সর্বহারা

সর্বহারা NR First Fire Topup Center

ঘটনা'টি শুরু করার আগে একবার দুরুদ শরীফ পড়ে নিন: সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।​সেই রাতটি ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভ...
25/05/2026

ঘটনা'টি শুরু করার আগে একবার দুরুদ শরীফ পড়ে নিন: সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

​সেই রাতটি ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এবং ত্যাগের রাত। চারিদিকে কাফেরদের তলোয়ারের ঝনঝনানি, আর তার মাঝেই নবীজি (সা.) ও তাঁর পরম বন্ধু আবু বকর (রা.) আশ্রয় নিলেন অন্ধকার 'সাওর' গুহায়।

​গুহার ভেতরটা ছিল অগোছালো আর গর্তে ভরা। নিজের পরনের চাদর ছিঁড়ে ছিঁড়ে প্রতিটি গর্ত বন্ধ করলেন আবু বকর (রা.)। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না— একটি গর্ত তখনো খোলা! কাপড় শেষ, কিন্তু নবীজির জীবনের ঝুঁকি তো শেষ হয়নি।

​অতঃপর যা ঘটল, তা শুনলে আপনার গায়ের পশম দাঁড়িয়ে যাবে!

​ক্লান্ত নবীজি (সা.) আবু বকর (রা.)-এর কোলে মাথা রেখে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ঠিক তখনই সেই খোলা গর্ত দিয়ে একটি বিষধর সাপ উঁকি দিল। আবু বকর (রা.) দেখলেন, পা সরালেই সাপটি তাঁর প্রিয় নবীকে দংশন করতে পারে। মুহূর্তের সিদ্ধান্তে তিনি নিজের পা দিয়েই সেই গর্তটি চেপে ধরলেন।

​সাপটি বারবার তাঁর পায়ে বিষাক্ত ছোবল দিতে লাগল। বিষের তীব্র যন্ত্রণায় তাঁর শরীর নীল হয়ে আসছিল, কলিজা ফেটে যাচ্ছিল ব্যথায়। কিন্তু সুবহানাল্লাহ! যেন নবীজি (ﷺ)- এর ঘুমে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে”, এই ভয়ে তিনি একটুও নড়লেন না, উফ শব্দটিও করলেন না!

​কিন্তু ভালোবাসা কি আর লুকিয়ে রাখা যায়?
তীব্র যন্ত্রণায় আবু বকর (রা.)-এর চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া এক ফোঁটা তপ্ত অশ্রু নবীজির গালে পড়ল। নবীজি জেগে উঠলেন এবং অবাক হয়ে দেখলেন তাঁর বন্ধুর করুণ দশা।

​নবীজি (সা.) বললেন, "হে আবু বকর! কী হয়েছে তোমার?" আবু বকর (রা.) ব্যথায় নীল হওয়া মুখ নিয়ে হাসলেন আর বললেন, "ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমার কিছু হয়নি, শুধু একটি সাপ কামড় দিয়েছে।"

​নবীজি (সা.) তাঁর মোবারক থুতু লাগিয়ে দিলেন আর মুহূর্তেই বিষের জ্বালা পানি হয়ে গেল।

​শিক্ষা: আজ আমরা সামান্য বিপদে পড়লে ইবাদত ছেড়ে দিই, আর সাহাবীরা জীবনের বিনিময়ে ইসলামকে ভালোবেসেছেন। নবীপ্রেমের এর চেয়ে বড় উদাহরণ আর কী হতে পারে?

​আপনি কি আবু বকর (রা.)-এর মতো নবীজিকে ভালোবাসেন? ভালো লাগলে 'আল্লাহু আকবার' লিখে শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কারো ঈমান জাগিয়ে তুলবে।

Nur Islam

25/05/2026

ভালোবাসা লুকিয়ে রাখতে নেই😊।

25/05/2026

ইয়া রব🤲

একদিন হঠাৎ স্ত্রী স্বামীকে বললেন,“মোবাইলটা দাও তো!”বেচারা স্বামী এমন কাঁপতে কাঁপতে মোবাইল দিল, যেন আদালতে শেষ সাক্ষ্য দি...
25/05/2026

একদিন হঠাৎ স্ত্রী স্বামীকে বললেন,
“মোবাইলটা দাও তো!”

