VAT Consultant

  • Home
  • VAT Consultant

VAT Consultant Here You Will Get All Kind's of Solution about Customs, Excise & Vat Problem. Thank's

মূসক (VAT) নিবন্ধন ব্যতীত কোনো ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা যাবে না।[মূসক আইন, 2012, ধারা-4(3)(গ)]
22/07/2026

মূসক (VAT) নিবন্ধন ব্যতীত কোনো ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা যাবে না।
[মূসক আইন, 2012, ধারা-4(3)(গ)]

19/06/2026

‎প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৬-২৭ : ভ্যাট রিটার্ন দাখিল ও কর পরিশোধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন-
‎এবারের বাজেটে মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের পরিবর্তে ত্রৈমাসিক (প্রতি তিন মাসে একবার) রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা পরিবর্তিত হলেও ভ্যাট পরিশোধের ক্ষেত্রে করদাতাদের প্রতি মাসেই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নিম্নরূপ—

‎🔹 ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল
‎জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ—এই তিনটি করমেয়াদের হিসাব একত্রে প্রস্তুত করে পরবর্তী মাসের ১৫ এপ্রিলের মধ্যে ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইনে দাখিল করতে হবে। একইভাবে, পরবর্তী প্রতিটি তিন মাসের জন্যও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

‎🔹 মাসিক ভিত্তিতে অগ্রিম ভ্যাট পরিশোধ
‎যদিও রিটার্ন তিন মাস পরপর দাখিল করা হবে, তথাপি প্রতিটি করমেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ববর্তী তিন করমেয়াদের প্রদেয় ভ্যাটের গড় (এক-তৃতীয়াংশ) পরিমাণ অর্থ এ-চালান বা ই-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

‎উদাহরণস্বরূপ, জানুয়ারি ২০২৭ করমেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২৬ করমেয়াদের মোট প্রদেয় ভ্যাট যোগ করে তিন দ্বারা ভাগ করলে যে পরিমাণ আসে, তা জমা দিতে হবে। একই পরিমাণ অর্থ ১৫ মার্চ ২০২৭-এর মধ্যেও জমা দিতে হবে।

‎🔹 ত্রৈমাসিক হিসাবের সমন্বয়
‎পরবর্তীতে, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৭ করমেয়াদের প্রকৃত হিসাব অনুযায়ী রিটার্ন ১৫ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে দাখিল করতে হবে। এ সময় পূর্বে জমাকৃত অগ্রিম অর্থ সমন্বয় করে অতিরিক্ত প্রদেয় ভ্যাট থাকলে তা এ-চালান বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

‎🔹 মাসিক রিটার্ন দাখিলের সুযোগ বহাল
‎যেসব করদাতা পূর্বের ন্যায় প্রতি করমেয়াদ শেষে মাসিক ভিত্তিতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে ইচ্ছুক, তারা স্বেচ্ছায় সেই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

‎🔹 বকেয়া ভ্যাটের উপর সুদের বিধান বহাল
‎কোনো করমেয়াদের নীট ভ্যাট নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না হলে, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী বকেয়া অর্থের উপর প্রতি মাসে ১% হারে সুদ আরোপের বিধান বহাল থাকবে। নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে ২,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হবে।

‎🔹 স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার উপর ১৫% ভ্যাট
‎এসআরও নং ১৬০/২০২৫ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানকে এসআরও নং ১৪০/২০২৬ অনুযায়ী স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার উপর প্রযোজ্য ১৫% ভ্যাট পৃথকভাবে এ-চালান বা ই-চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

‎🔹 নির্ধারিত ফরম সমূহ
‎উৎপাদনকারী ও সেবাপ্রদানকারীমূসক-৯.১, ব্যবসায়ীমূসক-৯.১.১, টার্নওভার কর প্রদানকারী মূসক-৯.২

‎🔹 টার্নওভার কর রিটার্ন
‎টার্নওভার কর প্রদানকারীদের বছরে একবার রিটার্ন দাখিল করতে হবে, যা প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

