Markazun Nur Girls Madrasah

Markazun Nur Girls Madrasah مَدْرَسَةُ مَرْكَزُ النُّوْرِ لِلْبَنَاتِ

ফিরে দেখা রমজান ২০২৬ 😊😊 মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতারের সামান্য আয়োজন। ▶️ একাডেমিক ক্লাস সমূহ: ✅ নূরানী বিভাগ ✅ নাজ...
09/04/2026

ফিরে দেখা রমজান ২০২৬ 😊😊
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতারের সামান্য আয়োজন।

▶️ একাডেমিক ক্লাস সমূহ:
✅ নূরানী বিভাগ
✅ নাজেরা/প্রি-হিফজ বিভাগ
✅ হিফজুল কুরআন বিভাগ
✅ হিফজ শুনানি বিভাগ
✅ কিতাব বিভাগ (উর্দু হতে দাওরা হাদীস পর্যন্ত)
✅ জেনারেল বিভাগ (প্লে-গ্রুপ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত)

▶️ ট্রেনিং কোর্স সমূহ:
✅ নূরানী মুয়াল্লিমা ট্রেনিং কোর্স (সারা বছর চলমান)
✅ হুফফাজুল কুরআন ট্রেনিং কোর্স (সারা বছর চলমান)
✅ নাহু-সরফ ট্রেনিং কোর্স (সারা বছর চলমান)

ভর্তির জন্য আজই যোগাযোগ করুন মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসায়।

📞 01756-116280 | 01932-680870

📢 একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিআর নয় রংপুর, এখন থেকে পীরগাছায় হবে🌟 নূরানী মুয়াল্লিমাহ, হুফফাজুল কুরআন ও নাহু-সরফ ট্রেনিং কোর্স 🌟ই...
07/04/2026

📢 একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি
আর নয় রংপুর, এখন থেকে পীরগাছায় হবে

🌟 নূরানী মুয়াল্লিমাহ, হুফফাজুল কুরআন ও নাহু-সরফ ট্রেনিং কোর্স 🌟

ইসলামি শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী প্রতিষ্ঠান
🕌 মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসা
এর তত্ত্বাবধানে পবিত্র কুরআন ও আরবি শিক্ষায় আগ্রহী বোনদের জন্য চালু করা হয়েছে—

📘 ১ মাসব্যাপী নূরানী ট্রেনিং কোর্স
🔹 কোর্স ফি: ৬,০০০/- টাকা

নূরানী ট্রেনিং কোর্সের বৈশিষ্ট্য:
✔ অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষিকা দ্বারা প্রশিক্ষণ
✔ কোর্স শেষে উত্তীর্ণদের সনদপত্র প্রদান
✔ কুরআন সহিহ ও শুদ্ধভাবে পড়ার যোগ্যতা অর্জন
✔ ক্বিরআত, মাখরাজ ও তাজবিদের উপর বিশেষ গুরুত্ব

📘 হুফফাজ ট্রেনিং কোর্স
🔹 কোর্স ফি: ৬,০০০/- টাকা

নূরানী ট্রেনিং কোর্সের বৈশিষ্ট্য:
✔ অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষিকা দ্বারা প্রশিক্ষণ
✔ কোর্স শেষে উত্তীর্ণদের সনদপত্র প্রদান
✔ কুরআন সহিহ ও শুদ্ধভাবে পড়ার যোগ্যতা অর্জন
✔ ক্বিরআত, মাখরাজ ও তাজবিদের উপর বিশেষ গুরুত্ব

📗 নাহু-সরফ কোর্স
🔹 কোর্স ফি: ৪,০০০/- টাকা

নাহু-সরফ কোর্সের বৈশিষ্ট্য:
✔ সহজ ও সাবলীল পদ্ধতিতে আরবি ব্যাকরণ শিক্ষা
✔ কুরআন ও হাদিস বুঝার যোগ্যতা অর্জন
✔ মাদ্রাসা শিক্ষিকাদের জন্য বিশেষ উপযোগী

🗓 ট্রেনিং শুরু:
১১ই এপ্রিল থেকে ১০ই মে পর্যন্ত।

📍 স্থান: শিমুলতলী (ফায়ার সার্ভিস রোড), পীরগাছা, রংপুর

📞 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ:
Rakibul Islam
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসা
📱 ০১৭৫৬-১১৬২৮০
📱 ০১৯৩২-৬৮০৮৭০

📝 বিঃ দ্রঃ মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগ থেকে দাওরা হাদিস পর্যন্ত প্রতিটি বিভাগে ভর্তি চলছে।

