Borogaon ECA Management MCS Ltd.

Borogaon ECA Management MCS Ltd. একটি পরিবেশবাদী সংগঠন

ঈদ মোবারক। সবাইকে পবিত্র-উল - আজহার শুভেচ্ছা।
02/09/2017

ঈদ মোবারক।
সবাইকে পবিত্র-উল - আজহার শুভেচ্ছা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ শাহাদাতবরণকারী সবার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
15/08/2017

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ শাহাদাতবরণকারী সবার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

Our Executive Committee 2016-2018
17/07/2017

Our Executive Committee 2016-2018

পবিত্র ঈদ উল ফিতরে সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
26/06/2017

পবিত্র ঈদ উল ফিতরে সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

Connect with nature...
05/06/2017

Connect with nature...

শুভ নববর্ষ ১৪২৪
14/04/2017

শুভ নববর্ষ ১৪২৪

Poor farmers are in hazardous condition,due to unexpected heavy rainfall, Hakaluki Haor is now flooded. Early flash floo...
03/04/2017

Poor farmers are in hazardous condition,due to unexpected heavy rainfall, Hakaluki Haor is now flooded. Early flash flood has destroyed almost 95% crops of whole haor area and rest 5% crops are under risk.
Bangladesh Meteorological Department has recorded a large amount of rainfall for last few days. In Sylhet region From 1st-20th March total rainfall was only 40 mm,but last few days rainfall was on 28th March 5 mm, 29th March 28 mm, 30th March 185 mm, 31st Mach 58 mm, 1st April 122 mm, 2nd April 124 mm.
Farmers who have used irrigation water from the Halgata dam and fulchera spring (Project of Borogaon ECA Management MCS Ltd) ,thay said that 100% of there crops have destroyed by flood.
If flood condition will be improved within 5-7 days but there are no chance to recover any single viga of destroyed crops.
Weather forecast says there are chance of heavy rainfall till Wednesday, 5th April.it is direct impact of climate change.
Government and NGOs should thake initiative immediately for rehabilitation of poor farmer.

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর ...
18/03/2017

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। ভুট্টা নিয়ে ৫ পর্বের ধারাবাহিক পোষ্টের আজ থাকছে পঞ্চম ও শেষ পর্ব।আজ থাকছে ভুট্টার মজাদার তিনটি রেসিপি।

১। ===ক্রিমি কর্ন===
শুধু পপকর্ণ কেন? ভুট্টাকে অন্যভাবে খেলে কেমন হয়? আজকের রেসিপিতে পাবেন ভিন্ন স্বাদের চিরচেনা ভুট্টার নতুন রুপ। চলুন জানা যাক কিভাবে ঘরেই তৈরী করবেন “ক্রিমি কর্ণ”।
ঝটপট তৈরী হবে, যা দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন হবে দারুণ।
উপকরণ
ভুট্টা -আড়াই কাপ
চিনি-১ টেবিল চামচ
ময়দা-১ টেবিল চামচ
বাটার- ৩ টেবিল চামচ
হেভী হুইপ ক্রিম – ১ কাপ
লবণ-স্বাদ অনুযায়ী
গোলমরিচ গুড়া -পরিমাণ মতো
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে ভুট্টাকে আঁটি থেকে আলাদা করে নিতে হবে। এই কাজটি চিলানী বা সরু ছুরি দিয়ে করতে হবে। ভুট্টাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আঁটি থেকে ছেচে ছেচে ভিতরের রসটাও বের করে নিতে হবে।
একটি পাত্রে ভুট্টা নিয়ে তার সাথে বাকী উপাদান পরিমাণ মত( চিনি,ময়দা,বাটার) ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
চুলায় ফ্রাই প্যানে মাঝারি আঁচে সেই মিশ্রণটি কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে নিতে হবে। এরপর তাতে ক্রিম ঢেলে দিয়ে আরো ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। যে যার পছন্দ অনুযায়ী গ্রেভী করতে চাইলে আরো কিছুক্ষণ রাখা যেতে পারে।
তারপর নিজস্ব স্বাদ অনুযায়ী লবণ ও গোলমরিচ ছিটিয়ে দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। হয়ে গেল মজাদার ক্রিমি কর্ণ।
নিজের মত করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

