Fashion Park.senbag noakhali

Fashion Park.senbag noakhali সেনবাগের ফ্যাশন সচেতন নারি ও পুরুষের চাহিদাকে সামনে রেখে,সম্পূর্ন ঢাকার আদলে প্রতিষ্ঠিত।

24/07/2021

আপনি জানেন কি?
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।

আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়।এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে।তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।

কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?

১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা,তবুও আপনি জিতেছিলেন।

২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।

- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।

আর আজ......

আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।

কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন,শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহ কে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,

শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেন!!!

!! ইনশাআল্লাহ!!

সংগৃহীত

05/01/2021

-তোমার ফিউচার প্ল্যান কি?
-বিয়ে করা।
-আর কিছুনা?
-এত্তগুলা বাচ্চার মা হওয়া।

-ওহ খুবই ইন্টারেস্টিং প্ল্যান। প্রতি বছর একজন করে আসবে। দুইজন মিলে চুল টানাটানি মারামারি করবে। এদের থামাতে গিয়ে দেখা যাবে একজন বাথরুমে গিয়ে পানি দিয়ে খেলতেছে। তাকে ধরতে গিয়ে দেখা যাবে আরেকজন পানির গ্লাস ভেঙ্গে ফেলছে,নয়তো জগের পানি মেঝেতে ঢেলে সেখানে বসে হাত পা ছুড়ছে। তাকে ধরতে গেলে অন্যজন এসে পা পিছলে পড়ে মাথা ফাটাবে। তাকে ধরতে গিয়ে চুলায় বসানো তরকারির কথা মনেই থাকবেনা। বাচ্চাদের বাবা বাসায় এসে যখন দেখবে পোড়া তরকারি দিয়ে ভাত তখন কথা শোনাতেও ছাড়বেনা।

শেষমেশ পাগল হয়ে যেতে হবে আর বলবে কেনো যে বিয়েটা করছিলাম!

-হিহিহি (উচ্ছ্বলতার হাসি)
-এখন তো হাসতেছ। আসল মজা তো তখনই টের পাবা।
-হিহিহিহিহি......
-আবার হাসে....আরে থামো!
-হিহিহিহিহিহিহিহি.......

06/06/2020

💜 ু💜 কলেজ থেকে বাসায় এসে ঢুকতেই মা হাতের ইশারায় বুঝালো যেন কোন শব্দ না করি। আমি চুপিচুপি মার কাছে গিয়ে আস্তে করে বললাম,
-- কি হয়েছে মা? বাবা কি রেগে আছে?
মা বললো,
~ না, তোর আপুর হোস্টেলে কি যেন ঝামেলা হচ্ছে তাই বাসায় চলে এসেছে। বাসায় আসার পর থেকে না কি খুব মাথা ব্যাথা করছে। এখন ঘুমিয়ে আছে। তুই আর কোন ডিস্টার্ব করিস না...

আমি মার কথা শুনে শুধু মুচকি হাসলাম। তারপর কিছু না বলে আমার রুমে চলে এলাম। পা থেকে মোজা গুলো খুললাম। শেষবার কবে মোজা ধুয়েছি আমার নিজের মনে নেই। নিজের মোজার গন্ধে নিজেই থাকতে পারছি না৷
মোজা গুলো নিয়ে চুপিচুপি আপুর রুমে গেলাম। দেখি আপু হা করে ঘুমাচ্ছে। সুন্দর করে আমার মোজা গুলো আপুর মুখের কাছে রেখে বাহির থেকে আপুর রুম লক করে এসে পড়লাম...

কতক্ষণ পর আপুর রুম থেকে ধুমধুম শব্দ হতে শুরু হলো। মা তাড়াতাড়ি দরজা খুলতেই আপু চিৎকার করে বলতে লাগলো,
- তোমায় বলেছিলাম না তোমার এই কুত্তা ছেলে যেন আমার রুমে না আসে তারপরও এই কুত্তা এসে আমার মুখে নোংরা মোজা গুলো রেখে গেছে। মোজার গন্ধে আমার দম আটকে গিয়েছিলো..
আমি তখন বললাম,
-- মোজা গন্ধ করবে কেন? মাত্র ৪০ দিন আগেই তো মোজা ধুয়েছি...

এই কথাটা বলে আমি কোন রকম আপুর চোখের সামনে থেকে চলে গেলাম তা না হলে আমার পিঠে কয়েকটা ধুমধাম পড়ে যেত...