* উন্নত মানের নূরানী - নাজেরা বিভাগ
* আন্তর্জাতিক মানের হিফজ বিভাগ
* জেনারেল ও কিতাবের সমন্বয়ে গঠিত ব্যতিক্রমধর্মী কিতাব বিভাগ।
* কিতাব বিভাগ: উর্দু জামাত থেকে দাওরা হাদীস পর্যন্ত।
* জেনারেল বিভাগ: ১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত।

আপনার সন্তানকে দ্বীনি ইলম শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত করতে আজই যোগাযোগ করুন মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসায়।

Markazun Nur Girls Madrasah

29/03/2026

মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসার ভর্তির কার্যক্রম ২৮ মার্চ, শনিবার থেকেই শুরু হয়ে গেছে।

আপনার সন্তানকে নিয়ে চলে আসুন আমাদের মাদ্রাসার অফিস কক্ষে।

📢 ভর্তির বিজ্ঞপ্তি! মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসায় ২০২৬/২৭ শিক্ষাবর্ষে নিম্নোক্ত বিভাগ সমূহে ভর্তি চলছেঃ🔹 নূরানী 🔹 নাজেরা...
26/03/2026

📢 ভর্তির বিজ্ঞপ্তি!

মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসায় ২০২৬/২৭ শিক্ষাবর্ষে নিম্নোক্ত বিভাগ সমূহে ভর্তি চলছেঃ

🔹 নূরানী
🔹 নাজেরা
🔹 হিফজ
🔹 কিতাব (উর্দু জামায়াত থেকে দাওরা হাদিস পর্যন্ত)
🔹 জেনারেল (১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত)
🔹 বয়স্ক বিভাগ (যে কোনো বয়সী/পেশার মেয়ে/মহিলা কুরআন/হাদীস, প্রয়োজনীয় মাসয়ালা/মাসায়িল শিখতে পারবেন)

👉 এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিসঃ

🔹 চার ভাষায় হাতের লেখা শিক্ষা দান (১০ প্রকার)
🔹 আরবি, বাংলা, ইংরেজি, উর্দু স্পোকেন ক্লাস
🔹 সমসাময়িক সাধারণ জ্ঞ্যানের এক্সট্রা ক্লাস
🔹 একজন মেয়ের পারিবারিক/সাংসারিক কাজকর্মে দক্ষতা অর্জন

👉 প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত ট্রেনিং কোর্স সমূহ:

🔹 নূরানী মুয়াল্লিমা ট্রেনিং কোর্স
🔹 হুফফাজুল কুরআন ট্রেনিং কোর্স
🔹 নাহু-সরফ ট্রেনিং কোর্স

📅 ভর্তি ও ক্লাস শুরু: ৮ শাওয়াল ১৪৪৭, ২৮ মার্চ ২০২৬, শনিবার থেকে।

👉 বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুনঃ

📞 01756-116280, 01932-680870
📧 Email: [email protected]

23/03/2026

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!

🎓 মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসা
শিমুলতলী (ফায়ার সার্ভিস রোড), পীরগাছা, রংপুর
(স্থাপিত: ২০২৫ খ্রি.)
সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,
আমাদের মাদ্রাসায় নিম্নোক্ত বিভাগসমূহে ২০২৬/২৭ (রমজান/শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে—

📚 বিভাগসমূহ:
✅ আদর্শ নূরানী বিভাগ
✅ মান সম্মত নাজেরা বিভাগ
✅ আন্তর্জাতিক মানের হিফজ বিভাগ
✅ কিতাব বিভাগ (উর্দু জামায়াত থেকে দাওরা হাদিস পর্যন্ত)
✅ জেনারেল বিভাগ (১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত)
✅ স্পোকেন ক্লাস (আরবি, বাংলা, ইংরেজি, উর্দু)
📣 একমাত্র আমরাই দিচ্ছি মাদ্রাসা শিক্ষার পাশাপাশি পরিপূর্ণ জেনারেল শিক্ষার নিশ্চয়তা, আপনার সন্তান এখান থেকেই দাওরা হাদীস + দাখিল/এসএসসি একসাথে পড়তে ও পরীক্ষা দিতে পারবে।

📚 প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালিত ট্রেনিং কোর্সসমূহ:
✅ নূরানী মুয়াল্লিমা ট্রেনিং কোর্স (পুরো বছর ট্রেনিং চলমান রয়েছে)
✅ হুফফাজুল কুরআন ট্রেনিং কোর্স (পুরো বছর ট্রেনিং চলমান রয়েছে)
✅ নাহু-সরফ ট্রেনিং কোর্স (পুরো বছর ট্রেনিং চলমান রয়েছে)
✅ বয়স্ক বিভাগ (জেনারেল শিক্ষিত চাকুরীজিবি/গৃহিণী যে কোনো বয়সের মহিলা/মেয়েরা সুবিধামতো পড়তে/কুরআন শিক্ষা করতে পারবেন)

