"WISE" Associates (ELIT)

"WISE" Associates (ELIT) "Together We Build Our Dream"

26/03/2014
শুভ জন্মদিনএগিয়ে চলার ১৩ বছর“ প্রতি বছর ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর জন্মদিনেযে দুজন মানুষের হাতের ছোঁয়ায় মোমবাতিপ্রজ্জলিত হতো,আজ...
05/01/2014

শুভ জন্মদিন
এগিয়ে চলার ১৩ বছর

“ প্রতি বছর ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর জন্মদিনে
যে দুজন মানুষের হাতের ছোঁয়ায় মোমবাতি
প্রজ্জলিত হতো,আজ তারা অন্ধকার কারাগারে ”
“ অবিলম্বে জনাব মোঃ রফিকুল আমীন
ও মোঃ হোসেন কে মুক্তি দিয়ে
ডেসটিনিকে ষড়যন্ত্রমুক্ত করা হোক ”
ডেসটিনির সকল আপডেট নিউজ নিয়মিত
পেতে ডেসটিনি সোস্যাল মিডিয়া ফোরাম কর্তৃক
পরিচালিত ফেসবুক
পেইজ সমূহের সাথেই থাকুন।

1. Destiny News Update
2. Destiny Is Our
3. Destiny Blood Bank
4. "WISE" Associates (ELIT)

Post by ShahaN

Verry Good News For Us........
02/12/2013

Verry Good News For Us........

Very GOOD News For Us.....
24/09/2013

Very GOOD News For Us.....

Very GOOD News For Us (D2K)
08/09/2013

Very GOOD News For Us (D2K)

08/09/2013

থ্রিজি নিলামে প্রথম গ্রামীণফোন
_______________________
উন্মুক্ত হলো তৃতীয় প্রজন্মের তরঙ্গ সেবার
দ্বার। থ্রিজি নিলামের প্রথম ফেজে ২১ মিলিয়ন
ডলারে প্রথম লাইসেন্স পেলো গ্রামীণফোন।
রোববার পৌনে ১২টায়
রাজধানী রূপসী বাংলা হোটেলে অনুষ্ঠিত
নিলামে প্রথম ফেইজে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ
দরদাতা হিসেবে এই থ্রিজি লাইসেন্স
পাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
নিলামের শুরুতে ২১ মিলিয়ন ডলারের
(প্রতি মেগাহার্জ) ডাক দেয় বিটিআরসি। এই
ডাকে গ্রামীণফোন সাড়া দিলেও অন্য
কোনো অপারেটর সাড়া না দেয়ায় বিডে প্রথম
জয়ী হিসেবে ইচ্ছামতো তরঙ্গ
নিতে পারবে গ্রামীণফোন।অর্থাৎ নিলামকৃত ৪০
মেগাহার্জ তরঙ্গের মধ্যে ন্যূনতম ১০ মেগাহার্জ
তরঙ্গ পাবে প্রতিষ্ঠানটি।
এরপর নিলামের দ্বিতায় বিডে অংশ
নিয়ে কোনো শঙ্কা ছাড়াই লাইসেন্সের ছাড় পায়
অন্য অপারেটররা। এসময় থ্রিজি নিলাম
লাটারিতে পর্যায়ক্রমে তৃতীয় প্রজন্মের
নেটওয়ার্ক সেবা দেয়ার অনুমতি লাভ
করলো গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও
এয়ারটেল। /ShahaN

''CONGRATULATION''  Our All Liked Friends................
08/09/2013

''CONGRATULATION'' Our All Liked Friends................