‎বিশেষ দ্রষ্টব্য
‎উল্লিখিত পরিবর্তনসমূহ বর্তমানে বাজেট প্রস্তাবনার অন্তর্ভুক্ত। সংশ্লিষ্ট অর্থ আইন, প্রজ্ঞাপন ও বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর চূড়ান্ত বিধান অনুযায়ী এগুলো বাস্তবায়িত হবে। তাই কার্যকর হওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট আইন, এসআরও ও এনবিআরের নির্দেশনা পর্যালোচনা করা বাঞ্ছনীয়।

15/06/2026

**ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সুখবর! অর্থবিল, ২০২৬-এ ভ্যাট অব্যাহতি এখন আইনিভাবে স্বীকৃত!** 🇧🇩

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থবিল, ২০২৬ এবং এস.আর.ও. নং-১২৭/২০২৬ এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং এবং ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েশন খাতকে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

**📌 মূল সুবিধা ও আইনি নির্দেশনাবলী (Key Takeaways):**
* **১ম তফসিলে অন্তর্ভুক্তি:** "কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সার কর্তৃক প্রদত্ত সেবা" এখন ভ্যাট আইনের প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় খণ্ড অনুযায়ী **ভ্যাট অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবা** হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।
* **VDS বা উৎসে মূসক থেকে মুক্তি:** ভ্যাটমুক্ত সেবা হওয়ায় এখন কোনো উইথহোল্ডিং সত্তা বা বায়ার আপনাদের পেমেন্ট থেকে উৎসে ভ্যাট (VDS) কর্তন করতে পারবে না।
* **কারা এই সুবিধা পাবেন?** ইউটিউবার, ফেসবুক/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার, ভিডিও এডিটর, সফটওয়্যার ডেভেলপার, কন্টেন্ট রাইটার এবং ডিজিটাল মার্কেটাররা এই আওতাভুক্ত。

**⚠️ গুরুত্বপূর্ণ আইনি শর্ত (Important Note):**

এই ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধাটি শুধুমাত্র **ব্যক্তি পর্যায়ে (Individual Capacity)** নিজস্ব নামে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো কোম্পানি বা এজেন্সির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এই সেবা প্রদান করা হলে তা প্রচলিত আইনানুযায়ী ভ্যাট ও ভিডিএস (VDS)-এর আওতাভুক্ত থাকবে।

** Your Trusted Partner in VAT, Tax & Customs Compliance **

F. M Parvej
E - Mail : [email protected]
Mobile : 01725344965
Whatsapp : 01725344965

09/06/2026

জুলাই, ২০২৬ থেকে ভ্যাট রিটার্ন শুধুমাত্র অনলাইনে দাখিল করতে হবে। ম্যানুয়ালি ভ্যাট অফিসে কোন রিটার্ন জমা দেয়া যাবে না।

এফ. এম পারভেজ
(০১৭২৫৩৪৪৯৬৫)
মেইল : [email protected]
ভ্যাট কন্সালটেন্ট

26/05/2026

ছোট্র একটা গল্প হয়তো অনেকেরই কাজে আসতে পারে................

করদাতা আহসান আলী।কাগজে-কলমে তার স্থায়ী ঠিকানা খিলগাঁও।কর অঞ্চল-৫ এর আওতায় ১৯৮৮ সালে কর শনাক্তকরণ নম্বরের (টিআইএন) নিবন্ধন নেন।ওই টিআইএনের বিপরীতে ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সাত বছর আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন তিনি।

এরপর বাড়ি বিক্রি করে খিলগাঁও ছেড়ে চলে যান। অজানা কারণে ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি। ওই সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আয়কর কিংবা রিটার্নের হিসাব রাখত।

২০০০ সালের আগের আয়করের সব তথ্য গোপন করে কর অঞ্চল-২ এর আওতায় নতুন টিআইএন নিবন্ধন নেন আহসান আলী।এর বিপরীতে আয়কর রিটার্ন দাখিল শুরু করেন।২০১৩ সালে ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ই-টিআইএন)নেন এবং নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করেন।

হঠাৎ করদাতা আহসান আলীর জীবনে নেমে আসে ভয়ংকর বিপদ।আগের টিআইএনের বিপরীতে বছরের পর বছর ধরে তার কর ও জরিমানা হচ্ছে, তা হয়তো বুঝতে পারেননি তিনি।বিগত পাঁচ বছরে সাত লাখ ৬২ হাজার টাকার কর দাবি করে আহসান আলীকে কয়েক দফা নোটিশ দেয় কর অফিস। কোনো সাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করে কর বিভাগ।একই সঙ্গে খিলগাঁও থানার মাধ্যমে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর আহসান আলীকে পাওয়া গেল মোহাম্মদপুরে। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর গত নয় মাস ধরে তিনি জেলে।