বিকালে যখন বাসার বাহিরে যাবো তখন আপু ডেকে বললো,
-পিয়াস, আমার ফোনে ১০০ টাকা লোড করে দিস তো।
আমি আপুর থেকে টাকাটা নিলাম...
সন্ধ্যায় যখন বাসায় ফিরি তখন আপু বললো,
- কি রে, তকে কখন বললাম টাকা লোড দিতে। এখনো তুই লোড দিস নি?

আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- তুই না নিজের মুখে বললি, এই নে ১০০ টাকা তোর হাত খরচের জন্য দিলাম। আমি তো খরচ করে ফেলেছি..
আপু রাগে লাল হয়ে মা কে ডেকে বললো,
- তোমার এই কুত্তা ছেলেকে আমার ফোনে টাকা লোড করতে দিয়েছিলাম। কিন্তু এই বান্দার আমার ফোনে টাকা না দিয়ে নিজে খরচ করে ফেলেছে..
আপুর কথা শুনে মা বললো,
~ তুই তো জানিস এটা এক নাম্বারের চুর আর বাটপার। তারপরও ওকে টাকা দিতে গেলি কেন?

রাতে আপুর রুমে এসে দেখি আপু পড়ছে। আমি আপুকে বললাম,
-- আপু একটু ভিতরে আসবো?
আপু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
-তোর মতলবটা কি? কখনো তো আমার রুমে ঢুকার সময় অনুমতি নিস না। আজ হঠাৎ নিচ্ছিস যে...
আমি মাথাটা নিচু করে বললাম,
--আপু আজ আমড় রেজাল্ট কার্ড দিয়েছে। আমি ফিজিক্সে ফেল করেছি...
আপু হাসতে হাসতে বললো,
- খুব ভালো হয়ছে। এখন আমি বাবাকে বলে তকে ইচ্ছে মত মার খাওয়াবো। আমার সাথে এমন বান্দারগিরি করিস। এখন বুঝাবো মজা..

এমন সময় বাবা রুমে এসে আমাকে বললো,
~ কি রে, তোর না আজ রেজাল্ট কার্ড দেওয়ার কথা ছিলো?
আমি বলার আগেই আপু বললো,
- না বাবা এখনো দেয় নি। আর রেজাল্ট কার্ড দেখে লাভ কি? আজকাল কলেজগুলোতে অনেক কঠিন প্রশ্ন করে। আমি পিয়াসের ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রি প্রশ্নটা দেখেছিলাম। আমি শিওর কলেজের সবাই এই দুই বিষয়ে ফেল করবে। এতই কঠিন প্রশ্ন হয়ছে ।
বাবা আপুর কথা শুনে আস্তে আস্তে বললো,
~ একটু তো প্রশ্ন কঠিন করেই।
এই কথা বলে বাবা রুম থেকে চলে গেলো। আমি আপুর দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- তোর মত একটা বোন থাকলে এইদেশে ঘরে ঘরে বিজ্ঞানী তৈরি হতো। কারণ সব বিজ্ঞানীরাই কোন না কোন বিষয় ফেল করেছে।
আমার কথা শুনে আপু আমার পিঠে কষে থাপ্পড় মেরে বললো,
-ফিজিক্সে ফেল করে আবার বিজ্ঞানী হবে। এইবারের মত বাঁচিয়ে দিলাম নেক্সট টাইম আর বাঁচাবো না। এখন যা সামনে থেকে...

২০ মিনিট ধরে আপুর ব্যাগ জিনিসপত্র বহন করে আপুকে গাড়িতে তুলে দিলাম। বাস যখন ছেড়ে যাবে তখন আপুকে বললাম,
--আপু এত কষ্ট করে তোর ব্যাগ গুলো নিয়ে এসেছি কিছু টাকা তো দে..
আপু মুচকি হেসে বললো,
- তুই কুলি না কি যে টাকা চাইছিস?
আপুর কথা শুনে মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো। রাগে চলে আসলাম অবশ্য আপু পিছন থেকে ডেকেছিলো কিন্তু আমি শুনি নি...