অর্থ ও বাণিজ্য » ডেসটিনি কোনো অর্থপাচার করেনি এবং প্রমাণিতও হয়নি অবৈধব্যাংকিং ; কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্তপ্রতিবেদনডেসটি...
19/08/2013

অর্থ ও বাণিজ্য » ডেসটিনি কোনো অর্থ
পাচার করেনি এবং প্রমাণিতও হয়নি অবৈধ
ব্যাংকিং ; কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্ত
প্রতিবেদন
ডেসটিনি কোনো অর্থ পাচার
করেনি এবং প্রমাণিতও হয়নি অবৈধ
ব্যাংকিং ; কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্ত
প্রতিবেদন
ডেস্ক নিউজ : ডেসটিনি নিয়ে চূড়ান্ত
প্রতিবেদনে অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রমাণ
করতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এমনকি ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-
অপারেটিভ সোসাইটি লি. (ডিএমসিএসএল)
নিয়ে যে অবৈধ ব্যাংকিংয়ের অভিযোগ
করা হয়েছিল, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তারও
কোনো উল্লেখ নেই। অর্থ
মন্ত্রণালয়ে পাঠানো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৯৫
পৃষ্ঠার চূড়ান্ত ওই প্রতিবেদনে এসব তথ্য
উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি গত ৭ মার্চ অর্থ
মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় বলে সূত্র জানায়। ওই
প্রতিবেদনে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-
অপারেটিভ সোসাইটি লি.-এর কিছু অনিয়ম
পরিলক্ষিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও
সমবায় অধিদফতরের অনুমোদন নিয়েই
সংস্থাটি সারা দেশে ব্যবসা পরিচালনা
করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয়
ব্যাংক। তবে যে অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘ এক
বছর ধরে ডেসটিনির ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির
করে দেওয়া হয়েছে, সেই অবৈধ ব্যাংকিংয়ের
বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি কেন্দ্রীয়
ব্যাংক। গত বছর মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহজুড়ে
প্রথম সারির কিছু পত্রিকা যায়যায়দিন,
নয়াদিগন্ত, যুগান্তর ও প্রথম
আলো পত্রিকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র উল্লেখ
করে ডেসটিনির বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যাংকিংয়ের
অভিযোগে একের পর এক ধারাবাহিকভাবে
সিরিজ রিপোর্ট করে। এরপর
চলতে থাকে নানা অভিযোগ। ঈষান্বিত হয়ে
হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারসহ নানা
কল্পকাহিনী শুরু করে ঐ সব মিডিয়া। কিন্তু
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে ওইসব
অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত
হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এরই
পরিপ্রেক্ষিতে ডেসটিনি গ্রুপের পরিচালকদের
বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের
অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন
(দুদক)। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহযোগিতা
নিয়ে ওই মামলা করা হয় বলে সূত্র জানায়।
দুদকের মামলায় এখনো কারাবন্দি রয়েছেন
ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ
রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লি.-এর
চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ মোহাম্মদ হোসাইন।
তবে ওই সময় এসব অভিযোগ
মিথ্যা বলে দাবি করেন ডেসটিনি গ্রুপের
কর্ণধাররা। মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
বলেছিলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন হলে ডেসটিনির
বিরুদ্ধে ওইসব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।
তিনি আরো বলেন, সকল আইনকানুন মেনেই
ডেসটিনি ব্যবসা পরিচালনা করছে। তবে এতবড়
ব্যবসা পরিচালনা করতে যেয়ে কিছু ত্রুটি-
বিচ্যুতি থাকা স্বাভাবিক যা আমাদের
নজরে এলে সংশোধন করে নেব।
কিন্তু সেদিন রফিকুল আমীনের ওই কথার ওপর
কেউ মূল্যায়ন করেনি। ফলে মিডিয়ার চরম
