Ma Stationary

Ma Stationary ❖ বন্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায় । বৃষ্টি
যতই প্রবল হয় ছাতার ততই প্রয়োজন
হয় ।

31/10/2021

শেক্সপিয়র বলেছিলেন , "একজন ছেলে কখনো একজন মেয়ের বন্ধু হতে পারে না, কারণ এখানে আবেগ আছে , দৈহিক আকাঙ্খা আছে ।

"একই কথা বলেছেন আইরিশ কবি Oscar Wilde. "নারী এবং পুরুষের মাঝে কেবলই বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকা অসম্ভব । যা থাকতে পারে তা হলো আকাঙ্খা, দুর্বলতা, ঘৃণা কিংবা ভালোবাসা।"। বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে ঢোকা একটা ভন্ডামী।শুধুই সুযোগের অপেক্ষা। সবশেষ পরিনতি পরকীয়া।

হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন , "ছেলে আর মেয়ে বন্ধু হতে পারে কিন্ত তারা অবশ্যই প্রেমে পড়বে । হয়তো খুবই অল্প সময়ের জন্য অথবা ভুল সময়ে । কিংবা খুবই দেরিতে , আর না হয় সব সময়ের জন্য । তবে প্রেমে তারা পড়বেই । শুধুই সুযোগের অপেক্ষা।

সত্যি বলতে, ছেলে ও মেয়েতে শুধুমাত্র বন্ধুত্ব অসম্ভব ও প্রকৃতি বিরুদ্ধ । কেননা শুধুমাত্র বন্ধুত্ব হলে প্রকৃতি নিজের অস্তিত্ব হারাবে। চুম্বক আর লোহা কখনো পাশাপাশি থাকতে পারে না। আকৃষ্ট করবেই। যদি কেউ তা এড়িয়ে যায় তবে সে ভণ্ডামি করছে নয়তো ধোঁকা দিচ্ছে ।
আগুনের পাশে মোম গলবেই। ছেলে ও মেয়ে বন্ধুত্ব হতে পারে , কিন্তু একসময় প্রেমে বা অবৈধ সম্পর্কে রুপ নিবেই। শুধুই সুযোগের অপেক্ষা। আর এটাই স্বাভাবিক ।

তবে তাদের এই মন্তব্য গুলোকে জোরালো ভাবে সমর্থন দিচ্ছে Flirtationship যার অর্থ হচ্ছে ছিনালি করা। কড়া ভাষায় বলতে গেলে নোংরামি করা বা সেক্স্যুয়াল এট্রাকশন । বিগত কয়েক বছর আগেও আমরা ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্বকে শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে দেখতাম অনেকটা ভাই-বোনের মতো । কিন্তু বর্তমান সময়ে তা অনেকটা এগিয়ে Friendship থেকে Flirtationship এ রূপ নিয়েছে আর এটা পাশ্চাত্য সাংস্কৃতির দর্শন থেকে।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে বর্তমান সময়ে গার্ল ফ্রেন্ড, বয় ফ্রেন্ড সম্পর্ক থেকে এটাই বেশী জনপ্রিয় এর কারন হচ্ছে এতে কারো প্রতি কারো কোনরূপ দায়বদ্ধতা থাকে না, কোন কমিটমেন্ট থাকে না। স্বাধীনভাবে উভয়ই দৈহিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে নিচ্ছে । আর এটা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টির কারন হতে পারে । যেহেতু বাংলাদেশ প্রথাগতভাবে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশ। পাশ্চাত্য সাংস্কৃতির আকর্ষন আর নিজেকে আধুনিক হিসেবে জাহির করার মনোভাব এর হাতিয়ার । তাই অভিবাবকদের এখনি যদি সতর্ক না হয়, তবে আমরা ওই সাংস্কৃতির দিকে অগ্রসর হচ্ছি যখন একটা ছেলে কিংবা মেয়ে নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না তার বাবা-মা কে !

তাই লক্ষ্য রাখুন আপনার বোন কিংবা মেয়ে , স্বামী কিংবা স্ত্রী , ভাই কিংবা ছেলে কাদের সাথে মিশছে ! সঙ্গ এইখানে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ন।।

05/08/2018

আজ আমার ভুল ভেঙেছে !!!

আমিও ভেবেছিলাম প্রথমদিকে , তারা কেন আজে বাজে লেখনী ও ভাষা দিয়ে প্রতিবাদ করছে।

এখন বুঝলাম প্রকৃতপক্ষে এগুলো প্রতিবাদের ভাষা, আর প্রতিবাদের ভাষা কখনোই মধুর হতে পারেনা।

প্রতিবাদের ভাষাতে যদি কারো দৃষ্টি গোচর না হয়, তাহলে সেটার প্রতিবাদী স্পিহা বলিষ্ঠরূপে প্রকাশ পায়না।

মূল ব্যাপারটি হলো, আমরা নিচ্ছি কিভাবে .
তাদের ভাষাটির উদ্দেশ্য কি .
ভাষার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ হচ্ছে কিনা।