বেচারা স্বামী এমন কাঁপতে কাঁপতে মোবাইল দিল, যেন আদালতে শেষ সাক্ষ্য দিতে এসেছে!

স্ত্রী শুরু করলেন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত। কললিস্ট, মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ, গ্যালারি… এমনকি মনে হলো একটু পর ক্যালকুলেটরও চেক করবেন!

সব খুঁজেও যখন কিছুই সন্দেহজনক পেলেন না, তখন নম্বরগুলো দেখতে লাগলেন।

হঠাৎ চোখে পড়ল নতুন একটা নাম,“আখতার”।

স্ত্রীর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সাথে সাথে সক্রিয়! তিনি চোখ ছোট করে বললেন,“এই আখতার কে?”

স্বামী তো ঘামতে শুরু করল! কাঁপা গলায় বলল,“ও… ওটা মামা আখতারের নম্বর!”

স্ত্রী সন্দেহভরা কণ্ঠে বললেন,“আগে তো এই নম্বর ছিল না?”

স্বামী বলল,
“মামা নতুন মোবাইল নিয়েছেন, তাই এখন সেভ করেছি…”

কিন্তু স্ত্রী কি আর এত সহজে বিশ্বাস করেন! সাথে সাথেই নম্বরে কল দিলেন।

ফোন রিসিভ হতেই ওপাশ থেকে এক মহিলার কণ্ঠ,“হ্যালো!!”

স্ত্রীও গম্ভীর গলায়,“হ্যালো!!”

এরপর ফোন কেটে দিলেন।

তারপর যা হওয়ার তাই হলো! 😶

হাতে যা পেলেন—বেলন, খুন্তি, বালিশ, চেয়ার, বাসন… সবকিছুই স্বামীর উপর “ভালোবাসা” হিসেবে বর্ষণ করলেন!

অবশেষে আহত স্বামী হাসপাতালে পৌঁছাল।

গিয়ে দেখে, মামা আখতারও ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় শুয়ে আছেন! 😳

স্বামী অবাক হয়ে বলল, “মামা! আপনার আবার কী হলো?”

মামা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “তোমার ফোন থেকে এক মহিলা ‘হ্যালো’ বলল, তারপর ফোন কেটে দিল…”

“তারপর তোমার মামিও ঠিক তোমার বউয়ের মতোই ভালোবাসা দেখিয়েছে!”

কী বুঝলেন?

সন্দেহ সম্পর্ক নষ্ট করে, আর না বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া বিপদ ডেকে আনে। বিশ্বাস ও যাচাই—দুটোই জরুরি! 😊

Salman Farsi
---- উর্দূ থেকে অনূদিত

23/05/2026

ছোট বাচ্চাদের বদনজর থেকে রক্ষার দোয়া।

ধ র্ষ ণ কেন বাড়ছে?প্রতিদিন খবর খুললেই নতুন কোনো ঘটনা। কোথাও শিশু… কোথাও কিশোরী… কোথাও আবার নিজের পরিচিত মানুষই শিকার।মা...
22/05/2026

ধ র্ষ ণ কেন বাড়ছে?
প্রতিদিন খবর খুললেই নতুন কোনো ঘটনা। কোথাও শিশু… কোথাও কিশোরী… কোথাও আবার নিজের পরিচিত মানুষই শিকার।

মানুষ কয়েকদিন ক্ষোভ দেখায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে, তারপর সব আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। কিন্তু কখনো কি আমরা গভীরভাবে ভেবেছি—কেন এমন অপরাধ দিন দিন বাড়ছে?