২।===নাচোস===

দেখতে যেমন লোভনীয়, খেতেও দারুণ, বলছি নাচোসের কথা।
দেখতে যেমন লোভনীয়, খেতেও দারুণ। বলছি নাচোসের কথা। সুদূর মেক্সিকোর মুখরোচক জনপ্রিয় খাবারটি এরই মধ্যে তরূণদের মাঝে বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছে। তাইতো যে আড্ডাগুলোর প্রাণ ছিলো সিঙ্গারা-সমোচা, এরপরে চটপটি-ফুচকা, এখন সেখানে দেখা যায় নাচোসের রাজত্ব।
মুচমুচে চিপসের সঙ্গে ক্রিমি ও চিজি চিকেন কিংবা ফ্রেশ টমেটো সালসা তৈরি হয় ভিন্ন স্বাদের নাচোস।
আজ আপনাদের জন্য মুচমুচে নাচোসের রেসিপি:
চিপসের উপকরণ: প্রথমেই চিপস তৈরি করে নিন। ভুট্টার আটা ২ কাপ, ময়দা আধা কাপ, পনির গ্রেট-২০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, মাখন ২৫ গ্রাম, কুসুম গরম পানি পরিমাণমতো।
প্রণালী: ভুট্টার আটা, ময়দা, পনির, কাঁচা মরিচ কুচি, লবণ ও মাখন একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে ভালো করে মেখে আধাঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এবার পাতলা রুটি বেলে তিন কোনা করে কেটে ডুবোতেলে অল্প আঁচে হালকা বাদামি রং করে ভেজে তুলুন।
মাংস: মুরগির কিমা ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, আদা কুচি ১ চা-চামচ, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, ওয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, মাখন ৫০ গ্রাম, টমেটো সালসা আধা কাপ, পনির ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ গোল করে কাটা আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ।
প্রণালী: মুরগির কিমা, সয়াসস, ওয়েস্টার সস দিয়ে মেখে ২০মিনিট রাখুন। এবার ফ্রাই প্যানে মাখন গরম করে আদা-রসুন ভেজে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে মাখানো কিমা দিয়ে কষিয়ে নিন। টমেটো সস দিয়ে কিছুক্ষণ পরে লেবুর রস ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামাতে হবে।
টমেটো সালসা: লাল ও সবুজ মরিচ পছন্দমতো, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, রসুন কুচি পোয়া কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লেবুর রস ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, অলিভ ওয়েল ২ টেবিল চামচ, টমেটো কুচি আধা কাপ। সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ফ্রিজে রাখুন।
কিমা রেখে ওপরে টমেটো সালসা, পনির, ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে সাজিয়ে প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৫-২০ মিনিট রাখুন।
সবশেষে কর্নচিপস, চিকেন, সালসা সঙ্গে গলানো ক্রিমি চিজ, পছন্দমতো ক্রিম, মেয়োনেজ দিয়ে পছন্দের পাত্রে লেয়ার করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

৩।===ভুট্টার পোলাও ===

ভুট্টার পোলাও রেসিপি
ভুট্টার পোলাও রেসিপি-
মজাদার ভুট্টার পোলাও
প্রয়োজনীয় উপকরন:
১টেবিল চামচ তেল,
১ চাচামচ জিরা,
১/২ বে লিফ,
গোল করে কাটা মাঝারি আকারের পেঁয়াচ ১টি,
লবঙ্গ ২টি,
রসুন কিমা সামান্য,
১কাপ বাসমতি চাল,
১কাপ টিনজাত ভুট্টা,
লবণ প্রয়োজনমত।
প্রণালী : প্রথমে একটি সসপ্যানে তেল গরম করে জিরা দিন।৩০সেকেন্ডের মত ভেজে সুঘ্রাণ বের হলে বে লিফ দিয়ে নাড়ুন।পেঁয়াচ স্লাইচ দিন।বাদামী হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।রসুন কিমা দিন।৩০ সেকেন্ডের মত বা সুঘ্রান বের না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।চাল দিয়ে ১ মিনিটের মত নাড়তে থাকুন।এরপর ভুট্টা, লবণ ও ২.৫ কাপ পানি দিন।পানি ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে ঢেকে দিন।১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।মজাদার ঝরঝরে মিষ্টি ভুট্টার পোলাও রেডি।
ডাল ও সবজির সাথে পরিবেশন করুন।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ভাল লাগলে পোস্ট টি শেয়ার করুন।

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর ...
17/03/2017

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। ভুট্টা নিয়ে ৫ পর্বের ধারাবাহিক পোষ্টের আজ থাকছে ভুট্টার রেসিপি নিয়ে চতুর্থ পর্ব।
*****ভুট্টার রেসিপি*****