আমিতো মনে করছি, বাচ্চারা দারুন বুদ্ধিমত্তা দেখিয়েছে।

তাদের স্লোগান যদি, তথাকথিত সেই পুরোনো আমলের " আমার ভাই তোমার ভাই" হতো, তাহলে নিশ্চয় আজ আমার লেখাটিও লেখার প্রয়োজন হতোনা. তাদের স্লোগান নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে কথা-ও বলতে হতোনা।

আন্দোলন তখনি সমাদৃত হয় , যখন তার বিষয়বস্তু গুলো দৃষ্টিনন্দিত হয়।

ইতিহাসে এমন অনেক কিছুই হয়েছে যা সাধারণ মানুষের পছন্দের বস্তু ছিলো না, যা পরবর্তীতে ঘটনাক্রমে অন্যভাবে পরিচিতি লাভ করেছে।

আমরা অনেক সময় " রাজাকার" নাম ধরে গালি দিয়ে থাকি।

রাজাকারের আসল অর্থ " সেচ্ছাসেবক ", কিন্তু ঘটনাক্রমে এই শব্দটি আমাদের কাছে গালি স্বরূপ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কারণ , আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এনেছি শব্দটির প্রতি।

" মীর জাফর" নামটি মহান ভারতের একটি স্বনামধন্য বিশ্বস্ত ব্যক্তির নাম ছিলো. কিন্তু বিস্বাসঘাতকতার কারণে নামটি আজ গালীরূপে আবর্তিত হয়েছে।

যুদ্ধ ও আন্দোলনের মাঠে সবকিছুই মার্জনাযোগ্য।

আমরা তাদের লেখালিখির সমালোচনা না করে, তাদের উদ্দেশ্যটাকে বড়ো করেই দেখি।

তারা আজ যা করে দেখাচ্ছে তাই হলো তাদের বড়ো শিক্ষা।

অনেকেই বলে বেড়াচ্ছে পড়াশুনায় মন দাও.
আমি বলবো এর চেয়ে বড়ো শিক্ষা আর কিছুতেই হতে পারেনা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান বিদ্ধস্ত হবার পর, দেশ পুনর্গঠনে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল, এখন শুধু দেশ গড়বার সময়, লেখাপড়া পরে করলেও চলবে।

আজ জাপান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধনী রাষ্ট্র।

তাই বলবো আজকে তারা যা করছে, সেটাই তাঁদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে করার কথা ছিলো.।

নতুন রাষ্ট্র গড়বার অঙ্গীকার নিয়ে পথে নেমেছে, তাদের প্রতি জানাই শ্রদ্ধাভরা বিপ্লবী অভিনন্দন।

আমরা আসলেই সৌভাগ্যবান।

বিঃদ্রঃ অন্যদের ভুল ভাঙাতে লেখাটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করতে পারেন।

"বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছো তুমি কি জানো আমি আগামী ত...
16/02/2018

"বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছো তুমি কি জানো আমি আগামী তিন বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো"।
বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) "একটা গল্প শুনবি?"
ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো-
"বলো বাবা শুনবো......"
তোর বয়স যখন চার আমার মাসিক আয় তখন দু হাজার টাকা। ওই টাকায় সংসার চালানোর কষ্ট বাড়ির কাউকে কখোনো বুঝতে দেইনি। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর 'মা কে 'সুখী করতে। তোকে যেবার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবার ই প্রথম আমরা দুজন- আমি-আর তোর মা পরিকল্পনা করেছি আমরা তোর পড়ার খরচের বিনিময়ে কি কি ত্যাগ করবো।
সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি। তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু খুব কষ্ট হয়ে
গেছিল যখন তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ঔষধ কেনার জন্য রোজ রোজ ওভারটাইম করে বাসে করে পায়ে হেটে ঘামে ভিজে বাড়ি ফিরতে খুব দুর্বিষহ লাগতো। কিন্তু কখোনো কাউকে বুঝতে দিইনি এমনকি তোর মা কেও না।
একদিন শো রুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম। সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম আমি বাইকে চড়ে কাজে যাচ্ছি। কিন্তু পরের দিন তুই বায়না ধরলি ল্যাপটপ এর জন্য। তোর কষ্টে আমার কষ্ট হয় বাবা। আমি তোকে ল্যাপটপ টা কিনে দিয়েছিলাম। আমার তখনকার এক টাকা তোর এখন এক পয়সা! কিন্তু মনে করে দেখ এই এক টাকা দিয়ে তুই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিস। ব্রান্ড নিউ মোবাইলে হেড ফোন কানে লাগিয়ে সারা রাত গান শুনেছিস। পিকনিক করেছিস, ট্যুর করেছিস, কন্সার্ট দেখেছিস। তোর প্রতিটা দিন ছিল স্বপ্নের মতো।
আর তোর একশ টাকা নিয়ে আমি এখন সুগার মাপাই । জানিস আমার মাছ খাওয়া নিষেধ, মাংস খাওয়া নিষেধ, কি করে এত টাকা খরচ করি বল! তোর টাকা নিয়ে তাই আমি কল্পনার হাট বসাই। সে হাটে আমি বাইক চালিয়ে সারা শহর ঘুরে বেড়াই। বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাই। তোর মায়ের হাত ধরে তাঁত মেলায় ঘুরে বেড়াই।
বাবারা নাকি "খাড়ুশ টাইপের" হয় । আমিও আমার বাবাকে তাই ভাবতাম । পুরুষ থেকে পিতা হতে আমার কোনো কষ্ট হয়নি, সব কষ্ট তোর মা সহ্য করেছে। কিন্তু বিশ্বাস কর পিতা থেকে দ্বায়িত্বশীল পিতা হবার কষ্ট একজন পিতাই বোঝে। যুগে যুগে সর্বস্থানে মাতৃবন্দনা
হলেও পিতৃবন্দনা কোথাও দেখেছিস ?
পিতৃবন্দনা আমি আশাও করি না। সন্তানের প্রতি ভালোবাসা কোনো পিতা হয়তো প্রকাশ করতে পারে না,তবে কোনো পিতা কখনোই সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্ব পালনে বিচ্যুত হয় না। আমি তোর পেছনে আমার যে কষ্টার্জিত অর্থ ব্যায় করেছি তা হয়তো তুই তিন বছরে শোধ দিতে পারবি...
কিন্তু যৌবনে দেখা আমার স্বপ্ন গুলো ?
যে স্বপ্নের কাঠামোতে দাঁড়িয়ে তুই আজ তোর ঋণশোধের কথা বলছিস.
সেই স্বপ্ন গুলো কি আর কোনোদিন বাস্তব রুপ পাবে ?
আর যদি বলিস বাবা আমি তোমার টাকা না তোমার ভালবাসা তোমায় ফিরিয়ে দেব, তাহলে বলবো বাবাদের ভালবাসা কখনো ফিরিয়ে দেয়া যায় না।
তোকে একটা প্রশ্ন করি, ধর তুই আমি আর তোর খোকা তিন জন এক নৌকায় বসে আছি। হটাৎ নৌকা টা ডুবতে শুরু করলো....
যে কোন একজনকে বাঁচাতে পারবি তুই।
কাকে বাঁচাবি ?
( ছেলেটা হাজার চেষ্টা করেও এক চুল ঠোঁট নড়াতে পারছেনা! )
উত্তর দিতে হবে না। ছেলেরা বাবা হয়, বাবা কখনো ছেলে হতে পারে না।
পৃথিবীতে সব চেয়ে ভারী জিনিস কি জানিস?
পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ!
আমি শুধু আল্লাহর কাছে একটা জিনিস চাই।
আমার শেষ যাত্রায় যেন আমি আমার ছেলের কাঁধে চড়ে যাই। তাহলেই তুই একটা ঋণ শোধ করতে পারবি -
তোকে কোলে নেবার ঋণ।
kemon laglo comment pls..

02/01/2018

পুরুষ মানুষ আসলে কি ? 💜

পুরুষ মানুষ স্রষ্টার একটি সুন্দর সৃষ্টি যাদের খুব কম বয়স থেকেই সব কিছুতে ছাড় দেয়া শিখতে হয় ।

ছোট বেলা থেকেই শুরু হয়ে যায় তাদের ছাড় দেয়ার শিক্ষা । কখনও নিজের ছোট বোনকে চকলেট দিয়ে । কখনও নিজের ছোট ভাইকে পছন্দের ব্যাটটা দিয়ে দিয়ে ।

হয়ত তার স্বপ্ন থাকে চারুকলায় ভর্তি হবে কিন্তু বাবা মা কে খুশি করতে নিজের স্বপ্নটাও বিসর্জন দিয়ে বুয়েটে অথবা মেডিকেল এ ভর্তি হয় ।
নিজের পুরা পকেট খরচ ভালোবাসার মানুষটিকে গিফট কিনে দেয়ার জন্যই ব্যয় করতে হয় তাদের । সাথে টিউশনির টাকাটাও থাকে কখনও । কত দুপুর কাটে শুধু সিঙ্গারা আর চা খেয়ে । কত রাস্তা পার হয় খালি পায়ে হেটে ।

নিজের পুরো যৌবন দিন রাত কাজ করে কাটিয়ে দেয় তারা পরিবার বৌ বাচ্চার জন্য ।
বৌ বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা ভেবে ব্যাংক লোন নেয়া তারা আর সারাজীবন পরিশ্রম করে সেই ব্যাংক লোন শোধ করে ।

এতো পরিশ্রম করে কিন্তু তারপরও মা , বৌ , বস সবার কাছে ঝাড়ি খেতে হয় সবসময় ।
পুরুষ মানুষের জীবন শেষ হয় সবার খুশির জন্য নিজের খুশি কম্প্রোমাইজ করতে করতে ।