🕰️ নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি ও ক্লাস শুরু: ৮ শাওয়াল, ২৮ মার্চ ২০২৬, শনিবার

📞 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
হাফেজ মাওলানা মোঃ রাকিবুল ইসলাম
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, অত্র মাদ্রাসা
📱 01756-116280 | 01932-680870
📧 [email protected]

📌 একটি আদর্শ দ্বীনি পরিবেশে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষার নিশ্চয়তা।
👉 আসন সংখ্যা সীমিত, আগ্রহীদের দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

কওমী মাদ্রাসা;প্রতিষ্ঠাতা/পরিচালক/মুহতামিম ও শিক্ষক/শিক্ষিকাদের সম্মিলিত ত্যাগের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান- কিছুদিন পরপরই সোশ্...
19/03/2026

কওমী মাদ্রাসা;
প্রতিষ্ঠাতা/পরিচালক/মুহতামিম ও শিক্ষক/শিক্ষিকাদের সম্মিলিত ত্যাগের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান-

কিছুদিন পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহতামিম ও সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে দায়িত্ব ও অবদানের প্রশ্নে বিভাজনমূলক আলোচনা দেখা যায়।

অথচ বাস্তবতা হলো এই দুই পক্ষের সম্মিলিত ত্যাগ ও শ্রমেই কওমী মাদ্রাসা টিকে আছে, বেড়ে উঠছে, সমাজকে আলোকিত করছে।

নিচে উভয়ের অবদান আলাদাভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি-

পরিচালক/মুহতামিমের অবদান -

সরকারি অনুদানবিহীন কওমী মাদ্রাসাগুলোর ক্ষেত্রে মুহতামিমের ভূমিকা একেবারেই ব্যতিক্রমধর্মী।

১) প্রতিষ্ঠা ও টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:-

একটি কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা মানে শূন্য থেকে শুরু করা। জায়গা সংগ্রহ, ভবন নির্মাণ, ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি, শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়োগ সবকিছুই মুহতামিমের কাঁধে। কোনো সরকারি বাজেট নেই, নির্দিষ্ট ফান্ড নেই। তবুও তিনি এগিয়ে যান।

২) অর্থনৈতিক সংকটের নীরব যুদ্ধ:-
মাস শেষে শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বেতন, ছাত্র/ছাত্রীদের খাবার, হোস্টেলের খরচ (ভাড়া) সবকিছুই নির্ভর করে মানুষের দান-সদকার উপর। কারণ অধিকাংশ কওমি মাদ্রাসার ছাত্র/ছাত্রীরা নামমাত্র মাসিক খরচ দিয়ে থাকে।

৩) সামাজিক ও মানসিক চাপ:-

একদিকে দাতা ও এলাকাবাসীকে সন্তুষ্ট রাখা, অন্যদিকে শিক্ষক/শিক্ষিকা ও ছাত্র/ছাত্রীদের প্রয়োজন মেটানো। এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে মুহতামিমকে প্রতিনিয়ত ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। ভুল হলে সমালোচনা, সফল হলে নীরবতা। এই বাস্তবতায় তিনি কাজ করে যান।

সাধারণ শিক্ষক/শিক্ষিকাদের অবদান:-

সাধারণ শিক্ষকরা হলেন সেই মানুষ, যারা সরাসরি ছাত্র/ছাত্রীদের গড়ে তোলেন। তাদের অবদান দৃশ্যমান, গভীর এবং প্রভাবশালী।

১) ইলমের বীজ বপন:-

ক্লাসরুমে একজন শিক্ষক/শিক্ষিকা শুধুই পাঠ্যবই পড়ান না; তিনি ছাত্র/ছাত্রীর অন্তরে ঈমান, আদব ও তাকওয়ার বীজ বপন করেন।

২) ত্যাগ ও ধৈর্য:-

অত্যন্ত সীমিত বেতনে, অনেক সময় অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে থেকেও তারা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের জীবনে চাকরির নিরাপত্তা কম, কিন্তু দায়িত্ববোধ অনেক বেশি।

৩) ব্যক্তিত্ব গঠন:-
একজন ছাত্র/ছাত্রী ভবিষ্যতে কেমন আলেম/আলেমা হবে? তার বড় অংশ নির্ভর করে শিক্ষক/শিক্ষিকার উপর। তাদের আদর্শ, আচরণ, শিক্ষাদান পদ্ধতি, সবই ছাত্র/ছাত্রীর জীবনে প্রভাব ফেলে।