এমন বিপদে যারা পড়তে চান না তাদের অবশ্যই এনবিআরের নির্ধারিত ৩০শে সেপ্টেম্বর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার আহ্বান জানিয়েছে কর বিভাগ।বিশেষ করে অনিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধন্যবাদ।

নির্মাণ সংস্থা (সেবা কোড S০০৪.০০)কর্তৃক ১৫% হারে ভ্যাট প্রদান এবং তার উপকরণ ক্রয়ের ভ্যাট রেয়াত নেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে ...
09/05/2026

নির্মাণ সংস্থা (সেবা কোড S০০৪.০০)কর্তৃক ১৫% হারে ভ্যাট প্রদান এবং তার উপকরণ ক্রয়ের ভ্যাট রেয়াত নেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে এনবিআর এর সাধারণ আদেশ জারি। "নির্মাণ সংস্থা" (Construction Firm) হলো এমন কোনো প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা ব্যক্তি, যারা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ভবন, অবকাঠামো, যোগাযোগ মাধ্যম, সড়ক, সেতু ইত্যাদি নির্মাণ, মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করে।

#নির্মানসংস্হা #সরবরাহকারি #জাতীয়রাজস্ববোর্ড #কাস্টমস

বিষয়: "নির্মাণ সংস্থা" হিসেবে নিবন্ধিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কীভাবে মূসক (ভ্যাট) প্রদান করবে, তার পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়...
06/05/2026

বিষয়: "নির্মাণ সংস্থা" হিসেবে নিবন্ধিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কীভাবে মূসক (ভ্যাট) প্রদান করবে, তার পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩। ভ্যাটের হার: এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, একটি নির্মাণ সংস্থাকে মোট সরবরাহের বিপরীতে ১৫% হারে মূসক প্রদান করতে হবে।
৪। শর্তাবলী: প্রতিষ্ঠানটিকে মূসক-৯.১ দাখিল করার সময় দরপত্রের সাথে সংযুক্ত BOQ (Bill Of Quantities) এর কপি সংযুক্তি হিসেবে জমা দিতে হবে।
* কার্যদেশ অনুযায়ী তারা কি পণ্য সরবরাহ করেছে বা কি সেবা প্রদান করেছে, সেটার তথ্য এবং মূল্যের সঠিক তালিকা মূসক বিভাগীয় কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।
* কার্যদেশের বাইরে কোনো পণ্য বা সেবা সরবরাহ করলে সেটার ওপর রেয়াত গ্রহণ করা যাবে না।
* মূল দরপত্রে উল্লিখিত নির্মাণ কাজে ব্যবহারযোগ্য উপকরণের হিসাব বিবরণী, মূসক-৯.১ দাখিল করার সময় দিতে হবে।
* নির্মাণ সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে ১০% এবং আংশিকভাবে ১৫% মূসক প্রদান করতে পারবে না।
৫। **সারকথা:** এই প্রজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্মাণ সংস্থাগুলোকে ভ্যাট দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি দেওয়া, যাতে করে ভ্যাট সংগ্রহে স্বচ্ছতা ও শুদ্ধতা বজায় থাকে।

#জাতীয়রাজস্ববোর্ড #কাস্টমস #রিটার্ন #ভ্যাট #নির্মানসংস্হা #ঠিকাদার #সরবরাহকারি

19/04/2026

‎Medicine and Petroleum VAT Calculation Procedures und VAT & SD Act,2012.