=== সারসো দা সাগ তে মাক্কি দি রোটি
(সর্ষে শাক ও মকাই-এর রুটি)===

উপকরণঃ
সর্ষে শাকের জন্যঃ
হলুদ শীষ বেরনো সর্ষে শাক – ২৫০ গ্রাম
পালং শাক – ২৫০ গ্রাম
মেথি শাক – ১৫০ গ্রাম
মিহি করে কুঁচনো ধনে পাতা – এক আঁটি
মিহি করে কুঁচনো পেঁয়াজ – ২০০ গ্রাম
মিহি করে কুঁচনো আদা – ৫০ গ্রাম
মিহি করে কুঁচনো রসুন – ৫০ গ্রাম
মিহি করে কুঁচনো কাঁচা লংকা – স্বাদ মতো
বাড়িতে তৈরী টমেটো পিউরি – ১০০ গ্রাম
গরম মসলা গুঁড়ো – ১ টেবিল চামচ
কসুরি মেথি – ১ টেবিল চামচ
ঘি – ২০০ গ্রাম
লবণ – স্বাদ মতো
সাজানোর জন্য সাদা মাখন বা ফ্রেশ ক্রিম – ৫০ গ্রাম
মকাই-এর রুটির জন্যঃ
ভুট্টার আটা – ৩০০ গ্রাম
গমের আটা – ১০০ গ্রাম
জোয়ান – ২৫ গ্রাম
ঘি বা সাদা তেল – ২৫০ গ্রাম
লবণ – স্বাদ মতো
প্রণালী :
সর্ষে শাক :
প্রথমে সর্ষে শাক, পালং শাক ও মেথি শাক এক চিমটি লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে জল নিংড়ে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এরপর গরম ঘিয়ে পেঁয়াজ, আদা, রসুন লাল করে ভেজে স্বাদ মতো লবণ, টমেটো পিউরি, গরম মশলা গুঁড়ো, কাঁচা লংকা কুঁচি দিয়ে ভালো করে কষতে হবে যতক্ষণ না সুগন্ধ বার হয়। এবার শাকের পেস্ট মিশিয়ে কম আঁচে রান্না করতে হবে। শাকের জল শুকিয়ে গিয়ে কড়ার গায়ে ঘি বেরিয়ে এলে ধনেপাতা কুঁচি ও কসুরি মেথি মিশিয়ে আরো একটু রান্না করে নিলেই তৈরী “সারসো দা সাগ”।
মকাই এর রুটি :
ভুট্টার আটা আর গমের আটা একসঙ্গে মিশিয়ে চালুনিতে চেলে নিতে হবে। তাতে জোয়ান, স্বাদ মতো লবণ, অনেকটা সাদা তেল বা ঘি ময়ান দিয়ে ভাল করে মেখে নিয়ে রুটির আকারে বেলে সাদা তেল বা ঘিয়ে ভেজে নিলেই তৈরী “মাক্কি দি রোটি”।।
সর্ষে শাকের ওপর সাদা মাখন অথবা ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে সদ্য ভাজা মকাই-এর রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম । ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মকাই-এর রুটি খাওয়া যায় না।
টিপস্ - সর্ষে শাক পুরো রান্নাটাই একটা ভারী পাত্রে, নরম আঁচে, চাপা দিয়ে করতে হবে। রান্না করতে করতে চাপা খুলে বার বার নাড়াতে হবে, নয়তো পাত্রের নীচের দিক থেকে শাক পুড়ে যেতে পারে।

(আগামীকাল প্রকাশিত হবে ভুট্টার রেসিপি নিয়ে পঞ্চম ও শেষ পর্ব)

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর ...
16/03/2017

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। ভুট্টা নিয়ে ৫ পর্বের ধারাবাহিক পোষ্টের আজ থাকছে ভুট্টার রেসিপি নিয়ে তৃতীয় পর্ব।
*****ভুট্টার রেসিপি*****

=== টরটিলা===

ভুট্টার আটা-২৫০ গ্রাম
হালকা গরম পানি-২ কাপ
ময়দা-৫০ গ্রাম
লবণ-পরিমাণমতো
১। আটা, ময়দা, লবণ একসাথে মিশাও। পানি ২-৩ বারে দিয়ে খামির কর। আটার তাল বাঁধলে আর পানি দিবে না। খামির ভালভাবে মথে নাও।
২। খামির ১৫ ভাগ কর। প্রত্যেক ভাগ দিয়ে ১৫ সি.মি. ব্যাসের রুটি বেল। গরম তাওয়ায় সেকে নাও।

