Iqra Islamic Books

Iqra Islamic Books হাজার হাজার ইসলামী বই এর কালেকশন থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দের ইসলামী বইগুলোঃ

09/10/2024
19/09/2024

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ বলেন তুমি যদি মানুষকে এমন কোন কথা বল যা তাদের বোধগম্য নয়, তাদের স্বল্পবুদ্ধি বা ঈমানের কারণে তা তারা বুঝতে পারে না, তখন তা তাদের জন্য ফিতনা হতে পারে। এমন হতে পারে যে একটি বিষয় সম্পূর্ণ সত্য এবং বৈধ কিন্তু সেটা শোনার জন্য মানুষ এখন প্রস্তুত নয়, তখন সে বিষয়ক তথ্য উল্টো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্রঃ সীরাহ মোহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রেইনড্রপস প্রকাশনী)।

03/09/2024

বর্তমানে ইমান ভঙ্গের কারণগুলো যতক্ষণ না ওযু ভঙ্গের কারণসমূহের মতো সাধারণ জনগণের বোধগম্য না হবে,

ততক্ষণ অবধি শ’রী’য়াহর চেয়ে আকিদার কথা বলে যাওয়া জরুরি!

— শাইখুনা হারুন ইযহার (হাফি.)

07/07/2024

*আজ থেকে শুরু হিজরি নববর্ষ।*

আপনি কি জানেন হিজরী ক্যালেন্ডার কীভাবে চালু হয়?


ইসলাম-পূর্ব আরবের নিজস্ব কোনো ক্যালেন্ডার ছিলো না। কিন্তু, তারা দিন-মাসের হিশাব রাখতো। দিন-মাসের হিশাব ছিলো চাঁদের সাথে সম্পর্কিত। তারা বছরের হিশাব করতো কোনো গুরুত্বপূর্ণ একটি বছরের ঘটনার মাধ্যমে।

যেমন, আমাদের বাপ-দাদাদের অনেকের কাছে কারো জন্মসাল জিজ্ঞেস করলে তারা কিন্তু ১৯৬০/১৯৭৩ এরকম কিছু বলেন না। তারা বলেন এভাবে- “সংগ্রামের বছর তার জন্ম/সংগ্রামের ২ বছর পর তার জন্ম/মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ২ বছর ছিলো’’ ইত্যাদি।

অর্থাৎ, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে ধরে তারা সাল গণনা করেন, যে ঘটনা মোটামুটি কমন।

আরবরাও এমনটি করতো। তারা কোনো বড়ো একটি ঘটনাকে ধরে সাধারণত বছর গণনা করতো। যে কারণে সীরাতগ্রন্থে দেখতে পাবেন যে, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মের বছর বলতে বলা হয় ‘হাতির বছর’। অর্থাৎ, যে বছর আবরাহা হাতি নিয়ে কাবা ঘর আক্রমণ করতে এসেছিলো।

রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ও আরব তথা মুসলিমদের স্বতন্ত্র কোনো ক্যালেন্ডার ছিলো না। তখন সাল বুঝানো হতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে। যেমন: নবুওয়্যাতের দ্বিতীয় বছর, নবুওয়্যাতের দশম বছর ইত্যাদি; তবে মাসের গণনা ছিলো।

আরবের কাছে চারটি মাস ছিলো ‘হারাম মাস’। এই চার মাসে যুদ্ধ করা ঐতিহ্যগতভাবে ‘হারাম’ ছিলো। পবিত্র কুরআনে এই সম্পর্কে বলা আছে:

“তারা তোমাকে হারাম মাস সম্পর্কে, তাতে লড়াই করা বিষয়ে জিজ্ঞেস করে...।” [সূরা বাকারা ২:২১৭]

উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তখন মুসলিম বিশ্বের খলিফা। তাঁর কাছে একটি ডকুমেন্ট আসে, যে ডকুমেন্টে মাস লিখা ছিলো শাবান মাস। উমর (রাদি:) জানতে চাইলেন, এটা কোন শাবান মাস? গতো বছরের? এই বছরের? নাকি আগামী বছরের?