যদি সে বাহিরে বাহিরে থাকে তাহলে সে উড়ালচন্ডি
যদি সে ঘরে থাকে তাহলে অলস ।
যদি সে বাচ্চাদের শাসন করে তাহলে সে অমানুষ ।
যদি বাচ্চাদের শাসন না করে তাহলে সে
দায়িত্বজ্ঞানহীন ।

যদি সে বৌকে চাকরি করতে না দেয় তাহলে সে নারীর স্বাধীনতার / সমঅধিকারের বিরোধী ।
যদি সে বৌকে চাকরি করতে দেয় তাহলে সে বৌ এর টাকায় বসে খায় ।

যদি মায়ের কথা শোনে তাহলে মায়ের ছেলে।
যদি বৌ এর কথা শোনে তাহলে বৌ এর গোলাম ।
এভাবেই পার হয় প্রত্যেক পুরুষ মানুষের জীবন । তোমরা কখনই জানবে না একটা পুরুষ মানুষকে কত কিছুর মধ্য দিয়ে যেতে হয় । কত চাওয়াপাওয়া বিসর্জন দিতে হয় প্রিয় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ।

হয়ত এই লেখাটা পড়ে পুরুষ মানুষদের মুখে হাসি আসবে । হয়ত নারীরা একটু হলেও বুঝতে পারবে তাদের মূল্য । 😊😊😍😰

05/12/2017

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাসায় বড় বড়
কবিদের আড্ডা
হচ্ছে।
বল্টু সেখানে সবার জন্যে চা বানিয়ে
নিয়ে গেছে বল্টু।

বল্টুর বনানো চা খেয়ে প্রথমে
"কবিগুরু" বললেন,
'আমারো পরাণো যাহা চায়, তার কিছু
নাই, কিছুই নাহি
এই চায়ে গো......'এটা শুনে
বিদ্রোহী কবি নজরুল লাফ দিয়ে উঠে
বললেন,
"আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি
সেইদিন হব শান্ত!
যদি ভালো করে কেউ চা বানিয়ে
আনতো!"
নজরুলের কথা শুনে..
উদাস মুখে জীবনানন্দ দাস বললেন,
'আর আসিবনা ফিরে,রবি ঠাকুরের
নীড়ে,
গরম চায়ে মুখ দিয়ে ঠোঁট গিয়েছে পুড়ে...
'
খানিক পরেই
কবি সুকান্ত বললেন,
'কবিতা তোমাকে দিলাম বিদায়,এক
কাপ চা যেনো
ঝলসানো ছাই! '
হেলাল হাফিজ তখন গুমরে বললেন,
'নষ্ট পাতির সস্তা চায়ে মুখ হয়েছে
তিতা!
কষ্ট চেপে নষ্ট চায়ে, মুখ দিয়েছি
কিতা?'
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নরম কন্ঠে
বললেন,
'ভালো আছি,ভালো থেকো!
চায়েতে চিনি বেশি মেখো! দিও
তোমার...... ---
তাকে থামিয়ে দিয়ে..... __
কবি নির্মলেন্দু গুণ বললেন,
'আমি হয়তো মানুষ না, মানুষগুলো
অন্যরকম!
মানুষ হলে এমন চায়ে চুমুক দিতাম না!'
পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ অসহায় চোখে
বল্টুর
পানে তাকিয়ে বললেন..
"ওরে অধম, ওরে কাচা ! ভালো করে চা
বানিয়ে,
আমাকে তুই বাচা!".