অপপ্রচারে ডেসটিনির সঙ্গে জড়িত প্রায় দেড়
কোটি মানুষের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার।
ডিরেক্ট সেলিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
স্বাধীনতার ৪২ বছরে একমাত্র ডেসটিনি এত
লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পেরেছে।
কিন্তু ডেসটিনির সাফল্যে ঈর্যান্বিত
হয়ে একটি দুর্নীতিবাজ চক্র কয়েকটি মিডিয়ায়
একচেটিয়া অপপ্রচার চালিয়েছে। গত এক
বছরে ডেসটিনি রক্ষার্থে বহুবার
সারাদেশে মানববন্ধন করেছে ডেসটিনির
ডিষ্ট্রিবিউটররা। শুধু রাজধানীর জাতীয় প্রেস
ক্লাবেো অসংখ্য বার মানব বন্ধন
করে ডেসটিনির ডিষ্ট্রিবিউটররা।
ডেসটিনি নিয়ে ষড়যন্ত্রের কারণে ডেসটিনির
সঙ্গে জড়িত লাখ লাখ ক্রেতা-পরিবেশক চরম
ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
তারা সরকারের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে
ইতোমধ্যে সারা দেশের প্রধানমন্ত্রীর
হস্তক্ষেপ কামনায় সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে
স্মারকলিপিও দিয়েছেন।
এদিকে অপপ্রচারকারী ওই মহলটি ডেসটিনির
বিরুদ্ধে সরকারকে নানাভাবে প্রভাবিত করার
চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে। এ
প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাংবাদিকদের
বলেছিলেন, ডেসটিনির বিরুদ্ধে কোনো
ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ নেই।
আমরা সংবাদমাধ্যমে রিপোর্টের ভিত্তিতেই
ডেসটিনির বিরুদ্ধে তদন্ত করছি। এমনই তথ্য
জানায় এনবিআরসহ সরকারের অন্যান্য
প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে এটা এখন
পরিষ্কার যে, ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে গুরুতর
কোনো অভিযোগ নেই। ষড়যন্ত্র করেই ওইসব
অভিযোগ আনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ডেসটিনির
বিরুদ্ধে কোনো ক্রেতা-পরিবেশক ও
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ ছিল না। অভিযোগ
রয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি উড়ো চিঠির
ভিত্তিতে ডেসটিনির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে।
তাদের এক প্রতিবেদনে অর্থ পাচারের সন্দেহ
করা হয়। কিন্তু চূড়ান্ত প্রতিবেদনে
ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের
বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব
হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার
ক্ষেত্রে কতিপয় অনিয়ম চিহ্নিত
করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থনৈতিক
বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি বড় অর্থনৈতিক
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে গেলে কিছু
ভুলভ্রান্তি থাকেই। তবে তা সংশোধনের সুযোগ
রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্ত প্রতিবেদন
সম্পর্কে মন্তব্য করতে যেয়ে
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা প্রমাণিত হলো যে,
ডেসটিনি গ্রুপ অবৈধ ব্যাংকিং ও অর্থ পাচারের
সঙ্গে জড়িত নয়। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত
না হওয়ার আগেই ডেসটিনি গ্রুপের কার্যক্রম
স্থবির করে লাখ লাখ মানুষকে পথে কেন
বসানো হলো এ প্রশ্ন করেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান
কারাবন্দি মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও আলহাজ
মোহাম্মদ হোসাইনকে দ্রুত জামিন
দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে সচল করতে সরকারের
কাছে আবেদন করেন। এতে করে প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে কোটি মানুষ ফের অর্থনৈতিক
মুক্তি পাবে বলে মনে করেন তারা। এদিকে, বেশ
কিছু
ডিষ্ট্রিবিউটরকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন;
ডেসটিনির বিরুদ্ধে আমাদের ৪৫ লক্ষ
ডিষ্ট্রিবিউটরের কোন অভিযোগ নেই।
তারা বিশ্বাস করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
জননেত্রী শেখ হাসিনা খুব দ্রুত একটা সমাধান
করে ডেসটিনির দেড় কোটি মানুষের
পাশে দাড়াবেন।