সুতরাং কওমি মাদ্রাসাগুলো মুহতামিম/পরিচালক ও সাধারণ শিক্ষক/শিক্ষিকা উভয়ের সম্মিলিত মেহনতেই গড়ে উঠে।

মুহতামিম/পরিচালক ছাড়া যেমন প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতে পারে না, আবার সাধারণ শিক্ষক/শিক্ষিকা ছাড়াও প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। একজন গাছ রোপণ করেন, অন্যজন সেটিকে লালন করেন। এখানে প্রতিযোগিতা নয়, পরিপূরক সম্পর্কই মূল বিষয়।

যারা একে অপরকে দায়ী করে লেখালেখি করেন, তারা হয়তো বাস্তবতার একটি অংশ দেখেন, কিন্তু পুরো চিত্রটি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হন।

একটি কওমী মাদ্রাসা হলো একটি জীবন্ত অর্গানিজম যেখানে প্রতিটি অংশ একে অপরের উপর নির্ভরশীল।

এই দুইয়ের মিলনেই গড়ে ওঠে একটি আদর্শ মাদ্রাসা।
অতএব, বিভাজন নয়,স্বীকৃতি দিন। সমালোচনা নয়,সহযোগিতা করুন। কারণ, কওমী মাদ্রাসা টিকে থাকলে, দ্বীনের ধারাবাহিকতাই টিকে থাকবে।

কওমী মাদ্রাসা কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি আদর্শ, একটি আন্দোলন, একটি নীরব বিপ্লব। এখানে গড়ে ওঠে দ্বীনের খাদেম/খাদেমা, সমাজের নৈতিক পথপ্রদর্শক।

আলহামদুলিল্লাহ! শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার ও রাতের খাবারের আয়োজন।বি:দ্র: নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি ও ক্লাস শুরু ১০ শাওয়াল ১৪...
17/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ!

শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার ও রাতের খাবারের আয়োজন।

বি:দ্র: নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি ও ক্লাস শুরু ১০ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি (২৮ মার্চ ২০২৬) রোজ শনিবার।

আপনার মেয়ে সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত করতে আজই যোগাযোগ করুন মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসায়।

মোবাইল নম্বর: 01756-116280, 01932680870

13/03/2026

ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!

🎓 মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসা
শিমুলতলী (ফায়ার সার্ভিস রোড), পীরগাছা, রংপুর
(স্থাপিত : ২০২৫ খ্রি.)
সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,
আমাদের মাদ্রাসায় নিম্নোক্ত বিভাগসমূহে ২০২৬/২৭ (রমজান/শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে—

📚 বিভাগসমূহ:
✅ আদর্শ নূরানী বিভাগ
✅ মান সম্মত নাজেরা বিভাগ
✅ আন্তর্জাতিক মানের হিফজ বিভাগ
✅ কিতাব বিভাগ (উর্দু জামায়াত থেকে দাওরা হাদিস পর্যন্ত)
✅ জেনারেল বিভাগ (১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত)
📣 একমাত্র আমরাই দিচ্ছি মাদ্রাসা শিক্ষার পাশাপাশি পরিপূর্ণ জেনারেল শিক্ষার নিশ্চয়তা, মেয়েরা এখান থেকেই দাওরা হাদীস + দাখিল/এসএসসি একসাথেই পড়তে পারবে।

📚 প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালিত ট্রেনিং কোর্সসমূহ:
✅ নূরানী মুয়াল্লিমা ট্রেনিং কোর্স (পুরো বছর ট্রেনিং চলমান রয়েছে)
✅ হুফফাজুল কুরআন ট্রেনিং কোর্স (পুরো বছর ট্রেনিং চলমান রয়েছে)
✅ নাহু-সরফ ট্রেনিং কোর্স (পুরো বছর ট্রেনিং চলমান রয়েছে)
✅ বয়স্ক বিভাগ (জেনারেল শিক্ষিত চাকুরীজিবি/গৃহিণী যে কোনো বয়সের মহিলা/মেয়েরা সুবিধামতো পড়তে/কুরআন শিক্ষা করতে পারবেন)

🕰️ নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু: ২৮ মার্চ ২০২৬, শনিবার

📞 ভর্তি ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
হাফেজ মাওলানা মোঃ রাকিবুল ইসলাম
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, অত্র মাদ্রাসা
📱 01756-116280 | 01932-680870
📧 [email protected]

📌 একটি আদর্শ দ্বীনি পরিবেশে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষার নিশ্চয়তা।
👉 আসন সংখ্যা সীমিত, আগ্রহীদের দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

10/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ! মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসার মেয়েদের জন্য ইফতারের সামান্য কিছু আয়োজন।
10/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ!