26/02/2017

★ সাতক্ষীরা সম্পর্কিত সাধারন জ্ঞান ★
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
সাতক্ষীরা জেলা সম্পর্কিত ৮২ টি প্রশ্ন-উত্তর পাবেন এখানে। আসুন "সাতক্ষীরাকে জানি" এবং তথ্যটি শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দেয়।
১। ভোমরা দেশের কততম বৃহৎ স্থল বন্দর। উত্তরঃ তৃতীয় বৃহৎ
২। ভোমরা স্থল বন্দর কত সালে প্রতিষ্ঠা হয়। উঃ ১৯৯৬ সালে
৩। মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা কততম শত্রুমুক্ত জেলা। উঃ দ্বিতীয়
৪। সাতক্ষীরা কত তারিখে শত্রুমুক্ত হয়। উঃ ১৯৭১'সালের ৭ই ডিসেম্বর
৫। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলার নাম কি। উঃ শ্যামনগর।
৬। হাড়িয়াভাঙ্গা নদী কোথায় অবস্থিত। উঃ সাতক্ষীরা জেলায়।
৭। ভারত বাংলাদেশকে বিভক্তকারী নদীর নাম কি। উঃ হাড়িয়াভাঙ্গা
৮। সাতক্ষীরা জেলায় বনভুমির পরিমান কত। উঃ ১৪৪৫.১৮ বর্গ কিলোমিটার।
৯। সাতক্ষীরা জেলা হতে কোন কোন পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়। উঃ হিয়ায়িত চিংড়ি, সুন্দরবনের মধু, আম, টালি, ও সন্দেশ।
১০। সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারি কিসের জন্য বিখ্যাত। উঃ মিষ্টান্ন তৈরীতে, বিশেষ করে সন্দেশের জন্য।
১১। দেশের দুগ্ধ উৎপাদনে সাতক্ষীরা জেলা কততম। উঃ দ্বিতীয়
১২। বাংলাদেশের দুধের গ্রাম বলা হয় সাতক্ষীরার কোন গ্রামকে। উঃ তালার জেয়ালা গ্রাম।
১৩। হাড়িয়াভাঙ্গার মোহনায় অবস্থিত কোন দ্বীপ। উঃ- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (ভারতে নাম পূর্বাশা বা নিউমুর)
১৪। সুন্দরবনে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা নির্ধারণকারী নদী কোনটি ? উঃ হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
১৫। সাতক্ষীরা কিসের জন্য বিখ্যাত। উঃ সুন্দরবন, চিংড়ি, আম ও সন্দেশের জন্য।
১৬। সাতক্ষীরার পূর্ব নাম কি। উঃ সাতঘরিয়া।
১৭। সাতক্ষীরার দুঃখ বলা হয় কোন নদীকে। উঃ বেতনা ও কপোতাক্ষ নদীকে।
১৮। বেতনা নদীর অপর নাম কি। উঃ বেত্রাবতী
১৯। এক জেলার এক পন্য কি সেটা, যেটা বিদেশে রপ্তানি করা হয়। উঃ টালি
২০। বাংলাদেশের প্রথম বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা কোনটি। উঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ।
২১। সাতক্ষীরা জেলার আয়তন কত। উঃ ৩৮৫৮.৩৩ বর্গ কিলোমিটার।
২২। সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণে কি অবস্থিত। উঃ বঙ্গোপসাগর।
২৩। সাতক্ষীরা জেলার পূর্বে কোন জেলা। উঃ খুলনা জেলা
২৪। সাতক্ষীরা জেলার পশ্চিমে কি অবস্থিত। উঃ ভারতের
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
২৫। সাতক্ষীরা জেলা কত দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। উঃ ৮৯°২০´
২৬। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাতক্ষীরা জেলার উচ্চতা কত। উঃ ১৬ ফুট উচুঁতে।
২৭। বৈকারী সীমান্ত অবস্থিত কোথায়। উঃ-সাতক্ষীরা জেলায়।
২৮। সাতক্ষীরা জেলার জলবায়ু কিসের অন্তর্ভূক্ত। উঃ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর।
২৯। সাতক্ষীরার মহকুমার প্রকৃত জন্ম কত সালে।উঃ ১৮৫২ সালে
৩০। সাতক্ষীরার আবহাওয়া কি। উঃ লবণাক্ত আবহাওয়া।
৩১। প্রাচীনকালে সাতক্ষীরা কি দ্বীপ নামে খ্যাত ছিল। উঃ বুড়ন দ্বীপ।
৩২। সাতক্ষীরা জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে।উঃ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ।
৩৩। সাতক্ষীরার প্রথম শহীদ কে। উঃ শহীদ আব্দুর রাজ্জাক
৩৪। সাতক্ষীরার আদি/ মুল স্থপতি কে। উঃ প্রাণনাথ রায়চৌধুরী।
৩৫। আধুনিক সাতক্ষীরার রূপকার কে। উঃ শহীদ স ম আলাউদ্দিন।
৩৬। যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী কোথায় অবস্থিত। উঃ ঈশ্বরীপুরে, শ্যামনগর।
৩৭। সাতক্ষীরা জেলার প্রধান আকর্ষনীয় স্থান কি। উঃ সুন্দরবন ও নলতা রওজা শরীফ।
৩৮। সাতক্ষীরা জেলার মোট আয়তনের কত% বনভুমি। উঃ ৩৭.৫৩%।
৩৯। মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত। উঃ শ্যামনগর উপজেলায়।
৪০। নীলকুঠির বর্তমান অবস্থান কোথায়। উঃ দেবহাটা থানা।
৪১। সাতক্ষীরা পৌরসভা কত সালে স্থাপিত হয়। উঃ ১৮৬৯ সালে।
৪২। হারদ্দ্হ সীমান্ত সাতক্ষীরার কোন থানায় অবস্থিত। উঃ দেবহাটা
৪৩। কাকডাঙ্গা সীমান্ত সাতক্ষীরার কোন থানায় অবস্থিত। উঃ কলারোয়া।
৪৪। সাহিত্যিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর জন্ম কোন গ্রামে। উঃ বাশদাহ।
৪৫। নীলডুমুর কোথায় অবস্থিত। উঃ শ্যামনগর থানায়
৪৬। গুনাকারকাটি পীরের নাম কি। উঃ মাওঃ আঃ আজিজ রহ
৪৭। সাতক্ষীরাতে বস্তু ছাড়া তালা বলতে কি বুঝায়। উঃ উপজেলার নাম।
৪৮।খান বাহাদুর কার উপাধী। উঃ পীর কামেল আহসান উল্লাহ রহঃ
৪৯। বাংলাদেশের কোন জেলাতে হেলিকপ্টার মাটি দিয়ে চলে। উঃ সাতক্ষীরা।
