসালামু আলাইকুম।
ফোর ফ্রেন্ড ফ্যার্ম এর পক্ষ থেকে জানাই সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আজকের বিষয় ক্যাপসিকাম চাষের আধুনিক পদ্ধতি।

ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় সবজি। বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। মিষ্টি মরিচের আকার ও আকৃতি বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে সাধারণত ফল গোলাকার ও ত্বক পুরু হয়। মিষ্টি মরিচ আমাদের দেশীয় প্রচলিত সবজি না হলেও ইদানিং এর চাষ প্রসারিত হচ্ছে, ক্যাপসিকাম চাষের পদ্ধতি নিয়ে নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো-

🍀মাটি নিবার্চনঃ
- ক্যাপসিয়াম বা মিষ্টি মরিচ চাষের জন্য দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি ভালো।

🍀বপন সময়ঃ
- মিষ্টি মরিচ খরা ও গোড়ায় পানি জমা কোনটিই সহ্য করতে পারে না। মিষ্টি মরিচের বীজ বোনার উপযুক্ত সময় হলো অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত।

🍀বীজ বপন পদ্ধতিঃ
- প্রতি শতকের জন্য ১ গ্রাম বীজ দরকার হয়। বীজ থেকে প্রথমে চারা তৈরি করে নিতে হয়।
- এ জন্য বীজগুলোকে ১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে আগে থেকে তৈরি করে রাখা বীজতলায় ১০ সেমি. দূরে দূরে লাইন করে বীজ বুনতে হবে।
- বীজ বোনার ৭-১০ দিন পর চারা ৩-৪ পাতা হলে মাঝারি আকারের পলিথিন ব্যাগে চারা স্থানান্তর করতে হবে।

🍀জমি ও বেড তৈরীঃ
- মূল জমি চাষ ও মই দিয়ে ভালভাবে তৈরি করে নিতে হবে। এরপর বেড তৈরি করে নিতে হবে।
- প্রতিটি বেড চওড়া ২.৫ ফুট রাখতে হয়। দুই বেডের মাঝখানে নালা রাখা দরকার।

🍀সার প্রয়োগঃ
- প্রতি শতক জমির জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট ৪০ কেজি, ইউরিয়া ১ কেজি, টিএসপি ১.৪ কেজি, এমওপি ১ কেজি, দস্তা ২০ গ্রাম এবং জিপসাম ৪৫০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়।
- এর মধ্যে অর্ধেক ভার্মি কম্পোষ্ট সার জমি তৈরির সময়, বাকি অর্ধেক ভার্মি কম্পোষ্টে সম্পূর্ণ টিএসপি, দস্তা, জিপসাম, ১/৩ ভাগ এমওপি এবং ১/৩ ভাগ ইউরিয়া চারা রোপণের গর্তে প্রয়োগ করতে হবে।
- বাকি ২/৩ ভাগ ইউরিয়া এবং এমওপি পরবর্তীতে দুইভাগ করে চারা রোপণের ২৫ এবং ৫০ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে।

🍀অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ
- সাধারণত ৩০ দিন বয়সের চারা তৈরি করা বেডে ১.৫ ফুট দূরে দূরে লাইনে রোপণ করা হয়।
- নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা অনেক কমে যায় বলে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে রাখলে ভেতরের তাপমাত্রা বেশি থাকে।
- ক্যাপসিকাম খরা ও জলাবদ্ধতা কোনটাই সহ্য করতে পারে না, তাই প্রয়োজন অনুসারে জমিতে সেচ দিতে হবে।
- কোন গাছে ফল ধরা শুরু

আমাদের জৈব সারের বস্তা আপনারা যদি নিতে চান তাহলে এখনি  যোগাযোগের ঠিকানা পারকানসাট, কানসাট, শিবগঞ্জ চাঁপাইনব্বাঞ্জন।অথবা ...
24/04/2021

আমাদের জৈব সারের বস্তা আপনারা যদি নিতে চান তাহলে এখনি যোগাযোগের ঠিকানা পারকানসাট, কানসাট, শিবগঞ্জ চাঁপাইনব্বাঞ্জন।
অথবা সরাসরি ফোন করুন=
01303130589
স্যারের রাজা কেঁচো সার।

বাগানের মাটিতে কেঁচো সার,গোবর সার নয় কেন?আমরা জানি গোবর একটি ভাল জৈব সার।কেঁচো সার উৎপাদনে গোবর অন্যতম উপাদান।তবে বাগানে...
21/04/2021

বাগানের মাটিতে কেঁচো সার,গোবর সার নয় কেন?

আমরা জানি গোবর একটি ভাল জৈব সার।কেঁচো সার উৎপাদনে গোবর অন্যতম উপাদান।তবে বাগানের মাটিতে কেঁচো সার ব্যাবহার করব, কিন্তু গোবর সার নয় কেন?