মারকাজুন নূর বালিকা মাদ্রাসার মেয়েদের জন্য ইফতারের সামান্য কিছু আয়োজন।

মৌলিকভাবে শিয়া সম্প্রদায় একটি বিভ্রান্ত দলের নাম। এদের মধ্যে অনেক দল-উপদল রয়েছে। এই শিয়া মতবাদ মূলতঃ ইয়াহুদী মতবাদের দ্ব...
03/03/2026

মৌলিকভাবে শিয়া সম্প্রদায় একটি বিভ্রান্ত দলের নাম। এদের মধ্যে অনেক দল-উপদল রয়েছে। এই শিয়া মতবাদ মূলতঃ ইয়াহুদী মতবাদের দ্বিতীয় সংস্করণ। ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করাই তাদের প্রধান কাজ।

শিয়া সম্প্রদায়ের কিছু ভ্রান্ত ও কুফুরী আকিদাঃ

১/ শিয়াদের কালিমা হচ্ছে---(লা ইলাহা ইল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ ‘ওয়া আলিউন ওয়ালিউল্লাহ’)
এমনকি আজানেও তারা এই বাক্যটি ব্যবহার করে এমনকি মৃত ব্যক্তিকে এই কালিমা বলে তালকীন করে।

২/ আল্লাহ তায়ালা এবং তাদের ইমামদের মাঝে কোন পার্থক্য নেই।

৩/ শিয়াদের একটি উপদল ইমামিয়্যাহ, তারা তাদের ইমামদেরকে আল্লাহ তায়ালার গুণে গুণান্নিত মনে করে। এমনকি তারা তাদেরকে আল্লহর নামেও ডাকে।

৪/ এটাও শিয়াদের আকিদা যে, আল্লাহ তায়ালা জিবরাঈল (আ.) কে ওহি দিয়ে আলি (রা.) এর নিকট পাঠিয়ে ছিলেন। কিন্তু তিনি ভুল করে মুহাম্মদ (স.) এর নিকট তা অবতীর্ণ করেছেন।

৫/ শিয়াদের আকিদা, বর্তমান কুরআন শরীফ অসম্পূর্ণ।

৬/ তারা বলে হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ) তিনি কুরআন শরীফ সংরক্ষনে বাধা দিয়েছিলেন।

৭/ তাদের আরেকটি আকিদা হল, প্রকৃত কুরআন শরীফ ইমাম মাহাদী, উনার নিকট আছে।

৮/ শিয়াদের অধিকাংশ মুহাদ্দিছ বিশ্বাস করে যে, কুরআন শরীফ-এ অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে।

৯/ তারা বলে মত হচ্ছে এটা,

যে ব্যক্তি দাবী করে যে, মহান আল্লাহ পাক, তিনি পূর্ণ কুরআন শরীফ যেভাবে নাযিল করেছেন, অনুরূপ সে তা একত্র করেছেন, তাহলে সে মিথ্যাবাদী। প্রকৃতপক্ষে মহান আল্লাহ পাক যেভাবে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন, হযরত আলী (রাঃ) এবং উনার পরবর্তী ইমামগণ ছাড়া কেউই তা হুবহু একত্র ও সংরক্ষণ করতে সক্ষম হননি।

১০/ তারা বলে, যে ব্যক্তি হুসাইন (রা.) এর কবর যেয়ারত করলো সে যেন আরশে আল্লাহ তায়ালার যেয়ারত করলো।
নিচে দলিল সহ মুল কিতাবগুলো থেকে আনা হয়েছে,, শিয়াদের আকিদাহ সম্পর্কে মুল কিতাব থেকে দেখতে পারেন।

১১/ শিয়া শায়খদের অভিমত হচ্ছে যে, ইমামদের কবরের দিকে হজ করা,
কাবায় হজ করার থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং ছাওয়াবের কাজ।

১২/ শিয়াদের ধারণা, আলি (রা.) অদৃশ্যের খবর জানেন। তারা বলে, তিনি নাকি বলেছেন, "আমি জমিনের প্রতিপালক। আমার মাধ্যমেই জমীন স্থীর রয়েছে"।

১৩/ তারা এটিও বিশ্বাস করে যে,
হযরত আলি (রাঃ)তিনি দুনিয়া ও আখেরাতে যেভাবে ইচ্ছা পরিচালনা করতে পারেন।

১৪/ শিয়া শায়খদের অভিমত, আলি (রা.) মৃত ব্যক্তিকে জিবিত করতে সক্ষম।

১৫/ মুতা বিবাহ (সাময়ীক সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিবাহ) যা ইসলামে নিষিদ্ধ বা হারাম সেই নিষিদ্ধ বিষয়টিকে তারা হালাল ঘোষণা করে। তারা বলে একজন ব্যক্তি পরিপূর্ণ মুমিন হতে পারবেনা যতক্ষননা সে অবিভাবক ও সাক্ষি ব্যতিত মুতা বিবাহ করে। এমনকি তারা বলে, একজন মুমিন নারীর সাথে মুতা করা সত্তরবার কাবা যিয়ারতের থেকেও উত্তম।