‎ভ্যাট প্রফেশনালদের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের "সাধারণ আদেশ নং-১৮/মূসক/২০১৯" এর আলোকে পেট্রোলিয়াম ও ঔষধ শিল্পের ভ্যাট নিরূপণের আইনি বিশ্লেষণ এবং গাণিতিক সমস্যার একটি সহজ ও পরিচ্ছন্ন হিসাব উপস্থাপন নিচে তৈরি করে দেওয়া হলো:

‎পেট্রোলিয়াম ও ঔষধ শিল্পের মূসক নিরূপণ: একটি প্র্যাকটিক্যাল অ্যানালাইসিস
‎ভ্যাট আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে স্তরে মূল্য সংযোজন হয়, সেই স্তরেই ভ্যাট পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু জনস্বার্থে বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য এবং ঔষধ শিল্পের ক্ষেত্রে এনবিআর একটি বিশেষ পদ্ধতি (Deductive Method বা ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন) নির্ধারণ করেছে। এই নিয়মে উৎপাদন ও ব্যবসায়ী—উভয় পর্যায়ের মূসক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকেই পরিশোধ করতে হয়।
‎নিচে এই দুটি খাতের আইনি বিশ্লেষণ এবং প্র্যাকটিক্যাল কেস স্টাডি তুলে ধরা হলো:

‎পর্ব ১: পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্যের মূসক নিরূপণ
‎আইনি বিশ্লেষণ:
‎জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ভোক্তা পর্যায়ে পেট্রোলিয়াম পণ্যের (অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ইত্যাদি) যে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে, তার মধ্যে ২% ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে। খুচরা মূল্য থেকে এই ২% ভ্যাট বাদ দেওয়ার পর যে মূল্য পাওয়া যায়, তাকে উৎপাদন পর্যায়ের 'কর-উত্তর মূল্য' ধরা হয়, যার ভেতর উৎপাদন পর্যায়ের ১৫% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে।

‎গাণিতিক সমস্যা (Case Study):
‎ধরা যাক, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বিপণন কোম্পানি পদ্মা অয়েল পিএলসি-এর নিকট ১০,০০০ লিটার অকটেন সরবরাহ করল। প্রতি লিটার অকটেনের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১২২.৪০ টাকা। এখন, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাটের পরিমাণ এবং উৎপাদন পর্যায়ে সরবরাহ মূল্য কত হবে?
‎সহজ গাণিতিক সমাধান:
‎মোট খুচরা মূল্য = ১০,০০০ লিটার x ১২২.৪০ টাকা = ১,২২,৪০০ টাকা।
‎• ধাপ ১ (ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট): খুচরা মূল্যের ভেতর ২% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত।
‎হিসাব: ১,২২,৪০০ x (২ / ১০২) = ২,৪০০ টাকা।

‎• ধাপ ২ (ব্যবসায়ী পর্যায়ে সরবরাহ মূল্য): হিসাব: ১,২২,৪০০ - ২,৪০০ = ১,২০,০০০ টাকা।

‎• ধাপ ৩ (উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট): ব্যবসায়ী পর্যায়ের সরবরাহ মূল্যকেই উৎপাদন পর্যায়ের কর-উত্তর মূল্য ধরা হয়, যার ভেতর ১৫% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত।

‎হিসাব: ১,২০,০০০ x (১৫ / ১১৫) = ১৫,৬৫২.১৭ টাকা।
‎• ধাপ ৪ (উৎপাদন পর্যায়ে সরবরাহ মূল্য): হিসাব: ১,২০,০০০ - ১৫,৬৫২.১৭ = ১,০৪,৩৪৭.৮৩ টাকা।

‎ফলাফল: উৎপাদন পর্যায়ে অকটেনের প্রকৃত সরবরাহ মূল্য ১,০৪,৩৪৭.৮৩ টাকা, উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট ১৫,৬৫২.১৭ টাকা এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ২,৪০০ টাকা।

‎পর্ব ২: ঔষধ শিল্পের (Medicine) মূসক নিরূপণ
‎আইনি বিশ্লেষণ:
‎ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA) ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) নির্ধারণ করে। এই MRP-এর ভেতরে উৎপাদন পর্যায়ের ১৫% ভ্যাট এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ের ১৬% ভ্যালু এডিশনের ওপর ১৫% ভ্যাট (যা মূল ট্রেড প্রাইসের ২.৪%) অন্তর্ভুক্ত থাকে। সব মিলিয়ে হিসাবের ভিত্তি ধরা হয় ১৩৩.৪। এই খাতের সকল ভ্যাট উৎপাদন পর্যায়ে পরিশোধ হয় বলে সরবরাহের সময় কোনো উৎসে মূসক (VDS) কর্তন করা হয় না।

‎গাণিতিক সমস্যা (Case Study):
‎ধরা যাক, একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে একটি ঔষধের চালান সরবরাহ করল, যার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত মূসকসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) ১৩,৩৪,০০০ টাকা। এই চালানের বিপরীতে ভ্যাটের হিসাব কী হবে?