হ্যা,এই বিষয়টি পরিশ্কারের জন্য প্রথমে জানা দরকার গোবর আমাদের মাটিতে কিভাবে সারের প্রয়োজন মিটায়।

গোবর প্রথম অবস্থায় এ্যামোনিয়া সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস, ছত্রক, ব্যাকটেরিয়া সমৃদ্ধ থাকে।এটা দ্বিতিয় পর্যায় এ্যামনিয় এবং অন্যান্য গ্যাস দুরিভূত হয়ে ডি কম্পোষ্ট এবং তৃতিয় পর্যায় কম্পোষ্টে রুপান্তরিত হয়।
এই কম্পোষ্টেও কিছু ক্ষতিকর ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়।

গোবর এই কম্পোষ্ট পর্যায় পর্যন্ত আসতে যে সময়টুক দরকার হয় সেই সময়ের মধ্যে গোবর সংরক্ষন ও উত্তম গুনগত মান ধরে রাখতে গোবরকে কিছু নিয়মের মধ্যে সংরক্ষন প্রয়োজন।

যেমনঃগোবরের স্তুপকে একটি নিদৃষ্ট উচ্চতার মধ্যে সংরক্ষন, যেন এ্যামনিয়া সহ ক্ষতিকর গ্যাস সহজে বের হয়ে যেতে পারে।রোদ এবং বৃষ্টি থেকে গোবরকে রক্ষা করতে হবে। যেন গোবরের মাটির জন্য প্রয়োজনিয় উপাদান বৃষ্টিতে ভিজে, রোদের তাপে নষ্ট না হয়।

এছারা আরও কিছু ধাপ অতিক্রম করে তবে গোবর উত্তম জৈব সারে পরিনত হয়।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে গোবরকে জৈব সারে রুপান্তরের জন্য সংরক্ষনের এই ধাপগুলোর একটিও পালন করা হয়না বিধায় গোবর সারে মাটির জন্য প্রয়োজনিয় উপাদানগুলো পাওয়া যায় না।

বিশেষত শহরের বাগানিগন হয় কোন খামার থেকে নয়ত নার্সারি থেকে গোবর সংগ্রহ করে থাকে।গোবর যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়।সেখানে সংরক্ষনের কোন নিয়ম মানা হয়না বিধায় গোবর থেকে যে সুফল আমাদের পাওয়ার কথা তা কোন ভাবেই আমরা পাইনা।আমাদের বাগানি ভাইবোনেরা তাদের বাগানে গোবর সার ব্যাবহার করে মনে করে যে, তার বাগানে পর্যাপ্ত জৈব সার ব্যাবহার করেছে তাই ভাল রেজাল পাবে। কিন্তু দেখা যায় তারা তাদের কাংখিত ফলন পাচ্ছে না।

অন্যদিকে,কেঁচো সার তৈরী করতে কেঁচোকে উত্তম খাদ্য ও বাসস্থানের ব্যাবস্থা করতে হয়।কেঁচোকে দেয় খাদ্য খেয়ে কেঁচো যে মল ত্যাগ করে তাই কেঁচো সার।

তাই,কেঁচোকে সুস্থ ভাবে বাঁচিয়ে রেখে বংশ বিস্তারের মাধ্যমে কেঁচো সার পেতে গোবর সহ কেঁচোর খাদ্যকে রোদ, বৃষ্টি মুক্ত পরিবেশে রেখে প্রসেস করে এ্যামোনিয়া সহ ক্ষতিকর গ্যাসমুক্ত করে কেঁচো সার উৎপাদনে সুন্দর পরিবেশে উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

কেঁচোর খাদ্য হিসাবে গোবর সহ অন্যান্ন উপাদান ডি কম্পোস্ট করে কেঁচোকে খাদ্য সরবা

ফোর ফ্রেন্ড ফ্যার্ম ভার্মি কম্পোষ্ট এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা।💰 আমাদের সার প্রতি কেজি মাত্র ১৩ টাকা।যদি আপনি ৫০ বস্তা ...
17/04/2021

ফোর ফ্রেন্ড ফ্যার্ম ভার্মি কম্পোষ্ট এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা।
💰 আমাদের সার প্রতি কেজি মাত্র ১৩ টাকা।যদি আপনি ৫০ বস্তা কেজি বা তার বেশি নেন তাহলে ১২ টাকা।আবার যদি কেউ ১ টন অর্থাৎ ১০০০ কেজি বা তার বেশি নেন তাহলে প্রতি কেজি ১০ টাকা করে রাখা হবে। সার পাঠানোর কুরিয়ার চার্জ আপনার।

👉বস্তা অনুযায়ী কুরিয়ার খরচসহ সারের মূল্যঃ-

💰৫০ কেজির প্রতি বস্তা -->
বর্তমান মূল্য-৬০০ টাকা

💰৩০ কেজির প্রতি বস্তা -->
বর্তমান মূল্য-৩৬০ টাকা (কুরিয়ার খরচ সব আপনার।

💰২০ কেজির প্রতি বস্তা -->
বর্তমান মূল্য-২৪০ টাকা ( কুরিয়ার চার্জ আপনার।

💰১৫ কেজির প্রতি বস্তা -->
বর্তমান মূল্য-১৮০ ( কুরিয়ার চার্জ আপনার।

📝সার অর্ডার কনফার্ম করার নিয়মাবলীঃ-

👉অর্ডার কনফার্ম করতে অবশ্যই কুরিয়ার খরচসহ সারের মূল্য অগ্রিম বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে।

👉অর্ডার কনফার্মেশন এর পরের দিন সার বুকিং দেওয়া হবে। বুকিং এর স্লিপ কপির একটি ছবি আপনাকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এরপর সর্বোচ্চ
২-৩ দিনের মধ্যে ক্রেতা সার হাতে পেয়ে যাবেন।

📢 আমরা সবসময় পণ্যের মান ও গুনে সেরাটা দেবার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

👉অথবা আমাদের সাথে সরাসরি কথা বলতে কল করুন এই নাম্বারে-->
📞০১৩০৩১৩০৫৮৯
📞০১৭৬৭৩৮৯০৬৬

Address

Bangladeh Rajshahi
Rajshahi
5070

Telephone

+8801303130589

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Four Friend Fram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Four Friend Fram:

Share