এটা কি শুধু কিছু খারাপ মানুষের সমস্যা?
নাকি পুরো সমাজ ধীরে ধীরে এমন এক জায়গায় যাচ্ছে—
যেখানে মানুষের ভেতরের ভয়, লজ্জা আর বিবেক কমে যাচ্ছে?

এখন প্রশ্ন হল ধ র্ষ ণ কেন বাড়ছে?

১ অপরাধের সঠিক বিচার না হওয়া।
যখন কোনো অপরাধের পর মানুষ দেখে অপরাধী সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে, কিংবা বিচার পেতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে—তখন সমাজে এক ধরনের ভুল বার্তা তৈরি হয়। কিছু করলেও তেমন কিছু হয় না। এই চিন্তাটা ধীরে ধীরে ভয় কমিয়ে দেয়। আর ভয় কমে গেলে অপরাধ করার সাহস বেড়ে যায়। শুধু আইন থাকা যথেষ্ট না—আইনের সঠিক, দ্রুত এবং দৃশ্যমান প্রয়োগ দরকার।

২ আল্লাহভীতি কমে যাওয়া
যখন মানুষের হৃদয় থেকে আল্লাহর ভয় কমে যায়, তখন সে মনে করে আমি যা খুশি করতে পারি। মানুষের চোখকে হয়তো ফাঁকি দেওয়া যায়, কিন্তু আল্লাহ সব দেখেন, এই অনুভূতিটাই যখন হারিয়ে যায়, তখন গুনাহ সহজ হয়ে যায়।

৩ অশ্লীলতার সহজলভ্যতা
আজ মোবাইলের একটি ক্লিকেই মানুষ এমন সব জিনিস দেখছে যা তার চিন্তা, দৃষ্টি ও মনকে নষ্ট করে দিচ্ছে।
অশ্লীল কনটেন্ট ধীরে ধীরে মানুষের অনুভূতিকে অসুস্থ করে তোলে। একসময় হারাম জিনিসও স্বাভাবিক মনে হতে শুরু করে।

৪ পরিবার ও শিক্ষার দুর্বলতা
শুধু স্কুল-কলেজের শিক্ষা যথেষ্ট না। মানুষকে ছোটবেলা থেকে সম্মান, লজ্জা, চরিত্র—এসবও শেখাতে হয়। যখন পরিবারে নৈতিক শিক্ষা কমে যায়, তখন সমাজেও তার প্রভাব পড়ে।

৫ নারীদের মানুষ হিসেবে না দেখে ভো/গের বস্তু ভাবা
এটা একটি বড় সামাজিক অসুস্থতা। যখন মানুষ অন্যকে সম্মান না করে শুধু নিজের কামনা পূরণের মাধ্যম হিসেবে দেখে—তখন এমন ভয়ংকর অপরাধ জন্ম নেয়।

ধ র্ষ ণ শুধু একটি অপরাধ না, এটা একটি মানুষের জীবন, মানসিকতা ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়। অনেক ভুক্তভোগী সারাজীবন সেই ট্র'মা নিয়ে বেঁচে থাকে। তাই এই বিষয়টিকে কখনো হালকা করে দেখা উচিত না।

সমাজ পরিবর্তন শুধু আইনের মাধ্যমে হবে না—মানুষের হৃদয়ও পরিবর্তন হতে হবে। পরিবারকে সচেতন হতে হবে, সন্তানদের চরিত্র শেখাতে হবে, অশ্লীলতাকে স্বাভাবিক” ভাবা বন্ধ করতে হবে, এবং আল্লাহভীতি ফিরিয়ে আনতে হবে।কারণ—যে সমাজে বিবেক মরে যায়,সেখানে অপরাধ বেড়ে যায়।

আজ আমরা শুধু খবর দেখছি, পোস্ট দিচ্ছি, ক্ষোভ প্রকাশ করছি, কিন্তু বাস্তবতা বদলাচ্ছে না। কারণ সত্যটা খুব পরিষ্কার— যেখানে অপরাধের দ্রুত ও ন্যায্য বিচার হয় না, সেখানে অপরাধের ভয়ও কমে যায়। তাই প্রশ্নটা শুধু কেন এসব বাড়ছে? না, প্রশ্নটা হলো আমরা কতটা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করছি?