(আগামীকাল প্রকাশিত হবে ভুট্টার রেসিপি নিয়ে চতুর্থ পর্ব আর পরবর্তী পর্বে থাকবে ভুট্টার আরও রেসিপি)

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর ...
15/03/2017

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। ভুট্টা নিয়ে ৫ পর্বের ধারাবাহিক পোষ্টের আজ থাকছে দ্বিতীয় পর্ব।

*****ভুট্টার পুষ্টিগুণ*****
পুষ্টি মূল্যঃ ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী। এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। আমিষে প্রয়োজনীয় এ্যামিনো এসিড, ট্রিপটোফ্যান ও লাইসিন অধিক পরিমানে আছে। এছাড়া হলদে রংয়ের ভুট্টা দানায় প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ মিলিগ্রাম ক্যারোটিন বা ভিটামিন "এ" থাকে।
ভেষজ গুনঃ
ব্যবহারঃ ভুট্টার দানা মানুষের খাদ্য হিসেবে এবং ভুট্টার গাছ ও সবুজ পাতা উন্নত মানের গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্য হিসেবেও এর যথেষ্ট গুরূত্ব রয়েছ। শুধু পশু, মুরগির খামার ও মাছের চাহিদা মিটানোর জন্যই বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার টন ভুট্টা দানা প্রয়োজন। বাংলাদেশে ভুট্টার জমি দ্রুত বাড়ছে।

ভুট্টা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত বলবর্ধনকারী খাদ্য। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় ও রক্তে কোলেস্টোরেল মাত্রা সঠিক রাখার ক্ষেত্রে এর প্রভাব উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া ভুট্টার দানায় ৭-১২ ভাগ তেল থাকে। এ তেল গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলা এবং চর্ম, যকৃৎ ও হৃদরোগীর জন্য উপকারী। ভুট্টার চিঁড়া বা কর্নফ্লেক্স পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বহুল প্রচলিত শিল্পজাতদ্রব্য। নাস্তার জন্য দুধ ও চিনি মিশয়ে খেলে এটি খুবই উপাদেয়। আজকাল হরলিকস, মালটোভা, বুস্ট এবং এ ধরনের আরো অনেক বলবর্ধনকারী খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করতে ভুট্টার ব্যবহার উল্লেখ করার মতো। এখন দেখা যাক, আহারোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে পুষ্টিমান বিচারে কেন গম ও চালের তুলনায় ভুট্টা বেশি বলবর্ধনকারী?
খাদ্য উপাদান ভুট্টা-গম- চাল
১) প্রোটিন (গ্রাম) ১২.৪- ১২.৩- ৮.৫
২) ফ্যাট (গ্রাম) ৫.৭- ২.২- ২.৬
৩) কার্বোহাইট্রেড
(গ্রাম) ৭৪.০- ৮১.১- ৭৪.৮
৪) আঁশ বা
ফাইবার (গ্রাম) ২.৩- ১.২- ০.

৫) লৌহ (মিলিগ্রাম) ৪- ৫ -৩
৬) শক্তি
(কিলোক্যালরি) ৪৬১- ৪৩৬- ৪৪৭

(আগামীকাল প্রকাশিত হবে ভুট্টার রেসিপি নিয়ে তৃতীয় পর্ব আর পরবর্তী পর্বে থাকবে ভুট্টার আরও রেসিপি)