১৬/ শিয়াদের একটি বিশ্বাস হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে তাদের ইমামদের নূর থেকে সৃষ্টি করেছেন। আর এই ফেরেশতাদের দায়িত্ব হচ্ছে, তারা হুসাইন (রা.) এর কবরের পাশে কাঁদবে। এধরনের চার হাজার ফেরেশতা কেয়ামত পর্যন্ত হুসাইন (রা.) এর কবরের পাশে কাঁদতে থাকবে। এছাড়া অন্যান্য সকল ফেরেশতার আল্লাহর নিকট অনুমতি চাইবে যেন তাদেরকে হুসাইন (রা.) এর কবর যেয়ারত করার সুযোগ দেয়া হয়। অতএব কিছু ফেরেশতা যিয়ারত শেষে আকাশে উঠে যাবে আর অন্যরা অবতরণ করবে।

১৭/ খোমেনী তার ইসলামী হুকুমত কিতাবের মধ্যে লিখেছে যে, আমাদের ইমামদের এমন মর্যাদা রয়েছে যেখানে কোন নিকটস্থ ফেরেশতা বা কোন প্রেরিত নবীও পৌঁছাতে পারবে না।

১৮/ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইন্তিকালের পর হযরত মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত সালমান ফারেসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এই তিন ব্যক্তি ব্যতীত সমস্ত মানুষ (সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) মুরতাদ ছিল।

১৯/ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ), হযরত উমর ফারুক (রাঃ), হযরত উছমান যিন নূরাইন (রাঃ) এবং হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ)
উনারা জাহান্নামের জ্বালানী কাষ্ঠ।

২০/ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ)এর ইন্তেকালের সময় কালিমা শরীফ পাঠ করতে পারেন নি।

২১/ শয়তান সর্বপ্রথম হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ) এর কাছ থেকে তার প্রতি আনুগত্যের শপথ নিয়েছিল।

২২/ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ) এবং হযরত উমর ফারুক (রাঃ) উনারা শয়তানের চেয়ে বেশী অত্যাচারী ছিলেন।

২৩/ হযরত ইমাম মাহাদী সকল সুন্নী আলিমদের হত্যা করবেন।

২৪/ শিয়াদের শায়খদের অভিমত হচ্ছে যে ব্যক্তি আবুবকর, ওমর, উছমান, মুআবিয়া, আয়েশা এবং হাফসা রাদিআল্লাহু আনহুমদের প্রতি ফরজ নামাজের পর অভিসাপ দিবে, তারা আল্লাহ তায়ালার অতি নৈকট্যশিল বান্দা হতে পারবে।

২৫/ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ) এবং হযরত উমর ফারুক (রাঃ) উনারা কাফির এবং যারা উনাদেরকে ওলী হিসেবে গ্রহণ করবে তারাও কাফির।

২৬/ শিয়াদের শায়খ আলবা ইবনে দিরা, এই ব্যক্তি মর্যাদার দিক থেকে আলি (রা.) কে রাসুল (স.) এর চেয়ে বেশী প্রধান্য দেয়।
একথাও বলে যে, মুহাম্মদকে (সঃ) আলি (রা.) ই পাঠিয়েছেন। তাদের ধারণা এটিও যে আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ (স.) কে পাঠিয়েছেন যেন তিনি মানুষকে আলি (রা.) এর দিকে ডাকেন। কিন্তু তা না করে তিনি মানুষকে নিজের দিকে ডাকতে শুরু করেছেন।

২৭/ খোমেনী তার ইসলামী হুকুমত কিতাবের মধ্যে লিখেছে যে, আমাদের ইমামদের এমন মর্যাদা রয়েছে যেখানে কোন নিকটস্থ ফেরেশতা বা কোন প্রেরিত নবীও পৌঁছাতে পারবে না।

২৮/ ইমাম খোমেনী এই পাপিষ্ঠ বলে, যেকোন ধরণের যৌন লালসা পুরণ করায় কোন গোনাহ নেই এমনকি তা যদি দুগ্ধজাত শিশুর সাথেও হয়।

২৯/ শিয়াদের শায়খরা বলে, তাদের ইমামরা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ওহী ব্যতীত কথা বলে না। এব্যাপারে সকলকে ঈমান রাখতে হবে।