যেখানে দিনের পর দিন এসব হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্র কিছুই করতে পারেনা। রাষ্ট্র বারবার ব্যর্থ হয়, সেখানে এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। যেখানে (ধ র্ষি তা র) লা'শ দাফন করার আগে (ধ র্ষ ণ কারী) বিচার হওয়ার কথা, সেখানে (ধ র্ষি তা) শাস্তি ভো'গ করে আর (ধ র্ষ ণ) কারী জামাই আদরে বেঁচে থাকে

Nur Islam

22/05/2026

হাজার ছেলে / মেয়ের ইনবক্সে উঁকি দেওয়া কেউ আমার জীবনসঙ্গী না হোক!

ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো।-আসসালামু আলাইকুম...
21/05/2026

ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো।

-আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
-শায়খ! আমি অনেক বড় গুনাহ করে ফেলেছি। আল্লাহ তা'আলা কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
-কেনো ক্ষমা করবেন না, অবশ্যই ক্ষমা করবেন। নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল অতি দয়ালু।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু(যুমারঃ ৫৩)।

- কিন্তু আমার গুনাহটা অনেক বড় আর গুরুতর। আল্লাহ কিছুতেই আমাকে ক্ষমা করবেন না।

- না বোন! আপনি এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
(নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া আর (সব) পাপ তিনি যাক ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে সে ঘোরতর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (নিসাঃ১১৬)

-আমি সাত-সাতবার হজ করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও কা'বাঘর নিজ চোখে দেখতে পাইনি।

শায়খঃ ইয়াল্লাহ! ইয়া রাব!

মহিলাঃ আমি হেরেমে প্রবেশ করার পর তাওয়াফ কারীদেরকে দেখি, কিন্তু কা'বাঘর দেখতে পাই না। এমনকি একজন আমার হাত ধরে কা'বা শরী ছুঁইয়েও দেখিয়েছি। আমি হাত দিয়ে কা'বা ধরতে পেরেছি। কিন্তু কা'বা আমার সামনে দৃশ্যমান হয়নি।

শায়খঃ তাহলে তো দেখা যাচ্ছে আপনার পাপটা সত্যিই গুরুতর। বলুনতো কি এমন পাপ করেছেন? নিশ্চিত হয়ে বলুন, যাতে আমার বুঝতে সুবিধা হয়।

মহিলাঃ আমি অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পরও অনেকবার হয়েছে। আমি ঠিক বলতে পারছি না, কোন পাপের কারনে আমার এই অবস্থা হয়েছে।

শায়খঃ অসম্ভব! এটা ছাড়াও অন্য কোনো পাপ আছে। শুধু অশ্লীলতার জন্য এমনটা ঘটতে পারে না। আপনি ভেঙে বলুন। আপনি কী করেছেন?

মহিলাঃ সত্যি কথা বলতে কি, আমি একজন নার্স। আমার গোপনে সম্পর্ক ছিলো একদল ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোজাদু) চর্চাকারীদের সাথে। তারা নানাভাবে জাদুচর্চা করতো। তারা শবসাধনা করতো।

জাদুকরের শিখিয়ে দেয়া নিয়মানুযায়ী, হাসপাতালের হিমাগারে চুরি করে প্রবেশ করতাম। শবগুলো মুখে 'বিশেষ কাজ" করে মুখগুলো সেলাই করে দিতাম। শবগুলোকে এই অবস্থাতেই দাফন করা হতো। এই ন্যাক্কারজনক কাজ অসংখ্যবার করেছি।