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর ...
14/03/2017

Crops Diversification কার্যক্রম এর আওতায় বড়গাঁও ইসিএ ম্যানেজমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ ভুট্টা চাষের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। ভুট্টা নিয়ে ৫ পর্বের ধারাবাহিক পোষ্টের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।
*****ভুট্টার জাত ও চাষাবাদ পদ্ধতি *****
উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ বেলে দোআশ ও দোআশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন জমিতে পানি জমে না থাকে।
জাত পরিচিতিঃ ভুট্টার জাত সংগ্রহ ও বাছাই করনের মাধ্যমে বিএআরআই আজ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিটাতে বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগী ভুট্টা জাতের চাষের সম্ভবনা খুবই উজ্জ্বল।
ভুট্টার জাতঃ
বর্ণালীঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বর্ণালী জাতটি ১৯৮৬ সালে অনুমোদিত হয়। স্থানীয় জাতসমূহের চেয়ে বর্ণালী জাতের গাছের উচ্চতা বেশী। এ জাতের মোচা আকারে বেশ বড় এবং আগার দিক কিছুটা সরু। মোচার অগ্রভাগ পযন- শক্তভাবে খোসাদ্বারা আবৃত থাকে। বর্ণালীর দানা সোনালী হলদে রংয়ের এবং দানা আকারে বেশ বড়। হাজার দানার ওজন ২৪৫-৩২০ গ্রাম। এ জাতটি রবি মৌসুমে ১৪০-১৪৫ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১০০ দিনে পাকে। ফলন প্রতি হেক্টরে রবি মৌসুমে ৫.৫-৬.০ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৪.০-৪.৫ টন হয়। বর্ণালী জাতে বেশী পরিমানে ক্যারোটিন আছে বলে এর দানা হাঁস-মুরগির খাদ্য তৈরির একটি উত্তম উপকরণ।
শুভ্রাঃ শুভ্রা নামে ভুট্টার উচ্চ ফলনশীল এ জাতটি ১৯৮৬ সালে অনুমোদন করা হয়। স্থানীয় জাতের চেয়ে শুভ্রা জাতের গাছের উচ্চতা বেশী। শুভ্রার দানা আকারে বড় এবং সম্পূর্ণ মোচা দানায় ভর্তি থাকে। হাজার দানার ওজন ৩১০-৩৩০ গ্রাম। এ জাতটির গাছের উপরের অংশের পাতা নিচের অংশের পাতার চেয়ে আকারে ছোট এবং অপেক্ষাকৃত সরু। জাতটি রবি মৌসুমে ১৩৫-১৪৫ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১০৫ দিনে পাকে। পরিপক্ক অবস্থায় মোচা সংগ্রহ করলে প্রতি হেক্টরে ৫০-৫৩ হাজার মোচা পাওয়া যায়। ফলন প্রতি হেক্টরে রবি মৌসুমে ৪.০-৫.৫ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৩.৫-৪.৫ টন হয়। দানার রং সাদা বলে গমের আটার সাথে মিশিয়ে রুটি তৈরি করা যায়।
খইভুট্টাঃ খইভুট্টা জাত খই এর জন্য ১৯৮৬ সালে জাত হিসেবে অনুমোদন লাভ করে। গাছ মাঝারি উচ্চতা সম্পন্ন, মোচার উপরের পাতা অপেক্ষাকৃত সরু এবং দানা আকারে ছোট। হাজার দানার ওজন ১৪০-১৫০ গ্রাম। খইভুট্টা রবি মৌসুমে ১২৫-১৩০ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯০-১০০ দিনে পাকে। ফলন হেক্টরে রবি মৌসুমে ৩.৫-৪.০ টন এবং খরিফ মৌসুমে ২.৫-৩.৫ টন হয়। খইভুট্টার দানা থেকে শতকরা ৯০-৯৫ ভাগ খই পাওয়া যায়। খই আকারে বেশ বড় ও সুস্বাদু।