সাহাবীদেরকে নিয়ে তিনি মিটিং-এ বসলেন। একটি ক্যালেন্ডার নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলেন। কিন্তু, কোন ক্যালেন্ডারের অনুসরণ করবেন? তখনকার সময়ের প্রস্তাবিত ক্যালেন্ডার ছিলো দুটো:

👉 রোমান ক্যালেন্ডার
👉 পারসিয়ান ক্যালেন্ডার

এই দুটো ক্যালেন্ডারের কিছু সমস্যা ছিলো। রোমান ক্যালেন্ডার অনেক বিস্তৃত, সেই জুলকারনাইন থেকে যার সাল গণনা শুরু। আর পারসিয়ান ক্যালেন্ডারটি সম্রাট পরিবর্তনের সাথে সাথে বদলে যায়। সাহাবীরা তখন একটি স্বতন্ত্র ক্যালেন্ডার প্রণয়নের চিন্তা করলেন। [১]

এখন প্রশ্ন হলো কোন বছরকে ‘প্রাইম’ ধরা হবে? সাহাবীগণ উমরকে (রাদি:) চারটি পরামর্শ দেন।

👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেছেন।

👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়্যাত পেয়েছেন।

👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরত করেছেন।

👉 যে বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তেকাল করেছেন।

সাহাবীরা দেখলেন যে, কোন বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্মগ্রহণ করেছেন, আর কোন বছর তিনি নবুওয়্যাত লাভ করছেন সেটাকে ‘প্রাইম’ ধরে হিশাব করাটা সহজসাধ্য হবে না (সেই ইভেন্টগুলো ছিলো অনেক দূরের)। অন্যদিকে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তেকালের বছরটি বিষাদের বছর। এরকম বিষাদের বছরকে ধরে ক্যালেন্ডার বানানোর ক্ষেত্রে সবাই একমত নন। থেকে গেলো শুধু রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের বছর।

সাহল ইবনু সা’দ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন:
“লোকেরা বছর গণনায় নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়্যাত প্রাপ্তির দিন থেকে করেনি, তাঁর ইন্তেকালের দিন থেকেও করেনি; বরং তাঁর মদীনায় হিজরত হতে বছর গণনা শুরু করে।” [সহীহ বুখারী: ৩৯৩৪]

রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের বছর থেকেই যে সাল গণনা শুরু হবে, এই প্রস্তাবটি দেন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। উমর (রাদি:) আলীর (রাদি:) প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন। তাঁর খিলাফতের দ্বিতীয় বছরেই এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। [২]

ইসলাম-পূর্ব এবং ইসলাম-পরবর্তী মাসের নাম একই ছিলো। অর্থাৎ, উমর (রাদি:) যখন হিজরী সাল প্রবর্তন করেন, তখন মাসের নাম আগেরগুলোই ছিলো। এই মতটি আল-বিরুনী এবং আল-মাস’উদীর। [৩]

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরত করেন সফর-রবিউল আউয়াল মাসে। তবে, ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস হিশেবে রাখা হয় মহররম মাসকে। মহররমকে ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস রাখার প্রস্তাব দেন উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।

রবিউল আউয়ালকে বছরের প্রথম মাস না রেখে মহররমকে কেনো রাখা হলো? ইবনে হাজার আসক্বালানী (রাহিমাহুল্লাহ) সেটার একটি ব্যাখ্যা দেন।
হিজরতের রাস্তা উন্মুক্ত করে আকাবার দ্বিতীয় শপথ। সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো যিলহজ্জ্ব মাসে। যিলহজ্জ্ব মাসের পরবর্তী মাস, অর্থাৎ নতুন মাস হলো মহররম মাস। সেজন্য মহররম মাসকে ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস হিশেবে নেওয়া হয়। [৪]

রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যালেন্ডারের গণনা করা হয়েছিলো বলে ক্যালেন্ডারটি ‘হিজরী ক্যালেন্ডার’/’হিজরী সাল’ নামে পরিচিত। বর্তমান (২০২৪) হিজরী সাল হলো ১৪৪৬।

রেফারেন্স:
১। Mahd as-Sawab: 1/316.
২। Tareekh Al-Islam, Ad-Dhahabi, page 163.
৩। F.C. De Blois, "TA’RĪKH": I.1.iv. "Pre-Islamic and agricultural calendars of the Arabian peninsula", The Encyclopaedia of Islam, 2nd edition, X:260.
৪। Fath al-Bari: 7/268.

25/06/2024

এক ছাত্র তার শাইখকে বললেন, "শাইখ, আমরা আল্লাহর কত অবাধ্য হই, অথচ তিনি আমাদেরকে শাস্তি দেন না"।
শাইখ জবাব দেন, " আল্লাহ তা'আলা তোমাকে কত যে শাস্তি দেন অথচ তুমি টের পাও না"!

তিনি কি তোমার কাছ থেকে তাঁর কাছে মুনাজাতের স্বাদ তুলে নেন নি....!!
আর একজন ব্যক্তির জন্য তার অন্তর কঠিন হয়ে যাওয়ার চেয়ে বড় বিপদের পরীক্ষা আর নেই।

নিশ্চয়ই তুমি সবচেয়ে বড় যে শাস্তির মুখোমুখি হতে পারো তা হল সৎকাজের তাওফিক কমে যাওয়া।

পবিত্র কুর'আন তিলাওয়াত ছাড়া তোমার কি দিন অতিবাহিত হয়নি?
বরং কখনো কখনো তুমি আল্লাহর বাণী لو أنزلنا هذا القرآن على جبل لرأيته خاشعاً متصدعاً من خشية الله}- শোন অথচ তুমি কোনপ্রকার প্রভাবান্বিত হও না, যেন তুমি তা শোনই নি...!!!