৫০। কবি সিকান্দার আবু জাফর কোন গ্রামে কত সালে জন্ম গ্রহণ করেন। উঃ তালার তেতুলিয়া গ্রামে ১৯১৯ সালে।
৫১। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নাম কি। উঃ নাজমুল আহসান।
৫২। ভেটকি মাছের আর এক নাম কি। উঃ পাতাড়ী মাছ।
৫৩। বাগদা ও গলদা কোন পানির মাছ। উঃ বাগদা লোনা পানির আর গলদা স্বাদু পানির মাছ।
৫৪। সাদা সোনা বলতে কি বুঝায়। ( White Gold) বলা হয়। উঃ চিংড়ি সম্পদ।
৫৫। ঘেরের বাগদা ধরতে কি ব্যবহার করা হয়। উঃ কট সুতোর ঘুনি
৫৬।দুবলার চর কোথায় অবস্থিত। উঃ সুন্দরবনের দক্ষিণে।
৫৭। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত! উঃ হাড়িয়াভাঙ্গা।
৫৮। বাংলাদেশের কোন প্রাণী হিংস্রতায় পৃথিবীর সেরা। উঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
৫৯। সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস কার উপাধী। উঃ ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান।
৬০। সাতক্ষীরা টাইগার্স সৌম্য সরকারের গ্রামের বাড়ি কোথায়। উঃ আশাশুনির মহিষাডাঙ্গা গ্রামে।
৬১। বাংলাদেশের তথা এশিয়ার বাঘমামা বলা হয় কাকে।উঃ পচাব্দী গাজী।
৬২। বাঘমামা পচাব্দী গাজীর জন্মস্থান কোথায় এবং তার প্রকৃত নাম কি। উঃ শ্যামনগরের সোরা গ্রামে, তার প্রকৃত নাম আঃহামিদ গাজী
৬৩। সাতক্ষীরা জেলায় কবে কোথায় প্রথম শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়। উঃ পি এন হাইস্কুল চত্বরে ১৯৬২ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল সাতক্ষীরার প্রথম শহীদ মিনার।
৬৪। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃহৎ শহীদ মিনার কোথায় স্থাপিত। উঃ সাতক্ষীরা শহীদ আঃরাজ্জাক পার্কে।
৬৫। দেশের সেরা কন্ঠ শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের গ্রামের বাড়ি কোথায়। উঃ সাতক্ষীরার মুকুন্দপুর গ্রামে।
৬৬। টাকী কিসের জন্য বিখ্যাত। উঃ বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসার্জন উপলক্ষে দু বাংলার মানুষের মিলনমেলার জন্য।
৬৭। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল দলের অধিনায়ক কে এবং তার জন্মস্থান কোথায়। উঃ সাঈদ আল জাবির রাজেস, তার বাড়ি কলারোয়া থানায়।
৬৮। বাংলাদেশ হতে বিদেশী লীগে খেলতে যাওয়া প্রথম মহিলা ফুটবলার কে। উঃ সাবিনা খাতুন, বাড়ি সাতক্ষীরা সদরে।
৬৯। বাংলাদেশে শিশুরোগ চিকিৎসার পথিকৃৎ (Father of the peadiatrics) বলা হয় কাকে। উঃ জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানকে।
৭০। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা সংসদ সদস্য কে। উঃ সৈয়দা রাজিয়া ফয়েজ, সাবেক মহিলা-শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
৭১। বাংলাদেশের প্রথম খ্রিষ্টান গির্জা কোথায় স্থাপিত হয়। উঃ ঈশ্বরীপুর গির্জা বাংলাদেশের প্রথম গির্জা।
৭২। সাতক্ষীরার বিখ্যাত কয়েকজন ব্যক্তির নাম বলুন। উঃ খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ রহঃ, কবি সিকান্দার আবু জাফর, সাহিত্যিক মোহাম্মাদ ওয়াজেদ আলী, জাতীয় অধ্যাঃ ডাঃ এম আর খান, সাংবাদিক আবেদ খান ও তোয়াব খান প্রমুখ।
৭৩। সাতক্ষীরার প্রধান দর্শনীয় কয়েকটি স্থান কি কি। উঃ ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন, মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত, শ্যামনগর জমিদার বাড়ি, নলতা রওজা শরীফ ও মোজাফ্ফর গার্ডেন সাতক্ষীরা।
৭৪। সাতক্ষীরার অন্যতম কয়েকটি পূরাকির্তী কোনগুলো। উঃ রাজা প্রতাপাদিত্যেরর বাড়ি, ঈশ্বরীপুর হাম্মাম খানা, জাহাজঘাট দূর্গ, প্রবাজপুর শাহী মসজিদ, টাউন শ্রীপুর জমিদারবাড়ি, সোনাবাড়িয়া মঠ, শ্যামসুন্দর সন্দির, তেতুলিয়া মসজিদ, ছয়ঘরিয়া জোড়া শিবমন্দির, মায়েরবাড়ি পঞ্চমন্দির।
৭৫। সাতক্ষীরা সরকারী কলেজ কত সালে স্থাপিত এবং এর আঞ্চলিক নাম কি। উঃ ১৯৪৬ সালে, স্থানীয় ভাষায় রাজার বাগান কলেজ বলা হয়।
৭৬। উপমহাদেশে বোর্ড পরীক্ষায় নামের পরিবর্তে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের প্রবর্তক কে। উঃ খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ রহঃ।
৭৭। বর্তমানে বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী কে। উঃ শিরিন আক্তার (সদর সাতক্ষীরা)
৭৮। বাংলাদেশ আহলে হাদীস এর প্রতিষ্ঠতা কে। উঃ ড:আসাদুল্লাহ আল গালিব (সাতক্ষীরা)
৭৯। দৈনিক কাফেলা ও প্রত্রদুতের প্রতিষ্ঠতা কে। উঃ আব্দুল মোতালেব ও সম আলাউদ্দিন।
৮০। মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের প্রতিষ্ঠতা কে। উঃ ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার (সাব সেক্টর কমান্ডার)
৮১। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা কবি কে। উঃ আজিজুন নেছা খাতুন (সাতক্ষীরা)
৮২। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে সাতক্ষীরার সর্বপ্রথম খেলোয়ার কে। উঃ কাজী জিয়াউর রশীদ রূপম।