মোহরঃ ভুট্টার মোহর জাত ১৯৯০ সালে উচ্চ ফলনশীল জাত হিসেবে অনুমোদন লাভ করে। মোহর জাতের গাছ অন্যান্য জাতের গাছের চেয়ে বেশ উঁচু, ফলে খড়ের পরিমান বেশী হয়। এ জাতের মোচা পাকার পরেও পাতা বেশ সবুজ থাকে বলে পাতা উৎকৃষ্ট গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মোহর জাতের কান্ড শক্ত হওয়ায় বাতাসে সহজে হেলে পড়ে না। মোচা মোটা,লম্বা এবং সম্পূর্ণ মোচা দানায় পূর্ণ থাকে। দানা উজ্জ্বল হলুদ এবং আকারে বড়। হাজার দানার ওজন ১৮০-৩০০ গ্রাম। মোহর জাতটি দানা এবং গো-খাদ্য উভয় উদ্দেশ্যে চাষ করা যেতে পারে। জাতটি রবি মৌসুমে ১৩৫-১৪৫ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১০৫ দিনে পাকে। ফলন হেক্টরপ্রতি রবি মৌসুমে ৫.০-৫.৫ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৩.৫-৪.৫ টন হয়।
বারি ভুট্টা-৫: নাইজেরিয়া থেকে ১৯৮৮ সালে সংগৃহিত ১০ টি ইনব্রেড সারি থেকে ৫টি বাছায় করা হয়। পরবর্তীতে ১টি অগ্রবর্তী কম্পোজিটের সংগে সংকরায়ণের মাধ্যমে এ জাতটি উদ্ভাবিত হয় এবং ১৯৯৭ সালে অনুমোদন করা হয়। জাতটি বাংলাদেশে ভুট্টা চাষ উপযোগী এলাকায় চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত বলে প্রমানিত হয়েছে।
গাছ সহজে হেলে পড়ে না। জাতটির মোচা বেশ লম্বা ও মোটা এবং সম্পূর্ণভাবে খোসাদ্বারা আবৃত। এ জাতের দানার রং হলুদ এবং হাজার দানার ওজন ২৯০-৩১০ গ্রাম। এ জাতের জীবনকাল ১৩৫-১৫৫ দিন। হেক্টরপ্রতি ফলন রবি মৌসুমে ৬.০-৬.৫ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৩.৫-৪.০ টন হয়।
বারি ভুট্টা- ৬: সংগৃহিত কম্পোজিট জাতসমূহের মধ্য থেকে বাছই করে বারি ভুট্টা-৬ জাতটি উদ্ভাবন করা হয় এবং ১৯৯৮ সালে অনুমোদন করা হয়। রবি মৌসুমে এ জাতের জীবনকাল ১৪৫-১৫০ দিন এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১০৫ দিন। এ জাতের মোচা খোসাদ্বারা ভালভাবে আবৃত থাকে। মোচা মাঝারি আকারের।হাজার দানার ওজন ৩১৫-৩২৫ গ্রাম। হেক্টরপ্রতি ফলন রবি মৌসুমে ৬.৫-৭.০ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৫.০-৫.৫ টন পাওয়া যায়।
বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১ : থাইল্যান্ড হতে সংগৃহিত ইনব্রেড থেকে বাছাইয়ের মাধ্যমে বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১ জাতটি উদ্ভাবিত হয়। বর্তমানে জাতটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। জাতটি বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদনের উপযোগী। জীবনকাল রবি মৌসুমে ১৩৫-১৪৫ দিন ও খরিফ মৌসুমে ৯৫-১০৫ দিন। জাতটির দানা বেশ বড়, রং হলুদ। মোচার অগ্রভাগ ভরাট। এ জাতের গাছের উচ্চতা ১৯০-২১০ সেমি। হাজার দানার ওজন ৫৭০-৫৮০ গ্রাম। জাতটির ফলন হেক্টরপ্রতি ৮.০-৮.৫ টন।
বপনের সময়ঃ বাংলাদেশে রবি মৌসুমে মধ্য-আশ্বিন থেকে মধ্য অগ্রহায়ণ (অক্টোবর-নভেম্বর) এবং খরিফ মৌসুমে ফাল্গুন থেকে মধ্য-চৈত্র (মধ্য ফেব্রুয়ারী-মার্চ) পর্যন্ত সময় বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।
সার ব্যবস্থাপনাঃ ভুট্টা চাষে বিভিন্ন প্রকার সারের পরিমান নিচে দেওয়া হলোঃ
**পরিমান/হেক্টর/ কেজি**
সারের নাম/রবি মৌসুমে/খরিফ মৌসুমে
ইউরিয়া/ ১৭২-৩১২/ ২১৬-২৬
টিএসপি/ ১৬৮-২১৬/ ১৩২-২১
এমপি/ ৯৬-১৪৪/ ৭২-১২০
জিপসাম /১৪৪-১৬৮/ ৯৬-১৪৪
জিংকসালফেট/ ১০-১৫/ ৭-১২
বোরিকএসিড/ ৫-৭/ ৫-৭
গোবর /৪-৬টন/ ৪-৬টন