তোমার কি অসংখ্য রাত অতিবাহিত হয় নি যে রাতগুলোতে তুমি নৈশ ইবাদাত থেকে মাহরুম ছিলে..?

তোমার সামনে কি কল্যাণের মওসুমগুলো : রমজান, শাওয়ালের ছয় রোযা, জিলহজ্জের প্রথম দশদিন শারুল্লাহ মুহাররাম- অতিবাহিত হয় নি অথচ তুমি এসবের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারো নি?

এরচেয়ে বেশি শাস্তি আর কী হতে পারে?!

তোমার কি ইবাদতকে ভারি মনে হয় না?!

তুমি কি আল্লাহর জিকর থেকে তোমার জিহবাকে গাফিল দেখো না?!

তুমি কি প্রবৃত্তির সামনে দূর্বলতা অনুভব করো না?

তুমি কি তোমার অন্তরকে সম্পদ, সম্মান এবং খ্যাতির ভালোবাসায় পূর্ণ পাও নি?

উত্তম আদর্শের ব্যক্তিত্ব যাদের অনুসরণ তোমার পূণ্য বৃদ্ধি করে, তাদেরকে বাদ দিয়ে নষ্ট মডেল আর সেলিব্রিটিদের সংবাদ ফলো করতে গিয়ে কি তুমি সময় কাটাও নি???

এরচেয়ে বেশি শাস্তি আর কী হতে পারে?!

গীবত, চোগলখোরি আর মিথ্যাকে কি তোমার জিহবায় জিকরের চেয়ে বেশি সহজ মনে হয় নি?!

অনন্ত আখিরাতে কোন কাজে আসবে না এরকম অনর্থক বিষয়ে কি তুমি নিজেকে ব্যস্ত করো নি?!

আখিরাতকে ভুলে দুনিয়াকে কি তুমি তোমার সমস্ত চিন্তার কেন্দ্রে পরিণত করো নি?!

এসব অবনতি আল্লাহর শাস্তির বিভিন্ন রূপ বৈ আর কিছু নয়..।

বৎস, তুমি সতর্ক হও। মনে রাখবে, আল্লাহর সবচেয়ে হালকা শাস্তি হচ্ছে সম্পদ, সন্তান কিংবা স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ' বাস্তববাদী বা অনুভূতিশীল' হওয়া।

আর সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো, ক্বলবের ব্যাপারে 'অনুভূতিহীন' হওয়া।

আমরা মহান আল্লাহর কাছে সকলের নিরাপত্তা প্রার্থনা করি।
(ড. আলী আসসাল্লাবীর পেইজ থেকে অনুবাদ)

Collected

11/06/2024

রিযিক একটা প্রশস্থ ও গভীর বিষয়।

▪রিযিকের সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান।
▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

একজন মানুষ তার সম্পূর্ণ জীবনে কতটা সম্পদ রোজগার করবে সেটা পূর্ব নির্ধারিত, নির্দিষ্ট রয়েছে ঐ ব্যক্তি কতটুকু খাবার বা পানি গ্রহণ করবে। ঠিক তেমনি আমার-আপনার ক্ষেত্রেও। আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটাও লিখিত। এখানে একটি দানাও কম বা বেশি হবার সুযোগ নেই।

তবে এই রিযিক আপনি হালাল উপায়ে আয় করবেন নাকি হারাম উপায়ে সেই সিদ্ধান্ত আপনার। পদ্ধতি যেটাই হোক পরিমাণ একই থাকবে।

- আমি আবার বলছি। আপনার সমগ্র জীবনে রিযিক বাবদ যদি ৫ কোটি টাকা বরাদ্ধ থেকে থাকে তাহলে সেটা আসবেই। এখন সিদ্ধান্ত আপনার, আপনি সেটা হালাল পথে রোজগার করতে চান, নাকি হারাম পথে। আল্লাহু আকবার।

- যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ৫ কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই ৫ কোটিই... এক ফোটা বেশিও না, কমও না।

- আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।

এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

- রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
- কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'আলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
- কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
- আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কুলে আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।

■ আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
- (সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
- (সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

তাই, কোনোভাবেই আমরা রিযিকের জন্য হারাম পদ্ধতি বা পথ বেছে নিবো না, ইনশাআল্লাহ।
-সংগ্রহীত

Address

East Chowkidekhi, House: 196, Road: 06
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqra Islamic Books posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Iqra Islamic Books:

Share