শায়খঃ এমন কাজ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাদুবিদ্যা তো শিরক।
নিশ্চয়ই শিরক বড় পাপ (লুকমানঃ১৩)

দুই সপ্তাহ পরে, ইক্বরা অনুষ্ঠানে একটা ফোন আসলো।

-আসসালামু আলাইকুম
- ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
- হ্যালো শায়খ! দু' সপ্তাহ আগে একজন মহিলা ফোন করেছিলেন, আমি তার সন্তান।

শায়খঃ জি, বাবা! চিনতে পেরেছি। বলো কি খবর।

ছেলেঃ শায়খ! আমার আম্মু ইন্তিকাল করেছেন। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। কিন্তু দাফনের সময় এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা কেউ ধারণাও করতে পারি নি এমনটা কখনো ঘটতে পারে।

শায়খঃ কী ঘটনা?

ছেলেঃ জানাযার পর আমরা কবরস্থানে গেলাম। লাশ কবরে নামাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধলো। আমরা কবরে নামলেই কবরটা সংকুচিত হয়ে আসে। লাশ বের করলে কবরটা আবার ঠিক হয়ে যায়। আবার লাশ নামালে কবরটা সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকি আমাদের পক্ষে ভেতরে দাঁড়ানোও অসম্ভবত হয়ে দাড়িয়েছিলো। এ ঘটনা দেখে, সাথে যারা ছিলো ভয়ে পারলিয়ে গেলো। তারা বললো, তোমার মা হয়তো এমন কোনও কাজ করেছে যে, কবর তাকে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। আমি বসে বসে কাঁদতে লাগলাম। এমন সময় দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক আসলে। তার পোশাক ছিলো অত্যন্ত উজ্জ্বল আর শুভ্র। দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন একজন মানুষ। তাকে দেখেই আমার মনে হলো, আমার আমনে এজন ফিরিশতা দাঁড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে তার সাথে কথা বলে বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হলো। তিনি বললেন,

তোমার আম্মুকে যেভাবে আছে রেখে চলে যাও। পেছনে ফিরে তাকাবে না। আমি কোনও কথা না বলে চলে আসলাম। কিছুদূর আসার পর আমি আর কৌতূহল দমন করতে পারলাম না। আমার মায়ের কী হলো সেটা না দেখে বাড়ি যেতে মন টানছিলো না। পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আকাশ থেকে প্রকাণ্ড এক অগ্নিগোলক ছুটে আসলো। চোখের নিমিষেই আম্মার লাশটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো। খাটিয়াসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেলো।

আগুনের উত্তাপ এত প্রবল ছিল যে, এতদূর থেকেও আমার মুখটা ঝলসে গেল। শুধু দুচোখ অক্ষত রইলো।

আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম, আমার চেহারা কেনো ঝলসে গেলো? আল্লাহ কি আমার প্রতি নারাজ?

শায়খঃ প্রিয় বৎস! সম্ভবত আল্লাহ তা'আল মায়ের পাপ থেকে তোমাকে পবিত্র করতে চেয়েছেন। তুমি তো তোমার মায়ের হারাম উপার্জনেই বড় হয়েছো। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর কাছেই ক্ষমা চাও। আল্লাহ আ'আলা তোমার জন্য যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো।

[যারা যাদুকর/কবিরাজ/কুফরী হুজুরদের কাছে যান তারা নিজেদের পরিনতি সম্পর্কে সচেতন হোন। তওবা করে ফিরে আসুন। মৃত্যু অতি সন্নিকটে।]
Atik Ullah হাফিযাহুল্লাহ।

Miraculous Quran

আজ তার বিয়ে! আলহামদুলিল্লাহ!এক বছর আগে আমার বাসা থেকে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল! কিন্তু রাজি হয়নি! তখন অনেক আফসোস ...
14/05/2026

আজ তার বিয়ে! আলহামদুলিল্লাহ!
এক বছর আগে আমার বাসা থেকে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল! কিন্তু রাজি হয়নি! তখন অনেক আফসোস হয়েছিল! পছন্দের মানুষ কে হয়তো পাওয়া হবে না আর!