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ জমি তৈরীর শেষ পর্যায়ে অনুমোদিত ইউরিয়ার এক তৃতীয়াংশ এবং অন্যান্য সারের সবটুকু ছিটিয়ে জমি চাষ দিতে হবে। বাকি ইউরয়া সমান ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম কিস্তি বীজ গজানোর ২৫-৩০ দিন পর এবং দ্বিতীয় কিস্তি বীজ গজানোর ৪০-৫০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে। চারা গজানোর ৩০ দিনের মধ্যে জমি থেকে অতিরিক্ত চারা তুলে ফেলতে হবে। চারার বয়স এক মাস না হওয়া পর্যন্ত জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে।
সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনাঃ উচ্চ ফলনশীল জাতের ভুট্টার আশানুরূপ ফলন পেতে হলে রবি মৌসুমে সেচ প্রয়োগ অত্যাবশ্যক। উদ্ভাবিত জাতে নিম্নরূপ ৩-৪টি সেচ দেওয়া যায়।
প্রথম সেচ : বীজ বপনের ১৫-২০ দিনের মধ্যে (৪-৬ পাতা পর্যায়)
দ্বিতীয় সেচ : বীজ বপনের ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে (৮-১২ পাতা পর্যায়)
তৃতীয় সেচ : বীজ বপনের ৬০-৭০ দিনের মধ্যে (মোচা বের হওয়া পর্যায়)
চতুর্থ সেচ : বীজ বপনের ৮৫-৯৫ দিনের মধ্যে (দানা বাঁধার পূর্ব পর্যায়)
ভুট্টার ফুল ফোটা ও দানা বাঁধার সময় কোন ক্রমেই জমিতে যাতে জলবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জমিতে আগাছা দেখা দিলে নিড়ানী দিয়ে দমন করতে হবে।
পোকা মাকড় ব্যবস্থাপনাঃ ভুট্টার চারা অবস্থায় কাটুই পোকার আক্রমণ হলে হাত দিয়ে তা মেরে ফেলতে হবে।
রোগ ব্যবস্থাপনাঃ
ভুট্টার বীজ পচা এবং চারা গাছের রোগ দমনঃ বীজ পচা এবং চারা নষ্ট হওয়ার কারণে সাধারণত ক্ষেতে ভুট্টা গাছের সংখ্যা কমে যায়। নানা প্রকার বীজ ও মাটি বাহিত ছত্রাক যেমন পিথিয়াম, রাইজোকটনিয়া, ফিউজেরিয়াম, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি বীজ বপন, চারা ঝলসানো, রোগ ও শিকড় পচা রোগ ঘটিয়ে থাকে। জমিতে রসের পরিমান বেশী হলে এবং মাটির তাপমাত্রা কম থাকলে বপনকৃত বীজের চারা বড় হতে অনেক সময় লাগে। ফলে এ সময়ে ছত্রকের আক্রমনের মাত্রা বেড়ে যায়।
প্রতিকার
১. সুস্থ্য, সবল ও ক্ষতমুক্ত বীজ এবং ভুট্টার বীজ পচা রোগ প্রতিরোধী বর্ণালী ও মোহর জাত ব্যবহার করতে হবে।
২. উত্তমরূপে জমি তৈরী করে পরিমিত রস ও তাপমাত্রায় (১৩সে. এর বেশী) বপন করতে হবে।
৩. থিরাম বা ভিটাভেক্স (০.২৫%) প্রতি কেজি বীজে ২.৫-৩.০ গ্রাম হারে মিশিয়ে বীজ শোধন করলে ভুট্টার বীজ পচা রোগের আক্রমণ অনেক কমে যায়।
ভুট্টার পাতা ঝলসানো রোগ দমনঃ হেলমিনথোসপরিয়াম টারসিকাম ও হেলমিনথোসপরিয়াম মেইডিস নামক ছত্রাকদ্বয় এ রোগ সৃষ্টি করে। প্রথম ছত্রাকটি দ্বারা আমাদের দেশে ভুট্টার পাতা ঝলসানো রোগ বেশী হতে দেখা যায়। হেলমিনথোসপরিয়াম টারসকাম দ্বারা আক্রান্ত গাছের নিচের দিকের পাতায় লম্বাটে ধূসর বর্ণের দাগ দেখা যায়। পরবর্তীতে গাছের উপরের অংশে তা বিস্তার লাভ করে। রোগের প্রকোপ বেশী হলে পাতা আগাম শুকিয়ে যায় এবং গাছ মরে যায়। এ রোগের জীবানু গাছের আক্রান্ত অংশে অনেক দিন বেঁচে থাকে জীবাণুর বীজকণা বা কনিডিয়া বাতাসের সাহায্যে অনেক দূর পর্যন্ত সুস্থ্য গাছে ছড়াতে পারে। বাতাসের আদ্রতা বেশী হলে এবং ১৮-২৭ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় এ রোগের আক্রমণ বেড়ে যায়।
প্রতিকারঃ
১. রোগ প্রতিরোধী জাতের (মোহর) চাষ করতে হবে।
২. আক্রান্ত ফসলে টিল্ট ২৫০ ইসি (০.০৪%) ১৫ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