৩০/ তাদের আক্বিদা যে, উসমান বিন আফফান (রা.) রাসুলের সময়ে প্রকাশ্যে ঈমানদার ছিলেন, তবে ভিতরে ভিতরে তিনি ছিলেন মুনাফিক।
সাথে সাথে তারা এ বিশ্বাস করে যে, যে ব্যক্তি উসমান (রা.) এর ক্ষেত্রে মনের মধ্যে শত্রুতা না রাখবে এবং তাকে কাফের মনে না করবে সে আল্লাহ ও তার রাসুলের শত্রু। এবং সে কাফের।

৩১/ এই শিয়ারা সকল মুসলমানদের মা জননী আয়েশা (রা.) কে এবং হাফসা (রা.) কে কাফের মনে করে।

৩২/ তাদের বিশ্বাস, জাহান্নামের সাতটি দরজাই আয়েশা (রা.) এর জন্য। এবং আয়েশা (রা.) ব্যভিচারিনী। (এটি একটি বিরাট অপবাদ)। তাদের প্রতিক্ষিত ইমাম মাহদি তাকে জিবিত করবেন এবং তার উপর হদ কায়েম করবেন বা তার বিচার করবেন।

৩৩/ শিয়াদের ইমাম ও ওয়ালিদের কবর বা মাজার যেয়ারত করা অন্যান্য ফরজের মত একটি ফরজ। যে ব্যক্তি এটি পরিত্যাগ করবে সে কাফের।

৩৪/ তাদের বিশ্বাস, কেয়ামতের পুনরুত্থানের পূর্বেই অনেক মানুষ মৃত্যুর পর আবার দুনিয়াতে সেই চেহারা ছুরত বা আকৃতি নিয়ে আবার আসবে। এটি একটি কুফুরি মতবাদ বা হিন্দুয়ানী মতবাদ।

৩৫/ তারা মনে করে প্রতিক্ষিত ইমাম মাহদি আসার পূর্ব পর্যন্ত তাদের উপর জুমার নামাজ ওয়াজিব নয়। তার যখন আবির্ভাব হবে তখন তিনি তাদের নিয়ে জুমা আদায় করবেন।

৩৬/ শিয়াদের বিশ্বাস, তাদের ইমাম মাহদি এসে আবুবকর ও ওমর (রা.) কে জিবিত করে শুলিতে চড়াবেন। এবং প্রতিদিন তাদেরকে হাজারবার হত্যা করবেন।

৩৭/ তাদের বিশ্বাস, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের লোকেরা জাহান্নমী। তারা অপবিত্র, কাফের, তাই তাদের জানাযার নামাজ পড়া জায়েয হবে না। তাদের কোরবানী হালাল হবে না। এবং তারা সকলেই জারজ সন্তান। তাদেরকে হত্যা করা, তাদের সম্পদ চুরি করা, তাদের সাথে মতবিরোধ করা বৈধ। এমনকি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের লোকদের অভিসাপ দেয়া উত্তম ইবাদত।

৩৮/ শিয়ারা বলে, আলি (রা.) এর কবর যিয়ারত করলে প্রতিটি পদে পদে তার জন্য একটি কবুল হজ, একটি মাবরুর ওমরা এবং একশত শহীদের ছাওয়াব লেখা হবে। তার পূর্বের ও পরের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। তার হিসাব সহজ করা হবে। ফেরেশতারা তাকে স্বাগত জানাবে।

৩৯/ শিয়াদের একটি বিশ্বাস যে কেয়ামতের দিন হিসাব আল্লাহ তায়ালার নিকট নয় বরং তাদের ইমামদের নিকট হিসাব দিতে হবে।

৪০/ শিয়াদের একটি আক্বিদা হচ্ছে, যে ব্যক্তি হুসাইন (রা.) এর কবর যেয়ারত করলো সে যেন আরশে আল্লাহ তায়ালার যেয়ারত করলো।

৪১/ তাদের মতে হুসাইন (রা.) এর কবরের মাটি সকল রোগের জন্য শিফা বা আরোগ্যের মাধ্যম।

৪২/ শিয়াদের ধারণা, আলি (রা.) অদৃশ্যের খবর জানেন। তারা বলে, তিনি বলেছেন, ‘আমি জমিনের প্রতিপালক। আমার মাধ্যমেই জমীন স্থীর রয়েছে। তারা এটিও বিশ্বাস করে যে, তিনি দুনিয়া ও আখেরাতে যেভাবে ইচ্ছা পরিচালনা করতে পারেন।

৪৩/ আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন সময়ে প্রথম আসমানে নেমে আসেন, এটি আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের একটি মূল আক্বিদা। অথচ শিয়ারা এটি বিশ্বাস করেনা। বরং তাদের মতে যারা এই বিশ্বাস করে তারা সকলেই কাফের।

৪৪/ শিয়াদের শায়খদের ধারনা এবং দাবি যে, তারা সাধারণ শিয়াদের জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবে।