সকালে হঠাৎ আমার ফোনে একটা মেসেজ দেখে চমকে উঠলাম। কে যেন আমার বিকাশে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। তার কিছুক্ষণ পর আপু ফোন দিয়ে বললো,
- কি রে, টাকা পেয়েছিস?
আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- এত টাকা পাঠিয়েছিস কেন?
আপু হেসে বললো,
- তুই না নতুন ফোন কিনতে চেয়েছিলো তাই টিউশনির টাকা পেয়ে তকে দিয়ে দিলাম। আর ৫ হাজার টাকা কয়েকদিন পর দিচ্ছি। তখন ১৫ হাজার টাকা দিয়ে একটা নতুন ফোন কিনে নিস...
আমি খুশিতে চিৎকার করে আপুকে বললাম,
-- আপু, প্লিজ আর কিছু টাকা বাড়িয়ে দিস। ১৮ হাজার টাকা দিয়ে নতুন মডেলের একটা ফোন কিনবো...
কিন্তু আপু আমার কোন কথায় শুনে নি। শুধু হ্যালো হ্যালো করতে লাগলো। এমন সময় শুনি কেউ একজন আপুকে বলছে, কি রে আর কত এই নষ্ট টেপ মারা ফোনটা ব্যবহার করবি। এইবার তো নতুন একটা ফোন কিন...

আপুর ফোনের হয়তো স্পিকার নষ্ট হয়ে গেছে। তাই আমার কথা শুনতে পারছে না। কিন্তু আমি ঠিকিই আপুর কথা গুলো শুনছি...

মুহূর্তের জন্য নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে স্বার্থপর ভাই মনে হলো। বোনের থেকে সবসময় কিছু না কিছু আবদার করি আর আমার বোন যে একটা নষ্ট ফোন ব্যবহার করে সেটা কখনো খেয়ালই করি নি...

আপুর ১০ হাজার টাকা আর আমার পুরাতন ফোন বিক্রি করে ৬ হাজার টাকা আর ২ হাজার টাকা বাবার পকেট থেকে চুরি করে ১৮ হাজার টাকা দিয়ে একটা স্যামসাং নতুন মডেলের একটা ফোন কিনলাম...

আমি এখন দাঁড়িয়ে আছি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের সামনে। আপুকে ফোন দিয়ে বলেছি নিচে আসতে। আপু নিচে এসে আমাকে দেখে অবাক হয়ে বললো,
- তকে কতবার বলেছি একটু ভালো করে পড়াশোনা কর কিন্তু তা তো করিস না। এখন নিশ্চয়ই বাবা তকে মেরেছে তাই না?
আমি কিছু না বলে আপুর দিকে ফোনটা বাড়িয়ে দিলাম।
আপু ফোনটা দেখে অবাক হয়ে বললো,
- তুই নতুন ফোন কিনেছিস? কিন্তু বাকি টাকা কোথায় পেলি?
আমি বললাম,
-- পুরাতন ফোনটা বিক্রি করে দিয়েছি আর বাবার পকেট থেকে কিছু টাকা চুরি করেছি...
আপু রেগে গিয়ে বললো,
- কুত্তা তুই চুরি করতে গেলি কেন? আমি তো কয়দিন পর টাকা এমনিতেই পাঠাতাম..
আমি আপুকে বললাম,
-- ফোনটা তোর জন্য কিনেছি। কয়দিন পর আমার পরীক্ষা। এখন ফোন থাকলে পড়া হবে না। ডাক্তার বোনের ভাই পরীক্ষায় ফেল করলে মান ইজ্জত যাবে...

আপু কান্না করছে। আমি আপুকে বললাম,
-- কাঁদছিস কেন?
আপু কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- কুত্তা ভাই বড় হয়ে গেছে তো সেই কষ্টে কান্না করছি...

আপু এখনো বসে আছে আমি চলে যাচ্ছি। হঠাৎ পিছন ফিরে আপুকে বললাম,
-- আর যদি কখনো টেপ মারা মোবাইল ব্যবহার করিস তোর খবর আছে। মনে রাখিস তোর একটা ভাই আছে...

আমার কথা শুনে আপু হেসে দিলো। চোখে জল আর মুখে মিষ্টি হাসি।

আমি ভল্লাম,
'm Sorry 😭😭😭
মাফ করে দিস আমাকে🙏🙏🙏
অনেক ভালবাসি তোমাকে।
গল্পটি সংগৃহীত

বাঙালী কে দাবায়া রাখা সম্ভব না। যখন ঘোষণা হল ট্রাকে মানুষ পরিবহণ করা যাবে না।  এরপর আজকের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ...
05/04/2020

বাঙালী কে দাবায়া রাখা সম্ভব না।

যখন ঘোষণা হল ট্রাকে মানুষ পরিবহণ করা যাবে না। এরপর আজকের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের দৃশ্য।

05/04/2020
আলহামদুলিল্লাহ। ফ্যাশন পার্ক আপনাদের জন্য নিয়ে এলো  নান্দনিক সবাই ডিজাইনের  Summer collection. polo T shirt,And T shirt....
11/02/2020

আলহামদুলিল্লাহ।
ফ্যাশন পার্ক আপনাদের জন্য নিয়ে এলো নান্দনিক সবাই ডিজাইনের
Summer collection.
polo T shirt,
And T shirt.