সিনিয়র করেসপন্ডেন্টবাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমছবি:সংগৃহীতঢাকা: গ্রাহকের সাথে প্রতারণা বন্ধে মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম)ক...
19/08/2013

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি:সংগৃহীত
ঢাকা: গ্রাহকের সাথে প্রতারণা বন্ধে মাল্টি-
লেভেল মার্কেটিং(এমএলএম)কার্যক্রম
(নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন
দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে বিদ্যমান
কোম্পানিগুলোকে আগামী ৯০ দিনের
মধ্যে লাইসেন্স নিতে হবে। ব্যর্থ
হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল অথবা ৫০ লাখ
টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত
হতে হবে। আছে প্রশাসক নিয়োগের বিধানও।
এছাড়া নতুন করে কেউ এ ধরনের
ব্যবসা করতে চাইলে তাকে অবশ্যই লাইসেন্স
নিতে হবে। লাইসেন্স বিহীন ভাবে কেউ
ব্যবসা পরিচালনা করলে তাকেও একই ধরনের
সাজা পেতে হবে।
সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার নিয়মিত
বৈঠকে এসব শাস্তির বিধান রেখে এই আইনের
অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক
শেষে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ
মোশাররাফ হোসেন ভুইয়া সাংবাদিকদের
একথা জানান।
সচিব বলেন, যেহেতু সংসদ অধিবেশন নেই। তাই
এটি এখন অধ্যাদেশ আকারে জারি হবে।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক
সময়ে দেশে বেশ কিছু এমএলএম
কোম্পানি গড়ে ওঠেছে। কিন্তু দেশে এর
আইনি কাঠামো ছিলো না। তাই এগুলোর
মাধ্যমে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছিল।
কিন্তু প্রতারণা বন্ধে ও
আইনি কাঠামোতে আনতে আইন জরুরি হয়ে পড়ে।
এতে করে বিকাশমান এমএলএম
কোম্পানিগুলো আইনের আওতায় আসবে।
স্বচ্ছতা আসবে। নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই
সঙ্গে প্রতারণা বন্ধ করা যাবে।
তিনি বলেন, ‘নতুন আইনে এমএলএম
কোম্পানি করতে চাইলে আগে কোম্পানি গঠন
করতে হবে। এবং সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স
নিতে হবে। তবে লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ
করতে এবং প্রতারণা করলে সরকার তার
লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিত করতে পারবে ।
এছাড়া প্রয়োজনে সরকার গেজেট প্রকাশের
মাধ্যমে সেই কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ
নিতে পারবে। সেখানে এক বা একাধিক প্রশাসক
নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।’
সচিব বলেন, ‘এর ফলে বিদ্যমান কোম্পানিগুলোর
কার্যক্রম বন্ধ হবে না। তাদের কে অধ্যাদেশ
জারির ৯০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নিতে হবে।
লাইসেন্স না নিলে আইনগতভাবে দণ্ডনীয় হবে।’
তিনি জানান, নতুন করে লাইসেন্স
ছাড়া ব্যবসা করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল ও
৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। আর
বিদ্যমানরা ৯০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স
না নিলে একই মেয়াদে দণ্ড হবে। আইনে কেউ
সরকারের অনুমতি ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর
করলে ১ থেকে ১০ বছরের জেল অথবা ৫ লাখ
টাকা জরিমানা দিতে হবে।
সাংবাদিকদের মোশাররাফ হোসেন আরও বলেন,
‘আইনে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে অনুমতি ছাড়া তার
বাড়িতে যাওয়া যাবে না। এমন কাজ করলেও আইন
ভঙ্গ হবে। এবং ৬ মাস থেকে ১ বছর জেল অথবা ১
লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আইনের
বিদ্যমান কোন ধারা দ্বিতীয় বারের মতো লঙ্ঘন