17/09/2016

১৪০০ বছর আগে রাসুল (সাঃ) এর বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে !
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেনঃ "পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।"
- (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)
বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত"
- (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)
বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার
জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা
কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম"
- (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।"
- (মুসলিম ১৬৫৫)
বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে।
- (সহীহ বুখারী ৩২৮০)
বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।"
- (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)
বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, "আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।"
- (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)
বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহ বলেন, "আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।"
- (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাইকে জানিয়ে দিন ইসলামের বিজয়ের কথা !!

16/09/2016

❖ তোমার পিঠে কেউ ততক্ষণ পর্ন্তত চড়তে পারবে না যতক্ষণ না তুমি পিঠ নিচু কর।
❖ তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালচানার পাত্র হবে।
❖ যে অধিকার আদায়ের পেছনে চেষ্টা চালানো হয় তা কখনই বৃথা যায় না।
❖শরীরকে আরামে রেখে জ্ঞানার্জন করা সম্ভব নয়।”
❖পাপ ছোট কি না তা দেখনা বরং দেখ যার অবাধ্যতা করছ তিনি কত বড়।
❖ যদি তুমি দুনিয়াকে নতুন কিছু উপহার দিতে না পার তবে তুমি দুনিয়ার একটি বোঝা।”
❖ তিনটি ভাল বই একবার করে পড়ার চেয়ে একটি ভাল বই তিনবার পড়া বেশি উপকার
❖পৃথিবীটা লবণাক্ত পানির মত। যতই তা পান করবে পিপাসা ততই বাড়বে।
❖তুমি পাহাড়ের চুড়ার মত হইয়ো না। কারণ, এতে তুমি মানুষকে ছোট দেখবে আর মানুষও তোমাকে ছোট দেখবে।
❖সব কিছু জানা তোমার জন্য আবশ্যক নয়। কিন্তু যা কিছু বলছ তার সবটুকু সম্পর্কে জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

11/08/2016

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপসঃ
১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০ মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার নাও মেনে নিতে পারেন।
১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন, ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন, গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে। পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন।
২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ থাকে না। তাই নিয়মিত লাইক ও শেয়ার করুন৷
***************************************

04/08/2016

পৃথিবীর সবচেয়ে "মেজাজ গরম করা
কিছু প্রশ্ন" এবং তাদের উপযুক্ত উত্তর
⏩⏩⏩
মাঝরাতে ফোন করে ঘুম
ভাঙ্গিয়েঃ "কি রে ঘুমাচ্ছিলি
নাকি ??"
উত্তরঃ "না না,আমি আফ্রিকার
বানর প্রজাতির বিবাহ বন্ধন
প্রক্রিয়া
নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম!!"
বাসে (পা মাড়িয়ে) দিয়েঃ "সরি
ভাই!! ব্যাথা পান নি তো??"
উত্তরঃ "না ভাই,ব্যথা পাব
কেন??.আমার পায়ে লোহা বাধা
আছে!! আর
একবার মাড়িয়ে দিন প্লীজ!!"
ল্যান্ড ফোনে কল করার পরঃ "তুই
কোথায়??"
উত্তরঃ "আমি মার্কেটে রে!! ল্যান্ড
ফোনটা আমার গলায়
ঝুলিয়ে রেখেছি!!"
চুল ছোট দেখলেঃ "কিরে চুল
কাটিয়েছিস নাকি??"
উত্তরঃ "না না চুল কাটাই নি!! এখন
শীতকাল তো, গাছের পাতা
ঝরার সাথে সাথে আমার চুল নিজে
নিজে ঝড়ে গেছে"
কালেক্টেড