তাই আজই চলে আসুন #ফ্যাশন_পার্ক_সেনবাগ_দক্ষিণ_বাজার
সেন বাগ নোয়াখালী।
মোবাইল ০১৮১৭২৬৭৫৬৯
০১৮৪৮২৩৪৭২৬
nasir nazim

12/01/2020

দু'আর মধ্যে শিশুর মত হাউমাউ করে যে কাঁদেনি, সে কখনো বুঝবে না- সুখের তীব্রতা কেমন হতে পারে!
শেষ রাতে কাউকে বুঝতে না দিয়ে অযু করে ধীরে-সুস্থে, মনযোগের সাথে দুই রাকাত সলাত যে পড়েনি, সে কীভাবে উপলব্ধি করবে- অন্তরের পরিতৃপ্তি?
কাউকে বুঝতে না দিয়ে নফল রোযা রেখে একা একা চুপে চুপে ইফতার করার অভিজ্ঞতা যার হয়নি, সে কখনো বুঝবে না- আল্লাহকে আপন মনে করতে পারার আনন্দ কত মধুর হয়!
ইমাম হাফেয ইবনুল কাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) কী সুন্দরভাবে বলছেন-
“প্রকৃতপক্ষে অন্তরে রয়েছে এক অভাববোধ, যা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক করা ছাড়া দূর হয় না। অন্তরে রয়েছে এক বিষণ্ণতা, যা আল্লাহকে জানা আর তাঁর প্রতি সৎ থাকা ছাড়া দূর হয় না। অন্তরে আরোও রয়েছে একটি শূন্যতা, যা তাঁকে ভালবাসা ও তাওবাহ করে তাঁর দিকে ফিরে যাওয়া আর সবসময় তাঁকে স্মরণ করা ছাড়া পূরণ হয় না। কোন ব্যক্তিকে যদি পুরো দুনিয়া এবং তার সবকিছুই প্রদান করা হয় , তবুও এটি তার শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না”।
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেন-
"জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই কেবল হৃদয়সমূহ প্রশান্ত হয়।" [সূরা রা'দ: ২৮]

আসুন আমাদের ফ্যাশন পার্ক  এআপনার পছন্দের পোষাকের জন্য।
30/11/2019

আসুন আমাদের ফ্যাশন পার্ক এ
আপনার পছন্দের পোষাকের জন্য।

11/09/2019

বাংলাদেশের জুস ফ্যাক্টরিগুলোতে কখনও ফলের গাড়ি ঢুকেনা,
অথচ নিয়মিত জুসের গাড়ি বের হয়😢😢

03/08/2019
২০১৫ সালের লিখাটি রি-পোস্টঃবন্ধুরা যারা এখনো বিয়ে করোনি অথচ একখান মনের মতো বউয়ের স্বপ্ন দেখছ, তাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগ...
27/06/2019

২০১৫ সালের লিখাটি রি-পোস্টঃ

বন্ধুরা যারা এখনো বিয়ে করোনি অথচ একখান মনের মতো বউয়ের স্বপ্ন দেখছ, তাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরির বউয়ের পরিচিতি ও স্বভাব তুলে ধরা হইল। নিজে পড়িও এবং অন্যকে জানার সুযোগ দিতে শেয়ার করিও। ভবিষ্যতে নিজের বউ কোন ধরণের সেইটার উপমাও খুঁজে নেয়া সহজ হবে। বিবাহিত বন্ধুরা কার বউ কেমন কমেন্টে জানাইতে পারেন আমি কারো কাছে কিচ্ছু কমুনা।