আজকে তার বিয়ে কিন্তু সামান্য আফসোস ও হচ্ছে না! কারণ তার বাসায় গান-বাজনা, নাচানাচি, পর পুরুষ এসে হলুদ দিয়ে তাকে স্পর্শ করা সহ যত বাজে পন্থা সমাজে হয় সেই সবই হয়েছে! আ*স্তাগফিরুল্লাহ!

যখন থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে হেদায়েত দিয়েছেন তখন থেকেই নিয়ত ছিল সমাজের রীতি নয়; রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুন্নাহ মোতাবেক বিবাহ করবো! তাই আজ আর আফসোস নেই!

আমার রব তাকে না পাওয়ার মধ্যেই কল্যাণ রেখেছেন! আলহামদুলিল্লাহ! আর আমার রব কখনোই অকল্যাণকর ফায়সালা করেন না! কখনো না! ওয়াল্লাহি, কখনোই না!

— লেখাঃ সংগৃহীত।

কিছু মানুষকে দেখবেন এদের কোনো ফ্রেন্ড সার্কেল থাকেনা, পরিচিতি থাকেনা। বাসার মানুষজনের কাছেও এরা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঘর...
11/05/2026

কিছু মানুষকে দেখবেন এদের কোনো ফ্রেন্ড সার্কেল থাকেনা, পরিচিতি থাকেনা। বাসার মানুষজনের কাছেও এরা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঘরে আছে নাকি নেই সেইটাও টের পাওয়া যায় না। বাপ-মায়ের কোনো হম্বিতম্বি কিংবা গালগল্প নেই এদের নিয়ে।

এদের পারসোনাল লাইফ, একাডেমিক লাইফ, প্রফেশনাল লাইফ সবই কেমন টিপটিপ করে চলে। কখনো কোনো বিরাট কিছু এচিভ করলে শুভেচ্ছা জানানোর কেউ থাকেনা। আবার জীবনে খুব খারাপ কিছু ঘটে গেলে দুঃখ প্রকাশ করারও কেউ থাকেনা। নিজের এচিভমেন্টে এরা নিজেরাই খুশি হয়, দুঃসংবাদে নিজে নিজেই দুঃখ পায়।

এদের জীবন নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। সৃষ্টিকর্তার প্রতি এরা এতোটাই অবনত যেন এদের জীবনে কিচ্ছুটির অভাব নেই। যা পায়, যতটুকু পায় তাতেই খুশি।

অনেক ভীড়ের মধ্যে এমন মানুষগুলো সহজে চোখে পড়েনা, কথার জাদুতে অন্যকে মুগ্ধও করতে পারেনা।এদের সামনে অন্য কেউ কথা বললে এরা তাল মিলিয়ে হাসে, কেউ কাঁদলে মুখে দুঃখ ফুটিয়ে তোলে। বাড়তি কথা বলেনা, কারোর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করেনা।

আপনার আশেপাশে এমন কেউ থাকলে তাকে হারিয়ে যেতে দিয়েন না, নিজের সাথে সাথে রাখুন। কারণ খুব পিওর একটা মন নিয়ে দুনিয়ায় না থাকার মতোন বেঁচে থাকে এইরকম মানুষগুলো। এরা একেকটা হাসনাহেনার ফুল🤍
~ইসরাত জাহান আশরাফি

Address

Sylhet

Opening Hours

Monday 09:00 - 12:00
Tuesday 09:00 - 12:00
Wednesday 09:00 - 12:00
Thursday 09:00 - 12:00
Friday 09:00 - 12:00
Saturday 09:00 - 12:00
Sunday 09:00 - 12:00

Telephone

+8801866506062

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সর্বহারা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সর্বহারা:

Share