02/08/2016

সাতক্ষীরার বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা
সাতক্ষীরা। প্রকৃতি যেন নিজ হাতে অপরূপ
সৌন্দর্যে সাজিয়েছে এ জনপদ। নদ-নদীর
মনোমুগ্ধকর আঁকাবাঁকা গতি, সুন্দরবনের সাজানো গাছের সারি আর বেশ কিছু পুরনো স্থাপনা সহজেই মুদ্ধ করে দর্শক পর্যটকদেরকে।
সাতক্ষীরার আকর্ষনীয় স্থানের তালিকাঃ
১) সুন্দরবন; (বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, যা ইউপনেস্কো কতৃক ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষিত হয়েছে ) স্পট: কলাগাছিয়া, দোবেকী, শ্যামনগর।
২) মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত; বঙ্গোপসাগরের তীর জুড়ে নয়নাভিরাম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত যেন প্রকৃতির এক অপার সৃষ্টি।(শ্যামনগর)
৩) জাহাজঘাটা নৌদূর্গ ( শ্যামনগর)
৪) টেঙ্গা মসজিদ; বংশীপুর, শ্যামনগর
৫) রাজা প্রতাপাদিত্যের হাম্মামখানা ( শ্যামনগর)
৬) যশোরেশ্বরী মন্দির ( শ্যামনগর)
৭) হরিচরণ রায়চৌধুরীর জমিদারবাড়ি ( শ্যামনগর)
৮) মায়ের মন্দির বা পঞ্চ মন্দির, (অন্নণপূর্ণা মন্দির, কালীমন্দির, শিবমন্দির,কালভৈরব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির) পুরাতন সাতক্ষীরা জমিদার বাড়ি।
৯) মায়ি চম্পার দরগা; লাবসা, সদর সাতক্ষীরা
১০) জোড়া শিবমন্দির; আবাদেরহাট, সদর সাতক্ষীরা
১১) শ্যামসুন্দর মন্দির; কলারোয়া
১২) তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ, তালা
১৩) দরবার স্তম্ভ , তালা।
১৪) শ্রীউলা জামে মসজিদ:; আশাশুনি
১৫) বুধহাটার দ্বাদশ শিবকালী মন্দির; আশাশুনি
১৬) গুনাকরকাটি মাজার; আশাশুনি
১৭) নীলকুঠি ; যা বর্তমানে দেবহাটা থানা ভবন।
১৮) টাউন শ্রীপুর জমিদার বাড়ি; দেবহাটা
১৯) ড্যামরাইল নবরত্ন মন্দির; কলারোয়া
২০) প্রবাজপুর মসজিদ; কালিগঞ্জ
২১) মৌতলা শাহী মসজিদ; কালিগঞ্জ
২২) নলতা রওজা শরীফ; কালিগঞ্জ
২৩) যিশুর গির্জা,(বাংলাদেশের প্রথম গির্জা) শ্যামনগর
২৪) মোজাফফর গার্ডেন, সাতক্ষীরার জনপ্রিয় একটি পার্ক, যা মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি বলে পরিচিত।
২৫) চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ,কলারোয়া
২৬) কোঠাবাড়ি থান দুর্গ (কলারোয়া),
২৭) সোনাবাড়িয়া বৌদ্ধ মঠ (কলারোয়া)
২৮) এবি পার্ক, কলারোয়া
২৯) বৈকারি শাহী মসজিদ ও হোজরাখানা, সদর।
৩০) কুলিয়া নতুন পার্ক; দেবহাটা
৩১) লিমপিড বোটানিক্যাল গার্ডেন, নাজিরের ঘের সংলগ্ন, দেবহাটা।
৩২) বনবিবির ঐতিহাসিক বটগাছ, দেবহাটা
৩৩) আজমলের দীঘি ও পার্ক; ধুলিহর, সাতক্ষীরা।
৩৪) সাতক্ষীরা সরকারী কলেজ ক্যাম্পাস।
৩৫) বনলতা হাউজিং প্রকল্প , বনলতা বাগান ও মিনি পিকনিক পার্ক ( খড়িবিল, সদর)
৩৬) সাত্তার মোড়লের স্বপ্নবাড়ী (বন্দকাটি,
কালিগঞ্জ)
৩৭) বংশীপুর শাহী মসজিদ ( শ্যামনগর)
৩৮) শহীদ আ: রাজ্জাক পার্ক, (সাতক্ষীরা সদর)
৩৯) সুন্দরবন পিকনিক কর্নার ( শ্যামনগর)
৪০) ইছামতি কন্যা “রুপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন”(শীবনগর, দেবহাটা)
প্রতিদিন এসব জায়গায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থী ভিড় জমায়।

Address

Satkhira
KALAROA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ma Stationary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share