১. লক্ষ্মী বউ:
আবহমান বাংলা চিরায়ত আদর্শ ব‌উ আমাদের লক্ষ্মী বউ। এই বউ সুকুমার রায়ের ছড়ার সাপের মতোই: “করে নাকো ফোঁস্ ফাঁস্, মারে নাকো ঢুঁশ্‌ঢাঁশ, নেই কোনো উৎপাত, খায় শুধু দুধ ভাত…।” লক্ষ্মী বউ অল্পতেই খুশি। জামাইয়ের কাছ থেকে তার কোন বাড়তি ডিমান্ড নেই। সারাদিন বাসার টুকটাক কাজ করবে, ড্রয়িংরুম ও বেডরুম একাধিকবার গোছাবে, মেহমান আসলেই হাসিমুখে তাদের আপ্যায়ন করে নেবে, কাজের লোককে দিয়ে না করিয়ে অনেক কাজ নিজেই করে ফেলবে, রান্নাঘরে তার দক্ষতার ছাপ রাখবে এবং পরিশেষে স্বামীকে ব্যাপক ভালোবাসবে। লক্ষ্মী বউ বেশ দুর্লভ প্রকৃতির। এদের দেখা আজকাল শুধু পুরনো বাংলা ছবি বা নাটকে পাওয়া যায়।

২. রাগী/মেজাজী বউ:

খ্যাঁচখ্যাঁচ, খিটপিট, কটমট শব্দগুলো এই বউয়ের জন্যই তৈরি হয়েছিল। সকালে উঠেই বুয়ার সাথে খ্যাঁচখ্যাঁচ, এরপর বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যেতে রিকশাওয়ালার সাথে এক প্রস্থ, স্কুল থেকে ফিরে আসার সময় হালকা বাজার-সদাই করতে গিয়ে দোকানদারকেও একচোট। এরপর বাসায় ঢুকে বাচ্চাদের পড়াতে বসে তাদের ওপর দিয়েও সিডর বওয়াবেন রাগী বউ। দিনের শেষ ডোজটা বরাদ্দ জামাইয়ের জন্য, বাসায় ঢোকামাত্রই যা নাজিল হবে:

■ “কারেন্টের বিল দেয়া হয় না কয় মাস হুঁশ আছে?”

■ “সারাদিনতো বাসায় থাক না, আমার ওপর দিয়ে কি যায় বোঝ?”

■ “তোমার আম্মা!! উফফ!! অসহ্য একটা মহিলা!!”

■ “তাইলে আগে বলে দিলেই পারতা! ১৪ বছর সংসার করতে গেলা কেন?”

৩. হস্তিনী বউ:

হস্তিনী বউয়ের হাতি হয়ে ওঠার পেছনে তার স্বাস্থ্যের কোন সম্পর্ক নেই। এই বউ ঘরে রাখা অনেকটা হাতি পালার মত। মাসের শুরুতেই সে জামাইয়ের মানিব্যাগটিতে অধিকার স্থাপন করে তা অধিগ্রহণ করবে। খরচের ব্যাপারে সে হিসেবের ধার ধারবে না। মাসের মধ্যে ১৪বার শপিংয়ে গিয়ে তার ক্ষান্তি নেই। হাতি যেমন গ্রামে হানা দিয়ে বনের ভেতরে শস্য নিয়ে যায়, তেমনি হস্তিনী বউ স্বামীর সংসারের টাকা সুন্দরভাবে বাবার সংসারে মানি লন্ডারিং করে দেবে।

৪. সুন্দরী বউ:

এই বউ সুন্দরী এবং এটাই তার সমস্যা। সুন্দরী বউ যদি বিনয়ী হয় তবেও সমস্যা, আর দেমাগী হলেতো কথাই নেই। সুন্দরী বউয়ের রূপের দেমাগ থাকলে পুরো শ্বশুরবাড়ি, বিশেষত ননদ ও জা কুলের সাথে বিশেষ মানসিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর যদি রূপ নিয়ে কোন গর্ব না-ও থাকে তবেও না-চাইতেও অনেক কথাই শুনতে হয়। কোন একটা ঊনিশ-বিশ হলেই রূপ-সৌন্দর্য্যের কথা তুলে খোঁটা দেয়া হয়:

■ “হ্যাঁ, সুন্দর বউ ঘরে নিয়ে আসছে… তাকেতো আবার কিছু বলা যাবে না…”

■ “বউ সুন্দর হলেই হয় না শুধু, সাথে সংসারের কাজকামও কিছু করতে হয়…”

■ “সারাজীবন কি রূপচর্চা করেই কাটবে?”