৪৫/ শিয়াদের একটি বিশ্বাস হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে তাদের ইমামদের নূর থেকে সৃষ্টি করেছেন। আর এই ফেরেশতাদের দায়িত্ব হচ্ছে, তারা হুসাইন (রা.) এর কবরের পাশে কাঁদবে। এধরনের চার হাজার ফেরেশÍা কেয়ামত পর্যন্ত হুসাইন (রা.) এর কবরের পাশে কাঁদতে থাকবে। এছাড়া অন্যান্য সকল ফেরেশতারা আল্লাহর নিকট অনুমতি চাইবে যেন তাদেরকে হুসাইন (রা.) এর কবর যেয়ারত করার সুযোগ দেয়া হয়। অতএব কিছু ফেরেশতা যিয়ারত শেষে আকাশে উঠে যাবে আর অন্যরা অবতরণ করবে।

৪৬/ শিয়াদের একটি আক্বিদা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তিকে সর্বপ্রথম আলে বাইতের ভালবাসা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।

৪৭/ শিয়ারা এই ধারণা পোষণ করে যে, আবুবকর ও ওমর (রা.) কে প্রতি হজের মৌসমে জামারাতে রাখা হয় যেন পাথর নিক্ষেপের সময় তাদেরকেও পাথর নিক্ষেপ করা হয়।

৪৮/ শিয়াদের ইমাম ও ওয়ালিদের কবর বা মাজার যেয়ারত করা অন্যান্য ফরজের মত একটি ফরজ। যে ব্যক্তি এটি পরিত্যাগ করবে সে কাফের।

৪৯/ শিয়াদের প্রধান ও অন্যতম আক্বিদা হচ্ছে তাকিয়া। অর্থাৎ সত্য গোপন করা এবং নিজের অন্তরের বিশ্বাসটিকে প্রকাশ না করা। অন্যভাবে বলা যায় তাকিয়া অর্থ ধোকাবাজী ও মুনাফেকীর একটি সমন্বিত রূপ বা পদ্ধতি। এই তাকিয়া যে বিশ্বাস করবেনা তার ঈমান থাকবে না। অর্থাৎ যে ধোকাবাজী করবেনা সে শিয়া হতে পারবেনা। এই তাকিয়া বর্জন করা নামাজ বর্জন করার মত অপরাধ।

৫০/ তাদের বিশ্বাস, কেয়ামতের পুনরুত্থানের পূর্বেই অনেক মানুষ মৃত্যুর পর আবার দুনিয়াতে সেই চেহারা ছুরত বা আকৃতি নিয়ে আবার আসবে। এটি একটি কুফুরি মতবাদ বা হিন্দুয়ানী মতবাদ।

৫১/ তারা মনে করে প্রতিক্ষিত মাহদি আসার পূর্ব পর্যন্ত তাদের উপর জুমার নামাজ ওয়াজিব নয়। তার যখন আবির্ভাব হবে তখন তিনি তাদের নিয়ে জুমা আদায় করবেন।

৫২/ শিয়ারা প্রতিক্ষিত মাহদি আসার পূর্ব পর্যন্ত জিহাদকে হারাম মনে করে। তাদের মতে এটি রক্ত, শুকরের গোশত ও মৃতের মত হারাম।

৫৩/ শিয়াদের বিশ্বাস, তাদের ইমাম প্রতিক্ষিত মাহদি (আ.) এসে আবুবকর ও ওমর (রা.) কে জিবিত করে শুলিতে চড়াবেন। এবং প্রতিদিন তাদেরকে হাজারবার হত্যা করবেন।

৫৪/ তাদের বিশ্বাস, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের লোকেরা জাহান্নমী। তারা অপবিত্র, কাফের, তাই তাদে জানাযা নামাজ পড়া জায়েয হবে না। তাদের কোরবানী হালাল হবে না। এবং তারা সকলেই জারজ সন্তান। তাদেরকে হত্যা করা, তাদের সম্পদ চুরি করা, তাদের সাথে মতবিরোধ করা বৈধ। এমনকি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের লোকদের অভিসাপ দেয়া উত্তম ইবাদত।

৫৫/ শিয়াদের একটি বিশ্বাস যে কেয়ামতের দিন হিসাব আল্লাহ তায়ালার নিকট নয় বরং তাদের ইমামদের নিকট দিতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হকের সাথে থাকার তাওফীক দান করুন। সিরাতে মুস্তাকীমের উপর অটল অবিচল থাকার হিম্মত ও শক্তি দান করুন। আমীন।

Address

Pirgachha
Rangpur
5450

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Markazun Nur Girls Madrasah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Markazun Nur Girls Madrasah:

Share