৩. ভুট্টা উঠানোর পর জমি থেকে আক্রান্ত গাছ সরিয়ে অথবা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
ভুট্টার মোচা ও দানা পচা রোগ দমনঃ মোচা ও দানা পচা রোগ ভুট্টার ফলন, বীজের গুনাগুন ও খাদ্যমান কমিয়ে দেয়। বিভিন্ন প্রকার ছত্রাক যথা ডিপ্লোডিয়া মেডিস, ফিউজেরিয়াম মনিলিফরমি প্রভৃতি এ রোগ ঘটায়। আক্রান্ত মোচার খোসা ও দানা বিবর্ণ হয়ে যায়। দানা পুষ্ট হয় না, কুঁচকে অথবা ফেটে যায়। অনেক সময় মোচাতে বিভিন্ন দানার মাঝে বা উপরে ছত্রাকের উপস্থিতি খালি চোখেই দেখা যায়। ভুট্টা গাছে মোচা আসা থেকে পাকা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত বেশী থাকলে এ রোগের আক্রমণ বাড়ে। পোকা বা পাখির আক্রমনে বা কান্ড পচা রোগে গাছ মাটিতে পড়ে গেলে এ রোগ ব্যাপকতা লাভ করে। এ রোগের জীবাণু বীজ অথবা আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশে বেঁচে থাকে। একই জমিতে বার বার ভুট্টার চাষ করলে এ রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
প্রতিকার
১. এ রোগের প্রাদুর্ভাব এড়াতে একই জমিতে বার বার ভুট্টা চাষ করা ঠিক নয়।
২. জমিতে পোকা ও পাখির আক্রমন রোধ করতে হবে।
৩. ভুট্টা পেকে গেলে তাড়াতাড়ি কেটে ফেলতে হবে।
৪. কাটার পর ভুট্টার পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
ভুট্টার কান্ড পচা রোগ দমনঃ বিভিন্ন প্রজাতির ছত্রাক যথা ডিপ্লোডিয়া মেডিস, ফিউজেরিয়াম মনিলিফরমি-এর কারণে এ রোগ ঘটে থাকে। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে গাছের কান্ড পচে যায় এবং গাছ মাটিতে ভেঙ্গে পড়ে। আমাদের দেশে খরিফ মৌসুমে এ রোগ বেশী হয়ে থাকে। জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেশী এবং পটাশের পরিমাণ কম হলে ছত্রাক জনিত কান্ড পচা রোগ বেশী হয়।
প্রতিকারঃ
১. ছত্রাকনাশক ভিটাভেক্স-২০০ দিয়ে বীজ শোধন করে লাগাতে হবে।
২. সুষম হারে সার ব্যবহার করতে হবে, বিশেষ করে নাইট্রোজেন ও পটাশ পরিমিত মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।
৩. ভুট্টা কাটার পর পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
৪. শিকড় ও কান্ড আক্রমকারী পোকা-মাকড় দমন করতে হবে।
৫. আক্রান্ত জমিতে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
ফসল সংগ্রহঃ দানার জন্য ভুট্টা সংগ্রহের ক্ষেত্রে মোচা চক্চক্ খড়ের রং ধারণ করলে এবং পাতা কিছুটা হলদে হলে সংগ্রহের উপযুক্ত হয়। এ অবস্থায় মোচা থেকে ছড়ানো বীজের গোড়ায় কালো দাগ দেখা যাবে। ভুট্টা গাছের মোচা ৭৫-৮০% পরিপক্ক হলে ভুট্টা সংগ্রহ করা যাবে। বীজ হিসেবে মোচার মাঝামাঝি অংশ থেকে বড় ও পুষ্ট দানা সংগ্রহ করতে হবে।
ভুট্টা চাষ বিষয়ক আরো তথ্য জানতে ক্লিক করুন (সিমিট, বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত):
http://ais.portal.gov.bd/site/page/0e6bf9c1-262c-4e23-b4da-aa3eb9bd70d2
(আগামীকাল প্রকাশিত হবে ভুট্টার পুষ্টিগুণ নিয়ে দ্বিতীয় পর্ব আর পরবর্তী পর্বে থাকবে ভুট্টার রেসিপি)

Address

Hakaluki Haor, Sylhet
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Borogaon ECA Management MCS Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share