করলে সাজা দ্বিগুণ হবে। আইন
না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিনা ওয়ারেন্টে আটক
করতে পারবে আইন শৃংখলা রক্ষাবাহিনীর
সদস্যরা।’
সোমবারের সভায় ফাইন্যান্সিয়াল
রির্পোটিং আইন-২০১৩ নীতিগত অনুমোদন
এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (সংশোধন)
২০১৩ ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন
দিয়েছে সরকার।
ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন
আইনটি নিয়ে মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, ‘২০০৮
সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের
আমলে ফাইন্যান্সিয়াল
রির্পোটিং নামে একটি অধ্যাদেশ
জারি করা হয়। পরবর্তীতে সরকার সেটি আর
আইনে রূপ দেয়নি। তবে অর্থ বিভাগ মনে করছে,
এমন একটি আইন থাকা দরকার। তাই ২০০৯
সালে মে মাসে আইনের একটি খসড়া মন্ত্রিসভায়
আসে। তবে মন্ত্রিসভা কিছু পর্যবেক্ষণ দেয়।
এরপর ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে দ্বিতীয়
বার মন্ত্রিসভায় আসে। আজ তা নীতিগত অনুমোদন
দেওয়া হলো।’
সচিব বলেন, আমাদের দেশে ফাইন্যান্সিয়াল
রিপোর্টিং কোন একক মানে ছিলো না। কোন একক
নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিলো না। কিন্তু
একটি নিয়ন্ত্রণকারি সংস্থা জরুরি হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, ‘আইনে একটি একটি কাউন্সিল
রাখার বিধান রাখা হয়েছে।
যাতে চেয়ারম্যান থাকবেন বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নর।
এছাড়া সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন,
বীমা উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, অর্থ
মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব
বোর্ড, আইসিএমএবি, আইসিএবি এর
প্রতিনিধিরা থাকবে। এতে মোট ১২ জন সদস্য
থাকবেন। দুইজন থাকবে বিশেষজ্ঞ সদস্য।
আইনে অডিটরদের জবাবদিহিতার আওতায়
আনা হয়েছে। সেটি আগে ছিলো না। লংঘনে ১
থেকে ৫ বছরের জেল অথবা ১ লাখ
টাকা জরিমানা দিতে হবে অডিটরদের।
সচিব বলেন, তবে কোন প্রতিষ্ঠান কাউন্সিলের
সিদ্ধান্ত ক্ষুব্ধ হলে তিনি আপিল
করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে একটি ট্রাইব্যুন্যাল
গঠন করে তা পর্যালোচনা করা হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশোধন আইন:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশোধন আইন:
ডিজিটাল সরকারের এই সময়ে তথ্য প্রযুক্তির
ব্যবহার ব্যাপক হারে বেড়েছে। তবে একই
সঙ্গে বেড়েছে অপপ্রয়োগ। এটি রোধ
করা দরকার। তাই তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি আইন-২০০৬ কে আরো সুনির্দিষ্ট
করতে সংশোধনী আনা হয়েছে। পুরনো আইনে বেশ
কিছু অস্পষ্টতা ও অপর্যাপ্ততা রয়েছে। তাই নতুন
আইন করে সেগুলো দূর করা হয়েছে।
সরকার এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করবে বলেও
জানান তিনি।
সচিব বলেন, আইন লংঘনে শাস্তির মেয়াদ
বাড়ানো হয়েছে। গুরুতর অপরাধে পুলিশ
ওয়ারেন্ট ছাড়াই আটক করতে পারবে।
আইনে সাজার মেয়াদ রাখা হয়েছে ৭ থেকে ১৪
বছর। যা বিদ্যমান আইনে ছিলো সর্বোচ্চ ১০
বছর। তবে কেবল সরকার ও পুলিশ আইন
লংঘনে মামলা করতে পারবে। কোন
ভুক্তভোগী মানহানির স্বীকার
হলে মামলা করতে পারবেন না।
বাংলাদেশ সময়: ১২৫৫ ঘণ্টা, আগস্ট ১৯, ২০১৩/
আপডেটেড- ১৪৫০ ঘণ্টা।
এসএআর/এনএস /জেসিকে......by ShahaN

Address

Masud Hritu Group, Blu Watar, Zindabazar
Sylhet
3100

Telephone

01710210266

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when "WISE" Associates (ELIT) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share