■ “সারাজীবন কি শুধু রূপ দেখেই কাটবে?” (স্বামীর উদ্দেশ্যে শ্বশুরবাড়ির লোকজন)

৫. চিরযৌবনা বউ:

তার বয়স হয়েছে, কিন্তু রূপ-সৌন্দর্য্যে লেশমাত্র পড়েনি। অন্যান্য ভাবীরা যেখানে ফুলেফেঁপে উঠছেন ও চামড়ায় ভাঁজ পড়ছে, সেখানে চিরযৌবনা বউ দিন দিন শুকাচ্ছেন, আরও সুন্দর হচ্ছেন। জামাইকে নিয়ে কোন পার্টিতে গেলে লোকে তাদের দেখে বাবা-মেয়ে ভাবছে – এমন ঘটনাও ঘটতে পারে। চিরযৌবনা বউয়ের জামাইরা পরকীয়ার ব্যাপারে সাধু সাবধান!

৬. সন্দেহবাজ বউ:

এই বউ শুধু জামাইকে সন্দেহ করে। সে কোথায় যায়, কি খায়, কাদের সাথে ওঠা-বসা করে সব খবর তার চাই। ৫ মিনিটের বেশি ফোন বিজি পেলেই তার কড়া জিজ্ঞাসা – “কার সাথে কথা বলছিলে?” ফোন দিয়ে সর্বদা স্বামীর খোঁজ খবর নিতে ভালোবাসেন। শার্টের কলারে চুল আর লিপস্টিকের দাগ খোঁজা তার রোজকার কাজ। নিষ্পাপ স্বামীদের এমন বউরা প্রতিবাদী করে তোলেন। স্বামীরা ভাবেন – কিছু না করেই যখন এত কিছু শুনছি, তার চেয়ে ভালো কিছু করে তবে শুনি।

৭. বৌ-মা:

এই বউ ‘বউ’ কম, মা বেশি। সব সময় স্বামীর ওপর একটা গার্জিয়ানগিরি ফলানোর চেষ্ট‍া সে করবে। সারাক্ষণ- এটা খাবে না, ওটা ধরবে না, বেশি বুঝ না তো- এসব বলবে এবং স্বামীকে সার্বক্ষণিক শাসনের ভেতরে সে রাখবে। এমন আচরণের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন:

■ স্বামীর চেয়ে বেশি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন বউ

■ দুর্বলচিত্তের জামাই

■ স্বামীর বাড়ির চেয়ে বউয়ের ফ্যামিলির বেশি অবস্থাসম্পন্ন হওয়া ইত্যাদি

৮. নিঃসঙ্গ বউ:

এই বউয়ের স্বামী বিয়ে করে তাকে গ্রামের বাড়ি রেখে গেছে বা দেশের বাইরে গেছেন। নিঃসঙ্গ বউয়ের জীবন খুব কষ্টের। স্বামী কবে ফিরবেন ক্যালেন্ডারে তার সেই দিন গোনা যেন শেষ হয়না। জামাইয়ের সাথে কথা বলতে যোগাযোগের কোন মাধ্যমই বাদ দেন না। অনেক ক্ষেত্রে এমন বউরা প্রতারণার শিকার হন – যখন জামাই শহরে ও বিদেশে আরেকটি বিয়ে করেন।

৯. আত্মকেন্দ্রিক বউ:

নিজেকে নিয়েই পুরোটা সময় ব্যস্ত তাকেন আত্মকেন্দ্রিক বউ। বাসার রান্নাবান্নার পুরো দায়িত্বটা বুয়াকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আর ছেলেমেয়ের পড়াশোনা অসংখ্য কোচিংকে। অবসর সময়টা কাজে লাগান টিভিতে সিরিয়াল দেখে আর রূপচর্চা করে। যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে বাড়ির অন্য বউদের মত সংসারের কোন কাজে-কর্মে তার কোন অংশগ্রহণ থাকে না। কিন্তু এর জন্য যে লোকে থাকে খারাপ ভাবছে তাতেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে এমন বউরা খুব বেশিমাত্রায় বহির্মুখি হন।

১০. হাই স্ট্যাটাস বউ:

এই বউ জামাইকে পদে পদে ও হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেবে সে কোন ফ্যামিলির মেয়ে, সেখানে কি কি হতো যা তার সংসারে হয় না। এই বউ সব সময় জামাইকে বলবে: মাখন ছাড়া কোন দিন সে সকালে নাস্তা করে নাই, বিয়ের পর যে চাকরিটা পেয়েছেন সেটাও তার বাবার কল্যাণে, ঘরের আসবাবপত্র সবই তারই বাপের বাড়ি থেকে আসা… ইত্যাদি ইত্যাদি…

১১. হতাশাগ্রস্থ বউ:

এই বউয়ের আফসোস আর দুঃখের সীমা নেই। স্বামীর সংসারে এসে সে কিছুই পায়নি। কত শখ ছিলো বিয়ের পর সুইজারল্যান্ড যাবে, প্রতি ঈদে একট নতুন শাড়ি হবে, ধানমণ্ডিতে একটা বাড়ি হবে, ছেলে-মেয়েরা নামী স্কুলে পড়বে – আরো কত কি! উঠতে বসতে স্বামীকে সেইসব হতাশামাখা বাণী শুনতে হবে।

১২. হিংসুটে বউ:

হিংসুটে বউয়ের সবকিছুতেই হিংসে, সবার সাথেই হিংসে। এই বউকে তার জামাই আর্থিক/মানসিকভাবে কোনকালেও সুখী করতে পারবে না। আর বউয়ের নজর শুধু কোন ভাবী ৭০ হাজার টাকা দিয়ে শাড়ি কিনলো, জা/ননদরা কে কি করলো। সারাদিন শুধু এইসব নিয়েই আলোচনা আর ফিসফাস।

১৩. প্যাঁচালো বউ:

এই বউ সংসারে অশান্তি বয়ে আনেন – তার কথা-বার্তা, তার আচার আচরণ, কূটচাল আর কুটনামির স্বভাব দিয়ে। স্বামীর কানে শ্বাশুড়ির নামে বদনাম করেন আর শ্বাশুড়ির সামনে ছেলের। ‘এর কথা ওকে’ আর ‘ওর কথা একে’ বলে বেড়ানো তার স্বভাব। কথা ছড়ানোর সময় দু’-চার পরত রং মাখাতেও ছাড়েন না প্যাঁচালো বউ।

১৪. পানসে বউ:

কোন কিছুর প্রতিই এই বউয়ের বিশেষ কোন আগ্রহ/স্পৃহা দেখা যায় না। স্বামী অনেক শখ করে তার জন্য কিছু একটা করলে বা উপহার দিলেও – “হ্যাঁ, সুন্দর…” ব্যস এতটুকু বলেই শেষ। জামাইও সারাজীবন তাকে একটাই প্রশ্ন করে যায়- “আচ্ছা তুমি এমন কেন?” এই সামগ্রিক আগ্রহের ‍অভাবে শুধু স্বামী নয়, সন্তানদের সাথেও পানসে বউয়ের একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তাকে কেউ ঘাঁটায় না, সেও কাউকে ঘাঁটায় না।

১৫. বাপের বাড়ি প্রিয় বউ:

বছরের মধ্যে ১০ মাসই এই বউ বাপের বাড়ি থাকেন। কস্মিন-কদাচিৎ শ্বশুড়বাড়িতে গিয়ে তাদের কুশলাদি জেনে আসেন। বউয়ের কারণে জামাইকেও অনেকটা সময় শ্বশুরবাড়িতে কাটাতে হয়। বউয়ের এমন বাপের বাড়ি প্রিয়তা শ্বশুরবাড়ির অশান্তি হতে পারে, তাদের সাথে বনিবনার অভাবে থেকে হতে পারে । আবার হতে পারে, নিজের বাব-মা’র পরামর্শেই তিনি এমনটা করছেন। স্বামী বিদেশে থাকেন এমন বউদের ক্ষেত্রে এই বাপের বাড়ি প্রিয়তা বেশি দেখা যায়।

১৬. ঘরজামাইয়ের বউ:

ঘরজামাই যেমন দুর্বলচিত্তের, তার স্ত্রী ঠিক ততোটাই শক্ত ও কড়া মানসিকতার। ঘরের বাজার-সদাই থেকে শুরু করে বাচ্চাকে স্কুলে আনা নেওয়া সবই তিনি ঘরজামাইকে দিয়ে করান। আর মুহূর্তে-মুহূর্তে মনে করিয়ে দিতে ভোলেন না – এই বাড়িটা কার বাবার!

১৭. সেলিব্রিটির বউ:

সেলিব্রিটিদের বউ দু’ ধরণের আছেন। যদি বউ নিজেও সেলিব্রিটি হন, তবে স্বামীর সার্বক্ষণিক নারীসঙ্গ তাকে তেমন একটা প্রভাবিত করে না। কিন্তু যদি বউ সাধারণ হন, তবে এগুলো সহ্য করা খুব কষ্টের হয়ে যায়। স্বামীর বেপরোয়া জীবন নিয়ে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়। খুবই অসহায় এদের জীবন।

১৮. কর্মজীবী বউ:

কর্মসূত্রে অনেকটা সময়ই বাসার বাইরে থাকতে হয় কর্মজীবী বউকে। আর তাই বাচ্চার দেখভালসহ সাংসারিক নানা কাজে খুব কমই সময় দিতে পারেন। অধিকাংশ পরিবারেই বিষয়টিকে অত্যন্ত নেগেটিভ ভাবে নেয়া হয়। সবক্ষেত্রে স্বামীর সমস্যা না থাকলেও সমস্যা থাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে। সেই চাপে অনেক সময় কর্মজীবী বউদের চাকরী ছেড়ে সংসারমুখী হতে হয়। আর শক্ত মানসিকতার অনেকে দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে হয় জয়ী হন, নতুবা শেষ পন্থা হিসেবে সেপারেশনে চলে যান।

১৯. তিড়িং-বিড়িং বউ:

এই বউ সবকিছুতেই খুব উৎফুল্ল গোছের। বিয়ের পরে সমাজ যে ধরণের গাম্ভীর্য আশা করে তার অনেক কিছুই এর মধ্যে অনুপস্থিত। সাধারণত কমবয়সী মেয়েরা বউ হয়ে ঘরে এসে তার বয়সী কোন দেবর/ননদ পেলে এমনটা হয়ে থাকে। সাংসারিক রীতি-রেওয়াজ বজায় রেখেই চলে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক। এমন বউরা বেশ খোলা মন এবং বিস্তৃত চিন্তার অধিকারী হয়ে থাকেন।

২০. ভাবী বউ:

এই বউ প্রচলিত ‘ভাবী কালচার’ এর মধ্যে বসবাস করেন। বাচ্চার স্কুল/কোচিং হোক, ‍পাশগৃহিনী হোক কিংবা হোক না কোন বিয়ের অনুষ্ঠান – ভাবী কালচার চলছে চলবে। কোন ভাবীর জামাই কত লাখ টাকার শাড়ি কিনে দিল, কোন ভাবীর বাচ্চা কয়টা কোচিং করে, কোন সিরিয়ালে নায়ক-নায়িকা হাত ধরে কি বলেছে, কার শ্বাশুড়ির কোথায় ব্যথা আর কোথায় ব্যামো, কার বুয়া কার হাত ধরে ভেগেছে – আলোচনার কি আর শেষ আছে? আর বাড়িতে যদি টিএন্ডটি ফোন একটা থাকে তাহলে তো কথাই নেই। মোবাইল বাদ দিয়ে ওই টিএন্ডটি দিয়েই ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে দুই ভাবীর কথোপকথন। ভাবী বউদের মধ্যে বাচ্চার পড়শোনা নিয়ে একটা কিম্ভূত টেনশন দেখা যায়। যেন পড়াশোনা/পরীক্ষা বাচ্চার না, বাচ্চার মায়েদের। ক্লাস ফোরের বাচ্চাকে ১২টা কোচিংয়ে দিয়েও আবার খোঁজ করেন কোন স্যার অংকটা ভালো পড়ান। ১ মার্ক কম পেলেও বাচ্চার পড়াশোনার চাইতে বেশি চিন্তা অন্য ভাবীর বাচ্চা বেশি মার্ক পেয়ে গেলে কি হবে, অপর ভাবী কি খোঁটা দেবেন – তা নিয়ে।

২১. কাঁঠালের আঠা/এঁটেল বউ:

স্বামী অত্যাচার করে, মারধর করে, শারীরিক/মানসিক হেন কোন যন্ত্রণা নেই যা শ্বশুরবাড়ির লোকজন দেয়নি – তবু সন্তানের জন্য বা লোকলজ্জার ভয়ে সংসার ধরে রেখেছেন, রাখছেন এই বউ। অত্যাচার না সইতে পেরে শতবার বাপের বাড়ি গিয়েছেন, আবার ফিরেছেন। স্বামীর বাজে অভ্যাস বা শ্বশুর-শাশুড়ির দাস হওয়া, এ সবকিছুই তার মস্তিষ্কে এই উপলিব্ধ ঘটাতে ব্যর্থ- ‘কি লাভ এমন সংসার ধরে রেখে?’ লক্ষ্মী বউয়ের মতই ইনিও এক অর্থে আবহমান বাংলার চিরাচরিত বউ। আসলে ক্যাটাগরিটা নিয়ে মজা করা সাজে না,শুধু শ্রদ্ধা রইলো।

Address

Senbag
3860

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

8801817267569

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fashion Park.senbag noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fashion Park.senbag noakhali:

Share