‎সহজ গাণিতিক সমাধান:
‎ভোক্তা পর্যায়ে ঔষধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) = ১৩,৩৪,০০০ টাকা।
‎• ধাপ ১ (ব্যবসায়ী পর্যায়ে প্রদেয় মূসক): সূত্রের ভিত্তি ১৩৩.৪ এবং ভ্যাটের অনুপাত ২.৪।
‎হিসাব: ১৩,৩৪,০০০ x (২.৪ / ১৩৩.৪) = ২৪,০০০ টাকা।

‎• ধাপ ২ (ব্যবসায়ী পর্যায়ে সরবরাহ মূল্য): হিসাব: ১৩,৩৪,০০০ - ২৪,০০০ = ১৩,১০,০০০ টাকা।
‎• ধাপ ৩ (উৎপাদন পর্যায়ে প্রদেয় পণ নিরূপণ): ব্যবসায়ী পর্যায়ে ১৬% মূল্য সংযোজন হয়, তাই এটি বিয়োগ করতে হবে। এখানে ভিত্তি হবে ১৩১।
‎মূল্য সংযোজন = ১৩,১০,০০০ x (১৬ / ১৩১) = ১,৬০,০০০ টাকা।
‎উৎপাদন পর্যায়ে পণ = ১৩,১০,০০০ - ১,৬০,০০০ = ১১,৫০,০০০ টাকা।

‎• ধাপ ৪ (উৎপাদন পর্যায়ে প্রদেয় ভ্যাট ও সরবরাহ মূল্য): উৎপাদন পর্যায়ের পণের ভেতর ১৫% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে।
‎উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট = ১১,৫০,০০০ x (১৫ / ১১৫) = ১,৫০,০০০ টাকা। উৎপাদন পর্যায়ে সরবরাহ মূল্য = ১১,৫০,০০০ - ১,৫০,০০০ = ১০,০০,০০০ টাকা।

‎ফলাফল: উক্ত ঔষধের চালানে উৎপাদন পর্যায়ের প্রকৃত সরবরাহ মূল্য ১০,০০,০০০ টাকা, উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট ১,৫০,০০০ টাকা এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ২৪,০০০ টাকা।

‎Thanking
‎F. M Parvej
‎VAT Consultant
E - Mail : [email protected]

মার্চ/২০২৬ ইং মাসের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ইং পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। #জাতীয়রাজস্ববোর্ড  #কাস্টম...
15/04/2026

মার্চ/২০২৬ ইং মাসের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ইং পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

#জাতীয়রাজস্ববোর্ড #কাস্টমস #ভ্যাট #রিটার্ন

09/04/2026

eVAT System - এর Sign-Up প্রক্রিয়ায় NID Number সংক্রান্ত সমস্যা এবং এর সমাধান :
*************************************

eVAT System-এর Sign-Up প্রক্রিয়ায় ১৭ ডিজিটের NID Number, ১৩ ডিজিটের NID Number, ১০ ডিজিটের Smart Card ID এবং e-TIN-এর সাথে ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত যে সমস্যাগুলো ছিল, সেগুলোর সমাধান হয়েছে।
যাদের কাছে ১৭ ডিজিটের NID Number নেই, তারা e-TIN Registration ওয়েবসাইটে লগইন করে Change Registration Status মেনুতে গিয়ে Search বাটনে ক্লিক করলে নিজেদের NID Number এবং Smart Card ID উভয়ই দেখতে পারবেন। এরপর ১৭ ডিজিটের NID ব্যবহার করে সহজেই তথ্য আপডেট করা যাবে।
সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে, যাদের এখনো এই সিস্টেমে কাজ সম্পন্ন হয়নি, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

এফ. এম পারভেজ
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুর।

#জাতীয়রাজস্ববোর্ড #কাস্টমস

Address

Lalmonirhat Sador

5501

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when VAT Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to VAT Consultant:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Business?

Share